ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 ব্রাজিল
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম ক্যানারিনিয়ো
(ছোট ক্যানারি)
আ সেলেসাও
(নির্বাচিত)
ভের্দে-আমারেলা
(সবুজ ও হলুদ)
দ্য সাম্বা কিংস
(সাম্বার রাজা)
অ্যাসোসিয়েশন কনফেদারাকাও ব্রাসিলিরা দে ফুতবল (ব্রাজিলীয় ফুটবল কনফেডারেশন)
কনফেডারেশন কনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকা)
প্রধান কোচ লুইজ ফেলিপে স্কলারি
অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় কাফু (১৪২)[১][২]
শীর্ষ গোলদাতা পেলে (৭৭)[২]
স্বাগতিক স্টেডিয়াম মারাকানা
মরুম্বি
মিনিরাও
মানে গ্যারিঞ্চা
বেইরা-রিও
সেরা দুরাদা
কাস্তেলাও
মানগুয়েইরাও
আরুদা
ফিফা কোড BRA
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১ (১৫১ বার, ধারাবাহিকভাবে ৭ বার) (মে ২০১০)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ২২ (জুন, ২০১৩)
এলো রেটিং
সর্বোচ্চ এলো রেটিং (১ জুলাই, ২০১০)
সর্বনিম্ন এলো রেটিং ১৮ (নভেম্বর ২০০১)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 আর্জেন্টিনা ৩ – ০  ব্রাজিল
(বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা; ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯১৪)[৩]
সর্বোচ্চ জয়
 ব্রাজিল ১৪ – ০ নিকারাগুয়া 
(মেক্সিকো; ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৫)[৪]
সর্বোচ্চ পরাজয়
 উরুগুয়ে ৬ – ০  ব্রাজিল
(ভিনা দেল মার, চিলি; ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯২০)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ১৯ (প্রথম ১৯৩০)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ২০০২
কোপা আমেরিকা
উপস্থিতি ৩২ (প্রথম ১৯১৬)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯১৯, ১৯২২, ১৯৪৯, ১৯৮৯, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৪, ২০০৭
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি ৭ (প্রথম ১৯৯৭)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯৯৭, ২০০৫, ২০০৯, ২০১৩

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল (পর্তুগিজ: Seleção Brasileira) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্বকারী ফুটবল দল। এই দলটিকে নিয়ন্ত্রণে করে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। ১৯২৩ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা’র সদস্য হয়। এরপূর্বেই ১৯১৬ সাল থেকে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন কনমেবলের অন্যতম সদস্য দেশ। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম দলটি হচ্ছে ব্রাজিল। এ পর্যন্ত দলটি পাঁচবার (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪২০০২) বিশ্বকাপ জয় করেছে যা একটি রেকর্ড[৫] ফুটবলের ব্যাপারে একটি সাধারণ উক্তি হচ্ছে: ‘The English invented it, the Brazilians perfected it.’,[৬] অর্থাৎ, ‘ইংল্যান্ডের আবিষ্কার, আর ব্রাজিলের পরিপূর্ণতা দান’। ফিফা’র বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে দেশটির অবস্থান তৃতীয়। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই দলটি শীর্ষস্থানে ছিল। এছাড়া এলো’র রেটিং অনুসারে ব্রাজিল বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর ফুটবল জাতি। এখন পর্যন্ত ব্রাজিল-ই একমাত্র দল যারা বিশ্বকাপের সবগুলো আসরেই অংশগ্রহণ করেছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাথমিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, ব্রাজিলের জাতীয় দলটি তাদের প্রথম খেলাটি খেলে ১৯১৪ সালে। ব্রাজিলের রিউ দি জানেইরুসাঁউ পাউলু দলের মধ্য থেকে নির্বাচিত একটি দল ইংল্যান্ডের এক্সটার সিটি ফুটবল ক্লাবের সাথে একটি খেলায় অংশ নেয়। ফ্লামিনিনেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত[৭][৮] এই খেলায় ব্রাজিল ২-০ গোলে জয়ী হয়। ব্রাজিলের পক্ষে দুটো গোল করে অসওয়াল্ড গোমেজওসমান[৭][৮][৯] অনেকে দাবি করেন যে, এই খেলাটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছিলো।[১০][১১] ভবিষ্যতের গৌরবোজ্জল সাফল্যের তুলনায় শুরুর দিকে দলটির উপস্থিতি ছিলো খুবই নগণ্য। ব্রাজিলীয় ফুটবলে পেশাদারিত্বের অভাবের কারণে একটি শক্তিসম্পন্ন দল গঠন করতে ব্রাজিলীয় ফুটবল ফেডারেশন তখন ব্যর্থ হয়েছিলো।

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৫৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিল দল পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মপ্রকাশ করে। গেল আসরের মারাকানায় পরাজিত হওয়ার বেদনা ভুলে নিল্টন সাঁতোস, দালমা সাঁতোস, দিদি’র ন্যায় একগুচ্ছ প্রতিভাবান ফুটবলারদেরকে নিয়ে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু, দলটি খুব বেশী দূর অগ্রসর হতে পারেনি। কোয়ার্টার-ফাইনালে শীর্ষস্থানীয় হাঙ্গেরি দল ৪-২ ব্যবধানে ব্রাজিলকে পরাজিত করে। এ খেলাটি ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে কদর্যপূর্ণ খেলারূপে বিবেচিত হয় ও অমর্যাদাকরভাবে বার্নের যুদ্ধ নামে পরিচিতি পায়।[১২]

স্বর্ণযুগ এবং পেলে (১৯৫৮-১৯৭০)[সম্পাদনা]

১৯৫৮ সালে সুইডেনে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কোচ ভিসেন্তে ফিওলা দলে কিছু কঠোর নিয়ম আরোপ করেন। খেলোয়াড়দের চল্লিশটি ব্যাপার না করার আদেশ একটি তালিকা আকারে দেওয়া হয়। এসব নিয়মের মধ্যে ছিলো মাথায় হ্যাট পরিধান বা ছাতা ব্যবহার করা যাবে না, অফিসিয়াল ড্রেসে থাকা অবস্থায় ধূমপান করা যাবে না, দলের বাইরে থেকে পত্রিকা বা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা যাবে না ইত্যাদি। সেসময় ব্রাজিল ফুটবল দলই ছিলো একমাত্র দল যাদের নিজস্ব একজন মনঃস্তাত্বিক (কারণ ১৯৫০ সালের ফাইনালের দুঃসহ স্মৃতি তখনো কিছু খেলোয়াড়কে মানসিকভাবে অস্থিতিশীল করে রেখেছিলো) ও ডেন্টিস্ট (কারণ জাতিগত কারণে অনেক খেলোয়াড়েরই দাঁতের সমস্যায় ভুগতেন, এর ফলে দাঁতের সংক্রমণের কারণে তাঁদের মাঠের নৈপূণ্যতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতো) ছিলো। সেসময় বাছাইপর্বের খেলাগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য ব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধিকে ইউরোপে পাঠানো হয়েছিলো।

ধারাবাহিক সাফল্য (১৯৯৪-২০০২)[সম্পাদনা]

১৯৯৪ বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

অনেকের কাছে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, ব্রাজিল দল আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৯৭০ সালের পর দীর্ঘ ২৪টি বছর বিশ্বকাপ জয় করতে পারেনি, এমন কী ফাইনালেও উঠতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে তারা সেই সৌভাগ্য ফিরে আনে। সে সময় দলের আক্রমণভাগে খেলতেন সে সময়ের সেরা ফরোয়ার্ডরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রোমারিও, বেবেতো, দুঙ্গা, তাফারেল, এবং জোরগিনহো। ১৯৯৪ সালেই ব্রাজিল রেকর্ড চতুর্থবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপ জয় করে। এই টুর্নামেন্টে ব্রাজিল শুরু থেকেই অত্যন্ত সাফল্যের সাথে খেলতে থাকে। গ্রুপ পর্ব থেকে উত্তোরণের পর ১৬ দেশের পর্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ১-০ তে জয়লাভ করে তাঁরা কোয়ার্টার ফাইনালের ওঠে। সেখানে নেদারল্যান্ডের সাথে উত্তেজনাপূর্ণ এক খেলায় ৩-২ গোলে জয়লাভ করে সেমিফাইনালের জন্য উত্তীর্ণ হয় (এই খেলাটিকে ঐ টুর্নামেন্টের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলা হিসেবে বিবেচিত হয়)। এছাড়া সুইডেনকে তাঁরা সেমিফাইনালে ১-০ গোলে পরাজিত করে। অতঃপর ফাইনালে একটি চিরচেনা ক্ল্যাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সৃষ্টি হয়—ব্রাজিল বনাম ইতালি। খেলাটি ০-০ গোলে ড্র হওয়ায় ট্রাইবেকারের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হয়। শেষ মুহুর্তে ইতালির আক্রমণভাগের খেলোয়াড় রবের্তো বাজ্জোর শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে, ব্রাজিল চতুর্থবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। সেই সাথে পুণরায় ফিরে আসে বিশ্ব ফুটবলে ব্রাজিলের আধিপত্যের যুগ।

১৯৯৮ বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

ব্রাজিল ১৯৯৮ ফিফা বিশ্বকাপে রানার-আপ হয়। সেমিফাইনালে ব্রাজিল নেদারল্যান্ডের সাথে ড্র করে। এই ম্যাচে রোনালদো এবং প্যাট্রিক ক্লুভার্ট প্রত্যেকেই নিজ নিজ দলের পক্ষে একটি করে গোল করে। ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হেরে যায়। এই ম্যাচে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ দুর্বল ছিল। জিনেদিন জিদান কর্নার কিক থেকে হেডের মাধ্যমে দুই গোল করে। ফাইনাল ম্যাচের কিছু পূর্বেই রোনালদো স্নায়ুরোগে ভুগছিলেন। উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে না পারায় অনেকেই রোনালদোকে প্রথম লাইন-আপে রাখার ব্যাপারে সমালোচনা করেছিলেন।

২০০২ বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

বাছাই পর্বের মাত্র পাঁচটি খেলা হাতে রেখে ঐসময় বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন নিয়ে ব্রাজিল বিরাট সংশয়ে ছিল। ২০০১ সালে লুইজ ফেলিপে স্কলারি কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম ম্যাচেই ব্রাজিল উরুগুয়ের কাছে ০-১ গোলে হেরে গেলে সঙ্কট আরও ঘনীভূত হয়। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল মূলপর্বে উত্তীর্ণ হতে সমর্থ হয়।

বিশ্বকাপের জন্য চূড়ান্ত দল ঘোষণা করার আগে প্রবল জনমত উপেক্ষা করে তিনি বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার রোমারিওকে দলে নিতে অস্বীকৃতি জানান। এমনকি রোমারিও নিজেও কান্নাজড়ানো কন্ঠে আবেদন জানালে স্কলারি তা নাকচ করে দেন।[১৩] বিশ্বকাপ শুরুর আগে ব্রাজিলকে তুলনামূলকভাবে দুর্বল দল হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছিল। কিন্তু একে-একে তুরস্ক, চীন, কোস্টারিকা, বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড এবং সেমি-ফাইনালে আবার তুরস্কের বিরুদ্ধে জয় ব্রাজিলকে ফাইনালে পৌঁছে দেয়। ফাইনালে রোনালদো'র জোড়া গোলে ব্রাজিল জার্মানিকে পরাজিত করে পঞ্চমবারের মত বিশ্বকাপ শিরোপো নিজেদের করে নেয়।[১৪]

২০০৬ বিশ্বকাপ পরবর্তী যুগ[সম্পাদনা]

১৯৯৪ সালের ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য দুঙ্গাকে ২০০৬ সালের ২৪ জুলাই ব্রাজিলের নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।[১৫] সহকারী কোচ হিসেবে দুঙ্গা তাঁর প্রাক্তন সহ খেলোয়াড় জোরগিনহোকে বেছে নেন। সেই বছরের আগস্টের ১৬ তারিখ নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিল খেলা দিয়ে কোচ হিসেবে দুঙ্গার অভিষেক খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এটিতে ব্রাজিল ১-১ গোলে ড্র করে।[১৬] কোচ হিসেবে দুঙ্গার দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিলো অপেক্ষাকৃত কঠিন। ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই খেলায় ব্রাজিল মুখোমুখী হয় তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার। লন্ডনে আর্সেনালের নতুন এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই খেলায় ব্রাজিল ৩-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে।[১৭] ৫ সেপ্টেম্বর তাঁরা টটেনহ্যাম হটস্পারের হোয়াইট হার্ট মাঠে ওয়েলসকে ২-০ গোলে পরাজিত করে। পরবর্তীতে তাঁরা কুয়েতের ক্লাব আল-কুয়েতকে ৪-০, ইকুয়েডরকে ২-১, ও সুইজারল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে।

কোচ হিসেবে প্রথম পরাজয়ের মুখোমুখি হন ২০০৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। পর্তুগালের বিপক্ষে এক ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ব্রাজিল পরাজিত হয়। সে সময় পর্তুগালের কোচ ছিলেন ব্রাজিলের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইজ ফেলিপে স্কলারি[১৮] পরবর্তীতে সুইডেনে ব্রাজিল তাদের প্রথম পরাজয় থেকে ঘুরে দাঁড়ায় ও মার্চের ২৪ ও ২৭ তারিখ যথাক্রমে চিলি (৪-০) ও ঘানাকে (১-০) পরাজিত করে।[১৯]

২০০৯ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ[সম্পাদনা]

২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে ব্রাজিল শিরোপা জয় করে। এই টুর্নামেন্টে ব্রাজিলের শুরুটা খুব একটা স্বাচ্ছন্দপূর্ণ ছিলো না। প্রথম খেলায় তাঁরা মিশরের সাথে হারতে হারতে ৪-৩ গোলে জিতে যায়। খেলার শেষ মিনিটে এসে মিশরের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করার মাধ্যমে ব্রাজিলের এই জয় আসে। ব্রাজিলের বিপক্ষে আফ্রিকার কোনো ফুটবল দলের এক ম্যাচে তিন গোল করার ঘটনা সেটিই ছিলো প্রথম। পরবর্তীতে অবশ্য দলটি খুব ভালোভাবে ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করে। উভয়কেই ব্রাজিল ৩-০ গোলে হারায়। এছাড়া ব্রাজিল সেমিফাইনালে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজিত করার পর, ফাইনালে তারা পুনারায় যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হয়। উত্তেজনাপূর্ণ এই ফাইনালের প্রথমার্ধে ব্রাজিল ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধে তারা পুরোপুরিভাবে খেলায় ফিরে আসে ও দুইটি গোলই পরিশোধ করে। পরবর্তীতে খেলা শেষের ছয় মিনিট আগে লুসিও শিরোপাজয়ী গোলের সুবাদে ব্রাজিল ৩-২ গোলে তাদের তৃতীয় ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ জয় করে।[২০] এই টুর্নামেন্টে প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন ব্রাজিলের কাকা ও সবচেয়ে বেশি গোল করেন ব্রাজিলের-ই লুইস ফ্যাবিয়ানো। তিনি পাঁচ ম্যাচে মোট পাঁচটি গোল করেন।

২০১০ ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব[সম্পাদনা]

২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রোজারিওতে আর্জেন্টিনার নিজেদের মাঠে, আর্জেন্টিনাকে ৩-১ গোলে পরাজিত করার মাধ্যমে ব্রাজিল ২০১০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে থেকে মূলপর্বে উত্তীর্ণ হয়।[২১]

২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

২০০৯ সালের ৪ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লটারিতে ব্রাজিল জি গ্রুপে স্থান পায়। অনেকের মতে এটিই হচ্ছে এ বিশ্বকাপের গ্রুপ অফ ডেথ। এই গ্রুপের হয়ে সেলেকাওরা তাদের প্রথম খেলাটি খেলে ২০১০ সালের ১৫ জুন, উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে। এরপর ২০ জুন তারা খেলে কোত দিভোয়ারের বিরুদ্ধে, এবং গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৫ জুন তারা খেলে অপর শক্তিশালী দল পর্তুগালের বিরুদ্ধে।

দল
খে ড্র প্রা বি পা
 ব্রাজিল +৩
 পর্তুগাল +৭
 কোত দিভোয়ার +১
 উত্তর কোরিয়া ১২ −১১


২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

স্বাগতিক দেশ হিসেবে ব্রাজিল ইতোমধ্যেই ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

ফিফা পর্যায়ক্রমিকভাবে মহাদেশভিত্তিক ২০১৪ সালের স্বাগতিক দেশের জন্যে দক্ষিণ আমেরিকাকে পূর্ব নির্ধারিত করেছিল। ফিফা পূর্বেই পর্যায়ক্রমিকভিত্তিতে স্বাগতিক দেশ নির্ধারণের জন্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।[২২] কিন্তু ২০১৪ সালের পর এ সিদ্ধান্ত বলবৎ হবে না বলে ঘোষণা করে।

কলম্বিয়া ২০১৪ সালের জন্যে স্বাগতিক দেশ হবার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল[২৩] কিন্তু প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে।[২৪] কোরিয়া-জাপানের সফলভাবে বিশ্বকাপ সমাপণের পর চিলি এবং আর্জেন্টিনাও যৌথভাবে স্বাগতিক দেশ হবার জন্যে কিছুটা আগ্রহ প্রকাশ করেছিল; কিন্তু যৌথ ডাক প্রক্রিয়া অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় তা বাতিল হয়ে যায়। ব্রাজিলও স্বাগতিক দেশ হবার জন্যে আগ্রহ প্রকাশ করে। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশন কনমেবল ব্রাজিলকে স্বাগতিক হবার জন্যে সমর্থন ব্যক্ত করে।[২৫] ফলে ব্রাজিল একমাত্র দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে কনমেবলের মাধ্যমে ডিসেম্বর, ২০০৬ সালে ডাক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে সমাপণের জন্যে প্রস্তাবনা পাঠায়। ঐ সময়ে কলম্বিয়া, চিলি এবং আর্জেন্টিনা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে ফেলে। ভেনেজুয়েলা ডাকে অংশগ্রহণ করেনি।

এরফলে ব্রাজিল প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষবিহীন অবস্থায় ডাক প্রক্রিয়ায় জয়লাভ করে। ৩০ অক্টোবর, ২০০৭ সালে ফিফা নির্বাহী পরিষদ স্বাগতিক দেশ হিসেবে ব্রাজিলের নাম ঘোষণা করে।[২৬]

পোষাকের রং[সম্পাদনা]

বিবর্তন[সম্পাদনা]

মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১৪
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১৬
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১৭
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১৮
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১৯
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯১৯-১৯৪৫
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৪৫-১৯৫০
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৫০-১৯৫৩
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
১৯৫৪-বর্তমান

প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ রেকর্ড[সম্পাদনা]

সোনালি ব্যাকগ্রাউন্ডের লাইনগুলো ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন নির্দেশ করছে। স্বাগতিক দল হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে দলের ঘর লাল বর্ডারে সূচিত।

ফিফা বিশ্বকাপ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান মোট খেলা জয় ড্র* পরাজয় গোল দিয়েছে গোল খেয়েছে
উরুগুয়ে ১৯৩০ প্রথম পর্ব ৬ষ্ঠ
ইতালি ১৯৩৪ প্রথম পর্ব ১৪তম
ফ্রান্স ১৯৩৮ সেমি ফাইনাল ৩য় ১৪ ১১
ব্রাজিল ১৯৫০ ফাইনাল ২য় ২২
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪ কোয়ার্টার ফাইনাল ৫ম
সুইডেন ১৯৫৮ চ্যাম্পিয়ন ১ম ১৬
চিলি ১৯৬২ চ্যাম্পিয়ন ১ম ১৪
ইংল্যান্ড ১৯৬৬ প্রথম পর্ব ১১তম
মেক্সিকো ১৯৭০ চ্যাম্পিয়ন ১ম ১৯
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪ সেমি ফাইনাল ৪র্থ
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮ সেমি ফাইনাল ৩য় ১১
স্পেন ১৯৮২ দ্বিতীয় পর্ব ৫ম ১৫
মেক্সিকো ১৯৮৬ কোয়ার্টার ফাইনাল ৫ম ১০
ইতালি ১৯৯০ ১৬ দলের পর্ব ৯ম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪ চ্যাম্পিয়ন ১ম ১১
ফ্রান্স ১৯৯৮ ফাইনাল ২য় ১৪ ১০
দক্ষিণ কোরিয়াজাপান ২০০২ চ্যাম্পিয়ন ১ম ১৮
জার্মানি ২০০৬ কোয়ার্টার ফাইনাল ৫ম ১০
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ কোয়ার্টার ফাইনাল ৬ষ্ঠ
ব্রাজিল ২০১৪ নির্বাচিত
সর্বমোট ২০/২০ ৫টি শিরোপা ৯২ ৬৪ ১৪ ১৪ ২০১ ৮৪

(*পেনাল্টি কিকের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হওয়া ম্যাচগুলোকে ড্র হিসেবে ধরা হয়েছে।)

খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

বর্তমান দল[সম্পাদনা]

নিচের ২৩ জন খেলোয়াড় জুনে অনুষ্ঠিতব্য ২০১৩ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের জন্য মনোনীত ব্রাজিল দলে স্থান পেয়েছেন।[২৭]

খেলা ও গোলের সংখ্যা ২৪ এপ্রিল, ২০১৩ তারিখে অনুষ্ঠিত চিলি’র বিপক্ষে অনুষ্ঠিত প্রীতি খেলা পর্যন্ত লেখা হয়েছে।

0#0 অব নাম জন্ম (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব
গো হুলিও সিজার (১৯৭৯-০৯-০৩) সেপ্টেম্বর ৩, ১৯৭৯ (বয়স ৩৪) ৬৭ ইংল্যান্ড কুইন্স পার্ক র‌্যাঞ্জার্স
১২ গো জেফারসন (১৯৮৩-০১-০২) জানুয়ারি ২, ১৯৮৩ (বয়স ৩১) ব্রাজিল বোতাফোগো
২২ গো দিয়েগো ক্যাভালিয়েরি (১৯৮২-১২-০১) ডিসেম্বর ১, ১৯৮২ (বয়স ৩১) ব্রাজিল ফ্লুমেনিজ
দানি আলভেস (১৯৮৩-০৫-০৬) মে ৬, ১৯৮৩ (বয়স ৩১) ৬২ স্পেন বার্সেলোনা
থিয়াগো সিলভা () (১৯৮৪-২২-০১) অক্টোবর ১, ১৯৮৪ (বয়স ২৯) ৩২ ফ্রান্স প্যারিস সেন্ট-জার্মান
ডেভিড লুইজ (১৯৮৭-০৪-২২) এপ্রিল ২২, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ২১ ইংল্যান্ড চেলসি
মার্সেলো (১৯৮৮-০৫-১২) মে ১২, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) ১৮ স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ
১৪ দান্তে (১৯৮৩-১০-১৮) অক্টোবর ১৮, ১৯৮৩ (বয়স ৩০) জার্মানি বায়ার্ন মিউনিখ
১৫ রিভার (১৯৮৫-০১-০৪) জানুয়ারি ৪, ১৯৮৫ (বয়স ২৯) ব্রাজিল অ্যাটলেটিকো মিনেইরো
১৬ ফিলিপ লুইজ (১৯৮৫-০৮-০৯) আগস্ট ৯, ১৯৮৫ (বয়স ২৯) স্পেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
পলিনহো (১৯৮৮-০৭-২৫) জুলাই ২৫, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) ১১ ব্রাজিল করিন্থিয়ান্স
লুকাস মৌরা (১৯৯২-০৮-১৩) আগস্ট ১৩, ১৯৯২ (বয়স ২২) ২৩ ফ্রান্স প্যারিস সেন্ট-জার্মান
হার্নানেস (১৯৮৫-০৫-২৯) মে ২৯, ১৯৮৫ (বয়স ২৯) ১০ ইতালি ল্যাজিও
১০ অস্কার (১৯৯১-০৯-০৯) সেপ্টেম্বর ৯, ১৯৯১ (বয়স ২২) ১৫ ইংল্যান্ড চেলসি
১৩ লুইজ গুস্তাভো (১৯৮৭-০৭-২৩) জুলাই ২৩, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) জার্মানি বায়ার্ন মিউনিখ
১৭ জোঁয়াও (১৯৮৬-০৬-২৪) জুন ২৪, ১৯৮৬ (বয়স ২৮) ব্রাজিল ফ্লুমেনিজ
১৮ জাদসন (১৯৮৩-১০-০৫) অক্টোবর ৫, ১৯৮৩ (বয়স ৩০) ব্রাজিল সাউ পাউলু
২০ ফার্নান্দো (১৯৯২-০৩-০৩) মার্চ ৩, ১৯৯২ (বয়স ২২) ব্রাজিল গ্রিমিও
২৩ বার্নার্ড (১৯৯২-০৯-০৮) সেপ্টেম্বর ৮, ১৯৯২ (বয়স ২১) ব্রাজিল অ্যাটলেটিকো মিনেইরো
ফ্রেড (১৯৮৩-১০-০৩) অক্টোবর ৩, ১৯৮৩ (বয়স ৩০) ২৭ ১৫ ব্রাজিল ফ্লুমেনিজ
১১ নেইমার (১৯৯২-০২-০৫) ফেব্রুয়ারি ৫, ১৯৯২ (বয়স ২২) ৩৯ ২৪ স্পেন বার্সালোনা
১৯ লিয়েন্দ্রো দামিয়াও (১৯৮৯-০৭-২২) জুলাই ২২, ১৯৮৯ (বয়স ২৫) ১৬ ব্রাজিল ইন্টারন্যাসিওনাল
২১ হাল্ক (১৯৮৬-০৭-২৫) জুলাই ২৫, ১৯৮৬ (বয়স ২৮) ২০ রাশিয়া জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গ

সাম্প্রতিক সময়ে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

নিম্নে উল্লেখিত খেলোয়াড়গণ গত এক বছরে ব্রাজিল দলে খেলার জন্য অন্তর্ভূক্ত হয়েছিলেন।

অব নাম জন্ম (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব সর্বশেষ
ম্যাথিয়াস ভিদোত্তো (১৯৯৩-০৪-১০) এপ্রিল ১০, ১৯৯৩ (বয়স ২১) ব্রাজিল করিন্থিয়ান্স  বলিভিয়া, ৬ এপ্রিল, ২০১৩
দিয়েগো আলভেস (১৯৮৫-০৬-২৪) জুন ২৪, ১৯৮৫ (বয়স ২৯) স্পেন ভ্যালেন্সিয়া  ইংল্যান্ড, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
ভিক্টর (১৯৮৩-০১-২১) জানুয়ারি ২১, ১৯৮৩ (বয়স ৩১) ব্রাজিল অ্যাটলেটিকো মিনেইরো  জাপান, ১৬ অক্টোবর, ২০১২
ক্যাসিনো (১৯৮৭-০৬-০৬) জুন ৬, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ব্রাজিল করিন্থিয়ান্স  আর্জেন্টিনা, ৩ অক্টোবর, ২০১২
গ্যাব্রিয়েল (১৯৯২-০৯-২৭) সেপ্টেম্বর ২৭, ১৯৯২ (বয়স ২১) ইতালি মিলান  সুইডেন, ১৫ আগস্ট, ২০১২
রেনান রিবেইরো (১৯৯০-০৩-২৩) মার্চ ২৩, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ব্রাজিল অ্যাটলেটিকো মিনেইরো  সুইডেন, ১৫ আগস্ট, ২০১২
নেতো (১৯৮৯-০৭-১৯) জুলাই ১৯, ১৯৮৯ (বয়স ২৫) ইতালি ফিওরেন্তিনা  সুইডেন, ১৫ আগস্ট, ২০১২
রাফায়েল ক্যাব্রাল (১৯৯০-০৫-২০) মে ২০, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ব্রাজিল সাঁতুস  আর্জেন্টিনা, ৯ জুন, ২০১২
আন্দ্রে সান্তোস (১৯৮৩-০৩-০৮) মার্চ ৮, ১৯৮৩ (বয়স ৩১) ২৪ ব্রাজিল গ্রিমিও  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
ডিডি (১৯৮৮-০৭-০১) জুলাই ১, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) ব্রাজিল ক্রুজেইরো  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
হেনরিক (১৯৮৬-১০-১৪) অক্টোবর ১৪, ১৯৮৬ (বয়স ২৭) ব্রাজিল পালমেইরাজ  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
মার্কোস রোচা (১৯৮৮-১২-১১) ডিসেম্বর ১১, ১৯৮৮ (বয়স ২৫) ব্রাজিল অ্যাটলেটিকো মিনেইরো  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
রদ্রিগো মোলেদো (১৯৮৭-১০-২৭) অক্টোবর ২৭, ১৯৮৭ (বয়স ২৬) ব্রাজিল ইন্টারন্যাসিওনাল  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
দোরিয়া (১৯৯৪-১১-০৮) নভেম্বর ৮, ১৯৯৪ (বয়স ১৯) ব্রাজিল বোতাফোগো  বলিভিয়া, ৬ এপ্রিল, ২০১৩
ডগলাস সান্তোস (১৯৯৪-০৩-২২) মার্চ ২২, ১৯৯৪ (বয়স ২০) ব্রাজিল নটিকো  বলিভিয়া, ৬ এপ্রিল, ২০১৩
মিরান্ডা (১৯৮৪-০৮-০৭) আগস্ট ৭, ১৯৮৪ (বয়স ৩০) স্পেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ  ইংল্যান্ড, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
লিয়েন্দ্রো কাস্তান (১৯৮৬-১১-০৫) নভেম্বর ৫, ১৯৮৬ (বয়স ২৭) ইতালি রোমা  ইংল্যান্ড, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
আদ্রিয়ানো (১৯৮৪-১০-২৬) অক্টোবর ২৬, ১৯৮৪ (বয়স ২৯) ১৭ স্পেন বার্সেলোনা  ইংল্যান্ড, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
ডারভাল (১৯৮০-০৭-১১) জুলাই ১১, ১৯৮০ (বয়স ৩৪) ব্রাজিল সাঁতুস  আর্জেন্টিনা, ২১ নভেম্বর, ২০১২
কার্লিনহস (১৯৮৭-০১-২৩) জানুয়ারি ২৩, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ব্রাজিল ফ্লুমেনিজ  আর্জেন্টিনা, ২১ নভেম্বর, ২০১২
ফেবিও সান্তোস (১৯৮৫-০৯-১৬) সেপ্টেম্বর ১৬, ১৯৮৫ (বয়স ২৮) ব্রাজিল করিন্থিয়ান্স v.  আর্জেন্টিনা, ২১ নভেম্বর, ২০১২
লিওনার্দো সিলভা (১৯৭৯-০৬-২২) জুন ২২, ১৯৭৯ (বয়স ৩৫) ব্রাজিল অ্যাটলেটিকো মিনেইরো  আর্জেন্টিনা, ২১ নভেম্বর, ২০১২
লুকাস মার্কুয়েজ (১৯৮৮-০৩-২৬) মার্চ ২৬, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) ব্রাজিল বোতাফোগো  আর্জেন্টিনা, ২১ নভেম্বর, ২০১২
অ্যালেক্স সান্দ্রো (১৯৯১-০১-২৬) জানুয়ারি ২৬, ১৯৯১ (বয়স ২৩) পর্তুগাল পোর্তো  ইরাক, ১২ অক্টোবর, ২০১২
রোডল্ফো (১৯৮৬-০৮-১১) আগস্ট ১১, ১৯৮৬ (বয়স ২৮) ব্রাজিল সাউ পাউলু  আর্জেন্টিনা, ৩ অক্টোবর, ২০১২
দানিলো (১৯৯১-০৭-১৫) জুলাই ১৫, ১৯৯১ (বয়স ২৩) পর্তুগাল পোর্তো  সুইডেন, ১৫ আগস্ট, ২০১২
জোয়াও জিসাস (১৯৯১-০৬-১০) জুন ১০, ১৯৯১ (বয়স ২৩) ইতালি ইন্টারন্যাসিওনাল  সুইডেন, ১৫ আগস্ট, ২০১২
ব্রুনো ইউভিনি (১৯৯১-০৬-০৩) জুন ৩, ১৯৯১ (বয়স ২৩) ইতালি সিয়েনা  সুইডেন, ১৫ আগস্ট, ২০১২
রাফায়েল (১৯৯০-০৭-০৯) জুলাই ৯, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ইংল্যান্ড ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড  সুইডেন, ১৫ আগস্ট, ২০১২
রোনালদিনিয়ো (১৯৮০-০৩-২১) মার্চ ২১, ১৯৮০ (বয়স ৩৪) ৯৭ ৩৩ ব্রাজিল অ্যাটলেটিকো মিনেইরো  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
রাল্ফ (১৯৮৪-০৬-০৯) জুন ৯, ১৯৮৪ (বয়স ৩০) ব্রাজিল করিন্থিয়ান্স  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
আরুকা (১৯৮৬-০৮-১১) আগস্ট ১১, ১৯৮৬ (বয়স ২৮) ব্রাজিল সাঁতুস  বলিভিয়া, ৬ এপ্রিল, ২০১৩
কাকা (১৯৮২-০৪-২২) এপ্রিল ২২, ১৯৮২ (বয়স ৩২) ৮৭ ২৯ স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ  রাশিয়া, ২৫ মার্চ, ২০১৩
রামিরেস (১৯৮৭-০৩-২৪) মার্চ ২৪, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ৩৪ ইংল্যান্ড চেলসি  রাশিয়া, ২৫ মার্চ, ২০১৩
থিয়াগো নেভেস (১৯৮৫-০২-২৭) ফেব্রুয়ারি ২৭, ১৯৮৫ (বয়স ২৯) ব্রাজিল ফ্লুমেনিজ  আর্জেন্টিনা, ২১ নভেম্বর, ২০১২
ফেলিপ গ্যাব্রিয়েল (১৯৮৫-১২-০৬) ডিসেম্বর ৬, ১৯৮৫ (বয়স ২৮) ব্রাজিল বোতাফোগো  আর্জেন্টিনা, ২১ নভেম্বর, ২০১২
স্যান্দ্রো (১৯৮৯-০৩-১৫) মার্চ ১৫, ১৯৮৯ (বয়স ২৫) ১৬ ইংল্যান্ড টটেনহ্যাম হটস্পার  কলম্বিয়া, ১৪ নভেম্বর, ২০১২
গিওলিয়ানো (১৯৯০-০৫-৩১) মে ৩১, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ইউক্রেন নিপ্রো নিপ্রোপেত্রোভস্ক  কলম্বিয়া, ১৪ নভেম্বর, ২০১২
রমুলো (১৯৯০-০৯-১৯) সেপ্টেম্বর ১৯, ১৯৯০ (বয়স ২৩) রাশিয়া স্পার্টাক মস্কো  গণচীন, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১২
গ্যানসো (১৯৮৯-১০-১২) অক্টোবর ১২, ১৯৮৯ (বয়স ২৪) ব্রাজিল সাউ পাউলু  সুইডেন, ১৫্আগস্ট, ২০১২
ক্যাসিমিরো (১৯৯২-০২-২৩) ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৯২ (বয়স ২২) স্পেন রিয়াল মাদ্রিদ বি  আর্জেন্টিনা, ৯ জুন, ২০১২
অ্যালেক্সানদ্রে পাতো (১৯৮৯-০৯-০২) সেপ্টেম্বর ২, ১৯৮৯ (বয়স ২৪) ২৪ ব্রাজিল করিন্থিয়ান্স  চিলি, April 24, 2013
অসভাল্দো (১৯৮৭-০৪-১১) এপ্রিল ১১, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) ব্রাজিল সাউ পাউলু  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
লিয়েন্দ্রো (১৯৯৩-০৫-১২) মে ১২, ১৯৯৩ (বয়স ২১) ব্রাজিল পালমেইরাজ  চিলি, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩
দিয়েগো কস্তা (১৯৮৮-১০-০৭) অক্টোবর ৭, ১৯৮৮ (বয়স ২৫) স্পেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ  রাশিয়া, ২ মার্চ, ২০১৩
লুইস ফেবিয়ানো (১৯৮০-১১-০৮) নভেম্বর ৮, ১৯৮০ (বয়স ৩৩) ৪৫ ২৮ ব্রাজিল সাউ পাউলু  ইংল্যান্ড, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
ওয়েলিংটন নেম (১৯৯২-০২-০৬) ফেব্রুয়ারি ৬, ১৯৯২ (বয়স ২২) ব্রাজিল ফ্লুমেনিজ  আর্জেন্টিনা, ৩ অক্টোবর, ২০১২
জোনাস (১৯৮৪-০৪-০১) এপ্রিল ১, ১৯৮৪ (বয়স ৩০) স্পেন ভ্যালেন্সিয়া  গণচীন, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১২
টীকা
  • আঘাতপ্রাপ্তিজনিত কারণে দল থেকে নাম প্রত্যাহার।
  • ব্য ব্যক্তিগত কারণে দল থেকে নাম প্রত্যাহার।

সবচেয়ে বেশি খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

নিচে ২ মার্চ, ২০১০ পর্যন্ত ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে বেশিবার খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড়গণের তালিকা দেওয়া হয়েছে।[২]

ক্রম নাম কার্যকাল ম্যাচ সংখ্যা গোল
কাফু ১৯৯০-২০০৬ ১৪২
রবের্তো কার্লোস ১৯৯২-২০০৬ ১২৫ ১১
ক্লদিও তাফারেল ১৯৮৭-১৯৯৮ ১০১
জালমা সাঁতুস ১৯৫২-১৯৬৮ ৯৮
রোনালদো ১৯৯৪-২০০৬ ৯৭ ৬২
গিলমার ১৯৫৩-১৯৬৯ ৯৪
পেলে ১৯৫৭-১৯৭১ ৯২ ৭৭
রবার্তো রিভেলিনো ১৯৬৫-১৯৭৮ ৯২ ২৬
দিদা ১৯৯৫-২০০৬ ৯১
১০ দুঙ্গা ১৯৮২-১৯৯৮ ৯১
১১ লুসিও* ২০০০-বর্তমান ৮৯
১২ রোনালদিনিয়ো* ১৯৯৯-বর্তমান ৮৭ ৩২
১৩ গিলবার্তো সিলভা* ২০০১-বর্তমান ৮৬
১৪ জে রবার্তো ১৯৯৫-২০০৬ ৮৪
১৫ আলদাইর ১৯৮৯-২০০০ ৮১
১৬ জায়েরজিনিয়ো ১৯৬৩-১৯৮২ ৮১ ৩৩
১৭ এমারসন লিয়াও ১৯৭০-১৯৮৬ ৮০
১৮ কাকা* ২০০২-বর্তমান ৭৬ ২৬
১৯ বেবেতো ১৯৮৫-১৯৯৮ ৭৫ ৩৯
২০ নিলতন সাঁতুস ১৯৪৯-১৯৬২ ৭৫
২১ নেইমার ১৯৯২-বর্তমান ৩৯ ২৪

(*তারকা খচিত খেলোয়াড়দের বর্তমানে জাতীয় দলে সুযোগ পাবার সম্ভাবনা রয়েছে।)

সবচেয়ে বেশি গোলপ্রাপ্ত খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

নিচের তালিকায় ৩০ জুন, ২০১৩ পর্যন্ত ব্রাজিলের পক্ষে সবচেয়ে বেশি গোল করা খেলোয়াড়দের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।[২]

ক্রম নাম কার্যকাল গোল ম্যাচ সংখ্যা
পেলে ১৯৫৭-১৯৭১ ৭৭ ৯২
রোনালদো* ১৯৯৪-২০০৬ ৬২ ৯৭
রোমারিও ১৯৮৭-২০০৫ ৫৫ ৭০
জিকো ১৯৭১-১৯৮৯ ৫২ ৭২
বেবেতো ১৯৮৫-১৯৯৮ ৩৯ ৭৫
রিভালদো ১৯৯৩-২০০৩ ৩৪ ৭৪
জায়েরজিনিয়ো ১৯৬৩-১৯৮২ ৩৩ ৮১
আদেমির ১৯৪৫-১৯৫৩ ৩১ ৩৯
রোনালদিনিয়ো* ১৯৯৯-বর্তমান ৩২ ৮৭
১০ তোস্তাঁউ ১৯৬৬-১৯৭২ ৩২ ৫৪
১১ জিজিনিয়ো ১৯৪২-১৯৫৭ ৩০ ৫৩
১২ কারেকা ১৯৮২-১৯৯৩ ২৯ ৬০
১৩ আদ্রিয়ানো* ২০০০-বর্তমান ২৭ ৪৮
১৪ কাকা* ২০০২-বর্তমান ২৬ ৭৬
১৫ রিভেলিনো ১৯৬৫-১৯৭৮ ২৬ ৯২
১৬ লুইস ফ্যাবিয়ানো* ২০০৩-বর্তমান ২৫ ৩৬
১৭ জায়ের ১৯৪০-১৯৫০ ২২ ৩৯
১৮ সক্রেটিস ১৯৭৯-১৯৮৬ ২২ ৬০
১৯ লিওনাইডাস দা সিলভা ১৯৩২-১৯৪৬ ২১ ২৩
২০ রবার্তো দিনামিতে ১৯৭৫-১৯৮৪ ২০ ৩০
২১ ডিডি ১৯৫২-১৯৬২ ২০ ৬৮
২২ রবিনিয়ো* ২০০৩-বর্তমান ২০ ৭৩
২৩ নেইমার ২০১০-বর্তমান ২৪ ৩৯

(*তারকাখচিত খেলোয়াড়দের এখনো নির্বাচিত হবার সুযোগ আছে।)

ব্রাজিল ফুটবল মিউজিয়াম হল অফ ফেইম[সম্পাদনা]

নিচের ব্রাজিলীয় ফুটবল খেলোয়াড়গণ ২০০৮ সালের অক্টোবরে ব্রাজিলের প্যাকিম্বু ব্রাজিলিয়ান ফুটবল মিউজিয়াম হল অফ ফেইম-এ স্থান পেয়েছেন।[২৮]

সম্মানজনক ‘হিরোস অফ ব্রাজিলিয়ান ফুটবল’ অংশে স্থান পেয়েছেন আরো দুইজন। তাঁরা হচ্ছেন:

প্রশিক্ষকবৃন্দ[সম্পাদনা]

(বিশ্বকাপজয়ী কোচদের নাম গাঢ় অক্ষরে লেখা হয়েছে।)

সম্মান[সম্পাদনা]

জ্যেষ্ঠ দল[সম্পাদনা]

প্রাতিষ্ঠানিক টাইটেল[সম্পাদনা]

ফ্রেন্ডলি টাইটেল[সম্পাদনা]

  • কোপা রোকা:[৩১]
    • বিজয়ী (৮): ১৯১৪, ১৯২২, ১৯৪৫, ১৯৫৭, ১৯৬০, ১৯৬৩, ১৯৭১, ১৯৭৬

অলিম্পিক দল[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. "Marcos Evangelista de Morais "CAFU" – Century of International Appearances"RSSSF। 2006-07-23। সংগৃহীত 2009-01-23 
  2. ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ "Brazil – Record International Players"RSSSF। 2008-11-07। সংগৃহীত 2009-05-10 
  3. "Argentina versus Brazil"FIFA.com। সংগৃহীত 2009-01-05 
  4. Napoleão, Antônio Carlos; Assaf, Roberto (2006)। Seleção Brasileira 1914–2006। São Paulo: Mauad X। পৃ: 72। ISBN 85-7478-186-X 
  5. "Football in Brazil". Goal Programme. International Federation of Association Football. 2008-04-15. Retrieved 2008-06-06.
  6. "The birth of a revolution"FIFA.com। 2008-07-01। সংগৃহীত 2009-02-19 
  7. ৭.০ ৭.১ Dart, Tom (2004-05-31)। "Magic of Brazil comes to a corner of Devon"। London: The Times। সংগৃহীত 2009-05-15 
  8. ৮.০ ৮.১ Bellos, Alex (2004-05-31)। "Grecians paved way despite kick in teeth"। London os: The Guardian। সংগৃহীত 2009-05-15 
  9. Bellos, Alex (2002)। Futebol: the Brazilian way of life। London: Bloomsbury। পৃ: 37। আইএসবিএন 0-7475-6179-6 
  10. "Exeter fix dream date against Brazil"। London: The Daily Telegraph। 2004-04-23। সংগৃহীত 2009-05-20 
  11. Demetriou, Danielle (2004-05-31)। "Brazil's past masters out-samba Exeter in 90-year rematch"। London: The Independent। সংগৃহীত 2009-05-20 
  12. "World Cup and U.S. soccer history: 1950–1970". USA Today. May 9, 2006. Retrieved February 12, 2009.
  13. "Defiant Big Phil leaves out Romario"। rediff.com। 7 May 2002। সংগৃহীত 9 February 2009 
  14. Murray, Scott (30 June 2002)। "Brazil 2 - 0 Germany"। London: The Guardian। সংগৃহীত 9 February 2009 
  15. "Dunga completa dois anos na seleção garantindo ser um desafio ganhar o ouro" (Portuguese ভাষায়)। Globo Esporte। 2009-07-24। সংগৃহীত 2009-01-05 
  16. "Na estréia de Dunga, Brasil empata com Noruega" (Portuguese ভাষায়)। Globo Esporte। 2006-08-16। সংগৃহীত 2009-01-27 
  17. "Dunga fica surpreso com atuação do Brasil contra Argentina" (Portuguese ভাষায়)। UOL। 2006-09-03। সংগৃহীত 2009-01-27 
  18. "Portugal impõe a Dunga sua primeira derrota à frente da seleção" (Portuguese ভাষায়)। Universo Online। 2007-02-06। সংগৃহীত 2009-01-05 
  19. "Seleção Brasileira embarca para Frankfurt" (Portuguese ভাষায়)। Terra। 2007-03-28। সংগৃহীত 2009-01-05 
  20. "USA 2–3 Brazil"BBC Sport। 2009-06-28। সংগৃহীত 2009-06-28 
  21. "Brazil ensure qualification, Argentina in distress"ESPN। 2009-09-05। সংগৃহীত 2009-10-15 
  22. "Games win inspires bid to host 2018 World Cup" by John Goodbody, The Times, November 16, 2005. Retrieved on January 8, 2006.
  23. BBC News, Colombia bids for 2014 World Cup, 17 July 2006
  24. FIFA, Brazil confirms bid - Colombia withdraws, 13 April 2007
  25. Brazil set to host World Cup, BBC. Retrieved on April 11, 2006.
  26. "Clear declaration to defend the autonomy of sport" (Press release)। FIFA। 2006-12-06। সংগৃহীত 2006-12-06 
  27. "Felipão convocou os 23 jogadores para a Copa das Confederações"। CBF। সংগৃহীত May 14, 2013 
  28. "Conheça os Anjos" (Portuguese ভাষায়)। Museu do Futebol। সংগৃহীত 2009-01-03 
  29. "Domingos da Guia" (Portuguese ভাষায়)। Museu do Futebol। সংগৃহীত 2009-01-03 
  30. "Leônidas da Silva" (Portuguese ভাষায়)। Museu do Futebol। সংগৃহীত 2009-01-03 
  31. "Sala de Troféus da CBF" (Portuguese ভাষায়)। Confederação Brasileira de Futebol (CBF)। সংগৃহীত 2009-01-05 
  32. Since 1992, squads for Football at the Summer Olympics have been restricted to three players over the age of 23. The achievements of such teams are not usually included in the statistics of the international team.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • Ruy Castro, Andrew Downie (translator) (2005)। Garrincha – The triumph and tragedy of Brazil's forgotten footballing hero। Yellow Jersey Press, London। আইএসবিএন 0-224-06433-9 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]