২০১৯ অ্যাশেজ সিরিজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০১৯ অ্যাশেজ সিরিজ
২০১৯ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের ইংল্যান্ড সফর-এর অংশ
২০১৯ অ্যাশেজ সিরিজের লোগো.png
২০১৯ অ্যাশেজ সিরিজের লোগো
তারিখ১ আগস্ট - ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
অবস্থানইংল্যান্ড ইংল্যান্ড
ফলাফল২-২
সিরিজ সেরাবেন স্টোকস (ইংল্যান্ড) ও স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
কম্পটন-মিলার পদক:
স্টিভ স্মিথ
দলসমূহ
 ইংল্যান্ড  অস্ট্রেলিয়া
অধিনায়ক
জো রুট টিম পেইন
সর্বাধিক রান
সর্বাধিক উইকেট
২০২১-২২ →

২০১৯ অ্যাশেজ সিরিজ (ইংরেজি: 2019 Ashes series) ইংল্যান্ডঅস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার পূর্ব-নির্ধারিত টেস্ট ক্রিকেট সিরিজভূক্ত খেলা। সম্প্রচারস্বত্ত্বের কারণে এ সিরিজটি স্পেকস্যাভার্স অ্যাশেজ সিরিজ নামে পরিচিতি পায়।[১] টেস্ট খেলাগুলো আয়োজনের লক্ষ্যে এজবাস্টন, লর্ডস, হেডিংলি, ওল্ড ট্রাফোর্ড এবং ওভালকে নির্ধারণ করা হয়েছে।[২] অস্ট্রেলিয়া ২০১৭-১৮ মৌসুমের অ্যাশেজ সিরিজ জয় করে এ ট্রফি করায়ত্ত্ব করে রেখেছে। পূর্বতন সিরিজগুলোর তুলনায় মে থেকে জুলাই মাসে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে ২০১৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজনের কারণে নির্ধারিত সময়ের পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ সিরিজের প্রথম টেস্ট আয়োজনের মাধ্যমে ২০১৯-২১ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের শুভ উদ্বোধন ঘটে।[৩][৪] দ্বিতীয় টেস্ট চলাকালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অতিরিক্ত খেলোয়াড়কে ব্যাটিং করার অনুমতি দেয়া হয়।

চতুর্থ টেস্টে জয়ের ফলে অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ নিজেদের কাছে রেখে দেয়।[৫] সিরিজটি ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়।

দলীয় সদস্য

২৬ জুলাই, ২০১৯ তারিখে অস্ট্রেলিয়া দল অ্যাশেজ সিরিজের জন্যে ১৭-সদস্যের তালিকা প্রকাশ করে।[৬] অপরদিকে, ইংল্যান্ড দল ২৭ জুলাই তারিখে প্রথম টেস্টের জন্যে খেলোয়াড়দের তালিকা ঘোষণা করে।[৭]

 ইংল্যান্ড[৮]  অস্ট্রেলিয়া[৯]

ইংল্যান্ডের পক্ষে জ্যাক লিচকে দ্বিতীয় টেস্টের জন্যে দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তিনি দলের বাইরে রাখা মঈন আলী’র স্থলাভিষিক্ত হন।[১০]

টেস্ট সিরিজ

১ম টেস্ট

১-৫ আগস্ট, ২০১৯
স্কোরকার্ড
২৮৪ (৮০.৪ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ১৪৪ (২১৯)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৫/৮৬ (২২.৪ ওভার)
৩৭৪ (১৩৫.৫ ওভার)
রোরি বার্নস ১৩৩ (৩১২)
প্যাট কামিন্স ৩/৮৪ (৩৩ ওভার)
৪৮৭/৭ডি. (১১২ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ১৪২ (২০৭)
বেন স্টোকস ৩/৮৫ (২২ ওভার)
১৪৬ (৫২.৩ ওভার)
ক্রিস উকস ৩৭ (৫৪)
নাথান লায়ন ৬/৪৯ (২০ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ২৫১ রানে বিজয়ী
এজবাস্টন, বার্মিংহাম
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও জোয়েল উইলসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
ম্যাচসেরা: স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়লাভ করে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে স্টিভ স্মিথ ইংল্যান্ডের মাটিতে অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম দিনে সর্বাধিক রান করার কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন।[১১]
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে স্টুয়ার্ট ব্রড খেলার প্রথম ইনিংসে অ্যাশেজ সিরিজে নিজস্ব ১০০তম উইকেট লাভ করেন।[১২] দ্বিতীয় ইনিংসে ডেভিড ওয়ার্নারকে আউট করে ৪৫০তম উইকেট লাভ করেন তিনি।[১৩]
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে রোরি বার্নস নিজস্ব প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকান।[১৪]
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে স্টিভ স্মিথ অ্যাশেজ ট্রফিতে নিজস্ব দশম ও টেস্টে ব্যক্তিগত ২৫তম সেঞ্চুরি করেন।[১৫]
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে প্যাট কামিন্স টেস্টে ব্যক্তিগত ১০০তম উইকেট লাভ করেন।[১৬]
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে নাথান লায়ন টেস্টে ব্যক্তিগত ৩৫০তম উইকেট পান।[১৬]
  • ২০০৫ সালের পর ইংল্যান্ডের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া দল প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে জয় পায়। এছাড়াও, ২০০১ সালের পর এজবাস্টনে প্রথম জয়লাভ করে।[১৭]
  • বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ পয়েন্ট: অস্ট্রেলিয়া ২৪, ইংল্যান্ড ০।

২য় টেস্ট

১৪-১৮ আগস্ট, ২০১৯
স্কোরকার্ড
২৫৮ (৭৭.১ ওভার)
রোরি বার্নস ৫৩ (১২৭)
জস হজলউড ৩/৫৮ (২২ ওভার)
২৫০ (৯৪.৩ ওভার))
স্টিভ স্মিথ ৯২ (১৬১)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৪/৬৫ (২৭.৩ ওভার)
২৫৮/৫ডি. (৭১ ওভার)
বেন স্টোকস ১১৫* (১৬৫)
প্যাট কামিন্স ৩/৩৫ (১৭ ওভার)
১৫৪/৬ (৪৭.৩ ওভার)
মারনাস লাবুশেন ৫৯ (১০০)
জোফ্রা আর্চার ৩/৩২ (১৫ ওভার)
ড্র
লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড, লন্ডন
আম্পায়ার: আলীম দার (পাকিস্তান) ও ক্রিস গফানি (নিউজিল্যান্ড)
ম্যাচসেরা: বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়লাভ করে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ১ম দিন বৃষ্টির কারণে খেলা হয়নি। ৩য় দিন মধ্যাহ্নবিরতির পর বৃষ্টির কারণে খেলা হয়নি। ৫ম দিন বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে বিলম্ব হয়।
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে জোফ্রা আর্চারের তার টেস্ট অভিষেক ঘটে।
  • ১২৮টি টেস্ট খেলায় আম্পায়ারিত্ব করে আলীম দার ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান স্টিভ বাকনরের রেকর্ডের সমকক্ষ হলেন।[১৮]
  • ৫ম দিনে মারনাস লাবুশেন স্টিভ স্মিথের স্থলাভিষিক্ত হন। পূর্বদিন স্টিভ স্মিথ গুরুতর আহত হন। এরফলে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোন অতিরিক্ত খেলোয়াড় ব্যাটিং করার অনুমতিপ্রাপ্ত হন।[১৯]
  • বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ পয়েন্ট: অস্ট্রেলিয়া ৮, ইংল্যান্ড ৮।

৩য় টেস্ট

২২-২৬ আগস্ট, ২০১৯[n ১]
১৭৯ (৫২.১ ওভার)
মারনাস লাবুশেন ৭৪ (১২৯)
জোফ্রা আর্চার ৬/৪৫ (১৭.১ ওভার)
৬৭ (২৭.৫ ওভার)
জো ডেনলি ১২ (৪৯)
জোশ হজলউড ৫/৩০ (১২.৫ ওভার)
২৪৬ (৭৫.২ ওভার)
মারনাস লাবুশেন ৮০ (১৮৭)
বেন স্টোকস ৩/৫৬ (২৪.২ ওভার)
৩৬২/৯ (১২৫.৪ ওভার)
বেন স্টোকস ১৩৫* (২১৯)
জোশ হজলউড ৪/৮৫ (৩১ ওভার)
ইংল্যান্ড ১ উইকেটে বিজয়ী
হেডিংলি, লিডস
আম্পায়ার: ক্রিস গফানি (নিউজিল্যান্ড) ও জোয়েল উইলসন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
ম্যাচসেরা: বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)
  • ইংল্যান্ড টসে জয়লাভ করে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে খেলা বিলম্বে শুরু হয়। প্রথম দিন সকাল এবং বিকেলে খেলাকে সংক্ষিপ্ত করে তুলে।
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে জোফ্রা আর্চার টেস্টে তার প্রথম পাঁচ-উইকেট লাভ করেন।[২০]
  • ইংল্যান্ডের সংগৃহীত ৬৭ রান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯৪৮ সালের পর সর্বনিম্ন।[২১]
  • ইংল্যান্ড টেস্টে তাদের জয়ের সর্বোচ্চ সফল লক্ষমাত্রা অর্জন করে।[২২]
  • বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ পয়েন্ট: ইংল্যান্ড ২৪, অস্ট্রেলিয়া ০।

৪র্থ টেস্ট

৪-৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
স্কোরকার্ড
৪৯৭/৮ডি. (১২৬ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ২১১ (৩১৯)
স্টুয়ার্ট ব্রড ৩/৯৭ (২৫ ওভার)
৩০১ (১০৭ ওভার)
রোরি বার্নস ৮১ (১৮৫)
জোশ হজলউড ৪/৫৭ (২৫ ওভার)
১৮৬/৬ডি. (৪২.৫ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ৮২ (৯২)
জোফ্রা আর্চার ৩/৪৫ (১৪ ওভার)
১৯৭ (৯১.৩ ওভার)
জো ডেনলি ৫৩ (১২৩)
প্যাট কামিন্স ৪/৪৩ (২৪ ওভার)
অস্ট্রেলিয়া ১৮৫ রানে বিজয়ী
ওল্ড ট্রাফোর্ড, ম্যানচেস্টার
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) ও মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচসেরা: স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়লাভ করে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • বৃষ্টির কারণে ১ম দিন কেবলমাত্র ৪৪ ওভার খেলা আয়োজন করা সম্ভব হয়।
  • খেলার ফলাফলে অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ অক্ষুণ্ন রাখে।
  • বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ পয়েন্ট: অস্ট্রেলিয়া ২৪, ইংল্যান্ড ০।

৫ম টেস্ট

১২-১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯[n ১]
স্কোরকার্ড
২৯৪ (৮৭.১ ওভার)
জস বাটলার ৭০ (৯৮)
মিচেল মার্শ ৫/৪৬ (১৮.২ ওভার)
২২৫ (৬৮.৫ ওভার)
স্টিভ স্মিথ ৮০ (১৪৫)
জোফ্রা আর্চার ৬/৬২ (২৩.৫ ওভার)
৩২৯ (৯৫.৩ ওভার)
জো ডেনলি ৯৪ (২০৬)
নাথান লায়ন ৪/৬৯ (২৪.৩ ওভার)
২৬৩ (৭৭ ওভার)
ম্যাথু ওয়েড ১১৭ (১৬৬)
জ্যাক লিচ ৪/৪৯ (২২ ওভার)
ইংল্যান্ড ১৩৫ রানে বিজয়ী
দি ওভাল, লন্ডন
আম্পায়ার: কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা) ও মারাইজ ইরাসমাস (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ম্যাচসেরা: জোফ্রা আর্চার (ইংল্যান্ড)
  • অস্ট্রেলিয়া টসে জয়লাভ করে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে জো রুট টেস্টে ৭,০০০ রান করেন।[২৩]
  • ইংল্যান্ডের পক্ষে জনি বেয়ারস্টো টেস্টে ৪,০০০ রান করেন।[২৪]
  • অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে মিচেল মার্শ প্রথমবারের মতো টেস্টে পাঁচ-উইকেট লাভ করেন।[২৫]
  • বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ পয়েন্ট: ইংল্যান্ড ২৪, অস্ট্রেলিয়া ০।

সম্প্রচার

দেশ টেলিভিশন সম্প্রচার বেতার সম্প্রচার
 অস্ট্রেলিয়া নাইন নেটওয়ার্ক[২৬] এবিসি লোকাল রেডিও
এবিসি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড
 যুক্তরাজ্য
 আয়ারল্যান্ড
স্কাই স্পোর্টস[২৭] বিবিসি রেডিও ৪ এলডব্লিউ
বিবিসি রেডিও ৫ লাইভ স্পোর্টস এক্সট্রা

পাদটীকা

  1. While five days of play were scheduled for each Test, the third and fifth Tests reached a result in four days.

তথ্যসূত্র

  1. "Welcome to the Specsavers Ashes! ECB announce new title sponsor"The Cricketer (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৯ 
  2. "England schedule confirmed for summer 2019" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৮ 
  3. "Kohli 'excited' about World Test Championship; praises youngsters in ODI, T20I squads"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১৯ 
  4. "FAQs - What happens if World Test Championship final ends in a draw or tie?"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৯ 
  5. "Australia retain Ashes with thrilling win over England at Old Trafford"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  6. "Australia name 17-man Ashes squad"Cricket Australia। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  7. "England name squad for first Ashes Test"England and Wales Cricket Board। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৯ 
  8. "England name squad for first Ashes Test"England and Wales Cricket Board। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৯ 
  9. "Australia name 17-man Ashes squad"Cricket Australia। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  10. "Ashes 2019: England drop Moeen Ali, Jack Leach recalled for second Test"। BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। ৯ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৯ 
  11. "Smith special takes shine off England's opening day"Cricbuzz। ২ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৯ 
  12. "Stats: Steve Smith's record ton on Test comeback inspires Australia to a commanding total"Crictracker। ২ আগস্ট ২০১৯। ২ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৯ 
  13. "Broad makes Warner 450th Test wicket"Sky Sports। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৯ 
  14. "Rory Burns' maiden Test ton gives England Ashes ascendancy"International Cricket Council। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০১৯ 
  15. "Steven Smith's rare twin hundreds in first Test of an away series"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১৯ 
  16. "Milestone men Lyon, Cummins breach fortress Edgbaston"Cricket Australia। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৯ 
  17. "Lyon and Cummins complete crushing victory for Ashes lead"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৯ 
  18. "Aleem Dar equals Steve Bucknor's record for most Tests as umpire"। International Cricket Council। ১৫ আগস্ট ২০১৯। ২০ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১৯ 
  19. "Steven Smith withdrawn from Lord's Test due to concussion"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৯ 
  20. "Jofra Archer claims six as Australia are rolled for 179"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১৯ 
  21. "Stats: England succumb to their lowest Test total at home in seven decades"Crictraker। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০১৯ 
  22. "Ben Stokes century leads England to epic Ashes-saving win at Headingley"BBC Sport। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৯ 
  23. "Root betters Bradman on day one of Oval Ashes Test"Cricket 365। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  24. "Jos Buttler keeps England afloat after familiar collapse against Australia"The Gaurdian। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  25. "England all out for 294 as Marsh takes five wickets"Eurosport। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  26. Smith, Martin (৩১ জুলাই ২০১৯)। "Ultimate fans' guide to the 2019 Ashes"cricket.com.au। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 
  27. "Ashes TV schedule on Sky Sports: How to watch every ball of 2019 series live!"। Sky Sports। ১ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ