অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞাণ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়.jpeg
ধরনবেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠাতাইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ
আচার্যরাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্যমোঃ সেকুল ইসলাম
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
৪৩
ঠিকানা
প্লট-২০৯, সেক্টর-১৫, খানটেক, উত্তরা
, ,
২৩°৫২′০০″ উত্তর ৯০°২২′৪২″ পূর্ব / ২৩.৮৬৬৫৫৫৯° উত্তর ৯০.৩৭৮৪৪৮৭° পূর্ব / 23.8665559; 90.3784487স্থানাঙ্ক: ২৩°৫২′০০″ উত্তর ৯০°২২′৪২″ পূর্ব / ২৩.৮৬৬৫৫৫৯° উত্তর ৯০.৩৭৮৪৪৮৭° পূর্ব / 23.8665559; 90.3784487
শিক্ষাঙ্গনশহর
সংক্ষিপ্ত নামএডাস্ট (ADUST)
অধিভুক্তিবিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ওয়েবসাইটadust.edu.bd

অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আধুনিক শিক্ষা বিস্তারে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এটি স্বতন্ত্র ও অনন্য ভূমিকা রাখছে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল সহপাঠে অভ্যস্তকরণ এবং মেধাবী দরিদ্র ও মুক্তিযুদ্ধা সন্তানদের শিক্ষা প্রদানে পালন করছে বিশেষ দায়িত্ব। শুধু সনদ নয়, শিক্ষার্থীরা যাতে পূর্ণাঙ্গ নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে এ বিষয়ে তাদের বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হয়। রয়েছে পরিচ্ছন্ন শ্রেণীকক্ষ, মনোরম ক্যাম্পাস, কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, কালচারাল ক্লাব।

অনুষদ সমূহ[সম্পাদনা]

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ
  • ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ
  • আইন অনুষদ
  • ইংরেজি অনুষদ
  • ওষুধ প্রশাসন অনুষদ
  • টেক্সটাইল অনুষদ
  • প্রকৌশল অনুষদ

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

মেধাভিত্তিক ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে সুশীল অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। উচ্চশিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে রয়েছে একঝাঁক অভিজ্ঞ শিক্ষক। শিক্ষার্থী সংখ্যায় নয়, গুণগত মানে এগিয়ে থাকাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য। প্রকৃত মেধাবী কিন্তু অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ। মেধাবী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পশ্চাৎপদ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিনা বেতনে বা স্বল্প ব্যয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ। ছাত্রবৃত্তির ব্যবস্থাও রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে।

অবস্থান[সম্পাদনা]

আধুনিক ক্যাম্পাসের দিকে নজর দিয়ে কর্তৃপক্ষ গড়ে তুলেছিল একাধিক ক্যাম্পাস। ঢাকার বনানী, পান্থপথ ও পুরানা পল্টনে ছিল তিনটি অস্থায়ী ক্যাম্পাস। কিন্তু ২০১৮ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এর নির্দেশনা মোতাবেক সেই সব অস্থায়ী ক্যাম্পাস বন্ধ করে। ঢাকার উত্তরায় স্থায়ী ক্যাম্পাসে বর্তমানে তারা তাদের সম্পূর্ণ কার্যক্রম চালাচ্ছে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন"। ১২ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]