সিনেমা প্যালেস
অবয়ব
![]() | |
| প্রাক্তন নাম | থিয়েটার হল |
|---|---|
| ঠিকানা | চট্টগ্রাম বাংলাদেশ |
| অবস্থান | কে সি দে সড়ক |
| স্থানাঙ্ক | ২২°২০′১৭″ উত্তর ৯১°৫০′০৯″ পূর্ব / ২২.৩৩৭৯২৯৭° উত্তর ৯১.৮৩৫৭৬৮২° পূর্ব |
| মালিক | আবুল হোসেন[১] |
| ধারা | প্রেক্ষাগৃহ |
| নির্মাণ | |
| নির্মিত | ১৯৪৩ |
| বন্ধ | ২০২৩[২] |
| কার্যকাল | ১৯৪০-২০২৩ |
সিনেমা প্যালেস বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের প্রাচীন প্রেক্ষাগৃহ।[৩]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯২৮ সালে, চট্টগ্রামের কে. সি. দে সড়কে একটি থিয়েটার হল হিসেবে সিনেমা প্যালেসের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে, ১৯৪৩ সালে, এটি প্রেক্ষাগৃহে রূপান্তরিত হয় এবং ‘সিনেমা প্যালেস’ নামে পরিচিতি লাভ করে।[২][৪] দীর্ঘকাল ধরে এটি চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হলেও, ভবনটির জীর্ণদশার কারণে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়।[২][৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "সিনেমা হল শূন্য হচ্ছে চট্টগ্রাম, বাঁচার লড়াইয়ে 'ঝুমুর'-'সিনেমা প্যালেস'"। সিভয়েস২৪। ৩ ডিসেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২৩।
- 1 2 3 "সিনেমা প্যালেস বন্ধের নির্দেশ"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২৩।
- ↑ আকবর, জাহিদ (৫ ডিসেম্বর ২০২২)। "চট্টগ্রামে সিনেমার হালচাল ও প্রেক্ষাগৃহের বর্তমান অবস্থা"। দ্যা ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২৫।
- ↑ খালেদ, মোহাম্মদ, সম্পাদক (নভেম্বর ১৯৯৫)। "প্রেক্ষাগৃহ"। সংস্কৃতি। হাজার বছরের চট্টগ্রাম (৩৫ বর্ষপূর্তি বিশেষ সংখ্যা)। চট্টগ্রাম: এম এ মালেক: ১৫৮-১৫৯।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর জন্য|ইউআরএল=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট (১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। "সিনেমা প্যালেস বন্ধের নির্দেশ দিল চসিক"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০২৩।
