গালে (শ্রীলঙ্কা)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
গালে
ගාල්ල
காலி
শহর
গালে শহর
ঘড়ির কাটার দিকে (শীর্ষ বামে): গালে মন্দির, গালে দূর্গ, দূর্গের অভ্যন্তরভাগ, সেন্ট অ্যালয়সিয়াস কলেজ গালে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, ওলন্দাজদের পুণঃনির্মিত গালে চার্চ, গালে মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল
ঘড়ির কাটার দিকে (শীর্ষ বামে): গালে মন্দির, গালে দূর্গ, দূর্গের অভ্যন্তরভাগ, সেন্ট অ্যালয়সিয়াস কলেজ গালে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, ওলন্দাজদের পুণঃনির্মিত গালে চার্চ, গালে মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল
গালে ගාල්ලகாலி শ্রীলঙ্কা-এ অবস্থিত
গালে ගාල්ලகாலி
গালে
ගාල්ල
காலி
স্থানাঙ্ক: ৬°৩′১৩″ উত্তর ৮০°১২′৪২″ পূর্ব / ৬.০৫৩৬১° উত্তর ৮০.২১১৬৭° পূর্ব / 6.05361; 80.21167স্থানাঙ্ক: ৬°৩′১৩″ উত্তর ৮০°১২′৪২″ পূর্ব / ৬.০৫৩৬১° উত্তর ৮০.২১১৬৭° পূর্ব / 6.05361; 80.21167
দেশ শ্রীলঙ্কা
প্রদেশ দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ
সরকার
 • ধরন গালে মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল
 • মেয়র মেথসিরি ডি সিলভা
 • সদর দফতর গালে টাউন হল
আয়তন
 • মোট ১৬.৫২ কিমি (৬.৩৮ বর্গমাইল)
উচ্চতা ০ মিটার (০ ফুট)
জনসংখ্যা (2011)
 • মোট ৯৯,৪৭৮
 • ঘনত্ব ৫৭১২/কিমি (১৪৭৯০/বর্গমাইল)
বিশেষণ গালীয়
সময় অঞ্চল শ্রীলঙ্কা মান সময় (ইউটিসি+5:30)
এলাকা কোড 091
ওয়েবসাইট galle.mc.gov.lk
গালের পুরনো শহর ও নিদর্শনমূহ
Srilanka galle fort.jpg
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান
অবস্থান শ্রীলঙ্কা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
আয়তন [রূপান্তর: অকার্যকর সংখ্যা]
মানদণ্ড iv
তথ্যসূত্র 451
স্থানাঙ্ক ৬°০২′২২″ উত্তর ৮০°১৩′১০″ পূর্ব / ৬.০৩৯৫১° উত্তর ৮০.২১৯৪২° পূর্ব / 6.03951; 80.21942
শিলালিপির ইতিহাস ১৯৮৮ (১২তম সভা)
ওয়েবসাইট galle.mc.gov.lk

গালে (সিংহলি: ගාල්ල; তামিল: காலி) শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রধান শহর। কলম্বো থেকে ১১৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বাংশে এ শহরের অবস্থান। দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশের প্রশাসনিক রাজধানী ও গালে জেলার রাজধানী হিসেবে এ শহরটি মর্যাদা পাচ্ছে। ষোড়শ শতকে পর্তুগীজরা এখানে আসে। তখন এটি জিমহাথিথ্থা নামে পরিচিত ছিল। এরপূর্বে চতুর্দশ শতকে বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এ শহরটিকে ‘কালি’ নামে উল্লেখ করেছিলেন।[১] ঐ সময় দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রধান বন্দর হিসেবে এটি পরিচিতি পায়।

গালে ১৫টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।[২] ২৬ ডিসেম্বর, ২০০৪ তারিখে ইন্দোনেশিয়ার উপকূল থেকে হাজার মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে উদ্ভূত ধ্বংসাত্মক সুনামীতে শহরটি ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হয়। কেবলমাত্র এ শহর থেকেই হাজার হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে।

নিদর্শনসমূহ[সম্পাদনা]

অষ্টাদশ শতকে এ শহরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শীর্ষস্থানে পৌঁছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পর্তুগীজদের স্থাপত্যশৈলীর উজ্জ্বল নিদর্শন ক্ষেত্র এটি। ১৬৪৯ সাল থেকে ওলন্দাজরাও এ শহরের প্রাচীরকে বিস্তৃত করেছে। গালে দূর্গ ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের আওতাভূক্ত এবং ইউরোপীয় দখলদার কর্তৃক এশিয়ায় বিশাল দুর্গ হিসেবে অদ্যাবধি অবশিষ্ট রয়েছে।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে প্রাকৃতিক উপত্যকা, জাতীয় নৌ যাদুঘর, সেন্ট মেরিজ ক্যাথেড্রাল, শিব মন্দির অন্যতম। এছাড়াও, ঐতিহাসিক ও বিলাশবহুল হোটেল রয়েছে এখানে।

ক্রিকেটের স্বর্গভূমি এ শহরটি। পৃথিবীর অন্যতম দর্শনীয় ও ছবিসদৃশ্য ক্রিকেট স্টেডিয়ামরূপে গালে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামকে বিবেচনা করা হয়।[৩] সুনামীতে এ মাঠেরও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুণনির্মাণ করে ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৭ তারিখে পুণরায় টেস্ট খেলার আয়োজন করা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Medieval Traveller Ibn Battuta was a Guest of the Jaffna King in 1344"। Ilankai Tamil Sangam। ২০০৬। 
  2. "Administrations"Galle Municipal Council। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  3. "Pitching it Up: The Galle International Stadium"। World Cricket Watch। ২০১১। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]