ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল
| ডাকনাম | ক্যানারিনিয়ো (ছোট ক্যানারি) আ সেলেকাও (নির্বাচিত) ভের্দে-আমারেলা (সবুজ ও হলুদ) দ্য সাম্বা কিংস (সাম্বার রাজা) |
||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| অ্যাসোসিয়েশন | কনফেদারাকাও ব্রাসিলিরা দে ফুতবল (ব্রাজিলীয় ফুটবল কনফেডারেশন) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| কনফেডারেশন | কনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকা) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| প্রধান কোচ | মানো মেনেজেস | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| অধিনায়ক | লুসিও | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় | কাফু (১৪২)[১][২] | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| শীর্ষ গোলদাতা | পেলে (৭৭)[২] | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| স্বাগতিক স্টেডিয়াম | মারাকানা মরুম্বি মিনিরাও মানে গ্যারিঞ্চা বেইরা-রিও সেরা দুরাদা কাস্তেলাও মানগুয়েইরাও আরুদা |
||||||||||||||||||||||||||||||||
| ফিফা কোড | BRA | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| ফিফা র্যাংকিং | ৩ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বোচ্চ ফিফা র্যাংকিং | ১ (মে ২০১০) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বনিম্ন ফিফা র্যাংকিং | ৮ (আগস্ট ১৯৯৩) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| এলো রেটিং | ২ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বোচ্চ এলো রেটিং | ১ (১ জুলাই, ২০১০) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বনিম্ন এলো রেটিং | ১৮ (নভেম্বর ২০০১) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা | |||||||||||||||||||||||||||||||||
(বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা; ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯১৪)[৩] |
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বোচ্চ জয় | |||||||||||||||||||||||||||||||||
(মেক্সিকো; ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৫)[৪] |
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বোচ্চ পরাজয় | |||||||||||||||||||||||||||||||||
(ভিনা দেল মার, চিলি; ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯২০) |
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| বিশ্বকাপ | |||||||||||||||||||||||||||||||||
| উপস্থিতি | ১৯ (প্রথম ১৯৩০) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| শ্রেষ্ঠ ফলাফল | বিজয়ী, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ২০০২ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| কোপা আমেরিকা | |||||||||||||||||||||||||||||||||
| উপস্থিতি | ৩২ (প্রথম ১৯১৬) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| শ্রেষ্ঠ ফলাফল | বিজয়ী, ১৯১৯, ১৯২২, ১৯৪৯, ১৯৮৯, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৪, ২০০৭ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| কনফেডারেশন্স কাপ | |||||||||||||||||||||||||||||||||
| উপস্থিতি | ৬ (প্রথম ১৯৯৭) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| শ্রেষ্ঠ ফলাফল | বিজয়ী, ১৯৯৭, ২০০৫, ২০০৯ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের প্রতিনিধি। এই দলটিকে নিয়ন্ত্রণে করে ব্রাজিলীয় ফুটবল কনফেডারেশন। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম দলটি হচ্ছে ব্রাজিল। এ পর্যন্ত দলটি পাঁচ বার (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ও ২০০২) বিশ্বকাপ জয় করেছে। ফুটবলের ব্যাপারে একটি সাধারণ উক্তি হচ্ছে: ‘The English invented it, the Brazilians perfected it.’,[৫] অর্থাৎ, ‘ইংল্যান্ডের আবিস্কার, আর ব্রাজিলের পরিপূর্ণতা দান’। ফিফা’র র্যাংকিংয়ে বর্তমানে দেশটির অবস্থান প্রথম। এছাড়ার এলো’র রেটিং অনুসারে ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর ফুটবল জাতি। এখন পর্যন্ত ব্রাজিল-ই একমাত্র দল যারা বিশ্বকাপের সবগুলো আসরে অংশগ্রহণ করেছে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
[সম্পাদনা] প্রাথমিক ইতিহাস
ব্রাজিলের জাতীয় দল তাদের প্রথম খেলাটি খেলে ১৯১৪ সালে। ব্রাজিলের রিউ দি জানেইরু ও সাঁউ পাউলু দলের মধ্য থেকে নির্বাচিত একটি দল ইংল্যান্ডের এক্সটার সিটি ফুটবল ক্লাবের সাথে একটি খেলায় অংশ নেয়। ফ্লামিনিনেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত[৬][৭] এই খেলায় ব্রাজিল ২-০ গোলে জয়ী হয়। ব্রাজিলের পক্ষে দুটো গোল করে অসওয়াল্ড গোমেজ ও ওসমান।[৮][৬][৭] অনেকে দাবি করে এই খেলাটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছিলো।[৯][১০] ভবিষ্যতের গৌরবজ্জল সাফল্যের তুলনায় শুরুর দিকে দলটির উপস্থিতি ছিলো খুবই নগন্য। ব্রাজিলীয় ফুটবলে পেশাদারিত্বের অভাবের কারণে একটি শক্তিসম্পন্ন দল গঠন করতে ব্রাজিলীয় ফুটবল ফেডারেশন তখন ব্যর্থ হয়েছিলো।
[সম্পাদনা] স্বর্ণযুগ এবং পেলে (১৯৫৮-১৯৭০)
১৯৫৮ সালে সুইডেনে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কোচ ভিসেটা ফিওলা দলে কিছু কঠোর নিয়ম আরোপ করেন। খেলোয়াড়দের চল্লিশটি ব্যাপার না করার আদেশ একটি তালিকা আকারে দেওয়া হয়। এসব নিয়মের মধ্যে ছিলো মাথায় হ্যাট পরিধান বা ছাতা ব্যবহার করা যাবে না, অফিসিয়াল ড্রেসে থাকা অবস্থায় ধূমপান করা যাবে না, দলের বাইরে থেকে পত্রিকা বা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা যাবে না ইত্যাদি। সেসময় ব্রাজিল ফুটবল দলই ছিলো একমাত্র দল যাদের নিজস্ব একজন মনঃস্তাত্বিক (কারণ ১৯৫০ সালের ফাইনালের দুঃসহ স্মৃতি তখনো কিছু খেলোয়াড়কে মানসিকভাবে অস্থিতিশীল করে রেখেছিলো) ও ডেন্টিস্ট (কারণ জাতিগত কারণে অনেক খেলোয়াড়েরই দাঁতের সমস্যায় ভুগতেন, এর ফলে দাঁতের সংক্রমণের কারণে তাঁদের মাঠের নৈপূণ্যতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতো) ছিলো। সেসময় বাছাইপর্বের খেলাগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য ব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধিকে ইউরোপে পাঠানো হয়েছিলো।
[সম্পাদনা] ধারাবাহিক সাফল্য (১৯৯৪-২০০২)
[সম্পাদনা] ১৯৯৪ বিশ্বকাপ
অনেকের কাছে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, ব্রাজিল দল আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৯৭০ সালের পর দীর্ঘ ২৪টি বছর বিশ্বকাপ জয় করতে পারেনি, এমন কী ফাইনালেও উঠতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে তারা সেই সৌভাগ্য ফিরে করে। সে সময় দলের আক্রমণভাগে খেলতেন সে সময়ের সেরা ফরোয়ার্ডরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রোমারিও, বেবেতো, দুঙ্গা, তাফারেল, এবং জোরগিনহো। ১৯৯৪ সালেই ব্রাজিল রেকর্ড চতুর্থ বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপ জয় করে। এই টুর্নামেন্টে ব্রাজিল শুরু থেকেই অত্যন্ত সাফল্যের সাথে খেলতে থাকে। গ্রুপ পর্ব থেকে উত্তোরণের পর ১৬ দেশের পর্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ১-০ তে জয়লাভ করে তাঁরা কোয়ার্টার ফাইনালের ওঠে। সেখানে নেদারল্যান্ডের সাথে উত্তেজনাপূর্ণ এক খেলায় ৩-২ গোলে জয়লাভ করে সেমিফাইলের জন্য উত্তীর্ণ হয় (এই খেলাটিকে ঐ টুর্নামেন্টের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলা হিসেবে বিবেচিত হয়)। এছাড়া সুইডেনকে তাঁরা সেমিফাইনালে ১-০ গোলে পরাজিত করে। অতঃপর ফাইনালে একটি চিরচেনা ক্ল্যাসিক প্রতিদ্বন্দিতার সৃষ্টি হয়—ব্রাজিল বনাম ইতালি। খেলাটি ০-০ গোলে ড্র হওয়ায় ট্রাইবেকারের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হয়। শেষ মুহুর্তে ইতালির আক্রমণভাগের খেলোয়াড় রবের্তো বাজ্জোর শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে, ব্রাজিল চতুর্থবারের মতো বিশ্ব চ্যাপিম্পয়ন হয়। সেই সাথে পুনরায় ফিরে আসে বিশ্ব ফুটবলে ব্রাজিলের আধিপত্যের যুগ।
[সম্পাদনা] ১৯৯৮ বিশ্বকাপ
ব্রাজিল ১৯৯৮ ফিফা বিশ্বকাপে রানার-আপ হয়। সেমিফাইনালে ব্রাজিল নেদারল্যান্ডের সাথে ড্র করে। এই ম্যাচে রোনালদো এবং প্যাট্রিক ক্লুভার্ট প্রত্যকেই নিজ নিজ দলের পক্ষে একটি করে গোল করে। ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হেরে যায়। এই ম্যাচে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ দুর্বল ছিল। জিনেদিন জিদান কর্নার কিক থেকে হেডের মাধ্যমে দুই গোল করে। ফাইনাল ম্যাচের কিছু পূর্বেই রোনালদো স্নায়ুরোগে ভুগছিলেন। উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে না পারায় অনেকেই রোনালদোকে প্রথম লাইনআপে রাখার ব্যাপারে সমালোচনা করেছিলেন।
[সম্পাদনা] ২০০৬ বিশ্বকাপ পরবর্তী যুগ
১৯৯৪ সালের ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য দুঙ্গাকে ২০০৬ সালের ২৪ জুলাই ব্রাজিলের নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।[১১] সহকারী কোচ হিসেবে দুঙ্গা তাঁর প্রাক্তন সহ খেলোয়াড় জোরগিনহোকে বেছে নেন। সেই বছরের আগস্টের ১৬ তারিখ নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিল খেলা দিয়ে কোচ হিসেবে দুঙ্গার অভিষেক খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এটিতে ব্রাজিল ১-১ গোলে ড্র করে।[১২] কোচ হিসেবে দুঙ্গার দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিলো অপেক্ষাকৃত কঠিন। ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই খেলায় ব্রাজিল মুখোমুখী হয় তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দী আর্জেন্টিনার। লন্ডনে আর্সেনালের নতুন এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই খেলায় ব্রাজিল ৩-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে।[১৩] ৫ সেপ্টেম্বর তাঁরা টটেনহ্যাম হটস্পারের হোয়াইট হার্ট মাঠে ওয়েলসকে ২-০ গোলে পরাজিত করে। পরবর্তীতে তাঁরা কুয়েতের ক্লাব আল-কুয়েতকে ৪-০, ইকুয়েডরকে ২-১, ও সুইজারল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে।
কোচ হিসেবে প্রথম পরাজয়ের মুখোমুখি হন ২০০৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। পর্তুগালের বিপক্ষে এক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ব্রাজিল পরাজিত হয়। সে সময় পর্তুগালের কোচ ছিলেন ব্রাজিলের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুই ফিলিপ স্কোলারি।[১৪] পরবর্তীতে সুইডেনে ব্রাজিল তাদের প্রথম পরাজয় থেকে ঘুরে দাঁড়ায় ও মার্চের ২৪ ও ২৭ তারিখ যথাক্রমে চিলি (৪-০) ও ঘানাকে (১-০) পরাজিত করে।[১৫]
[সম্পাদনা] ২০০৯ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ
২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে ব্রাজিল শিরোপা জয় করে। এই টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের শুরুটা খুব একটা স্বাচ্ছন্দপূর্ণ ছিলো না। প্রথম খেলায় তাঁরা মিশরের]] সাথে হারতে হারতে ৪-৩ গোলে জিতে যায়। খেলার শেষ মিনিটে এসে মিশরের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করার মাধ্যমে ব্রাজিলের এই জয় আসে। ব্রাজিলের বিপক্ষে আফ্রিকার কোনো ফুটবল দলের এক ম্যাচে তিন গোল করার ঘটনা সেটিই ছিলো প্রথম। পরবর্তীতে অবশ্য দলটি খুব ভালোভাবে ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করে। উভয়কেই ব্রাজিল ৩-০ গোলে হারায়। এছাড়া ব্রাজিল সেমিফাইনালে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজিত করার পর, ফাইনালে তারা পুনারায় যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হয়। উত্তেজনাপূর্ণ এই ফাইনালের প্রথমার্ধে ব্রাজিল ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধে তারা পুরোপুরিভাবে খেলায় ফিরে আসে ও দুইটি গোলই পরিশোধ করে। পরবর্তীতে খেলা শেষের ছয় মিনিট আগে লুসিও শিরোপাজয়ী গোলের সুবাদে ব্রাজিল ৩-২ গোলে তাদের তৃতীয় ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ জয় করে।[১৬] এই টুর্নামেন্টে প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন ব্রাজিলের কাকা ও সবচেয়ে বেশি গোল করেন ব্রাজিলের-ই লুইস ফ্যাবিয়ানো। তিনি পাঁচ ম্যাচে মোট পাঁচটি গোল করেন।
[সম্পাদনা] ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব
২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রোজারিওতে আর্জেন্টিনার নিজেদের মাঠে, আর্জেন্টিনাকে ৩-১ গোলে পরাজিত করার মাধ্যমে ব্রাজিল ২০১০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে থেকে মূলপর্বে উত্তীর্ণ হয়।[১৭]
[সম্পাদনা] ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ
২০০৯ সালের ৪ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লটারিতে ব্রাজিল জি গ্রুপে স্থান পায়। অনেকের মতে এটিই হচ্ছে এ বিশ্বকাপের গ্রুপ অফ ডেথ (Group of Death)। এই গ্রুপের হয়ে সেলেকাওরা তাদের প্রথম খেলাটি খেলবে ২০১০ সালের ১৫ জুন, উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে। এরপর ২০ জুন তারা খেলবে কোত দিভোয়ারের বিরুদ্ধে, এবং গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৫ জুন তারা খেলবে অপর শক্তিশালী দল পর্তুগালের বিরুদ্ধে।
|
[সম্পাদনা] ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ
স্বাগতিক দেশ হিসেবে ব্রাজিল ইতোমধ্যেই ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
[সম্পাদনা] পোষাকের রং
[সম্পাদনা] বিবর্তন
[সম্পাদনা] প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ রেকর্ড
সোনালি ব্যাকগ্রাউন্ডের লাইনগুলো ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন নির্দেশ করছে। স্বাগতিক দল হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে দলের ঘর লাল বর্ডারে সূচিত।
| ফিফা বিশ্বকাপ রেকর্ড | ||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বছর | পর্ব | অবস্থান | মোট খেলা | জয় | ড্র* | পরাজয় | গোল দিয়েছে | গোল খেয়েছে |
| প্রথম পর্ব | ৬ষ্ঠ | ২ | ১ | ০ | ১ | ৫ | ২ | |
১৯৩৪||প্রথম পর্ব||১৪তম||১||০||০||১||১||৩ |
||||||||
১৯৩৮||সেমি ফাইনাল||৩য়||৫||৩||১||১||১৪||১১ |
||||||||
| ফাইনাল | ২য় | ৬ | ৪ | ১ | ১ | ২২ | ৬ | |
| কোয়ার্টার ফাইনাল | ৫ম | ৩ | ১ | ১ | ১ | ৮ | ৫ | |
| চ্যাম্পিয়ন | ১ম | ৬ | ৫ | ১ | ০ | ১৬ | ৪ | |
| চ্যাম্পিয়ন | ১ম | ৬ | ৫ | ১ | ০ | ১৪ | ৫ | |
| প্রথম পর্ব | ১১তম | ৩ | ১ | ০ | ২ | ৪ | ৬ | |
| চ্যাম্পিয়ন | ১ম | ৬ | ৬ | ০ | ০ | ১৯ | ৭ | |
| সেমি ফাইনাল | ৪র্থ | ৭ | ৩ | ২ | ২ | ৬ | ৪ | |
| সেমি ফাইনাল | ৩য় | ৭ | ৪ | ৩ | ০ | ১১ | ৩ | |
| দ্বিতীয় পর্ব | ৫ম | ৫ | ৪ | ০ | ১ | ১৫ | ৬ | |
| কোয়ার্টার ফাইনাল | ৫ম | ৫ | ৪ | ১ | ০ | ১০ | ১ | |
১৯৯০||১৬ দলের পর্ব||৯ম||৪||৩||০||১||৪||২ |
||||||||
| চ্যাম্পিয়ন | ১ম | ৭ | ৫ | ২ | ০ | ১১ | ৩ | |
১৯৯৮||ফাইনাল||২য়||৭||৪||১||২||১৪||১০ |
||||||||
| চ্যাম্পিয়ন | ১ম | ৭ | ৭ | ০ | ০ | ১৮ | ৪ | |
| কোয়ার্টার ফাইনাল | ৫ম | ৫ | ৪ | ০ | ১ | ১০ | ২ | |
| কোয়ার্টার ফাইনাল | ৬ষ্ঠ | ৫ | ৩ | ১ | ১ | ৯ | ৪ | |
| নির্বাচিত | – | – | – | – | – | – | – | |
| সর্বমোট | ২০/২০ | ৫টি শিরোপা | ৯২ | ৬৪ | ১৪ | ১৪ | ২০১ | ৮৪ |
(*পেনাল্টি কিকের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হওয়া ম্যাচগুলোকে ড্র হিসেবে ধরা হয়েছে।)
[সম্পাদনা] খেলোয়াড়
[সম্পাদনা] বর্তমান দল
নিচের ২৩ জন খেলোয়াড় জুনে অনুষ্ঠিতব্য ২০১০ সালের বিশ্বকাপের জন্য মনোনীত ব্রাজিল দলে স্থান পেয়েছে। এছাড়া সংরক্ষিত খেলোয়াড় অংশে আরো ৭ জন রয়েছেন, যাঁদেরকে বিশেষ কারণবশত দলে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
(ম্যাচ ও গোলের সংখ্যা ২ মার্চ, ২০১০ পর্যন্ত অনুসারে লেখা হয়েছে।)
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
[সম্পাদনা] সংরক্ষিত খেলোয়াড়
|
[সম্পাদনা] সবচেয়ে বেশি খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড়
নিচে ২ মার্চ, ২০১০ পর্যন্ত ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড়গণের তালিকা দেওয়া হয়েছে।[২]
| ক্রম | নাম | কার্যকাল | ম্যাচ সংখ্যা | গোল |
|---|---|---|---|---|
| ১ | কাফু | ১৯৯০-২০০৬ | ১৪২ | ৫ |
| ২ | রবার্তো কার্লোস | ১৯৯২-২০০৬ | ১২৫ | ১১ |
| ৩ | ক্লদিও তাফারেল | ১৯৮৭-১৯৯৮ | ১০১ | ০ |
| ৪ | জালমা সাঁতুস | ১৯৫২-১৯৬৮ | ৯৮ | ৩ |
| ৫ | রোনালদো | ১৯৯৪-২০০৬ | ৯৭ | ৬২ |
| ৬ | গিলমার | ১৯৫৩-১৯৬৯ | ৯৪ | ০ |
| ৭ | পেলে | ১৯৫৭-১৯৭১ | ৯২ | ৭৭ |
| ৮ | রবার্তো রিভেলিনো | ১৯৬৫-১৯৭৮ | ৯২ | ২৬ |
| ৯ | দিদা | ১৯৯৫-২০০৬ | ৯১ | ০ |
| ১০ | দুঙ্গা | ১৯৮২-১৯৯৮ | ৯১ | ৬ |
| ১১ | লুসিও* | ২০০০-বর্তমান | ৮৯ | ৪ |
| ১২ | রোনালদিনিয়ো* | ১৯৯৯-বর্তমান | ৮৭ | ৩২ |
| ১৩ | গিলবার্তো সিলভা* | ২০০১-বর্তমান | ৮৬ | ৩ |
| ১৪ | জে রবার্তো | ১৯৯৫-২০০৬ | ৮৪ | ৬ |
| ১৫ | আলদাইর | ১৯৮৯-২০০০ | ৮১ | ৩ |
| ১৬ | জায়েরজিনিয়ো | ১৯৬৩-১৯৮২ | ৮১ | ৩৩ |
| ১৭ | এমারসন লিয়াও | ১৯৭০-১৯৮৬ | ৮০ | ০ |
| ১৮ | কাকা* | ২০০২-বর্তমান | ৭৬ | ২৬ |
| ১৯ | বেবেতো | ১৯৮৫-১৯৯৮ | ৭৫ | ৩৯ |
| ২০ | নিলতন সাঁতুস | ১৯৪৯-১৯৬২ | ৭৫ | ৩ |
(*তারকা খচিত খেলোয়াড়দের বর্তমানে জাতীয় দলে সুযোগ পাবার সম্ভাবনা রয়েছে।)
[সম্পাদনা] সবচেয়ে বেশি গোলপ্রাপ্ত খেলোয়াড়
নিচের তালিকায় ২ মার্চ, ২০১০ পর্যন্ত ব্রাজিলের পক্ষে সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড়দের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।[২]
| ক্রম | নাম | কার্যকাল | গোল | ম্যাচ সংখ্যা |
|---|---|---|---|---|
| ১ | পেলে | ১৯৫৭-১৯৭১ | ৭৭ | ৯২ |
| ২ | রোনালদো* | ১৯৯৪-২০০৬ | ৬২ | ৯৭ |
| ৩ | রোমারিও | ১৯৮৭-২০০৫ | ৫৫ | ৭০ |
| ৪ | জিকো | ১৯৭১-১৯৮৯ | ৫২ | ৭২ |
| ৫ | বেবেতো | ১৯৮৫-১৯৯৮ | ৩৯ | ৭৫ |
| ৬ | রিভালদো | ১৯৯৩-২০০৩ | ৩৪ | ৭৪ |
| ৭ | জায়েরজিনিয়ো | ১৯৬৩-১৯৮২ | ৩৩ | ৮১ |
| ৮ | আদেমির | ১৯৪৫-১৯৫৩ | ৩১ | ৩৯ |
| ৯ | রোনালদিনিয়ো* | ১৯৯৯-বর্তমান | ৩২ | ৮৭ |
| ১০ | তোস্তাঁউ | ১৯৬৬-১৯৭২ | ৩২ | ৫৪ |
| ১১ | জিজিনিয়ো | ১৯৪২-১৯৫৭ | ৩০ | ৫৩ |
| ১২ | কারেকা | ১৯৮২-১৯৯৩ | ২৯ | ৬০ |
| ১৩ | আদ্রিয়ানো* | ২০০০-বর্তমান | ২৭ | ৪৮ |
| ১৪ | কাকা* | ২০০২-বর্তমান | ২৬ | ৭৬ |
| ১৫ | রিভেলিনো | ১৯৬৫-১৯৭৮ | ২৬ | ৯২ |
| ১৬ | লুইস ফ্যাবিয়ানো* | ২০০৩-বর্তমান | ২৫ | ৩৬ |
| ১৭ | জায়ের | ১৯৪০-১৯৫০ | ২২ | ৩৯ |
| ১৮ | সক্রেতিস | ১৯৭৯-১৯৮৬ | ২২ | ৬০ |
| ১৯ | লিওনাইডাস দা সিলভা | ১৯৩২-১৯৪৬ | ২১ | ২৩ |
| ২০ | রবার্তো দিনামিতে | ১৯৭৫-১৯৮৪ | ২০ | ৩০ |
| ২১ | ডিডি | ১৯৫২-১৯৬২ | ২০ | ৬৮ |
| ২২ | রবিনিয়ো* | ২০০৩-বর্তমান | ২০ | ৭৩ |
(*তারকাখচিত খেলোয়াড়দের এখনো নির্বাচিত হবার সুযোগ আছে।)
[সম্পাদনা] ব্রাজিল ফুটবল মিউজিয়াম হল অফ ফেইম
নিচের ব্রাজিলীয় ফুটবল খেলোয়াড়গণ ২০০৮ সালের অক্টোবরে ব্রাজিলের প্যাকিম্বু ব্রাজিলিয়ান ফুটবল মিউজিয়াম হল অফ ফেইম-এ স্থান পেয়েছেন।[১৮]
সম্মানজনক ‘হিরোস অফ ব্রাজিলিয়ান ফুটবল’ অংশে স্থান পেয়েছেন আরো দুইজন। তাঁরা হচ্ছেন:
[সম্পাদনা] প্রশিক্ষকবৃন্দ
(বিশ্বকাপজয়ী কোচদের নাম গাঢ় অক্ষরে লেখা হয়েছে।)
- অ্যাডহেমার পিমেন্টা (১৯৩৬-১৯৩৮; ১৯৪২)
- ফ্ল্যাভিও কস্তা (১৯৪৪-১৯৫০; ১৯৫৫; ১৯৫৬)
- জেজে মোরেইরা (১৯৫২; ১৯৫৪-১৯৫৫)
- আইমুর মোরেইরা (১৯৫৩)
- ভিসেন্তে ফিওলা (১৯৫৫)
- অসভাল্ডো ব্রান্দাও (১৯৫৫-১৯৫৬; ১৯৫৭)
- তেতে (১৯৫৬)
- সিলভিয়ো পিরিল্লো (১৯৫৭)
- পেদ্রিনিয়ো (১৯৫৭)
- ভিসেন্তে ফিওলা – ১৯৫৮ ফিফা বিশ্বকাপ (১৯৫৮-১৯৬০)
- আইমুর মোরেইরা – ১৯৬২ ফিফা বিশ্বকাপ (১৯৬১-১৯৬৩)
- ভিসেন্তে ফিওলা (১৯৬৪-১৯৬৭)
- ডোরিভাল ইউসট্রিচ (১৯৬৮)
- হোয়াও স্যালদানহা (১৯৬৯-১৯৭০)
- মারিও জাগালো – ১৯৭০ ফিফা বিশ্বকাপ (১৯৭০-১৯৭৪; ২০০২)
- অসভালদো ব্রান্দাও (১৯৭৫-১৯৭৭)
- ক্লদিও কটিনিয়ো (১৯৭৭-১৯৮০)
- তেলে সান্তানা (১৯৮০-১৯৮২)
- কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা (১৯৮৩)
- এদু (১৯৮৩-১৯৮৪)
- এভারিস্তো দে মেসিদো (১৯৮৪-১৯৮৫)
- তেলে সান্তানা (১৯৮৫-১৯৮৬)
- কার্লোস আলবার্তো সিলভা (১৯৮৭-১৯৮৮)
- সেবাস্তিয়াও ল্যাজারনি (১৯৮৯-১৯৯০)
- পাউলো রবার্তো ফালকাও (১৯৯১)
- কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা – ১৯৯৪ ফিফা বিশ্বকাপ (১৯৯১-১৯৯৪)
- মারিও জাগালো (১৯৯৫-১৯৯৮)
- ভ্যান্ডারলেই লুক্সেমবার্গো (১৯৯৮-২০০০)
- এমারসন লিয়াও (২০০০-২০০১)
- লুইজ ফিলিপ স্কোলারি – ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ (২০০১-২০০২)
- কার্লোস আলবার্তো পেরেইরা (২০০২-২০০৬)
- দুঙ্গা (২০০৬-২০১০)
- মানো মেনেজেস (২০১০-বর্তমান)
[সম্পাদনা] সম্মান
[সম্পাদনা] জ্যেষ্ঠ দল
[সম্পাদনা] প্রাতিষ্ঠানিক টাইটেল
[সম্পাদনা] ফ্রেন্ডলি টাইটেল
- টাকা ইন্ডিপেন্ডেনসিয়া:
- বিজয়ী (১): ১৯৭২
- টাকা দো আটলান্টিকো:
- বিজয়ী (৩): ১৯৫৬, ১৯৭০, ১৯৭৬
[সম্পাদনা] অলিম্পিক দল
- গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক দল:[২২]
- রৌপ্য পদক (২): ১৯৪৮, ১৯৮৮
- ব্রোঞ্জ পদক (২): ১৯৯৬, ২০০৮
- প্যান আমেরিকান গেমস:
- বিজয়ী (৪): ১৯৬৩, ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৭
- কনমেবোল মেন প্রি-অলিম্পিক টুর্নামেন্ট:
- বিজয়ী (৭): ১৯৬৮, ১৯৭১, ১৯৭৬, ১৯৮৪, ১৯৮৭, ১৯৯৬, ২০০০
[সম্পাদনা] টীকা
- ↑ Marcos Evangelista de Morais "CAFU" – Century of International Appearances. প্রকাশক: RSSSF. 2006-07-23. http://www.rsssf.com/miscellaneous/cafu-intl.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-23.
- ↑ ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ Brazil – Record International Players. প্রকাশক: RSSSF. 2008-11-07. http://www.rsssf.com/miscellaneous/braz-recintlp.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-10.
- ↑ Argentina versus Brazil. প্রকাশক: FIFA.com. http://www.fifa.com/worldfutbol/statisticsandrecords/headtohead/team1=ARG/team2=BRA/index.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-05.
- ↑ Napoleão, Antônio Carlos; Assaf, Roberto (2006). Seleção Brasileira 1914–2006. প্রকাশক: Mauad X. (São Paulo). p. 72. ISBN 85-7478-186-X.
- ↑ The birth of a revolution. প্রকাশক: FIFA.com. 2008-07-01. http://www.fifa.com/newscentre/news/newsid=820402.html?cid=rssfeed&att=। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-02-19.
- ↑ ৬.০ ৬.১ Dart, Tom (2004-05-31). Magic of Brazil comes to a corner of Devon. প্রকাশক: The Times. (London). http://www.timesonline.co.uk/tol/sport/football/article436860.ece। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-15.
- ↑ ৭.০ ৭.১ Bellos, Alex (2004-05-31). Grecians paved way despite kick in teeth. প্রকাশক: The Guardian. (London os). http://www.guardian.co.uk/football/2004/may/31/sport.comment1। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-15.
- ↑ Bellos, Alex (2002). Futebol: the Brazilian way of life. প্রকাশক: Bloomsbury. (London). pp. 37. আইএসবিএন 0-7475-6179-6.
- ↑ Exeter fix dream date against Brazil. প্রকাশক: The Daily Telegraph. (London). 2004-04-23. http://www.telegraph.co.uk/sport/2377529/Exeter-fix-dream-date-against-Brazil.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-20.
- ↑ Demetriou, Danielle (2004-05-31). Brazil's past masters out-samba Exeter in 90-year rematch. প্রকাশক: The Independent. (London). http://www.independent.co.uk/sport/football/news-and-comment/brazils-past-masters-outsamba-exeter-in-90year-rematch-565306.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-05-20.
- ↑ Dunga completa dois anos na seleção garantindo ser um desafio ganhar o ouro (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Globo Esporte. 2009-07-24. http://globoesporte.globo.com/Esportes/Noticias/Times/Selecao_Brasileira/0,,MUL690880-15071,00-DUNGA+COMPLETA+DOIS+ANOS+NA+SELECAO+GARANTINDO+SER+UM+DESAFIO+GANHAR+O+OURO.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-05.
- ↑ Na estréia de Dunga, Brasil empata com Noruega (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Globo Esporte. 2006-08-16. http://oglobo.globo.com/esportes/mat/2006/08/16/285297743.asp। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-27.
- ↑ Dunga fica surpreso com atuação do Brasil contra Argentina (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: UOL. 2006-09-03. http://noticias.uol.com.br/ultnot/internacional/2006/09/03/ult27u57618.jhtm। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-27.
- ↑ Portugal impõe a Dunga sua primeira derrota à frente da seleção (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Universo Online. 2007-02-06. http://esporte.uol.com.br/futebol/ultimas/2007/02/06/ult59u112728.jhtm। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-05.
- ↑ Seleção Brasileira embarca para Frankfurt (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Terra. 2007-03-28. http://esportes.terra.com.br/interna/0,,OI1512746-EI1958,00.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-05.
- ↑ "USA 2–3 Brazil". BBC Sport. 2009-06-28. http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/football/internationals/8120561.stm। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-06-28.
- ↑ Brazil ensure qualification, Argentina in distress. ESPN. 2009-09-05. http://soccernet.espn.go.com/report?id=230068&cc=5739&league=FIFA.WORLDQ.CONMEBOL। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-10-15.
- ↑ Conheça os Anjos (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Museu do Futebol. http://www.museudofutebol.org.br/historia/index.php?option=com_content&view=article&id=168%3Aconheca-os-anjos&catid=56%3Aanjos-barrocos&Itemid=393&lang=pt। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-03.
- ↑ Domingos da Guia (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Museu do Futebol. http://www.museudofutebol.org.br/historia/index.php?option=com_content&view=article&id=278%3Adomingos-da-guia&catid=116%3Aherois-brasileiros&Itemid=361&lang=pt। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-03.
- ↑ Leônidas da Silva (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Museu do Futebol. http://www.museudofutebol.org.br/historia/index.php?option=com_content&view=article&id=279&Itemid=362&lang=pt। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-03.
- ↑ Sala de Troféus da CBF (Portuguese ভাষায়). প্রকাশক: Confederação Brasileira de Futebol (CBF). http://www.cbf.com.br/salao/। সংগৃহীত হয়েছে: 2009-01-05.
- ↑ Since 1992, squads for Football at the Summer Olympics have been restricted to three players over the age of 23. The achievements of such teams are not usually included in the statistics of the international team.
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
Ruy Castro, Andrew Downie (translator) (2005). Garrincha – The triumph and tragedy of Brazil's forgotten footballing hero. প্রকাশক: Yellow Jersey Press, London. আইএসবিএন 0-224-06433-9.
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
- ফিফার প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে ব্রাজিল
- ব্রাজিলিয়ান ফুটবল মিউজিয়াম হল অফ ফেম
- ব্রাজিল আয়োজিত ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ
- বিশ্বকাপে ব্রাজিল
- ব্রাজিলিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট
- আরএসএসএসএফ ব্রাজিল
- ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ও সর্বাধিক গোলকৃত খেলোয়াড়দের আর্কাইভ
- ব্রাজিলীয় ফুটবল সম্পর্কে সবকিছু — সাম্বাফুট ডট কম
- ব্রাজিলীয় সমাজ, রেডিওফাভেলা-এর একটি পডকাস্ট যা ব্রাজিলীয় সমাজে ফুটবলের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেছে।
- রোনালদোর ফুটবলশৈলী সম্পর্কিত তথ্যচিত্র