২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ
কোপা দু মুন্দো দা ফিফা
ব্রাজিল ২০১৪
টুর্নামেন্টের বিবরণ
স্বাগতিক দেশ ব্রাজিল
তারিখসমূহ ১৩ জুন - ১৩ জুলাই
দলসমূহ ৩২
ভেন্যু(সমূহ) ১২ (১২টি আয়োজক শহরে)

২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ (ইংরেজি: 2014 FIFA World Cup) হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের ২০তম আসর। এটি একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা যা অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। ২০১৪ সালের ১৩ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।[১]

এটি হবে ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপের পর ব্রাজিলের আয়োজিত দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। সেই সাথে মেক্সিকো, ইতালি, ফ্রান্স এবং জার্মানির পর ব্রাজিল হবে পঞ্চম দেশ যারা প্রত্যেকে দুইবার করে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে। এছাড়াও ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আয়োজনের পর এটি হবে আমেরিকা মহাদেশে আয়োজিত প্রথম বিশ্বকাপ। সেই সাথে ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনায় আয়োজিত বিশ্বকাপের পর দক্ষিণ আমেরিকায় আয়োজিত প্রথম বিশ্বকাপ। এই বিশ্বকাপেই ব্রাজিল প্রতি আট বছর পর পর ইউরোপে বিশ্বকাপ আয়োজনের ঐতিহ্য ভঙ্গ করতে যাচ্ছে।

১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়া সবকয়টি দল এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে। এখন পর্যন্ত দক্ষিন আমেরিকায় ৪ বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে যার সবকয়টিই জিতেছে দক্ষিণ আমেরিকান কোন দল।

মনোনয়ন প্রক্রিয়া[সম্পাদনা]

স্বাগতিক দেশের জন্যে ব্রাজিলের নাম ঘোষণা করছেন সেপ ব্ল্যাটার

ফিফা পর্যায়ক্রমিকভাবে মহাদেশভিত্তিক ২০১৪ সালের স্বাগতিক দেশের জন্যে দক্ষিণ আমেরিকাকে পূর্ব নির্ধারিত করেছিল। ফিফা পূর্বেই পর্যায়ক্রমিকভিত্তিতে স্বাগতিক দেশ নির্ধারণের জন্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।[২] কিন্তু ২০১৪ সালের পর এ সিদ্ধান্ত বলবৎ হবে না বলে ঘোষণা করে।

কলম্বিয়া ২০১৪ সালের জন্যে স্বাগতিক দেশ হবার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল[৩] কিন্তু প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে।[৪] কোরিয়া-জাপানের সফলভাবে বিশ্বকাপ সমাপণের পর চিলি এবং আর্জেন্টিনাও যৌথভাবে স্বাগতিক দেশ হবার জন্যে কিছুটা আগ্রহ প্রকাশ করেছিল; কিন্তু যৌথ ডাক প্রক্রিয়া অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়। ব্রাজিলও স্বাগতিক দেশ হবার জন্যে আগ্রহ প্রকাশ করে। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশন কনমেবল ব্রাজিলকে স্বাগতিক হবার জন্যে সমর্থন ব্যক্ত করে।[৫] ফলে ব্রাজিল একমাত্র দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে কনমেবলের মাধ্যমে ডিসেম্বর, ২০০৬ সালে ডাক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে সমাপণের জন্যে প্রস্তাবনা পাঠায়। ঐ সময়ে কলম্বিয়া, চিলি এবং আর্জেন্টিনা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে ফেলে। ভেনেজুয়েলা ডাকে অংশগ্রহণ করেনি।

এরফলে ব্রাজিল প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষবিহীন অবস্থায় ডাক প্রক্রিয়ায় জয়লাভ করে। ৩০ অক্টোবর, ২০০৭ সালে ফিফা নির্বাহী পরিষদ স্বাগতিক দেশ হিসেবে ব্রাজিলের নাম ঘোষণা করে।[৬]

বাছাই[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ৩০ জুলাই রিও দি জেনিরোর মারিনা দা গ্লোরিয়ায় ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হয়।[৭][৮] আয়োজক দেশ হিসেবে, ব্রাজিল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়।

২০৮টি ফিফা জাতীয় দলের মধ্যে ২০৩টি দল বাছাইপর্বে অংশগ্রহন করে, যা শুরু হয় ২০১১ সালের ১৫ জুন থেকে এবং শেষ হয় ২০১৩ সালের ২০ নভেম্বর। ২০১০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহনকারী ৩২টি দেশের মধ্যে ২৪টি দেশ ২০১৪ বিশ্বকাপে অংশগ্রহনের সুযোগ পায়। এবারই প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে অংশগ্রহনের সুযোগ পায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা[৯] এই বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করতে ব্যর্থ দেশগুলোর মধ্যে র‍্যাংকিং এ সবচেয়ে উপরে অবস্থানকারী দেশ ইউক্রেন (১৮)।[১০] ওএফসি অঞ্চল থেকে কোন দল ২০১৪ বিশ্বকাপের মূলপর্বে অংশগ্রহনের সুযোগ পায়নি।

চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহনকারী দল[সম্পাদনা]

নিচের ৩২টি দল বিশ্বকাপের মূলপর্বে অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে। নিচে দলগুলোকে প্রতিযোগিতা পূর্ব র‍্যাংকিংসহ দেখানো হয়েছে।[১১]

এএফসি (৩)
সিএএফ (৫)
কনকাকাফ (৪)
ওএফসি (১)
কনমেবল (৬)
উয়েফা (১৩)
  বিশ্বকাপে অংশগ্রহনকারী দেশ
  বিশ্বকাপে অংশগ্রহনে ব্যর্থ দেশ
  বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করেনি এমন দেশ
  ফিফার সদস্য নয় এমন দেশ

পুরস্কারের অর্থ[সম্পাদনা]

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল অন্তত ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কারসরূপ পাবে। চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ দল পাবে যথাক্রমে ৩৫ মিলিয়ন ও ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৬ দলের পর্বে হেরে যাওয়া দলগুলো পাবে ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যাওয়া দলগুলো পাবে ১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্বকাপ আসরের জন্য ক্লাব থেকে বিদায় নেওয়ার সময় খেলোয়াড়রা যেসব ক্লাবে খেলে থাকেন সেসব ক্লাবকে খেলোয়াড়দের বীমা এবং অন্যান্য খরচ বাবদ দেওয়া হবে ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সর্বমোট, ৫৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিমাণ অর্থ খরচ করবে ফিফা, যা একটি নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে ফিফা খরচ করেছিল ৪২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।[১২]

মাঠসমূহ[সম্পাদনা]

আঠারোটি শহরকে বিশ্বকাপের সম্ভাব্য আয়োজক শহর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়: বেলেম, বেলো অরিজন্ঠ, ব্রাজিলিয়া, কাম্পো গ্রান্দে, কুইয়াবা, কুরিতিবা, ফ্লোরিয়ানোপোলিস, ফর্তালিজা, গোইয়ানিয়া, মাসেইও, মানাউশ, নাতাল, পোর্তো আলেগ্রে, রেসিফি, রিও ব্রাঙ্কো, রিউ দি জানেইরু, সালভাদোর এবং সাঁউ পাউলু.[১৩]

ফিফা প্রস্তাব দেয় যে একাধিক শহরে দুইটি স্টেডিয়াম ব্যবহার করা যাবে না এবং আয়োজক শহরের সংখ্যা হতে হবে আট থেকে দশটি। অবশ্য, ব্রাজিলীয় ফুটবল কনফেডারেশনের তত্‍কালীন প্রধান রিকার্দো তেইশেইরা পুরো দেশের স্বার্থের জন্য বারোটি স্টেডিয়াম ব্যবহারের প্রস্তাব দেয়। যা ২০০৮ সালের ডিসেম্বর ফিফা কর্তৃক গৃহীত হয়।[১৪]

২০০৯ সালের ৩১ মে, বারোটি আয়োজক শহরের নাম ঘোষণা করা হয়। বেলেম, কাম্পো গ্রান্দে, ফ্লোরিয়ানাপোলিস, গোইয়ানিয়া এবং রিও ব্রাঙ্কোকে বাতিল করা হয়।[১৫] ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে, মাসেইও তাদের প্রর্থীতা বাতিল করে। নির্বাচিত বারোটি শহর ব্রাজিলের বারোটি প্রদেশের রাজধানী, যা ব্রাজিলের সমস্ত প্রধান অঞ্চলগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করে।[১৬] এর ফলে প্রতিযোগিতা চলাকালে দলগুলোর দীর্ঘ ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেবে।[১৭]

প্রায় ৩.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার স্টেডিয়াম প্রকল্পগুলোর পেছনে ব্যয় করা হয়েছে।[১৮] আয়োজক শহরগুলোর মধ্যে পাঁচটি শহরে বিশ্বকাপের জন্য বিশেষভাবে নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয়। রাজধানী ব্রাজিলিয়াএস্তাদিও ন্যাশিওন্যাল মানে গারিঞ্চা ভেঙ্গে ফেলে নতুন করে তৈরি করা হয় এবং অপর ছয়টি স্টেডিয়ামের ব্যাপকভাবে উন্নয়ন করা হয়।[১৯] রিউ দি জানেইরুতে অবস্থিত এস্তাদিও দো মারাকানা বারোটি স্টেডিয়ামের মধ্যে সবচেয়ে বড়। যা একটি বিশ্বকাপ ফাইনালের জন্য সর্বোচ্চ দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড বহন করে (১৯৯,৮৫৪)। এই স্টেডিয়ামেই প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে। সিবিএফ এর মূল উদ্দেশ্য ছিল উদ্বোধনী খেলাটি সাঁউ পাউলুর এস্তাদিও দো মরুম্বিতে আয়োজন করার, কিন্তু ২০১০ সালে তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়, যখন প্রয়োজনীয় উন্নয়নের জন্য তারা আর্থিক নিশ্চয়তা প্রদানে ব্যর্থ হয়। উদ্বোধনী খেলার জন্য বেছে নেওয়া হয় অ্যারেনা করিন্থিয়ান্স স্টেডিয়ামটিকে।[২০]

প্রথম নতুন স্টেডিয়াম ফর্তালিজাক্যাস্তেলাও, ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে ব্যবহার শুরু হয়।[২১] ছয়টি স্টেডিয়ামকে ২০১৩ কোপা লিবের্তাদোরেসের সময় ব্যবহার করা হয়।[২২] অপর ছয়টি স্টেডিয়ামের কাজ ফিফার বেঁধে দেওয়া সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ এর মধ্যে সম্পন্ন হবে না।[২৩] নতুন স্টেডিয়াম অ্যারেনা করিন্থিয়ান্সের নির্মাণ কাজের সময় ক্রেন ধ্বসে পড়ার কারণে এর নির্মাণ কাজে বিঘ্ন ঘটে এবং দুইজন নির্মাণ কর্মী নিহত হয়।[২৪]

রিউ দি জানেইরু ব্রাজিলিয়া সাঁউ পাউলু ফর্তালিজা
এস্তাদিও দো মারাকানা এস্তাদিও ন্যাশিওন্যাল মানো গারিঞ্চা[২৫] অ্যারেনা করিন্থিয়ান্স এস্তাদিও ক্যাস্তেলাও

২২°৫৪′৪৩.৮″ দক্ষিণ ৪৩°১৩′৪৮.৫৯″ পশ্চিম / ২২.৯১২১৬৭° দক্ষিণ ৪৩.২৩০১৬৩৯° পশ্চিম / -22.912167; -43.2301639 (Estádio do Maracanã)

১৫°৪৭′০.৬″ দক্ষিণ ৪৭°৫৩′৫৬.৯৯″ পশ্চিম / ১৫.৭৮৩৫০০° দক্ষিণ ৪৭.৮৯৯১৬৩৯° পশ্চিম / -15.783500; -47.8991639 (Estádio Nacional Mané Garrincha)

২৩°৩২′৪৩.৯১″ দক্ষিণ ৪৬°২৮′২৪.১৪″ পশ্চিম / ২৩.৫৪৫৫৩০৬° দক্ষিণ ৪৬.৪৭৩৩৭২২° পশ্চিম / -23.5455306; -46.4733722 (Arena Corinthians)

৩°৪৮′২৬.১৬″ দক্ষিণ ৩৮°৩১′২০.৯৩″ পশ্চিম / ৩.৮০৭২৬৬৭° দক্ষিণ ৩৮.৫২২৪৮০৬° পশ্চিম / -3.8072667; -38.5224806 (Estádio Castelão)

ধারণক্ষমতা: ৭৬,৯৩৫[২৬]

(উন্নয়নকৃত)

ধারণক্ষমতা: ৭০,০৪২[২৭]

(নতুন স্টেডিয়াম)

ধারণক্ষমতা: ৬৮,০০০
(নতুন স্টেডিয়াম)
ধারণক্ষমতা: ৬৪,৮৪৬[২৮]

(উন্নয়নকৃত)

Maracana Stadium June 2013.jpg Brasilia Stadium - June 2013.jpg Arena Corinthians Drawing.png Fortaleza Arena.jpg
বেলো অরিজন্ঠ পোর্তো আলেগ্রে
এস্তাদিও মিনেইরাও এস্তাদিও বেইরা-রিও

১৯°৫১′৫৭″ দক্ষিণ ৪৩°৫৮′১৫″ পশ্চিম / ১৯.৮৬৫৮৩° দক্ষিণ ৪৩.৯৭০৮৩° পশ্চিম / -19.86583; -43.97083 (Estádio Mineirão)

৩০°৩′৫৬.২১″ দক্ষিণ ৫১°১৪′৯.৯১″ পশ্চিম / ৩০.০৬৫৬১৩৯° দক্ষিণ ৫১.২৩৬০৮৬১° পশ্চিম / -30.0656139; -51.2360861 (Estádio Beira-Rio)

ধারণক্ষমতা: ৬২,৫৪৭

(উন্নয়নকৃত)

ধারণক্ষমতা: ৫১,৩০০[২৯]
(renovated)[৩০]
Novo mineirão aérea.jpg Estádio Beira-Rio 2014.jpg
সালভাদোর রেসিফি
অ্যারেনা ফোন্তে নোভা অ্যারেনা পেরনামবুকো

১২°৫৮′৪৩″ দক্ষিণ ৩৮°৩০′১৫″ পশ্চিম / ১২.৯৭৮৬১° দক্ষিণ ৩৮.৫০৪১৭° পশ্চিম / -12.97861; -38.50417 (Arena Fonte Nova)

৮°২′২৪″ দক্ষিণ ৩৫°০′২৯″ পশ্চিম / ৮.০৪০০০° দক্ষিণ ৩৫.০০৮০৬° পশ্চিম / -8.04000; -35.00806 (Arena Pernambuco)

ধারণক্ষমতা: ৫৬,০০০[৩১]

(নতুন স্টেডিয়াম)

ধারণক্ষমতা: ৪৬,১৫৪

(নতুন স্টেডিয়াম)

Arena Fonte Nova External View.jpg Itaipava Arena Pernambuco - Recife, Pernambuco, Brasil.jpg
কুইয়াবা মানাউশ নাতাল কুরিতিবা
অ্যারেনা পান্তানাল অ্যারেনা দা আমাজনিয়া অ্যারেনা দাস দুনাস অ্যারেনা দা ব্যাইশাদ

১৫°৩৬′১১″ দক্ষিণ ৫৬°৭′১৪″ পশ্চিম / ১৫.৬০৩০৬° দক্ষিণ ৫৬.১২০৫৬° পশ্চিম / -15.60306; -56.12056 (Arena Pantanal)

৩°৪′৫৯″ দক্ষিণ ৬০°১′৪১″ পশ্চিম / ৩.০৮৩০৬° দক্ষিণ ৬০.০২৮০৬° পশ্চিম / -3.08306; -60.02806 (Arena Amazônia)

৫°৪৯′৪৪.১৮″ দক্ষিণ ৩৫°১২′৪৯.৯১″ পশ্চিম / ৫.৮২৮৯৩৮৯° দক্ষিণ ৩৫.২১৩৮৬৩৯° পশ্চিম / -5.8289389; -35.2138639 (Arena das Dunas)

২৫°২৬′৫৪″ দক্ষিণ ৪৯°১৬′৩৭″ পশ্চিম / ২৫.৪৪৮৩৩° দক্ষিণ ৪৯.২৭৬৯৪° পশ্চিম / -25.44833; -49.27694 (Arena da Baixada)

ধারণক্ষমতা: ৪২,৯৬৮
(new stadium)
ধারণক্ষমতা: ৪২,৩৭৪
(new stadium)
ধারণক্ষমতা: ৪২,০৮৬
(new stadium)
ধারণক্ষমতা: ৪৩,৯৮১[৩২]
(উন্নয়নক্রিত)
Pantanal Arena March 2014.jpg Amazonia Arena.jpg Natal, Brazil - Arena das Dunas.jpg Arenadabaixada.jpg

বেস ক্যাম্প[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের ৩১ জানুয়ারী, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের জন্য বেস ক্যাম্প ঘোষণা করে ফিফা।[৩৩]

দল শহর প্রদেশ দল শহর প্রদেশ
আলজেরিয়া সরোকাবা সাঁউ পাউলু গ্রীস আরাকাজু সেরজিপে
আর্জেন্টিনা ভেসপাসিয়ানো মিনাস জেরাইস হন্ডুরাস পোর্তো ফেলিজ সাঁউ পাউলু
অস্ট্রেলিয়া ভিতরিয়া এস্পিরিতো সান্তো ইরান গুয়ারুলুস সাঁউ পাউলু
বেলজিয়াম মজি দাস ক্রুজেস সাঁউ পাউলু ইতালি মাঙ্গারাতিবা রিউ দি জানেইরু
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা গুয়ারুজা সাঁউ পাউলু আইভরি কোস্ট আগুয়াস দে লিন্দইয়া সাঁউ পাউলু
ব্রাজিল তেরেজোপোলিস রিউ দি জানেইরু জাপান ইতু সাঁউ পাউলু
ক্যামেরুন ভিতরিয়া এস্পিরিতো সান্তো মেক্সিকো সান্তোস সাঁউ পাউলু
চিলি বেলো অরিজন্ঠ মিনাস জেরাইস নেদারল্যান্ডস রিউ দি জানেইরু রিউ দি জানেইরু
কলম্বিয়া কোতিয়া সাঁউ পাউলু নাইজেরিয়া কাম্পিনাস সাঁউ পাউলু
কোস্টা রিকা সান্তোস সাঁউ পাউলু পর্তুগাল কাম্পিনাস সাঁউ পাউলু
ক্রোয়েশিয়া মাতা দে সাঁও জোয়াঁও বাইয়া রাশিয়া ইতু সাঁউ পাউলু
ইকুয়েডর ভিয়ামাও রিও গ্রান্দে দু সুল দক্ষিণ কোরিয়া ফজ দো ইগুয়াসু পারানা
ইংল্যান্ড রিউ দি জানেইরু রিউ দি জানেইরু স্পেন কুরিতিবা পারানা
ফ্রান্স রিবেইরাও প্রেতো সাঁউ পাউলু সুইজারল্যান্ড পোর্তো সেগুরো বাইয়া
জার্মানি সান্তা ক্রুজ কাব্রালিয়া বাইয়া যুক্তরাষ্ট্র সাঁউ পাউলু সাঁউ পাউলু
ঘানা মাসেইও আলাগোয়াস উরুগুয়ে সেতে লাগোয়াস মিনাস জেরাইস

চূড়ান্ত ড্র[সম্পাদনা]

২০১৪ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ড্র অনুষ্ঠিত হবে ২০১৩ সালের ৬ ডিসেম্বর বাইয়ার মাতা দি সাঁও জোয়াঁও এর কোস্তা দো সাউইপে রিসর্টে।[৩৪] স্থানীয় সময় ১৩:০০ (ইউসিটি−৩)।[৩৫] চূড়ান্ত ড্রয়ের প্রস্তুতি হিসেবে, বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ ৩২টি দলকে চারটি পাত্রে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক পাত্রে রয়েছে আটটি করে দল। র‍্যাংকিং এর শীর্ষ সাতটি দলকে আয়োজক ব্রাজিলের সাথে একই পাত্রে রাখা হয়েছে।[৩৬][৩৭]

পাত্র ১ (সিড) পাত্র ২ (আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা) পাত্র ৩ (এশিয়া এবং উত্তর আমেরিকা) পাত্র ৪ (ইউরোপ)

 ব্রাজিল (আয়োজক)
 আর্জেন্টিনা
 কলম্বিয়া
 উরুগুয়ে
 বেলজিয়াম
 জার্মানি
 স্পেন
 সুইজারল্যান্ড

 আলজেরিয়া
 ক্যামেরুন
 কোত দিভোয়ার
 ঘানা
 নাইজেরিয়া
 চিলি
 ইকুয়েডর

 অস্ট্রেলিয়া
 জাপান
 ইরান
 দক্ষিণ কোরিয়া
 কোস্টা রিকা
 হন্ডুরাস
 মেক্সিকো
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

 বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
 ক্রোয়েশিয়া
 ইংল্যান্ড
 ফ্রান্স
 গ্রিস
 ইতালি
 নেদারল্যান্ডস
 পর্তুগাল
 রাশিয়া

পূর্বেকার প্রতিযোগিতার মত ফিফার উদ্দেশ্য এমনভাবে গ্রুপগুলো তৈরি করা যেন উয়েফা ব্যতীত একই কনফেডারেশনের দুইটি দল একই গ্রুপে না পরে। একটি গ্রুপে সর্বোচ্চ দুইটি উয়েফার দল থাকতে পরে।[৩৮] পাত্রগুলোতে বিভিন্ন অঞ্চলের দলগুলোর সংখ্যা অসম হওয়ার কারণে, দলগুলো আটটি গ্রুপে ভাগ করতে ড্রয়ের জন্য অতিরিক্ত কিছু পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে।[৩৭]

রেফারিং[সম্পাদনা]

ম্যাচ অফিসিয়াল[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের মার্চে, ৫২ জন সাম্ভব্য রেফারির তালিকা প্রকাশ করে এবং তাদের প্রত্যেকের সাথে ২ জন করে সহকারী রেফারিকে তালিকায় রাখা হয়।[৩৯] ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারী, ফিফার রেফারি কমিটি ২৫ জন রেফারি এবং তাদের সাথে ২ জন করে সহকারী রেফারিকে নির্বাচিত করে।[৪০][৪১]

কনফেডারেশন রেফারি সহকারী
এএফসি রাভশান ইরমাতভ (উজবেকিস্তান) আব্দুকহামিদুল্লা রাসুলোভ (উজবেকিস্তান)
বাহাদির কোচকারভ (কিরগিজিস্তান)
ইউইচি নিশিমুরা (জাপান) টরু সাগারা (জাপান)
টশিউকি নাগি (জাপান)
নাবাফ শুকরাল্লা (বাহরাইন) ইয়াসের তুলেফাত (বাহরাইন)
ইব্রাহিম সালেহ (বাহরাইন)
বেন উইলিয়ামস (অস্ট্রেলিয়া) ম্যাথিউ ক্রিম (অস্ট্রেলিয়া)
হাকান আনাজ (অস্ট্রেলিয়া)
সিএএফ নুমানডিয়ে ডুয়ে (আইভরি কোস্ট) সঙ্গিফলো ইয়েও (আইভরি কোস্ট)
জঁ-ক্লদে বিহুমুশাইউ (বুরুন্দি)
বাকারি গাসামা (জাম্বিয়া) ইভারিস্ত মেনকুয়ান্দে (ক্যামেরুন)
ফেলিসিয়াঁ কাবান্দা (রুয়ান্ডা)
জামিল হামুদি (আলজেরিয়া) আব্দেলহাক এচিয়ালি (আলজেরিয়া)
রেদোয়ান আশিক (মরক্কো)
কনকাকাফ জোয়েল আগিলার (এল সালভাদোর) উইলিয়াম তোরেস (এল সালভাদোর)
হুয়ান জুম্বা (এল সালভাদোর)
মার্ক গাইগার (যুক্তরাষ্ট্র) মার্ক হার্ড (যুক্তরাষ্ট্র)
জো ফ্লেচার (কানাডা)
মার্কো রোদ্রিগেজ (মেক্সিকো) মারভিন তরেন্তেরা (মেক্সিকো)
মার্কোস কিন্তেরো (মেক্সিকো)
কনমেবল নেস্তোর পিতানা (আর্জেন্টিনা) এর্নান মাইদানা (আর্জেন্টিনা)
হুয়ান পাবলো বেলাত্তি (আর্জেন্টিনা)
সান্দো হিসি (ব্রাজিল) এমারসন দে কারভালো (ব্রাজিল)
মার্সেলো ভন গাসে (ব্রাজিল)
এনরিক ওসেস (চিলি) কার্লোস আস্ত্রোজা (চিলি)
সার্হিও রোমান (চিলি)
উইলমার রোলদান (কলম্বিয়া) উমবের্তো ক্লাবিহো (কলম্বিয়া)
এদুয়ার্দো দিয়াজ (কলম্বিয়া)
কার্লোস বেরা (ইকুয়েডর) ক্রিস্তিয়ান লেস্কানো (ইকুয়েডর)
বাইরন রোমেরো (ইকুয়েডর)
ওএফসি পিটার ও’রেলি (নিউজিল্যান্ড) জ্যান-হেন্ডরিক হিন্টজ (নিউজিল্যান্ড)
রবিনেশ কুমার (ফিজি)
উয়েফা ফেলিক্স ব্রাইচ (জার্মানি) স্তেফান লুপ (জার্মানি)
মার্ক বশ (জার্মানি)
জুনেয়িত চাকির (তুরস্ক) বাহাত্তিন দুরান (তুরস্ক)
তারিক অঙ্গুন (তুরস্ক)
ইয়োনাস এরিকসন (সুইডেন) মাথিয়াস ক্লাসানিউস (সুইডেন)
দানিয়েল ওয়ার্নমার্ক (সুইডেন)
বিওয়ের্ন কাইপার্স (নেদারল্যান্ডস) সান্দের ফন রুকেল (নেদারল্যান্ডস)
এরবিন জেইনস্ত্রা (নেদারল্যান্ডস)
মিলোরাদ মাজিচ (সার্বিয়া) মিলোভান রিস্তিচ (সার্বিয়া)
দালিবর দিউরদেভিচ (সার্বিয়া)
পেদ্রো প্রোয়েন্সা (পর্তুগাল) বের্তিনো মিরান্দা (পর্তুগাল)
তিয়াগো ত্রিগো (পর্তুগাল)
নিকোলা রিজ্জলি (ইতালি) রেনাতো ফাভেরানি (ইতালি)
আন্দ্রে স্তেফানি (ইতালি)
কার্লোস বেলাস্কো কারবায়ো (স্পেন) রোবের্তো আলনসো ফের্নান্দেজ (স্পেন)
হুয়ান কার্লোস ইউস্তে হিমেনেজ (স্পেন)
হাওয়ার্ড ওয়েব (ইংল্যান্ড) মাইক মুলারকি (ইংল্যান্ড)
ড্যারেন কান (ইংল্যান্ড)
কনফেডারেশন সাপোর্ট রেফারি সহকারী সাপোর্ট রেফারি
এএফসি আলিরেজা ফাঘানি (ইরান) হাসান কামরানিফার (ইরান)
সিএএফ নিয় আলিউম (ক্যামেরুন) জিবরিল কেমাহা (সেনেগাল)
ডানিয়েল বেনেট (দক্ষিণ আফ্রিকা) আডেন মারওয়া (কেনিয়া)
কনকাকাফ রোবের্তো মরেনো (পানামা) এরিক বরিয়া (যুক্তরাষ্ট্র)
ওয়াল্তের লোপেজ (গুয়াতেমালা) লেওনেল লেয়াল (কোস্টা রিকা)
কনমেবল বিক্তোর উগো কারিয়ো (পেরু) রোদনি আকিনো (প্যারাগুয়ে)
ওএফসি নহবেহ্ হুয়াতা (তাহিতি) মার্ক রুল (নিউজিল্যান্ড)
উয়েফা স্ভাইন ওদভার মোয়েন (নরওয়ে) কিম হাগলুন্দ (নরওয়ে)

গোল-লাইন প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

এবারই প্রথমবারের মত কোন বিশ্বকাপ আসরে গোল-লাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিগত বিশ্বকাপকে বলা যায় এই প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুঘটক। কেননা, বিগত বিশ্বকাপের ১৬ দলের, পর্বে জার্মানি ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার খেলায় রেফারির ভুল সিদ্ধান্তে ইংল্যান্ডের একটি গোল বাতিল হয়ে যায়।[৪২] এই ঘটনার পর ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটারও গোল-লাইন প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে মত প্রকাশ করেন।[৪৩] ২০১২ সালে আইএফএবি এই প্রযুক্তি ব্যবহারের স্বীকৃতি প্রদান করে।[৪৪] এটি ফিফার চতুর্থ প্রতিযোগিতা যেখানে এই প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। এর আগে ২০১২ ক্লাব বিশ্বকাপ, ২০১৩ ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ কনফেডারেশন্স কাপে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১৩ সালের অক্টোবরে, জার্মান কোম্পানি গোলকন্ট্রোলকে প্রতিযোগিতার অফিসিয়াল গোল-লাইন প্রযুক্তি প্রদানকারী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।[৪৫]

ভ্যানিশিং স্প্রে[সম্পাদনা]

২০১৩ ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ, ২০১৩ ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে সফল ব্যবহারের পর প্রথমবারের মত কোন বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে ভ্যানিশিং স্প্রে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা। এটি পানি দিয়ে তৈরি এক ধরণের স্প্রে যা ব্যবহারের এক মিনিটের মধ্যেই অদৃশ্য হয়ে যায়। খেলা চলাকালে প্রতিপক্ষ দলের জন্য ১০ গজের লাইন চিহ্নিত করতে এটি ব্যবহৃত হবে। এছাড়া, ফ্রি-কিকের স্থান চিহ্নিত করতেও রেফারিরা এটি ব্যবহার করবেন।[৪৬]

স্কোয়াডসমূহ[সম্পাদনা]

২০১০ বিশ্বকাপের মত ২০১৪ বিশ্বকাপেরও প্রতিটি স্কোয়াড ২৩ সদস্য বিশিষ্ট (তিনজন গোলরক্ষক আবশ্যক)। অংশগ্রহনকারী প্রত্যেকটি দেশকে প্রতিযোগিতা শুরুর কমপক্ষে ১০ দিন পূর্বে স্কোয়াড ঘোষণা করতে হবে। ইনজুরি আক্রান্ত খেলোয়াড়দের প্রতিস্থাপনে বৈধতা রয়েছে, তবে তা তাদের প্রথম খেলা শুরুর ২৪ ঘন্টা পূর্বে করতে হবে।[৪৭]

খেলাসমূহ[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ২০ অক্টোবর, জুরিখে ফিফার সদর দপ্তরে ২০১৪ বিশ্বকাপের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়।[৪৮] খেলা শুরু হওয়ার সময়গুলো ঘোষণা করা হয় ২০১২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর।[৪৯]

নিচের তালিকাভুক্ত খেলাগুলো ব্রাজিলের দাপ্তরিক সময় অনুযায়ী দেওয়া রয়েছে (ইউসিটি−৩)। এটি বারোটির মধ্যে দশটি মাঠের সময় অঞ্চল; অন্য দুইটি মাঠ, কুইয়াবা এবং মানাউশ, অ্যামাজন সময় অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত (ইউটিসি–৪), সেজন্য এই দুইটি মাঠে অনুষ্ঠিতব্য খেলাগুলো শুরু হওয়ার স্থানীয় সময় নিচের তালিকাভূক্ত সময়ের চেয়ে এক ঘন্টা আগে।[৫০]

গ্রুপ পর্ব[সম্পাদনা]

গ্রুপের বিজয়ী এবং রানার-আপ দল ১৬ দলের পর্বে অংশগ্রহনের সুযোগ পাবে।[৪৭] প্রত্যেকটি গ্রুপে প্রত্যেকটি দলের র‍্যাংকিং নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে:

  1. সব খেলা থেকে মোট অর্জিত পয়েন্ট;
  2. গ্রুপের সবকয়টি খেলায় গোল ব্যবধান;
  3. গ্রুপের সবকয়টি খেলায় মোট গোলের সংখ্যা;

যদি উপরোক্ত তিনটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে দুই বা ততোধিক দলের গোল সংখ্যা সমান হয়, তাহলে তাদের র‍্যাংকিং নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারিত হবে:

  1. গ্রুপে সংশ্লিষ্ট দলের মধ্যে খেলায় অর্জিত পয়েন্ট;
  2. গ্রুপ পর্বের খেলায় সংশ্লিষ্ট দলের মধ্যে গোল ব্যবধান;
  3. গ্রুপ পর্বের খেলায় সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মোট গোল;
  4. ফিফা সাংগঠনিক কমিটি কর্তৃক লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহন।

গ্রুপ এ[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 ব্রাজিল
 ক্রোয়েশিয়া
 মেক্সিকো
 ক্যামেরুন





গ্রুপ বি[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 স্পেন
 নেদারল্যান্ডস
 চিলি
 অস্ট্রেলিয়া





গ্রুপ সি[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 কলম্বিয়া
 গ্রিস
 কোত দিভোয়ার
 জাপান



১৯ জুন ২০১৪
১৯:০০
জাপান  খেলা ২২  গ্রিস


গ্রুপ ডি[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 উরুগুয়ে
 কোস্টা রিকা
 ইংল্যান্ড
 ইতালি




২৪ জুন ২০১৪
১৩:০০
ইতালি  খেলা ৩৯  উরুগুয়ে

গ্রুপ ই[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 সুইজারল্যান্ড
 ইকুয়েডর
 ফ্রান্স
 হন্ডুরাস





গ্রুপ এফ[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 আর্জেন্টিনা
 বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
 ইরান
 নাইজেরিয়া





গ্রুপ জি[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 জার্মানি
 পর্তুগাল
 ঘানা
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র





গ্রুপ এইচ[সম্পাদনা]

দল খেলা
জয়
ড্র
পরাজয়
স্বগো
বিগো
গোপা
পয়েন্ট
 বেলজিয়াম
 আলজেরিয়া
 রাশিয়া
 দক্ষিণ কোরিয়া





নকআউট পর্ব[সম্পাদনা]

নকআউট পর্বে যদি কোন খেলা সাধারণ ৯০ মিনিট সময়ের মধ্যে শেষ না হয়, তবে ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময় প্রদান করা হবে (১৫ মিনিট করে দুইবার)। যদি এতেও খেলা শেষ না হয়, তাহলে পেনাল্টি শুট-আউটের মাধ্যমে খেলার ফলাফল নির্ধারণ করা হবে।[৪৭]

১৬ দলের পর্ব কোয়ার্টার ফাইনাল সেমি ফাইনাল ফাইনাল
                           
২৮ জুন – বেলো অরিজন্ঠ            
 গ্রুপ এ বিজয়ী  
৪ জুলাই – ফর্তালিজা
 গ্রুপ বি রানার-আপ    
 খেলা ৪৯ বিজয়ী  
২৮ জুন – রিউ দি জানেইরু
   খেলা ৫০ বিজয়ী    
 গ্রুপ সি বিজয়ী  
৮ জুলাই – বেলো অরিজন্ঠ
 গ্রুপ ডি রানার-আপ    
 খেলা ৫৭ বিজয়ী  
৩০ জুন – ব্রাজিলিয়া
   খেলা ৫৮ বিজয়ী    
 গ্রুপ ই বিজয়ী  
৪ জুলাই – রিউ দি জানেইরু
 গ্রুপ এফ রানার-আপ    
 খেলা ৫৩ বিজয়ী  
৩০ জুন – পোর্তো আলেগ্রে
   খেলা ৫৪ বিজয়ী    
 গ্রুপ জি বিজয়ী  
১৩ জুলাই – রিউ দি জানেইরু
 গ্রুপ এইচ রানার-আপ    
 খেলা ৬১ বিজয়ী  
২৯ জুন – ফর্তালিজা
   খেলা ৬২ বিজয়ী  
 গ্রুপ বি বিজয়ী  
৫ জুলাই – সালভাদোর
 গ্রুপ এ রানার-আপ    
 খেলা ৫১ বিজয়ী  
২৯ জুন – রেসিফি
   খেলা ৫২ বিজয়ী    
 গ্রুপ ডি বিজয়ী  
৯ জুলাই – সাঁউ পাউলু
 গ্রুপ সি রানার-আপ    
 খেলা ৫৯ বিজয়ী  
১ জুলাই – সাঁউ পাউলু
   খেলা ৬০ বিজয়ী     তৃতীয় স্থান
 গ্রুপ এফ বিজয়ী  
৫ জুলাই – ব্রাজিলিয়া ১২ জুলাই – ব্রাজিলিয়া
 গ্রুপ ই রানার-আপ    
 খেলা ৫৫ বিজয়ী    খেলা ৬১ পরাজিত  
১ জুলাই – সালভাদোর
   খেলা ৫৬ বিজয়ী      খেলা ৬২ পরাজিত  
 গ্রুপ এইচ বিজয়ী  
 গ্রুপ জি রানার-আপ    

১৬ দলের পর্ব[সম্পাদনা]

২৮ জুন ২০১৪
১৩:০০
গ্রুপ এ বিজয়ী খেলা ৪৯ গ্রুপ বি রানার-আপ

২৮ জুন ২০১৪
১৭:০০
গ্রুপ সি বিজয়ী খেলা ৫০ গ্রুপ ডি রানার-আপ

২৯ জুন ২০১৪
১৩:০০
গ্রুপ বি বিজয়ী খেলা ৫১ গ্রুপ এ রানার-আপ

২৯ জুন ২০১৪
১৭:০০
গ্রুপ ডি বিজয়ী খেলা ৫২ গ্রুপ সি রানার-আপ

৩০ জুন ২০১৪
১৩:০০
গ্রুপ ই বিজয়ী খেলা ৫৩ গ্রুপ এফ রানার-আপ

৩০ জুন ২০১৪
১৭:০০
গ্রুপ জি বিজয়ী খেলা ৫৪ গ্রুপ এইচ রানার-আপ

১ জুলাই ২০১৪
১৩:০০
গ্রুপ এফ বিজয়ী খেলা ৫৫ গ্রুপ ই রানার-আপ

১ জুলাই ২০১৪
১৭:০০
গ্রুপ এইচ বিজয়ী খেলা ৫৬ গ্রুপ জি রানার-আপ

কোয়ার্টার-ফাইনাল[সম্পাদনা]

৪ জুলাই ২০১৪
১৩:০০
খেলা ৫৩ বিজয়ী খেলা ৫৮ খেলা ৫৪ বিজয়ী

৪ জুলাই ২০১৪
১৭:০০
খেলা ৪৯ বিজয়ী খেলা ৫৭ খেলা ৫০ বিজয়ী

৫ জুলাই ২০১৪
১৩:০০
খেলা ৫৫ বিজয়ী খেলা ৬০ খেলা ৫৬ বিজয়ী

৫ জুলাই ২০১৪
১৭:০০
খেলা ৫১ বিজয়ী খেলা ৫৯ খেলা ৫২ বিজয়ী

সেমি-ফাইনাল[সম্পাদনা]

৮ জুলাই ২০১৪
১৭:০০
খেলা ৫৭ বিজয়ী খেলা ৬১ খেলা ৫৮ বিজয়ী

৯ জুলাই ২০১৪
১৭:০০
খেলা ৫৯ বিজয়ী খেলা ৬২ খেলা ৬০ বিজয়ী

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী[সম্পাদনা]

১২ জুলাই ২০১৪
১৭:০০
খেলা ৬১ পরাজিত খেলা ৬৩ খেলা ৬২ পরাজিত

ফাইনাল[সম্পাদনা]

১৩ জুলাই ২০১৪
১৬:০০
খেলা ৬১ বিজয়ী খেলা ৬৪ খেলা ৬২ বিজয়ী

মার্কেটিং[সম্পাদনা]

ব্রাজিল ২০১৪ অফিসিয়াল লোগো।

চিত্র, স্লোগান এবং সঙ্গীত[সম্পাদনা]

ব্রাজিল ২০১৪ অফিসিয়াল পোস্টার।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Pot allocations for the Preliminary Draw"। FIFA। 27 July 2011। সংগৃহীত 28 July 2011 
  2. "Games win inspires bid to host 2018 World Cup" by John Goodbody, The Times, November 16, 2005. Retrieved on January 8, 2006.
  3. BBC News, Colombia bids for 2014 World Cup, 17 July 2006
  4. FIFA, Brazil confirms bid - Colombia withdraws, 13 April 2007
  5. Brazil set to host World Cup, BBC. Retrieved on April 11, 2006.
  6. "Clear declaration to defend the autonomy of sport" (Press release)। FIFA। 2006-12-06। সংগৃহীত 2006-12-06 
  7. "Rio draw pits Spain against France"। ফিফা। ৩০ জুলাই ২০১১। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  8. "Draw for World Cup qualifiers at Marina da Glória in Rio" (পর্তুগীজ ভাষায়)। globoesporte.com। ৮ ডিসেম্বর ২০১০। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  9. "Barbarez: The World Cup is priceless"। ফিফা। ১৬ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  10. "Portugal climbs to 5th in FIFA Ranking"। Goal.com। 28 November 2013। 
  11. "FIFA sets 2014 seeding parameters"ইএসপিএন এফসি। ৪ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  12. "Der Weltmeister bekommt ein Rekord-Preisgeld von 25,6 Millionen Euro" [The World Champions Get Record Prize Money of 25.ক6 Million Euros] (জার্মান ভাষায়)। stuttgarter-zeitung.de। ৫ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  13. "FIFA's Inspection Report" (PDF)। সংগৃহীত ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  14. "Host cities – World Cup"। বিবিসি নিউজ। ৩১ মে ২০০৯। সংগৃহীত ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  15. "Host Cities for Brazil 2014 to be announced in May"ফিফা। ১২ মার্চ ২০০৯। সংগৃহীত ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  16. dom (৩১ মে ২০০৯)। "Host cities in 1950 FIFA World Cup"। Colunas.globoesporte.com। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  17. "2014 Fifa World Cup: Luck of the draw 'an essential component'"। বিবিসি। ২ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  18. "Price tag rises for Brazil's World Cup stadiums"। গোল। ২৮ নভেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  19. "2014 Fifa World Cup: Where are the 12 host stadiums in Brazil?"। বিবিসি। ৩ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  20. "Sao Paulo dropped for 2014"। এসবিএস। ১৭ জুন ২০১০। আসল থেকে ২৮ জুন ২০১০-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  21. "Brazil's first 2014 World Cup stadium holds matches"। NewVision। ২৮ জানুয়ারি ২০১৩। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  22. "Destination: Stadiums"ফিফা। ১৫ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  23. "Brazil World Cup: Six stadiums to miss Fifa deadline"ফিফা। ৫ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  24. "Two die in Brazil World Cup stadium accident"বিবিসি। ২৭ নভেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  25. "Estádio Nacional Mané Garrincha"। ফিফা। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  26. "Estadio do Maracana – Rio De Janeiro"। ফিফা। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  27. "Fifa admite adotar nome Mané Garrincha em estádio de Brasília na Copa"। Copadomundo.uol.com.br। ৬ মে ২০১৩। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  28. "Estadio Castelao – Fortaleza"। ফিফা। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৩ 
  29. "Site oficial do Sport Club Internacional – Projeto Gigante Para Sempre"। Internacional.com.br। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  30. "Beira-Rio stadium re-opened"। ফিফা। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  31. "Arena Fonte Nova – Salvador Stadium"। FIFA। ২৮ জানুয়ারী ১৯৫১। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  32. "Arena da Baixada's capacity"। Globoesporte.globo.com। ৩০ জুলাই ২০১৩। সংগৃহীত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  33. "Team Base Camps for Brazil 2014 announced"ফিফা। ২১ জানুয়ারী ২০১৪। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  34. "Key issues addressed at Brasilia meeting"। ফিফা। ২৮ জুন ২০১২। সংগৃহীত ৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  35. "Final Draw"ফিফা। সংগৃহীত ৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  36. "Pot 1 seeds set for Brazil 2014 draws"। ফিফা। ১৭ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  37. ৩৭.০ ৩৭.১ "Draw procedures approved"। ফিফা। ৩ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  38. "Final draw procedures"ফিফা। ৩ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  39. "Open list of prospective referees & assistant referees for the 2014 FIFA World Cup" (পিডিএফ)। ফিফা। ৭ মার্চ ২০১৩। সংগৃহীত ১০ এপ্রিল ২০১৪ 
  40. "Referee trios and support duos appointed for 2014 FIFA World Cup"। ফিফা। ১৫ জানুয়ারী ২০১৪। সংগৃহীত ১০ এপ্রিল ২০১৪ 
  41. "Referees & Assistant referees for the 2014 FIFA World Cup"। ফিফা। ১৪ জানুয়ারী ২০১৪। সংগৃহীত ১০ এপ্রিল ২০১৪ 
  42. "England v Germany: Frank Lampard denied goal by Uruguayan linesman – in pictures"দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। ২৭ জুন ২০১০। সংগৃহীত ১১ এপ্রিল ২০১৪ 
  43. "World Cup 2010: Blatter apologises for disallowed goal"বিবিসি স্পোর্ট। ২৯ জুন ২০১০। সংগৃহীত ১১ এপ্রিল ২০১৪ 
  44. "IFAB gives the green light to goal-line technology"। ফিফা। ৫ জুলাই ২০১২। সংগৃহীত ১১ এপ্রিল ২০১৪ 
  45. "GoalControl confirmed as goal-line technology provider for Brazil 2014"। ফিফা। ১০ অক্টোবর ২০১৩। সংগৃহীত ১১ এপ্রিল ২০১৪ 
  46. "Vanishing spray set for World Cup"। eurosport.com। ২১ নভেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ১১ এপ্রিল ২০১৪ 
  47. ৪৭.০ ৪৭.১ ৪৭.২ "Regulations – FIFA World Cup Brazil 2014"। ফিফা। সংগৃহীত ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  48. "Match schedule for 2014 FIFA World Cup™ unveiled"। ফিফা। ২০ অক্টোবর ২০১১। সংগৃহীত ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  49. "FIFA Executive Committee approves kick-off times for Brazil 2014"। ফিফা। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  50. "Match schedule for 2014 FIFA World Cup™"। ফিফা। ১৭ মে ২০১৩। সংগৃহীত ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Brazil topics