সিদাথ ওয়েতিমুনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সিদাথ ওয়েতিমুনি
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (1956-08-12) ১২ আগস্ট ১৯৫৬ (বয়স ৬৩)
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাউদ্বোধনী ব্যাটসম্যান
সম্পর্কসুনীল ওয়েতিমুনি (ভ্রাতা)
মিত্র ওয়েতিমুনি (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১১)
১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট৪ জানুয়ারি ১৯৮৭ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ২২)
১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ ওডিআই১৭ জানুয়ারি ১৯৮৭ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২৩ ৩৫
রানের সংখ্যা ১২২১ ৭৮৬
ব্যাটিং গড় ২৯.০৭ ২৪.৫৬
১০০/৫০ ২/৬ ০/৪
সর্বোচ্চ রান ১৯০ ৮৬*
বল করেছে ২৪ ৫৭
উইকেট
বোলিং গড় ৭০.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং - ১/১৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১০/০ ৩/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৭ জুন ২০১৬

সিদাথ ওয়েতিমুনি (তামিল: சிதத் வெத்தமுனி; জন্ম: ১২ আগস্ট, ১৯৫৬) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৭ মেয়াদে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন তিনি।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। দুই ইনিংসে তিনি মোট ১৫ রান তোলেন। ঐ খেলায় শ্রীলঙ্কা দল ৭ উইকেটে পরাজিত হয়েছিল। কিন্তু, ১৯৮১-৮২ মৌসুমে পাকিস্তান সফরে নিজেকে মেলে ধরেন। প্রথম টেস্টে ৭১ ও ফয়সালাবাদ টেস্টে শ্রীলঙ্কার পক্ষে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করার কীর্তিগাঁথা রচনা করেন। তার সংগৃহীত ১৫৭ রানের কল্যাণে দল ৪৫৪ তোলে ও খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয় যা শ্রীলঙ্কার প্রথম পরাজিত না হবার ঘটনা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। শেষ টেস্টে শ্রীলঙ্কা হারলেও দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান তুলেছিলেন।

১৯৮২-৮৩ মৌসুমের চার ওডিআইয়ের প্রথমটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৭ করেন। শ্রীলঙ্কা ঐ খেলায় জয় পায়। দ্বিতীয় খেলায় ওয়েতিমুনি’র ৫৬ রান দলকে জয় এনে দেয়। বাদ-বাকী দুই খেলা বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয় ও শ্রীলঙ্কা তাদের প্রথম ওডিআই সিরিজ জয় করে। কিন্তু টেস্টে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ৩৮ রানে জয় পায়। দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ২০৫ রানের মধ্যে তিনি একাই করেন ৯৬।

১৯৮৪ সালে ইংল্যান্ড সফরে নিজস্ব দ্বিতীয় সেঞ্চুরি ১৯০ তোলেন যা ঐ সময়ে শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ ছিল। তার করা ১৯০ রানটি ইংরেজ ক্রিকেট সমর্থকদের বেশ আনন্দ দেয়। পরবর্তীকালে ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে ব্রেন্ডন কুরুপ্পু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বি-শতক করে রেকর্ড ভঙ্গ করেন।

অন্যান্য[সম্পাদনা]

১৯৮৫ সালে উইজডেন কর্তৃপক্ষ তাকে বর্ষসেরা ক্রিকেটার ঘোষণা করে। এরফলে প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে তিনি এ সম্মাননা লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে আসা নিউজিল্যান্ড দলের মধ্যকার টেস্ট সিরিজে ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে ছিলেন।[১] এছাড়াও, ১ অক্টোবর, ১৯৯৭ তারিখে বুলাওয়েতে উক্ত দুই দলের মধ্যকার ওডিআই সিরিজেও ম্যাচ রেফারী ছিলেন। মিত্র ও সুনীল নামে তার দুই ভাইও শ্রীলঙ্কার পক্ষে ক্রিকেট খেলেছেন।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "New Zealand tour of Zimbabwe, 1st Test: New Zealand v Zimbabwe at Harare, September 18–23, 1997"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  2. "New Zealand tour of Zimbabwe, 1st ODI: New Zealand v Zimbabwe at Bulawayo, October 1, 1997"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]