শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ
শেবাচিম লোগো.jpeg
কলেজ লোগো
প্রাক্তন নাম
বরিশাল মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)
নীতিবাক্যশিখতে আস, সেবার তরে বেরিয়ে যাও
ধরনসরকারি চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়
স্থাপিত১৯৬৮ (1968)[১]
প্রাতিষ্ঠানিক অধিভুক্তি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় [১]
শিক্ষার্থীএমবিবিএসঃ ২২০ ও বিডিএসঃ ৫২ (সেশনপ্রতি)
স্নাতকএমবিবিএস, বিডিএস
স্নাতকোত্তরএমএস, এমডি, এমফিল, ডিপ্লোমা
অবস্থান,
২২°৪১′১৭″ উত্তর ৯০°২১′৪০″ পূর্ব / ২২.৬৮৮° উত্তর ৯০.৩৬১° পূর্ব / 22.688; 90.361স্থানাঙ্ক: ২২°৪১′১৭″ উত্তর ৯০°২১′৪০″ পূর্ব / ২২.৬৮৮° উত্তর ৯০.৩৬১° পূর্ব / 22.688; 90.361
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
সংক্ষিপ্ত নামশেবামেক / এসবিএমসি
ওয়েবসাইটsbmc.edu.bd
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, একাডেমিক ভবন

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের বরিশাল শহরে অবস্থিত চিকিৎসা বিষয়ক উচ্চ শিক্ষা দানকারী একটি প্রতিষ্ঠান।[২] সরাসরি সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়; যা বর্তমানে দেশের একটি অন্যতম প্রধান চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ১ বছর মেয়াদী হাতে-কলমে শিখনসহ (Internship) স্নাতক পর্যায়ের ৫ বছর মেয়াদি এম.বি.বি.এস. শিক্ষাক্রম চালু রয়েছে; যাতে প্রতিবছর ২২০ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়ে থাকে।

অবস্থান[সম্পাদনা]

এই প্রতিষ্ঠানটি বরিশাল শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর থেকে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৮ সালে এতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। স্থাপনকালীন এর নাম ছিলো বরিশাল মেডিকেল কলেজ যা পরবর্তীতে বরিশালের মহান নেতা, শের-ই-বাংলা (উর্দুঃ 'شیر بنگال'; অর্থঃ 'বাংলার বাঘ') নামে খ্যাত আবুল কাশেম ফজলুল হকের নামে নামকরণ করা হয়।[৩]

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

এখানে রয়েছে ১২০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল, একটি একাডেমিক ভবন, ৩টি ছাত্রাবাস, ২টি ছাত্রী নিবাস, ২টি ইন্টার্নী ডক্টরস হস্টেল, ১টি নার্সিং কলেজ, ১টি নার্সিং ছাত্রীনিবাস, ১টি নার্সিং ছাত্রাবাস , ১টি মসজিদ, ১টি জিমনেসিয়াম, খেলার মাঠ ইত্যাদি।

অনুষদ ও বিভাগ[সম্পাদনা]

এর শিক্ষা কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত হয়।

ভর্তি[সম্পাদনা]

প্রতি বছর এখানে ২৫২জন ছাত্র-ছাত্রী গ্র্যাজুয়েশন কোর্সে (এমবিবিএস ও বিডিএস) ভর্তি হন। এখানে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন কোর্সও রয়েছে (এমডি, এমফিল, এমএস, ডিপ্লোমা)। এছাড়াও প্রতি বছর ১০০ জন ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং এ ভর্তি হয় এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এন্ড নার্সিং সায়েন্স এ ২৫ জন ভর্তি হয়।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মো. আবদুল লতিফ (২০১২)। "শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীরবাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন 9843205901ওসিএলসি 883871743 
  2. "মেডিকেল কলেজ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. "ABOUT SBMC"। Sher-e-Bangla Medical College-কলেজ কর্তৃপক্ষ। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১৫ 

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]