লিওনেল মেসি
| লিওনেল মেসি | |||
| ব্যক্তিগত তথ্য | |||
|---|---|---|---|
| পূর্ণ নাম | লিওনেল আন্দ্রেস মেসি[১] | ||
| জন্ম | ২৪ জুন ১৯৮৭ [১] | ||
| জন্ম স্থান | রোজারিও, আর্জেন্টিনা[১] | ||
| উচ্চতা | ১.৬৯ মিটার (৫’–৭”)[১] | ||
| মাঠে অবস্থান | ফরোয়ার্ড | ||
| ক্লাবের তথ্য | |||
| বর্তমান ক্লাব | বার্সেলোনা | ||
| জার্সি নম্বর | ১০ | ||
| তারূণ্যের কর্মজীবন | |||
| ১৯৯৫–২০০০ | নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজ | ||
| ২০০০–২০০৩ | বার্সেলোনা | ||
| বলিষ্ঠ কর্মজীবন* | |||
| বছর | দল | উপস্থিতি† | (গোল)† |
| ২০০০–২০০৪ | বার্সেলোনা সি | ১০ | (৫) |
| ২০০৪–২০০৫ | বার্সেলোনা বি | ২২ | (১০) |
| ২০০৪– | বার্সেলোনা | ২৪৩ | (২১২) |
| জাতীয় দল‡ | |||
| ২০০৪–২০০৫ | আর্জেন্টিনা অনুর্ধ্ব ২০ | ১৬ | (১১) |
| ২০০৭–২০০৮ | আর্জেন্টিনা অনুর্ধ্ব ২৩ | ৫ | (২) |
| ২০০৫– | আর্জেন্টিনা | ৭৯ | (৩২) |
| * পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা
শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং তারিখ অনুযায়ী সঠিক ৩০ মার্চ ২০১৩। |
|||
লিওনেল আন্দ্রেস ‘‘লিও’’ মেসি (উচ্চারণ: [ljoˈnel anˈdɾes ˈmesi], জন্ম: ২৪ জুন ১৯৮৭) একজন আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার, যিনি লা লিগার দল বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলেন।
মেসি বর্তমানে আজেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক। মাত্র ২১ বছর বয়সেই তিনি ব্যালন দি’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের জন্য মনোনীত হন। এর পরের বছরেই তিনি প্রথমবারের মত ব্যালন দি’অর[২] এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন করেন। ২০১০ সাল থেকে ব্যালন দি’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দুটিকে এক করে নাম দেওয়া হয় ফিফা ব্যালোন দি’অর। উদ্বোধনী বছরেই এই পুরস্কার জিতেন মেসি।[৩] এরপর ২০১১[৪] এবং ২০১২[৫] সালের পুরস্কারও জিতেন তিনি। মেসি ২০১১–১২ মৌসুমে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন। মেসি বর্তমানে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোলদাতা।[৬]
অনেক ভাষ্যকার, কোচ এবং খেলোয়াড় তাকে বর্তমান সময়ের সেরা এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে দাবী করেন।[৭][৮][৯][১০][১১] ফুটবলের ইতিহাসে টানা চারবার ফিফা ব্যালন দি’অর জয়ী একমাত্র ফুটবলার মেসি। বার্সেলোনার হয়ে মেসি পাঁচটি লা লিগা, দুইটি কোপা দেল রে, পাঁচটি স্পেনীয় সুপার কাপ, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, দুইটি ইউরোপীয়ান সুপার কাপ এবং দুইটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছেন। ২০১২ সালের মার্চে, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলায় বেয়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে পাঁচ গোল করে ইতিহাস গড়েন মেসি। খেলায় বার্সেলোনা ৭–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১২] তিনি চ্যাম্পিয়নস লিগের এক মৌসুমে জোসে আলতাফিনির করা ১৪ গোলের রেকর্ডও স্পর্শ করেন।[১৩] মেসিই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা চার মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার কৃতিত্ব গড়েছেন।[১৪][১৫] ২০১১–১২ মৌসুমে ইউরোপীয় ফুটবলের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৭৩ গোলের রেকর্ড গড়েন মেসি।[১৬] ঐ মৌসুমে লা লিগায়ও ৫০ গোল করে এক মৌসুমে লা লিগায় সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন তিনি।[১৭] ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, মেসি বার্সেলোনার হয়ে তার ৩০০তম গোল করেন।[১৮] ২০১৩ সালের ৩০ মার্চ, লা লিগায় টানা ১৯ খেলায় গোল করার কৃতিত্ব গড়েন মেসি এবং ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লীগের সবকয়টি দলের বিপক্ষে টানা গোল করার কৃতিত্ব গড়েন তিনি।[১৯]
২০০৫ ফিফা বিশ্ব যুব চ্যাম্পিয়নশীপে সর্বোচ্চ ছয় গোল করেন মেসি। ২০০৬ সালে, আর্জেন্টিনার সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করেন তিনি। ২০০৭ সালে কোপা আমেরিকাতেও তিনি অংশগ্রহন করেন, যেখানে আর্জেন্টিনা রানার-আপ হয় এবং তিনি প্রতিযোগিতার কনিষ্ঠ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।[২০] ২০০৮ সালে, বেইজিং অলিম্পিকে আর্জেন্টিনা অলিম্পিক ফুটবল দলের হয়ে মেসি স্বর্ণপদক জিতেন। এটিই ছিল তার প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা। তার খেলার ধরন এবং দৈহিক উচ্চতার কারনে তাকে তারই স্বদেশী দিয়েগো মারাদোনার সাথে তুলনা করা হয়, যিনি নিজেই মেসিকে তার ‘‘উত্তরসূরি’’ হিসেবে ঘোষনা করেছেন।[২১] ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, গ্রানাদার বিপক্ষে মেসি বার্সেলোনার হয়ে তার ৩০০তম গোল করেন।
পরিচ্ছেদসমূহ |
প্রারম্ভিক জীবন [সম্পাদনা]
মেসি আর্জেন্টিনার রোজারিওতে জন্মগ্রহন করেন। তার ববা জর্জ হোরাসিও মেসি স্টিল কারখানায় কাজ করতেন এবং মা সেলিয়া মারিয়া কুচ্চিত্তিনি ছিলেন একজন পার্ট-টাইম ক্লিনার।[২২][২৩][২৪] মেসির দুইজন বড় ভাই রয়েছেন। তাদের নাম রদ্রিগো ও মাতিয়াস এবং ছোট বোনের নাম মারিয়া সল।[২৫] পাঁচ বছর বয়সে, মেসি স্থানীয় ক্লাব গ্রান্দোলির হয়ে খেলতে শুরু করেন, যার কোচ ছিলেন তার বাবা জর্জ।[২৬] ১৯৯৫ সালে, মেসি রোজারিও ভিত্তিক ক্লাব নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজে যোগ দেন।[২৬]
১১ বছর বয়সে, মেসির গ্রোথ হরমোনের সমস্যা ধরা পড়ে।[২৭] স্থানীয় ক্লাব রিভার প্লেট মেসির প্রতি তাদের আগ্রহ দেখালেও, সেসময় তারা মেসির চিকিত্সার খরচ বহন করতে অপারগ ছিল। যার পরিমান ছিল প্রতি মাসে ৯০০ মার্কিন ডলার।[২৪] বার্সেলোনার তত্কালীন স্পোর্টিং ডিরেক্টর চার্লস রেক্সাস মেসির প্রতিভা সম্পর্কে জানতে পারেন। তিনি মেসির খেলা দেখে মুগ্ধ হন। হাতের কাছে কোন কাগজ না পেয়ে একটি ন্যাপকিন পেপারে চুক্তি সাক্ষর করেন তিনি।[২৮] বার্সেলোনা মেসির চিকিত্সার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করতে রাজী হয়। এরপর মেসি এবং তার বাবা বার্সেলোনায় পাড়ি জমান। সেখানে মেসিকে বার্সেলোনার যুব একাডেমী লা মাসিয়াতে নথিভুক্ত করা হয়।[২৬][২৮]
ক্লাব ক্যারিয়ার [সম্পাদনা]
বার্সেলোনা [সম্পাদনা]
মেসি ২০০০ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনার যুব একাডেমীর ইনফান্টিল বি এবং ক্যাডেট বি ও এ দলে খেলেছেন। এসময় তিনি ৩০ খেলায় ৩৭ গোল করেন। ২০০৩–০৪ মৌসুমে মেসি পাঁচটি আলাদা দলে খেলেছেন।[২৯] তিনি জুভেনিল বি দলে খেলে ১টি গোল করেন এবং জুভেনিল এ দলে খেলার সুযোগ লাভ করেন। সেখানে তিনি ১৪ খেলায় ২১ গোল করেন। ২০০৩ সালের ২৯ নভেম্বর, বার্সেলোনা সি দলে এবং ২০০৪ সালের ৬ মার্চ, বার্সেলোনা বি দলে তার অভিষেক হয়। বার্সেলোনা সি দলের হয়ে এই মৌসুমে মেসি ১০ খেলায় ৫ গোল এবং বার্সেলোনা বি দলের হয়ে ৫ খেলায় শূন্য গোল করেন।[৩০][৩১][৩২] এই দুই দলে অভিষেকের পূর্বে মেসির দাপ্তরিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর, পোর্তোর বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায়। সেসময় তার বয়স হয়েছিল ১৬ বছর এবং ১৪৫ দিন।[৩৩][৩৪]
লীগে মেসির অভিষেক হয় ২০০৪ সালের ১৬ অক্টোবর ইস্প্যানিওলের বিপক্ষে। সেসময় তার বয়স হয়েছিল ১৭ বছর এবং ১১৪ দিন। ২০০৫ সালের ১ মে, মেসি ব্যালোম্পাই-এর বিপক্ষে সিনিয়র দলের হয়ে প্রথম গোল করে বার্সেলোনার সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।[৩৫] অবশ্য তার এই রেকর্ড ২০০৭ সালে বোজান কিরকিচ ভেঙ্গে ফেলেন। বোজান ঐ গোলটি মেসির পাস থেকেই করেছিলেন।[৩৬] মেসি তার প্রাক্তন কোচ ফ্রাংক রাইকার্ড সম্পর্কে বলেন: ‘‘আমি কখনও ভুলবনা যে তিনি আমার ক্যারিয়ার শুরু করিয়েছেন, মাত্র ১৬ বা ১৭ বছর বয়সে আমার প্রতি তার আস্থা ছিল।’’[৩৭] এই মৌসুমে মেসি বার্সেলোনা বি দলের হয়েও খেলেন এবং ১৭ খেলায় ৬ গোল করেন।
২০০৫–০৬ মৌসুম [সম্পাদনা]
১৬ সেপ্টেম্বর, তিন মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মত বার্সেলোনা মেসির সাথে তাদের চুক্তি নবায়ন করে। এসময় মূল দলের খেলোয়াড় হিসেবে মেসির পারিশ্রমিক বাড়ানো হয় এবং চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত করা হয়। ২০০৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর, মেসিকে স্পেনের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়,[৩৮] এবং তিনি লা লিগায় খেলার সুযোগ পেয়ে যান। ২৭ সেপ্টেম্বর, মেসি ঘরের মাঠে ইতালিয়ান ক্লাব উদিনেসের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লীগে তার প্রথম খেলায় মাঠে নামেন।[৩৩] মেসি যখন মাঠে নামেন তখন ক্যাম্প ন্যু-এর দর্শকগন তাকে দাড়িয়ে অভ্যর্থনা জানান।
মেসি লা লিগায় ১৭ খেলায় ৬ গোল এবং চ্যাম্পিয়নস লীগে ৬ খেলায় ১ গোল করেন। ২০০৬ সালের ৭ মার্চ, চেলসির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লীগের দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় লেগের খেলায় মেসির ডান উরুর পেশী ছিঁড়ে যায়। ফলে সেসমই তাকে মৌসুমের ইতি টানতে হয়।[৩৯] ঐ মৌসুমে রাইকার্ডের বার্সেলোনা স্পেন এবং ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মৌসুম শেষ করে।[৪০][৪১]
২০০৬–০৭ মৌসুম [সম্পাদনা]
২০০৬–০৭ মৌসুমে মেসি নিজেকে দলের নিয়মিত খেলোয়াড় হিসেবে স্থাপন করেন এবং ২৬ খেলায় ১৪ গোল করেন।[৪২] ১২ নভেম্বর, জারাগোজার বিপক্ষে খেলার সময় মেসির পায়ের হাড় ভেঙ্গে যায় এবং তিনি তিন মাসের জন্য মাঠের বাহিরে চলে যান।[৪৩][৪৪] ২০০৭ সালের ১০ মার্চ, এল ক্ল্যাসিকোতে মেসি হ্যাট্রিক করেন এবং খেলাটি ৩–৩ সমতায় শেষ হয়। বার্সেলোনা খেলায় তিনবার পিছিয়ে পরলেও, তিনবারই মেসি দলকে সমতায় ফেরান, যার মধ্যে একটি গোল তিনি দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে করেছিলেন।[৪৫] এর আগে এল ক্ল্যাসিকোতে সর্বশেষ হ্যাট্রিক করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের ইভান জামোরানো, ১৯৯৪–৯৫ মৌসুমে।[৪৬] মেসিই এল ক্ল্যাসিকোতে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার। মৌসুমের শেষের দিকে মেসি আগের চেয়ে আরও বেশি গোল করতে শুরু করেন। এই মৌসুমে লীগে তার করা ১৪টি গোলের ১১টিই এসেছিল শেষ ১৩টি খেলা থেকে।[৪৭]
এই মৌসুমে মেসি কিংবদন্তী দিয়েগো মারাদোনার বিখ্যাত কিছু গোলের পুনরাবৃত্তি ঘটান[৪৮] এবং নিজেকে ‘‘দ্বিতীয় মারাদোনা’’ রূপে প্রমাণ করেন। ২০০৭ সালের ১৮ এপ্রিল, কোপা দেল রে‘র সেমিফাইনালে গেতাফের বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন। যার মধ্যে একটি ছিল মারাদোনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা দ্বিতীয় গোলটির মত, যে গোলটি শতাব্দীর সেরা গোল হিসেবে খ্যাত।[৪৯] বিশ্বের স্পোর্টস মিডিয়া মেসিকে মারাদোনার সাথে তুলনা করতে শুরু করে এবং স্পেনীয় মিডিয়া তাকে ‘‘মেসিদোনা’’ উপাধিতে ভূষিত করে।[৫০] মারাদোনার মত মেসিও প্রায় ৬২ মিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে গোলরক্ষকসহ ছয় জনকে কাটিয়ে একই স্থান থেকে গোল করেছিলেন এবং কর্ণার ফ্লাগের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন, যেমনটি করেছিলেন মারাদোনা, ২১ বছর আগে মেক্সিকো বিশ্বকাপে।[৪৮] খেলা শেষে একটি সংবাদ সম্মেলনে মেসির সতীর্থ ডেকো বলেছিলেন, ‘‘এটি আমার জীবনে দেখা সেরা গোল।’’[৫১] এস্প্যানিওলের বিপক্ষেও মেসি একটি গোল করেছিলেন, যা ছিল মারাদোনার ‘‘হ্যান্ড অব গড’’ খ্যাত গোলটির মত।[৫২]যেটি ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মারাদোনার করা প্রথম গোল ছিল। বার্সেলোনার তত্কালীন ম্যানেজার ফ্রাংক রাইকার্ড মেসিকে বাম পাশ হতে ডান উইঙ্গে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন, প্রাথমিকভাবে এটি ছিল মেসির ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
২০০৭–০৮ মৌসুম [সম্পাদনা]
২৭ ফেব্রুয়ারী, মেসি ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে বার্সেলোনার হয়ে তার ১০০তম অফিসিয়াল খেলায় মাঠে নামেন।[৫৩]
স্পেনীয় সংবাদপত্র মার্কা তাদের অনলাইন সংস্করনে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের জন্য ভোটের আয়োজন করে, যেখানে মেসি ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রথম হন।[৫৪] বার্সেলোনা ভিত্তিক সংবাদপত্র এল মুন্দো দেপোর্তিভো এবং দেইলি স্পোর্ত সে বছর ব্যালোন দি’অর মেসিকে দেওয়ার জন্য দাবি করে।[৫৫] ফ্রাঞ্চেসকো তোত্তি’র মত ফুটবল ব্যক্তিত্ব মেসিকে বর্তমান সময়ের সেরা ফুটবলার হিসেবে ব্যক্ত করেন।[৫৬] ২০০৭ সালের ব্যালোন দি’অর পুরষ্কারে মেসি, কাকা এবং ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পেছনে থেকে তৃতীয় হন, এবং ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরষ্কারে তিনি কাকা’র পেছনে থেকে দ্বিতীয় হন।
৪ মার্চ সেল্টিকের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলায়, মেসি বাম পায়ের মাংস পেশীর ইনজুরিতে আক্রান্ত হন এবং ছয় সপ্তাহের জন্য মাঠের বাহিরে চলে যান। তিনটি মৌসুমে চতুর্থবারের মত মেসি একই ধরনের ইনজুরিতে আক্রান্ত হন।[৫৭] এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসি ৬ গোল করেন এবং ১টি গোলে সহায়তা করেন, যদিও বার্সেলোনা সেমিফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে হেরে বিদায় নেয়। মৌসুমে মেসি বার্সেলোনার হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ১৬ গোল করেন এবং ১৩টি গোলে সহায়তা করেন।
২০০৮–০৯ মৌসুম [সম্পাদনা]
দল থেকে রোনালদিনিয়ো’র প্রস্থানের পর মেসি তার ১০ নম্বর জার্সি পেয়ে যান।[৫৮] এই মৌসুমে মেসি ২০০৮ ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার-এর পুরস্কারে ৬৭৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে কোপা দেল রে’র একটি খেলায় মেসি ২০০৯ সালে তার প্রথম হ্যাট্রিক করেন। খেলায় বার্সেলোনা ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[৫৯] ২০০৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, মেসি রেসিং স্যান্তেনদার এর বিপক্ষে খেলার দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে জোড়া গোল করেন। ঐ খেলায় ১–০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও মেসির কর্তৃত্বে বার্সেলোনা ১–২ ব্যবধানে জয় লাভ করে। খেলার দ্বিতীয় গোলটি ছিল বার্সেলোনার ৫,০০০ তম লীগ গোল।[৬০] ২০০৯ সালের ৮ এপ্রিল, বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলায় মেসি জোড়া গোল করেন। যার মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগের এক মৌসুমে তার ৮ গোলের ব্যক্তিগত নতুন রেকর্ড স্থাপিত হয়।[৬১]
২০০৯ সালের ২ মে, স্যান্তিয়াগো বের্ন্যাবেউ স্টেডিয়ামে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন এবং বার্সেলোনা ২–৬ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[৬২] ১৩ মে, মেসি বার্সেলোনার হয়ে প্রথম কোপা দেল রে শিরোপা জিতেন। ফাইনাল খেলায় অ্যাথলেতিক বিলব্যাও এর বিপক্ষে তিনি ১টি গোল করেন ও ২টি গোলে সহায়তা করেন।[৬৩] মৌসুমে বার্সেলোনা লা লিগা শিরোপাও জিতে। ২৭ মে, চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনালে গোল করে তিনি দলকে চ্যাম্পিয়নস লীগ শিরোপা জিততে সহায়তা করেন। এই গোলের মাধ্যমে মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসির গোল সংখ্যা দাড়ায় ৯। তিনিই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে এক মৌসুমে ৯ গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়।[৬৪] মেসি একটি দূর্দান্ত মৌসুম কাটিয়ে উয়েফা বর্ষসেরা ক্লাব ফরোয়ার্ড ও বর্ষসেরা ক্লাব খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জন করেন।[৬৫] বার্সেলোনা এক মৌসুমে লা লিগা, কোপা দেল রে ও চ্যাম্পিয়নস লিগ তিনটি শিরোপাই জিতে[৬৬] এবং এটিই ছিল কোন স্পেনীয় ক্লাবের প্রথম ট্রেবল জয়।[৬৭] এই মৌসুমে মেসি বার্সেলোনার হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৩৮ গোল করেন এবং ১৮টি গোলে সহায়তা করেন।
২০০৯–১০ মৌসুম [সম্পাদনা]
২০০৯ উয়েফা সুপার কাপ জেতার পর বার্সেলোনা ম্যানেজার পেপ গার্দিওলা জাহির করেন, ‘‘মেসিই খুব সম্ভবত তার দেখা সেরা খেলোয়াড়’’।[৬৮] এই মৌসুমে গার্দিওলা মেসিকে ডান উইঙ্গ থেকে সরিয়ে ‘‘ফলস নাইন’’ পজিশনে নিয়ে আসেন।[৬৯] ১৮ সেপ্টেম্বর, মেসি বার্সেলোনার সাথে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হন। এই চুক্তির সময় মেসির মূল্য রাখা হয় ২৫০ মিলিয়ন ইউরো এবং এই চুক্তির মাধ্যমে মেসির বার্ষিক আয় বেড়ে হয় ৯.৫ মিলিয়ন ইউরো।[৭০][৭১]
২০০৯ সালের ১ ডিসেম্বর, ব্যালন দি’অর বিজয়ী হিসেবে মেসির নাম ঘোষনা করা হয়। এবারের ব্যালন দি’অর পুরষ্কারে মেসি ৪৭৩ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম এবং ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২৩৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় হন। এটি ছিল ব্যালন দি’অর এর ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড।[৭২][৭৩][৭৪] মেসি আইএফএফএইচএস বর্ষসেরা প্লেমেকার পুরস্কারে জাভির পেছনে থেকে দ্বিতীয় হন।[৭৫]
১৯ ডিসেম্বর আবু ধাবিতে, মেসি ২০০৯ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে এস্তুদিয়ান্তেসের বিপক্ষে গোল করেন এবং দলকে ঐ বছর ৬টি শিরোপা এনে দেন।[৭৬] এর দুই দিন পরই তাকে ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার দেয়া হয়। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, জাভি হার্নান্দেজ, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবং কাকা-কে হারিয়ে মেসি এই পুরস্কার জিতেন। তিনিই প্রথম আজেন্টাইন হিসেব এই পুরস্কার জেতার কৃতিত্ব অর্জন করেন।[৭৭] ১০ জানুয়ারি, মেসি মৌসুমে তার প্রথম হ্যাট্রিক করেন এবং বার্সেলোনা ০–৫ ব্যবধানে টেনেরিফের বিপক্ষে জয় লাভ করে।[৭৮] ১৭ জানুয়ারি, মেসি বার্সেলোনার হয়ে তার ১০০ তম গোলটি করেন এবং বার্সেলোনা সেভিয়ার বিপক্ষে ৪–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[৭৯]
মেসি ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন এবং দলকে ৩–০ ব্যবধানের জয় এনে দেন।[৮০] পরের খেলায় জারাগোজার বিপক্ষেও তিনি হ্যাট্রিক করেন এবং দলকে ২–৪ ব্যবধানের জয় এনে দেন।[৮১] মেসি বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় টানা দুই খেলায় হ্যাট্রিক করা প্রথম খেলোয়াড়।[৮২] ২০১০ সালের ২৪ মার্চ, মেসি ওসাসুনার বিপক্ষে বার্সেলোনার হয়ে তার ২০০তম অফিসিয়াল খেলায় মাঠে নামেন।[৮৩] ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল, মেসি তার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত এক খেলায় ৪ গোল করেন। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের আর্সেনালের বিপক্ষে ঐ খেলায় বার্সেলোনা ৪–১ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করে।[৮৪][৮৫] এর মাধ্যমে মেসি চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা রিভালদোকে টপকে যান।[৮৬] মৌসুমে লা লিগার শেষ খেলায় ভায়াদোলিদের বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন এবং বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় এক মৌসুমে রোনালদোর করা ৩৪ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন, যেটি রোনালদো ১৯৯৬–১৯৯৭ মৌসুমে করেছিলেন।[৮৭][৮৮] ২০১০ সালের ৩ জুন, মেসি টানা দ্বিতীয়বারের মত লা লিগার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।[৮৯] তিনি সব ধরনের প্রতিযোগীতায় ৪৭ গোল করে মৌসুম শেষ করেন। ১৯৯৬–৯৭ মৌসুমে রোনালদোও সমান সংখ্যক গোল করেছিলেন। মেসি মৌসুমে ১১টি গোলে সহায়তাও করেন।[৯০]
২০১০–১১ মৌসুম [সম্পাদনা]
২০১০ সালের ২১ আগস্ট, মৌসুমে মেসি তার প্রথম খেলায় সেভিয়ার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন। স্পেনীয় সুপার কাপের ঐ খেলায় বার্সেলোনা ৪–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে। প্রথম লেগের খেলায় বার্সেলোনা ৩–১ ব্যবধানে হেরেছিল। দ্বিতীয় লেগে জয়ের ফলে ৫–৩ গোল ব্যবধানে বার্সেলোনা শিরোপা জিতে।[৯১] ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে খেলার ৯২তম মিনিটে ডিফেন্ডার টমাস উজফালুসির অবিবেকী ট্যাকলের ফলে মেসি গোড়ালির ইনজুরিতে আক্রান্ত হন। প্রাক-দর্শনে মনে হয়েছিল মেসির গোড়ালি ভেঙ্গে গিয়েছে এবং এই তারকা খেলোয়াড়কে কমপক্ষে ছয় মাসের জন্য মাঠের বাহিরে থাকতে হবে। কিন্তু পরের দিন মেসির এমআরআই স্ক্যান করানো হলে দেখা যায়, তার ডান গোড়ালির অভ্যন্তরীণ এবং বহিস্থিত লিগামেন্ট মচকে গেছে।[৯২] ঐ ঘটনা সম্পর্কে মেসির সতীর্থ ডেভিড ভিয়া বলেন, ‘‘মেসির উপর করা ট্যাকলটি ছিল পাশবিক।’’ খেলার ভিডিও চিত্র দেখে তিনি আরও বলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ঐ ডিফেন্ডার আঘাত করার জন্য ট্যাকলটি করেননি।[৯৩]
আলমেরিয়ার বিপক্ষে মেসি মৌসুমে তার দ্বিতীয় হ্যাট্রিক করেন এবং দলকে ০–৮ ব্যবধানের বড় জয় এনে দেন। এই হ্যাট্রিকের দ্বিতীয় গোলটি লা লিগায় তার ১০০তম গোল ছিল।
মেসি তার ক্লাব সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজ এবং আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাকে হারিয়ে ২০১০ ফিফা ব্যালোন দি’অর পুরস্কার জিতেন।[৯৪] মেসি এই পুরস্কারের জন্য টানা চতুর্থবারের মত মনোনীত হয়েছিলেন।[৯৫] ৫ ফেব্রুয়ারী, ক্যাম্প ন্যু-তে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩–০ ব্যবধানে হারিয়ে বার্সেলোনা লা লিগায় টানা ১৬ খেলায় বিজয়ী হওয়ার নতুন রেকর্ড গড়ে।[৯৬] খেলায় মেসি হ্যাট্রিক করেন। খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মেসি বলেন, ‘‘ডি স্টিফানো’র মত গ্রেটদের করে যাওয়া রেকর্ড ভাঙ্গতে পারাটা অনেক সম্মানের।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যদি রেকর্ডটি অনেক দীর্ঘস্থায়ী হয় তার মানে এই যে তা অর্জন করা খুব কঠিন এবং আমরা সেটি অর্জন করেছি একটি শক্তিশালী দলেকে হারিয়ে, যারা একটি খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে আছে, যার ফলে বিষয়টি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল।’’[৯৭]
এক মাস ধরে কোন গোল করতে না পেরে আলমেরিয়ার বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন; যার দ্বিতীয় গোলটি মৌসুমে তার ৪৭তম গোল ছিল। এর মাধ্যমে মেসি তার বিগত মৌসুমে করা ৪৭গোলের ব্যক্তিগত রেকর্ড স্পর্শ করেন।[৯৮] ২০১১ সালের ১২ এপ্রিল, চ্যাম্পিয়নস লিগে শাখতার দোনেত্স্ক এর বিপক্ষে জয়সূচক গোল করে মেসি তার ব্যক্তিগত রেকর্ডটিকে ছাড়িয়ে যান। এতে করে বার্সেলোনার হয়ে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড করেন মেসি[৯৯] । ২৩ এপ্রিল, ওসাসুনার বিপক্ষে খেলার ৬০তম মিনিটে বদলি হিসেবে খেলতে নেমে মৌসুমে মেসি তার ৫০তম গোলটি করেন। ঘরের মাঠে খেলায় বার্সেলোনা ২–০ ব্যবধানে জয়লাভ করে।[১০০] মৌসুমে বার্সেলোনা লা লিগা শিরোপা জিতে এবং মেসি ৩১টি গোল করেন। এতে করে পিচিচি ট্রফিতে মেসি রানার-আপ হন এবং ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ৪০ গোল নিয়ে ট্রফি জিতেন। মেসি লীগে ১৮টি গোলে সহায়তা করে সর্বোচ্চ সহায়তাকারী হিসেবে মৌসুম শেষ করেন। ২০ এপ্রিল, রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে কোপা দেল রে’র ফাইনালে বার্সেলোনা হেরে যায়। খেলায় মেসি পেদ্রোকে একটি একটি গোলে সহায়তা করলেও গোলটি অফসাইডের কারনে বাতিল হয়ে যায়। খেলার অতিরিক্ত সময়ে একমাত্র গোলটি করেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। প্রতিযোগীতায় ৭টি করে গোল করে মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো উভয়েই সর্বোচ্চ গোলদাতা হন।[১০১][১০২] চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি ফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন এবং দলকে ২–০ ব্যবধানে জয় এনে দেন। খেলায় দ্বিতীয় গোলটি তিনি কয়েকজন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে করেছিলেন। এই গোলটি চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে বিবেচিত।[১০৩][১০৪] ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলার ৫৪তম মিনিটে মেসি একটি গোল করেন এবং দলকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে যান। খেলার ৬৯তম মিনিটে ডেভিড ভিয়া গোল করলে বার্সেলোনা ৩–১ ব্যবধানে জয়লাভ করে এবং ছয় বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়নস লীগ শিরোপা নিজেদের ঘরে তোলে। এটি ছিল বার্সেলোনার চতুর্থ চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা।[১০৫] খেলায় মেসির গোলটি ছিল প্রতিযোগীতায় তার ১২তম গোল। এতে করে মেসি রুড ভান নিস্টেলরুই-এর ইউরোপীয়ান কাপের এক মৌসুমে করা ১২ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন।[১০৬] ২০১০–১১ মৌসুমে মেসি সব ধরনের প্রতিযোগীতায় ৫৩টি গোল করেন এবং ২৪টি গোলে সহায়তা করেন।
২০১১–১২ মৌসুম [সম্পাদনা]
বার্সেলোনার হয়ে স্পেনীয় সুপার কাপ জেতার মাধ্যমে মৌসুম শুরু করেন মেসি। ১৪ আগস্ট, প্রথম লেগের খেলায় স্যান্তিয়াগো বের্ন্যাবেউ স্টেডিয়ামে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মেসি একটি গোল করেন। খেলাটি ২–২ সমতায় শেষ হয়। ১৭ আগস্ট, দ্বিতীয় লেগের খেলায় ক্যাম্প ন্যু-তে মেসি জোড়া গোল করেন এবং বার্সেলোনা ৩–২ ব্যবধানে জয় লাভ করে। এতে করে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে একটি ড্র ও একটি জয় নিয়ে ৫–৪ গোল ব্যবধানে শিরোপা জিতে বার্সেলোনা।[১০৭] ২৬ আগস্ট, পোর্তোর বিপক্ষে ইউরোপীয় সুপার কাপের খেলায় মেসি একটি গোল করেন এবং দলকে ২–০ গোলের ব্যবধানে জয় এনে দেন।[১০৮]
১৭ সেপ্টেম্বর, মেসি ওসাসুনার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করেন এবং বার্সেলোনা ৮–০ ব্যবধানে বড় জয় লাভ করে। খেলায় মেসি তার প্রথম গোলটি মরোক্কোর সুফিয়ান নামক ১০ বছরের এক শিশুর জন্য উত্সর্গ করেন, যে একটি বিরল পায়ের রোগে আক্রান্ত। মেসি সাধারনত গোল করার পর দু’হাত দিয়ে আকাশের দিকে ইশারা করেন, কিন্তু ঐ খেলায় প্রথম গোলটি করার পর তিনি হাত দিয়ে তার উরুতে চড় মেরেছিলেন, যা সুফিয়ানের প্রতি ইংগিত বহন করে।[১০৯]
২৪ সেপ্টেম্বর, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে মেসি হ্যাট্রিক করেন এবং দলকে ৫–০ ব্যবধানের বড় জয় এনে দেন।[১১০] ২৮ সেপ্টেম্বর, বাতে বরিসভের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে মৌসুমে মেসি তার প্রথম দুই গোল করেন।[১১১] এতে করে, সব ধরনের প্রতিযোগিতায় বার্সেলোনার হয়ে ১৯৪ গোল করে বার্সেলোনার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা কুবালাকে স্পর্শ করেন মেসি।[১১২] ১৫ অক্টোবর, লা লিগায় রেসিং স্যান্তেন্দার-এর বিপক্ষে জোড়া গোল করার মাধ্যমে ১৯৬ গোল নিয়ে মেসি কুবালাকে ছাড়িয়ে যান[১১৩] এবং লা লিগায়ও ১৩২ গোল নিয়ে বার্সেলোনার হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিনত হন।[১১৪] ১ নভেম্বর, ভিক্টোরিয়া প্লাজেন-এর বিপক্ষে মেসি হ্যাট্রিক করেন, যার প্রথম গোলটি বার্সেলোনার হয়ে তারর ২০০তম গোল ছিল।[১১৫] ১৮ ডিসেম্বর, ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে স্যান্তোসের বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন এবং দলকে ৪–০ ব্যবধানের বড় জয় এনে দেন। মেসিকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ এবং প্রতিযোগিতার সেরা খোলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বলের পুরস্কার দেওয়া হয়।[১১৬]
মেসি তার ক্লাব সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজ ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে হারিয়ে ২০১১ সালের উয়ফা ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেন। জাভি হার্নান্দেজ ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে হারিয়ে তিনি ২০১১ ফিফা ব্যালোন দি’অর পুরস্কারও জিতেন। এর মাধ্যমে ফুটবলের ইতিহাসে চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে তিনবার ও দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিনবার এ পুরস্কার জিতেন মেসি। এর আগে তিনবার এ পুরস্কার জিতেছেন ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি ও মার্কো ফন বাস্তেন এবং টানা তিনবার জিতেছেন মিশেল প্লাতিনি।[১১৭] ২০১২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী, ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মেসি লা লিগায় তার ২০০তম খেলায় মাঠে নামেন। খেলায় মেসি ৪টি গোল করেন এবং বার্সেলোনা ৫–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১১৮] ৭ মার্চ, বেয়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলায় মেসি ৫টি গোল করেন এবং দলকে ৭–১ গোলের বড় জয় এনে দেন। ১৯৯২ সালে, চ্যাম্পিয়নস লিগ পুনঃ প্রতিষ্ঠার পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এক খেলায় ৫ গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন মেসি।[১১৯]
২০ মার্চ, গ্রানাদার বিপক্ষে মেসি হ্যাট্রিক করেন। এতে করে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় বার্সেলোনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা সিজার রদ্রিগুয়েজ-এর ২৩২ গোলের রেকর্ডও ছাড়িয়ে যান তিনি।[১২০]
৩ এপ্রিল, চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের খেলায় এসি মিলানের বিপক্ষে মেসি পেনাল্টি থেকে ২টি গোল করেন। এতে করে তিনি চ্যাম্পিয়নস লিগের এক মৌসুমে নিজের করা ১২ গোলের ব্যক্তিগত রেকর্ড টপকে যান এবং হোসে আলতাফিনির এক মৌসুমে করা সর্বোচ্চ ১৪ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন, যেটি আলতাফিনি ইউরোপীয়ান কাপের ১৯৬২–৬৩ মৌসুমে করেছিলেন।[১২১] চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি-ফাইনালের দুই লেগের কোনটিতেই মেসি গোল করতে পারেননি। চেলসির বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে ৩–২ গোল ব্যবধানে হেরে বার্সেলোনাকে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নিতে হয়। দ্বিতীয় লেগের খেলায় মেসি একটি গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি মিস করেন, যা বার্সেলোনাকে গোল ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারত।[১২২]
১১ এপ্রিল, মেসি গেতাফের বিপক্ষে মৌসুমে তার ৬১ তম গোল করেন এবং ২টি গোলে সহায়তা করেন।[১২৩] ২ মে, মালাগার বিপক্ষে মেসি হ্যাট্রিক করেন। এতে করে তিনি ১৯৭২–৭৩ মৌসুমে গার্ড ম্যুলারের করা এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৬৭ গোলের রেকর্ড টপকে যান এবং ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের মালিক বনে যান।[১২৪] এই খেলায় হ্যাট্রিকের মাধ্যমে তিনি মৌসুমে ২১তম বার এক খেলায় একাধিক গোল করেন এবং এটি মৌসুমে লা লিগায় তার সপ্তম হ্যাট্রিক ছিল।[১২৫]
৫ মে, এস্প্যানিওলের বিপক্ষে মেসি ৪টি গোল করেন, এতে মৌসুমে তার মোট গোল সংখ্যা হয় ৭২। ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম শ্রেনীর লীগে এক মৌসুমে ৭০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করা দ্বিতীয় ফুটবলার মেসি। আমেরিকান সকার লীগে ১৯২৪–২৫ মৌসুমে বেথলেহেম স্টিলের হয়ে আর্কি স্টার্ক ৭০ গোল করেছিলেন।
২৫ মে, কোপা দেল রে’র ফাইনালে মেসি আবারও গোল করেন এবং বার্সেলোনা ২৬ বারের মত কোপা দেল রে শিরোপা জিতে। এতে করে, মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগীতায় মেসির গোলসংখ্যা দাড়ার ৭৩-এ।[১২৬] এই খেলাটি ছিল বার্সেলোনার ম্যানেজার হিসেবে পেপ গার্দিওলার শেষ খেলা এবং এই শিরোপাটি ছিল বার্সেলোনার হয়ে মেসির দ্বিতীয় কোপা দেল রে শিরোপা এবং ম্যানেজার হিসেবে চার বছরের মেয়াদে গার্দিওলার ১৪তম শিরোপা। মৌসুমে বার্সেলোনা লা লিগায় রানার-আপ হয় এবং চ্যাম্পিয়ন হয় রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় ১৬টি গোলে সহায়তা করে মেসি দ্বিতীয় সবোর্চ্চ সহায়তাকারী হিসেবে মৌসুম শেষ করেন, যেখানে মেসুত ওজিল ১৭টি সহায়তা করে প্রথম হন। তিনি ১৪টি গোল নিয়ে টানা চতুর্থবারের মত চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড গড়েন[১২৬] এবং ৫টি গোলে সহায়তা করে প্রতিযোগীতার অন্যতম সর্বোচ্চ সহায়তাকারী হিসেবে মৌসুম শেষ করেন। ক্লাবের হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৭৩টি গোল ও ২৯টি গোলে সহায়তা করে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সহায়তাকারী হিসেবে মৌসুম শেষ করেন মেসি।
২০১২–১৩ মৌসুম [সম্পাদনা]
ক্যাম্প ন্যুতে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে মৌসুমের প্রথম খেলায় জোড়া গোল করার মাধ্যমে মেসি তার গোল করার ধারা অব্যাহত রাখেন। খেলায় বার্সেলোনা ৫–১ ব্যবধানের বড় জয় লাভ করে। ২৩ আগস্ট, রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে স্পেনীয় সুপার কাপের প্রথম লেগের খেলায় মেসি পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেন। খেলায় বার্সেলোনা ৩–২ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১২৭] ২৬ আগস্ট, ওসাসুনার বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন। পিছিয়ে পড়েও খেলায় বার্সেলোনা ১–২ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১২৮] ২৯ আগস্ট, স্পেনীয় সুপার কাপের দ্বিতীয় লেগের খেলায় মেসি ফ্রি-কিক থেকে একটি গোল করেন। খেলায় বার্সেলোনা ২–১ ব্যবধানে পরাজিত হয়। দুই লেগ মিলিয়ে গোল ব্যবধান দাড়ায় ৪–৪। কিন্তু প্রতিপক্ষের মাঠে অধিক গোল করায় শিরোপা জিতে রিয়াল মাদ্রিদ।[১২৯] ইউরোপের সেরা খোলোয়াড়ের পুরস্কারে ১৭ ভোট নিয়ে মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো যৌথভাবে দ্বিতীয় হন। পুরস্কারটি জিতেন মেসির ক্লাব সতীর্থ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা।[১৩০]
২ সেপ্টেম্বর, ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে লা লিগার তৃতীয় খেলায় একমাত্র গোলটি করেন আদ্রিয়ানো। গোলটিতে সহায়তা করেছিলেন মেসি।[১৩১] ১৫ সেপ্টেম্বর, গেতাফের বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন। খেলায় বার্সেলোনা ৪–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৩২] ১৯ সেপ্টেম্বর, স্পার্তাক মস্কোর বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম খেলায়ও তিনি জোড়া গোল করেন এবং দলকে ৩–২ ব্যবধানের জয় এনে দেন।[১৩৩] ৭ অক্টোবর, রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে লা লিগার প্রথম এল ক্ল্যাসিকোতে মেসি জোড়া গোল করেন। খেলাটি ২–২ সমতায় শেষ হয়। ২০ অক্টোবর, লা করুনার বিপক্ষে মেসি হ্যাট্রিক করেন। খেলায় বার্সেলোনা ৪–৫ ব্যবধানে জয় লাভ করে। লা লিগায় পরের খেলায় রায়ো ভায়েক্যানোর বিপক্ষে মেসি আবরও জোড়া গোল করেন এবং দলকে ০–৫ ব্যবধানের বড় জয় এনে দেন। ১১ নভেম্বর, মায়োর্কার বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন, যা ছিল ২০১২ সালে তার ৭৫তম ও ৭৬তম গোল। এর মাধ্যমে তিনি ১৯৫৮ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে পেলের করা ৭৫ গোলের মাইলফলক টপকে যান। লা লিগার ১১তম থেকে ১৬তম পর্যন্ত টানা ছয় খেলায় মেসি জোড়া গোল করেন। ২০ নভেম্বর, চ্যাম্পিয়নস লিগে স্পার্তাক মস্কোর বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন, যা ছিল ২০১২ সালে তার ৭৯তম ও ৮০তম গোল।[১৩৪] মেসি তার গোল করার ধারা অব্যাহত রাখেন এবং ২৫ নভেম্বর, লেভান্তের বিপক্ষে বছরে তার ৮১তম ও ৮২তম গোল করেন।[১৩৫]
১ ডিসেম্বর, অ্যাথলেতিক বিলবাও এর বিপক্ষে মেসি বছরে তার ৮৩তম ও ৮৪তম গোল করেন। এর মাধ্যমে মেসি বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় সর্বোচ্চ গোলদাতা সিজার রোদ্রিগুয়েজের ১৯০ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন।[১৩৬] ৯ ডিসেম্বর, রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে মেসি বছরে তার ৮৫তম ও ৮৬তম গোল করেন এবং ১৯৭২ সালে জার্মান কিংবদন্তী গার্ড ম্যুলারের করা ৮৫ গোলের মাইলফলক টপকে যান। গার্ড ম্যুলার, বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মানি জাতীয় দলের হয়ে এই রেকর্ড গড়েছিলেন।[১৩৭][১৩৮][১৩৯] ১২ ডিসেম্বর, করদোবার বিপক্ষে কোপা দেল রে’র খেলায় মেসি জোড়া গোল করেন।[১৪০] ১৬ ডিসেম্বর, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে আবারও জোড়া গোল করার মাধ্যমে মেসি দলকে ৪–১ ব্যবধানের জয় এনে দেন এবং তার গোলসংখ্যাকে ৯০-এ নিয়ে যান।[১৪১] ২২ ডিসেম্বর, ভায়াদোলিদের বিপক্ষে বছরের শেষ খেলায় মেসি একটি গোল করেন। এতে করে, বছর শেষে তার মোটা গোলসংখ্যা দাড়ায় ৯১, যার মধ্যে ৭৯টি বার্সেলোনার হয়ে এবং ১২টি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে। ২০১২ সালের ১৮ ডিসেম্বর, মেসি বার্সেলোনার সাথে নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয় ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।[১৪২]
২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (২য়) এবং সতীর্থ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাকে (৩য়) হারিয়ে টানা চতুর্থবারের মত ফিফা ব্যালন দি’অর জেতার কৃতিত্ব গড়েন মেসি। ফুটবলের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি চারবার এই পুরস্কার জিতেছেন।[১৪৩] এই অর্জনের ফলে মিডিয়া মেসিকে সাবেক কিংবদন্তী দিয়েগো মারাদোনা এবং পেলের সাথে তুলনা করতে শুরু করে।[১৪৪][১৪৫]
২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি, ওসাসুনার বিপক্ষে বার্সেলোনা ৫–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে। খেলায় মেসি চার গোল করেন। এরমধ্য দ্বিতীয় গোলটি লা লিগায় তার ২০০তম গোল ছিল। তিনি ৮ম এবং সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে লা লিগায় ২০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন।[১৪৬] এতে করে, মৌসুমে লা লিগায় মেসির গোল সংখ্যা হয় ৩৩ এবং সবধরনের প্রতিযোগীতায় ৪৪।
২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, গ্রানাদার বিপক্ষে মেসি জোড়া গোল করেন। ফলে খেলায় পিছিয়ে পড়লেও বার্সেলোনা ১–২ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৪৭] এবং জোড়া গোলের মাধ্যমে বার্সেলোনার হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় মেসি ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন।[১৪৮]
২০১৩ সালের ২ মার্চ, রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ২–১ ব্যবধানে পরাজিত হয় বার্সেলোনা। বার্সেলোনার হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মেসি। এর মাধ্যমে এল ক্ল্যাসিকোতে আলফ্রেডো ডি স্টিফানোর করা ১৮ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেন তিনি।[১৪৯][১৫০] ২০১৩ সালের ৯ মার্চ, দেপর্তিভো লা করুনার বিপক্ষে একটি গোল করার মাধ্যমে লা লিগায় টানা ১৭ খেলায় গোল করার রেকর্ড গড়েন মেসি। কোন ঘরোয়া লীগে যা একটি বিশ্ব রেকর্ড।[১৫১] ১২ মার্চ, চ্যাম্পিয়নস লিগে এসি মিলানের বিপক্ষে দ্বিতীয় পর্বের দ্বিতীয় লেগের খেলায় মেসি জোড়া গোল করেন এবং দলকে ৪–০ ব্যবধানের জয় এনে দেন। প্রথম লেগে বার্সেলোনা ২–০ ব্যবধানে হেরেছিল। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৪–২ গোল ব্যবধানে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌছায় বার্সেলোনা,[১৫২] এবং এই জোড়া গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল দাতায় পরিণত হন মেসি।[১৫৩]
২০১৩ সালের ১৭ মার্চ, রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে মেসি অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামেন। এই প্রথম কোন অফিসিয়াল খেলায় তিনি বার্সেলোনার অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।[১৫৪] ৩০ মার্চ, সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে গোল করার মাধ্যমে লা লিগায় টানা ১৯ খেলায় গোল করার কৃতিত্ব গড়েন মেসি। এছাড়াও ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লীগের সবগুলো দলের বিপক্ষে টানা গোল করার কৃতিত্ব গড়েন তিনি।[১৯] ২ এপ্রিল, চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে পারি সাঁ জার্মেই এর বিপক্ষে খেলার সময় মেসি ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং এর ইনজুরিতে আক্রান্ত হন। ফলে তাকে এক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাহিরে চলে যেতে হয়।[১৫৫] খেলায় মেসি একটি গোল করেন। খেলাটি ২–২ সমতায় শেষ হয়।[১৫৬]
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার [সম্পাদনা]
আর্জেন্টাইন-স্পেনীয় নাগরিক হিসেবে ২০০৪ সালে মেসিকে স্পেনের জাতীয় অনুর্ধ্ব ২০ ফুটবল দলে খেলার জন্য আমন্ত্রন জানানো হয়। কিন্তু মেসি তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি ২০০৪ সালের জুনে, আর্জেন্টিনার অনুর্ধ্ব ২০ দলের হয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে প্রথম প্রীতি খেলায় মাঠে নামেন।[১৫৭] তিনি ২০০৫ দক্ষিন আমেরিকান যুব চ্যাম্পিয়নশীপে আর্জেন্টিনা দলের হয়ে খেলেন, যেখানে আর্জেন্টিনা তৃতীয় হয়। ২০০৫ ফিফা যুব চ্যাম্পিয়নশীপে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয় এবং তিনি ৬টি গোল করে প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল এবং গোল্ডেন বুটের পুরস্কার জিতেন।[১৫৮]
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট, ১৮ বছর বয়সে হাঙ্গেরির বিপক্ষে সিনিয়র দলে মেসির অভিষেক হয়। খেলার ৬৩তম মিনিটে বদলি হিসেবে খেলতে নেমে ৬৫তম মিনিটেই তাকে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাহিরে চলে যেতে হয়। ম্যাচ-রেফারি মার্কাস মের্ক দাবী করেন, মেসি হাঙ্গেরির ডিফেন্ডার ভিলমস ভ্যানজাককে কনুই দিয়ে আঘাত করেছিলেন, যিনি মেসির শার্ট ধরে টানছিলেন। রেফারির সিদ্ধান্তটি ছিল বিতর্কিত। কিংবদন্তী দিয়েগো মারাদোনা দাবী করেন, রেফারির সিদ্ধান্তটি পূর্ব-সংকল্পিত ছিল।[১৫৯][১৬০]
২০০৫ এর ৩ সেপ্টেম্বর, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে মেসি আবারও খেলতে নামেন। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ঐ খেলায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা ০–১ ব্যবধানে হেরে যায়।[১৬১] পেরুর বিপক্ষে খেলায় মেসি প্রথম দলের সদস্য হিসেবে খেলতে নামেন এবং খেলায় আর্জেন্টিনা জয় পায়। খেলা শেষে পেকারম্যান মেসিকে ‘‘রত্ন’’ হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেন।[১৬২] ২০০৬ সালের ১ মার্চ, আর্জেন্টিনার হয়ে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায় মেসি প্রথম গোল করেন।[১৬৩]
২০০৯ সালের ২৮ মার্চ, ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের খেলায় মেসি ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নামেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের ম্যানেজার হিসেবে এটি ছিল মারাদোনার প্রথম খেলা। খেলায় আর্জেন্টিনা ৪–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে। খেলার প্রথম গোলটি করেন মেসি।[১৬৪]
২০১০ সালের ১৭ নভেম্বর, দোহায় ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি খেলার শেষ মিনিটে মেসি একটি গোল করেন এবং দলকে ১–০ ব্যবধানের জয় এনে দেন।[১৬৫] ২০১১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়, পর্তুগালের বিপক্ষে খেলার শেষ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মেসি। খেলায় আর্জেন্টিনা ২–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে। প্রথম গোলটিতে সহায়তা করেছিলেন তিনি।[১৬৬] ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি তার প্রথম হ্যাট্রিক করেন। খেলায় আর্জেন্টিনা ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৬৭] ২০১২ সালের ৯ জুন, আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি তার দ্বিতীয় হ্যাট্রিক করেন। ব্রাজিলের বিপক্ষে ঐ খেলায় আর্জেন্টিনা ৪–৩ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৬৮] এতে করে, আর্জেন্টিনার হয়ে ৭০ খেলায় মেসির মোট গোল সংখ্যা দাড়ায় ২৬ এবং ২০১২-তে আর্জেন্টিনার হয়ে ৩ খেলায় তার গোল সংখ্যা দাড়ায় ৭। এ পর্যন্ত মোট ২৬ গোল করে তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিনত হন।[১৬৯] ৭ সেপ্টেম্বর, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের খেলায় মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে তার ২৮তম গোল করেন। খেলাটিতে আর্জেন্টিনা ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে। এতে করে দক্ষিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষস্থানে চলে যায় আর্জেন্টিনা। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে গোলটি ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ৮ খেলায় মেসির চতুর্থ গোল ছিল। এতে করে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসেন মেসি।[১৭০] এই গোলের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বশেষ ছয় খেলার সবকটিতে মোট দশ গোল করেন তিনি।[১৭১] ২০১২ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে ১০ খেলায় ১২ গোল করেন মেসি।
২০০৬ বিশ্বকাপ [সম্পাদনা]
২০০৫–০৬ মৌসুমে ইনজুরির কারনে ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপে মেসির খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তবুও মেসি দলে ডাক পান। বিশ্বকাপ শুরুর পূর্বে আর্জেন্টিনা অনুর্ধ্ব ২০ দলের বিপক্ষে সিনিয়র দলের হয়ে একটি খেলায় তিনি ১৫ মিনিট খেলেন এবং অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে একটি প্রীতি খেলায় ৬৪তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামেন।[১৭২][১৭৩] আইভরি কোস্টের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম খেলায় মেসি সাইড বেঞ্চে বসেছিলেন।[১৭৪] পরের খেলায় সার্বিয়া এবং মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে খেলার ৭৪তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মেসি এবং ৭৮তম মিনিটে হের্নান ক্রেসপোর একটি গোলে সহায়তা করেন। খেলার ৮৮তম মিনিটে মেসি একটি গোল করেন। এতে করে, আর্জেন্টিনার সর্বকনিষ্ঠ এবং ইতিহাসের ৬ষ্ঠ কনিষ্ঠতম খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। খেলায় আর্জেন্টিনা ৬–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৭৫] নেদারল্যান্ডস-এর বিপক্ষে পরের খেলায় মেসি প্রথম দলে সুযোগ পান। খেলাটি ০–০ সমতায় শেষ হয়।[১৭৬] মেক্সিকোর বিপক্ষে রাউন্ড-১৬ এর খেলায় ৮৪তম মিনিটে মেসি বদলি হিসেবে খেলতে নামেন। খেলায় উভয় দল তখন ১–১ গোলে সমতায় ছিল। খেলতে নেমেই তিনি একটি গোল করলেও তা অফসাইডের কারনে বাতিল হয়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ে রদ্রিগুয়েজের গোলে আর্জেন্টিনা ২–১ ব্যবধানে জয় পায়।[১৭৭][১৭৮] কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে কোচ জোসে পেকারম্যান মেসিকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখেন। পেনাল্টি শুটআউটে ৪–২ ব্যবধানে আর্জেন্টিনা হেরে যায় এবং টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে।[১৭৯]
২০০৭ কোপা আমেরিকা [সম্পাদনা]
২০০৭ সালের ২৯ জুন, মেসি কোপা আমেরিকায় তার প্রথম খেলায় মাঠে নামেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ঐ খেলায় আর্জেন্টিনা ৪–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে। খেলায় মেসি প্লেমেকার হিসেবে তার সামর্থের জানান দেন। তিনি হের্নান ক্রেসপোর একটি গোলে সহায়তা করেন। থেলার ৭৯তম মিনিটে মেসিকে উঠিয়ে তেভেজকে নামানো হয় এবং তেভেজ একটি গোল করেন।[১৮০]
আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় খেলা ছিল কলম্বিয়ার বিপক্ষে। খেলায় তিনি একটি পেনাল্টি জিতেন এবং পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান হের্নান ক্রেসপো। খেলায় আরও একটি গোলে তার ভূমিকা ছিল। ডিবক্সের বাহিরে মেসিকে ট্যাকল করা হলে রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজান এবং আর্জেন্টিনার পক্ষে ফ্রি-কিক দেন। ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন রিকুয়েলমে। খেলায় আর্জেন্টিনা ৪–২ ব্যবধানে জয় লাভ করে। এতে করে, আর্জেন্টিনার কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়।[১৮১]
তৃতীয় খেলায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে, কোচ মেসিকে বিশ্রামে রাখেন। খেলার ৬৪তম মিনিটে এস্তেবান কাম্বিয়াসোর বদলে তিনি মাঠে নামেন। খেলাটি তখন ০–০ গোলে সমতায় ছিল। তিনি হ্যাভিয়ের মাশ্চেরানোর গোলে সহায়তা করেন। খেলায় আর্জেন্টিনা ১–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৮২]
কোয়ার্টার ফাইনালে, আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয় পেরুর। রিকুয়েলমের পাস থেকে মেসি টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় গোল করেন। খেলায় আর্জেন্টিনা ৪–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৮৩] সেমি ফাইনালে মেক্সিকোর বিপক্ষে, মেসি একটি গোল করেন এবং দলকে ৩–০ ব্যবধানের জয় এনে দেন।[১৮৪] ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে, আর্জেন্টিনা ৩–০ ব্যবধানে পরাজিত হয়।[১৮৫] মেসি টুর্নামেন্টের কনিষ্ঠ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।
২০০৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক [সম্পাদনা]
২০০৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে খেলার জন্য বার্সেলোনা মেসিকে ছাড়পত্র দিতে রাজি হয়।[১৮৬] তিনি আর্জেন্টিনা দলে যোগদান করেন এবং আইভরি কোস্টের বিপক্ষে থেলায় প্রথম গোল করে দলকে ২–১ ব্যবধানে জয় এনে দেন।[১৮৬] নেদারল্যান্ডস-এর বিপক্ষে দ্বিতীয় থেলায় তিনি একটি গোল করেন এবং অতিরিক্ত সময়ে এঙ্গেল ডি মারিয়ার একটি গোলে সহায়তা করে দলকে ২–১ ব্যবধানের জয় এনে দেন।[১৮৭] সেমি ফাইনালে, চিরপ্রতিদ্বন্দী ব্রাজিলের বিপক্ষে তিনি খেলতে নামেন এবং দলকে ৩–০ ব্যবধানের জয় এনে দেন। ফাইনালে, নাইজেরিয়ার বিপক্ষে এঙ্গেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলটিতে তিনি সহায়তা করেন। খেলায় আর্জেন্টিনা ১–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং স্বর্ণপদক জিতে।[১৮৮]
২০১০ বিশ্বকাপ [সম্পাদনা]
২০১০ বিশ্বকাপে মেসি ১০ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামেন। এই প্রথম বড় কোন প্রতিযোগীতায় তিনি ১০ নম্বর জার্সি পরে নামেন।[১৮৯] বিশ্বকাপের প্রথম খেলায়, নাইজেরিয়ার বিপক্ষে খেলার পুরোটা সময়ই তিনি মাঠে ছিলেন। তিনি গোল করার অনেকগুলো সুযোগ তৈরি করেছিলেন, কিন্তু তার সবকয়টি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন নাইজেরিয়ান গোলরক্ষক ভিনসেন্ট এনইয়েমা। খেলায় আর্জেন্টিনা ১–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৯০] পরের খেলায় কোরিয়া রিপাবলিকের বিপক্ষে মেসি মাঠে নামেন। খেলায় আর্জেন্টিনা ৪–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে। মারাদোনার অধীনে তিনি মূলত একজন আক্রমনাত্মক মাঝমাঠের খেলোয়াড় বা প্লেমেকার হিসেবে খেলেছিলেন।[১৮৯][১৯১][১৯২] খেলার সবকটি গোলেই তার ভূমিকা ছিল। তার সহায়তায় গঞ্জালো হিগুয়েইন খেলায় হ্যাট্রিক করেন।[১৯৩] বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার তৃতীয় ও গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় গ্রীসের বিপক্ষে মেসি অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামেন। খেলায় আর্জেন্টিনা ২–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে। কোন গোল না করলেও এই জয়ে মেসির বড় ভূমিকা ছিল, যার ফলে তাকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত করা হয়।[১৯৪]
রাউন্ড ১৬-তে, মেক্সিকোর বিপক্ষে খেলায় কার্লোস তেভেজর একটি গোলে মেসি সহায়তা করেন। খেলায় আর্জেন্টিনা ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১৯৫] কোয়ার্টার ফাইনালে, জার্মানির বিপক্ষে ৪–০ ব্যবধানে হেরে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়।[১৯৬] প্রতিযোগীতার গোল্ডেন বল পুরষ্কারের জন্য ১০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় মেসি জায়গা পান। ফিফার টেকনিক্যাল গবেষনা দল মেসির সক্ষমতা সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে বলে, ‘‘অসাধারন গতি, দলের জন্য সৃজনশীলতা, ড্রিবলিং, শুটিং, পাসিং এ সবগুলোতেই তিনি দক্ষ এবং দর্শনীয়।’’[১৯৭]
২০১১ কোপা আমেরিকা [সম্পাদনা]
২০১১ কোপা আমেরিকায় মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে অংশগ্রহন করেন। প্রতিযোগীতায় তিনি কোন গোল করতে না পারলেও তিনটি গোলে সহায়তা করেন। ১ জুলাই, বলিভিয়ার বিপক্ষে প্রথম খেলাটি ১–১ সমতায় শেষ হয়। মেসিকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত করা হয়।[১৯৮] কলম্বিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় খেলাটি গোলশূন্য ড্র হয়।[১৯৯] তৃতীয় খেলায়, কোস্টারিকার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা ৩–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে। এই খেলায়ও মেসিকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত করা হয়।[২০০] কোয়ার্টার ফাইনালে, উরুগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে ৫–৪ ব্যবধানে হেরে আর্জেন্টিনাকে প্রতিযোগীতা থেকে বিদায় নিতে হয়। আর্জেন্টিনার পক্ষে প্রথম পেনাল্টি শট নিয়ে মেসি গোল করেন।[২০১]
খেলার ধরন [সম্পাদনা]
একই খেলার ধরন ও দৈহিক উচ্চতার কারনে, মেসিকে প্রায়ই তার স্বদেশী দিয়েগো মারাদোনার সাথে তুলনা করা হয়।[২০২] মেসি অন্যান্য খেলোয়াড়দের তুলনায় অধিক ক্ষিপ্র এবং তিনি অতি দ্রুত গতিপথ পরিবর্তন করতে পারেন। এছাড়াও তিনি কৌশলে ট্যাকল এড়িয়ে যেতে পারেন।[২০৩] তার ছোট ও শক্তিশালী পায়ের কারনে অতি অল্প সময়ে তিনি অধিক গতি অর্জন করতে পারেন। তার দ্রুতগতির পা তাকে গতিশীল অবস্থায়ও ড্রিবলিং করার সক্ষমতা প্রদান করে।[২০৪] প্রাক্তন বার্সেলোনা ম্যানেজার পেপ গার্দিওলা বলেন, ‘‘মেসিই একমাত্র খেলোয়াড় যে বল ছাড়া যত দ্রুত দৌড়াতে পারে, বলসহ তার চেয়েও বেশি দ্রুত দৌড়াতে পারে।’’[২০৫] মারাদোনার মত মেসিও একজন বাম পায়ের খেলোয়াড়।[২০৬] বল কাটাতে এবং দৌড়াতে তিনি সাধারনত তার বাম পায়ের বাহিরের অংশ ব্যবহার করে থাকেন। সতীর্থদের সহায়তা করতে ও পাস দিতে এবং ফিনিশিং-এ তিনি সাধারনত তার বাম পায়ের ভেতরের অংশ ব্যবহার করেন।[২০৩]
মেসিকে প্রায়ই গোলপোস্টের দিকে বল নিয়ে দৌড়াতে দেখা যায়। রক্ষনভাগের খেলোয়াড়দের কাটিয়ে আক্রমন করতে তিনি সমর্থও হন। তাকে মাঝমাঠের দাগ থেকে অথবা মাঠের ডান পার্শ্ব দিয়ে আক্রমন করতে বেশি দেখা যায়। মেসিকে বহুমুখী খেলোয়াড়ও বলা হয়ে থাকে। জাভি ও ইনিয়েস্তার সাথে পাসিং ও সৃজনশীলতায় তার চমত্কার সমন্বয় রয়েছে।[২০৭][২০৮][২০৯]এছাড়া তিনি নির্ভূলভাবে সেট-পিস্ ও পেনাল্টি কিকও নিতে পারেন।[২১০] মেসির বল কাটানোর সক্ষমতা প্রসঙ্গে মারাদোনা বলেন, ‘‘বল তার পায়ের সাথে আঠার মত লেগে থাকে। আমি আমার ক্যারিয়ারে অনেক কিংবদন্তীকে দেখেছি, কিন্তু মেসির মত বল নিয়ন্ত্রন করতে কাউকে দেখিনি।’’[২১১] মারাদোনা আরও বলেন যে তিনি বিশ্বাস করেন মেসিই বর্তমানে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়।[২১২][২১৩]
‘‘তার ব্যক্তিত্ব তার কাছে এবং আমার ব্যক্তিত্ব আমার কাছে। তার খেলা তার কাছে এবং আমার খেলা আমার কাছে। আমিও তার মত বড় দলে খেলি। সকল দৃষ্টিকোন থেকেই আমরা আলাদা। কিন্তু বর্তমানে সেই বিশ্বের সেরা।’’
— ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, সেপ্টেম্বর ২০১১[২১৪]
কৌশলগতভাবে, মেসি দলের আক্রমনভাগে খেলে থাকেন, তবে কখনও কখনও তিনি প্লেমেকারের দায়িত্বও পালন করেন।[২১৫] মেসি উইঙ্গ বা মাঠের মাঝখান দিয়ে আক্রমন করতে পছন্দ করেন। তিনি বাম-উইঙ্গার ও ফরোয়ার্ড হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। প্রাক্তন বার্সেলোনা ম্যানেজার ফ্রাংক রাইকার্ড তাকে ডান-উইঙ্গে নিয়ে যান। তিনি ভেবেছিলেন, এই অবস্থানে থেকে মেসি আরও সহজে বিপক্ষ দলের রক্ষনভাগ ভেদ করে মাঠের মাঝখানে প্রবেশ করতে পারবেন এবং বাম পা দিয়ে গোলপোস্টে বাঁকানো শট নিতে পারবেন।[২১৬] গার্দিওলার অধীনে মেসি ফলস-৯ অবস্থানে খেলেছিলেন। যা মেসির প্রবৃত্তির সাথে মিলে গিয়েছিল।[২১৭] আপাতদৃষ্টিতে, মেসি একজন ফরোয়ার্ড বা লোন স্ট্রাইকার হিসেবে খেললেও, তিনি কখনও কখনও রক্ষনভাগে পর্যন্ত চলে যান। অন্যান্য ফরোয়ার্ড , উইঙ্গার ও আক্রমনাত্মক মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের সহায়তা করার জন্য বা আক্রমনাত্মক দৌড় শুরু করার জন্য তিনি এ কাজ করে থাকেন।[২১৭] আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে মেসি সাধারনত ফ্রন্ট লাইনের যেকোন অবস্থানে খেলে থাকেন। ফরোয়ার্ড বা উইঙ্গার হিসেবে শুরু করলেও তিনি মাঠের অন্যান্য অবস্থানেও খেলেন। মারাদোনার অধীনে তিনি মূলত আক্রমনাত্মক মিডফিল্ডার বা প্লেমেকার হিসেবে খেলেছিলেন।[১৮৯][১৯১][১৯২] মেসি প্রকাশ করেন যে তিনি সাবেক আর্জেন্টাইন প্লেমেকার পাবলো আইমারের ভক্ত।[২১৮]
ফুটবলের বাহিরে [সম্পাদনা]
ব্যক্তিগত জীবন [সম্পাদনা]
মাকারিনা লেমোস নামক এক মেয়ের সাথে মেসির সম্পর্ক ছিল। মেসি পরে বলেছিলেন, ২০০৬ বিশ্বকাপের আগে ইনজুরি সারিয়ে যখন তিনি আর্জেন্টিনায় যান, তখন মেয়ের বাবা ঐ মেয়ের সাথে মেসিকে পরিচয় করিয়ে দেন।[২১৯][২২০] লুসিয়ানা স্যালাজার নামক এক আর্জেন্টাইন মডেলের সাথেও তার সম্পর্ক ছিল।[২২১][২২২] ২০০৯ সালে ক্যানাল ৩৩ টেলিভেশন চ্যানেলের ‘‘হ্যাট্রিক বার্সা’’ নামক অনুষ্ঠানে মেসি বলেন, ‘‘আমার একজন মেয়েবন্ধু আছে এবং সে আর্জেন্টিনাতে থাকে। আমি সুখী এবং নিশ্চিন্তে আছি।’’[২২২] সিজেস কার্নিভালে, অ্যান্তোনেলা রকুজ্জো[২২৩] নামক ঐ মেয়ের সাথে মেসিকে দেখা যায়। রকুজ্জো রোজারিওর স্থানীয় অধিবাসী।[২২৪] ২০১২ সালের ২ জুন, ইকুয়েডরের বিপক্ষে মেসি একটি গোল করেন ও একটি গোলে সহায়তা করেন। গোল করার পর তিনি বলটি তার জার্সির ভেতর ঢুকিয়ে নেন, যা তার মেয়েবন্ধুর গর্ভবতী হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। রকুজ্জো তার টুইটারে পোস্ট করেন যে তিনি সেপ্টেম্বরে সন্তান জন্ম দিতে যাচ্ছেন।[২২৫] মেসি নিশ্চিত করেন যে এটি একটি ছেলে শিশু, সে অক্টোবরে জন্মগ্রহন করবে এবং তিনি ও তার মেয়েবন্ধু শিশুটির নাম থিয়াগো রাখার পরিকল্পনা করেছেন। তবে, থিয়াগোর জন্ম একটু পরেই হয়। ২ নভেম্বর, থিয়াগো জন্মগ্রহন করে এবং মেসি সন্তানের বাবা হন। বার্সেলোনার দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করা হয়, ‘‘লিও মেসি একজন বাবা।’’ পাশাপাশি, মেসি তার ফেসবুক পাতায় পোস্ট করেন, ‘‘আজ আমি বিশ্বের সবচেয়ে সুখী মানুষ, আমার সন্তান জন্মগ্রহন করেছে এবং এই উপহারের জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ।’’[২২৬][২২৭]
মেসির দুজন খুড়তুত ভাই রয়েছে: ম্যাক্সি, প্যারাগুয়ের ক্লাব অলিম্পিয়াতে উইঙ্গার হিসেবে খেলেন এবং এমানুয়েল বিয়ানচুচ্চি, প্যারাগুয়ের ইন্দিপেনদিয়েন্তে ক্লাবে মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন।[২২৮][২২৯]
আমেরিকান লেখক রাইট থমসন এর মতে, মেসি স্পেনে থাকা সত্বেও রোজারিও এবং তার পরিবারের সাথে সুনিবিড় বন্ধন রক্ষনাবেক্ষন করে চলেছেন। তার কথার মাধ্যমেই এই বন্ধন সম্পর্কে বোঝা যায়। আজকের দিনে, মেসি কিছুটা আলাদা ধরনের স্পেনীয় ভাষায় কথা বলেন, যেমনটি রোজারিওর স্থানীয় মানুষেরা বলে থাকেন। তিনি প্রতিনিয়তই রোজারিওতে তার কিছু বন্ধুর সাথে ফোন বা বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করে থাকেন, যাদের অধিকাংশই ‘‘দ্য মেশিন অব ‘৮৭’’ এর সদস্য ছিলেন। একদিন বুয়েনোস আইরেসে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ট্রেনিং শেষে তিনি পরিবারের সাথে ডিনার করতে এবং রাত কাটানোর জন্য গাড়িতে করে রোজারিওর উদ্দেশ্য যাত্রা করেন এবং পরের দিন ট্রেনিং শুরু হওয়ার আগে বুয়েনোস আইরেসে ফিরে আসেন। মেসি রোজারিওতে তার পুরনো বাড়ির মালিকানাও রেখে দিয়েছেন, যদিও তার পরিবার বাড়িটি আর ব্যবহার করেনা।
দানশীলতা [সম্পাদনা]
২০০৭ সালে, মেসি প্রতিষ্ঠা করেন ‘‘লিও মেসি ফাউন্ডেশন’’। এই সংস্থা সুরক্ষিত নয় এমন শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থের প্রতি নজর রাখে।[২৩০][২৩১] শৈশবে মেসিরও শারীরিক সমস্যা ছিল, তাই এই সংস্থা আর্জেন্টিনার রোগাক্রান্ত শিশুদের স্পেনে নিয়ে গিয়ে চিকিত্সার ব্যবস্থা করে এবং যাতায়াত, চিকিত্সা ও অন্যান্য ব্যয় বহন করে। এই সংস্থার জন্য মেসি নিজে চাঁদা সংগ্রহ করে থাকেন। এছাড়াও হার্বালাইফ নামক একটি বহুমুখী বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান লিও মেসি ফাউন্ডেশনের সহায়তা করে থাকে।
২০১০ সালের ১১ মার্চ, মেসিকে ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ঘোষনা করা হয়।[২৩২] শুভেচ্ছা দূত হিসেবে মেসির লক্ষ্য, শিশুদের অধিকার রক্ষা। এক্ষেত্রে মেসিকে সহায়তা করে থাকে তার নিজের ক্লাব বার্সেলোনা। বার্সেলোনাও ইউনিসেফের সাথে নানাবিধ কর্মকন্ডে জড়িত।[২৩৩] এছাড়া মেসি তার সাবেক ক্লাব নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজের স্টেডিয়ামের ভেতরে ক্লাবের যুব প্রকল্পের জন্য একটি শয়নাগার তৈরিতে আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদান করেন, এমনকি একটি নতুন ব্যায়ামাগারও তৈরি করে দেন। এতে করে লিওয়েল’স-এর সাথে মেসির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। তারা মেসির ছেলে সন্তান থিয়াগোকে একটি বিশেষ সদস্যপত্র দেওয়ার পরিকল্পনাও করেন।[২২৬]
২০১৩ সালের মার্চে, মেসি তার জন্মভূমি আর্জেন্টিনার রোজারিওতে একটি শিশু হাসপাতালে ৬০০,০০০ ইউরো অনুদান প্রদান করেন। এই অর্থ ব্যয় হয় ভিক্টর জে ভিলেলার শিশু হাসপাতালের অনকোলজি ইউনিটের পুনঃ সংস্কারের কাজে। সেইসাথে, ডাক্তারদের প্রশিক্ষনের জন্য বার্সেলোনায় ভ্রমনের জন্যেও এই অর্থ ব্যয় করা হয়।[২৩৪]
সম্পত্তি [সম্পাদনা]
২০১০ সালের মার্চে, ফুটবল ভিত্তিক ফরাসি ম্যাগাজিন ফ্রান্স ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলারদের তালিকায় মেসিকে শীর্ষস্থানে রাখে। ২৯.৬ মিলিয়ন পাউন্ড (৩৩ মিলিয়ন ইউরো) বার্ষিক আয় নিয়ে ডেভিড বেকহ্যাম ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলে তিনি শীর্ষস্থান দখল করেন। বেতন, বোনাস ও মাঠের বাহিরের বিভিন্ন মাধ্যম হতে তিনি এই অর্থ আয় করে থাকেন।[২৩৫][২৩৬] তার সর্বমোট সম্পত্তি হিসাব করা হয়েছে ১১০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।[২৩৭]
মিডিয়া [সম্পাদনা]
প্রো ইভলিউশন সকার ২০০৯ ও প্রো ইভলিউশন সকার ২০১১ ভিডিও গেম দুটির কভারে মেসির ছবি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া, গেম দুটির প্রচারমূলক অভিযানের সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন।[২৩৮][২৩৯] প্রো ইভলিউশন সকার ২০১০ গেমটির কভারে ফের্নান্দো তোরেসের[২৪০] সাথে মেসির ছবি ব্যবহার করা হয়। ২০১১ সালের নভেম্বরে, প্রো ইভলিউশন সকারের প্রধান প্রতিদ্বন্দী ফুটবল গেম সিরিজ ফিফা’র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইলেক্ট্রনিক আর্টস ঘোষনা করে, ২০১২ সালে তাদের আসন্ন ভিডিও গেম ফিফা স্ট্রিটের কভারে মেসির ছবি ব্যবহার করা হবে। ইলেক্ট্রনিক আর্টসের ফিফা ২০১৩ ভিডিও গেমটির কভারেও মেসির ছবি ব্যবহার করা হয়।[২৪১] জার্মান খেলাধূলার সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আডিডাস মেসির স্পন্সর। তাকে আডিডাসের টেলিভিশন বিজ্ঞাপনেও দেখা যায়।[২৪২] ২০১০ সালের জুনে, মেসি হার্বালাইফের সাথে তিন বছরের একটি চুক্তি সাক্ষর করেন।[২৪৩] এই প্রতিষ্ঠানটি লিও মেসি ফাউন্ডেশনের কাজেও সহায়তা করে।
মেসি টাইম ১০০ এর তালিকায় ২০১১[২৪৪] ও ২০১২[২৪৫] সালে টানা দুইবার জায়গা পান। এটি টাইম ম্যাগাজিন কর্তৃক প্রকাশিত একটি তালিকা। প্রতি বছর বিশ্বের ১০০ জন সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিকে নিয়ে এই তালিকা তৈরি করা হয়।
২০১১ সালের এপ্রিলে, মেসি তার ফেসবুক পাতা চালু করেন। মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পাতার অনুসারীর সংখ্যা ৬০ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।[২৪৬] ২০১২ সালের ডিসেম্বর অনুযায়ী, তার পাতায় অনুসারীর সংখ্যা চার কোটিরও বেশি।[২৪৭]
২০১২ সালের মে মাসে, রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক খেলোয়াড় রয়স্টন ড্রেন্থে দাবী করেন, তিনি স্পেনে থাকাকালীন সময়ে মেসি তাকে ‘‘নিগ্রো’’ বলেছিলেন। পাল্টা জবাবে বার্সেলোনা থেকে বলা হয়, ‘‘মেসি সবসমই তার প্রতিদ্বন্দীদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান দেখিয়েছেন, যা তার সহকর্মী পেশাদারদের দ্বারা অনেকবার স্বীকৃত হয়েছে।’’
২০১৩ সালের মার্চে, খাটি স্বর্ণ দ্বারা মেসির বাঁ পায়ের একটি প্রতিরূপ তৈরি করা হয়। যা জাপানে ৫.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রিত হয়। ২৫ কিলোগ্রাম ওজনের প্রতিরূপটি নির্মান করেন জাপানী গহনা নির্মাতা গিনজা তানাকা। তিনি এটি নির্মান করেন মেসির টানা চতুর্থ ব্যালোন দ’অর জয়কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য।[২৪৮]
বিজ্ঞাপনী উদ্যোগ [সম্পাদনা]
২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে, মেসিকে তুর্কিশ এয়ারলাইন্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্ব্যাসাডর করা হয়।[২৪৯] এনবিএ তারকা কোব ব্রায়ান্টের সাথে একটি বিজ্ঞাপন চিত্রে মেসি কাজ করেন। তুর্কিশ এয়ারলাইন্সের সর্বশেষ বিজ্ঞাপনে, এই দুই তারকা একটি যুবকের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য প্রতিযোগীতায় নেমে পড়ে।[২৫০]
২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, লা লিগায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে মেসি এডিডাস আডিজেরো জুতা পরে মাঠে নামেন। এই জুতা মেসির একজন ভক্তের ডিজাইন করা। ২০১২ সালের প্রথম দিকে মেসি তার ভক্তদের জন্য এডিডাস আডিজেরো এফ৫০এস জুতা ডিজাইন করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ১৪,২০০-এরও বেশি ডিজাইনের মধ্য থেকে স্পেনের হ্যাভিয়ের পাসকুয়াল মুলোরের ডিজাইনটি মেসি পছন্দ করেন।[২৫১] ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি, মালাগার বিপক্ষে খেলায়, তার চতুর্থবারের মত ব্যালোন দি’অর বিজয় স্মরণীয় করে রাখার জন্য তিনি আডিডাস আডিজেরো এফ৫০ এর বিশেষ জুতা জোড়া পরে মাঠে নামেন।[২৫২]
২০১৩ সালের জানুয়ারিতে, মেসিকে জাপানি ফেইস ওয়াশ স্কাল্প-ডি এর সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞাপনে দেখা যায়। বিজ্ঞাপনে তিনি জাপানি ভাষায় কিছু কথা বলেন।[২৫৩]
ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান [সম্পাদনা]
ক্লাব [সম্পাদনা]
১২ মে ২০১৩ অনুসারে।[২৫৪][২৫৫][২৫৬][২৫৭]
রিজার্ভ দল [সম্পাদনা]
| ক্লাব | লীগ | মৌসুম | লীগ | |
|---|---|---|---|---|
| উপস্থিতি | গোল | |||
| বার্সেলোনা সি | তের্সেরা ডিভিশন | ২০০৩–০৪ | ১০ | ৫ |
| বার্সেলোনা বি | সেগুন্দা বি | ২০০৩–০৪ | ৫ | ০ |
| ২০০৪–০৫ | ১৭ | ৬ | ||
| সর্বমোট | ৩২ | ১১ | ||
সিনিয়র দল [সম্পাদনা]
| ক্লাব | মৌসুম | লীগ | কাপ | চ্যাম্পিয়নস লীগ | সুপারকাপ | উয়েফা সুপার কাপ | ক্লাব বিশ্বকাপ | মোট | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| উপস্থিতি | গোল | উপস্থিতি | গোল | উপস্থিতি | গোল | উপস্থিতি | গোল | উপস্থিতি | গোল | উপস্থিতি | গোল | উপস্থিতি | গোল | ||
| বার্সেলোনা | ২০০৪–০৫ | ৭ | ১ | ১ | ০ | ১ | ০ | — | — | — | ৯ | ১ | |||
| ২০০৫–০৬ | ১৭ | ৬ | ২ | ১ | ৬ | ১ | — | — | — | ২৫ | ৮ | ||||
| ২০০৬–০৭ | ২৬ | ১৪ | ২ | ২ | ৫ | ১ | ২ | ০ | ১ | ০ | — | ৩৬ | ১৭ | ||
| ২০০৭–০৮ | ২৮ | ১০ | ৩ | ০ | ৯ | ৬ | — | — | — | ৪০ | ১৬ | ||||
| ২০০৮–০৯ | ৩১ | ২৩ | ৮ | ৬ | ১২ | ৯ | — | — | — | ৫১ | ৩৮ | ||||
| ২০০৯–১০ | ৩৫ | ৩৪ | ৩ | ১ | ১১ | ৮ | ১ | ২ | ১ | ০ | ২ | ২ | ৫৩ | ৪৭ | |
| ২০১০–১১ | ৩৩ | ৩১ | ৭ | ৭ | ১৩ | ১২ | ২ | ৩ | — | — | ৫৫ | ৫৩ | |||
| ২০১১–১২ | ৩৭ | ৫০ | ৭ | ৩ | ১১ | ১৪ | ২ | ৩ | ১ | ১ | ২ | ২ | ৬০ | ৭৩ | |
| ২০১২–১৩* | ৩২ | ৪৬ | ৫ | ৪ | ১১ | ৮ | ২ | ২ | — | — | ৫০ | ৬০ | |||
| মোট | ২৪৬ | ২১৫ | ৩৮ | ২৪ | ৭৯ | ৫৯ | ৯ | ১০ | ৩ | ১ | ৪ | ৪ | ৩৮০ | ৩১৩ | |
সহায়তা [সম্পাদনা]
এতে রয়েছে আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক সহ সব ধরণের অফিসিয়াল প্রতিযোগিতায় সহায়তা সংখ্যা:[২৫৮]
| মৌসুম | সহায়তা |
|---|---|
| ২০০৪–০৫ | ০ |
| ২০০৫–০৬ | ১ |
| ২০০৬–০৭ | ৩ |
| ২০০৭–০৮ | ১৪ |
| ২০০৮–০৯ | ১৮ |
| ২০০৯–১০ | ১১ |
| ২০১০–১১ | ২২ |
| ২০১১–১২ | ২৭ |
| ২০১২–১৩ | ১৬* |
| মোট | ১১২ |
* মৌসুম চলছে।
আন্তর্জাতিক [সম্পাদনা]
২৬ মার্চ ২০১৩ অনুযায়ী।[২৫৯][২৬০][২৬১][২৬২]
আন্তর্জাতিক উপস্থিতি [সম্পাদনা]
| দল | বছর | উপস্থিতি | গোল |
|---|---|---|---|
| আর্জেন্টিনা | ২০০৫ | ৫ | ০ |
| ২০০৬ | ৭ | ২ | |
| ২০০৭ | ১৪ | ৬ | |
| ২০০৮ | ৮ | ২ | |
| ২০০৯ | ১০ | ৩ | |
| ২০১০ | ১০ | ২ | |
| ২০১১ | ১৩ | ৪ | |
| ২০১২ | ৯ | ১২ | |
| ২০১৩ | ৩ | ১ | |
| মোট | ৭৯ | ৩২ | |
আন্তর্জাতিক গোল [সম্পাদনা]
- স্কোর এবং ফলাফলের তালিকা আর্জেন্টিনার গোলের হিসাব প্রথমে।
সম্মাননা [সম্পাদনা]
বার্সেলোনা [সম্পাদনা]
- লা লিগা (৬): ২০০৪–০৫, ২০০৫–০৬, ২০০৮–০৯, ২০০৯–১০, ২০১০–১১, ২০১২–১৩
- কোপা দেল রে (২): ২০০৮–০৯, ২০১১–১২; রানার-আপ ২০১০–১১
- স্পেনীয় সুপার কাপ (৫): ২০০৫, ২০০৬, ২০০৯, ২০১০, ২০১১; রানার-আপ ২০১২
- উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ (৩): ২০০৫–০৬, ২০০৮–০৯, ২০১০–১১
- ইউরোপীয়ান সুপার কাপ (২): ২০০৯, ২০১১; রানার-আপ ২০০৬
- ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ (২): ২০০৯, ২০১১
আর্জেন্টিনা [সম্পাদনা]
- অলিম্পিক স্বর্ণপদক: ২০০৮
- ফিফা অনুর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ: ২০০৫
রানার-আপ:
- কোপা আমেরিকা: ২০০৭
তৃতীয় অবস্থান:
- দক্ষিন আমেরিকান যুব চ্যাম্পিয়নশীপ: ২০০৫
একক [সম্পাদনা]
- ফিফা ব্যালন দি’অর (৩): ২০১০, ২০১১, ২০১২। ২০১০ সাল থেকে প্রণীত।
- ব্যালন দি’অর (১): ২০০৯। ২০০৯ সাল থেকে নিবৃত্ত।
- ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় (১): ২০০৯। ২০০৯ সাল থেকে নিবৃত্ত।
- ওয়ার্ল্ড সকার যুব বর্ষসেরা খেলোয়াড় (৩): ২০০৬, ২০০৭, ২০০৮।
- ওয়ার্ল্ড সকার বর্ষসেরা খেলোয়াড় (৩): ২০০৯, ২০১১, ২০১২।
- ওঞ্জ দি’অর (৩): ২০০৯, ২০১১, ২০১২। ২০১০ সালে কোন বজয়ী ছিলনা।
- আইএফএফএইচএস বিশ্বের সর্বোচ্চ গোলদাতা (২): ২০১১, ২০১২।[২৬৩]
- আইএফএফএইচএস শীর্ষ বিভাগের সেরা গোলদাতা (১): ২০১২.[২৬৪]
- গোল ডট কম বর্ষসেরা খেলোয়াড় (২): ২০০৯, ২০১১।
- এল পেইস কিং অব ইউরোপীয়ান সকার (৪): ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২.[২৬৫]
- ইএসপিওয়াই সেরা আন্তর্জাতিক এথলেট (১): ২০১২।
- ইউরোপীয় স্বর্ণ জুতা (২): ২০১০, ২০১২।
- উয়েফা ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় (১): ২০১১। ২০১১ সাল থেকে প্রণীত।
- উয়েফা বর্ষসেরা ক্লাব ফুটবলার (১): ২০০৯। ২০১০ সাল থেকে নিবৃত্ত।
- উয়েফা বর্ষসেরা দল (৫): ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২।
- উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ সর্বোচ্চ গোলদাতা (৪): ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২।
- উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ বর্ষসেরা ফরোয়ার্ড (১): ২০০৯। ২০১০ সাল থেকে নিবৃত।
- উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল ম্যান অব দ্য ম্যাচ (১): ২০১১।
- ফিফা অনুর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ প্রতিযোগীতার সেরা খেলোয়াড় (১): ২০০৫।
- ফিফা অনুর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ সর্বোচ্চ গোলদাতা (১): ২০০৫।
- ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ স্বর্ণ গোলক (২): ২০০৯, ২০১১।
- ফিফা ফিফপ্রো বিশ্ব একাদশ (৬): ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২।
- ফিফপ্রো যুব বর্ষসেরা খেলোয়াড় (৩): ২০০৬, ২০০৭, ২০০৮।
- ইএসএম বর্ষসেরা দল (৬): ২০০৫–০৬, ২০০৭–০৮, ২০০৮–০৯, ২০০৯–১০, ২০১০–১১, ২০১১–১২।
- পিচিচি ট্রফি (২): ২০১০, ২০১২।
- কোপা দেল রে শীর্ষ গোলদাতা (১): ২০১০–১১।
- লা লিগা বর্ষসেরা খেলোয়াড় (৩): ২০০৯, ২০১০, ২০১১।
- লা লিগা বিদেশী বর্ষসেরা খেলোয়াড় (৩): ২০০৭, ২০০৯, ২০১০। ২০১০ সাল থেকে নিবৃত্ত।
- লা লিগা আইবেরো-আমেরিকান বর্ষসেরা খেলোয়াড় (৫): ২০০৭, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২।
- এলএফপি সেরা খেলোয়াড় (৩): ২০০৯, ২০১১, ২০১২। ২০১০ সালে কোন বিজয়ী ছিলনা।
- এলএফপি সেরা ফরোয়ার্ড (৩): ২০০৯, ২০১১, ২০১২। ২০১০ সালে কোন বিজয়ী ছিলনা।
- মার্কা লেইন্দা (১): ২০০৯।
- ব্রাভো এওয়ার্ড (১): ২০০৭।
- কোপা আমেরিকা প্রতিযোগীতার যুব সেরা খেলোয়াড় (১): ২০০৭।
- ইউরোপীয়ান গোল্ডেন বয় (১): ২০০৫।
- অলিম্পিয়া দি অরো (১): ২০১১।
- অলিম্পিয়া দি প্লাতা (৭): ২০০৫, ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২।[২৬৬]
রেকর্ডসমূহ [সম্পাদনা]
২ এপ্রিল ২০১৩ অনুসারে।[২৬৭][২৬৮][২৬৯][২৭০][২৭১][২৭২][২৭৩]
বিশ্ব [সম্পাদনা]
- সর্বোচ্চ ফিফা ব্যালন দ’অর পুরস্কার: ৪
- এক বছরে সর্বোচ্চ গোলের জন্য গিনেস বিশ্ব রেকর্ড পুরস্কার: ৯১ গোল
- এক বছরে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক গোল (ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে): ২৫ গোল (ভিভিয়ান উডওয়ার্ডের সাথে যৌথভাবে)
- ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৪ গোল (ডেনিলসন মার্টিনস এবং মুহাম্মদ অ্যাবাউট্রিকার সাথে যৌথভাবে)
- টানা সর্বোচ্চ খেলায় গোল: ১৯ খেলায় (৩০ গোল)
ইউরোপ [সম্পাদনা]
- এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা (ক্লাব): ৭৩ গোল
- এক বছরে সর্বোচ্চ গোলদাতা (ক্লাব): ৭৯ গোল
- ইউরোপীয়ান কাপের (চ্যাম্পিয়নস লীগ) এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল: ১৪ গোল (হোসে আলতাফিনির সাথে যৌথভাবে)
- ইউরোপীয়ান কাপে সর্বোচ্চ শীর্ষ গোলদাতার পুরস্কার: ৪ (গার্ড ম্যুলার এর সাথে যৌথভাবে)
- ইউরোপীয়ান কাপের এক খেলায় সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৫ গোল (অন্য দশ জন খেলোয়াড়ের সাথে যৌথভাবে)
আর্জেন্টিনা [সম্পাদনা]
- এক বছরে সর্বোচ্চ গোলদাতা (জাতীয় দলের হয়ে): ১২ গোল (বাতিস্তুতার সাথে যৌথভাবে)
স্পেন [সম্পাদনা]
- লা লিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৫০ গোল
- লা লিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ হ্যাট্রিক: ৮ হ্যাট্রিক
- স্পেনীয় সুপার কাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ১০ গোল
- লা লিগায় একটানা সর্বোচ্চ খেলায় গোলদাতা: ২০ খেলায় ৩১ গোল
- এল ক্ল্যাসিকোতে সর্বোচ্চ গোল: ১৮ গোল (আলফ্রেডো ডি স্টিফানোর সাথে যৌথভাবে)
বার্সেলোনা [সম্পাদনা]
- অফিসিয়াল প্রতিযোগীতায় সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৩১৩
- লা লিগায় সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২১৫ গোল
- চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৫৯ গোল
- ইউরোপীয় প্রতিযোগীতায় সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৬০ গোল
- আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীতায় সর্বোচ্চ গোলদাতা: ৬৪ গোল
- সবধরনের প্রতিযোগীতায় সর্বোচ্চ হ্যাট্রিক: ২২ হ্যাট্রিক
- লা লিগায় সর্বোচ্চ হ্যাট্রিক: ১৬ হ্যাট্রিক
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ "Messi – Lionel Andrés Messi – Sheet"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/staff/players/messi/sheet। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Barcelona forward Lionel Messi wins Ballon d'Or award"। বিবিসি। ১ ডিসেম্বর ২০০৯। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/europe/8387679.stm। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Golden duo on top of the world"। ফিফা। http://www.fifa.com/ballondor/archive/edition=1999902010/index.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi, Sawa crowned at glittering Gala"। ফিফা। http://www.fifa.com/ballondor/archive/edition=1999902011/news/newsid=1565454/index.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi, Wambach, Del Bosque & Sundhage triumph"। FIFA। ৭ জানুয়ারি ২০১৩। http://www.fifa.com/ballondor/media/newsid=1981449/index.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Magical Messi becomes Barcelona's all-time leading goalscorer after grabbing hat-trick"। Dailymail (London)। ২০ মার্চ ২০১২। http://www.dailymail.co.uk/sport/football/article-2117911/Lionel-Messi-Barcelonas-time-leading-goalscorer.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Simunic: Messi’s the bestof all time"। FIFA। ১০ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.fifa.com/worldcup/preliminaries/news/newsid=1967479/?intcmp=fifacom_hp_module_interview। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Smith, Ben (৯ ডিসেম্বর ২০১২)। "Lionel Messi: Goals record caps golden year for Barcelona star"। BBC Spord। http://www.bbc.co.uk/sport/0/football/20592977। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Daniels, David (২৫ নভেম্বর ২০১২)। "Lionel Messi: Superstar Striker Is Best Footballer in World"। Bleacher Report। http://www.bleacherreport.com/articles/1421215-lionel-messi-superstar-striker-is-best-footballer-in-world। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi hailed as 'incredible' and 'gigantic' by Gerd Mullerafter Barcelona star breaks record for most goals"। The Telegraph। ১০ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/players/lionel-messi/9734839/Lionel-Messi-hailed-as-incredible-and-gigantic-by-Gerd-Muller-after-Barcelona-star-breaks-record-for-most-goals.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Arsène Wenger hails Barcelona's Lionel Messi after four-goal display"। The Guardian। http://www.guardian.co.uk/football/2010/apr/07/barcelona-arsenal-lionel-messi। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi scores 5 goals against Bayer Leverkusen"। UEFA। ৬ মার্চ ২০১২। http://www.uefa.com/live/match-centre/cup=1/season=2012/day=8/session=2/match=2007677/popout/commentary.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi on the spot to send Milan out"। FIFA। ৩ এপ্রিল ২০১২। http://www.fifa.com/worldfootball/clubfootball/news/newsid=1610523.html?intcmp=newsreader_news_box_1। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi, máximo goleador de la Champions por cuarto año consecutivo [মেসি, চতুর্থবারের মত চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা]" (in স্পেনীয়)। Sport.es। http://www.sport.es/es/?idpublicacio_PK=44&idioma=CAS&idtipusrecurs_PK=7&idnoticia_PK=447107। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "UEFA.com – Statistics – UEFA Champions League2011–12 Top Goalscorers"। UEFA। http://www.uefa.com/uefachampionsleague/season=2012/statistics/round=2000263/players/type=topscorers/index.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Four-goal Lionel Messi gives Pep Guardiola perfect Barcelona send-off"। The Guardian (London)। ৫ মে ২০১২। http://www.guardian.co.uk/football/2012/may/05/lionel-messi-four-goals-guardiola। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi Breaks La Liga Scoring Record"। Fow News (Latino)। ৩ মে ২০১২। http://latino.foxnews.com/latino/sports/2012/05/03/messi-sets-scoring-record-real-madrid-wins-title/। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Koylu, Enis (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Messi scores 300th Barcelona goal"। Goal.com। http://www.goal.com/en/news/12/spain/2013/02/16/3740810/messi-scores-300th-barcelona-goal। সংগৃহীত ৪ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ ১৯.০ ১৯.১ Jenson, Pete (৩০ মার্চ ২০১৩)। "Messi breaks another record by completingstunning scoring circle against every La Liga team"। Daily Mail। http://www.dailymail.co.uk/sport/football/article-2301633/Lionel-Messi-breaks-record-completing-stunning-scoring-circle-La-Liga-team.html#ixzz2P6haWH2A। সংগৃহীত ৪ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ "Player Profile: Lionel Messi – Player to Watch"। Live Score TV। http://www.livesoccertv.com/news/3856/copa-america-2011-lionel-messi-profile-player-to-watch/। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Maradona proclaims Messi as his successor"। China Daily, Reuters। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৬। http://www.chinadaily.com.cn/english/doc/2006-02/25/content_523966.htm। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Carlin, John (২৭ মার্চ ২০১০)। "Lionel Messi: Magic in his feet"। The Iindependent (UK)। http://www.independent.co.uk/news/people/profiles/lionel-messi-magic-in-his-feet-1928768.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Veiga, Gustavo। "Los intereses de Messi [মেসির স্বার্থ]" (in স্পেনীয়)। Pagina/12। http://www.pagina12.com.ar/diario/deportes/8-121094-2009-03-07.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ২৪.০ ২৪.১ Hawkey, Jan (২০ এপ্রিল ২০০৮)। "Lionel Messi on a mission"। The Times (London)। http://www.timesonline.co.uk/tol/sport/football/european_football/article3779961.ece। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi bio"। NBC। http://www.2008.nbcolympics.com/athletes/athlete=1246/bio/index.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ২৬.০ ২৬.১ ২৬.২ Williams, Richard (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "Messi has all the qualities to take world by storm"। The Guardian (London)। http://www.guardian.co.uk/football/2006/feb/24/championsleague1। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ White, Duncan (৪ এপ্রিল ২০০৯)। "Franck Ribery the man to challenge Lionel Messi and Barcelona"। The Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/competitions/champions-league/5099857/Franck-Ribery-the-man-to-challenge-Lionel-Messi-and-Barcelona.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ২৮.০ ২৮.১ "The new messiah"। FIFA। ৫ মার্চ ২০০৬। http://www.fifa.com/tournaments/archive/tournament=107/edition=248388/news/newsid=103182.html। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Sandra Sarmiento&Jaume Marcet (১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "From 'Infantil B' to World number one"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/web/english/noticies/futbol/temporada09-10/09/n090918106812.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Leonel Messi, el prototipo del jugador total" (in স্পেনীয়)। http://hemeroteca.elmundodeportivo.es/preview/2004/03/08/pagina-12/766444/pdf.html?search=Messi। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi debuta en elBarça C en el derbifrente al Europa" (in স্পেনীয়)। http://hemeroteca.elmundodeportivo.es/preview/2003/11/29/pagina-46/563828/pdf.html?search=Messi। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi estará en el stage de Peralada" (in স্পেনীয়)। http://hemeroteca.elmundodeportivo.es/preview/2005/08/26/pagina-13/765467/pdf.html?search=Messi। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ ৩৩.০ ৩৩.১ "Lionel Andres Messi — FCBarcelona and Argentina"। Football Database। http://www.footballdatabase.com/index.php?page=player&Id=222&b=true। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Tutton, Mark and Duke, Greg (২২ মে ২০০৯)। "Profile: Lionel Messi"। CNN। http://edition.cnn.com/2009/SPORT/football/05/22/messi.football.best.world/index.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Meteoric rise in three years"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/web/english/noticies/futbol/temporada07-08/10/n071016101878.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Nogueras, Sergi (২১ অক্টোবর ২০০৭)। "Krkic enters the record books"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.cat/web/english/noticies/futbol/temporada07-08/10/n071020101276.html। সংগৃহীত ২৯ নভেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi: "Rijkaard gave us more freedom""। Soccerway.com। ১০ ডিসেম্বর ২০০৯। http://www.soccerway.com/news/2009/December/10/messi-rijkaard-gave-us-more-freedom/। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Good news for Barcelona as Messi gets his Spanish passport"। The Star (The Star)। ২৮ মে ২০০৫। http://thestar.com.my/sports/story.asp?file=/2005/9/28/sports/12165057&sec=sports। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Frustrated Messi suffersanother injury setback"। ESPN Soccernet। ২৬ এপ্রিল ২০০৬। http://soccernet.espn.go.com/news/story?id=366008&cc=3436। সংগৃহীত ২৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Wallace, Sam (১৮ মে ২০০৬)। "Arsenal 1 Barcelona 2: Barcelona crush heroic Arsenal in space of four brutal minutes"। The Independent (Paris)। http://www.independent.co.uk/sport/football/premier-league/arsenal-1-barcelona-2-barcelona-crush-heroic-arsenal-in-space-of-four-brutal-minutes-478659.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Barca retain Spanish league title"। BBC Sport। ৩ মে ২০০৬। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/europe/4970966.stm। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Lionel Messi at National Football Teams"। National Football Teams। http://www.national-football-teams.com/v2/player.php?id=12563। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Doctors happy with Messi op" (প্রেস রিলিজ). FC Barcelona. ১৪ নভেম্বর ২০০৬. http://arxiu.fcbarcelona.cat/web/english/historic_noticies/futbol/06/Novembre/n06111404.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২.
- ↑ "Messi to miss FIFA Club World Cup"। FIFA/Reuters। ১৩ নভেম্বর ২০০৬। archived from the original on ১১ ডিসেম্বর ২০০৭। http://web.archive.org/web/20071211061548/http://fifa.com/en/comp/index/0,2442,125576,00.html?articleid=125576। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Hayward, Ben (১১ মার্চ ২০০৭)। "Magical Messi is Barcelona's hero"। The Independent (UK)। http://www.independent.co.uk/sport/football/european/barcelona-3-real-madrid-3-magical-messi-is-barcelonas-hero-439788.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Inter beat AC, Messi headlines derby"। ফিফা। ১১ মার্চ ২০০৭। http://www.fifa.com/worldfootball/clubfootball/news/newsid=113101.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ White, Duncan (৪ এপ্রিল ২০০৯)। "Lionel Messi 2006/07 season statistics"। The Telegraph। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/competitions/champions-league/5099857/Franck-Ribery-the-man-to-challenge-Lionel-Messi-and-Barcelona.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ ৪৮.০ ৪৮.১ Lowe, Sid (২০ এপ্রিল ২০০৭)। "The greatest goal ever?"। The Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/european/2311407/The-greatest-goal-ever.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi dazzles as Barça reach Copa Final"। ESPN Soccernet। ১৮ এপ্রিল ২০০৯। http://soccernet.espn.go.com/news/story?id=423002&cc=3888।
- ↑ "Can ‘Messidona’ beat Maradona?"। The Hindu (Chennai, India)। ১৪ জুলাই ২০০৭। http://www.hindu.com/2007/07/14/stories/2007071455691800.htm।
- ↑ Lowe, Sid (২০ এপ্রিল ২০০৭)। "The greatest goal ever?"। The Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/european/2311407/The-greatest-goal-ever.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Mitten, Andy (১০ জুন ২০০৭)। "Hand of Messi saves Barcelona"। The Times (UK)। http://www.timesonline.co.uk/tol/sport/football/european_football/article1910271.ece। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Xavi late show saves Barca"। ফিফা। ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। http://www.fifa.com/worldfootball/clubfootball/news/newsid=700689.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Villalobos, Fran (১০ এপ্রিল ২০০৭)। "El fútbol a sus pies [আপনার পায়ে ফুটবল]" (in স্পেনীয়)। Spain: Marca। http://archivo.marca.com/futbol/2007/messi_kun/handicho.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Fest, Leandro। "Si Messi sigue trabajando así, será como Maradona y Pelé [যদি মেসি ভালভাবে তার কাজ করতে থাকে, তবে তা মারাদোনা এবং পেলের মত হবে]" (in স্পেনীয়)। Spain: Sport। http://www.sport.es/es/?idpublicacio_PK=44&idioma=CAS&idtipusrecurs_PK=7&idnoticia_PK=447107। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Totti le daría el Balón de Oro a Messi antes que a Kaká" (in স্পেনীয়)। Spain: Marca। ২৯ নভেম্বর ২০০৭। http://archivo.marca.com/edicion/marca/futbol/internacional/es/desarrollo/1063306.html। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Barcelona's Lionel Messi sidelined with thigh injury"। Canadian Broadcasting Corporation। ৫ মার্চ ২০০৮। http://www.cbc.ca/sports/soccer/story/2008/03/05/lionel-messi.html?ref=rss। সংগৃহীত ২৯ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Sica, Gregory (৪ আগস্ট ২০০৮)। "Messi Inherits Ronaldinho's No. 10 Shirt"। Goal.com। http://www.goal.com/en/news/8/main/2008/08/04/803776/messi-inherits-ronaldinhos-no-10-shirt। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi scores hat trick in Barca's 3–1 win over Atletico"। Shanghai Daily। ৭ জানুয়ারি ২০০৯। http://www.shanghaidaily.com/article/?id=387234। সংগৃহীত ২৯ মে ২০০৯।
- ↑ "Supersub Messi fires 5,000-goal Barcelona to comeback victory"। Agence France-Presse। ১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। http://www.google.com/hostednews/afp/article/ALeqM5iZaLqalXOwOJ2FwjihA3svGql1Mw। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Logothetis, Paul (৯ এপ্রিল ২০০৯)। "Barcelona returns to earth with league match"। USA Today। http://www.usatoday.com/sports/soccer/2009-04-09-2372732048_x.htm। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Lowe, Sid (২ মে ২০০৯)। "Barcelona run riot at Real Madrid and put Chelsea on notice"। The Guardian। http://www.guardian.co.uk/football/2009/may/02/la-liga-real-madrid-barcelona। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Barcelona defeat Athletic Bilbao to win Copa del Rey"। The Telegraph (UK)। ১৪ মে ২০০৯। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/european/5321324/Barcelona-defeat-Athletic-Bilbao-to-win-Copa-del-Rey.html। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi sweeps up goalscoring honours"। UEFA। ২৭ মে ২০০৯। http://www.uefa.com/uefachampionsleague/index.html। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Messi recognised as Europe's finest"। UEFA। ২৮ আগস্ট ২০০৯। http://www.uefa.com/uefasupercup/news/newsid=877275.html। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Barcelona win treble in style"। Gulf Daily News। ২৮ মে ২০০৯। http://www.gulf-daily-news.com/NewsDetails.aspx?storyid=251667। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Barcelona eclipse dream team with historic treble"। Agence France-Presse। ৩১ মে ২০০৯। http://www.google.com/hostednews/afp/article/ALeqM5gWWxxsWEy4ekZn5IvfAjneYuubSQ?docId=CNG.8b0cf6a3d9ffa4d3336f8d5f0d70f669.3e1&index=0। সংগৃহীত ৩০ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Messi es el mejor jugador que veré jamás" (in স্পেনীয়)। El Mundo Deportivo। ২৯ আগস্ট ২০০৯। http://www.elmundo.es/elmundodeporte/2009/08/29/futbol/1251499664.html। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "False 9: Guardiola's Barcelona Reinventing Total Football"। http://thefalse9.blogspot.ca/2012/04/guardiolas-barcelona-reinventing-total.html। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Leo Messi extends his stay at Barça"। FC Barcelona। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯। http://www.fcbarcelona.com/web/english/noticies/futbol/temporada09-10/09/n090918106811.html। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi signs new deal at Barcelona"। BBC। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/europe/8184399.stm। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Barcelona forward Lionel Messi wins Ballon d'Or award"। BBC। ১ ডিসেম্বর ২০০৯। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/europe/8387679.stm। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi wins prestigious Ballon d'Or award"। ABC Sport। ১ ডিসেম্বর ২০০৯। http://www.abc.net.au/news/stories/2009/12/01/2759069.htm। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ Barnett, Phil (১ ডিসেম্বর ২০০৯)। "Lionel Messi: A rare talent"। The Independent (UK)। http://www.independent.co.uk/sport/football/news-and-comment/lionel-messi-a-rare-talent-1831871.html। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "2009 IFFHS World's Best Playmaker Award"। http://www.iffhs.de/?a433ccd423dce837ccad5e99a57505fdcdc3bfcdc0aec70aeedb8a3816। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "Messi seals number six"। ESPN Soccernet। ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯। http://soccernet.espn.go.com/report?id=285375&cc=5739&league=FIFA.CWC। সংগৃহীত ৩০ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "FC Barcelona's Messi wins World Player of the Year"। ESPN Soccernet। ২১ ডিসেম্বর ২০০৯। http://soccernet.espn.go.com/news/story?id=716683&sec=world&cc=5901। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Tenerife 0–5 Barcelona: Messi Masterclass Sees Barca Back On Top"। Goal.com। ১০ জানুয়ারি ২০১০। http://www.goal.com/en/news/12/spain/2010/01/10/1737345/tenerife-0-5-barcelona-messi-masterclass-sees-barca-back-on। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Bogunyà, Roger (১৭ জানুয়ারি ২০১০)। "Messi 101: el golejador centenari més jove" (in কাতালান)। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/web/catala/noticies/futbol/temporada09-10/01/n100117108826.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Hedgecoe, Guy (১৪ মার্চ ২০১০)। "Messi hat-trick as Barcelona beats Valencia3–0"। Sports Illustrated। http://sports.sportsillustrated.cnn.com/sud/story.asp?i=20100314202145360000101&ref=hea&tm=&src=LASOC। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Steinberg, Jacob (২১ মার্চ ২০১০)। "Lionel Messi sends warning to Arsenal with another hat-trick"। The Guardian (London)। http://www.guardian.co.uk/football/2010/mar/21/lionel-messi-arsenal-hat-trick। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Nadie marcó dos ‘hat trick’ seguidos" (in স্পেনীয়)। Sport.es। http://www.sport.es/es/?idpublicacio_PK=44&idioma=CAS&idtipusrecurs_PK=7&idnoticia_PK=698276। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Match facts: Barcelona v Inter"। UEFA। ২৫ এপ্রিল ২০১০। http://www.uefa.com/uefachampionsleague/news/newsid=1475100.html। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Logothetis, Paul (৪ এপ্রিল ২০১০)। "Messi scores four as Barcelona beats Arsenal 4–1"। USA Today। http://www.usatoday.com/sports/soccer/2010-04-06-985993008_x.htm। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Arsène Wenger hails Barcelona's Lionel Messi after four-goal display"। The Guardian (London)। ৬ এপ্রিল ২০১০। http://www.guardian.co.uk/football/2010/apr/07/barcelona-arsenal-lionel-messi। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Roach, Stuart (৬ এপ্রিল ২০১০)। "Barcelona 4–1 Arsenal"। BBC। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/europe/8602344.stm। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Madden, Paul (৪ মে ২০১০)। "Barcelona Striker Lionel Messi Could Equal Ronaldo's 34 Goal Haul In Primera Liga"। Goal.com। http://www.goal.com/en/news/12/spain/2010/05/04/1907680/barcelona-striker-lionel-messi-could-equal-ronaldos-34-goal-haul-। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ LA blaugrana (১৪ এপ্রিল ২০১০)। "Lionel Messi Chases Ronaldo's Goal Record"। Bleacher Report। http://bleacherreport.com/articles/378308-messi-chases-ronaldos-goal-record। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi se corona como el mejor jugador de la Liga" (in স্পেনীয়)। Marca। ৩ জুন ২০১০। http://www.marca.com/2010/06/03/futbol/equipos/barcelona/1275550866.html। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi Equals Ronaldo's Barcelona Record"। Daily News (New York)। ১৬ মে ২০১০। http://www.nydailynews.com/sports/more-sports/lionel-messi-equals-ronaldo-barcelona-goal-scoring-record-article-1.448764। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Barcelona 4–0 "Sevilla: Brilliant Blaugrana Outclass Rojiblancos To Lift Supercopa"। Goal.com। ২২ আগস্ট ২০১০। http://www.goal.com/en/match/45971/barcelona-vs-sevilla/report Barcelona 4–0। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi injured"। FC Barcelona। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১০। http://www.fcbarcelona.cat/web/english/noticies/futbol/temporada10-11/09/20/n100920113021.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Villa on Messi's injury"। FC Barcelona। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১০। http://www.fcbarcelona.cat/web/english/noticies/futbol/temporada10-11/09/20/n100920113025.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Chadband, Ian (১০ জানুয়ারি ২০১১)। "Barcelona forward Lionel Messi wins the inaugural Fifa Ballon d'Or"। The Telegraph (London)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/players/lionel-messi/8251269/Barcelona-forward-Lionel-Messi-wins-the-inaugural-Fifa-Ballon-dOr.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina's Lionel Messi wins Fifa Ballon d'Or award"। BBC। ১০ জানুয়ারি ২০১১। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/9356019.stm। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি২০১৩।
- ↑ "Del Madrid de Di Stéfano al Barcelona de Messi [ডি স্টিফানোর মাদ্রিদ থেকে মেসির বার্সেলোনা]" (in স্পেনীয়)। Marca। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১। http://www.marca.com/2011/02/05/futbol/equipos/barcelona/1296946785.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi: "Es un orgullo superar la marca de alguien tan grande como Di Stéfano" [মেসি:"ডি স্টিফানোর মত একজন গ্রেটের রেকর্ড ভাঙ্গতে পেরে আমরা গর্বিত"]" (in স্পেনীয়)। Marca। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১। http://www.marca.com/2011/02/06/futbol/equipos/barcelona/1296948365.html। সংগৃহীত ১ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ Payarols, Lluís (৯ এপ্রিল ২০১১)। "Messi desatascó al Barça antes del clásico" (in স্পেনীয়)। Sport.es। http://www.sport.es/es/noticias/barca/20110409/messi-desatasco-barca-antes-del-clasico/968326.shtml। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Payarols, Lluís (১২ এপ্রিল ২০১১)। "Trámite resuelto y ahora... ¡a por el Madrid!" (in স্পেনীয়)। Sport.es। http://www.sport.es/es/noticias/barca/20110412/tramite-resuelto-ahora-por-madrid/971705.shtml। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Javier Garcia de Alcaraz (১৬ এপ্রিল ২০১১)। "Un punto que vale una Liga" (in স্পেনীয়)। Sport.es। http://www.sport.es/es/noticias/barca/20110416/madrid-titulo/976392.shtml। সংগৃহীত ২১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Copa del Rey Final 2011"। The Guardian (London)। ২০ এপ্রিল ২০১১। http://www.guardian.co.uk/football/2011/apr/21/real-madrid-barcelona-copa-del-rey। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Nakrani, Sachin (২০ এপ্রিল ২০১১)। "Barcelona v Real Madrid – as it happened"। The Guardian (London)। http://www.guardian.co.uk/football/2011/apr/20/barcelona-real-madrid-live। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Payarols, Lluís (২৭ এপ্রিল ২০১১)। "Messi es el 'puto amo'" (in স্পেনীয়)। Sport.es। http://www.sport.es/es/noticias/barca/20110427/messi-puto-amo/986636.shtml। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Lowe, Sid (৫ মে ২০১১)। "The Good, the Bad andthe Ugly in the aftermath of the Clásicoseries"। Sports Illustrated। http://sportsillustrated.cnn.com/2011/writers/sid_lowe/05/05/clasico.aftermath/index.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ McNulty, Phil (২৮ মে ২০১১)। "Barcelona 3 ManchesterUnited 1"। বিবিসি। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/13576522.stm। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Barcelona’s Lionel Messi equals Ruud van Nistelrooy’s record of 12 goals in a single Champions League season"। Goal.com। ২৮ মে ২০১১। http://www.goal.com/en/news/1716/champions-league/2011/05/28/2469931/barcelonas-lionel-messi-equals-ruud-van-nistelrooys-record-of-12-। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi salvó al fútbol" (in স্পেনীয়)। Sport.es। ১৭ আগস্ট ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/20110818/messi-salvo-futbol/1120978.shtml। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Súper Messi da la Supercopa al Barça" (in স্পেনীয়)। Sport.es। ২৬ আগস্ট ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/20110826/super-messi-supercopa-barca/1130917.shtml। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi dedicates goal to disabled 10-year-old boy"। inside World Soccer। ২১ সেপ্টেম্বর ২০১১। http://www.insideworldsoccer.com/2011/09/lionel-messi-dedicated-goal-to-disabled.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Barcelona v Atlético Madrid – as it happened"। The Guardian (UK)। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১১। http://www.guardian.co.uk/football/2011/sep/24/barcelona-atletico-madrid-la-liga। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "El Barça se aficiona a las 'manitas'" (in স্পেনীয়)। Sport.es। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/barca-aficiona-las-manitas-1164552। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi iguala a Kubala y afirma que sería "hermoso" superar a César" (in স্পেনীয়)। Sport। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/messi-igualo-kubala-1164601। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "El Barça consolida su liderato con otro recital de Messi" (in স্পেনীয়)। Sport.es। ১৬ অক্টোবর ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/barca-consolida-liderato-con-otro-recital-messi-1183586। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "1, 2, 3... Messi responde otra vez" (in স্পেনীয়)। Sport.es। ২৯ অক্টোবর ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/messi-responde-otra-vez-1201140। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi es infalible: hat trick... ¡y a octavos!" (in স্পেনীয়)। Sport.es। ১ নভেম্বর ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/messi-infalible-hat-trick-octavos-1204309। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi, el astro rey" (in স্পেনীয়)। Sport। ১৯ ডিসেম্বর ২০১১। http://www.sport.es/es/noticias/barca/messi-astro-rey-1279170। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi crowned world's best"। ESPN Soccernet। ৯ জানুয়ারি ২০১২। http://soccernet.espn.go.com/news/story/_/id/1006543/2011-fifa-ballon-d%27or:-lionel-messi-crowned-world%27s-best?cc=4716। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Segura, Anna (২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২)। "Messi scores 4 goals to celebrate his 200thgame"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/messi-scores-4-goals-to-celebrate-his-200th-game। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi scores 5 goals in CL"। ESPN Soccernet। ৮ মার্চ ২০১২। http://espn.go.com/sports/soccer/story/_/id/7657739/lionel-messi-first-player-score-5-goals-champions-league-game। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Scott, Charlie (২০ মার্চ ২০১২)। "Barcelona 5–3 Granada:Messi breaks club goalscoring record as gap at top of La Liga is reduced to five points"। Goal.com। http://www.goal.com/en-us/match/63195/barcelona-vs-ciudad-de-murcia/report। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Parrish, Rob (৩ এপ্রিল ২০১২)। "Argentina ace sees off Milan to reach 50 Champions League goals"। Skysports। http://www1.skysports.com/football/live/match/257938/report। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Dawkes, Phil (২৪ এপ্রিল ২০১২)। "Chelsea reached the Champions League final despite John Terry's sending off to seal a truly remarkable two-legged victory over Barcelona"। BBC। http://www.bbc.co.uk/sport/0/football/17817584। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi's 61st goal leadsBarcelona past Getafe 4–0"। Yahoo Sport। http://sports.yahoo.com/news/messis-61st-goal-leads-barcelona-210242051--sow.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Cerna, Michael (২ মে ২০১২)। "Lionel Messi Breaks Gerd Muller's 39-Year-Old Record with 68th Goal This Season"। Bleacherreport। http://www.bleacherreport.com/articles/1169837-lionel-messi-breaks-gerd-mullers-39-year-old-record-with-68th-goal-this-season। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi sets European record"। ESPN Soccernet। ২ মে ২০১২। http://espn.go.com/sports/soccer/story/_/id/7883080/lionel-messi-sets-european-record-68-goals। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ১২৬.০ ১২৬.১ Mohamed, Majid (২৯ অক্টোবর ২০১২)। "Lionel Messi in numbers: Is the Barcelona player the greatest-ever footballer?"। Independent Blog। http://blogs.independent.co.uk/2012/10/29/lionel-messi-in-numbers-is-the-barcelona-player-the-greatest-ever-footballer/। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Riach, James (৬ জানুয়ারি ২০১২)। "Barcelona vs Real Madrid: 3–2 – Supercopa de España 2012"। The Guardian। http://www.guardian.co.uk/football/2012/aug/23/barcelona-real-madrid-live-mbm?newsfeed=true। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ Rogers, Iain & Reuters (২৬ আগস্ট ২০১২)। "Real Madrid falters at Gatafe while Barcelona builds five-point lead"। The Globe and Mail। http://www.theglobeandmail.com/sports/soccer/messi-scores-twice-to-help-barcelona-beat-osasuna/article4500012/। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Cristiano Ronaldo seals Super Cup win forReal Madrid despite wonder free-kick from Lionel Messi"। The Independent। ৩০ আগস্ট ২০১২। http://www.independent.co.uk/sport/football/european/cristiano-ronaldo-seals-super-cup-win-for-real-madrid-despite-wonder-freekick-from-lionel-messi-8092995.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Iniesta beats Messi & Ronaldo to UEFA award"। UEFA। http://www.givemefootball.com/european-news/iniesta-beats-messi-ronaldo-to-uefa-award। সংগৃহীত ৩১ আগস্ট ২০১২।
- ↑ "Barcelona vs. Valencia – Commentary"। Goal.com। ২ সেপ্টেম্বর ২০১২। http://www.goal.com/en-gb/match/84960/barcelona-vs-valencia/play-by-play। সংগৃহীত ৩ সেপ্টেম্বর ২০১২।
- ↑ "Getafe vs Barcelona - 15 September 2012"। Skysports। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২। http://www1.skysports.com/football/live/match/274462/report। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi brace bails out shaky Barca vs Spartak"। Fourfourtwo.com। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১২। http://fourfourtwo.com/news/championsleague/108945/default.aspx। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ "Messi closing in on Muller record"। ESPN FC। ২১ নভেম্বর ২০১২। http://espnfc.com/us/en/report/355697/report.html?soccernet=true&cc=5901। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Four-star Barca march on"। ESPN FC। ২৬ নভেম্বর ২০১২। http://espnfc.com/us/en/report/348388/report.html?soccernet=true&cc=5901। সংগৃহীত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Clos, Jordi (২ ডিসেম্বর ২০১২)। "Messi equals César’s record"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/messi-equals-cesars-record। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Shergold, Adam (৯ ডিসেম্বর ২০১২)। "Month by month, goal by goal... The diary of Messi's extraordinary record-breaking year"। Daily mail (UK)। http://www.dailymail.co.uk/sport/football/article-2242647/Lionel-Messis-record-breaking-2012--month-month-game-game.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi of Barcelona sets new goal-scoring record"। BBC। ১০ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.bbc.co.uk/sport/0/football/20661031। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Rogers, Iain (৯ ডিসেম্বর ২০১২)। "Messi sets record of 86 for goals in a year"। Reuters। http://www.reuters.com/article/2012/12/09/us-soccer-spain-messi-record-idUSBRE8B80EO20121209। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Sinanan, Keeghann (১২ ডিসেম্বর ২০১২)। "Cordoba 0-2 Barcelona: Messi at the double as Blaugrana battle to victory against Andalusians"। Goal.com। http://www.goal.com/en-us/match/98176/c%C3%B3rdoba-vs-barcelona/report। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi reaches 90 goals as Barca win"। Fox Sports Asia। ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩। http://www.foxsportsasia.com/football/primera-liga/news/detail/item909951/Messi-reaches-90-goals-as-Barca-win/। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Barça has renewed the contracts of Carles Puyol, Xavi Hernández and Leo Messi"। FC Barcelona। ১৮ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/carles-puyol-xavi-hernandez-and-leo-messi-renew-their-contract-with-fc-barcelona। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi crowned world's best for record fourth time"। CNN। ৮ জানুয়ারি ২০১৩। http://edition.cnn.com/2013/01/07/sport/football/football-messi-wins-ballon-dor-ronaldo-iniesta/index.html?hpt=isp_c1। সংগৃহীত ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Cairns, Dan (৮ জানুয়ারি ২০১৩)। "How does Lionel Messi stack up against football legends?"। BBC। http://www.bbc.co.uk/newsbeat/20943498। সংগৃহীত ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ McNulty, Phil (৭ জানুয়ারি ২০১৩)। "Lionel Messi’s fourth Ballon d’Or confirms player’s legendary status"। BBC। http://www.bbc.co.uk/sport/0/football/20935498। সংগৃহীত ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Leo Messi breaks the 200-goal barrier in La Liga"। FC Barcelona। ২৭ জানুয়ারি ২০১৩। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/leo-messi-breaks-the-200-goal-barrier-in-la-liga। সংগৃহীত ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Atkinson, Tre' (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Granada 1-2 Barcelona: Lionel Messi Leads Barcelona Comeback in Granada"। Bleacher Report। http://www.bleacherreport.com/articles/1532006-granada-1-2-barcelona-lionel-messi-leads-barcelona-comeback-in-granada। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Enis Koylu, Enis (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Messi scores 300th Barcelona goal"। Goal.com। http://www.goal.com/en/news/12/spain/2013/02/16/3740810/messi-scores-300th-barcelona-goal?ICID=MR_DM_1। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "R.Madrid-FC Barcelona: Defeat at the Bernabéu (2-1)"। FC Barcelona। ২ মার্চ ২০১৩। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/match-archive/2012-2013/league/round-26/real-madrid_fc-barcelona। সংগৃহীত ৭ মার্চ ২০১৩।
- ↑ "Messi reels in Di Stéfano"। Marca। ২ মার্চ ২০১৩। http://www.marca.com/2013/03/02/en/football/barcelona/1362250127.html। সংগৃহীত ৭ মার্চ ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi's delicate chip seals Barcelona's victory over Deportivo"। The Guardian। ৯ মার্চ ২০১৩। http://www.guardian.co.uk/football/2013/mar/09/barcelona-deportivo-la-coruna-la-liga। সংগৃহীত ১১ মার্চ ২০১৩।
- ↑ Sinanan, Keeghann (১২ মার্চ ২০১৩)। "Barcelona 4-0 AC Milan (Agg 4-2): Messi, Villa and Alba complete great escape for Catalan giants"। Goal.com। http://www.goal.com/en-us/match/98814/barcelona-vs-milan/report। সংগৃহীত ১৩ মার্চ ২০১৩।
- ↑ Mondal, Subhankar (১২ মার্চ ২০১৩)। "Lionel Messi becomes Champions League's second-highest goalscorer"। Sports Mole। http://www.sportsmole.co.uk/football/barcelona/champions-league/news/messi-overtakes-van-nistelrooy_73865.html। সংগৃহীত ১৩ মার্চ ২০১৩।
- ↑ "Leo Messi captains FC Barcelona for the firsttime in an official match"। FC Barcelona। ১৭ মার্চ ২০১৩। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/leo-messi-captains-fc-barcelona-for-the-first-time-in-an-official-match। সংগৃহীত ৪ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi's injury not as bad as first feared, say Barcelona"। The Guardian। ৩ এপ্রিল ২০১৩। http://www.guardian.co.uk/football/2013/apr/03/lionel-messi-barcelona-injury-psg। সংগৃহীত ৬ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ Sinanan, Keeghann (২ এপ্রিল ২০১৩)। "Paris Saint-Germain 2-2 Barcelona: Last-gasp Matuidi strike keeps French side alive"। Goal.com। http://www.goal.com/en-us/match/106092/psg-vs-barcelona/report। সংগৃহীত ৬ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi Biography"। Lionelmessi.com। archived from the original on ২ আগস্ট ২০০৮। http://web.archive.org/web/20080802154715/http://lionelmessi.com/biography/। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "FIFA World Youth Championship Netherlands 2005"। FIFA। http://www.fifa.com/tournaments/archive/tournament=104/edition=9102/index.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Vickery, Tim (২২ আগস্ট ২০০৫)। "Messi handles 'new Maradona' tag"। BBC Sport। http://news.bbc.co.uk/sport1/hi/football/world_football/4172400.stm। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentine striker Messi recalled for World Cup qualifier"। People's Daily। ২০ আগস্ট ২০০৫। http://english.people.com.cn/200508/20/eng20050820_203655.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi tries again as Argentina face Paraguay"। ESPN Soccernet। ২ সেপ্টেম্বর ২০০৫। http://soccernet.espn.go.com/preview?id=178848&cc=5739। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Homewood, Brian (১০ অক্টোবর ২০০৫)। "Messi is a jewel says Argentina coach"। Rediff। http://www.rediff.com/sports/2005/oct/10messi.htm। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel MESSI enters Argentina Top 10"। http://www.mundoalbiceleste.com/Article.aspx?id=2649। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina 4–0 Venezuela: Messi the star turn"। Allaboutfcbarcelona.com। ২৮ মার্চ ২০০৯। http://soccernet.espn.go.com/report?id=230046&cc=5739। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Magic Messi leads Argentina over Brazil"। Lionel-messi.co.uk। ১৭ নভেম্বর ২০১০। http://www.lionel-messi.co.uk/news/magic-messi-leads-argentina-over-brazil.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Edwards, Daniel (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Argentina 2-1 Portugal: Last-gasp Lionel Messi penalty secures entertaining victory after Cristiano Ronaldo equaliser"। Goal.com। http://www.goal.com/en-gb/match/57304/argentina-vs-portugal/report। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Gonzalez, Roger (২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২)। "Switzerland 1-3 Argentina: Marvellous Messi nets hat-trick to guide Albiceleste to friendly victory"। Goal.com। http://www.goal.com/en-ie/match/77107/switzerland-vs-argentina/report। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi scores hat-trick as Argentina beat Brazil 4-3 in New Jersey"। The Daily Telegraph (London)। ১০ জুন ২০১২। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/players/lionel-messi/9322483/Lionel-Messi-scores-hat-trick-as-Argentina-beat-Brazil-4-3-in-New-Jersey.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Clos, Jordi (১১ জুন ২০১২)। "Messi ends season with 82 goals"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/messi-ends-season-with-82-goals। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina vs Paraguay LIVE Commentary"। Goal.com। http://www.goal.com/en/match/82137/argentina-vs-paraguay/play-by-play। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina coach Sabella: Messi is happy"। Yahoo Sports। http://sports.yahoo.com/news/argentina-coach-sabella-messi-happy-132000265--sow.html। সংগৃহীত ১ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Vickery, Tim (৫ জুন ২০০৬)। "Messi comes of age"। BBC। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/world_cup_2006/teams/argentina/5047440.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Argentina allay fears over Messi""। BBC। ৩০ মে ২০০৬। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/world_cup_2006/teams/argentina/5023884.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Messi weiter auf der Bank""। Kicker Online। ১৩ জুন ২০০৬। http://www.kicker.de/fussball/wm/startseite/artikel/350938। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Argentina 6–0 Serbia & Montenegro""। BBC। ১৬ জুন ২০০৬। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/world_cup_2006/4853028.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Holland 0–0 Argentina""। BBC। ২১ জুন ২০০৬। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/world_cup_2006/4853328.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Walker, Michael (২৬ জুন ২০০৬)। ""Rodríguez finds an answer but many questions still remain""। The Guardian (UK)। http://blogs.guardian.co.uk/worldcup06/2006/06/26/rodriguez_finds_an_answer_but.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Argentina 2–1 Mexico (aet)""। BBC Sport। ২৪ জুন ২০০৬। http://news.bbc.co.uk/sport1/hi/football/world_cup_2006/4991492.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Germany 1–1 Argentina""। BBC Sport। ৩০ জুন ২০০৬। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/world_cup_2006/4991602.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Tevez Nets In Argentina Victory"। BBC। ২৯ জুন ২০০৭। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/internationals/6252156.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina into last eight of Copa"। BBC Sport। ৩ জুলাই ২০০৭। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/internationals/6263888.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina - Paraguay"। Conmebol। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭। archived from the original on ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭। http://web.archive.org/web/20070929133942/http://www.conmebol.com/competiciones_evento_reporte.jsp?evento=1055&ano=2007&dv=1&flt=C&id=18&slangab=E। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina and Mexico reach semis"। BBC Sport। ৯ জুলাই ২০০৭। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/internationals/6282908.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi's magic goal"। BBC Sport। ১২ জুলাই ২০০৭। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/internationals/6294930.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Brazil victorious in Copa America"। BBC Sport। ১৬ জুলাই ২০০৭। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/6899694.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ১৮৬.০ ১৮৬.১ "Barcelona give Messi Olympics thumbs-up"। Agence France-Presse। ৭ আগস্ট ২০০৮। http://afp.google.com/article/ALeqM5hBwBdQawHH84xSfUkq2uo3w1nwvA। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi sets up Brazil semi"। FIFA। ১৬ আগস্ট ২০০৮। archived from the original on ২ এপ্রিল ২০০৯। http://web.archive.org/web/20090412024404/http://www.fifa.com/mensolympic/matches/round=250022/match=300051809/summary.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Robert, Millward (২৩ আগস্ট ২০০৮)। "Argentina beats Nigeria 1–0 for Olympic gold"। USA Today। http://www.usatoday.com/sports/olympics/2008-08-23-860591452_x.htm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ১৮৯.০ ১৮৯.১ ১৮৯.২ Edwards, Daniel (৮ জুন ২০১০)। "Argentina: Tacticl Lineup, World Cup 2010"। Goal.com। http://www.goal.com/en/news/1863/world-cup-2010/2010/06/08/1964132/world-cup-2010-comment-revealed-maradonas-argentina-xi। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Chadband, Ian (১২ জুন ২০১০)। "Argentina 1 Nigeria 0:match report"। The Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/competitions/world-cup-2010/news/7814324/argentina-1-nigeria-0-match-report.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ১৯১.০ ১৯১.১ "Argentina vs. S. Korea,2010 World Cup – Formations" (PDF)। FIFA। http://www.fifa.com/mm/document/tournament/competition/01/24/79/59/20%5f0617%5farg-kor%5ftacticalstartlist.pdf। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ১৯২.০ ১৯২.১ "Argentina vs. Korea: 4–1 – World Cup 2010"। Yahoo। ১৭ জুন ২০১২। http://uk.eurosport.yahoo.com/football/world-cup/argentina-korea-republic-361819.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Chadband, Ian (১৭ জুন ২০১০)। "Argentina 4 South Korea 1: match report"। The Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/competitions/world-cup-2010/news/7830449/argentina-4-south-korea-1-match-report.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Smith, Rory (২২ জুন ২০১০)। "Greece 0 Argentina 2: match report"। The Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/competitions/world-cup-2010/news/7842201/greece-0-argentina-2-match-report.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Fletcher, Paul। "Argentina 3-1 Mexico"। BBC (UK)। http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/world_cup_2010/matches/match_52/default.stm। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ White, Duncan (৩ জুলাই ২০১০)। "Argentina 0 Germany 4: match report"। The Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/competitions/world-cup-2010/news/7868494/argentina-0-germany-4-match-report.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "adidas Golden Ball nominees announced"। FIFA। ৯ জুলাই ২০১০। http://www.fifa.com/worldcup/archive/southafrica2010/news/newsid=1270753/index.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina 1–1 Bolivia"। Yahoo। ২ জুলাই ২০১১। http://uk.eurosport.yahoo.com/football/copa-america/argentina-bolivia-426721.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina 0–0 Colombia"। ESPN Soccernet। ৭ জুলাই ২০১১। http://soccernet.espn.go.com/report?id=314582&cc=4716। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Argentina 3–0 Costa Rica"। ESPN Soccernet। ১২ জুলাই ২০১১। http://soccernet.espn.go.com/report?id=314579&cc=4716। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Edwards, Daniel (১৬ জুলাই ২০১১)। "Argentina 1–1 Uruguay (4–5 pens): Hosts out"। Goal.com। http://www.goal.com/en/match/63470/argentina-vs-uruguay/report। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Reuters (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "Maradona proclaims Messi as his successor"। Chinadaily। http://www.chinadaily.com.cn/english/doc/2006-02/25/content_523966.htm। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ২০৩.০ ২০৩.১ Fabio, Monti (৮ এপ্রিল ২০১০)। "Esplora il significato del termine: Controllo, corsa, tocco di palla Perché nel calcio piccolo è bello Controllo, corsa, tocco di palla Perché nel calcio piccolo è bello"। http://archiviostorico.corriere.it/2010/aprile/08/Controllo_corsa_tocco_palla_Perche_co_9_100408088.shtml। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Brown, Lucas (৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "Lionel Messi – the new Maradona?"। UEFA। http://www.uefa.com/news/newsid=347644.html। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Reng, Ronald (২৭ মে ২০১১)। "Lionel Messi"। The Financial Times। http://www.ft.com/intl/cms/s/2/cfa0d296-8672-11e0-9d5c-00144feabdc0.html#axzz21gcrPojt। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Bollons, Mark। "Diego Maradona believes Lionel Messi is better than Cristiano Ronaldo"। Give Me Football। http://www.givemefootball.com/european-news/maradona-messi-better-than-shampoo-commercial-rona। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "10: Strength – Lionel Messi: 10 reasons why he's the world's greatest player"। London: The Daily Telegraph। ৩০ মার্চ ২০১০। http://www.telegraph.co.uk/sport/football/picturegalleries/7523132/Lionel-Messi-10-reasons-why-hes-the-worlds-greatest-player.html?image=9। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Seyfried Clemmons, Jeremy (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Lionel Messi: The Complete Footballer (Part Two: Passing/Vision)"। Barcablaugranes.com। http://www.barcablaugranes.com/2011/9/16/2430028/lionel-messi-the-complete-footballer-part-two-passing-vision। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Real Madrid 1 Barcelona 3: Lionel Messi once again lights up El Clasico"। The Periscope Post। ১২ ডিসেম্বর ২০১১। http://www.periscopepost.com/2011/12/real-madrid-1-barcelona-3-lionel-messi-once-again-lights-up-el-clasico/। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "From Messi to Ronaldo – the world's best free-kick takers"। Belfast Telegraph। ১ মে ২০১০। http://www.belfasttelegraph.co.uk/telebest/sport/from-messi-to-ronaldo--the-worlds--best-freekick-takers-14784405.html। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Fabio, Monti (৮ এপ্রিল ২০১০)। "Controllo, corsa, tocco di palla Perché nel calcio piccolo è bello"। http://archiviostorico.corriere.it/2010/aprile/08/Controllo_corsa_tocco_palla_Perche_co_9_100408088.shtml। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Diego blasts Pele's Messi-Neymar claim"। ESPN Soccernet। ১৩ এপ্রিল ২০১২। http://soccernet.espn.go.com/news/story/_/id/1048426/diego:-pele-%27stupid%27-to-rate-neymar-over-messi?cc=5901। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Maradona: Cristiano Ronaldo will never reach Messi's level"। Yahoo Sports। http://sports.yahoo.com/news/maradona-cristiano-ronaldo-never-reach-123900688--sow.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Hayward, Ben (১৯ ডিসেম্বর ২০১১)। "First Cristiano Ronaldo, then Neymar - Lionel Messi blows away his challengers as Barcelona complete perfect week by lifting Club World Cup"। Goal.com। http://www.goal.com/en/news/1717/editorial/2011/12/19/2808897/first-cristiano-ronaldo-then-neymar-lionel-messi-blows-away। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Reng, Ronald (২৭ মে ২০১১)। "Lionel Messi"। The Financial Times। http://www.ft.com/cms/s/2/cfa0d296-8672-11e0-9d5c-00144feabdc0.html#axzz1xRQZ4Y00। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Reng, Ronald (২৭ মে ২০১১)। "Lionel Messi"। The Financial Times। http://www.ft.com/cms/s/2/cfa0d296-8672-11e0-9d5c-00144feabdc0.html#axzz1xRQZ4Y00। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ২১৭.০ ২১৭.১ Saraf, Dhruv (৭ এপ্রিল ২০১২)। "Guardiola's Barcelona-Reinventing Total Football"। TheFalse9। http://thefalse9.blogspot.ca/2012/04/guardiolas-barcelona-reinventing-total.html। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Surlis, Patrick (২৯ জুন ২০১২)। "Lionel Messi names Pablo Aimar as his favourite - Cristiano Ronaldo a fan of Brazilian striker Ronaldo"। Give Me Football। http://www.givemefootball.com/190001-messi-ronaldo-reveal-favourite-players। সংগৃহীত ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel me prometió venir a mi cumple de quince después del Mundial" (in স্পেনীয়)। Gente Online। http://www.gente.com.ar/nota.php?ID=11359। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Aún le mueve el tapete a Messi" (in স্পেনীয়)। El Universal। ১৯ জুন ২০০৮। archived from the original on ৩১ মে ২০০৯। http://web.archive.org/web/20090531053417/http://www.vefutbol.com.mx/notas/16849.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Luciana Salazar, ¿la nueva novia de Messi?" (in স্পেনীয়)। El Comercio। ২০ জুন ২০০৮। http://elcomercio.pe/ediciononline/html/2008-06-20/luciana-salazar-la-nueva-novia-messi.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ২২২.০ ২২২.১ "Messi y Antonella pasean por el Carnaval de Sitges su noviazgo" (in স্পেনীয়)। El Periódico de Catalunya। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। archived from the original on ১০ জুন ২০০৯। http://web.archive.org/web/20090610003322/http://www.elperiodico.com/default.asp?idpublicacio_PK=46&idioma=CAS&idnoticia_PK=590154&idseccio_PK=1028। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi, a dicembre... sogni d'oro" (in ইতালীয়)। Calcio Mercato News। ২১ এপ্রিল ২০০৯। http://www.calciomercato.it/news/46787/Messi-a-dicembre-sogni-doro!.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "La verdad sobre la nueva novia de Messi" (in স্পেনীয়)। Taringa। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। http://www.taringa.net/posts/noticias/2213473/La-verdad-sobre-la-nueva-novia-de-Messi__.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi show...da papà!" (in ইতালীয়)। ৩ জুন ২০১২। http://www.gazzetta.it/Calcio_Estero/Primo_Piano/03-06-2012/messi-show-papa-vidal-fa-volare-cile-911422444067.shtml। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ২২৬.০ ২২৬.১ Thompson, Wright (৭ অক্টোবর ২০১২)। "Lionel Messi, Here & Gone"। ESPN FC। http://sports.espn.go.com/espn/eticket/story?page=Lionel-Messi। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi's girlfriend gives birth to baby boy -Thiago"। http://sports.ndtv.com/football/news/item/198785-lionel-messis-girlfriend-gives-birth-to-baby-boy-thiago। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Maxi afirma que Messi deve vir ao Brasil para vê-lo jogar" (in পতুগীজ)। Último Segundo। ২০ আগস্ট ২০০৭। http://ultimosegundo.ig.com.br/esportes/seu_time/flamengo/2007/08/20/maxi_afirma_que_messi_deve_vir_ao_brasil_para_ve_lo_jogar_972383.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Mayer, Claudius (২০ অক্টোবর ২০০৯)। "Hört mir auf mit Messi!" (in জার্মান)। TZ Online। http://www.tz-online.de/sport/fussball/tsv-1860/biancucchi-hoert-mir-mit-messi-auf-498339.html। সংগৃহীত ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Fundación Leo Messi – Nuestra Fundación"। Fundacíon Leo Messi। http://www.fundacionleomessi.org/nuestra-fundacion.php। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Fundación Leo Messi – Home"। Fundacíon Leo Messi। http://www.fundacionleomessi.org/index.php। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "UNICEF to announce Lionel Messi as Goodwill Ambassador"। Press centre। UNICEF। http://www.unicef.org/media/media_52938.html। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Press centre – UNICEF to announce Lionel Messi as Goodwill Ambassador"। UNICEF। http://www.unicef.org/media/media_52938.html। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi helps mission against child cancer"। Marca। ৯ মার্চ ২০১৩। http://www.marca.com/2013/03/09/en/football/barcelona/1362859034.html। সংগৃহীত ১৯ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ Peck, Brooks (২৩ মার্চ ২০১০)। "Davey Becks no longer the world's best paid footballer"। Yahoo!। http://sports.yahoo.com/soccer/blog/dirty-tackle/post/Davey-Becks-no-longer-the-world-s-best-paid-foot?urn=sow-229808। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi tops rich list ahead of Beckham – Sports – Football – ibnlive"। IBNLive। ২৩ মার্চ ২০১২। http://ibnlive.in.com/news/messi-tops-rich-list-ahead-of-beckham/242045-5-21.html। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Highest-Paid Footballers 2012 – Richest Footballers " The Richest People In The World 2012"। The Richest। http://www.therichest.org/sports/highest-paid-football-players/। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Konami names Messi as face of PES 2009"। Gamezine.co.uk। ১ আগস্ট ২০০৮। http://www.gamezine.co.uk/news-story/2008/08/01/konami-names-messi-as-face-of-pes-2009। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi"। PES Unites। archived from the original on ৩ জুন ২০০৯। http://web.archive.org/web/20090603173802/http://www.pesunites.com/eng/index.htm। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Orry, James (২৩ জুন ২০০৯)। "Torres signs for PES 2010"। Videogamer.com। http://www.videogamer.com/news/torres_signs_for_pes_2010.html। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Cardenas, Xoel (৬ জুলাই ২০১২)। "Lionel Messi on the Cover of FIFA 13"। http://bleacherreport.com/articles/1236579-fc-barcelona-lionel-messi-on-the-cover-of-fifa-13। সংগৃহীত ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Watch Zinedine Zidane and Lionel Messi in Adidas ad"। The Guardian (UK)। ২৭ মে ২০০৯। http://www.guardian.co.uk/media/video/2009/may/27/zidane-messi-adidas-ad। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Herbalife Becomes New Sponsor"। ২ জুন ২০১০। http://www.marketwatch.com/story/herbalife-becomes-new-sponsor-of-fc-barcelona-2010-06-02?reflink=MW_news_stmp। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi among Time's 100 most influential people"। inside World Soccer। ২১ এপ্রিল ২০১১। http://www.insideworldsoccer.com/2011/04/lionel-messi-among-times-100-most.html। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi among Time's 100 most influential people"। Time। ১৯ এপ্রিল ২০১২। http://www.time.com/time/specials/packages/article/0,28804,2111975_2111976_2112092,00.html। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Leo Messi launches Facebook page, nets 6m fans in 3 hours!"। inside World Soccer। ৭ এপ্রিল ২০১১। http://www.insideworldsoccer.com/2011/04/leo-messi-launches-facebook-page-nets.html। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi reaches 40 million fans on Facebook"। Live-match.org। ১৪ ডিসেম্বর ২০১২। http://live-match.org/page/messi-llega-a-40-millones-de-fans-en-facebook.html। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Gold replica of Lionel Messi's left foot on sale in Japan"। inside World Soccer। ৬ মার্চ ২০১৩। http://www.insideworldsoccer.com/2013/03/gold-replica-lionel-messi-left-foot-on-sale-japan.html। সংগৃহীত ৬ মে ২০১৩।
- ↑ ""Argentine Soccer Star Leo Messi Named Global Brand Ambassador For Turkish Airlines""। Turkish Airlines। ৬ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.turkishairlines.com/en-int/corporate/press-room/press-releases/15924/argentine-soccer-star-leo-messi-named-global-brand-ambassador-for-turkish-airlines। সংগৃহীত ৪ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Kobe vs Messi: Legends on Board - Turkish Airlines""। ৬ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.youtube.com/watch?v=ruav0KvQOOg। সংগৃহীত ৪ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ ""Lionel Messi to wear fan's boot design against Atlético""। http://www.insideworldsoccer.com/2012/12/messi-adidas-adizero-boots-atletico.html?m=1। সংগৃহীত ৪ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "adidas produces special edition Ballon d'Or boots for Lionel Messi"। inside World Soccer। ১১ জানুয়ারি ২০১৩। http://www.insideworldsoccer.com/2013/01/adidas-adizero-f50-golden-ballon-dor-lionel-messi-barcelona-malaga.html। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi stars in short ad for Japanese face wash"। inside World Soccer। ৩ জানুয়ারি ২০১৩। http://www.insideworldsoccer.com/2013/01/lionel-messi-stars-in-short-ad-for.html। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Leonel Messi, el prototipo del jugador total" (in স্পেনীয়)। El Mundo Deportivo। http://hemeroteca.elmundodeportivo.es/preview/2004/03/08/pagina-12/766444/pdf.html?search=Messi। সংগৃহীত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "'Pichichi' y centenario" (in স্পেনীয়)। El Mundo Deportivo। http://hemeroteca.elmundodeportivo.es/preview/2010/01/18/pagina-7/5259184/pdf.html?search=messi। সংগৃহীত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi Bio, Stats, News – Football / Soccer – – ESPN Soccernet"। ESPN Soccernet। http://soccernet.espn.go.com/player/_/id/45843/lionel-messi?cc=5901#ui-tabs-1। সংগৃহীত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "LFP: La Liga 2011/12 – Estadisticas Jugadores"। LFP। http://www.lfp.es/Estadisticas/EstadisticasJugadores.aspx। সংগৃহীত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi Bio, Stats, News - Football / Soccer"। ESPN FC। http://espnfc.com/player/_/id/45843/lionel-messi?cc=5739। সংগৃহীত ১৭ মার্চ ২০১৩।
- ↑ "Messi brilla otra vez con la Sub-20 albiceleste" (PDF)। El Mundo Deportivo। 4 July 2004। http://hemeroteca.mundodeportivo.com/preview/2004/07/05/pagina-8/767342/pdf.html।
- ↑ "Lionel Andrés Messi – Goals in International Matches"। RSSSF। http://www.rsssf.com/miscellaneous/messi-intlg.html। সংগৃহীত ৯ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi: A Career in Numbers"। Give Me Football। http://www.givemefootball.com/champions-league/lionel-messi-career-in-numbers। সংগৃহীত ৯ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Lionel Messi: Career Statistics"। ESPN Soccernet। http://soccernet.espn.go.com/player/_/id/45843/lionel-messi?cc=5901। সংগৃহীত ৯ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "IFFHS World's Top Goal Scorer 2011"। http://www.iffhs.de/?388d85ff0e003c4f05e91a55285fdcdc3bfcdc0aec70aeedb8a711। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "IFFHS World's best Top Division Goal Scorer 2012"। http://www.iffhs.de/?d85f94e8378cf047b0f02f08f07785fdcdc3bfcdc0aec70aeedb88388213। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ 30 de diciembre de 2012 15:27h। "Leo Messi y Vicente Del Bosque elegidos como 'Reyes de Europa' | Liga BBVA | AS.com"। Futbol.as.com। http://futbol.as.com/futbol/2012/12/30/primera/1356877647_256448.html। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi obtuvo el premio Olimpia de plata" (in স্পেনীয়)। Goal.com। ১৯ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.goal.com/es-ar/news/4442/argentinos-por-el-mundo/2012/12/19/3613210/messi-obtuvo-el-premio-olimpia-de-plata। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Clos, Jordi (১১ জুন ২০১২)। "Messi ends season with 82 goals"। FC Barcelona। http://www.fcbarcelona.com/football/first-team/detail/article/messi-ends-season-with-82-goals। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Superstar Messi scores 73rd goal"। News.com.au। ২৬ মে ২০১২। http://www.news.com.au/national/superstar-messi-scores-73rd-goal/story-fn7mjqus-1226367961642। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Suarez, Por Pilar (২০ নভেম্বর ২০১২)। "Lionel Messi ties Vivian Woodward" (in স্পেনীয়)। Goal.com। http://www.goal.com/es/news/25/champions-league/2012/11/20/3525876/lionel-messi-iguala-a-vivian-woodward। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi finally conjures up his goal-scoring magic for Argentina in 2012"। Fox News। ১৬ নভেম্বর ২০১২। http://www.foxnews.com/sports/2012/11/16/messi-finally-conjures-up-his-goal-scoring-magic-for-argentina-in-2012/। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Barcelona star Lionel Messi sets new goal-scoring record"। Guinness World Records। ১০ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.guinnessworldrecords.com/news/2012/12/barcelona-star-lionel-messi-sets-new-goalscoring-record-46285/। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Messi up to 88, Eibar knock Bilbao out"। FIFA। ১২ ডিসেম্বর ২০১২। http://www.fifa.com/worldfootball/clubfootball/news/newsid=1970710.html। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Elogios a un hombre récord" (in স্পেনীয়)। FIFA। ১৪ ডিসেম্বর ২০১২। http://es.fifa.com/newscentre/features/news/newsid=1969214/index.html?intcmp=newsreader_news_caption। সংগৃহীত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: লিওনেল মেসি |
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (ইংরেজি) (স্পেনীয়) (কাতালান)
- ফেসবুকে লিওনেল মেসি
- এফসি বার্সেলোনা প্রোফাইল
- বিডিফুটবল প্রোফাইল
- লা লিগা প্রোফাইল
- ট্রান্সফারমার্কট প্রোফাইল
- National-football-teams.com এ মেসি
- লিওনেল মেসি ক্যারিয়ার তথ্য
- ইএসপিএন প্রোফাইল
- লিওনেল মেসি – উয়েফা প্রতিযোগিতার রেকর্ড
- লিওনেল মেসি – ফিফা প্রতিযোগিতার রেকর্ড
- লিওনেল মেসি — ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ
| পুরস্কার ও স্বীকৃতি | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী ওয়েইন রুনি |
ফিফপ্রো বর্ষসেরা যুব খেলোয়াড় ২০০৬, ২০০৭, ২০০৮ |
উত্তরসূরী উত্তরসূরি নেই |
| পূর্বসূরী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো |
ফিফপ্রো বিশেষ যুব বর্ষসেরা খেলোয়াড় ২০০৭, ২০০৮ |
উত্তরসূরী সার্জিও অ্যাগুয়েরো |
| পূর্বসূরী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো |
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ সর্বোচ্চ গোলদাতা ২০০৮–০৯, ২০০৯–১০, ২০১০–১১, ২০১১–১১ |
উত্তরসূরী উত্তরসূরি নেই |
| পূর্বসূরী লুসিয়ানা আইমার |
অলিম্পিয়া দি অরো ২০১১ |
উত্তরসূরী সার্জিও মার্তিনেজ |
| পূর্বসূরী রাফায়েল নাদাল |
এল’ইকুইপ চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়ন্স ২০১১ |
উত্তরসূরী সেরেনা উইলিয়ামস (মহিলা) উসেইন বোল্ট (পুরুষ) |
| পূর্বসূরী উসেইন বোল্ট |
সেরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ ইএসপিওয়াই পুরস্কার ২০১২ |
উত্তরসূরী উত্তরসূরি নেই |
|
|
|||||
|
|||||
- স্পেনীয় ভাষার বহিঃসংযোগের সাথে নিবন্ধসমূহ
- কাতালান ভাষার বহিঃসংযোগের সাথে নিবন্ধসমূহ
- কাতালান ভাষার সাথে নিবন্ধসমূহের বহিঃসংযোগ
- ভালো নিবন্ধ
- ১৯৮৭-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ২০০৬ ফিফা বিশ্বকাপের খেলোয়াড়
- ২০০৭ কোপা আমেরিকার খেলোয়াড়
- ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপের খেলোয়াড়
- ২০১১ কোপা আমেরিকার খেলোয়াড়
- আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক ফুটবলার
- আর্জেন্টিনীয় দেশত্যাগী ফুটবল খেলোয়াড়
- স্পেনে আর্জেন্টিনীয় দেশত্যাগী খেলোয়াড়
- আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার
- ইতালীয় বংশদ্ভুত আর্জেন্টিনীয় মানুষ
- ফুটবল ফরোয়ার্ড
- ইউরোপীয় বর্ষসেরা ফুটবলার
- ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার
- স্পেনে প্রবাসী ফুটবল খেলোয়াড়
- এফসি বার্সেলোনা অ্যাথলেটিক ফুটবলার
- এফসি বার্সেলোনা সি ফুটবলার
- এফসি বার্সেলোনা ফুটবলার
- ২০০৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ফুটবলার
- লা লিগা খেলোয়াড়
- আর্জেন্টিনার অলিম্পিক ফুটবলার
- অলিম্পিকে আর্জেন্টিনার জন্য স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত
- ফুটবলে অলিম্পিক পদকপ্রাপ্ত
- রোসারিও, সান্তা ফে থেকে মানুষ
- পিচিচি ট্রফি বিজয়ী
- দ্বিতীয় বিভাগ বি ফুটবলার
- তৃতীয় বিভাগের ফুটবলার
- ইউনিসেফ মানুষ