নটর ডেম কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
নটর ডেম কলেজ
NDC Entrance.jpg
নটর ডেম কলেজের প্রবেশমুখ
নীতিবাক্য জ্ঞানের আলোকে ভালোবাসো
ধরন উচ্চ মাধ্যমিক
স্থাপিত ১৯৪৯ (১৯৪৯)
অধ্যক্ষ ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও, সিএসসি[১]
শিক্ষার্থী ৬০০০+
অবস্থান ঢাকা, মতিঝিল, বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গন শহর
সংক্ষিপ্ত নাম এনডিসি
ওয়েবসাইট notredamecollege-dhaka.com
Ndclogo.jpg

নটর ডেম কলেজ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত একটি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কলেজগুলোর মধ্যে একটি যেখানে বি.এ. পড়ার সুযোগও আছে। পবিত্র ক্রুশ সংঘের ধর্মযাজকদের দ্বারা নটর ডেম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে কলেজটির ৬০ বছর পূর্ণ হয়েছে। বর্তমানে এটি কমলাপুর রেলস্টেশনের কাছাকাছি মতিঝিল-আরামবাগে অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের[২] নভেম্বর মাসে ঢাকা শহরের লক্ষ্মীবাজারে হলি ক্রসের সিদ্ধান্ত অনুসারে রোমান ক্যাথলিক পাদ্রি সম্প্রদায় কর্তৃক নটর ডেম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমদিকে সেন্ট গ্রেগরিজ কলেজ[২] নামে পরিচিত ছিল, যা ছিল সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুলের পরিবর্ধন। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে এটি আরামবাগে স্থানান্তর করা হয়। তখন এটির নামকরণ করা হয় নটর ডেম কলেজ[৩]

কলেজটি প্রথমে কলা ও বাণিজ্য বিষয়ে পড়ালেখা চালু করলেও পরবর্তীতে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে বি.এ এবং ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে বি.এস.সি চালু করে। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে নটর ডেম কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়ে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসমূহে নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করে এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে সেরা কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।[২]

নামকরণ, মূলনীতি ও প্রতীক[সম্পাদনা]

নটর ডেম কলেজের 'নটর ডেম' শব্দ দুটো ফরাসি ভাষা থেকে নেয়া হয়েছে। ইংরেজিতে যার অনুবাদ হলো 'Our Lady'। রোমান ক্যাথলিকগণ 'আওয়ার লেডি' বলতে যিশুখ্রিষ্টের মা মারিয়া বা ম্যারিকে বুঝিয়ে থাকেন। তাই ক্যাথলিকদের দ্বারা পরিচালিত এই কলেজটির নাম সেই মহীয়সী নারীকে উৎসর্গ করে রাখা হয়।[৪]

কলেজের মূলনীতি হলো: Diligite Lumen Sapientiae, যার অর্থ জ্ঞানের আলোকে ভালোবাসো। ক্যাথলিক ধর্মমতে, যিশুখ্রিস্টের মা ম্যারি হলেন জ্ঞানের প্রতীক। "জ্ঞান" (Sapientiae) শব্দটি কলেজের মুখ্য উদ্দেশ্য একাধারে জ্ঞানার্জন ও জ্ঞানের উৎস স্রষ্টাকে লাভ করার প্রতি ইঙ্গিত করে। "আলো" (Lumen) শব্দটি দ্বারা অন্ধকারকে দূরীভূত করা ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্য করতে পারার প্রতি ইঙ্গিত করে। আর "ভালোবাসো" (Diligite) শব্দটি দ্বারা ভালোবাসার সাথে জ্ঞান আহরণের প্রতি ইঙ্গিত করে।[৪]

নটর ডেম কলেজের প্রতীকের সবচেয়ে উপরে রয়েছে একটি খোলা বই, যার বাম পাতায় বড় ছাদের গ্রিক অক্ষর 'আলফা' (Α) এবং ডান পাতায় বড় ছাদের 'ওমেগা' (Ω) রয়েছে। আলফা-ওমেগা হলো গ্রিক বর্ণমালার, যথাক্রমে প্রথম ও শেষ অক্ষর। এর দ্বারা একই সাথে সমগ্র জ্ঞান[৪] এবং বাইবেল এর রহস্যোদ্ঘাটন অধ্যায়ের যিশুর একটি উক্তির প্রতি ইঙ্গিত করে। এছাড়া বই হচ্ছে জ্ঞানের বাহন। সম্মিলিতভাবে এই প্রতীকগুলো প্রকাশ করছে: যুগ যুগ ধরে আহরিত যাবতীয় জ্ঞান বইয়ের মধ্যে সঞ্চিত হয়ে আছে এবং তা অর্জন করতে পারলেই জীবন আলোকময় হয়ে উঠবে। এই প্রতীকটির নিচের অংশে তিনটি ক্ষেত্র রয়েছে। বাম দিকের ক্ষেত্রে দেখা যায় ৭টি 'পদ্মফুল'। পদ্ম হলো বিশুদ্ধতার প্রতীক। যিশুর মা ম্যারি ছিলেন পদ্মের ন্যায় শুচি এবং পবিত্র। প্রতীকে, ৭টি পদ্ম দ্বারা ম্যারির জীবনের সাতটি শোককে প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর জীবনের সাতটি দুঃখময় ঘটনার স্মরণে তাঁকে "সপ্তশোকের জননী" বলা হয়ে থাকে। এই প্রতীকগুলো একত্রে কষ্টসাধ্য জ্ঞানার্জনকে ইঙ্গিত করে। ডানদিকের ক্ষেত্রটির জলময় নদী, চলমান নৌকা, সোনালি ধানক্ষেত আর সীমাহীন নীলাকাশ-শোভিত দৃশ্যটি সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশের বুকে কলেজটির অবস্থান প্রতিকায়িত করে। নিচের ক্ষেত্রটিতে আড়াআড়িভাবে স্থাপিত দুটি নোঙরের বুকে স্থাপিত ক্রুশ হলিক্রস সন্ন্যাস-সংঘের প্রতীক। এই প্রতীক দ্বারা প্রতিকায়িত করা হয়: ক্রুশে বিদ্ধ হয়ে যিশুখ্রিস্টের মৃত্যু যেমন মানব জাতিকে মুক্তি এনে দিয়েছিলেন, তেমনি ক্রুশার্পিত সেই যিশুকে নোঙরের ন্যায় আঁকড়ে ধরে পরিত্রাণ লাভ সম্ভব। নোঙর আশার প্রতীক। ক্রুশ থেকে চারদিকে যে আলো ছড়িয়ে পড়েছে, তা যিশুখ্রিস্টের আলো ও মহানুভবতার প্রতীক।[৪]

বিবরণ ও বর্ণনা[সম্পাদনা]

গাঙ্গুলি ভবন
প্রশাসনিক ও একাডেমিক হেরিংটন ভবন, নটর ডেম কলেজ

নটর ডেম কলেজ, রোমান ক্যাথলিকদের দ্বারা পরিচালিত হলেও সকল ধর্মাবলম্বী ছাত্ররাই এখানে অধ্যয়নের সুযোগ পান। কলেজটিতে শুধুমাত্র ছাত্ররা পড়তে পারে, ছাত্রীদের জন্য এখানে কোনো স্থান রাখা হয়নি। কলেজটি পরিচালিত হয় পবিত্র ক্রুশ সন্ন্যাস-সংঘের ফাদারদের দ্বারা পরিচালিত হয়। এই সন্ন্যাস-সংঘের ফাদারগণ উত্তর আমেরিকাতে নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কিংস মহাবিদ্যালয়, স্টোনহিল মহাবিদ্যালয়, এবং দক্ষিণ আমেরিকার চিলির সান্তিয়াগোতে সেন্ট জর্জ মহাবিদ্যালয় পরিচালনা করেন। কলেজে সন্ন্যাসব্রতী ধর্মযাজক ছাড়াও অযাজকীয় শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন।[৪]

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

কলেজের সূচনালগ্নেই ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে কলেজের অভ্যন্তরে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার প্রাক্তন নাম ছিল, কলেজের প্রাক্তন নামেই, "সেন্ট গ্রেগরিজ কলেজ লাইব্রেরি"। পরবর্তীতে , ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে, কলেজের নাম পরিবর্তন করে নটর ডেম কলেজ রাখা হলে গ্রন্থাগারের নামও পরিবর্তন করে রাখা হয় "নটর ডেম কলেজ লাইব্রেরি"। কলেজের নতুন ভবনের (গাঙ্গুলী ভবন) নির্মাণ কাজ শুরু হলে ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দের ২১ আগস্ট গ্রন্থাগারটি, কলেজের যুক্তিবিদ্যার প্রাক্তন অধ্যাপক ফাদার রিচার্ড নোভাক, সিএসসি-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে তাঁকে উৎসর্গ করে রাখা হয় "ফাদার রিচার্ড নোভাক মেমোরিয়াল লাইব্রেরি"

১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চলাকালে ফাদার নোভাক একটি দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ নিতে সাইকেল-যোগে রওয়ানা হলে পথিমধ্যে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ফাদার রিচার্ড নোভাকের বড় ভাই মাইকেল নোভাক তাঁর সংগ্রহের অনেক বই এই গ্রন্থাগারে দান করেছেন এবং গ্রন্থাগারের জন্য নিয়মিত অর্থ অনুদান দিয়ে আসছেন। নতুন গ্রন্থাগার-কক্ষ নির্মাণের জন্যও তিনি অনুদান দিয়েছেন।[৪] আর্চবিশপ গাঙ্গুলি ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থিত লাইব্রেরিটির মোট ১৩০ আসনবিশিষ্ট দুটি পাঠকক্ষ রয়েছে। কলেজে ভর্তির সাথে সাথে ছাত্ররা গ্রন্থাগারের সদস্য হয়ে যান এবং লাইব্রেরি কার্ড পেয়ে যান। গ্রন্থাগারে নিয়মিত ৬টি দৈনিক পত্রিকা, ৪টি সাপ্তাহিক ও ৪টি মাসিক ম্যাগাজিন রাখা হয়। এছাড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ জার্নাল ও ম্যাগাজিন অনিয়মিতভাবে রাখা হয়। বইসমূহ লাইব্রেরি কার্ডের প্রেক্ষিতে ধার নেয়া যায়, তবে অভিধান, এনসাইক্লোপিডিয়া, হ্যান্ডবুক ইত্যাদি দুষ্প্রাপ্য বইসমূহ কেবল গ্রন্থাগারেই ব্যবহার্য। গ্রন্থাগারে ফটোকপিরও ব্যবস্থা আছে।[৪]

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

হেরিংটন ভবনের সামনে অবস্থিত বাস্কেটবল খেলার মাঠ, নটর ডেম কলেজ

কলেজ পর্যায়ের খেলাধুলায় নটর ডেম কলেজ বিভিন্ন সময় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। কলেজ প্রাঙ্গণে ফুটবল, ক্রিকেট ইত্যাদি আউটডোর খেলার সুবিধা দিতে বিশাল মাঠ রয়েছে। এছাড়া আছে বাস্কেটবল মাঠ। কলেজের ছাত্রদেরকে খেলাধুলার সুবিধা দিতে রয়েছে একটি খেলার সরঞ্জাম ধার দেয়ার অফিস। সেখানে ছাত্ররা নিজেদের কলেজ আইডি কার্ড প্রদর্শনপূর্বক বিভিন্ন প্রকার খেলাধুলার সামগ্রী বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারেন।

ধর্মচর্চা[সম্পাদনা]

নটর ডেম কলেজের পাঞ্জেগানা মসজিদ

ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় কলেজের খ্রিষ্টান ছাত্রদেরকে প্রতি রবিবার বিশেষ প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করতে হয়। তবে সকল ধর্মাবলম্বী ছাত্রদেরই নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা কলেজে রয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গণে বাস্কেটবল মাঠের পাশেই বাগানের মধ্যে একটি একতলা পাঞ্জেগানা মসজিদ এবং ওযুখানা রয়েছে। এছাড়া, কলেজের গাঙ্গুলি ভবন-এর নিচতলায় একটি ধর্মবিষয়ক পাঠাগার রয়েছে। সেখানে সকল ধর্মের পুস্তকাদি সংরক্ষিত রয়েছে।

প্রশাসন[সম্পাদনা]

ঢাকা হলি ক্রসের আদেশ অনুসারে ক্যাথলিক ফাদার কর্তৃক এটি পরিচালিত হয়। স্থাপনের পর থেকে এ পর্যন্ত ১০ জন পাদ্রী এই কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।

  1. জন হ্যারিংটন, ১৯৪৯-৫৪
  2. জেমস মার্টিন, ১৯৫৪-৬০
  3. থিওটোনিয়াস অমল গাঙ্গুলী, মার্চ ১৯৬০ - অক্টোবর ১৯৬০
  4. উইলিয়াম গ্রাহাম, ১৯৬০-৬৭
  5. জন ভ্যান্ডেন বোস, ১৯৬৭-৬৯
  6. জোসেফ পিশোতো, ১৯৬৯-৭০
  7. রিচার্ড উইলিয়াম টিম, ১৯৭০-৭১
  8. অ্যামব্রোস হুইলার, ১৯৭১-৭৬
  9. জোসেফ পিশোতো, ১৯৭৬-৯৮
  10. বেঞ্জামিন কস্তা, ১৯৯৮-২০১২
  11. হেমন্ত পিউস রোজারিও, ২০১২-বর্তমান

শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রম[সম্পাদনা]

লেখাপড়ার পাশাপাশি নটর ডেম কলেজে শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রমকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। এ কারণে প্রতিবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষায় ভালো ফল অর্জনের পাশাপাশি দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় এ কলেজের ছাত্ররা বরাবরই ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করে আসছে।

নটর ডেম কলেজের ক্লাবসমূহ[সম্পাদনা]

নটর ডেম কলেজে বর্তমানে (২০১৮) ২৪ টি ক্লাব রয়েছে।[৫] কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এখানে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করলেও ছাত্ররাই এসব ক্লাবের প্রাণ। সারা বছর জুড়ে এই ক্লাবগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন ও কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে কলেজের ছাত্রদের উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে। এইসব ক্লাবের আয়োজিত কিছু কিছু অনুষ্ঠান ও কার্যক্রম বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান হিসাবে মর্যাদা লাভ করেছে। দেশের বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ এ কার্যক্রমগুলোকে ভিন্নমাত্রা দান করে।
এই কলেজের ক্লাবসমূহ হলো:[৪]

  • নটর ডেম ডিবেটিং ক্লাব (প্রতিষ্ঠা : ১৯৫৩; প্রতিষ্ঠাতা: ফাদার আর. ডব্লিউ. টিম সিএসসি)

১৯৫৩ সালে, কলেজের তৎকালীন জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফাদার রিচার্ড উইলিয়াম টিম, সিএসসি ছিলেন এই ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মডারেটর। ফাদার টিম উপমহাদেশের একজন প্রথিতযশা জীববিজ্ঞানী, ম্যাগসেসাই পুরস্কার বিজয়ী এবং নেমাটোডা পর্বের জনক।[৬][৭]
ক্লাবের বার্ষিক মুখপত্র দ্বৈরথ। এছাড়া ক্লাব প্রতিবছর দ্রোহ নামে একটি বিতর্ক কড়চা প্রকাশ করে। ক্লাব প্রতিবছর ডিবেটার'স লীগ, মিক্স-আপ, ইন্টার গ্রুপ ডিবেট, পালাবদলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

  • নটর ডেম বিজ্ঞান ক্লাব (প্রতিষ্ঠা : ১৯৫৫; প্রতিষ্ঠাতা: ফাদার আর. ডব্লিউ. টীম সিএসসি)

নটরডেম বিজ্ঞান ক্লাব ফাদার আর. ডব্লিউ. টিম, সি.এস.সি ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত করেন। "মানুষের সেবায় বিজ্ঞান" এটি এই ক্লাবের মূল লক্ষ্য। এটি উপমহাদেশের প্রথম তত্থা বাংলাদেশের প্রথম বিজ্ঞান ক্লাব। ১৯৫৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ জীববিজ্ঞানী রিচার্ড উইলিয়াম টিম সিএসসি ক্লাবটির উদ্বোধন করেন। ২০০৫ সালে এর ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০১৫ তে ৬০ বছর। ক্লাবের প্রকাশনাগুলো হল অদ্রি, কসমস, স্পুটনিক, আবিষ্কার। অত্র কলেজের ৩টি কুইজ টিম - এনডিসি গোল্ড, এনডিসি ব্লু ও এনডিসি গ্রিন নটর ডেম বিজ্ঞান ক্লাবের মাধ্যমেই পরিচালনা করা হয়।[৮]

  • নটর ডেম আউটওয়ার্ড বাউন্ড এ্যাডভেঞ্চার ক্লাব (OBAC) (এডভেঞ্চার ক্লাব) (প্রতিষ্ঠা : ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ অক্টোবর; প্রতিষ্ঠাতা : ফাদার আর. ডব্লিউ. টীম সিএসসি)
  • নটর ডেম রোভার দল (প্রতিষ্ঠা : ১৯৭২)
  • নটর ডেম বিজনেস ক্লাব (নটরডেম ব্যবসায় সংঘ) (প্রতিষ্ঠা : ১৯৭৩)
  • নটর ডেম চেস ক্লাব (নটরডেম দাবা সংঘ) (প্রতিষ্ঠা : ২৮ মার্চ, ১৯৮৪)
  • নটর ডেম মানবিক সংঘ (প্রতিষ্ঠা : ২৯ আগস্ট, ১৯৮৪)
  • নটর ডেম নেচার স্টাডি ক্লাব (নটর ডেম প্রকৃতি নিরীক্ষণ সংঘ) (প্রতিষ্ঠা : ২৯ আগস্ট, ১৯৮৪)

দেশের প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিষয়ক বিভিন্ন তত্ত্ব ও তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার করা এবং এ বিষয়ে দেশের ছাত্র ও জনগণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালের ২৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয় নটর ডেম নেচার স্টাডি ক্লাব (নটরডেম প্রকৃতি নিরীক্ষণ সংঘ)। নটর ডেম কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক জনাব মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, তৎকালীন মাত্র ২০ জন ছাত্র নিয়ে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশে, এই ক্লাবটিকেই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রথম ক্লাব হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এই ক্লাব থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে তৈরি হয়েছে আরো বিভিন্ন নেচার স্টাডি ক্লাব, ঢাকার বিভিন্ন কলেজে। নিয়মিতভাবে ক্লাবের তরফ থেকে বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ছাত্র সদস্যদের মাঝে গঠনমূলক মনোবৃত্তির বিকাশই এসব কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। এ ক্লাবের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে দৈনিক সংবাদ সংগ্রহ, সাপ্তাহিক ক্লাস ও সভা, পাক্ষিক ন্যাচার স্টাডি স্থান পরিদর্শন, মাসিক দেয়ালিকা, ত্রৈমাসিক পত্রিকা "নিসর্গ" প্রকাশ, মাসিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, মাসিক সভা ও মাসিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, বার্ষিক সভা ও সেমিনার, বার্ষিক পত্রিকা প্রকাশ। ক্লাবের সদস্যদের উদ্যোগে প্রকাশিত বার্ষিক পত্রিকা "প্রকৃতি" সারা বছরের ক্লাব কার্যক্রমের বহিঃপ্রকাশ।[৪] এছাড়া ক্লাবটি ছাত্রদের বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী করে তোলার জন্য প্রায়ই বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করে থাকে, যেমন: গ্রাউন্ড ট্রেনিং প্রোগ্রাম (GTP), ফটোগ্রাফি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (PTP), অফিস ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম (OMTP), ফিল্ড ওয়ার্ক ট্রেনিং প্রোগ্রাম (FWTP), নিউজলেটার পাবলিকেশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম (NPTP), ন্যাচার জার্নালিজম ট্রেনিং প্রোগ্রাম (NJTP), কম্পিউটার ট্রেনিং প্রোগ্রাম (CTP), ক্লাব ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম (CMTP), সায়েন্টিফিক রিসার্চ প্রিপেয়ার্ডনেস ট্রেনিং প্রোগ্রাম (SRPTP) ইত্যাদি। প্রকৃতি সংরক্ষণে নটর ডেম নেচার স্টাডি ক্লাব শুধু নটর ডেম কলেজ ক্যাম্পাসেই নয়, এ ক্লাবের চেতনা ছড়িয়ে দিয়েছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। এই ক্লাবের আজীবন সদস্যরা মিলিত হয়ে ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দের ৩০ আগস্ট গড়ে তুলেছেন "নেচার স্টাডি সোসাইটি অফ বাংলাদেশ" (NSSB) নামে একটি সংগঠন, যা নটর ডেম নেচার স্টাডি ক্লাবকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে থাকে।[৯]

১৯৯২ সালের ১৮ আগস্ট বাংলা বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক মিসেস মারলিন ক্লারা পিনেরো-র নেতৃত্বে ছাত্রদের আবৃত্তি ও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার উদ্দেশ্যে গঠিত হয় নটর ডেম আবৃত্তি দল । তখন থেকেই ছাত্রদের সৃজনশীলতা, মনন ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। নিয়মিত সভা, কর্মশালা, প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রদের মাঝে বাংলা সাহিত্যকে ছড়িয়ে দেয়াই নটর ডেম আবৃত্তি দলের প্রধান লক্ষ্য। অন্তঃকলেজ ও আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আবৃত্তিচর্চা-কে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য নটর ডেম আবৃত্তি দল বদ্ধপরিকর। জাতীয় আবৃত্তি উৎসব দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিভবান আবৃত্তিকার খুঁজে পেতে অনেক সাহায্য করে। এছাড়া ছাত্রদের মাঝে বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্য-কে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য-ও জাতীয় আবৃত্তি উৎসব-এর জুড়ি নেই।

২০১৭ সালের ১৪ মার্চ বিশ্ব পাই দিবসে শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও ঠিক দুপুর ১:৫৯ মিনিটে ম্যাথ ক্লাবের উদ্বোধন করেন।

  • নটর ডেম এথিক্স ক্লাব (প্রতিষ্ঠা : ২০১৭)
  • নটর ডেম ফটোগ্রাফি ক্লাব (প্রতিষ্ঠা: ২০১৭) ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন ও বর্তমান মডারেটর হলেন কলেজটির জীববিজ্ঞানের সিনিয়র শিক্ষক মঈন উদ্দীন আহসান হাবীব।
  • নটর ডেম আইটি ক্লাব (প্রতিষ্ঠা: ২৭ জুন ২০১৮)। ক্লাবের স্লোগান ‘‘ইনোভেটিভ এন্ড এনকোড ইয়োর আইডিয়াস’’। ক্লাবটির মডারেটর কলেজের আইসিটি বিভাগের প্রভাষক সৈকত লরেন্স রোজারিও।[৪]

নটর ডেম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (এনডিএএ)[সম্পাদনা]

চিত্র:Notre Dame Alumni Association (NDAA) Logo by Mayeenul Islam.jpg
নটর ডেম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (এনডিএএ)-এর লোগো (২০১২)

২০১১ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে নটর ডেম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সংক্ষেপে এনডিএএ। অবশ্য নটর ডেমের প্রাক্তণ ছাত্ররা Old Boys কলেজের খ্রিষ্টীয় দীক্ষা ও আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিপ্রায়ে এরকম একটি সংগঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে। তারই প্রেক্ষিতে তৎকালীন অধ্যক্ষ ফাদার জে. এল. মার্টিন, সিএসসি এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি খসড়া গঠনতন্ত্র তৈরি করেন। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে কলেজের ৫০ বছর (সুবর্ণ জয়ন্তী) এবং ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে ৬০ বছর (হীরক জয়ন্তী) উদযাপনের সময় ছাত্রগণ এ ব্যাপারে পুনরায় উৎসাহ প্রকাশ করলে তৎকালীন অধ্যক্ষ ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা, সিএসসি ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জানুয়ারি কলেজের প্রাক্তণ ১৬ জন ছাত্রের সাথে একটি সভা করত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এরপর কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ড. কামাল হোসেনকে সাম্মানিক সভাপতি[১], ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা, সিএসসি-কে সভাপতি, অধ্যাপক ড. রাশিদউদ্দিন আহমেদকে সহসভাপতি (১ম), ড. আব্দুল মঈন খানকে সহসভাপতি (২য়), ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জন গোমেজকে সাধারণ সম্পাদক[১০], ফাদার বকুল এস. রোজারিও, সিএসসি-কে কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক এবং ফাদার অ্যাডাম এস. পেরেরা, সিএসসি-কে কোষাধ্যক্ষ করে সর্বমোট ১৯জন সদস্য নিয়ে গঠিত অ্যাড-হক কমিটি দিয়ে যাত্রা শুরু হয় সংগঠনের।[১১] এরপর ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ২২ ডিসেম্বর কলেজ প্রাঙ্গণে বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন আয়োজনের[৩] মধ্য দিয়ে সংগঠনের যাত্রার আনুষ্ঠানিক প্রচারণা করা হয়। সংগঠনের গঠনতন্ত্র হিসেবে ফাদার জে. এল. মার্টিন, সিএসসি কর্তৃক ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দের ৮ ডিসেম্বর প্রণিত গঠনতন্ত্রের ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুনের পরিমার্জিত সংস্করণ গ্রহণ করা হয়[১২][১৩]

নটর ডেমের কৃতি শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

নটরডেম লিটারেসি স্কুল[সম্পাদনা]

লিটারেসি স্কুল

নটরডেম কলেজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নয় এরকম একটি সেবামূলক উদ্যোগ হলো নটরডেম লিটারেসি স্কুল, যা মূলত একটি নৈশ স্কুল। প্রকল্পটি নটরডেম কলেজের 'স্টুডেন্ট ওয়ার্কিং প্রোগ্রাম'-এর অংশ। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে এখানে চলছে কর্মজীবী এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের শিক্ষাদান। সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ফাদারদের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয় এই স্কুল। প্রথম দিকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার সুযোগ থাকলেও পরবর্তীতে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত তা উন্নীত করা হয়। বর্তমানে (২০১২) প্রায় ৪৫০জন শিক্ষার্থী এখানে লেখাপড়া করছে। এখান থেকে পাশ করে অনেকে নটরডেম কলেজেও পড়ার মতো যোগ্যতাও অর্জন করে থাকে। মূলত নটরডেম কলেজের ছাত্ররাই স্বেচ্ছায় শিক্ষাদান করছেন এখানে। তবে নটরডেম কলেজ ছাড়াও পড়ান বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া অনেক শিক্ষকও। কলেজশিক্ষক, ছাত্র এবং বিভিন্ন অনুদান থেকেই এই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন-ব্যয় নির্বাহ করা হয়। শিক্ষার্থীদেরকে হীনমন্মতা থেকে মুক্ত রাখতে তাদের থেকেও সামান্য বেতন নেয়া হয়।[১৪] এই স্কুলে রয়েছে মর্নিং শিফ্‌ট, ডে শিফ্‌ট ও ইভনিং শিফ্‌ট। এছাড়াও এই উদ্যোগের সাথে রয়েছে নটরডেম জাগরণী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড, নটরডেম ন্যাভিন সিক শেল্টার, নটরডেম ফিডিং প্রোগ্রাম, নটরডেম সিউইং সেন্টার, এবং নটরডেম বয়েজ' হোম

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. নটরডেম কলেজের নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ, দৈনিক সংগ্রাম, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। প্রকাশকাল: ১৩ ডিসেম্বর ২০১২।
  2. নটরডেম কলেজ, এস. এম. মাহফুজুর রহমান, বাংলাপিডিয়া, ইন্টারনেট সংস্করণ।
  3. নটর ডেমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলন, নিউজ ডেস্ক, ঢাকানিউজ২৪.কম। প্রকাশকাল: ২৩ ডিসেম্বর ২০১২ খ্রিস্টাব্দ। পরিদর্শনের তারিখ: ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  4. নবীন বরণ ও ছাত্র-অভিভাবক নির্দেশিকা, নটর ডেম কলেজ, ১৪ আগস্ট ২০০১ খ্রিস্টাব্দ, ঢাকা।
  5. নটর ডেম কলেজের ক্লাব দিবস ও পঞ্চম যুগপূর্তি উৎসব, দৈনিক প্রথম আলো, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ খ্রি.।
  6. BIOGRAPHY of Fr. Richard William Timm, CSC, The 1987 Ramon Magsaysay Award for International Understanding, rmaf.org.ph; পরিদর্শনের তারিখ: ০৪ জানুয়ারি ২০১৩।
  7. CITATION for Fr. Richard William Timm, CSC, Ramon Magsaysay Award Foundation, Manila, Philippines। প্রকাশকাল: ৩১ আগস্ট ১৯৮৭ খ্রি.। পরিদর্শনের তারিখ: ০৪ জানুয়ারি ২০১২ খ্রি.।
  8. নবীন বরণ ও ছাত্র-অভিভাবক নির্দেশিকা, নটরডেম কলেজ, ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ, ঢাকা। পৃ.৩৬,৩৭,৩৮
  9. চারদিক: নটর ডেমের প্রকৃতি উৎসবে, শেখর রায়, দৈনিক প্রথম আলো; প্রকাশকাল: ২৯ অক্টোবর ২০০৯ খ্রি.। পরিদর্শনের তারিখ: ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ খ্রি.।
  10. জন গোমেজ ফিলিপাইনে বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রদূত, দৈনিক মানবজমিন, প্রকাশকাল: ০৪ অক্টোবর ২০১২ খ্রি.; পরিদর্শনের তারিখ: ৪ জানুয়ারি ২০১৩ খ্রি.।
  11. গঠিত হলো নটরডেম কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, দৈনিক প্রথম আলো, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। প্রকাশকাল: ৭ মার্চ ২০১১ খ্রি.। পরিদর্শনের তারিখ: ০৪ জানুয়ারি ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  12. Constitution of The Notre Dame Alumni Association, Prepared by: Father J. L. Martin, CSC, Principal (1954-1960) on December 8, 1959; Revised Edition: June 30, 2012. পরিদর্শনের তারিখ: ৪ জানুয়ারি ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ
  13. স্মরণিকা, নটরডেম এ্যালামনাই এসোসিয়েশন (এনডিএএ), নটরডেম কলেজ, ঢাকা। প্রকাশকাল: ২২ ডিসেম্বর ২০১২ খ্রিস্টাব্দ।
  14. নটরডেম লিটারেসি স্কুল: পড়ার আনন্দটাই এখানে বড় কথা, আহমদুল হাসান, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত। পরিদর্শনের তারিখ: ০৪ জানুয়ারি ২০১৩।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

নটরডেম কলেজ[সম্পাদনা]

নটর ডেমিয়ান[সম্পাদনা]

ক্লাবসমূহ[সম্পাদনা]

অনুষ্ঠানাদি[সম্পাদনা]

নটরডেম সংক্রান্ত সংবাদ[সম্পাদনা]

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৩′৪৮″ উত্তর ৯০°২৫′১৬″ পূর্ব / ২৩.৭৩০০° উত্তর ৯০.৪২১১° পূর্ব / 23.7300; 90.4211