রুমেশ রত্নায়েকে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রুমেশ রত্নায়েকে
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরুমেশ যোসেফ রত্নায়েকে
জন্ম (১৯৬৪-০১-০২) ২ জানুয়ারি ১৯৬৪ (বয়স ৫৪)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২১)
৪ মার্চ ১৯৮৩ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট২ জানুয়ারি ১৯৯২ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ২৮)
২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই১ ডিসেম্বর ১৯৯৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২৩ ৭০
রানের সংখ্যা ৪৩৩ ৬১২
ব্যাটিং গড় ১৪.৪৩ ১৬.৫৪
১০০/৫০ -/২ -/-
সর্বোচ্চ রান ৫৬ ৩৩*
বল করেছে ৪৯৬১ ৩৫৭৫
উইকেট ৭৩ ৭৬
বোলিং গড় ৩৫.১০ ৩৫.৬৮
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৬৬ ৫/৩২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৯/- ১১/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো, ৪ মার্চ ২০১৬

রুমেশ যোসেফ রত্নায়েকে (তামিল: ருமேஸ் ரத்னாயக்க; জন্ম: ২ জানুয়ারি, ১৯৬৪) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। দলে মূলতঃ ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন রুমেশ রত্নায়েকে। নতুন বলে সুইং প্রদর্শনের পাশাপাশি পেস ও বাউন্সের অপূর্ব সম্মিলন ঘটিয়েছেন। এছাড়াও, নীচের সারির ব্যাটসম্যান হিসেবেও বড় ধরনের রান সংগ্রহে সক্ষম ছিলেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৮২ থেকে ১৯৯৩ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে ২৩ টেস্ট ও ৭০ ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। কিন্তু এ সময়ে আঘাতপ্রাপ্তি তাঁর ক্রীড়াশৈলীতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দু'টি অর্ধ-শতক করেছেন যথাক্রমে পাকিস্তানইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে ২২ বছর বয়সে ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্ট সিরিজে তিনি ২০ উইকেট দখল করেন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় টেস্টে ৯ উইকেট তুলে নিয়ে টেস্ট জয়সহ প্রথমবারের মতো দলের সিরিজ জয় নিশ্চিত করেন। এছাড়াও, হোবার্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯৯০-৯১ মৌসুমে ৬/৬৬ ও লর্ডসে ৫/৬৯ পান।

কোচিং[সম্পাদনা]

খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর নেয়ার পর জুলাই, ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দলের দলীয় ব্যবস্থাপক মনোনীত হন।[১] ২০০৩ সালে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের ডেভেলপম্যান্ট অফিসার হিসেবে মনোনীত হন তিনি।[২] ঐ বছরই দূর্বলমানের এশীয় দেশগুলোর খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া স্বপ্নের এশীয় দলের কোচ ও দল নির্বাচকের দায়িত্বে ছিলেন। দলটি শ্রীলঙ্কায় ৬টি খেলায় অংশ নিয়েছিল।[৩] মে, ২০০৭ তারিখে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলে সহকারী কোচের দায়িত্ব পান।[৪] অনেকেই ধারনা করেছিলেন যে, তিনি অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।[৫] কিন্তু এটি সহকারীর ছিল ও জুন, ২০০৭ সালে তিনি ঐ দায়িত্ব থেকে সরে আসেন।[৬] কানাডায়ও তাঁর দক্ষতাবিষয়ক পরামর্শকের প্রস্তাবনা পান।[৭] আগস্ট, ২০১১ সালে জাতীয় দলের প্রধান কোচ মনোনীত হয়েছিলেন।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Rediff.com July 25th, 2001 Retrieved on June 17th, 2008
  2. Monsoon Rains force Reschedule Cricinfo.com, July 18th, 2003 Retrieved on June 17th, 2008
  3. [১]Retrieved on June 17th, 2008
  4. Rumesh to take over as assistant coach Sunday Times newspaper (Sri Lanka) Sunday May 20th, 2007 Retrieved on June 17th, 2008
  5. Rumesh Ratnayake: Interim Coach of Sri Lanka SouthAsiabiz.com, May 20th, 2007 Retrieved on June 17th, 2008
  6. Whither the future, Marvan, Rumesh? The Sunday Leader Vol. 14 Issue 2, July 1, 2007 Retrieved on June 17, 2008
  7. Ratnayake conducts camp Caledon Enterprise newspaper (Ontario, Canada), June 5th, 2008 Retrieved on June 17th, 2008
  8. [২] Cricinfo.com, Aug 3rd, 2011 Retrieved on Aug 3rd, 2011

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]