জি-স্পট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গ্রাফেনবার্গ স্পট
জি-স্পট
জি-স্পটসহ নারী শারীরস্থান (সংখ্যা).svg
নারীর অভ্যন্তরীণ যৌন শারীরবৃত্তীয় অঙ্কন
জি-স্পট (৬) মূত্রনালী (৯) এবং মূত্রথলি (৩) এর পাশে, যোনির ৫-৮ সেমি (২-৩ ইঞ্চি) ভিতরে অবস্থিত বলে জানা যায়
শারীরস্থান পরিভাষা

গ্রাফেনবার্গ স্পট বা জি-স্পট হচ্ছে যোনিপথের একটি কল্পিত অংশবিশেষ যা মূত্রথলির নিচে অবস্থিত বলে বলা হয়েছে। এর নামকরণ করা হয়েছে জার্মান স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ আর্নেস্ট গ্রাফেনবার্গ-এর নামানুসারে। তার মতে যোনিপথের শুরু হতে ১-৩ ইঞ্চির মাঝেই জি-স্পটের অবস্থান।[১] তবে জি-স্পটের অস্তিত্ব এবং নারীদের নির্গমনের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।[২][৩]

আর্নেস্ট গ্রাফেনবার্গের অভিমত অনুযায়ী জি-স্পট হচ্ছে যোনিপথের সেই ক্ষুদ্রাংশ যা সামান্য স্পর্শে বা চাপে নারীদেহে প্রচণ্ড যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি করে। অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে তখনই [[রাগমোচন] শুরু হয় যখন জি-স্পটে চাপ বা ঘর্ষণ অনুভূত হয়। যদিও জি-স্পটে বারংবার চাপ প্রয়োগ করা হলে এটি মুত্রনালীকে মুত্র সঞ্চালনে উদ্দিপ্ত করে। কিন্তু পরিপূর্ণ যৌনমিলনের জন্য জি-স্পট-এর সঠিক ব্যবহার আবশ্যক।[৪]

যদিও জি-স্পটের অস্তিত্ব এবং পুরুষের বীর্যের ন্যায় রাগমোচনের সময় নারীদের নিঃসরণের কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি তথাপি এ বিষয়ে বিতর্ক চলমান রয়েছে।[২][৩] জি-স্পট সংক্রান্ত গবেষণা ১৯৪০ এর দশক থেকেই চলে আসছে। [১] এর অস্তিত্ব, অবস্থান এবং সংজ্ঞার স্বপক্ষে এবং বিপক্ষে বহু বিতর্ক বিদ্যমান। [২][৫][৬]




তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Morris, Desmond (২০০৪)। The Naked Woman: A Study of the Female Body। New York: Thomas Dunne Books। পৃষ্ঠা 211–212। আইএসবিএন 0-312-33852-X 
  2. Richard Balon, Robert Taylor Segraves (২০০৯)। Clinical Manual of Sexual DisordersAmerican Psychiatric Pub। পৃষ্ঠা 258। আইএসবিএন 1585629057। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৪, ২০১৪ 
  3. "Anatomy and physiology of the clitoris, vestibular bulbs, and labia minora with a review of the female orgasm and the prevention of female sexual dysfunction."। জানুয়ারি ২৬, ২০১৩। ডিওআই:10.1002/ca.22177পিএমআইডি 23169570 
  4. See page 135 for prostate information, and page 76 for G-spot and vaginal nerve ending information. Rosenthal, Martha (২০১২)। Human Sexuality: From Cells to SocietyCengage Learningআইএসবিএন 0618755713। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৫, ২০১৪ 
  5. Hines T (আগস্ট ২০০১)। "The G-Spot: A modern gynecologic myth"। Am J Obstet Gynecol185 (2): 359–62। ডিওআই:10.1067/mob.2001.115995পিএমআইডি 11518892 
  6. Kilchevsky A, Vardi Y, Lowenstein L, Gruenwald I. (জানুয়ারি ২০১২)। "Is the Female G-Spot Truly a Distinct Anatomic Entity?"। The Journal of Sexual Medicine2011ডিওআই:10.1111/j.1743-6109.2011.02623.xপিএমআইডি 22240236G-Spot Does Not Exist, 'Without A Doubt,' Say Researchers - lay summary |layurl= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)Huffington Post (জানুয়ারি ১৯, ২০১২)।