যৌনবিকৃতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
যৌনবিকৃতি
বিশিষ্টতা মনঃরোগবিদ্যা

যৌনবিকৃতি (যেটি একসময় কামুকতা বা লুইচ্চামি হিসেবে পরিচিত ছিলো) হচ্ছে এমন একপ্রকার যৌনতা যা একজন মানুষের কোনো একটি জিনিশ দেখে, কোনো এক বিশেষ পরিস্থিতিতে পড়লে, মলমূত্র দেখে বা কোনো গাছ বা পশুপাখি বা মানুষ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণী দেখে যৌন উত্তেজনা ওঠা।[১] সাধারণত এই ধরণের যৌন উত্তেজনা বা যৌনতাকে 'সেক্সুয়াল ফেটিশিজম' বলে। যৌনবিদরা 'আনইউযুয়াল সেক্সুয়াল ইন্টারেস্টস' এবং এই যৌনবিকৃতিকে একই ধরণের বলে অভিহিত করেন, যেমনঃ কোনো ব্যক্তি একটি জঙ্গল দিয়ে হাঁটছেন, এখন তিনি যদি কোনো বৃক্ষকে দেখে যৌন-উত্তেজনা লাভ করেন তাহলে সেটা হবে 'আনইউযুয়াল সেক্সুয়াল ইন্টারেস্ট' বা অসচরাচর যৌন আগ্রহ বা যৌন বিকৃতি।[২][৩] বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই কারণ যৌনবিকৃতিকে মানসিক বিকৃতির কাতারে ফেলা হবে নাকি এমনি কোনো সাধারণ রোগের কাতারে ফেলা হবে নাকি এটাকে কোনো রোগই ধরা হবেনা কারণ এতে তো একজন মানুষের কোনো ক্ষতি হয়না। যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এ্যাসোসিয়েশন (এপিএ) 'ডায়াগনস্টিক এ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়্যাল অব মেন্টাল ডিসঅর্ডার্স' (ডিএসএম) এবং আন্তর্জাতিকভাবে চিকিৎসাবিদ্যায় ব্যবহৃত 'ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেস' (আইসিডি) তে যৌনবিকৃতির কোনো পরম বা চূড়ান্ত বা পরিষ্কার সংজ্ঞা নেই।

যৌনবিকৃতি কত প্রকার এটা সঠিকভাবে বলা মুশকিল, তবে ভারতের এক গবেষণায় ৫৪৯ রকমের যৌনবিকৃতির তালিকা পাওয়া গেছে।[৪] ২০১৩ সালের ১৮ মে যুক্তরাষ্ট্রের এপিএ 'ডায়াগনস্টিক এ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়্যাল অব মেন্টাল ডিসঅর্ডার্স-৫' (ডিএসএম-৫) নামের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং ওখানে মাত্র ৮ প্রকারের যৌন উত্তেজনাকে যৌনবিকৃতির তালিকাভুক্ত করা হয়েছিলো।[৫] যৌনবিকৃতির অনেক শ্রেণীবিভাগ এবং উপশ্রেণীবিভাগ আছে যদিও সব যৌন-গবেষক সবগুলোকে যৌনবিকৃতি বলেননি।[৬][৭]

শব্দের উৎপত্তি[সম্পাদনা]

যৌনবিকৃতি শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে সঠিকভাবে কিছু বলা যায়না, কারণ যৌনতা নিয়ে মানব সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি যুগে যুগে পাল্টেছে, তাছাড়া একটি যৌনতাকে সব মানুষের অস্বাভাবিক নাও লাগতে পারে, যেমনঃ কোনো মানুষ যদি তার সঙ্গীর মলদ্বারের গন্ধ শোঁকেন তাহলে এই প্রবৃত্তিকে অনেকেই যৌনবিকৃতি বলবেন কারণ মলদ্বার দিয়ে মল বের হয় বা পায়খানার গন্ধ প্রায়ই থাকে আবার অনেকে বলবেননা কারণ এতে যৌনানন্দ আছে।[৮] নিউজিল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী যৌনবিজ্ঞানী জন উইলিয়াম মানি (১৯২১-২০০৬) সর্বপ্রথম ইংরেজি শব্দ 'প্যারাফিলিয়া'কে জনপ্রিয় করেন 'অসচরাচর যৌন আগ্রহ'র জন্য একটি আলাদা শব্দ রাখার জন্য।[৯][১০][১১][১২] তিনি প্যারাফিলিয়াকে 'সমাজবিরোধী এবং অপ্রয়োজনীয় যৌনতা' বলে আখ্যায়িত করেন।[১৩] মার্কিন মনঃরোগবিশেষজ্ঞ গ্লেন গ্যাবার্ড (১৯৪৯ সালে জন্ম) মানি এবং আরেক যৌনবিজ্ঞানী উইলহেল্ম স্টিকেলের যৌনবিকৃতির সংজ্ঞাপ্রদানকে ভুল বলেন, তিনি বলেন যৌনবিকৃতিকে আলাদাভাবে বলা যায়না, কোনো যৌনতাই আদতে বিকৃতি নয় যতক্ষণ না ঐ যৌনতা নিজেকে এবং/বা সঙ্গীর কোনো শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি করে।[১৪]

অস্ট্রীয় যৌনবিদ ফ্রেডরিখ সলোমন ক্রস ১৯০৩ সালে জার্মান ভাষায় প্যারাফিল নামের একটি শব্দের প্রচলন ঘটান যৌনবিকৃতি বোঝানোর জন্য, ১৯১৩ সালে শব্দটি ইংরেজি ভাষায় প্যারাফিলিয়া নামে ঢুকে যায়, মার্কিন যৌনবিদ উইলিয়াম জে. রবিনসন (১৮৬৭-১৯৩৬) ফ্রেডরিখ ক্রসের উদাহরণ টেনে শব্দটি চালু করেন।[১৫] মনোবিজ্ঞানী সিগমুন্ড ফ্রয়েডের অনুসারী অস্ট্রীয় মনোবিজ্ঞানী উইলহেল্ম স্টিকেল ১৯২০ এর দশকে জার্মান শব্দটি খুব বহুল ভাবে ব্যবহার করেছিলেন।[১৬] শব্দটি আসে গ্রীক প্যারা যার অর্থ পাশে এবং ফিলিয়া থেকে যার অর্থ বন্ধুত্ব, প্রেম।

উনবিংশ শতকের শেষের দিকে মনোবিজ্ঞানী এবং মনঃরোগবিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন প্রকারের যৌনবিকৃতির সংজ্ঞা এবং শ্রেণীবিভাগ বানানো শুরু করেন কারণ তারা রাষ্ট্রীয় এবং ধর্মীয় 'পায়ুকাম আইন'[১৭] ও 'কামুকতা আইন'[১৮] থেকে ব্যতিক্রম কিছু দেখাতে চাচ্ছিলেন। আমেরিকান সাইক্রিয়াটিক এ্যাসোসিয়েশন (এপিএ) দ্বারা তৈরি ডায়াগনস্টিক এ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়্যাল অব মেন্টাল ডিসঅর্ডার্স - ৩ (১৯৮০) তে যৌনবিকৃতির ইংরেজি প্রতিশব্দ প্যারাফিলিয়ার পরিবর্তে 'সেক্সুয়াল ডিভায়েশন' বা লুইচ্চামি শব্দটি ব্যবহার করা হয়, ওটির পরপর দুটি সংস্করণে।[১৯] ১৯৮১ সালে 'আমেরিকান জার্নাল অব সাইকিয়াট্রি' নামক ম্যাগাজিনে যৌনবিকৃতিকে অস্বাভাবিক, অসচরাচর এবং অপ্রয়োজনীয় যৌনতা বলে আখ্যায়িত করে বলা হয়ঃ[২০]

  • মানুষ নয় এমন কোনো প্রাণীর বা কোনো উদ্ভিদের প্রতি যৌন-আকর্ষণ আসা
  • কোনো যৌনকর্মের মাধ্যমে নিজেকে বা নিজের সঙ্গীকে শারীরিক বা মানসিক কষ্ট দেওয়া
  • অপ্রাপ্ত বয়স্ক মানুষদের প্রতি যৌন উত্তেজনা আসা
  • যৌনমিলন করতে একজন না চাওয়া সত্ত্বেও তার সামনে উত্তেজিত অবস্থায় উলঙ্গ হওয়া

সমকামিতা[সম্পাদনা]

একসময় সমকামিতাকে লুইচ্চামি বা কামুকতা হিসেবে ধরা হত।[২১] সিগমুন্ড ফ্রয়েড এবং তার সহযোগীরা সমকামিতা এবং যৌনবিকৃতিকে একই কাতারে ফেলতেন, তারা ভাবতেন সমকামিতা হচ্ছে মানুষের মনঃযৌন সমস্যা যেটার সাথে 'ইডিপাস কমপ্লেক্স' এর সম্পর্ক আছে।[২২] অনেক আগে থেকেই সভ্য সমাজে সমকামিতা লুইচ্চামি বা কামুকতার কাতারে পড়ত এবং স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্যান্য যৌনতাকেও একই শ্রেণীতে ফেলা হত, তবে বিংশ শতাব্দী থেকে ঐরূপ ধ্যান-ধারণায় পরিবর্তন আসতে শুরু করেছিলো কিন্তু সিগমুন্ড প্রথাবাদী মতবাদকেই তার গবেষণা লব্ধ ফল হিসেবে প্রকাশ করেছিলেন।[২১][২২][২৩][২৪]

বিশ শতকের মাঝখান দিকে, মনঃরোগবিশেষজ্ঞরা লুইচ্চামিকে শ্রেণীবিভক্ত করেন সমকামিতাকে শীর্ষে রেখে, ঐ শ্রেণীবিভাগে ১৯৭৪ সালে আমেরিকান সাইক্রিয়াটিক এ্যাসোসিয়েশন (এপিএ) সমকামিতাকে যৌনবিকৃতি বা মনোবিকৃতি বা লুইচ্চামির তালিকা থেকে বাদ দেয়, সমকামিতাকে সকল প্রকার বিকৃতির বিভাগ থেকে উঠিয়ে দেওয়া হয়। ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণকারী মার্কিন মনঃরোগবিশেষজ্ঞ মার্টিন কাফকা বলেনঃ 'সমকামিতা, যেটা একসময় যৌনতার একটি অস্বাভাবিক রূপ এবং লুইচ্চামি হিসেবে বিবেচিত হত, এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক যৌনতা বলে পরিগণিত হয়।'[২৩]

সিগমুন্ড ফ্রয়েড যদিও পরে সমকামিতার বিরোধিতা করা বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি সকল মানুষের মধ্যেই সমকাম প্রবণতা একটু হলেও থাকে বলে উল্লেখ করে বলেছিলেন যে, 'সমকামিতা কোনো লজ্জার ব্যাপার নয়'।[২৫]

১৯৩৫ সালে সিগমুন্ড একজন মহিলার চিঠির জবাব দিয়েছিলেন এইভাবেঃ[২৬]

২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী কানাডীয় মনোবিজ্ঞানী এবং যৌনবিদ জেমস ক্যান্টর সমকাম এবং লুইচ্চামির সম্পর্ক নিরূপণ করতে গিয়ে মন্তব্য করেছিলেন এই বলে যে, 'সমকাম এবং লুইচ্চামির মধ্যে যদি তুলনা করা হয় তাহলে আমি বলব দুটোই যার মধ্যে থাকে আলাদা আলাদাভাবে বা শুধু একটা, মানুষের মধ্যে সারাজীবন থাকতে পারে, কারণ বহু মানুষ যেমন সমকাম প্রবণতা নিয়েই জন্মগ্রহণ করে ঠিক তেমনি লুইচ্চামি বা কামুকতা প্রবণতা নিয়েও জন্মে, অর্থাৎ দুটি যৌন প্রবৃত্তিই জন্মগত হতে পারে। গবেষণায় সমকাম এবং লুইচ্চামিকে আলাদাভাবে শ্রেণীভুক্ত করা হয়, হ্যাঁ, দুটি অবশ্যই আলাদা, তবে লুইচ্চামি কোনো যৌনবিকৃতি নয়, অন্তঃত আমার মতে।'[২৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. American Psychiatric Association (জুন ২০০০)। Diagnostic and Statistical Manual of Mental Disorders-IV (Text Revision)। Arlington, VA, USA: American Psychiatric Publishing, Inc.। পৃ: 566–76আইএসবিএন 978-0-89042-024-9ডিওআই:10.1176/appi.books.9780890423349 
  2. Joyal, Christian C. (২০১৪-০৬-২০)। "How Anomalous Are Paraphilic Interests?"Archives of Sexual Behavior 43 (7): 1241–1243। আইএসএসএন 0004-0002ডিওআই:10.1007/s10508-014-0325-z 
  3. "The Journal of Sexual Medicine - Volume 12, Issue 2 - February 2015 - Wiley Online Library"The Journal of Sexual Medicine 12ডিওআই:10.1111/jsm.2015.12.issue-2 
  4. Aggrawal, Anil (২০০৯)। Forensic and Medico-legal Aspects of Sexual Crimes and Unusual Sexual Practices। Boca Raton: CRC Pressআইএসবিএন 1-4200-4308-0 
  5. American Psychiatric Association, সম্পাদক (২০১৩)। "Paraphilic Disorders"। Diagnostic and Statistical Manual of Mental Disorders (Fifth সংস্করণ)। American Psychiatric Publishing। পৃ: 685–686। 
  6. Maser, JD এবং অন্যান্য (২০০২)। "Spectrum concepts in major mental disorders"Psychiatric Clinics of North America 25 (4): xi–xiii। ডিওআই:10.1016/S0193-953X(02)00034-5পিএমআইডি 12462854 
  7. "Introduction to the Special Section: Toward a Dimensionally Based Taxonomy of Psychopathology"Journal of Abnormal Psychology 114 (4): 491–3। ২০০৫। ডিওআই:10.1037/0021-843X.114.4.491পিএমআইডি 16351372পিএমসি 2242426 
  8. Rob Dunn (১৫ জানুয়ারি ২০১২)। "Sick People Smell Bad: Why Dogs Sniff Dogs, Humans Sniff Humans, and Dogs Sometimes Sniff Humans"blogs.scientificamerican.com। সংগৃহীত ৯ নভেম্বর ২০১৭ 
  9. Weiderman, M. (২০০৩)। "Paraphilia and Fetishism"। The Family Journal 11 (3): 315–321। ডিওআই:10.1177/1066480703252663 
  10. Bullough, VL (১৯৯৫)। Science in the Bedroom: A History of Sex ResearchBasic Books। পৃ: ২৮১। আইএসবিএন 978-0-465-07259-0 
  11. Moser, C (২০০১)। "Critiques of conventional models of sex therapy"। in Kleinplatz PJ। New directions in sex therapy: innovations and alternativesPsychology Pressআইএসবিএন 978-0-87630-967-4 
  12. McCammon, S; Knox D; Schacht C (২০০৪)। Choices in sexuality। Atomic Dog Publishing। পৃ: ৪৭৬। আইএসবিএন 978-1-59260-050-2 
  13. Money, J (১৯৯০)। Gay, Straight, and In-Between: The Sexology of Erotic OrientationOxford University Press। পৃ: 139আইএসবিএন 978-0-19-506331-8 
  14. Gabbard, GO (২০০৭)। Gabbard's Treatments of Psychiatric Disorders। American Psychiatric Press। আইএসবিএন 978-1-58562-216-0 
  15. Janssen, D.F. (২০১৪)। "How to "Ascertain" Paraphilia? An Etymological Hint"Archives of Sexual Behavior, 43(7), 1245–1246 
  16. Stekel, W (১৯৩০)। Sexual Aberrations: The Phenomenon of Fetishism in Relation to Sex (translated from the 1922 original German সংস্করণ)। Liveright Publishing। 
  17. Dailey, Dennis M. (1989). The Sexually Unusual: Guide to Understanding and Helping. Haworth Press আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৬৬৫৬-৭৮৬-২, pp. 15-16
  18. Purcell, CE; Arrigo BA (২০০৬)। The psychology of lust murder: paraphilia, sexual killing, and serial homicideAcademic Press। পৃ: ১৬। আইএসবিএন 978-0-12-370510-5 
  19. Laws and, O'Donohue (2008) p. 384
  20. Spitzer, R. L. (১৯৮১)। "The diagnostic status of homosexuality in DSM-III: A reformulation of the issues"। The American Journal of Psychiatry 138 (2): 210–215। ডিওআই:10.1176/ajp.138.2.210পিএমআইডি 7457641 
  21. Hutchinson, GE (১৯৫৯)। "A speculative consideration of certain possible forms of sexual selection in man"। American Naturalist 93 (869): 81–91। ডিওআই:10.1086/282059 
  22. Karpman, B. (১৯৫১)। "The sexual psychopath"। Journal of the American Medical Association 146 (8): 721–726। ডিওআই:10.1001/jama.1951.03670080029008পিএমআইডি 14832048 
  23. Kafka, MP (১৯৯৬)। "Therapy for Sexual Impulsivity: The Paraphilias and Paraphilia-Related Disorders"। Psychiatric Times 13 (6)। 
  24. Cantor, J. M. (২০১২)। "Is Homosexuality a Paraphilia? The Evidence for and Against"। Archives of Sexual Behavior 41 (1): 237–247। ডিওআই:10.1007/s10508-012-9900-3পিএমআইডি 22282324পিএমসি 3310132 
  25. "Homosexuality is nothing to be ashamed of"lettersofnote.com। ২৯ অক্টোবর ২০০৯। সংগৃহীত ৩ নভেম্বর ২০১৭ 
  26. "Unearthed Letter From Freud Reveals His Thoughts On Gay People"huffingtonpost.com। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সংগৃহীত ৩ নভেম্বর ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]