ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 ফ্রান্স
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম Les Bleus (নীল)
L'Équipe Tricolore (তিন রঙা দল)
অ্যাসোসিয়েশন ফেদেরাশন ফ্রঁসে দা ফুটবল
কনফেডারেশন উয়েফা (ইউরোপ)
প্রধান কোচ রেমন্ড ডোমেনে
সহকারী কোচ অ্যালিয়ান বোঘোসেন
পিয়ের ম্যাসকাওস্কি
অধিনায়ক থিয়েরি অঁরি
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় লিলিয়ান থুরাম (১৪২)
শীর্ষ গোলদাতা থিয়েরি অঁরি (৫১)
স্বাগতিক স্টেডিয়াম স্টাড দা ফ্রান্স
ফিফা কোড FRA
ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১০
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং (মে ২০০১-মে ২০০২)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ২৫ (এপ্রিল ১৯৯৮)
এলো রেটিং ১১
সর্বোচ্চ এলো রেটিং ১১ (জুলাই ২০০৭)
সর্বনিম্ন এলো রেটিং ৪৪ (মে ১৯২৮
ফেব্রুয়ারি ১৯৩০)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 বেলজিয়াম ৩-৩  ফ্রান্স
(ব্রাসেলস, বেলজিয়াম; ১ মে, ১৯০৪)
সর্বোচ্চ জয়
 ফ্রান্স ১০-০  আজারবাইজান
(অক্সঁ, ফ্রান্স; ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫)
সর্বোচ্চ পরাজয়
 ডেনমার্ক ১৭-১ France  ফ্রান্স
(লন্ডন, ইংল্যান্ড; ২২ অক্টোবর, ১৯০৮)
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ১২ (প্রথম ১৯৩০)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯৯৮
ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ
উপস্থিতি ৭ (প্রথম ১৯৬০)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯৮৪, ২০০০
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি ২ (প্রথম ২০০১)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ২০০১, ২০০৩

ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্ব করে। দলটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা হচ্ছে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনউয়েফার একজন সদস্য হিসেবে ফ্রান্স বিভিন্ন ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

১৯৩০ সালে ফ্রান্স প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেয়। সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে ফ্রান্স ছিলো অংশ নেওয়া চারটি ইউরোপীয় দলের একটি। ১৯৯৮ সালে দলটি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে। সেবারের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশও ছিলো ফ্রান্স। ফাইনালে তারা ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে। ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড হচ্ছে ইউরোপে একবার করে বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করা দল। এছাড়া ফ্রান্স দুইবার উয়েফা ইউরোপীয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করেছেন। প্রথমটি ছিলো ১৯৮৪ সালে। সেবার ব্যলন ডি’অর জেতা ফরাসি ফুটবলার মিশেল প্লাতিনি ফ্রান্সের এই জয়ে ভূমিকা রাখেন। আর এর পরেরটি ফ্রান্স জেতে তিনবার ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হওয়া জিনেদিন জিদানের নৈপুণ্যে। পরবর্তীতে ফ্রান্স ফিফা কনফেডারেশন্স কাপও জয়লাভ করে। এর ফলে ফ্রান্স দ্বিতীয় দল হিসেবে ফিফা আয়োজিত তিনটি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ ফুটবল প্রতিযোগীতার শিরোপা অর্জনকারী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। এই তিনটি প্রতিযোগিতা হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ, ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ, ও গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ফুটবল। ফ্রান্স ছাড়া আরে যে দলটি এই তিনটি শিরোপা জয় করার গৌরব অর্জন করেছে, সেটি হচ্ছে আর্জেন্টিনা

বর্তমানে ফ্রান্সের সাথে ইতালির একটি প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে। ১৯১০ সালে এই দুই দল প্রথম মুখোমুখি হয়। পরবর্তীতে এই প্রতিদ্বন্দীতা অনেকটা ধামাচাপা পড়ে গেলেও ২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জিদান ও ইতালীয় ফুটবলার মার্কো মাতেরাজ্জির মধ্যকার বিরোধ ও অপ্রীতিকর ঘটনা, এবং ফলশ্রুতিতে লাল কার্ড পেয়ে জিদানের মাঠ ত্যাগের মাধ্যমে এই প্রতিদ্বন্দীতা আবার তীব্র রূপ নেয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]