ডেভিড বোয়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ডেভিড বোয়ি
David-Bowie Chicago 2002-08-08 photoby Adam-Bielawski-cropped.jpg
আগস্ট ২০০২ সালে বোয়ি
জন্ম ডেভিড রবার্ট জোনস
(১৯৪৭-০১-০৮)৮ জানুয়ারি ১৯৪৭
ব্রিঙ্কসটন লন্ডন, ইংল্যান্ড
মৃত্যু ১০ জানুয়ারি ২০১৬(২০১৬-০১-১০) (৬৯ বছর)
নিউ ইয়র্ক সিটি, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যুর কারণ যকৃতের ক্যান্সার
পেশা
  • গায়ক
  • গীতিকার
  • সঙ্গীতশিল্পী
  • সঙ্গীত প্রযোজক
  • অভিনেতা
  • শিল্পী
কার্যকাল ১৯৬২–২০১৬
দাম্পত্য সঙ্গী
সন্তান
সঙ্গীত কর্মজীবন
ধরন
বাদ্যযন্ত্রসমূহ
লেবেল
সহযোগী শিল্পী
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

ডেভিড রবার্ট জোনস (৮ জানুয়ারি ১৯৪৭ – ১০ জানুয়ারি ২০১৬), যিনি ডেভিড বোয়ি (/ˈb.i/) নামে পরিচিত,[১] ছিলেন একজন ইংরেজ গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীতশিল্পী, সঙ্গীত প্রযোজক, চিত্রশিল্পী এবং অভিনেতা। বোয়ি চার দশকের বেশি সময় ধরে পপ সঙ্গীতের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং ৭০ এর দশকের শেষের দিকে একজন প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি তার বিচিত্র ফ্যাশনের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।[২][৩]

ডেভিড বোয়ি ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন যদিও ৬০ এর দশকে তার একজন সঙ্গীত তারকা হওয়ার বেশিরভাগ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ১৯৬৯ সালে তিনি স্পেস ওডিটির মাধ্যমে প্রথম সফলতা লাভ করেন। এর সাফল্যের পর তিন বছরের গবেষণা শেষে ১৯৭২ সালের গ্ল্যাম রক সময়ে তিনি তার বর্নাঢ্য অপর সত্ত্বা জিগি স্টারডাস্ট নিয়ে আবির্ভুত হন। চরিত্রটি তার অ্যালবাম দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ জিগি স্টারডাস্ট অ্যান্ড দ্য স্পাইডারস ফ্রম মার্স থেকে উৎপত্তি হয়েছিল। আপাতদৃষ্টিতে স্বল্পস্থায়ী জিগি ব্যক্তিত্ব পরবর্তী সময়ে বোয়ির ক্যারিয়ারের অন্যতম বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়।

ডেভিড বোয়ি ২০১৬ সালের ১০ জানুয়ারি নিউ ইয়র্কের তার ব্যক্তিগত বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন।[৪][৫][৬][৭] তার দেহে ১৮ মাস পূর্বে ক্যান্সার ধরা পড়ে কিন্তু তিনি তার অসুস্থতা সম্পর্কে কোন সংবাদ প্রকাশ করেননি।[৮]

জীবনীকার ডেভিড বাকলি বক্তব্য অনুযায়ী বোয়ির প্রভাব তৎকালীন সময়ের রক সঙ্গীতের ভিত্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল।[৯] বিবিসির ২০০২ সালের ১০০ গ্রেটেস্ট ব্রিটনস জরিপ অনুযায়ী বোয়ি ২৯ নম্বরে ছিল। তিনি বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১৪ কোটি রেকর্ড বিক্রি করেন। তাকে ১৯৯৬ সালে রক অ্যান্ড রোল হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "How to say: Bowie"। BBC। ৮ জানুয়ারি ২০০৮। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ 
  2. "Street Style Before Street Style: David Bowie"Oyster Magazine। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 
  3. Poague, Leland; Parsons, Kathy A. (২০০৩)। Susan Sontag: An Annotated Bibliography 1948–1992। Routledge। পৃ: ১৩৩। আইএসবিএন 978-1-135-57535-9 
  4. "Music legend David Bowie dies"BBC News। সংগৃহীত ১১ জানুয়ারি ২০১৬ 
  5. "David Bowie, the Legendary Musician, Has Died at 69"New York Times। ১১ জানুয়ারি ২০১৬। আইএসএসএন 0362-4331। সংগৃহীত ১১ জানুয়ারি ২০১৬ 
  6. Music, Guardian। "David Bowie dies at the age of 69"the Guardian। সংগৃহীত ১১ জানুয়ারি ২০১৬ 
  7. "David Bowie dies after 18-month battle with cancer"Reuters। ১১ জানুয়ারি ২০১৬। সংগৃহীত ১১ জানুয়ারি ২০১৬ 
  8. Sandle, Paul; Faulconbridge, Guy (১১ জানুয়ারি ২০১৬)। "David Bowie dies after 18-month battle with cancer"Reuters। সংগৃহীত ১১ জানুয়ারি ২০১৬ 
  9. Buckley (2005): pp. 516–17, 524, 529
  10. "David Bowie: Rock and Roll Hall of Fame Induction"rockhall.com। Rock and Roll Hall of Fame। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Cann, David, Any Day Now: David Bowie the London Years 1947–1974, Kenneth Pitt in Books, 2011
  • Duffy, Chris; Cann, Kevin (২০১৪)। Duffy/Bowie Five Sessions (1st UK সংস্করণ)। ACC Editions। পৃ: ১৭০। আইএসবিএন 978-1-85149-765-2 
  • Greco, Nicholas P., David Bowie in Darkness: A Study of 1. Outside and the Late Career, McFarland & Co., 2015. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৮৬৪-৯৪১০-১
  • Hendrikse, Wim, Never Get Old. Man of Ch-Ch-Changes Part 1 and Part 2, Gopher Publishers, 2004.
  • Hendrikse, Wim, David Bowie: The Man Who Changed the World, Authors Online, 2013.
  • Jacke, Andreas, David Bowie – Station To Station, Psychosozial- Verlag, 2011
  • Seabrook, Thomas Jerome, Bowie in Berlin: A New Career in a New Town, Jawbone Press, 2008.
  • Spitz, Marc, Bowie: A Biography, Crown Publishers, 2009.
  • Tremlett, George, David Bowie: Living on the Brink, Carroll and Graf, 1997.
  • Trynka, Paul, Starman: David Bowie – The Definitive Biography, Little, Brown Book Group Limited, 2011
  • Waldrep, Shelton, "Phenomenology of Performance", The Aesthetics of Self-Invention: Oscar Wilde to David Bowie, University of Minnesota Press, 2004.'
  • Welch, Chris, David Bowie: We Could Be Heroes: The Stories Behind Every David Bowie Song, Da Capo Press, 1999.
  • Wilcken, Hugo, 33⅓: David Bowie's Low, Continuum, 2005.
  • Philippe Auliac, Passenger Photobook – The Thin White Duke Pictures, Sound & Vision Editions, Venezia, 2004

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]