২০১৩-১৪ অ্যাশেজ সিরিজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এই নিবন্ধটি অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজ সম্পর্কিত। পরবর্তী অ্যাশেজ সিরিজটি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য, দেখুন ২০১৫ অ্যাশেজ সিরিজ
২০১৩-১৪ অ্যাশেজ সিরিজ
২০১৩-১৪ ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফর-এর অংশ
তারিখ ২১ নভেম্বর, ২০১৩ - ৭ জানুয়ারি, ২০১৪
অবস্থান অস্ট্রেলিয়া
ফলাফল অস্ট্রেলিয়া পাঁচ-টেস্ট সিরিজে ৫-০ ব্যবধানে বিজয়ী
সিরিজ সেরা মিচেল জনসন (অস্ট্রেলিয়া)
দলসমূহ
 অস্ট্রেলিয়া  ইংল্যান্ড
অধিনায়ক
মাইকেল ক্লার্ক অ্যালাস্টেয়ার কুক
সর্বাধিক রান
ডেভিড ওয়ার্নার (৫২৩)
ব্র্যাড হাড্ডিন (৪৯৩)
ক্রিস রজার্স (৪৬৩)
কেভিন পিটারসন (২৯৪)
মাইকেল কারবেরি (২৮১)
বেন স্টোকস (২৭৯)
সর্বাধিক উইকেট
মিচেল জনসন (৩৭)
রায়ান হ্যারিস (২২)
নাথান লিওন (১৯)
স্টুয়ার্ট ব্রড (২১)
বেন স্টোকস (১৫)
জেমস অ্যান্ডারসন (১৪)
২০১৩ (পূর্ববর্তী) (পরবর্তী) ২০১৫

২০১৩-১৪ অ্যাশেজ সিরিজ (ইংরেজি: 2013-14 Ashes series) ইংল্যান্ডঅস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অনুষ্ঠিত টেস্ট ক্রিকেট সিরিজভূক্ত খেলা। সম্প্রচারসত্ত্বজনিত কারণে সিরিজটি কমনওয়েলথ ব্যাংক অ্যাশেজ সিরিজ নামে পরিচিতি পায়। গাব্বা, অ্যাডিলেড ওভাল, ওয়াকা গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড এবং সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড - এ পাঁচটি মাঠে সিরিজের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হয়।[১]

২০১৩-১৪ অ্যাশেজ সিরিজটি প্রথমবারের মতো পরপর অ্যাশেজ সিরিজ। পূর্বে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের পূর্বে অনুষ্ঠিত হয়ে পরবর্তী বছর অনুষ্ঠিত হতো। অ্যাশেজ সিরিজের ইতিহাসে এটি সনাতনী ধারা ভেঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূর্বে দ্বি-বার্ষিকভিত্তিতে কিংবা ১৮ থেকে ৩০ মাসের ব্যবধানে পরের সিরিজ অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৩ সালের অ্যাশেজ সিরিজ অনুষ্ঠানের মাত্র তিন মাস পরই এ সিরিজের আয়োজন করা হয়। ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের সাথে সাংঘর্ষিক হবার কারণে পূর্ব মুহুর্তে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তী অ্যাশেজ সিরিজটি ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত হবে ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

সাত বছর পর ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩ তারিখে পার্থে অনুষ্ঠিত ৩য় টেস্টে ১৫০ রানের ব্যবধানে জয়ের ফলে অস্ট্রেলিয়া প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ ট্রফি করায়ত্ত্ব করে ও ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে যায়।[২]

দলের সদস্য[সম্পাদনা]

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ তারিখে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট ইংল্যান্ড দলের নাম ঘোষণা করা হয়। আয়ারল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক বোলার বয়েড র‌্যাঙ্কিন, নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস এবং জিম্বাবুয়ে বংশোদ্ভূত গ্যারি ব্যালেন্স ইংল্যান্ডের পক্ষে টেস্টে অংশগ্রহণ না করেও ডাক পান। এছাড়াও, উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মাইকেল কারবেরি, স্পিন বোলার মন্টি পানেসর এবং সিমার ক্রিস ট্রেমলেটকে অংশগ্রহণের জন্য ডাকা হয়। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান নিক কম্পটন, স্পিন বোলার জেমস ট্রেডওয়েল এবং সিমার গ্রাহাম অনিয়নকে বাদ দেয়া হয় যারা ডারহ্যামকে চ্যাম্পিয়নশীপে সহায়তা করেছিলেন। টিম ব্রেসনানের পিঠের আঘাতপ্রাপ্তি স্বত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য তাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। দলের একমাত্র উইকেট-কিপার হিসেবে রয়েছেন ম্যাট প্রায়র। তার অনুপস্থিতিতে জনি বেয়ারস্টো সহায়তা করবেন।[৩]

১২ নভেম্বর, ২০১৩ তারিখে অস্ট্রেলিয়া দল প্রথম টেস্টের জন্য ১২ সদস্যের নাম ঘোষণা করে। তন্মধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিকের অধিনায়ক জর্জ বেইলিকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়, যিনি টেস্টে অভিষিক্ত হননি।[৪]

২৫ নভেম্বর, ২০১৩ তারিখে প্রথম টেস্ট শেষে জোনাথন ট্রট শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করেন।[৫]

২১ ডিসেম্বর, ২০১৩ তারিখে আকস্মিকভাবে গ্রেম সোয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন।[৬] সোয়ানের অবসরের দুইদিন পর লেগ-স্পিনার স্কট বর্থউইক এবং অফ-স্পিনার জেমস ট্রেডওয়েলকে দলে অন্তর্ভূক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।[৭]

 অস্ট্রেলিয়া[৮]  ইংল্যান্ড[৯]

± পরে যোগদান

খেলা[সম্পাদনা]

১ম টেস্ট[সম্পাদনা]

২১-২৫ নভেম্বর
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
২৯৫ (৯৭.১ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৩৬ (৫২.৪ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ৩৮১ রানে বিজয়ী
গাব্বা, ব্রিসবেন
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা)
ম্যাচসেরা: মিচেল জনসন (অস্ট্রেলিয়া)
ব্রাড হাড্ডিন ৯৪ (১৫৩)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৬/৮১ (২৪ ওভার)
মাইকেল কারবেরি ৪০ (১১৩)
মিচেল জনসন ৪/৬১ (১৭ ওভার)
৪০১/৭ডি (৯৪ ওভার) ১৭৯ (৮১.১ ওভার)
ডেভিড ওয়ার্নার ১২৪ (১৫৪)
ক্রিস ট্রিমলেট ৩/৬৯ (১৭ ওভার)
অ্যালাস্টেয়ার কুক ৬৫ (১৯৫)
মিচেল জনসন ৫/৪২ (২১.১ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে জর্জ বেইলি’র টেস্ট অভিষেক ঘটে।
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে কেভিন পিটারসন নিজস্ব শততম টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন।
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ব্র্যাড হাড্ডিন তার ৫০তম টেস্টে অংশগ্রহণ করেন।

২য় টেস্ট[সম্পাদনা]

৫-৯ ডিসেম্বর ২০১৩
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
৫৭০/৯ডিঃ (১৫৮ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৭২ (৬৮.২ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ২১৮ রানে বিজয়ী
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) ও মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচসেরা: মিচেল জনসন (অস্ট্রেলিয়া)
মাইকেল ক্লার্ক ১৪৮ (২৪৩)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৩/৯৮ (৩০ ওভার)
ইয়ান বেল ৭২* (১০৬)
মিচেল জনসন ৭/৪০ (১৭.২ ওভার)
১৩২/৩ডিঃ (৩৯ ওভার) ৩১২ (১০১.৪ ওভার)
ডেভিড ওয়ার্নার ৮৩* (১১৭)
জেমস অ্যান্ডারসন ২/১৯ (৭ ওভার)
জো রুট ৮৭ (১৯৪)
পিটার সিডল ৪/৫৭ (১৯ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ১ম দিনে বৃষ্টির কারণে লাঞ্চের পূর্বে ১৪.২ ওভার খেলা সম্ভব হয়; পরবর্তীতে দিনের শেষভাগে তা পূরণ করা হয়।
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে বেন স্টোকসের টেস্ট অভিষেক ঘটে।

৩য় টেস্ট[সম্পাদনা]

১৩-১৭ ডিসেম্বর ২০১৩
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
৩৮৫ (১০৩.৩ ওভার)
 ইংল্যান্ড
২৫১ (৮৮ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ১৫০ রানে বিজয়ী
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ
আম্পায়ার: বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড) ও মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচসেরা: স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
স্টিভ স্মিথ ১১১ (২০৮)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৩/১০০ (২২ ওভার)
অ্যালাস্টেয়ার কুক ৭২ (১৫৩)
পিটার সিডল ৩/৩৬ (১৬ ওভার)
৩৬৯/৬ডিঃ (৮৭ ওভার) ৩৫৩ (১০৩.২ ওভার)
ডেভিড ওয়ার্নার ১১২ (১৪০)
টিম ব্রেসনান ২/৫৩ (১৪ ওভার)
বেন স্টোকস ১২০ (১৯৫)
মিচেল জনসন ৪/৭৮ (২৫.২ ওভার)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়ী হয়ে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • অ্যালাস্টেয়ার কুক (ইংল্যান্ড) শততম টেস্টে অংশগ্রহণ করেন।
  • মাইকেল ক্লার্ক (অস্ট্রেলিয়া) শততম টেস্টে অংশগ্রহণ করেন।

৪র্থ টেস্ট[সম্পাদনা]

২৬-৩০ ডিসেম্বর ২০১৩
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
২৫৫ (১০০ ওভার)
 অস্ট্রেলিয়া
২০৪ (৮২.২ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে বিজয়ী
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা)
ম্যাচসেরা: মিচেল জনসন (অস্ট্রেলিয়া)
কেভিন পিটারসন ৭১ (১৬১)
মিচেল জনসন ৫/৬৩ (২৪ ওভার)
ব্র্যাড হাড্ডিন ৬৫ (৬৮)
জেমস অ্যান্ডারসন ৪/৬৭ (২০.২ ওভার)
১৭৯ (৬১ ওভার) ২৩১/২ (৫১.৫ ওভার)
অ্যালাস্টেয়ার কুক ৫১ (৯১)
নাথান লিওন ৫/৫০ (১৭ ওভার)
ক্রিস রজার্স ১১৬ (১৫৫)
মন্টি প্যানেসার ১/৪৩ (৭.৫ ওভার)

৫ম টেস্ট[সম্পাদনা]

৩-৭ জানুয়ারি ২০১৪
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
৩২৬ (৭৬ ওভার)
 ইংল্যান্ড
১৫৫ (৫৮.৫ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ২৮১ রানে বিজয়ী
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচসেরা: রায়ান হ্যারিস (অস্ট্রেলিয়া)
স্টিভ স্মিথ ১১৫ (১৫৪)
বেন স্টোকস ৬/৯৯ (১৯.৫ ওভার)
বেন স্টোকস ৪৭ (১০১)
পিটার সিডল ৩/২৩ (১৩ ওভার)
২৭৬ (৬১.৩ ওভার) ১৬৬ (৩১.৪ ওভার)
ক্রিস রজার্স ১১৯ (১৬৯)
স্কট বর্থউইক ৩/৩৩ (৬ ওভার)
মাইকেল কারবেরি ৪৩ (৬৩)
রায়ান হ্যারিস ৫/২৫ (৯.৪ ওভার)

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ব্যাটিং[সম্পাদনা]

সর্বাধিক রান[১২]
খেলোয়াড়ের নাম খেলার সংখ্যা রান গড় সর্বোচ্চ রান
অস্ট্রেলিয়া ডেভিড ওয়ার্নার ৫২৩ ৫৮.১১ ১২৪
অস্ট্রেলিয়া ব্র্যাড হাড্ডিন ৪৯৩ ৬১.৬২ ১১৮
অস্ট্রেলিয়া ক্রিস রজার্স ৪৬৩ ৪৬.৩০ ১১৯
অস্ট্রেলিয়া মাইকেল ক্লার্ক ৩৬৩ ৪০.৩৩ ১৪৮
অস্ট্রেলিয়া শেন ওয়াটসন ৩৪৫ ৩৮.৩৩ ১০৩

বোলিং[সম্পাদনা]

সর্বাধিক উইকেট[১৩]
খেলোয়াড়ের নাম খেলার সংখ্যা উইকেট প্রদেয় রান গড় সেরা বোলিং
অস্ট্রেলিয়া মিচেল জনসন ৩৭ ৫১৭ ১৩.৯৭ ৭/৪০
অস্ট্রেলিয়া রায়ান হ্যারিস ২২ ৪২৫ ১৯.৩১ ৫/২৫
ইংল্যান্ড স্টুয়ার্ট ব্রড ২১ ৫৭৮ ২৭.৫২ ৬/৮১
অস্ট্রেলিয়া নাথান লিওন ১৯ ৫৫৮ ২৯.৩৬ ৫/৫০
অস্ট্রেলিয়া পিটার সিডল ১৬ ৩৮৬ ২৪.১২ ৪/৫৭

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলিয়া
ইংল্যান্ড

সম্প্রচার[সম্পাদনা]

দেশ টিভি সম্প্রচারক
 অস্ট্রেলিয়া নাইন নেটওয়ার্ক[১৯]
ফক্স স্পোর্টস
 বাংলাদেশ
 ভারত
স্টার স্পোর্টস ১[২০]
 পাকিস্তান পিটিভি স্পোর্টস[২১]
 দক্ষিণ আফ্রিকা
 জিম্বাবুয়ে
সুপারস্পোর্ট[২০]
 যুক্তরাজ্য
 প্রজাতন্ত্রী আয়ারল্যান্ড
স্কাই স্পোর্টস[২২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Ashes 2013-14: Gabba will host opening Test of Australia series"। BBC। ২২ নভেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২৩ নভেম্বর ২০১২ 
  2. http://www.abc.net.au/news/2013-12-17/third-ashes-test-day-five-live-blog/5161286
  3. Ashes: Gary Ballance, Ben Stokes, Boyd Rankin in England squad". BBC Sport (British Broadcasting Corporation). 23 September 2013. Retrieved 21 October 2013.
  4. "Ashes 2013-14: Bailey & Johnson in Australia squad". BBC Sport. Retrieved 12 November 2013.
  5. http://www.espncricinfo.com/the-ashes-2013-14/content/story/692405.html
  6. "Ashes 2013-14: England bowler Graeme Swann announces he is to retire from international cricket"The Daily Telegraph। ২১ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ২২ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  7. "England call up Scott Borthwick & James Tredwell"। BBC Sport। সংগৃহীত ২৩ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  8. Bailey named in Test squad
  9. "Ashes: Gary Ballance, Ben Stokes, Boyd Rankin in England squad"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ২১ অক্টোবর ২০১৩ 
  10. Hoult, Nick (২৩ ডিসেম্বর ২০১৩)। "The Ashes 2013-14: England spinner Monty Panesar feared Test career was over"Telegraph.co.uk (Telegraph Media Group)। সংগৃহীত ২৬ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  11. "The Ashes: MCG posts record attendance on day one of Boxing Day Test"। ABC News। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ২৮ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  12. "Most runs in Ashes"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ২৮ নভেম্বর ২০১৩ 
  13. "Most wickets in Ashes"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ২৮ নভেম্বর ২০১৩ 
  14. "Watson passes 3,000 Test career runs"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ২৪ নভেম্বর ২০১৩ 
  15. "Warner Century contributes to win"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ২৪ নভেম্বর ২০১৩ 
  16. "Clarke Century contributes to win"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ২৪ নভেম্বর ২০১৩ 
  17. ১৭.০ ১৭.১ "Clarke, Haddin plump records"ESPNcricinfo। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  18. "Test matches – Batting records – Most runs off one over"Cricinfo। ESPN। সংগৃহীত ৮ আগস্ট ২০০৯ 
  19. Davidson, Darren (২ জুলাই ২০১৩)। "Nine Network to broadcast Ashes on second channel Gem"। The Australian। সংগৃহীত ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  20. ২০.০ ২০.১ "Broadcast Partners"। Cricket Australia। ২০১৩। সংগৃহীত ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  21. "Australia Vs England Ashes Test Series 2013-14 Schedule"। Cricketwa। ২০১৩। সংগৃহীত ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  22. Martin, Chris (২১ নভেম্বর ২০১৩)। "How to get free live coverage of The Ashes 2013-2014 cricket: England vs Australia"। Tech Advisor। সংগৃহীত ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]