বরিশাল জেলা সুইমিংপুল

স্থানাঙ্ক: ২২°৪১′১৫″ উত্তর ৯০°২২′০২″ পূর্ব / ২২.৬৮৭৫৪৫° উত্তর ৯০.৩৬৭২৪২° পূর্ব / 22.687545; 90.367242
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বরিশাল জেলা সুইমিংপুল
২২°৪১′১৫″ উত্তর ৯০°২২′০২″ পূর্ব / ২২.৬৮৭৫৪৫° উত্তর ৯০.৩৬৭২৪২° পূর্ব / 22.687545; 90.367242
ঠিকানাশাহিদ আলি রোড, চাঁদমারী, বরিশাল
খোলা১১ এপ্রিল, ২০০০
পরিচালনায়বরিশাল জেলা ক্রীড়া সংস্থা
মালিকানাধীনজাতীয় ক্রীড়া পরিষদ
খরচ ৩.৭৫ কোটি

বরিশাল জেলা সুইমিংপুল ২০০০ সালে উদ্বোধন হওয়া বাংলাদেশের জেলা পর্যায়ের একটি সাঁতার ক্রীড়া আয়োজন ও প্রশিক্ষণ সুইমিংপুল[১] এটি বরিশাল শহরের চাঁদমারী এলাকায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়াম সীমার মধ্যে উত্তরপাশে অবস্থিত।[২] এটি জেলা ও বরিশাল বিভাগের একমাত্র সুইমিংপুল।[৩][৪] বাংলাদেশের সকল সাঁতার ক্রীড়া আয়োজনের সরকারি ভেন্যুর মতই এটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধিভূক্ত[৫] এবং স্থানীয় বরিশাল জেলা ক্রীড়া সংস্থার তত্বাবধায়নে রয়েছে।[৬]

নির্মাণ ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৯৭ সালের ১ জুন বরিশাল স্টেডিয়ামের সীমার মাঝে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে সুইমিংপুলটির নির্মাণ শুরু হয়। ২০০০ সালের ১১ এপ্রিল এটি সক্রীয় ব্যবহারের জন্য উদ্বোধন করা হয়। প্রকল্পটির নির্মাণ সম্পন্ন করতে ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়।[২][৪] ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণের কারণে পুলটি ব্যবহার করা যায়নি[১][৩]

কাঠামো[সম্পাদনা]

এটি খোলা আকাশের নীচে উম্মুক্ত সুইমিংপুল। পানি ধারণ ক্ষমতা ৪ লাখ ৩২ হাজার গ্যালন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. অপু, অপূর্ব (২০২২-০১-১০)। "২৬ বছর ধরে অচল বরিশালের 'সুইমিং পুল'"সময় টিভি। ২০২২-০১-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-১৩ 
  2. উদ্দিন, এম জসীম (২০২০-১১-৩০)। "বরিশালে সন্ধ্যা হলেই সুইমিংপুলে চলে মাদকসেবন"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-২৭ 
  3. "দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র সুইমিং পুল এখন ভূতের বাড়ি"দৈনিক যুগান্তর। ২০২১-০৯-২০। ২০২২-০১-২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-২৪ 
  4. রায়হান, জহির (২০২১-০৯-১০)। "দুই যুগেও সচল হয়নি বরিশালের সুইমিংপুলটি"বার্তা২৪। ২০২১-০৯-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-২৭ 
  5. "সুইমিংপুল (ঢাকা মহানগরীর বাহিরে)"জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-২৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. "জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ক্রীড়া স্থাপনা" (PDF)যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ)। ৭ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০১-০৭