ইব্রাহিম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইব্রাহিম
আলাইহি ওয়াস সাল্লাম ( عليه السلام )
Ibrahim (Abraham)1.png
ইব্রাহিম নাম ইলামিক লিপিবিদ্যায় লেখা
স্থানীয় নাম ইব্রাহিম - إبراهيم
জন্ম প্রায় ২৫১০ হিজরি
ইউআর, ইরাক
মৃত্যু প্রায় ২৩২৯ হিজরি (আনুমানিক ১৭৫ বছর বয়সী)
হেবরন, পশ্চিম তীর
মৃত্যুর কারণ বার্ধক্য
সমাধি ইব্রাহিমী মসজিদ
ধর্ম ইসলাম
দাম্পত্য সঙ্গী হাজেরা, সারাহ
সন্তান ইসমাইল, ইসহাক

ইব্রাহিম বা ইব্রাহীম, সম্মানার্থে হযরত ইব্রাহিম [আ.] বা জনাব ইব্রাহিম [আ.](আরবি: ابراهيم, হিব্রু: אַבְרָהָם), বাইবেলের তোরাহঅনুসারে আব্রাহাম (Abraham) (আনুমানিক ১৯০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১৮৬১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে জন্ম – মৃত্যু ১৮১৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১৭১৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ), ইসলাম ধর্মের একজন গুরুত্বপূর্ণ নবীরাসূল[১][২] কা'বুল আহবার-এর মতে তিনি ১৯৫ বছর জীবিত[৩] ছিলেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাসের এর ফলে সৃষ্টিকর্তা তাকে সর্বকালের সকল জাতির নেতা বানানোর প্রতিজ্ঞা করেন।[৪] ইসলামে তার কার্যক্রম কে স্মরণ করে ঈদুল আযহা পালিত হয়। ইব্রাহিম ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল ইসলামে কুরবানি[৫], হজ্জ প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানের মুসলিমদের দ্বারাও পালিত হয়।

ইব্রাহিম (আঃ) এর কবর

জন্ম ও বংশ পরিচয়[উৎস সম্পাদনা]

তাঁর পিতার নাম 'আযর'। তাঁর স্ত্রীর নাম 'সারা'। তাঁর চার পুত্র ছিলেন: 'ইসমাইল' (Ismail), 'ইসহাক' (Isaac), 'মাদয়ান', 'মাদায়েন'। মতান্তরে তাঁর ৬-১২জন পুত্র ছিলেন।[৩]

আসমানী কিতাব[উৎস সম্পাদনা]

ইসলাম ধর্মমতে, জনাব ইব্রাহিমের [আ.] উপর ২০খানা সহীফা অবতীর্ণ হয়।[৩]

অন্যান্য[উৎস সম্পাদনা]

ইসলাম ধর্মমতে তিনিই প্রথম মিসওয়াক করেন, প্রস্রাব সেরে পানি দ্বারা পরিষ্কার হোন, খৎনা করেন, হালুয়া তৈরি করেন এবং মেহমানদারির প্রচলন করেন।[৩]

তথ্যসূত্র[উৎস সম্পাদনা]

  1. কুরআন 87:19
  2. Siddiqui, Mona"Ibrahim – the Muslim view of Abraham"Religions (BBC)। সংগৃহীত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  3. ৩.০ ৩.১ ৩.২ ৩.৩ ফক্বীহ আবুল লাইস সমরকন্দী (রহ.)। "নবী রাসুল প্রসঙ্গ"। বুস্তানুল আ'রেফীন (প্রিন্ট) (বাংলা ভাষায়) (১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ সংস্করণ)। চকবাজার, ঢাকা: হামিদিয়া লাইব্রেরী লি:।  |translator= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (|others= পরামর্শকৃত) (সাহায্য); |accessyear= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য); |accessmonth= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য);
  4. কুরআন। পৃ: ২:১২৪। 
  5. কুরআন। পৃ: ২:১২৮। 

বহিঃসংযোগ[উৎস সম্পাদনা]