বনশ্রী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বনশ্রী
বেসরকারি উপশহর
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা
জেলাঢাকা
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+০৬:০০)

বনশ্রী হচ্ছে একটি আবাসিক এলাকা। এটি রামপুরা থানার মধ্যে অবস্থিত। এই পুরো এলাকাটিকে ইস্টার্ন হাউজিং লিঃ নির্মাণ করেছে। "বনশ্রী" শব্দের অর্থ হচ্ছে "বন-এর সৌন্দর্য"।[১]

অবস্থান[সম্পাদনা]

এলাকাটি নির্মাণ হয়েছিল একান্তই আবাসিক এলাকা হিসাবে। এটি রামপুরার বাংলাদেশ টেলিভিশন সেন্টারের নিকটেই অবস্থিত। বনশ্রী আবাসিক এলাকার পাশেই রয়েছে জহুরুল ইসলাম সিটি (আফতাব নগর), শুধু মাত্র বনশ্রীর খাল এই দুটি এলাকাকে আলাদা করেছে। পুরো বনশ্রীতে নয়টি ব্লক রয়েছে। [২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বনশ্রী নির্মাণের আগে এটি ছিল শুধুমাত্র একটি বিল, যেখানে শীতকালে ধান চাষ করা হোত। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই কয়েক হাজার ঘর-বাড়ি নির্মিত হয়েছে। এখন হাতিরঝিল এই এলাকাকে গুলশান ও ধানমন্ডির সাথে যুক্ত করেছে। [১]

সুযোগ-সুবিধা[সম্পাদনা]

এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ ধনী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীভুক্ত। এখানে মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল, ব্যাংক, এটি-এম বুথ, হাসপাতাল, রেষ্টুরেন্ট সহ উন্নত মানের বসবাসের জন্য যা দরকার সবই আছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

এই এলাকায় রয়েছে ঢাকার কয়েকটি উন্নতমানের স্কুলের শাখা ও আলিয়া এবং কওমি মাদরাসা রয়েছে। উল্লেখ যোগ্যঃ-

পরিবহন ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

বনশ্রীতে অনেক যানবাহনের ব্যবস্থা রয়েছে। কয়েকটি বাস রয়েছে যেগুলো বনশ্রীর মানুষদের ঢাকা-শহরের বেশকিছু প্রধান জায়গায় যাওয়া একান্তই সহজ করে দেয়। যানবাহনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- রবরব পরিবহন, আলিফ পরিবহন, অছিম পরিবহন, রাজধানী পরিবহন, স্বাধীন পরিবহন, আসমানী পরিবহন, রমজান পরিবহন ইত্যাদি ।

বনশ্রী কল্যাণ সমিতি[সম্পাদনা]

বর্তমানে পুরো বনশ্রীকে চালনা করে বনশ্রী কল্যাণ সমিতি, যা বনশ্রীতে বসবাসকারীদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা গঠিত।[৪]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "পরিষ্কার হয়েছে রামপুরা খাল"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-০২ 
  2. "সনি-র‌্যাংগসের বনশ্রী শোরুম উদ্বোধন"দৈনিক সমকাল। ১৭ আগস্ট ২০১৮। ২ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৯ 
  3. "গতকাল শনিবার আল-রাজী মডেল কলেজ রামপুরা বনশ্রীতে এস.এস.সি.,দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা"The Daily Sangram। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-০২ 
  4. "অধিকাংশ সড়কবাতি নষ্ট"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-০২