বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রবেশদ্বার:পর্নোগ্রাফি ও ইরোটিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(প্রবেশদ্বার:পর্নোগ্রাফি থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পর্নোগ্রাফি ও ইরোটিকা প্রবেশদ্বারে স্বাগতম
কর্নেলিস ভ্যান হারলেমের আঁকা বিফোর দ্য ডেলিউজ, ১৬১৫
কর্নেলিস ভ্যান হারলেমের আঁকা বিফোর দ্য ডেলিউজ, ১৬১৫

ভূমিকা

ভারতের খাজুরাহো মন্দিরে কামোদ্দিপক কাম মুর্তি

আদিরসাত্মক সৃষ্টিকর্ম বা কামোদ্দীপক সৃষ্টিকর্ম বলতে যৌনকামনা উদ্রেককারী শিল্প বা সাহিত্যকর্মকে বোঝায়৷ চিত্রাঙ্কন, ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, নাটক, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত অথবা সাহিত্য, ইত্যাদিসহ আদিরসাত্মক শিল্পের সকল শাখাই যৌনকামনা উদ্দীপক বিষয়বস্তু চিত্রিত করতে সক্ষম। কিছু সমালোচক পর্নোগ্রাফিকে এক প্রকার আদিরসাত্মক সৃষ্টিকর্ম বলে মনে করেন, কিন্তু অনেকে একে ভিন্ন বলে মনে করেন। উচ্চ-শিল্প আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, যদিও বাণিজ্যিক পর্নোগ্রাফির সাথে এর বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য বিদ্যমান। আরেকটি বিভাগ হল অপেশাদার পর্নোগ্রাফি, যা অ-বাণিজ্যিক কাজের অর্ন্তভূক্ত। ইরোটিক সাহিত্য এবং ইরোটিক ফটোগ্রাফি তাদের নিজস্ব ধারায় পরিণত হয়েছে। গে পর্নোগ্রাফি, লেসবিয়ান ইরোটিকা, মহিলাদের ইরোটিকা, বন্ডেজ ইরোটিকা, মনস্টার ইরোটিকা এবং টেন্যাকল ইরোটিকা সহ বেশ কয়েকটি সাবজেনারেও ইরোটিকা বিদ্যমান।

কিউরিওসা' হল কৌতূহল বা বিরলতা, বিশেষ করে অস্বাভাবিক বা কামোদ্দীপক বই। প্রাচীন পুস্তক ব্যবসায়, পর্নোগ্রাফিক সৃষ্টিকর্মগুলি প্রায়ই "কিউরিওসা", "ইরোটিকা" বা "ফেসটিয়া"-এর অধীনে তালিকাভুক্ত করা হয়। ('সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)


অশ্লীল যৌনচিত্রণ বা ইংরেজি পরিভাষায় পর্নোগ্রাফি (সংক্ষেপে "পর্ন" বা "পর্নো" অনানুষ্ঠানিক ব্যবহারে) বলতে পাঠক-দর্শক-শ্রোতার দেহমনে যৌন উদ্দীপনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যৌন বিষয়বস্তুর খোলামেলা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা বা চিত্রণকে বোঝায়। অশ্লীল যৌনচিত্রণ বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে উপস্থাপন করা হতে পারে, যার মধ্যে বই, সাময়িকী, পোষ্টকার্ড, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, রেখাচিত্র, রঙচিত্র, সচলচিত্র, ধারণকৃত শব্দ, চলচ্চিত্র, ভিডিও এবং ভিডিও গেম অন্তর্ভুক্ত। অশ্লীল যৌনচিত্রণবিশিষ্ট সৃষ্টিকর্মকে "অশ্লীল সৃষ্টিকর্ম" বলে এবং একেও ইংরেজিতে "পর্নোগ্রাফি" বলা হয়।

প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই যৌনচিত্র বিদ্যমান রয়েছে। পর্নোগ্রাফি হিসাবে বিবেচিত প্রাচীনতম নিদর্শনগুলো ২০০৮ সালে জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয়েছিল, যেগুলোর বয়স কমপক্ষে ৩৫,০০০ বছর। আদিরসাত্মক রূপায়নের ইতিহাস জুড়ে, সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী এগুলোকে ক্ষতিকারক বলে মনে করেছে এবং অশ্লীলতা আইনের অধীনে তাদের দমন করার চেষ্টা করেছে অথবা সেন্সর বা অবৈধ করেছে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং জাতীয় প্রেক্ষাপটে পর্নোগ্রাফির সংজ্ঞাও ভিন্ন রকম। খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে লেখা ভারতীয় সংস্কৃত পাঠ কামসূত্রে যৌন আচরণ সম্পর্কিত গদ্য, কবিতা এবং চিত্রাবলী রয়েছে। যদিও ব্রিটিশ ইংরেজি পাঠ্য ফ্যানি হিল (১৭৪৮) -কে "প্রথম আদি ইংরেজি গদ্য পর্নোগ্রাফি" হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ইতিহাসের সর্বাধিক অভিযুক্ত এবং নিষিদ্ধ বইগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯ শতকের শেষের দিকে, টমাস এডিসনের চুম্বনদৃশ্য সম্বলিত একটি চলচ্চিত্রকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অশ্লীল বলে নিন্দা করা হয়েছিল । অপরদিকে ১৮৯৬ সালে ইউজিন পিরোর চলচ্চিত্র বেডটাইম ফর দ্য ব্রাইড ফ্রান্সে খুব ভালভাবে গৃহীত হয়েছিল। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে শুরু করে, পশ্চিমা বিশ্বে যৌনতার প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি আরও নম্র হয়ে ওঠে এবং অশ্লীলতার আইনি সংজ্ঞা সীমিত হয়ে যায়। ১৯৬৯ সালে অ্যান্ডি ওয়ারহলের ব্লু মুভি (ফাক নামেও পরিচিত) ছিল অকৃত্রিম যৌনতা চিত্রণকারী প্রথম চলচ্চিত্র যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক থিয়েটারে মুক্তি পেয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় এসেছিল " পর্নোগ্রাফির স্বর্ণযুগ " (১৯৬৯ – ১৯৮৪) যা ছিল এমন এক সময়কাল যখন অনেক উচ্চ মানের পর্নোগ্রাফিক চলচ্চিত্র প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয় এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে। ২০ শতকের শেষদিকে হোম ভিডিও এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের প্রবর্তনের ফলে পর্নোগ্রাফি ব্যবসা বিশ্বব্যাপী প্রসারিত হয়। ২১ শতকের শুরু থেকে, ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার এবং সাশ্রয়ী মূল্যের স্মার্টফোন পর্নোগ্রাফিকে মূলধারার সংস্কৃতিতে পরিণত করতে সক্ষম হয়। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত নিবন্ধ

কামদ দৃশ্য, লাল রঙ, পানীয়ের পাত্রের প্রান্ত, ৫১০ খ্রীষ্ট পূর্ব

আদিরসাত্মক রূপায়নের ইতিহাস বলতে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে রংচিত্র, ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, নাটক, সঙ্গীত এবং পুঁথিতে যৌন প্রকৃতির নানান দৃশ্য প্রকাশ করার ব্যাপারটিকে নির্দেশ করা হয়। প্রাচীন এবং আধুনিক, প্রায় সমস্ত সভ্যতাতেই সেগুলিকে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রাচীন সংস্কৃতিতে প্রায়শই দেখা যায় যৌন আচরণগুলি অতিপ্রাকৃত শক্তির সঙ্গে জড়িত এবং এইভাবেই তাদের ধর্ম এই ধরনের চিত্রকলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়। ভারতবর্ষ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, জাপান এবং চীন এশিয়া মহাদেশের এই দেশগুলিতে যৌনতা এবং কামদ শিল্পের উপস্থাপনা, স্থানীয় ধর্মের আধ্যাত্মিক রূপের মধ্যেই নির্দিষ্ট রয়েছে। প্রাচীন গ্রীক ও রোমানরা কামদ বা প্রেমমূলক প্রকৃতির উপর অনেক শিল্প এবং অলঙ্করণের সৃষ্টি করেছিলেন যার বেশিরভাগই তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সাংস্কৃতিক অভ্যাসের অংশভূত ছিল।

সাম্প্রতিক কালে, এই চিত্রগুলি প্রদর্শন এবং প্রচারের জন্য মুদ্রণ, আলোকচিত্র, চলচ্চিত্র এবং কম্পিউটার-এর মতো যোগাযোগ প্রযুক্তির উদ্ভাবন কৌশলকে অভিযোজিত করা হয়েছে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত নিবন্ধের তালিকা

নির্বাচিত আদিরসাত্মক সাহিত্যকর্ম

কামসূত্র (সংস্কৃত: कामसूत्र বা কামসূত্র pronunciation, Kāmasūtra) প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিত মল্লনাগ বাৎস্যায়ন রচিত সংস্কৃত সাহিত্যের একটি প্রামাণ্য মানব যৌনাচার সংক্রান্ত গ্রন্থ। গ্রন্থের একটি অংশের উপজীব্য বিষয় হল যৌনতা সংক্রান্ত ব্যবহারিক উপদেশ। গ্রন্থটি মূলত গদ্যে লিখিত; তবে অনুষ্টুপ ছন্দে রচিত অনেক পদ্যাংশ এতে সন্নিবেশিত হয়েছে। কাম শব্দের অর্থ ইন্দ্রিয়সুখ বা যৌন আনন্দ; অপরদিকে সূত্র শব্দের আক্ষরিক অর্থ সুতো বা যা একাধিক বস্তুকে সূত্রবদ্ধ রাখে। কামসূত্র শব্দটির অর্থ তাই পুস্তকের আকারে এই জাতীয় উপদেশমালার গ্রন্থনা। এতে রমণীদের জন্য প্রযোজ্য চৌষট্টি কলা বিবৃত হয়েছে।

কামশাস্ত্র সাহিত্যধারার প্রাচীনতম ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হল কামসূত্র। হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে শিবের দ্বাররক্ষক নন্দী কামশাস্ত্রের আদিরচয়িতা। তিনি শিব ও তার পত্নী পার্বতীর রমণকালে উচ্চারিত পবিত্র বাণী শুনে মুগ্ধ হন। পরে মানবজাতির কল্যাণার্থে সেই বাণী লিখে রাখেন।

ঐতিহাসিক জন কেই মনে করেন, কামসূত্র একটি সারগ্রন্থ যা খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে তার বিভিন্ন রচনাসূত্র থেকে সংকলিত হয়ে তার বর্তমান রূপটি লাভ করে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত কর্মের তালিকা

নির্বাচিত সমসাময়িক চিত্র

নির্বাচিত ঐতিহাসিক চিত্র

কোনো সাম্প্রতিক যোগকৃত আইটেম নেই

বিষয়

বিষয়শ্রেণী

Category puzzle
Category puzzle
উপবিষয়শ্রেনী দেখার জন্য [►] চাপুন

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার

সম্পর্কিত উইকিপ্রকল্প

সম্পর্কিত উইকিমিডিয়া প্রকল্প


উইকিবইয়ে পর্নোগ্রাফি ও ইরোটিকা
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল


উইকিঅভিধানে পর্নোগ্রাফি ও ইরোটিকা
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ


উইকিউপাত্তে পর্নোগ্রাফি ও ইরোটিকা
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার


উইকিভ্রমণে পর্নোগ্রাফি ও ইরোটিকা
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা

প্রবেশদ্বার