পদ্মিনী (অভিনেত্রী)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পদ্মিনী রামচন্দ্রন
Padmini Ramachandran.jpg
পদ্মিনী (১৯৫০)
জন্ম
পদ্মিনী

(১৯৩২-০৬-১২)১২ জুন ১৯৩২[১]
তিরুবনন্তপুরম, ট্রাভাংকোর রাজ্য, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬(2006-09-24) (বয়স ৭৪)
অন্যান্য নামনাট্য পেরোলই, পাপ্পিমা , থিরোবানকর সাগথারিগাল
কার্যকাল১৯৪৭–১৯৯৪, ২০০২
দাম্পত্য সঙ্গীরামচন্দ্রন (বিয়ে:১৯৬১)
সন্তানপ্রেমানন্দ (জন্ম:১৯৬৩)
পিতা-মাতাবাবা : থাঙ্গাপ্পান নায়ার
মা : সরস্বতী
আত্মীয়শোভনা (ভাইঝি)
অম্বিকা সুকুমারন
বিনিথ (ভ্রাতুস্পুত্র)
সুকুমারী (চাচাতো বোন)
পরিবারললিতা (বোন)
রাগিনী (বোন)
চন্দ্র কুমার (ভাই)
নবীন (নাতি)
স্বাক্ষর
"পদ্মিনী"

পদ্মিনী রামচন্দ্রন (১২ জুন ১৯৩২ - ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬) [১][২][৩] একজন ভারতীয় অভিনেত্রী ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন ভরতনাট্যম নৃত্যের একজন প্রশিক্ষক। তিনি পদ্মিনী নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি ২৫০ টিরও বেশি ভারতীয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। [১] তিনি একই সাথে তামিল, হিন্দি, মালায়ালাম, তেলুগু এবং রুশ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। পদ্মিনী, তাঁর বড় বোন ললিতা এবং তাঁর ছোট বোন রাগিনীকে একত্রে "ট্রাভানকোর বোন" বলে ডাকা হত।[৪]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

পদ্মিনী তিরুবনন্তপুরমে জন্মগ্রহণ করেন এবং এখানেই বেড়ে ওঠেন। তখন তিরুবনন্তপুরম ট্রাভানকোর নামক দেশীয় রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল (বর্তমানে ভারতের কেরালা রাজ্যের রাজধানী)। তিনি শ্রী থাঙ্গাপ্পন নয়ার এবং সরস্বতীর দ্বিতীয় কন্যা ছিলেন। [১] তাঁর বোন ললিতা এবং রাগিনীও নামকরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ছিলেন। ট্রাভানকোর রাজ্যে জন্মগ্রহণ করায় তাদের নাম ছিল ট্রাভানকোর সিস্টার্স.[৪] পদ্মিনী এবং তার বোনেরা তিরুভিদাইমারুদুর মহালিঙ্গম পিল্লাইয়ের কাছ থেকে ভারতনাট্যম নৃত্য শিখেছিলেন। এই ট্রাভানকোর ত্রয়ী ছিলেন ভারতীয় নৃত্যশিল্পী গুরু গোপীনাথের শিষ্য। তারা তাঁর কাছ থেকে নাথের কাথাকালি ও কেরালা নাট্যনাম শিখেছিলেন। তিনি তিরুবনন্তপুরমে পরীজাথ পুস্পপাহাড়নাম উপস্থাপনের সময় এন. এস. কৃষ্ণন পদ্মিনীর প্রতিভার পরিচয় পান। সেই অভিনয়ের পর কৃষ্ণন বলেছিলেন ভবিষ্যতে তিনি বিখ্যাত অভিনেত্রী হবেন। এভাবেই পদ্মিনী কৃষ্ণনের প্রযোজিত মনমগল-এ নায়িকা হয়েছিলেন।

ট্রাভানকোর সিস্টার্স বা পদ্মিনী সহ তাঁর বোনেরা ত্রিভেন্দ্রমের পুজাপ্পুরে একটি যৌথ পরিবার থারাবাদু (মালায়া কুটির) -এ বেড়ে ওঠেন। পরিবারের মাতৃতান্ত্রিক প্রধান ছিলেন কার্তিয়ায়িনী আম্মা এবং তার স্বামী ছিলেন পি.কে. পিল্লাই (চেরথালার পালকুন্নথু কৃষ্ণ পিল্লাই) ওরফে "পেনাং পদ্মনাভ পিল্লাই"। পি.কে. পিল্লাইয়ের ছয় ছেলে ছিল, যার মধ্যে সত্যপালান নায়ের (বেবি) বহু প্রাথমিকের মালায়ালাম চলচ্চিত্রের শীর্ষস্থানীয় নির্মাতা ছিলেন। তাঁরা ১৯৫৫ সালে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে পারফর্ম করেন। পদ্মিনী একজন শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী এবং ৫০, ৬০ এবং ৭০ এর দশকের সর্বাধিক বেতনের অভিনেত্রীদের একজন ছিলেন। তিনি ৫০ এবং ৬০ এর দশকের মনোরম সৌন্দর্যের রাণীদের একজন হিসাবেও পরিচিত ছিলেন। তামিল ছবিতে তাঁর দুর্দান্ত ভারতনাট্যম অভিনয়ের কারণে তাঁকে তামিলনাড়ুতে "নাট্য পেরোলি" উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তার অভিনীত তামিল চলচ্চিত্র থিলানা মোহনাম্বল তামিল সিনেমার একটি কাল্ট ক্লাসিক এবং এটি আজও একটি স্মরণীয় চলচ্চিত্র। জিস দেশ মে গঙ্গা বেহতী হ্যায় চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় ছিল অসাধারণ এবং চলচ্চিত্রটি তাঁকে একজন জাতীয় তারকায় রূপান্তরিত করে।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

সর্বপ্রথম ১৪ বছর বয়সে পদ্মিনী হিন্দি চলচ্চিত্র কল্পনাতে (১৯৪৮) নৃত্যশিল্পী হিসাবে অভিনয় করেছিলেন।এভাবেই তাঁর কেরিয়ার শুরু হয়। [৫] তিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। [৬]

তিনি শিবাজি গণেশন, এম জি রামচন্দ্রন, এন টি রাসত্যায়ন, প্রেম নাজির, রাজকুমার, জেমিনি গণেশন এবং এস. এস. রাজেন্দ্রনের মত বিখ্যাত ভারতীয় অভিনেতার সাথে অভিনয় করেছেন। তিনি শুধুমাত্র শিবাজি গণেশনের সাথেই ৫৯ টি ছবিতে অভিনয় করেন।

তিনি মূলত তামিল ছবিতেই বেশি অভিনয় করেছেন। ১৯৫০ সালে মুক্তি পাওয়া এজাই পদুম পদু তামিল ভাষায় তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র। পক্ষীরাজ স্টুডিওর ভি এ গোপালকৃষ্ণণ পদ্মিনী ও তার বোনদের তামিল পড়াতেন। [১] ১৯৫২ সালের পানাম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সাথে শিবাজি গণেশনের সাথে তাঁর অভিনয় শুরু হয়। [৫]

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি তামিল ছবি গুলির মধ্যে রয়েছে থঙ্গা পধুমাই, আনবু, কাট্টু রোজা, থিলানা মোহনাম্বল, ভিয়েতনাম বীদু, এধির পরধাতু, মঙ্গায়ার থিলাকাম এবং পুভে পুছুদাভা। তার কয়েকটি জনপ্রিয় মালায়ালাম চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে প্রসন্ন, স্নেহসীমা, বিবাহিতা, অধ্যাপিকা, কুমার সংভাবম, নোককেথাধুরথু কান্নুম নাট্টু, বাস্তুহারা এবং দোলার

তার দুটি জনপ্রিয় হিন্দি চলচ্চিত্র - মেরা নাম জোকার এবং জিস দেশ মে গঙ্গা বেহতী হ্যায় - ছবিতে তিনি রাজ কাপুরের সাথে জুটি বেঁধেছিলেন। তিনি রাজ কাপুরের সাথে আশিক (১৯৬২) নামক আরও একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তার অন্যান্য হিন্দি চলচ্চিত্র গুলোর মধ্যে রয়েছে অমর দীপ (১৯৫৮), পায়েল (১৯৫৭), আফসানা (১৯৬৬), ভাসনা (১৯৬৮), চন্দ অর বিজলী (১৯৬৯) এবং বাবুভাই মিস্ত্রির প্রযোজিত মহাভারত (১৯৯৫)।

তিনি থিলানা মোহনাম্বল নামক একটি তামিল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সর্বাধিক বিখ্যাত হয়েছেন। ছবিটিতে তিনি একজন নৃত্যশিল্পীর ভূমিকায় একজন সংগীতশিল্পীর সাথে কার দক্ষতার সেরা তা প্রমাণের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হন। [৪] এছাড়াও তিনি তিনি রাশিয়ান ভ্রমণকারী আফান্যাসি নিকিতিনের অ্যা জার্নি বিউন্ড দ্য থ্রি সীস (যাকে এখন রুশ সাহিত্যের স্মৃতিস্তম্ভ হিসাবে বিবেচনা করা হয়) নামক ভ্রমণকাহিনী অবলম্বনে নির্মিত একটি ইন্দো-সোভিয়েত চলচ্চিত্র জার্নি বিউন্ড থ্রি সীস চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটিতে তিনি রাজনর্তকী লক্ষীর চরিত্রে অভিনয় করেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৬১ সালে পদ্মিনী আমেরিকা ভিত্তিক চিকিৎসক রামচন্দ্রনকে বিয়ে করেন। [১][৪] তিনি তৎক্ষণাৎ চলচ্চিত্র থেকে অবসর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর স্বামীর কাছে যেয়ে পারিবারিক জীবনে মনোনিবেশ করেছিলেন। [৪] পদ্মিনী ঐতিহ্যগতভাবে স্বামীর প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত ছিলেন এবং তার বহিঃপ্রকাশ প্রকাশ হিসাবে তাঁর স্বামীর সাথে সমস্ত ঐতিহ্যবাহী পূজা এবং অন্যান্য উপাসনা করতেন। এই দম্পতির প্রেম রামচন্দ্রন নামক একজন সন্তান আছেন যিনি নিউ জার্সির হিলসডালে বসবাসকারী এবং ওয়ার্নার ব্রাদার্সের হয়ে কাজ করছেন। [৫][৭] তার বিয়ের ষোল বছর পরে, ১৯৭৭ সালে পদ্মিনী নিউ জার্সিতে একটি শাস্ত্রীয় নৃত্য বিদ্যালয় চালু করেছিলেন, যার নাম পদ্মিনী স্কুল অফ ফাইন আর্টস। আজ, তার স্কুল আমেরিকার বৃহত্তম ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্য প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হয়।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী পদ্মিনী এবং বৈজয়ন্তীমালা তাদের ক্যারিয়ার জুড়ে একে অপরের সাথে প্রতিদ্বন্দীতায় লিপ্ত ছিলেন। কারণ তারা তাদের ক্যারিয়ারের উচ্চতায় ছিল এবং একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য তাদের মধ্যে পেশাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। তাদের বাস্তব জীবনের ঈর্ষা নাট্য নৃত্য অলক্ষিত ভাবে প্রবেশ করে, যা এই ধারাটি সাথে তার নিজস্ব প্রভাব যুক্ত করে। সফল নৃত্যশিল্পী-অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার সাথে পেশাদার প্রতিযোগিতার জন্য পদ্মিনী সুপরিচিত ছিলেন। [৮] তারা যৌথভাবে ভানজিকোটাই ভালিবান নামক তামিল চলচ্চিত্রের "কান্নুম কান্নাম কালান্থু" গানে নৃত্য পরিবেশন করেছিলেন। গানটি দিয়েছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পি. লীলা এবং জিকি। পদ্মিনী এবং বৈজয়ন্তীমালার পেশাদার প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে, গানটি ছবিটি প্রকাশ হওয়ার পরপরই গানের জনপ্রিয়তা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তা ছাড়িয়ে গেছে। [৮]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

জয়ী হন
মনোনীত হন

চলচ্চিত্রে তালিকা[সম্পাদনা]

তামিল চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র টীকা
১৯৮৬ লক্ষ্মী ভান্তাছু রাজেশ্বরী
১৯৮৬ আয়রাম কান্নুদয়াল অভিরাম
১৯৮৬ থাইক্কু ওরু থালাট্টু ধনম
১৯৮৬ সিনেমা সিনেমা পদ্মিনী
১৯৮৫ পূবে পুচুদাভা পুঙ্গাভানাথামা
১৯৭৯ ওরে ভানম ওরে ভূমি ল
১৯৭৯ দীপম রাজা "জয় জগৎ জননী" নামে হিন্দিতে ভাষান্তর
শিবাজী গণেশনের মায়ের চরিত্র
১৯৭৫ ওরু কুদুম্বাথিন কাধি
১৯৭৪ দেবী শ্রী কুমারীআম্মান
১৯৭৪ আপ্পা আম্মা
১৯৭৩ ধেইভা কুঝান্ধাইগল
১৯৭২ আপ্পা টাটা
১৯৭১ ইরু থুরুভাম থঙ্গম
১৯৭১ আন্নাই ভেলাঙ্কান্নি স্বর্ণম
১৯৭১ রিকশাকারান পার্বতী
১৯৭১ কুলামা গুনামা সীতা
১৯৭১ তিনাম পাল্লুম জনকি
১৯৭১ অতি পরাশক্তি প্রভু পরাশক্তি
১৯৭১ তিরুমাগল কল্যাণী
১৯৭১ তিরুট্টাম
১৯৭০ কুমারসম্ভাবম পার্বতী/সাথী
১৯৭০ রমন এথানাই রমনাদি অতিথি চরিত্র হিসেবে অভিনয় করেন
১৯৭০ ইথিরকলম
১৯৭০ পেন্ন্ দেইভাম পোন্নাম্মা
১৯৭০ ভিয়েতনাম বীদু সাবিত্রী
১৯৭০ ভিলাইয়াত্তু পিল্লাই মরাগাথাম
১৯৬৯ গুরুধাচানি দেবকি
১৯৬৮ থিল্লানা মোহনাম্বল মোহনাম্বল
১৯৬৮ তিরুমল পেরুমাই দেব দেবী
১৯৬৮ কুঝান্তাইক্কাকাগা গৌরী নহ্নিন ফারিশতা নামে হিন্দি ভাষায় পুনরায় তৈরি হয়।
১৯৬৭ এঙ্গালুক্কুম কালাম বরুম
১৯৬৭ ইরু মালারগাল উমা
১৯৬৭ পালাদাই জনকি
১৯৬৭ পেসুম দৈবম লক্ষ্মী
১৯৬৭ থিরুভারুৎসেলভার নৃত্যশিল্পী
১৯৬৬ চিঠি মীনাক্ষী
১৯৬৬ সরস্বতী সাবাতম দেবী মহা পার্বতী 'শক্তি '
১৯৬৬ থায়ে উনাক্কাগা দেবী
১৯৬৪ বীরাঙ্গনা
১৯৬৩ নান ভানাগুম দৈবম রুক্মিণী
১৯৬৩ বীর দলপতি ভেলুথাম্বি
১৯৬৩ কাট্টু রোজা পন্নী
১৯৬২ রানী সম্যুক্ত সম্যুক্ত
১৯৬২ সেন্তামারি সেন্তামারি
১৯৬২ বিক্রমাদিত্য রাজকন্যা রত্নমালী
১৯৬২ শ্রী ভাল্লি ভাল্লি
১৯৬১ আরসিলঙ্গকুমারি আনবুকারাসি
১৯৬১ পুনত জেম্মান পার্বতো
১৯৬০ দৈবপিরভি থাঙ্গম
১৯৬০ মান্নাধি মান্নান চিত্র
১৯৬০ মীন্দা সরগাম নির্মলা
১৯৬০ রাজা দেসিঙ্গো আয়িশা
১৯৬০ পেত্রা মানাম
১৯৬০ রিক্সা রঙ্গন
১৯৬০ রাজা ভক্তি রাজকন্যা সরোজিনী
১৯৬০ বাগদা তিরোধান নৃত্যশিল্পী
১৯৫৯ দৈবমে থুনাই
১৯৫৯ মরাগাথম মরাগাথম/আলমু
১৯৫৯ পন্নু ভিলায়ুম ভূমি মুঠাম্মা
১৯৫৯ থঙ্গপথুমাই সেলভি
১৯৫৯ বীরপান্ডে কাট্টাবম্মান ভেল্লায়াম্মাপ
১৯৫৮ ভাঞ্জিকুট্টায় ভলিবন রাজকুমারী পদ্মা
১৯৫৮ 'উত্তম পুথিরান আমুধাবলি
১৯৫৮ মঙ্গল ভাগ্যম
১৯৫৮ সম্পূর্ণ রামায়ণ সীতা
১৯৫৭ রাজ রাজন রাজকুমারী রমা
১৯৫৭ পুথাইয়াল পরিমলম
১৯৫৭ ভাগ্যবতী মীনাক্ষী
১৯৫৭ মালিকা কমলা
১৯৫৬ মাদুরাই বীরেন ভেলায়াম্মাই
১৯৫৬ আমরা দীপম রূপা
১৯৫৬ রাজা রানী রানী
১৯৫৬ আসাই সুন্দরী
১৯৫৬ কান্নিল মনিগাল
১৯৫৬ ভেরাম পেচু আল্লা
১৯৫৫ এল্লাম ইনবা মায়াম অতিথি শিল্পী
১৯৫৫ মাঙ্গাইয়ার তিলকম সুলোচনা
১৯৫৫ কাবেরি কাবেরি
১৯৫৫ কওটেস্বরণ নীলা
১৯৫৫ কতনায়কী
১৯৫৫ রাজকুমারী
১৯৫৪ এধির পরাধাতু সুমতি
১৯৫৪ ইল্লারা জ্যোতি চিত্রলেখা
১৯৫৪ কল্যনাম পান্নিয়াম ব্রহ্মচারী]] পদ্মিনী
১৯৫৪ স্বর্গবাসল রানী কুমার দেবী
১৯৫৪ বইরা মালাই
১৯৫৪ থুক্কু থুক্কি রাজকন্যা মাধবী
১৯৫৩ মরুমাগল শান্তা
১৯৫৩ আশাদীপম জয়ন্তী
১৯৫৩ আনবু মালতি
১৯৫৩ উলাগম ভারতনাট্যম নৃত্যশিল্পী
১৯৫৩ পন্নী
১৯৫২ পানাম জীব
১৯৫২ বেলাইকরন
১৯৫২ 'কঞ্চনা
১৯৫২ অন্ধমান কাইধি
১৯৫২ আমারকবি
১৯৫২ ধর্ম দেবতি
১৯৫১ মনমাগল কুমারী
১৯৫১ ওর ল্রাভু
১৯৫১ দেবকি
১৯৫১ সিঙ্গারি
১৯৫১ বনসুন্দরী
১৯৫০ এঝাই পদুম পদু লক্ষ্মী
১৯৫০ মরুধানাত্তু ইল্লা
১৯৫০ পন্মুদি
১৯৫০ ইতায়া গীতম'
১৯৫০ পরিজাতম
১৯৫০ দিগম্বর সমিয়ার
১৯৫০ মন্ত্রিরি কুমারী
১৯৫০ কৃষ্ণ বিজয়ম গোপিকা /নৃত্যশিল্পী
১৯৫০ বিজয়কুমারী
১৯৪৯ লাইলি মজনু
১৯৪৯ কন্নয়িন কদলি
১৯৪৯ মঙ্গায়ারকরসি
১৯৪৯ পবলক্কোডি
১৯৪৯ নাট্যরানী
১৯৪৯ ভেলয়করি
১৯৪৯ বিনোতিনী
১৯৪৯ মায়াবতী
১৯৪৯ বাঝকাই
১৯৪৯ দেব মনোহারী
১৯৪৮ আধিতন কানাভু মোহিনী
১৯৪৮ ভক্ত জন কৃষ্ণা
১৯৪৮ ভোজন
১৯৪৮ মহাবলী
১৯৪৮ গণ সুন্দরী
১৯৪৮ মোহিনী
১৯৪৮ গোকুল দাসী কৃষ্ণা
১৯৪৮ বেধাল উলাগম
১৯৪৮ গীতা গান্ধী
১৯৪৭ কনিকা মোহিনী

হিন্দি চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র টীকা
১৯৮২ দরদ কা রাস্তা অনুরাধার মা
১৯৭০ মাস্তানা গৌরী
১৯৭০ আনসু আউর মুসকান মেরি
১৯৭০ মেরা নাম জোকার মীনা/মিনা বানু বোচালি/মাস্টার মীনু
১৯৬৯ ভাই বহিন রানী/তারা
১৯৬৯ মাধবী রাজকুমারী মঙ্গলা ভি সিং
১৯৬৯ চন্দ আউর বিজলী বিজলী
১৯৬৯ নহ্ন ফারিশতা গৌরী
১৯৬৮ ভাসনা লক্ষ্মী
১৯৬৭ আওরাত পার্বতী
১৯৬৭ বসন্ত সেন
১৯৬৬ আফসানা রেনু
১৯৬৫ মহাভারত দ্রৌপদী / সাইরন্ত্রি
১৯৬৫ কাজল ভানু
১৯৬৫ সপ্তশি
১৯৬৫ শাহির
১৯৬২ আশিক প্রীতি
১৯৬১ অপ্সরা
১৯৬০ কল্পনা কল্পনা
১৯৬০ আই ফিরসে বাহার
১৯৬০ মায়া মছিন্দ্র
১৯৬০ সিঙ্গাপুর লতা
১৯৬০ বিন্ধ্য বিন্ধ্য বধূ
১৯৬০ জিস দেশ মেন গঙ্গা বেহতি হ্যায় কাম্মু
১৯৫৯ আমার শহীদ
১৯৫৮ রাগিনী সিতারা দেবী
১৯৫৮ আমার দীপ রূপা
১৯৫৮ মুজরিম
১৯৫৮ রাজ তিলক রাজকন্যা বাত্মা
১৯৫৮ সিতামগার
১৯৫৭ পরদেশী লক্ষ্মী একটি ইন্দো-সোভিয়েত চলচ্চিত্র। রুশ ভাষায় জার্নি বিয়ন্ড থ্রি সীস নামে মুক্তি পায়।
১৯৫৭ পায়েল কমলা
১৯৫৭ কায়দি
১৯৫৫ শিব ভক্ত রানী
১৯৫২ মিস্টার সম্পত মালিনী
১৯৫১ জীবন তারা
১৯৪৮ কল্পনা নৃত্যশিল্পী

মালায়ালাম চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র টীকা
১৯৯৪ ডলার আম্মাচি
১৯৯১ বাস্তুহারা ভবানী
১৯৮৯ গুরুদেবন পার্বতী
১৯৮৫ নক্কেথাধুরাথু কান্নুম নাট্টু কুঞ্জঞ্জম্ম টমাস
১৯৮৪ শবরীমালা দর্শনম
১৯৭৯ এঝাম কাদালিনাক্কারে ডাক্তার
১৯৭১ রাত্রি বন্দী
১৯৭০ বিবাহিতা মীনা
১৯৭০ শবরীমালা শ্রী ধর্ম স্রষ্টা
১৯৬৯ কুমারসম্ভবম সতী/পার্বতী
১৯৬৮ অপরাধিনী
১৯৬৮ সন্ধ্যা
১৯৬৮ অধ্যাপিকা
১৯৬৪ কনকচিলঙ্গা
১৯৬৪ দেবালয়ম
১৯৬১ শবরীমাল শ্রী আয়াপ্পান মোহিনী/মহাবিষ্ণু
১৯৬১ উম্মিনি থাংকা থাংকা
১৯৫৯ চতুরঙ্গম
১৯৫৯ মিন্নালপাধায়লি
১৯৫৭ শকুন্তলা
১৯৫৪ স্নেহসীমা ওমানা
১৯৫৩ আশাদীপম জয়ন্তী
১৯৫২ আম্মা নৃত্যশিল্পী
১৯৫২ কাঞ্চন ভানুমতী
১৯৫১ রক্তবন্ধম ললিতা
১৯৫০ চন্দ্রিকা নৃত্যশিল্পী
১৯৫০ প্রসন্ন

টিভি সিরিজ[সম্পাদনা]

বছর নাম চরিত্র টিভি চ্যানেল
২০০২ আমেরিকান ড্রিমস পার্বতীআম্মা অ্যাসিনেট চ্যানেল
১৮৯০-এর দশক আননোন সিরিয়াল বাই মনোবালা অভিনেত্রী

তেলুগু চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র টীকা
১৯৬৭ বসন্ত সেন অঙ্গ সেন
১৯৬৭ মোহিনী ভষ্মাসুর মোহিনী
১৯৫৫ বিজয় গৌরী
১৯৫৪ আমরা সন্দেশম রাজ নর্তকী
১৯৫৩ ওকা তাল্লি পিল্লালু
১৯৫৩ আম্মা লাক্কালু ঊষা
১৯৫২ কাঞ্চন
১৯৫২ ধর্ম দেবতা নর্তকী
১৯৫১ নব্বিতে নবরত্নালু
১৯৫১ চন্দ্রবংকা
১৯৫০ তিরুগুবাতু
১৯৫০ বীদাল পাতলু লক্ষ্মী
১৯৫০ জীবিতম নৃত্যশিল্পী
১৯৪৯ লাইলি মজনু

রুশ চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্র টীকা
1957 খোজদেনিয়ে যা ত্রি (জার্নি বিয়ন্ড থ্রি সীস) লক্ষ্মী

নাটক[সম্পাদনা]

  • রামায়ণ
  • কল্পনা
  • ভাল্লি
  • কণ্যকি
  • দশভাত্রম
  • শ্রী কৃষ্ণ লীলা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Front Page : Queen of Tamil cinema no more"। Chennai, India: The Hindu। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬। ৩ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১১ 
  2. Padmini Ramachandran – Indian Actress and Dancer – Obituary
  3. "Actress Padmini dead"। ৬ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০ 
  4. "Friday Review Chennai : Beauty, charm, charisma"। Chennai, India: The Hindu। ২০০৬-০৯-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৬-০৭ 
  5. "Entertainment / Interview : The tillana glitter is intact"। Chennai, India: The Hindu। ২০০৪-০৯-২৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৬-০৭ 
  6. "Beauty, charm, charisma"। Chennai, India: The Hindu। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৬। 
  7. Padmini to relocate
  8. Randor Guy (২০১১-০৩-২৬)। "Vanjikottai Vaaliban 1958"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০১-২২ 
  9. "Miscellaneous / This Day That Age: dated March 17, 2010: Afro-Asian film festival"। Chennai, India: The Hindu। ২০১০-০৩-১৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৬-০৭ 
  10. Sulochana Pattabhiraman (২০০১-০২-০৪)। "A role model"। Chennai, India: The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]