আলাপ:যিশু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

Hey

যিশু / যীশূ[সম্পাদনা]

যীশূ কেন ? বিদেশি শব্দের জন্য ঈ-কার, ঊ-কার ব্যবহৃত হবে না। বাংলা একাডেমীর বানান-রীতি ও ভুক্তি দেখুন। --Amr ১৭:০৯, ১৩ আগস্ট ২০০৬ (UTC)

কিন্তু অনেক জায়গায় আমি দেখেছি বানানটি যীশু৷ ডাইরেক্ট তো এটি বিদেশী নয়, কারণ ইংরেজিতে বলা হয় জিজাস, এবং আমার মনে আমাদের একটু রিসার্চ করার উচিত৷ কি বানান ঠিক? --Docwho (চিনাৎসু) ০৯:১৭, ২১ জানুয়ারি ২০০৭ (UTC)
বিদেশি। ইংলিশ নয়, কিন্তু বিদেশি। আমার ধারণা পর্তুগীজ। আমি শিওর না অবশ্য। ওর আসল নাম ইয়েহশুয়াহ, হ গুলা প্রায় উচ্চারণই হয় না, তাই আমার ধারণা বাংলায় লেখা উচিত য়েশুয়া। কিন্তু আমার তো মাথা খারাপ, তো ঐটা থাক। রোমানরা উচ্চারণ করত য়েশু, গ্রীকরাও। গ্রীকরা লিখত Jesus, J খুবই কমনলি "ইয়" উচ্চারণ হয় (যেমন হান্সি ক্রনিয়ে)। আর ওদের শেষের s পড়া হয় না (এইক্ষেত্রে)। অশিক্ষিত ইংরেজগুলা ঐটা ইংলিশে পড়ে। বেকুব কতরকম হয়। স্প্যানিশরা আবার এক কাঠি বেশি। ওরা বলে হেসুস... --ইমাম তাশদীদ উল আলম ১৪:২৭, ২২ জানুয়ারি ২০০৭ (UTC)
বাংলা একাডেমী অভিধান বলছে যিশু এবং যীশু দুটোই শুদ্ধ। দীর্ঘ ঊ-কার নেই। যেহেতু বাংলায় আত্তীকৃত রূপ এ দুটা-ই, তাই আমি মূল নাম যিশু রেখে যীশু, যিশূ আর যীশূ এটাতে রিডিরেক্ট করে দিচ্ছি। মনপূত না হলে মন্তব্য রাখুন। --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ১৫:৪৫, ২২ জানুয়ারি ২০০৭ (UTC)

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির বানান যিশু। আকাদেমির অভিধানে আরও একটি বানানের হদিস আছে - 'জিশু'। এটি দেড়-দুশো বছর আগে কেউ কেউ ব্যবহার করতেন। আজকেও কোনও কোনও চার্চের সাইনবোর্ডে চোখে পড়ে (সেটা বানান ভুল করে লেখা কিনা বলতে পারব না)। তবে আকাদেমি বানানটিকে অশুদ্ধ বলছেন না। তবে যীশু বানানটি আকাদেমির বানানরীতিরও বিরোধী; কারণ ঈ-কার বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মজার কথা হল, ভারতের বাইবেল সোসাইটি ও অন্যান্য খ্রিস্টান সংস্থা যাঁরা বাইবেল প্রকাশ করেন তাঁরা এই ঈ-কারটি ত্যাগ করতে চাইছেন না। ফলে বাইবেল প্রকাশনায় যীশু বানানটিই রয়ে গেছে। --অর্ণব দত্ত ০৬:১৭, ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ (UTC)

অনেকেই মনে করেন বিদেশী নাম থেকে দীর্ঘ-ঈ কার উঠিয়ে দেবার সিদ্ধান্তটা অনেকটা হঠাৎ করেই নেওয়া। কেননা বাংলাতে বিদেশী (মূলত ইংরেজি) শব্দের দীর্ঘ ই ধ্বনিকে বাংলা বর্ণ ঈ দিয়ে প্রকাশ করাটা অনেক দিনের ঐতিহ্য। দীর্ঘ ঈ দিয়ে হাজার হাজার বিদেশী শব্দ লেখা হয়েছে ও পুনর্মুদ্রিত হয়েছে। এটাকে হঠাৎ করে ৯০-এর দশকে এসে বাদ দিলে একটা গণ্ডগোল তো লাগবেই। দুই বাংলার অ্যাকাডেমি এ ব্যাপারে আরও অনেকের সাথে কথা বলে ও জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিলেই ভাল হত। পশ্চিমবঙ্গে তো তা-ও পবিত্র সরকার নতুন বানানের পক্ষে বিস্তর লেখালেখি করে ব্যাপারটাকে স্বাভাবিক করতে চেয়েছেন, এর বিরোধীদের সামাল দিতে চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশে তা-ও হয়নি। ঢাকা বাংলা একাডেমীর যারা নতুন বানান (যেটার সাথে পশ্চিমবঙ্গের নতুন বানানের যথেষ্ট মিল আছে) প্রণয়ন করেছেন, তারা নিয়ম অভিধানের পরিশিষ্টে জুড়ে দিয়েই খালাস। পবিত্র সরকার বা সুভাষ ভট্টাচার্যের মত এ নিয়ে বিস্তারিত লেখার ও বানান পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যার করার কোন তাগিদ তারা অনুভব করেননি। পুরনো বানানগুলি কেন পরিত্যাজ্য, এ নিয়ে তারা কোন জোরালো যুক্তি দেন নি। ফলে "নতুন" বানানের পাশাপাশি "পুরনো" বানানগুলিও চলছে, এবং মাঝখান দিয়ে confusion আরও বেড়ে গেছে।
বানান প্রসঙ্গে আরও কিছু বলি। ইদানিং বাংলাদেশে কিছু কিছু শব্দের বাংলা বানানে ছোটখাট নতুন বিবর্তন দেখা যাচ্ছে। দুটো উদাহরণ দিচ্ছি। এক, "-জীবী" প্রত্যয়টাকে "জীবি" লেখার প্রবণতা বিগত চার-পাঁচ বছরে বেশ বেড়ে গেছে। রাস্তা ঘাটের রাজনৈতিক ব্যানার থেকে শুরু করে কিছু কিছু বাংলা পত্রিকাতেও "-জীবি" বানানটা দেখতে পাওয়া যায়, যেটা ২০০০ সালের দিকেও দেখা যেত না। যেমন- বুদ্ধিজীবি, আইনজীবি, পেশাজীবি, ইত্যাদি। এটা একটা নতুন জিনিস। দুই, সম্বন্ধ বোঝাতে এর বিভক্তি নামের সাথে "-ের" হিসেবে যোগ না করে সম্বন্ধ "এর"-কে আলাদা একটা শব্দ হিসেবে লেখার প্রবণতা শুরু হয়েছে (অথচ বাংলাতে "এর" দিয়ে ইতিমধ্যেই একটা শব্দ আছে, যার অর্থ "ইহার" its)। এই আলাদা "এর" সংবাদপত্রে দেখা না হলেও রাস্তার আনাচে কানাচে ব্যানারগুলিতে দেখতে পাওয়া যায়। যেমন - "জনাব অমুকের মুক্তি চাই" না লিখে "জনাব অমুক এর মুক্তি চাই"। এটাও বেশ সাম্প্রতিক একটা ঘটনা। বাংলা উইকিপিডিয়াতেও অনেক তরুণ ব্যবহারকারীর লেখাতে এই নতুন, স্বাধীন "এর" শব্দটা চোখে পড়ে। অর্থাৎ তরুণ প্রজন্ম রাস্তায় দেখতে দেখতে ভাবছে এভাবেই মনে হয় সম্বন্ধ "এর" লেখা হয়, এবং সেটা তাদের লেখায় চলে আসছে। --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ০৯:০১, ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ (UTC)

আপনার লেখা টা পড়ে ভালো লাগলো। তবে পশ্চিমবঙ্গেও কিছু কিছু উদ্ভট বানান ব্যবহার করা হয়। বানান দেখভাল করার প্রতিষ্ঠান এর বানানটাই উদ্ভট, বাংলা আকাদেমি। আমাদেরটার ভুল আছে। একাডেমী ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ইংরেজি শব্দ academy সঠিক উচ্চারণ অ্যাক্যাডেমি। এতটা জটিল করে না লেখলেও অন্ততঃ অ্যাকাডেমি লেখা উচিত। তা নাহলে আকাদেমি অথবা একাডেমী দুই শব্দের উচ্চারণ অনুসারে acid শব্দকেও আসিড বা এসিড (এ) উচ্চারণ করার কথা। এ সম্পর্কিত প্রকৌশলী (অব.) সাইদ আহমেদের একটা আর্টিকেল আমাদের আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকাতে ছেপেছিল। ওটা পড়ে দেখতে পারেন। ভালো লাগবে আসা করি। লিংকটা এখানে সংযুক্ত করলাম http://www.alokitobangladesh.com/editorial/2013/08/19/17130/print