নাইজেরিয়া জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 নাইজেরিয়া
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম সুপার ঈগল, গ্রীন ঈগল
অ্যাসোসিয়েশন নাইজেরিয়া ফুটবল সংস্থা
সাব-কনফেডারেশন ওয়েস্ট আফ্রিকান ফুটবল ইউনিয়ন (পশ্চিম আফ্রিকা)
কনফেডারেশন ক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচ স্টিফেন কেশি
অধিনায়ক জোসেফ ইয়োবো
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় জোসেফ ইয়োবো (৯৫)[১]
শীর্ষ গোলদাতা রশীদি ইয়েকিনি (৩৭)
স্বাগতিক স্টেডিয়াম আবুজা স্টেডিয়াম
ফিফা কোড NGA
ফিফা র‌্যাঙ্কিং ২৮
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং (এপ্রিল, ১৯৯৪)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৮২ (নভেম্বর, ১৯৯৯)
এলো রেটিং ৩০
সর্বোচ্চ এলো রেটিং ১৪ (৩১ মে, ২০০৪)
সর্বনিম্ন এলো রেটিং ৮৭ (২৭ ডিসেম্বর, ১৯৬৪)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
Ng westafricasettlements.png সিয়েরালিওন ০-২ নাইজেরিয়া নাইজেরিয়া
(ফ্রীটাউন, সিয়েরালিওন; ১০ আগস্ট, ১৯৯৪)[২]
সর্বোচ্চ জয়
নাইজেরিয়া নাইজেরিয়া ১০-১ দাহোমি 
(লাগোস, নাইজেরিয়া; ২৮ নভেম্বর, ১৯৫৯)
সর্বোচ্চ পরাজয়
 গোল্ড কোস্ট ৭-০ নাইজেরিয়া নাইজেরিয়া
(আক্রা, গোল্ড কোস্ট; ১ জুন, ১৯৫৫)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ৪ (প্রথম ১৯৯৪)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল গ্রুপ পর্ব, ১৯৯৪১৯৯৮
আফ্রিকান নেশন্স কাপ
উপস্থিতি ১৭ (প্রথম ১৯৬৩)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯৮০, ১৯৯৪২০১৩
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি ১ (প্রথম ১৯৯৫)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল ৪র্থ, ১৯৯৫

নাইজেরিয়া জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Nigeria national football team) নাইজেরিয়ার জাতীয় দল হিসেবে ফুটবল খেলায় প্রতিনিধিত্ব করছে। সুপার ঈগল কিংবা গ্রীন ঈগল ডাক নামেও নাইজেরিয়া জাতীয় ফুটবল দলের পরিচিতি রয়েছে। নাইজেরিয়া ফুটবল সংস্থা (এনএফএফ) কর্তৃক এ দলটি পরিচালিত হয়। স্মরণীয় সাফল্য হিসেবে এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৫ম স্থান অধিকার করেছিল। এ র‌্যাঙ্কিংটিই আফ্রিকা মহাদেশের ফুটবলের ইতিহাসে যে-কোন দলের জন্যে সর্বোচ্চ সাফল্য। বর্তমানে দলটি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত আফ্রিকা নেশন্স কাপের শিরোপাধারী দল। দলীয় শক্তিমত্তার বিচারে খুবই শক্তিশালী্ দলটি এ যাবৎকাল তিনবার আফ্রিকা নেশন্স কাপ জয়ের পাশাপাশি দুইবার বিশ্বকাপ ফুটবলের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা লাভ করেছে। এছাড়াও প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে স্বর্ণপদক লাভ করেছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৩০-এর দশকে অন্যান্য উপনিবেশের সাথে নাইজেরিয়া দলটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ফুটবলে খেলায় অংশগ্রহণ করে।[৩] বর্তমানে দলটি ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৫২তম স্থান দখল করে আছে। ব্রিটিশ উপনিবেশ হওয়া সত্ত্বেও অক্টোবর, ১৯৪৯ সালে নাইজেরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম খেলায় অংশ নেয়। ডালউইচ হ্যামলেট, বিশপ অকল্যান্ড, সাউথ লিভারপুল প্রভৃতি সৌখিন দলের বিপক্ষে ইংল্যান্ড সফরে প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশগ্রহণ করেছিল। ১৯৭৩ সালে দলটি প্রথম বৃহৎ সাফল্য লাভ করে। ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত ২য় অল-আফ্রিকা গেমসে স্বর্ণপদক পায়। এছাড়াও, ১৯৭৬১৯৭৮ সালের আফ্রিকান নেশন্স কাপে তৃতীয় স্থান দখল করেছিল। লাগোসে অনুষ্ঠিত ১৯৮০ সালের আফ্রিকা নেশন্স কাপে জন চিদোজি, তাঞ্জি ব্যাঞ্জো, মুদা লল, ক্রিশ্টিয়ান চুকু প্রমূখ ফুটবলারগণ অংশ নেন ও সুপার ঈগলকে প্রথমবারের মতো জয়ে সহায়তা করেন। ১৯৮৪ ও ১৯৮৮ সালে ফাইনালে পৌঁছলেও ক্যামেরুন দলের কাছে হেরে যায়। ক্যামেরুন চারবার আফ্রিকান কাপ জয় করে; তন্মধ্যে তিনবারই তারা নাইজেরিয়াকে হারায়। ক্যামেরুনের কাছে এজাতীয় ঘটনার বেশ কয়েকবার পুণরাবৃত্তি ঘটে। এরফলে উভয় দলই অলিখিতভাবে একে-অপরের চীরপ্রতিদন্দ্বী হিসেবে চিহ্ণিত হয়ে আছে।

বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

১৪ নভেম্বর, ২০০৯ তারিখে নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত বাছাই-পর্বের খেলায় কেনিয়াকে ৩-২ গোলের ব্যবধানে পরাভূত করে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।[৪]

বিশ্বকাপের মূল পর্বে উদ্বোধনী খেলায় গ্যাব্রিয়েল হেইঞ্জের হেডে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ০-১ গোলে হেরে যায়।[৫] দ্বিতীয় খেলায় শুরুতেই উচের গোলে গ্রীসের বিরুদ্ধে এগিয়ে যায়। কিন্তু সানি কাইতার লাল কার্ডপ্রাপ্তিতে গ্রীস সুবিধা পেয়ে যায় ও ২-১ গোলে জয়ী হয়। এরপর ২-২ গোলে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ড্র করে। ৩০ জুন, ২০১০ তারিখে প্রতিযোগিতা থেকে দ্রুত বিদায় ও দূর্বল ফলাফলের জন্যে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট গুডলাক জোনাথন জাতীয় দলকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলার জন্যে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।[৬] এ নিষেধাজ্ঞার ফলে ফিফা থেকেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের দরুণ দলটিও নিষেধাজ্ঞার পর্যায়ে পড়ে।[৭] ৫ জুলাই, ২০১০ তারিখে নাইজেরিয় সরকার ফিফা/ক্যাফ ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।[৮] কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি ফিফা কর্তৃপক্ষের কাছে তিন মাস পর থেকে কার্যকরী হয়।[৯] ৪ অক্টোবর, ২০১০ তারিখে বিশ্বকাপ ফুটবলের পর সরকারীভাবে হস্তক্ষেপ করায় দলটিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়।[৯] এর চারদিন পর নাইজেরিয় ফুটবলারদের জাতীয় সংস্থা থেকে অভিযোগ দাখিল করায় তা সাময়িকভাবে তুলে নেয়া হয়।[১০]

আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স[সম্পাদনা]

ইতিমধ্যে দলটি ১৯৮০, ১৯৯৪২০১৩ সালের আফ্রিকান নেশন্স কাপ ছয় করে এবং ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯০২০০০ সালে তারা চারবার রানার্স-আপ হয়। এছাড়াও, সাতবার তৃতীয় স্থান দখল করে। ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ তারিখে বুরকিনা ফাসোকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো এ কাপটি জয় করে। ১৯৯৪ সালে অ্যাফকন চ্যাম্পিয়নধারী নাইজেরিয়া দলের অধিনায়ক ও বর্তমান নাইজেরিয় কোচ স্টিফেন কেসি প্রথমবারের মতো সুপার ঈগলদেরকে এ কাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।[১১]

দলীয় কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

অবস্থান নাম
প্রধান কোচ স্টিফেন কেশি
সহকারী কোচ ড্যানিয়েল অ্যামোকাচি
প্রধান কোচের ব্যক্তিগত সহকারী ভ্যালেরে হোয়ানডিনো টোগো
গোলরক্ষক প্রশিক্ষক ইকে শোরানমু
সহকারী গোলরক্ষক প্রশিক্ষক সিলভেনাস ওকপালা

খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

বর্তমান দল[সম্পাদনা]

নিচের ৩০জন খেলোয়াড়কে মে, ২০১৩ সালে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে খেলার জন্য ও জুনে অনুষ্ঠিতব্য ২০১৩ সালের ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণের জন্য ক্যাম্পে ডাকা হয়।

খেলা ও গোলের সংখ্যা ২৩ এপ্রিল, ২০১৩ তারিখ পর্যন্ত সঠিক। সকল খেলা/গোল ফিফা সদস্যভূক্ত দেশসমূহের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।[১২]

0#0 অব নাম জন্ম (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব
গো ভিনসেন্ট এনিয়েমা (১৯৮২-০৮-২৯) ২৯ আগস্ট ১৯৮২ (বয়স ৩২) ৭৮ ইসরায়েল ম্যাকাবি তেল আবিব
১৬ গো অস্টিন এজিদ (১৯৮৪-০৪-০৮) ৮ এপ্রিল ১৯৮৪ (বয়স ৩০) ২৪ ইসরায়েল হ্যাপোয়েল বি’য়ার শেবা
২৩ গো চিগোজি এগবিম (১৯৮৪-১১-২৮) ২৮ নভেম্বর ১৯৮৪ (বয়স ২৯) নাইজেরিয়া এনুগু র‌্যাঞ্জার্স
৩০ গো ড্যানিয়েল একপেয়ি (১৯৮৬-০৮-০৩) ৩ আগস্ট ১৯৮৬ (বয়স ২৮) নাইজেরিয়া হার্টল্যান্ড এফ.সি.
ইউয়া এল্ডারসন একিয়েজিলে (১৯৮৮-০১-২০) ২০ জানুয়ারি ১৯৮৮ (বয়স ২৬) ২৭ পর্তুগাল ব্রাগা
এফি অ্যামব্রোস (১৯৮৮-১০-১৮) ১৮ অক্টোবর ১৯৮৮ (বয়স ২৫) ২২ স্কটল্যান্ড সেল্টিক
২২ কেনেথ ওমিরু (১৯৯৩-১০-১৭) ১৭ অক্টোবর ১৯৯৩ (বয়স ২০) নেদারল্যান্ডস এডো ডেন হাগ
২৫ ফ্রান্সিস বেঞ্জামিন (১৯৯৩-০১-০২) ২ জানুয়ারি ১৯৯৩ (বয়স ২১) নাইজেরিয়া হার্টল্যান্ড এফ.সি.
আজুবুইকি এগুইকুয়ে (১৯৮৮-১১-২৮) ২৮ নভেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ২৫) ১২ নাইজেরিয়া ওয়ারি উল্ভস
১৪ গডফ্রে ওবোয়াবোনা (১৯৯০-০৮-১৬) ১৬ আগস্ট ১৯৯০ (বয়স ২৪) ১৯ নাইজেরিয়া সানশাইন স্টার্স
সলোমন কোয়াম্বি (১৯৯৩-০৯-৩০) ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ (বয়স ২১) নাইজেরিয়া সানশাইন স্টার্স
২৪ ইবেনেজার ওদুনলামি (১৯৯০-০৩-০৫) ৫ মার্চ ১৯৯০ (বয়স ২৪) নাইজেরিয়া সানশাইন স্টার্স
জন ইউগোচুকু (১৯৮৮-০৪-২০) ২০ এপ্রিল ১৯৮৮ (বয়স ২৬) পর্তুগাল অ্যাকাডেমিকা ডি কোইম্ব্রা
আহমেদ মুসা (১৯৯২-১০-১৪) ১৪ অক্টোবর ১৯৯২ (বয়স ২১) ২৬ রাশিয়া সিএসকেএ মস্কো
১০ মাইকেল জন ওবি (১৯৮৭-০৪-২২) ২২ এপ্রিল ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ৪৬ ইংল্যান্ড চেলসি
১২ রিউবেন গ্যাব্রিয়েল (১৯৯০-০৯-২৫) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯০ (বয়স ২৪) ১০ স্কটল্যান্ড কিলমার্নক
১৩ ফেগর ওগুদে (১৯৮৭-০৭-২৯) ২৯ জুলাই ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ১১ নরওয়ে ভালেরেঙ্গা
১৫ মাইকেল বাবাতুন্দে (১৯৯২-১২-২৪) ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯২ (বয়স ২১) ইউক্রেন ক্রাইভবাস ক্রাইভি
১৭ ওগেনি ওনাজি (১৯৯২-১২-২৫) ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯২ (বয়স ২১) ইতালি ল্যাজিও
১৮ ওবিন্না নোচুকু (১৯৯২-০১-১৮) ১৮ জানুয়ারি ১৯৯২ (বয়স ২২) নাইজেরিয়া হার্টল্যান্ড এফ.সি.
১৯ সানডে এম্বা (১৯৮৮-১১-২৮) ২৮ নভেম্বর ১৯৮৮ (বয়স ২৫) ১১ নাইজেরিয়া ওয়ারি উল্ভস
২০ নামদি ওদুয়ামাদি (১৯৯০-১০-১৭) ১৭ অক্টোবর ১৯৯০ (বয়স ২৩) ইতালি এএস ভারেস ১৯১০
২৭ এমেকা ইজে (১৯৯২-১২-২২) ২২ ডিসেম্বর ১৯৯২ (বয়স ২১) নাইজেরিয়া এনুগু র‌্যাঞ্জার্স
ইদিয়ে এইদ ব্রাউন (১৯৮৮-১০-১০) ১০ অক্টোবর ১৯৮৮ (বয়স ২৫) ১৪ ইউক্রেন ডায়নামো কিয়েভ
১১ ভিক্টর মোসেজ (১৯৯০-১২-১২) ১২ ডিসেম্বর ১৯৯০ (বয়স ২৩) ১৩ ইংল্যান্ড চেলসি
২১ মোহাম্মদ গ্যাম্বো (১৯৮৮-০৩-১০) ১০ মার্চ ১৯৮৮ (বয়স ২৬) নাইজেরিয়া কানো পিলার্স
ইমানুয়্যাল ইমেনিয়েকে (১৯৮৭-০৫-১০) ১০ মে ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ১৪ রাশিয়া স্পার্টাক মস্কো প্র
২৮ অ্যান্থনি ইউজাহ (১৯৯০-১০-১৪) ১৪ অক্টোবর ১৯৯০ (বয়স ২৩) জার্মানি কোলন
জোসেফ আকপালা (১৯৮৬-০৮-২৪) ২৪ আগস্ট ১৯৮৬ (বয়স ২৮) জার্মানি ওয়েলদার ব্রেম্যান
২৬ কালু ইউচে (১৯৮২-১১-১৫) ১৫ নভেম্বর ১৯৮২ (বয়স ৩১) ৩৪ তুরস্ক কাসিমপাসা এস.কে.
২৯ গোমো অন্দুকু (১৯৯৩-০১-০১) ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ (বয়স ২১) নাইজেরিয়া বেইলসা ইউনাইটেড

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Elassal, Mahmoud। "Yobo becomes Nigeria’s most capped player"। ahramonline। সংগৃহীত 7 March 2011। "Nigeria captain says victory at 2013 African Cup of Nations would make his joy complete." 
  2. Courtney, Barrie। "Sierra Leone – List of International Matches"। Rec.Sport.Soccer Statistics Foundation। সংগৃহীত 4 November 2010 
  3. http://www.tribune.com.ng/27122009/news/sports7.html Nigeria's First Football Captain
  4. "Kenya 2–3 Nigeria"। ESPN। 14 November 2009। সংগৃহীত 14 November 2009 
  5. "Argentina 1–0 Nigeria"। BBC। সংগৃহীত 14 June 2010 
  6. "Nigeria president suspends team"। BBC Sport। 30 June 2010। সংগৃহীত 30 June 2010 
  7. Adigun, Bashir; Gambrell, Jon (30 June 2010)। "Nigeria's president suspends soccer team"USA Today। সংগৃহীত 30 June 2010 
  8. "Nigerian government rescinds ban"ESPN Soccernet। 5 July 2010। সংগৃহীত 2010-07-0 
  9. ৯.০ ৯.১ "Fifa issues world ban to Nigeria"। BBC News। 4 October 2010। 
  10. "Fifa lifts Nigeria's suspension"। BBC Sport। 8 October 2010। সংগৃহীত 8 October 2010 
  11. "Mba’s wondergoal wins African Cup of Nations for Nigeria"Eurosport। 10 February 2013। সংগৃহীত 12 February 2013 
  12. www.mtnfootball.com, "Eagles skipper Yobo stays dropped", Retrieved 5 May, 2013.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Football in Nigeria

টেমপ্লেট:African football টেমপ্লেট:WAFU Football টেমপ্লেট:CAF teams