ব্রুস উইলিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ব্রুস উইলিস
Bruce Willis by Gage Skidmore.jpg
ব্রুস উইলিস (২০১০)
জন্ম ওয়াল্টার ব্রুস উইলিস
(১৯৫৫-০৩-১৯) মার্চ ১৯, ১৯৫৫ (বয়স ৬০)[১]
আইদার ওবারস্টেইন, রিনে্যোন্ড-প্যালাতিনাতে, পশ্চিম জার্মানি
অন্য নাম ডব্লিউ. বি. উইলিস, ওয়াল্টার উইলিস
শিক্ষা পেনস গ্রোভ হাই স্কুল
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মন্টক্লেয়ার স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়
পেশা অভিনেতা, প্রজোযক, লেখক, সংগীত শিল্পী
কার্যকাল ১৯৮০-বর্তমান
দম্পতি ডেমি মুর (১৯৮৭-২০০০)
এমা হেমিং (২০০৯-বর্তমান)
সন্তান

ওয়াল্টার ব্রুস উইলিস (জন্মঃ ১৯ মার্চ, ১৯৫৫) একজন জার্মান বংশদ্ভুত আমেরিকান অভিনেতা, প্রজোযক ও সঙ্গীতশিল্পী। তিনি “ব্রুস উইলিস” নামেই বেশি পরিচিত। তার অভিনয় জীবন শুরু হয় ডেভিড এডিসন চরিত্রে মুনলাইটিং (১৯৮৫-১৯৮৯) নামে একটি টেলিভিশন সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে। তখন থেকেই তিনি টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে একই সাথে কাজ করা শুরু করেন। তিনি মূলত কমেডি, ড্রামাটিক ও অ্যাকশন চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন। তিনি ডাই হার্ড চলচ্চিত্র সিরিজে জন ম্যাকক্লেন চরিত্রে অভিনয় করে প্রচুর জনপ্রিয়তা পান যা তার চলচ্চিত্র গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ব্যবসা সফল ও সমালোচকদের মধ্যেও দারুন সাড়া ফেলে। এছাড়াও তিনি আরো অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন যেগুলো ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, পাল্প ফিকসন (১৯৯৪), ১২ মান্কিস (১৯৯৫), দ্য ফিফ্থ এলিমেন্ট (১৯৯৭), আর্মাগেডন (১৯৯৮), দ্য সিক্সথ সেন্স (১৯৯৯), আনব্রেকেবল (২০০০), সিন সিটি (২০০৫), লোপার (২০১২), মুনরাইজ কিংডম (২০১২) এবং জি.আই.জো.: রিটেলিয়েসন (২০১৩)

মোসন পিকচার্স ব্রুস উইলিস সম্পর্কে লিখেছে, তিনি উত্তর আমেরিকা বক্স অফিসে $২.৬৪ বিলিয়ম মার্কিন ডলার থেকে ৩.০৫ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছেন যা তাকে হায়েস্ট গ্রোজিং অভিনেতার তালিকায় নবম ও সহকারী অভিনেতার তালিকায় বারোতম অবস্থানে উন্নীত করেছে।[২][৩] তিনি দুইবার এমি পুরস্কার, গোল্ডেন গ্লোব ও চারবার সাটার্ন পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। উইলিস অভিনেত্রী ডেমি মুরকে বিয়ে করেছিলেন। ২০০০ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার আগে ১৩ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের তিনটি কন্যা সন্তান আছে। বর্তমানে তিনি মডেল এমঅ হেমিং এর সাথে দাম্পত্য জীবন পার করছেন ও তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

উইলিস পশ্চিম জার্মানির আইদার-ওবারস্টেইনে জন্মগ্রহন করেন। তারা বাবা ডেভিড উইলিস একজন আমেরিকান সৈনিক ছিলেন। তার মা মার্লেন কে. একজন জার্মান মহিলা ছিলেন যিনি ক্যাসেলের কাছে কাউফানজেনে জন্মগ্রহন করেন।[৪][৫][৬] চার ভাইবোনের মধ্যে উইলিস সবার বড়। তার বোনের নাম ফ্লোরেন্স, ভাইয়ের নাম ডেভিড ও আরেক ভাই রবার্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০০১ সালে ৪২ বছর বয়সে মৃত্যুবরন করেন।[৭] ১৯৫৭ সালে উইলিসের বাবা সেনাবাহিনী থেকে বিদায় নিয়ে তার পরিবার নিয়ে কার্নেস পয়েন্ট, নিউজার্সিতে চলে আসেন।[৮] উইলিস তার জন্মশহরের পেন্স গ্রোভ হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন।[৮] তার তোতলানোর স্বভাব ছিল এ জন্য তার স্কুলের বন্ধুরা তাকে “বাক-বাক” বলে ডাকত।[৯][১০][১১] তোতলানোর স্বভাবের কারনে নিজেকে তুলে ধরার জন্য তিনি স্কুল নাট্যদলে যোগ দেন। তিনি স্কুলে, স্কুল কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। [৯]

বিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষ করার পর উইলিস নিরাপত্তা রক্ষক হিসেবে সেলিম নিউক্লিয়ার পাওউয়ার প্লেন্টে কাজ নেন[১২][১৩] এছাড়া নিউ জার্সির ডিপওয়াটারে যোগাযোগ কর্মী হিসেবেও ডিওপোন্ট চেম্বারে কাজ করেন।[১৩] এরপর প্রাইভেট গুয়েন্দা হিসেবে কিছুদিন কাজ করার পর উইলিস পুনরায় অভিনয়ে ফিরে যান। তিনি মন্টক্লেয়ার স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নাট্য প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হন। এরপর উইলিস নিউ ইয়র্ক চলে আসেন এবং ১৯৮০ দশকের প্রথম দিকে তিনি ওয়েস্ট ১৯ স্ট্রিট আর্ট বারে বারটেন্ডার হিসেবে কাজ করেন।[১৪]

এখান থেকে তিনি ব্রডওয়ে প্রোডাকসনের “হেভেন এন্ড আর্থে” অভিনয়ের সুযোগ পান। এছাড়া তিনি ব্রডওয়ে প্রডাকসন থেকে আরো কয়েকটি কাজ করেন এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক কর্মজীবন[সম্পাদনা]

Willis at the 61st Academy Awards, 1989

উইলিস, নিউ ইয়র্ক শহর ত্যাগ করে ক্যালিফোর্নিয়ার দিকে যাত্রা করেন কিছু টেলিভিশন শো এর জন্য অডিসন দিতে।[৫] ১৯৮৪ সালে টেলিভিশন সিরিজ মায়ামি ভাইসের নো এক্সিট এর মাধ্যমে জনসম্মুখে হাজির হন। ১৯৮৫ সালে তিনি টেলিভিশন সিরজি দ্য টুয়ালাইট জোন এর সেটারডে এপিসোডে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেন।[১৫] তিনি টেলিভিশন সিরিজ মুনলাইটিং এ অভিনয়ের জন্য ৩,০০০ প্রতিযোগিকে হারিয়ে এর মূল চরিত্রে অভিনয় করেন।[১৬] এই সিরিজে তিনি সাইবিল শ্যাফার্ডের বিপরীতে অভিনয় করে নিজেকে কমিডি অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই সিরিজটি পাঁচ সেশন ধরে প্রাচারিত হয়েছিল। এই সিরিজের সাফল্য দেখে পানীয় প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সিগ্রাম উইলিসকে গোল্ডেন ওয়াইন প্রোডাক্টের পিচম্যান হিসেবে ভাড়া করে।[১৭] দুই বছর পর উইলিস এই কম্পানির সাথে তার করা চুক্তিমত বিদায় নেয় কারন, ১৯৮৮ সালে তিনি সিদ্ধান্ত নেন আর কখনো অ্যালকোহল পান করবেন না।[১৮]

১৯৯০-এর দশক[সম্পাদনা]

ইউলিসের সবচেয়ে বড় ব্যাক্তিগত সাফল্য হল, ডাই হার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালে এই সিরিজের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ডাই হার্ড ২ ও ১৯৯৫ সালে ডাই হার্ড উইথ অ্য ভেনজেন্স।[৮] সিরিজের প্রথম তিনটি চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিকভাবে $৭০০ ইউএস মিলিয়ন ডলার আয় করে। এই চলচ্চিত্র সিরিজটি উইলিসকে হলিউডের প্রথম সারির অ্যাকশন অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করে।

২০০০-থেকে বর্তমান[সম্পাদনা]

Willis after a ceremony where he was named Hasty Pudding Theatrical's Man of the Year in 2002

২০০০ সালে উইলিস কমিডি সিরিজ ফ্রেন্ডস (যেখানে তিনি রোজ গ্যালারের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেন।)[১৯] এ অসাধারন অতিথি অভিনেতা হিসেবে এ্যামি পুরস্কার লাভ করেন।[২০] একই কাজে জন্য তিনি ২০০১ সালে আমেরিকান কমিডি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। তিনি রবার্ট রডরিগস এর পরিচালনায় সিন সিটি নামক চলচ্চিতে অভিনয় করেন।

সম্মামনা ও পুরস্কার[সম্পাদনা]

হলিউড স্টার ওয়াক অফ ফেম

উইলিস তার অভিনয় জীবনে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য অনেক পুরস্কার ও সম্মামনা অর্জন করেছেন।

  • মুনলাইটিং টেলিভিশন শ্যূতে প্রধান অভিনেতা হিসেবে অসাধারন অভিনয়ের জন্য তিনি এ্যামি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও এটিতে অভিনয় করে তিনি কমিডি চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনয়ের জন্য গোল্ডেন গ্লাব পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়াও আরো অনেক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।[২১]
  • ইন কান্ট্রি চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ সহঅভিনেতা হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন।
  • ম্যাক্সিম ম্যাগাজিন উইলিস অভিনীত কালার অফ নাইট (১৯৯৪) চলচ্চিত্রের যৌন দৃশ্যকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ যৌন দৃশ্য বলে অভিহিত করে।[২২]
  • ১৯৯৯ সালের ড্রামা/থ্রিলার চলচ্চিত্র দ্য সিক্সথ সেন্স-এ অভিনয় করে জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে ব্লকবাস্টার এন্টারটেইনমেন্ট পুরস্কার ও জনপ্রিয় মোসন পিকচার্স স্টার হিসেবে পিপল’স চয়েজ পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে সাতার্ন পুরস্কার ও দুইবার শ্রেষ্ঠ পুরুষ অভিনেতা হিসেবে এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।[২১]
  • ফ্রেন্ডস টেলিভিশন ধারাবাহিকে অতিথি অভিনেতা হিসেবে অসাধারন অভিনয়ের জন্য এ্যামি পুরস্কার লাভ করেন।
  • ২০০২-এর ফেব্রুয়ারিতে হার্বার্ড হাস্টি পাডিং থিয়েটার তাকে হাস্টি পাডিং অ্যাওয়ার্ড অফ দ্য ইয়ার পুরস্কার প্রদান করে। সংস্থার তথ্যমতে এই পুরস্কার তাকেই প্রদান কার হয় যিনি দীর্ঘ সময় ধরে এন্টারটেইনমেন্ট দুনিয়ায় প্রশংসনীয় অবদান রেখে চলছেন।[২৩]
  • ২০০২ সালে রাষ্ট্রপতি বুশ দ্বারা উইলিস চিলড্রেন ফোস্টার কেয়ারের জাতীয় মুখপাত্র মনোনীত হন। [২৪]
  • ২০০৬ সালের এপ্রিলে ফরাসি সরকার চলচ্চিত্র ইন্ড্রাস্টিতে তার অবদানের জন্য সম্মানে ভূষিত করে। তিনি একটি অনুষ্ঠানে ফরাসি অর্ডার অফ আর্টস এন্ড লেটারস এর একজন অফিসার হিসেবে মনোনীত হন। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এক ভাষণে বলেন, “এটি হল একজন অভিনেতাকে তার অবদানের জন্য ফ্রান্সের পক্ষ থেকে সম্মান দেখানোর পন্থা। তিনি (উইলিস) আমেরিকান সিনেমায় তার অনবদ্য অবদানের মাধ্যমে পুরু বিশ্বের সামনে মানুষের আবেক ও অনুভূতি প্রকাশ করছেন।”[২৫]
  • ১৬ অক্টোবর, ২০০৬ সালে তিনি হলিউড স্টার ওয়াক অফ ফেম হিসেবে সম্মানিত করেন। এই স্টারটি ৬৯১৫ হলিউড বলিভার্ডে অবস্থিত ও এটি হলিউডের ইতিহাসের ২,৩২১তম স্টার। উইলিস স্টার গ্রহন অনুষ্ঠানের এক ভাষণে বলেন, “আমি সবসময় এই স্টারগুলো দেখতাম কিন্তু এগুলো কিভাবে অর্জন করা যায় তা আমার জানা ছিল না। সময় চলে যাচ্ছিল এবং শেষ পর্যন্ত আজ আমি এখানে ও আমি অতন্ত্য উত্তেজিত।”[২৬]
  • ২০১১ সালে উইলিস নিউ জার্সি হল অফ ফেম হিসেবে অধিস্ঠিত হন।[২৭]
  • তিনি ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সালে ফরাসি সংস্কৃতিক মন্ত্রনালয় কর্তৃক অফিসার থেকে অর্ডারস অফ আর্টস এন্ড লেটারস এর কমান্ডার পদে উন্নীত হন।[২৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Monitor"। Entertainment Weekly (1251): 25। Mar ২২, ২০১৩। 
  2. "People Index"Box Office Mojo। সংগৃহীত জুন ৫, ২০১৩ 
  3. "All Time Top 100 Stars at the Box Office"। The Numbers। সংগৃহীত জুন ৫, ২০১৩ 
  4. "Surprise German visit from Willis"। BBC News। আগস্ট ৮, ২০০৫। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  5. ৫.০ ৫.১ Lipworth, Elaine (জুন ১৬, ২০০৭)। "Die Another Day: Bruce Willis"Daily Mail (UK)। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  6. Archerd, Army. (2003-12-11) Inside Move: Flu KOs Smart Set yule bash – Entertainment News, Other News, Media. Variety. Retrieved on November 14, 2011.
  7. "Robert Willis Obituary"Variety। জুলাই ১, ২০০১। সংগৃহীত জুন ২৩, ২০১১ 
  8. ৮.০ ৮.১ ৮.২ Stated on Inside the Actors Studio, 2001
  9. ৯.০ ৯.১ Barnard, Sarah। "Bruce Willis"The Biography Channel। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  10. Petersen, Melody (মে ৯, ১৯৯৭)। "Bruce Willis Drops Project, Leaving Town More Troubled"The New York Times। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  11. "Bruce Willis: The Uncut Interview" (PDF)। Reader's Digest। ২০০২। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  12. "Bruce Willis". The Daily Show (Comedy Central). June 26, 2007. http://www.thedailyshow.com/watch/tue-june-26-2007/bruce-willis.
  13. ১৩.০ ১৩.১ Segal, David (মার্চ ১০, ২০০৫)। "Bruce Willis's Tragic Mask"The Washington Post। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  14. Curley, Mallory. A Cookie Mueller Encyclopedia, p. 260.
  15. ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে ব্রুস উইলিস
  16. "Yahoo! Movies"Bruce Willis Biography। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  17. "How Bruce Willis Keeps His Cool"Time। জুন ২১, ২০০৭। সংগৃহীত মে ১০, ২০০৯ 
  18. Grobel, Lawrence (নভেম্বর ১৯৮৮)। "Playboy Interview: Bruce Willis"। Playboy। পৃ: 59–79। 
  19. "The 52nd Annual Emmy Awards"The Los Angeles Times। সেপ্টেম্বর ১১, ২০০০। সংগৃহীত মে ৯, ২০০৯ 
  20. Bruce Willis Emmy Award Winner. Emmys.com. Retrieved on 2012-06-08.
  21. ২১.০ ২১.১ "Awards for Bruce Willis"Internet Movie Database। সংগৃহীত মে ১০, ২০০৯ 
  22. "Top Sex Scenes of All-Time"Telepixtvcgi.warnerbros.com/। ডিসেম্বর ৬, ২০০০। সংগৃহীত জুলাই ৯, ২০০৯ 
  23. Silverman, Stephen M. (ফেব্রুয়ারি ১২, ২০০২)। "For Bruce Willis, Award Is a Drag"People। সংগৃহীত জুন ২০, ২০০৭ 
  24. "President, Mrs. Bush & Bruce Willis Announce Adoption Initiative"whitehouse.gov। জুলাই ২৩, ২০০২। আসল থেকে জুলাই ২৫, ২০০২-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত মে ১০, ২০০৯ 
  25. "Internet Movie Database"Willis Receives French Honor। জানুয়ারি ১২, ২০০৬। সংগৃহীত মে ১০, ২০০৯ 
  26. Associated Press (অক্টোবর ১৭, ২০০৬)। "Willis Gets Hollywood Walk of Fame Star"The Washington Post। সংগৃহীত মে ১০, ২০০৯ 
  27. The Newark Star Ledger 
  28. [১]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]