হস্তমৈথুন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
গুস্টাফ ক্লিমটের মুলের সেটেড বা "উপবিষ্ট নারী" (১৯১৬)

হস্তমৈথুন একরূপ যৌনক্রিয়া যাতে একজন ব্যক্তি কোনো সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অংশগ্রহণ ব্যতিরেকেই যৌনসুখ অর্জনের চেষ্টা করে। আত্মমৈথুনস্বকাম এর সমার্থক শব্দ। এ যৌনক্রিয়াই প্রধানত হাতের সাহায্যে পুরুষ তার লিঙ্গ এবং নারী তার যোনী ঘর্ষণ করে বলে একে সচরাচর হস্তমৈথুন হিসেবেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে।

হস্তমৈথুন একটি কামোদ্দীপক প্রক্রিয়া যার চূড়ান্ত পরিণতিতে সাধারণতঃ পুরুষের বীর্যপাত হয়ে থাকে। তবে বীর্যপাতের আগেই হস্তমৈথুন পর্ব শেষ হতে পারে। নারীর ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য অর্থাৎ হস্তমৈথুনের মাধ্যমে নারীর রাগমোচন হতেও পারে আবার না-ও হতে পারে। হস্তমৈথুন নিজেই একটি সুখপ্রদায়ী প্রক্রিয়া। এটি আসক্তিজনক হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি সমস্যাসংকুল হতে পারে। হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক যৌনকর্ম নাকি যৌনবিকৃতি কি-না এই বিষয়ে দীর্ঘকাল থেকে বিতর্ক চলমান আছে।

মানুষ ছাড়াও নানা বন্যগৃহপালিত পশু হস্তমৈথুন করে থাকে।[১][২][৩]

কৌশল[সম্পাদনা]

হস্তমৈথুনের মূল কৌশল উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই একই রকম, আর তা হচ্ছে যৌনাঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা নাড়াচাড়া ও ঘর্ষণ করা। এটি আঙুল দ্বারা বা কোনো কিছুর মাধ্যমেও (যেমন: বালিশ) হতে পারে। এছাড়া বৈদ্যুতিক কম্পক বা ভাইব্রেটরের মাধ্যমেও ভালভা বা শিশ্নকে উত্তেজিত করে তোলা যায়। এটি একই সাথে যোনিপায়ু পথেও প্রবেশ করানো যায়। সমঝোতামূলক বা পারস্পরিক হস্তমৈথুনের ক্ষেত্রে উভয় লিঙ্গের সদস্যরা তাদের পরস্পরের স্তনবৃন্ত বা অন্যান্য কামোত্তেজক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে স্পর্শ করাকেও উপভোগ্য মনে করতে পারেন। অনেকেই হস্তমৈথুনকে উপভোগ্য করে তোলার জন্য মুখের লালা, তেল বা পিচ্ছিলকারক দ্রব্য ব্যবহার করে।

বৈচিত্র্য[সম্পাদনা]

হস্তমৈথুন মূলত স্বকাম; তবে এতে মানুষ স্বীয় হাত-আঙ্গুলি ছাড়াও যৌনখেলনা যেমন কৃত্রিম যোনি বা কৃত্রিম শিশ্ন ব্যবহার করে থাকে।

পুরুষের হস্তমৈথুন[সম্পাদনা]

সচরাচর স্বীয় শিশ্ন হাতের মুঠিতে আঁকড়ে ধরে ওপর-নিচ ওঠানামা করে পুরুষ মানুষ হস্তমৈথুন করে থাকে। এর ফলে এক পর্যায়ে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছে এবং বীর্যপাত হয়ে রাগমোচন অর্থাৎ চরমানন্দ লাভ হয়।

নারীর হস্তমৈথুন[সম্পাদনা]

নারীর হস্তমৈথুনের কৌশলের মধ্যে রয়েছে ভালভা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঘর্ষণ করা, বিশেষ করে ভগাঙ্কুরে। এই ঘর্ষণ হতে পারে তার অনামিকা বা মধ্যমা আঙুলের দ্বারা। কিছুক্ষেত্রে জি-স্পটে ঘর্ষণ সৃষ্টির জন্য যোনিপথে এক বা একাধিক আঙুল প্রবেশ করানো হয়। অনেক নারী হস্তমৈথুনের সময় অপর হাতের দ্বারা নিজেদের স্তন ও স্তনবৃন্তে হাত বুলাতে পছন্দ করেন। কারণ এটি যৌন উত্তেজক অঙ্গ ও উত্তেজনা সৃষ্টিতে এর ভূমিকার রয়েছে। আবার কেউ কেউ পায়ু উত্তেজনাও উপভোগ করেন। হস্তমৈথুনের জন্য যোনিপথ পিচ্ছিল করতে অনেকে বাড়তি লুব্রিকেটিং বা তৈলাক্ত পদার্থ ব্যবহার করেন, বিশেষ করে যখন কোনো কিছু প্রবেশ করানো প্রয়োজন হয়। কিন্তু এটির ব্যবহার সকল স্থানে প্রচলিত নয়। অনেক নারী তাঁদের নিজেদের প্রাকৃতিক লুব্রিকেশনকেই যথেষ্ট বলে মনে করেন।

নারীরা প্রধানত যোনি অভ্যন্তরস্থ ভগাঙ্কুর আঙ্গুলের সাহায্যে নাড়াচাড়া করে কামোত্তেজনা প্রশমিত করে থাকে। তবে এতে পুরুষের বীর্যপাতের ন্যায় কোনও চরম ঘটনা ঘটে না। প্রচীনকালে নারী হস্তমৈথুনের জন্য পোড়ামাটির লিঙ্গ ব্যবহার করতো বলে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। আধুনিক কালে হস্তমৈথুনের সময় যোনি ও ভগাঙ্কুরকে উত্তেজিত করে তুলতে বিভিন্ন কৃত্রিম বস্তুর সাহায্য নেওয়া হতে পারে যেমন কম্পক দণ্ড (ভাইব্রেটর), কৃত্রিম শিশ্ন (ডিলডো) এবং বেন ওয়া বল

পারস্পরিক হস্তমৈথুন[সম্পাদনা]

দুজন পুরুষ একে অন্যের লিঙ্গ নাড়াচাড়া করে বীর্যপাত করিয়ে দিলে একে বলা হয় পারস্পরিক হস্তমৈথুন। তেমনি দুজন নারী পরস্পরের যোনিতে হাত তথা অঙ্গুলি চালনা করে রাগমোচন করলে তাও হবে পারস্পরিক হস্তমৈথুন। আবার একজন পুরুষ এবং একজন নারী একে অন্যের যোনি ও লিঙ্গ নাড়াচাড়া করে যথাক্রমে রাগমোচন ও বীর্যপাত করতে সাহায্য করলে তাকেও পারস্পরিক হস্তমৈথুন বলা হয়ে থাকে। যদিও পুরুষ ও নারীর পারস্পরিক হস্তমৈথুন কিছুটা বিরল ঘটনা। কারণ পুরুষ ও নারী যেহেতু স্বাভাবিকভাবে পরস্পর মৈথুন করতে পারে, তাই তাদের মধ্যে পারস্পরিক হস্তমৈথুন তখনই সম্ভব যখন তারা তাদের রতিক্রিয়াকে একটু অন্যরকমভাবে উপভোগ করতে ইচ্ছুক হয়। পারস্পরিক হস্তমৈথুনে যেহেতু দুজন মানুষের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া হয়ে থাকে তাই একে আর স্বকাম বা আত্মকাম বলা চলে না। কিন্তু পারস্পরিক হস্তমৈথুন আত্মরতির থেকে বেশি সুখদায়ক আবার মৈথুনের থেকে কম সুখদায়ক বলে মনে করা হয়।

হস্তমৈথুনের পাশাপাশি মুখমৈথুন এবং স্তনমৈথুন-ও প্রচলিত আছে। পুরুষ ও নারী মুখ বা জিহ্বা দ্বারা পরস্পর পরস্পরের যোনি বা লিঙ্গ চাটলে তাকে মুখমেহন বলে আর যদি পুরুষ তার লিঙ্গকে নারীর দুই স্তনের মাঝে রেখে স্তন দ্বারা ঘর্ষণের মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটায় তাকে স্তন মৈথুন বলে।

হার, বয়স, ও লিঙ্গ[সম্পাদনা]

হস্তমৈথুনের হার বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। কারো যৌন ইচ্ছা বা হরমোনের মাত্রা তা যৌন উত্তেজনা, যৌন অভ্যাস, স্বাস্থ্য এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে। ই. হাইবি এবং জে. বেকার পরীক্ষা করে দেখেছেন যে কোনো স্থানের সংস্কৃতিও হস্তমৈথুনের হারকে প্রভাবিত করে।[৪] এছাড়াও হস্তমৈথুনের সাথে কিছু চিকিৎসীয় কারণও জড়িত।[৫][৬][৭]

মানুষের মধ্যে হস্তমৈথুনের হার নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন রকমের জরিপ ও গবেষণা হয়েছে। আলফ্রেড কিনসের ১৯৫০-এর দশকের এক গবেষণায় বলা যায়, মার্কিন নাগরিকদের মাঝে ৯২% পুরুষ ও ৬২% নারী তাঁদের জীবনকালে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করেছেন।[৮] ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যের মানুষের মাঝে করার একটি জরিপেও কাছাকাছি ফলাফল পাওয়া যায়। জরিপে দেখা যায় ১৬ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে ৯৫% পুরুষ ও ৭১% নারী তাঁদের জীবনের যে-কোনো সময়ে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করেছেন। সাক্ষাৎকারের চার সপ্তাহ আগে হস্তমৈথুন করেছেন এমন পুরুষের হার ৭১% ও নারী ৩৭%। অপর দিকে ৫৩% পুরুষ ও ১৮% নারী জানিয়েছেন যে, তাঁরা এই সাক্ষাৎকারের ১ সপ্তাহ আগে হস্তমৈথুন করেছেন।[৯]

২০০৯ সালে নেদারল্যান্ড ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সাথে যুক্তরাজ্যেও বয়সন্ধি কালীন ছেলে-মেয়েদের কমপক্ষে প্রতিদিন হস্তমৈথুন করার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়। রাগমোচনকে শরীরের জন্য উপকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে শিশু গর্ভবতীর ও যৌন সংক্রামক রোগের হারের প্রাপ্ত উপাত্ত লক্ষ্য করে, তা কমিয়ে আনতে এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়, এবং এটিকে একটি ভালো অভ্যাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়।[১০]

স্বাস্থ্যগত উপযোগিতা[সম্পাদনা]

চিকিৎসকরা ঐক্যমতে পৌছেছেন যে, হস্তমৈথুন একটি স্বাস্থ্যকর এবং মনস্তাত্ত্বিকগত স্বাভাবিক স্বভাব।[১১][১২][১৩][১৪][১৫][১৬][১৭][১৮] মের্ক ম্যানুয়েল অব ডায়াগনসিস & থেরাপি অনুসারে, "হস্তমৈথুন তখনি অস্বাভাবিক বলে পরিগণিত হবে, যখন এটি সঙ্গীর চাহিদার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, এই আচরণ সর্বসম্মুখে প্রদর্শন করা হবে অথবা এর প্রতি অনিয়ন্ত্রিতভাবে আসক্ত হওয়ার দরুণ মানসিক সমস্যার মধ্যে পতিত হবে"।[১৯]

যুক্তরাষ্ট্রে, ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত ডিএসএম ২ এর অধীনে এই যৌনক্রিয়াকে, নিরাময়যোগ্য মানসিক অবস্থা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।[২০] পরবর্তীয়ে বিশেষজ্ঞদের সম্মতিক্রমে মার্কিন মনস্তাত্ত্বিক সংগঠন হস্তমৈথুনকে স্বাভাবিক যৌনাচারণ বলে ঘোষণা দেয়।[২১]

হস্তমৈথুন এর জন্য কখনোই একজন ব্যক্তির শরীরের শক্তি নিঃশেষিত হয় না[২২] অথবা এই যৌনকর্ম তৈরী করে না অকাল বীর্যপাত[২৩]

সাধারণ উপকারিতা[সম্পাদনা]

যৌন থেরাপিষ্টরা তাদের মহিলা রোগীদের অনেকসময় কামোদ্দীপকের ক্ষেত্রে সময় নিয়ে হস্তমৈথুন করতে বলেন। থেরাপিষ্টদের মতে এর ফলে যৌন স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক উভয়ই অধিকতর উন্নত হবে। পারস্পরিক হস্তমৈথুন যৌন সম্পর্কে একধনের তুষ্টি যুক্ত করে এবং তৈরী করে অন্তরঙ্গতা।[২৪][২৫]

অনেক মানসিক স্বাস্থ্য চক্র থেকে দেখা গিয়েছে হস্তমৈথুন হতাশাকে দূর করে এবং নিজের আত্মবিশ্বাসকে বহুগূণে বৃদ্ধি করে।[২৬] হস্তমৈথুন; সম্পর্কে বিশেষভাবে উপকারীও বটে- অনেকসময় সঙ্গী অন্য কারো সাথে যৌন সংসর্গে নিয়োজিত হতে চায়। এধরনের পরিস্থিতিতে হস্তমৈথুন একটা ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা তৈরী করে এবং ঐকতান বিশিষ্ট সম্পর্ক বজায় রাখে।[২৭]

পারস্পরিক হস্তমৈথুন এমন একধরনের ক্রীড়া, যেখানে দুই বা ততোধিক সঙ্গী উপস্থিত থেকে একে অপরকে উত্তেজিত করে। পারস্পরিক হস্তমৈথুনের সময় একজন সঙ্গী অপর সঙ্গীর মৈথুন দেখে বুঝতে পারে, সঙ্গীর যৌনসুখের কেন্দ্র কোথায়। এরফলে সে বুঝতে পারে ঠিক কিভাবে ও কোন জায়গায় তার স্পর্শ সঙ্গীকে কামোদ্দীপ্ত করবে। সবসময় যৌন সংগম করা সহজ হয় না এবং তার কিছু অসুবিধাও থাকতে পারে। কিন্তু পারস্পরিক হস্তমৈথুন এর ফলে দুইজনই চিত্তপ্রসাদ লাভ করে এবং এর কোনো ঝুঁকিও তৈরী হয় না।[২৭]

২০০৩ সালে গ্রাহাম গাইলসের নের্তৃত্বে অস্ট্রেলীয় গবেষকরা[২৮] একটি গবেষনা করেন। তারা দেখেন পুরুষের নিয়মিত হস্তমৈথুন প্রস্টেট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। যেসব পুরুষ সপ্তাহান্তে ৫ বা তারও অধিক বীর্য শরীর থেকে বের করে দেয়, তাদের প্রস্টেট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ২০ গুণ হ্রাস পায়। যাইহোক, তারা অবশ্য হস্তমৈথুনের ফলেই প্রস্টেট ক্যান্সার হ্রাস পায়; এরুপ প্রত্যক্ষ সংযোগ দেখান নি। এই গবেষনা থেকে আরো দেখা গিয়েছে যে, হস্তমৈথুনের ফলে বীর্যপাতের বৃদ্ধি যৌন সংগমের চেয়ে অধিকতর শ্রেয়। কারণ যৌন সংগম এর ফলে এসটিডির মত রোগ হতে পারে যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। যাইহোক, এই উপকারীতা বয়সের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। ২০০৮ সালে হওয়া একটি গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ঘনঘন বীর্যপাত প্রস্টেট ক্যান্সার তৈরীতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। পক্ষান্তরে, একই গবেষণায় দেখা গিয়েছে ৫০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে ঘনঘন বীর্যপাত ক্যান্সার তৈরীর ঝুঁকি হ্রাস করে।[২৯]

A study published in 1997 found an inverse association between death from coronary heart disease and frequency of orgasm even given the risk that myocardial ischaemia and myocardial infarction can be triggered by sexual activity.

The association between frequency of orgasm and all cause mortality was also examined using the midpoint of each response category recorded as number of orgasms per year. The age adjusted odds ratio for an increase of 100 orgasms per year was 0.64 (0.44 to 0.95).

That is, a difference in mortality appeared between any two subjects when one subject ejaculated at around two times per week more than the other. Assuming a broad range average of between 3 and 5 ejaculations per week for healthy males, this would mean 5 to 7 ejaculations per week. This is consistent with a 2003 Australia article on the benefits against prostate cancer. The strength of these correlations increased with increasing frequency of ejaculation.[৩০]

২০০৮ সালে তাবরিজ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের করা গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে, বীর্যপাত বন্ধ নাক জনিত সমস্যাকে হ্রাস করে, সাধারণ শ্বাস প্রশ্বাসের রাস্তা বিমুক্ত করে। এই গবেষণা দলের প্রধান গবেষক জানিয়েছেন, "রোগী তার বন্ধ নাক জনিত সমস্যার লক্ষণগুলো দেখে যৌন সংগম বা হস্তমৈথুন কতক্ষণ করবে; তা নিজের মত করে সময় নির্ধারণ করে নিতে পারে। এই ধরনের যৌন ক্রীড়া বন্ধ নাককে মুক্ত করতে সহায়তা করে।"[৩১]

একক হস্তমৈথুন হচ্ছে এমন এক ধরনের যৌন অভিমুখিতা; যার ফলে যৌন সংক্রামক রোগ হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই থাকে না। একাধিক ব্যক্তি একত্রে মিলে হস্তমৈথুনের ফলে যৌন রোগ হবার সম্ভাবনা নেই;- একথা বলা যাবে না। তবে যৌন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা যৌন অনুপ্রবেশের তুলনায় পারস্পরিক হস্তমৈথুনে কম।

যৌন পরিবেশ; তা হস্তমৈথুনই হোক বা অন্য যৌন ক্রীড়া, এর ফলে ব্যক্তি একধরনের সন্তোষজনক অবস্থা ও নিরুত্তাপীয় পরিস্থিতিতে (রিলাক্সড) পৌছায়। ফলে তার গভীর ঘুম হয়; বিশেষ করে ব্যক্তি যদি হস্তমৈথুন বিছানায় করে।[৩২][৩৩][৩৪]

কিছু বিশেষজ্ঞ হস্তমৈথুনকে হৃদপেশীর ব্যায়াম হিসেবে উল্লেখ করেছেন।[৩৫] যদিও এই বিষয়ে স্বল্প গবেষণা হয়েছে, তবে যারা হৃদপেশি সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগেন (বিশেষ করে যারা মায়োকার্ডিয়াল ইনফারাকশন অথবা হার্ট এটাক) তাদের এই শারীরিক ক্রিয়া (যৌন সংগম এবং হস্তমৈথুন) নিয়ত করা উচিত। তবে এধরনের যৌন আচরণ করার সময় শরীর কতটা নিতে পারছে সেবিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত। নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণা মতে প্রকৃত যৌন সংগম শক্তি ক্ষয় করে।[৩৬][৩৭]

যৌনক্রীড়া ও হস্তমৈথুন উভয়ই রক্তচাপ কমায়। একটি ছোট আকারের গবেষণা থেকে যেসব ব্যক্তি সাম্প্রতিক সময়ে কোনো যৌন ক্রীড়া করে নি; তাদের তুলনায় যারা হস্তমৈথুন করেছেন তাদের রক্তচাপ কম।[৩৮]

ঝুঁকি[সম্পাদনা]

যারা হস্তমৈথুনের সময় অন্য কোনো বস্তুকে প্রবিষ্ট করায়, সেই বস্তুর অভ্যন্তরে আটকে পরার একটি ঝুঁকি থাকে (দেখুন পায়ুতে বহিঃবস্তু)। নারী পুরুষ উভয়ই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। একজন নারী জার্মানীর হাসপাতালে গিয়েছিলেন কারণ তার মুত্রথলীতে দুইটি পেন্সিল আটকে গিয়েছিল। হস্তমৈথুনের সময় তিনি পেন্সিল দুটি মুত্রনালীতে অনুপ্রবেশ করিয়েছিলেন।[৩৯]

গর্ভধারণ[সম্পাদনা]

একক হস্তমৈথুন বা সমলিঙ্গের দুইজন মানুষ এর হস্তমৈথুনের ফলে কখনোই গর্ভাধান হওয়া সম্ভব নয়। একজন নারী ও একজন পুরুষের মধ্যে হস্তমৈথুন হতে হবে এবং তখনি নারী গর্ভবতী হবেন; যদি পুরুষের বীর্য নারীর যোনিদ্বারে প্রবেশ করে।

পুরুষের জন্য সমস্যা[সম্পাদনা]

পুরুষের শিশ্ন যদি তীব্র চাপের মধ্য দিয়ে বা মানসিক পীড়ার মধ্য দিয়ে, যৌন সংগম বা হস্তমৈথুনের সময় যদি আঘাত প্রাপ্ত হয়, তবে শিশ্ন চীড়[৪০][৪১][৪২] অথবা পেয়রোনি রোগ হতে পারে।[৪৩] ফাইমোসিস হচ্ছে "শিশ্নের অগ্রভাগের চামড়া টেনে নীচে নামানোর সময় ব্যথা পাওয়া জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতি"।[৪৪] এ ধরনের পরিস্থিতিতে লিঙ্গে বলপূর্বক যে কোনো টান (হস্তমৈথুনে যেমনটা হয়), লিঙ্গে সমস্যা তৈরী করতে পারে।

খুব কম সংখ্যক পুরুষ পোস্ট অর্গাসমিকইলনেস সিন্ড্রোমে (পিওআইএস) ভুগে। পিওআইএস এর ফলে পুরো শরীরের মাংসপেশীতে তীব্র ব্যথা অনুভুত হয় এবং অন্যান্য লক্ষণ বীর্যপাতের পরে প্রকাশ পেতে পারে। আর এই পিওআইএস হস্তমৈথুন বা যৌন সংসর্গের কারণে হতে পারে। এই ধরনের লক্ষণ এক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।[৪৫][৪৬][৪৭] কিছু চিকিৎসক অনুমান করেছেন পিওআইএস যে পরিমাণ দেখা যাওয়ার কথা গবেষণা উপাত্তে বলা হয়, মোট জনসংখ্যায় পিওআইএসে ভুগা পুরুষের সংখ্যা তার চেয়ে বেশি,[৪৮] এবং বেশিরভাগ পিওআইএসে আক্রান্ত মানুষ চিকিৎসা গ্রহণ করেন না।[৪৯]

আসক্তিজনক হস্তমৈথুন[সম্পাদনা]

আসক্তিকর বা আমোঘ (আত্মনিয়ন্ত্রণে অপ্রতিরোধ্য বা অক্ষম বা কষ্টসাধ্য বা দুর্দমনীয়) হস্তমৈথুন ও অন্যান্য দুর্দমনীয় আসক্তিকারক আচরণসমূহ আবেগের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, যা কোন একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কর্তৃক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হতে পারে।[৫০]

বিতর্ক[সম্পাদনা]

হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক যৌনকর্ম অথবা যৌনবিকৃতি কিনা এই বিষয়ে দীর্ঘকাল থেকে বিতর্ক আছে। বিভিন্ন ধর্মে হস্তমৈথুন একটি নিষিদ্ধ যৌনকর্ম, কিন্তু অনেক বৈজ্ঞানিক এটিকে মানুষের স্বভাবী যৌনক্রিয়া হিসেবে গণ্য করেছেন। মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর হস্তমৈথুন কুফল কি, তা নিয়েও বিতর্ক চলমান। বিবাহিত ব্যক্তিরা কেন হস্তমৈথুন করে সে প্রশ্নটি নিয়েও গবেষণা চলছে। অপরদিকে হস্তমৈথুনকে অনেক বিজ্ঞানী সাস্থের জন্য ভাল বলে দাবি করেছেন। তবে সাম্প্রতিক কালে ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফি ব্যবহারের মাধ্যমে হস্তমৈথুনের ফলে পর্নোগ্রাফির প্রতি আসক্তি সৃষ্টির প্রমাণ পাওয়া গেছে।[৫১]

ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে হস্তমৈথুন[সম্পাদনা]

বিশ্বজুড়ে প্রাকঐতিহাসিক যুগের বহু শিলাচিত্রে পুরুষের হস্তমৈথুন করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ থেকে ধারণা করা হয়, অপ্রাকৃতিক যৌন আচরণের সাথে মানুষের পরিচয় প্রাচীন যুগ থেকেই। মাল্টা দ্বীপের এক মন্দির সংলগ্ন স্থান থেকে প্রাপ্ত, খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় চতুর্থ শতকে নির্মিত একটি মাটির ভাস্কর্যে একজন নারীর হস্তমৈথুরত সময়ের চিত্রও পাওয়া গেছে।[৫২] তদুপরি, প্রাচীন যুগে মূলত পুরুষের হস্তমৈথুনের প্রমাণই বেশি পাওয়া যায়। তাই ধারণা করা হয় সে সময় এটিই বেশি প্রচলিত ছিলো।

প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রাচীন সুমেরীয়দের যৌনতার বিষয়ে শিথিল ধ্যানধারণা পোষণ করতো, এবং হস্তমৈথুন সেখানে সক্ষমতা তৈরির একটি উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি একাকী বা সঙ্গীর সাথে উভয়ভাবেই সম্পন্ন হতো।[৫৩][৫৪]

প্রাচীন মিশরে পুরুষের হস্তমৈথুন আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হতো। যখন কোনো দেবতার দ্বারা হস্তমৈথুন সংঘটিত হতো, তখন তা অনেক বেশি সৃষ্টিশীল ও জাদুকরী কাজ হিসেবে বিবেচিত হতো। বিশ্বাস করা হতো মিশরীয় দেবতা আতুম হস্তমৈথুনের মাধ্যমে হওয়া বীর্যপাতের দ্বারা এই বিশ্বজগত সৃস্টি করেছেন, এবং সেই সাথে নীল নদের পানি প্রবাহও তার বীর্যপাতের হার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এর সূত্র ধরেই মিশরীয় ফারাওদেরও আনুষ্ঠানিকভাবে নীল নদে হস্তমৈথুন করতে হতো।[৫৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Breeding Soundness Examination of the Stallion
  2. Bruce Bagemihl: Biological Exuberance: Animal Homosexuality and Natural Diversity. St. Martin's Press, 1999. আইএসবিএন ০-৩১২-১৯২৩৯-৮
  3. For further references, see also the main article Animal sexuality#Autoeroticism (masturbation).
  4. [১]
  5. "Bladder calculus presenting as excessive masturbation." Ceylon Med. J. 2006 Sept., 51(3):121-2.
  6. "Excessive masturbation after epilepsy surgery." Epilepsy Behav. 2004 Feb., 5(1):133-6.
  7. "Severe impulsiveness as the primary manifestation of multiple sclerosis in a young female." Psychiatry Clin. Neurosci. 2005 Dec., 59(6):739-42.
  8. The Kinsey Institute Data from Alfred Kinsey's studies. Published online.
  9. Gerressu, M., Mercer, C.H., Graham, C.A., Wellings, K. and Johnson, A.M. (2007). Prevalence of Masturbation and Associated Factors in a British National Probability Survey. Archives of Sexual Behavior, Published online.
  10. Treptow, C. (14 july 2009)। "U.K. Government Encourages Teen Masturbation?"। ABC News।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  11. Porter, Robert S.; Kaplan, Justin L., সম্পাদকগণ (২০১১)। "Chapter 165. Sexuality and Sexual Disorders"The Merck Manual of Diagnosis & Therapy (19th সংস্করণ)। Whitehouse Station, NJ: Merck Sharp & Dohme Corp., A Subsidiary of Merck & Co., Inc.। আইএসবিএন 978-0-911910-19-3 
  12. Patton, Michael S. (জুন ১৯৮৫)। "Masturbation from Judaism to Victorianism"। Journal of Religion and Health24 (2): 133–146। doi:10.1007/BF01532257PMID 24306073আইএসএসএন 0022-4197Social change in attitudes toward masturbation has occurred at the professional level only since 1960 and at the popular level since 1970. [133] ... onanism and masturbation erroneously became synonymous... [134] ... there is no legislation in the Bible pertaining to masturbation. [135] 
  13. Jack Boulware (৯ মে ২০০০)। "Sex educator says most people masturbate"। Salon.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৪  apud "Masturbation: Current medical opinions"। Ontario Consultants on Religious Tolerance। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৪ 
  14. Szasz, Thomas S. (১৯৭৪) [1973]। "Sex"The Second Sin। London: Routledge & Kegan Paul Ltd। পৃষ্ঠা 10। আইএসবিএন 978-0-7100-7757-8। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১১Masturbation: the primary sexual activity of mankind. In the nineteenth century it was a disease; in the twentieth, it's a cure. 
  15. Shpancer, Noah (২৯ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "The Masturbation Gap. The pained history of self pleasure"Psychology Today। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৩The publication of Kinsey's and Masters and Johnson's research revealed that masturbation was both common and harmless. Many studies have since confirmed this basic truth, revealing in addition that masturbation is neither a substitute for "real" sex nor a facilitator of risky sex. 
  16. Coon, Dennis; Mitterer, John O. (২০১৪)। "11. Gender and Sexuality"Introduction to Psychology: Gateways to Mind and Behavior (14 সংস্করণ)। Cengage Learning। পৃষ্ঠা 363। আইএসবিএন 978-1-305-54500-7Is there any way that masturbation can cause harm? Seventy years ago, a child might have been told that masturbation would cause insanity, acne, sterility, or other such nonsense. "Self-abuse," as it was then called, has enjoyed a long and unfortunate history of religious and medical disapproval (Caroll, 2013). The modern view is that masturbation is a normal sexual behavior (Hogarth & Ingham, 2009). Enlightened parents are well aware of this fact. Still, many children are punished or made to feel guilty for touching their genitals. This is unfortunate because masturbation itself is harmless. Typically, its only negative effects are feelings of fear, guilt, or anxiety that arise from learning to think of masturbation as "bad" or "wrong." In an age when people are urged to practice "safer sex," masturbation remains the safest sex of all. 
  17. Sigel, Lisa Z. (Summer ২০০৪)। "Masturbation: The History of the Great Terror by Jean Stengers; Ann Van Neck; Kathryn Hoffmann"। Journal of Social History37 (4): 1065–1066। doi:10.1353/jsh.2004.0065আইএসএসএন 0022-4529জেস্টোর 3790078Stengers and Van Neck follow the illness to its fairly abrupt demise; they liken the shift to finally seeing the emperor without clothes as doctors began to doubt masturbation as a cause of illness at the turn of the twentieth century. Once doubt set in, scientists began to accumulate statistics about the practice, finding that a large minority and then a large majority of people masturbated. The implications were clear: if most people masturbated and did not experience insanity, debility, and early death, then masturbation could not be held accountable to the etiology that had been assigned it. Masturbation quickly lost its hold over the medical community, and parents followed in making masturbation an ordinary part of first childhood and then human sexuality. 
  18. Wood, Kate (মার্চ ২০০৫)। "Masturbation as a Means of Achieving Sexual Health by Walter Bockting; Eli Coleman"। Culture, Health & Sexuality7 (2): 182–184। আইএসএসএন 1369-1058জেস্টোর 4005453In the collection's introductory chapter, Eli Coleman describes how Kinsey's research half a century ago was the first in a series of studies to challenge widely prevalent cultural myths relating to the 'harmful' effects of masturbation, revealing the practice to be both common and non-pathological. Subsequent research, outlined by Coleman in this chapter, has shown masturbation to be linked to healthy sexual development, sexual well-being in relationships, self-esteem and bodily integrity (an important sexual right). As such, the promotion and de-stigmatization of the practice continue to be important strategies within sexology for the achievement of healthy sexual development and well-being.

    The collection concludes with two surveys among US college students. The first of these was based on limited quantitative questions relating to masturbation. The findings suggest that masturbation is not a substitute for sexual intercourse, as has often been posited, but is associated with increased sexual interest and greater number of partners. The second of these surveys asks whether masturbation could be useful in treating low sexual desire, by examining the relationship between masturbation, libido and sexual fantasy.
     
  19. George R. Brown, MD (জুন ২০১৫)। "Overview of Sexuality"Merck Manuals Professional Version। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৫ 
  20. David J. Ley (১০ জুলাই ২০১৪)। The Myth of Sex Addiction। Rowman & Littlefield। পৃষ্ঠা 12। আইএসবিএন 978-1-4422-1305-0 
  21. Planned Parenthood Federation of America (মার্চ ২০০৩)। "Masturbation: From myth to sexual health"। Contemporary Sexuality37 (3): v। আইএসএসএন 1094-5725ওসিএলসি 37229308Finally, the American medical community pronounced masturbation as normal in 1972 American Medical Association publication, Human Sexuality (Rowan, 2000). 
  22. "Masturbation: Questions and Answers" (PDF)। McKinley Health Center University of Illinois at Urbana-Champaign। ২ এপ্রিল ২০০৮। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৭ 
  23. Strassberg, Donald S.; Mackaronis, Julia E.; Perelman, Michael A. (২০১৫)। "Sexual dysfunctions"। Blaney, Paul H.; Krueger, Robert F.; Millon, Theodore। Oxford textbook of psychopathology (Third সংস্করণ)। NY: Oxford University Press। পৃষ্ঠা 441–442। আইএসবিএন 978-0-19-981177-9ওসিএলসি 879552995। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৫ 
  24. Shuman, Tracy (ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "Your Guide to Masturbation"। WebMD, Inc./The Cleveland Clinic Department of Obstetrics and Gynecology। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০০৬ 
  25. Knowles, Jon (নভেম্বর ২০০২)। "Masturbation — From Stigma to Sexual Health" (PDF)। Katharine Dexter McCormick Library/Planned Parenthood Federation of America, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০০৬ 
  26. "Masturbation Information on Healthline"। Healthline.com। ৩০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১১ 
  27. "Masturbation key to healthy, functional sexual relationships"The Badger Herald, Daily campus newspaper। Madison, Wisconsin, USA: Badger Herald, Inc.। ১৯ এপ্রিল ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০০৭ 
  28. Giles, G.G.; G. Severi; D.R. English; M.R.E. McCredie; R. Borland; P. Boyle; J.L. Hopper (২০০৩)। "Sexual factors and prostate cancer"। BJU International92 (3): 211–216। doi:10.1046/j.1464-410X.2003.04319.xPMID 12887469 
  29. Polyxeni Dimitropoulou; Douglas Easton; Richard Pocock; David P. Dearnaley; Michelle Guy; Steven Edwards; Lynne O'Brien; Amanda Hall; Rosemary Wilkinson; Rosalind Eeles; Kenneth R. Muir; Artitaya Lophatananon (১১ নভেম্বর ২০০৮)। "Sexual activity and prostate cancer risk in men diagnosed at a younger age"। BJU International103 (2): 178–185। doi:10.1111/j.1464-410X.2008.08030.xPMID 19016689 
  30. Smith, George Davey; F; Y (২০ ডিসেম্বর ১৯৯৭)। "Sex and death: are they related? Findings from the Caerphilly cohort study"BMJ315 (7123): 1641–4। doi:10.1136/bmj.315.7123.1641PMID 9448525পিএমসি 2128033অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  31. "Masturbation could bring hay fever relief for men"। এপ্রিল ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০০৯ 
  32. Sutherland, Tammy। "Six healthy reasons to masturbate"Best Health Magazine। Reader's Digest Magazines (Canada)। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৩Just as people fall into a deep sleep after sex with a partner, because blood pressure is lowered and relaxation is increased through the release of endorphins, masturbation is a good sleeping pill," says Golden. "It is relied on by many as a nightly occurrence. 
  33. "Five Things You Didn't Know About Masturbation"। WebMD। ১৫ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৩Masturbation can help you relax. 
  34. Wenner, Melinda (২০০৬)। "Why do guys get sleepy after sex?"। NYU Journalism (New York University)। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৩The bottom line is this: there are many potential biochemical and evolutionary reasons for post-sex sleepiness, some direct and some indirect 
  35. Graber, Benjamin; Balogh, Scott; Fitzpatrick, Denis; Hendricks, Shelton (জুন ১৯৯১)। "Cardiovascular changes associated with sexual arousal and orgasm in men"। Sexual Abuse4 (2): 151–165। doi:10.1007/BF00851611আইএসএসএন 1079-0632 
  36. Kevin Charles Redmon (১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Bad news: Sex doesn't burn that many calories"। Salon.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৪ 
  37. Krista Casazza et. al (৩১ জানুয়ারি ২০১৩)। "Myths, Presumptions, and Facts about Obesity"N. Engl. J. Med.368 (5): 446–454। doi:10.1056/NEJMsa1208051PMID 23363498পিএমসি 3606061অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  38. Brody S (ফেব্রুয়ারি ২০০৬)। "Blood pressure reactivity to stress is better for people who recently had penile-vaginal intercourse than for people who had other or no sexual activity"। Biol. Psychol.71 (2): 214–22। doi:10.1016/j.biopsycho.2005.03.005PMID 15961213 
  39. Wegner, HE; Franke M; Schick V. (মে ১৯৯৭)। "Endoscopic removal of intravesical pencils using percutaneous nephrolithotomy sheath and forceps"Journal of Urology157 (5): 1842। doi:10.1016/s0022-5347(01)64878-xPMID 9112540 
  40. টেমপ্লেট:EMedicine
  41. El Atat, R.; Sfaxi, M.; Benslama, R.; Amine, D.; Ayed, M.; Mouelli, B.; Chebil, M.; Zmerli, S. (জানু ২০০৮)। "Fracture of the penis: management and long-term results of surgical treatment. Experience in 300 cases"। Journal of Trauma64 (1): 121–125। doi:10.1097/TA.0b013e31803428b3PMID 18188109আইএসএসএন 0022-5282 
  42. Asgari, S.; Roshani, A.; Falahatkar, S.; Mokhtari, G.; Pourreza, F. (২০০৭)। "MP-21.01: Report on the early and late complications of 169 penile fractures"। Urology70 (3): 160–161। doi:10.1016/j.urology.2007.06.119 
  43. Fitkin J, Ho GT (আগস্ট ১৯৯৯)। "Peyronie's disease: current management"Am. Fam. Physician60 (2): 549–52, 554। PMID 10465229 
  44. "article on Foreskin contraction (phimosis)"। Netdoctor.co.uk। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০১১ 
  45. Balon R, Segraves RT, সম্পাদকগণ (২০০৫)। Handbook of Sexual Dysfunction। Taylor & Francis। আইএসবিএন 978-0-8247-5826-4 
  46. Wylie KR, সম্পাদক (২০১৫)। ABC of Sexual Health। John Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 75। আইএসবিএন 978-1-118-66556-5। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০১৫ 
  47. "Postorgasmic illness syndrome"Genetic and Rare Diseases Information Center (GARD)National Institutes of Health। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০১৫ 
  48. Ashby J, Goldmeier D (মে ২০১০)। "Postorgasm illness syndrome--a spectrum of illnesses"। J. Sex. Med.7 (5): 1976–81। doi:10.1111/j.1743-6109.2010.01707.xPMID 20214722 
  49. McMahon CG (অক্টোবর ২০১৪)। "Post-Orgasmic Illness Syndrome" (PDF)16th World Meeting on Sexual Medicine 
  50. "University of Pennsylvania Office of Health Education article on masturbation"। Vpul.upenn.edu। ২০ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০১১ 
  51. Laier, C.; Pawlikowski, M.; Pekal, J.; Schulte, F. P.; Brand, M. (২০১৩)। "Cybersex addiction: Experienced sexual arousal when watching pornography and not real-life sexual contacts makes the difference" (PDF)Journal of Behavioral Addictions2 (2): 100–107। doi:10.1556/JBA.2.2013.002PMID 26165929 
  52. "The Ħaġar Qim woman is... masturbating, with one hand languidly supporting her head. " Taylor, Timothy. Uncovering the prehistory of sex, British Archaeology, no 15, June 1996: [২].
  53. Dening, Sarah. The Mythology of Sex. Macmillian 1996, আইএসবিএন ৯৭৮ ০০২৮৬১২০৭২
  54. Dening, Sarah, The Mythology of Sex Chapter 3
  55. Johnathan Margolis, "O: The intimate history of the orgasm", 2003. p134

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]