বিষয়বস্তুতে চলুন

ধর্মেন্দ্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ধর্মেন্দ্র
২০১২ সালে ধর্মেন্দ্র
সংসদ সদস্য, লোকসভা
কাজের মেয়াদ
১৩ মে ২০০৪  ১৬ মে ২০০৯
পূর্বসূরীরামেশ্বর লাল দুদি
উত্তরসূরীঅর্জুন রাম মেঘওয়াল
নির্বাচনী এলাকাবিকানের
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মধর্মেন্দ্র কেওয়াল কৃষাণ দেওল
(১৯৩৫-১২-০৮)৮ ডিসেম্বর ১৯৩৫
নাসরালি, পাঞ্জাব, ব্রিটিশ ভারত[]
মৃত্যু২৪ নভেম্বর ২০২৫(2025-11-24) (বয়স ৮৯)
মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ভারত
নাগরিকত্বব্রিটিশ ভারতীয় (১৯৩৫–১৯৪৭)
ভারতীয় (১৯৪৭–২০২৫)
রাজনৈতিক দলভারতীয় জনতা পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গী
সন্তান৬; (সানি, ববি এবং এশা সহ)
আত্মীয়স্বজনদেওল পরিবার দেখুন
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরামগড়িয়া কলেজ, ফাগওয়ারা
পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, চণ্ডীগড়
পেশা
  • অভিনেতা
  • রাজনীতিবিদ
পুরস্কারপদ্মভূষণ (২০১২)
স্বাক্ষর
ডাকনামহি-ম্যান, গরম ধরম

ধর্মেন্দ্র কেওয়াল কৃষ্ণ দেওল (জন্ম ৮ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - ২৪ নভেম্বর ২০২৫),[] ধর্মেন্দ্র নামে পরিচিত, একজন ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক এবং রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি মূলত হিন্দি চলচ্চিত্রে তার কাজের জন্য পরিচিত। ধর্মেন্দ্রকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে সুদর্শন এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্র তারকাদের একজন হিসেবে ব্যাপকভাবে বিবেচনা করা হত।[] ৬৫ বছরের কর্মজীবনে, তিনি ৩০০ টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছেন। এছাড়াও হিন্দি চলচ্চিত্রে সর্বাধিক সংখ্যক হিট ছবিতে অভিনয় করার রেকর্ডটি তাঁর দখলে।[][]

ধর্মেন্দ্র ১৯৬০ সালে দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন ।[] তিনি প্রথম ১০৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে আয়ে মিলান কি বেলা, ফুল অর পাথর এবং আয়ে দিন বাহার কে-এর মতো চলচ্চিত্রগুলির জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং পরবর্তী বছরগুলিতে আরও বেশি স্টারডম অর্জন করেন, হিন্দি ছবিতে তার বেশ কয়েকটি অন-স্ক্রিন ভূমিকার জন্য ভারতের "হি-ম্যান" নামে ডাকা হয়।[] তিনি ১৯৬০-এর দশকের শেষ থেকে ১৯৮০-এর দশকের শেষ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি সফল হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যেমন আঁখেন, শিকার, আয়া সাওয়ান ঘুম কে, জীবন মৃত্যু, মেরা গাঁও মেরা দেশ, সীতা অর গীতা, রাজা জানি, জুগনু বাতিয়া, শোয়াড্, জুগনু বাতিয়া, চরস, ধরম বীর, চাচা ভাতিজা, গুলামি, হুকুমত, আগ হি আগ, এলান-ই-জং এবং তাহলকার[][] পাশাপাশি তার কিছু প্রশংসিত অভিনয়ের মধ্যে রয়েছে আনপাধ, বন্দিনী, হকিকত, অনুপমা, মাজ্ত্য না, মাজ্ত্য না, জামানা, সমাধি, রেশম কি দরি, চুপকে চুপকে, দিল্লাগি, দ্য বার্নিং ট্রেন, গজব, দো দিকায়েনহাতিয়ার[১০][১১]

১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে, তিনি পেয়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া, লাইফ ইন এ... মেট্রো, আপনে, জনি গাদ্দার, ইয়ামলা পাগলা দিওয়ানা, রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি এবং তেরি বাতাঁ উল্যাহ্যাঁর মতো বেশ কয়েকটি সফল ও প্রশংসিত চলচ্চিত্রে চরিত্রে অভিনয় করেন ।[১২][১৩][১৪] ১৯৯৭ সালে, তিনি বলিউডে তার অবদানের জন্য ফিল্মফেয়ার লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার পান । তিনি ভারতের ১৫ তম লোকসভার সদস্য ছিলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) থেকে রাজস্থানের বিকানের আসনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ।[১৫]

ধর্মেন্দ্র প্রকাশ কৌর এবং অভিনেত্রী হেমা মালিনীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ।

জীবনের প্রথমার্ধ

[সম্পাদনা]
ধর্মেন্দ্র তার বাবা সাথে

ধর্মেন্দ্র কেওয়াল কৃষন দেওল[১৬] ১৯৩৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার নসরালি গ্রামের একটি পাঞ্জাবি জাট পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[১৭][১৮] তার বাবা ছিলেন কেওয়াল কৃষন[১৯] এবং মা সতবন্ত কৌর।[২০] তাদের আদি বাড়ি লুধিয়ানার পাকহোয়াল তহসিলের রাইকট এলাকার দাঙ্গোঁ গ্রামে।[২১][২২]

শৈশবের বেশিরভাগ সময় তিনি সাহনেওয়াল গ্রামে কাটান। তিনি লুধিয়ানার লালটন কালাঁ সরকারি সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে পড়াশোনা করেন, যেখানে তার বাবা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।[২৩] ১৯৫২ সালে তিনি ফাগওয়ারা থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন।[২৪] সেই সময় পাঞ্জাবের সব স্কুল পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, চণ্ডীগড়ের অধীনে ছিল।

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র অভিনেতা

[সম্পাদনা]

জাতীয়ভাবে ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনে 'নিউ ট্যালেন্ট এ্যাওয়ার্ড' এর আয়োজন করা হয়েছিলো, ধর্মেন্দ্র সেটিতে জিতে পাঞ্জাব থেকে মুম্বই (তখন বম্বে) শহরে আসেন। বলা হয়েছিলো যে তাঁকে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য নেওয়া হবে, যদিও কোনো চলচ্চিত্রই তৈরি হয়নি। ১৯৬০ সালের চলচ্চিত্র দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে ছিলো ধর্মেন্দ্র অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র।[২৫][২৬] বয়ফ্রেন্ড (১৯৬১) চলচ্চিত্রে তিনি সহ-ভূমিকায় ছিলেন; ১৯৬০ থেকে '৬৭ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রেমমূলক চলচ্চিত্রে কাজ করেন ধর্মেন্দ্র।

তিনি অভিনেত্রী নূতন এর সঙ্গে সুরত অর সিরাত (১৯৬২), বন্দিনী (১৯৬৩), দিল নে ফির ইয়াদ কিয়া (১৯৬৬) এবং দুলহান এক রাত কি (১৯৬৭) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। মালা সিনহার সঙ্গে ধর্মেন্দ্র আনপাড় (১৯৬২), পুজা কে ফুল (১৯৬৪), আঁখে এবং বাহারে ফির আয়েগী (১৯৬৬) চলচ্চিত্রে কাজ করেন। ষাটের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নন্দার সঙ্গে ধর্মেন্দ্র আকাশদ্বীপ এবং সায়রা বানুর সঙ্গে শাদী এবং আয়ে মিলান কি বেল (১৯৬৪) চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ধর্মেন্দ্র। মীনা কুমারীর সঙ্গে ধর্মেন্দ্র একটি সফল চলচ্চিত্র জুটি তৈরি করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে সাতটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি, এগুলো হলোঃ ম্যাঁ ভি লাড়কি হুঁ (১৯৬৪), কাজল (১৯৬৫), পূর্ণিমা (১৯৬৫), ফুল অর পাত্থার (১৯৬৬), মাঝলি দিদি (১৯৬৭), চন্দন কা পালনা (১৯৬৭) এবং বাহারো কি মানযিল (১৯৬৮)। ফুল অর পাত্থার (১৯৬৬) চলচ্চিত্রে তিনি একাই নায়ক ছিলেন এবং এটি ছিলো তার জীবনের প্রথম মারামারির চলচ্চিত্র। গুজব রটিয়ে পড়ে যে ধর্মেন্দ্র নাকি মীনা কুমারীর সঙ্গে প্রেম করতেন।[২৭][২৮][২৯] মীনা কুমারী ধর্মেন্দ্রকে চলচ্চিত্র জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক সাহায্য করেছিলেন, তিনি ধর্মেন্দ্রর বন্ধুর মত ছিলেন।[৩০] ফুল অর পাত্থার চলচ্চিত্রটি ১৯৬৬ সালের সবচেয়ে আয়কারী চলচ্চিত্র ছিলো এবং ধর্মেন্দ্র তাঁর জীবনের প্রথম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অনুষ্ঠানে সেরা অভিনেতা বিষয়শ্রেণিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন।[৩১] ১৯৬৬ সালেরই চলচ্চিত্র অনুপমাতে ধর্মেন্দ্রর অভিনয় চলচ্চিত্র সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছিলো।[৩২] ১৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে (১০ অক্টোবর ১৯৬৭) ধর্মেন্দ্রকে উল্লেখ করে কথা বলা হয়েছিলো তার অনুপমা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য।[৩৩] তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করে ভালোই পরিচিতি পান, যেমনঃ আয়ে মিলন কি বেলা, আয়া সাওয়ান ঝুমকে, মেরে হামদাম মেরে দোস্ত, পিয়ার হি পিয়ার এবং জীবন মৃত্যু। বিভিন্ন থ্রিলার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও নাম কামান তিনি যেমনঃ শিকার, ব্ল্যাকমেইল, কাব কিঁউ অর কাহা এবং কিমত। ১৯৭১ সালের চলচ্চিত্র মেরা গাওঁ মেরা দেশ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ধর্মেন্দ্র ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতা মনোনয়ন পান। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ছিলো।

ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে হেমা মালিনীর চলচ্চিত্র-জুটি সবচেয়ে সফল ছিলো, হেমা পরে তার স্ত্রী হন[২৫], হেমা আর ধর্মেন্দ্র অনেক চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজ করেন, যেমনঃ রাজা জানী, সীতা অর গীতা, শরাফত, নয়া জামানা, পাত্থার অর পায়েল, তুম হাসিন ম্যাঁ জাওয়ান, জুগনু, দোস্ত, চরস, মা, চাচা ভাতিজা, আজাদ এবং শোলেঋষিকেশ মুখোপাধ্যায় এর সঙ্গে সত্যকাম চলচ্চিত্র ধর্মেন্দ্রকে অনেক সম্মান দিয়েছিলো।[৩৪]

চলচ্চিত্র তালিকা

[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]
ধর্মেন্দ্র তার ছেলেদের সাথে, ববি (বাম দিকে), সানি দেওল (ডান দিকে)

ধর্মেন্দ্রর ১৯৫৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে চলচ্চিত্র জগতে আসার আগেই প্রকাশ কৌর-এর সঙ্গে প্রথম বিয়ে হয়।[৩৫] এই বিয়ে থেকে তার দুই ছেলে হয় – সানি দেওলববি দেওল, যারা দু’জনই সফল অভিনেতা। এছাড়া তাদের দুই মেয়ে আছে—বিজেতা (জন্ম ১৯৬২) এবং অজীতা (জন্ম ১৯৬৬)।

পরে বোম্বেতে এসে সিনেমায় কাজ শুরু করার পর ধর্মেন্দ্র হেমা মালিনীকে বিয়ে করেন। তখন তিনি আগেই বিবাহিত থাকায় এ বিয়ে নিয়ে বেশ বিতর্ক হয়। এমনকি গুজব ছড়ায় যে ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করেছেন।[৩৬][৩৭] ২০০৪ সালে রাজনৈতিক প্রচারের সময় আবার গুজব উঠলে ধর্মেন্দ্র জানান যে তিনি এখনো হিন্দুই আছেন[৩৮] এবং তাদের পরিবার আর্য সমাজের অনুসারী।[৩৯] ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে তিনি ও হেমা মালিনী একসঙ্গে বহু ছবিতে অভিনয় করেন, যার মধ্যে শোলে অন্যতম।[৪০][৪১] এই দম্পতির দুই মেয়ে—ঈশা দেওল (অভিনেত্রী, জন্ম ১৯৮১) ও অহনা দেওল (সহকারী পরিচালক, জন্ম ১৯৮৫)। তার নাতির (ববি দেওলের ছেলে) নামও “ধরম”—ধর্মেন্দ্রর নাম অনুসারে।[৪২]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Singh, Khushwant (১৮ নভেম্বর ২০১৩)। "Dharmendra unplugged"Hindustan Times। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৪
  2. "Veteran Actor Dharmendra Passes Away at 89"filmfare.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  3. * When Dharmendra was compared to a Hollywood star who he didn't recognise: 'Uski picture hi nahi dekhi thi'. Hindustan Times. 23 January 2022. Archived from the original on 2 May 2025. Retrieved 2 May 2025
  4. Mathur, Abhimanyu (৮ জানুয়ারি ২০২৫)। "Bollywood's most successful actor has 74 hits, more than Shah Rukh, Salman Khan, Amitabh, yet was never called superstar"Hindustan Times। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৫Even though this star had more hits than Amitabh Bachchan and Shah Rukh Khan, he was never called a ‘superstar’ for a rather academic reason. Dharmendra has the distinction of delivering the most hits as an actor in the Hindi film industry. The actor has a record 74 hits to his name in films where he was either the lead or had a substantial role. Dharmendra has appeared in over 240 films. Of these, 94 have been successful (recovering their investments), and 74 have had the distinction of being called hits. This includes seven blockbusters and 13 super hits, notably Sholay, the all-time highest-grosser of Indian cinema.
  5. Mathur, Abhimanyu। "Bollywood's most successful actor has more hits than Shah Rukh, Salman, Amitabh, Aamir; was still never called superstar"DNA India (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৫
  6. Joshi, Sumit। Bollywood Through Ages। Best Book Reads। আইএসবিএন ৯৭৮১৩১১৬৭৬৬৯৬
  7. "Dharmendra, Bollywood's Dreamboat"। ৮ ডিসেম্বর ২০২২। ২৬ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০২৪
  8. "Rewind - Sixty Years Of Dharmendra"Box Office India (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ১২ জুলাই ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০২৩
  9. "Rewind - Twenty Years Of Gadar"। ১৫ জুন ২০২১। ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০২৪
  10. "All muscle, all heart: Dharmendra"www.rediff.com। ৪ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৩
  11. "Dharmendra Turns 88: From 'Anupama' To 'Sholay', 10 Films That Define His Timeless Legacy"। ৮ ডিসেম্বর ২০২৩। ১৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০২৪
  12. "Dharmendra (Filmography)"। Box Office India। ১৯ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৪
  13. "Review: Johnny Gaddaar is a delicious thriller"CNN-IBN। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭। ১৫ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  14. "Rocky Aur Rani Ki Prem Kahaani Emerges HIT Due to Overseas"Box Office India। ২৪ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২৩
  15. "Padma Awards"। pib। ২৭ জানুয়ারি ২০১৩। ২৪ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৫
  16. "Affidavit - Dharmendra Kewal Krishan Deol"ceorajasthan.nic.in (হিন্দি ভাষায়)। ১৫ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২৩
  17. "Dharmendra pained to see Punjabi girls hitting the bottle"Times of India। ১১ নভেম্বর ২০১৩। Bollywood superstar Dharmendra said as a Punjabi he is pained to hear that even girls in the state are now hitting the bottle.
  18. Kashyap, Archita (২৭ জুন ২০১৫)। "I am a farmer's son: Dharmendra"The Hindu। ৩ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১৯I am a Jat. Jats love their land and their farms. I spend most of my time in my farmhouse at Lonavla these days.
  19. "Affidavit - Dharmendra Kewal Krishan Deol"ceorajasthan.nic.in (হিন্দি ভাষায়)। ১৫ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২৩
  20. "Dharmendra talks about his mother Satwant Kaur: She wanted me to learn how to manage money"The Tribune। ২১ জানুয়ারি ২০২০। ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২৩
  21. "Dharmendra nostalgic on visiting Dangon"Ludhiana Tribune। ৬ নভেম্বর ২০১৩। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৫
  22. Kashyap, Archita (২৭ জুন ২০১৫)। "I am a farmer's son: Dharmendra"The Hindu। ৩ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১৯I am a Jat. Jats love their land and their farms. I spend most of my time in my farmhouse at Lonavla these days.
  23. Sumbly, Vimal (২ মে ২০০৪)। "From Ludhiana to Bikaner in support of Dharmendra"Ludhiana Tribune। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৫
  24. "Affidavit"Chief Electoral Officer, Rajasthan। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৫
  25. 1 2 "Dharmendra – Action King: Romantic hero"The Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১০
  26. Ranjana Das Gupta (৪ নভেম্বর ২০১০)। "My First Break: Dharmendra"The Hindu। Chennai, India। ৪ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১১
  27. Mishra, Vijay (২০০২)। Bollywood cinema : temples of desire। London: Routledge। পৃ. xvi। আইএসবিএন ৯৭৮-০৪১৫৯৩০১৫৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৭
  28. Pal, Chandrima (১৫ আগস্ট ২০১৩)। "Men who loved and left Meena Kumari"। Mumbai Mirror। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৭
  29. Jha, Subhash K (২০০৬)। The essential guide to Bollywood। New Delhi: Lustre Press। পৃ. ১৯৬৬। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৭৪৩৬৩৭৮৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৭
  30. Mehta 2016, পৃ. 1949।
  31. "Dharmendra charms the Big Apple"। Rediff। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০১৬
  32. "Hema Malini 35th marriage anniversary"। নং Post.jagran.com। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৫
  33. "Film awards presented"। The Indian Express। Press Trust of India। ১১ অক্টোবর ১৯৬৭। পৃ. ৭।
  34. Dinesh Raheja"Satyakam: Dharmendra's best role of his career"rediff.com। Rediff। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১০
  35. "Bobby Deol Reportedly Attacked Hema Malini with a Knife After Dharmendra's 2nd Marriage; Here's What Prakash Kaur Said on the Matter!"dailybhaskar (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ অক্টোবর ২০১৬। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  36. "Dharmendra or "Dilawar Khan?""Milli Gazette। ৩০ জুন ২০০৪। ২৪ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৬When his political rivals brought the issue to the notice of election authorities and the general public, he denied his conversion to Islam and change of name.
  37. "Celebrities who converted to Islam"The Times of India। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০১৫
  38. Suhrawardy, Nilofar (১৯ এপ্রিল ২০০৪)। "Dharmendra's Past Haunts His Present"Arab News। ৮ জুলাই ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। I am a Hindu. The question of my having ever changed religion does not exist.
  39. "Deols don't believe in superstitions"The Times of India। ২১ জুন ২০০৯। ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪They [Dharmendra and Sunny Deol] said, 'We keep any kind of superstition at bay. Being followers of the Arya Samaj system, we bring in positive energy by doing good deeds for the good of others.'
  40. "Hema Malini on 35th wedding anniversary"Mid-Day। ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৫
  41. "Dharmendra – Action King: Personal life"The Indian Express। ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১১
  42. Goyal, Divya (২৯ জানুয়ারি ২০১৯)। "Viral: The Internet Is Crushing On Bobby Deol's Son Aryaman"NDTV। ২৯ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২২

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]