দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 দক্ষিণ কোরিয়া
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম তায়েগেউক জিওন্সা (তায়েগেউক যোদ্ধা) (태극전사 / 太極戰士), এশিয়ার বাঘ, রেড ডেভিলস (붉은 악마)
অ্যাসোসিয়েশন কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
কনফেডারেশন এএফসি (এশিয়া)
প্রধান কোচ হিউ জুং-মু
অধিনায়ক পার্ক জি-সুং
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় হং মিউং-বো (১৩৬)
শীর্ষ গোলদাতা চা বাম-কুন (৫৫)
স্বাগতিক স্টেডিয়াম সিউল ওয়ার্ল্ড কাপ স্টেডিয়াম
ফিফা কোড KOR
ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৪৭
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৭ (ডিসেম্বর ১৯৯৮)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৫৬ (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬)
এলো রেটিং ২৫
সর্বোচ্চ এলো রেটিং ১৫ (সেপ্টেম্বর ১৯৮০, জুন ২০০২)
সর্বনিম্ন এলো রেটিং ৫৯ (আগস্ট ১৯৬৭)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 দক্ষিণ কোরিয়া ৫ – ১  হংকং
(হং কং; ৬ জুলাই, ১৯৪৮)
সর্বোচ্চ জয়
 দক্ষিণ কোরিয়া ১৬ – ০    নেপাল
(ইনচিওন, দক্ষিণ কোরিয়া; ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৩)
সর্বোচ্চ পরাজয়
 সুইডেন ১২ – ০  দক্ষিণ কোরিয়া
(লন্ডন, ইংল্যান্ড; ৫ আগস্ট, ১৯৪৮)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ৮ (প্রথম ১৯৫৪)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল চতুর্থ স্থান, ২০০২
এশিয়ান কাপ
উপস্থিতি ১১ (প্রথম ১৯৫৬)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯৫৬, ১৯৬০
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি ১ (প্রথম ২০০১)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল প্রথম পর্ব, ২০০১

দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় ফুটবল দল হল আন্তর্জাতিক ফুটবলে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি। দলটি ফিফার কাছে ইংরেজিতে Korea Rebublic বা কোরিয়া প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত।

দক্ষিণ কোরিয়া এখন পর্যন্ত আট বার ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করেছে। সেই সাথে এই দলটিই এশিয়ার একমাত্র দল যারা বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে উত্তীর্ণ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। দক্ষিণ কোরিয়াজাপানের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ২০০২ সালের বিশ্বকাপে দলটি এই গৌরব অর্জন করে। দক্ষিণ কোরিয়া একই সাথে এশিয়ার সবচেয়ে সফলতম একটি জাতীয় ফুটবল দল। দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজিত ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপে দলটি একমাত্র এশীয় দল যারা বাছাই পর্বে কোনো খেলায় না হেরেই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।[১] এছাড়াও দলটি এএফসি এশিয়ান কাপের প্রথম দুই আসরের শিরোপাধারী।

বিশ্বকাপ ইতিহাস[সম্পাদনা]

দক্ষিণ কোরিয়া এশিয়ার অন্যতম ফুটবল পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত। এশিয়ার বেশ কয়েকটি সম্মান জনক ফুটবল প্রতিযোগিতার শিরোপা জয় করেছে দলটি। এর মধ্যে আছে প্রথম দুইবারে এশিয়ান কাপ জয়। এছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়াই এশিয়ার একমাত্র দল যারা ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ থেকে ধারাবাহিকভাবে ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলে আসছে।

১৯৫৪ সালে দলটির প্রথম বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় তারা হাঙ্গেরিতুরস্কের বিপক্ষে দুটি খেলা অংশ নেয়। দুটি খেলাতেই তারা যথাক্রমে ৯–০ ও ৭–০ গোলে পরাজিত হয়। এরপর ৩২ বছর পরে তারা আবার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পায়। মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে তারা দ্বিতীয় বারের মতো অংশ নেয়। এবার তারা তুলনামূলকভাবে ভালো করে। প্রথম খেলায় তারা আর্জেন্টিনার সাথে ৩–১ গোলে পরাজিত হয়, দ্বিতীয় খেলায় বুলগেরিয়ার সাথে ১–১ গোলে ড্র করে, এবং তৃতীয় খেলায় ইতালির সাথে ৩–২ গোলে পরাজিত হয়।

২০০২ সালের ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আগ পর্যন্ত দলটি বিশ্বকাপের কোনো খেলায় জয়লাভ করতে পারেনি। সেবার দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানের সাথে যৌথভাবে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিলো।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Korean derby takes centre stage"। Fifa.com। 2008-01-20। সংগৃহীত 2008-02-07 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]