রাগমোচন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফ্রেঞ্জ অব ইক্সালটেশান (১৮৯৪), Wladyslaw Podkowinski

রাগমোচন (গ্রীক οργασμός orgasmos থেকে, অর্থ "উত্তেজনা" বা "উচ্ছ্বাস") বলতে বোঝানো হয় যৌন প্রতিক্রিয়া চক্রে পুঞ্জীভূত যৌন উত্তেজনার আকস্মিক ভারমুক্তি। এসময় শ্রোণী অঞ্চলের মাংসপেশির ছন্দোময় সংকোচনের মাধ্যমে দেহে চরম যৌনসুখ অনুভূত হয়।[১][২][৩] নারী এবং পুরুষ উভয়েরই রাগমোচন ঘটে থাকে। রাগমোচন মানবদেহের স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। রাগমোচনের সময় মানবদেহে আরও বিবিধ ক্রিয়া ঘটতে পারে যেমন: শরীরের কিছু জায়গায় মাংসপেশির অনৈচ্ছিক সংকোচন, সাধারণ সুখকর অনুভূতি, বারবার শরীরের নড়াচড়া বা তড়িৎ ক্রমিক গতি এবং মুখে নানান ধরনের শব্দের উৎপত্তি।[২] রাগমোচনের পরবর্তি সময়টি (একে রিফ্র্যাক্টরি পিরিয়ডও বলা হয়) একটি নিস্তেজ পরিস্থিতি যার মূল কারণ হল অক্সিটোসিন, প্রোল্যাক্টীন এবং এন্ডোরফিনস নামক নিউরোহরমোনের নিঃসরণ।[৪]

রাগমোচন যেকোন ধরনের শারীরিক যৌন উদ্দীপনার মাধ্যমে অর্জিত হতে পারে, যেমন পুরুষের ক্ষেত্রে শিশ্ন (এক্ষত্রে বীর্যপাত ঘটে থাকে) এবং নারীর ক্ষেত্রে ভগাঙ্কুরের উদ্দীপনার মাধ্যমে।[২][৫][৬] এই যৌন উত্তেজনা হস্তমৈথুনের মাধ্যমে নিজে নিজে লাভ করা হতে পারে অথবা কোন সঙ্গীর সাহায্য অন্তর্ভেদী অথবা অ-অন্তর্ভেদী প্রক্রিয়ায় অথবা অন্য যেকোন যৌন ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে হতে পারে।

রাগমোচনের শারীরিক প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ব্যাপক। যৌনক্রিয়ায় বহু মানসিক প্রতিক্রিয়া রয়েছে, যেমন প্রোল্যাকটিন নিঃসরনের ফলে নিস্তেজ অবস্থার সৃষ্টি হওয়া, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সাময়িক পরিবর্তন যেমন সেরেব্রাল কর্টেক্স এর একটি বড় অংশের মেটাবলিক বা শ্বসনিক কার্যক্রমের অস্থায়ী হ্রাস যেখানে মস্তিষ্কের লিম্বিক অঞ্চলে মেটাবলিক কার্যক্রমের কোন পরিবর্তন ঘটে না বা বৃদ্ধি পায়।[৭] রাগমোচন বিষয়ক যৌনসমস্যার পরিধিও বড়্‌, যেমন এনরগাজমিয়া। এগুলো রাগমোচনের সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে, যেমন রাগমোচন এবং এর পৌনঃপুনিকতা যৌন সম্পর্কে সন্তুষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বা অপ্রাসঙ্গিক এমন বিশ্বাস[৮] এবং রাগমোচন বিষয়ক বিষয়ক জৈববিজ্ঞানিক এবং বিবর্তনগত তত্ত্বসমূহ।[৯][১০]

মানুষ ভিন্ন অন্যান্য প্রাণীদের রাগমোচন বিষয়ে মানুষের রাগমোচনের তুলনায় অনেক কম গবেষণা হয়, কিন্তু এই বিষয়ে গবেষণা চলছে।

সংজ্ঞা[সম্পাদনা]

চিকিৎসা ক্ষেত্রে, রাগমোচনকে সাধারণত যৌনক্রিয়ায় মাংসপেশির সংকোচন এবং সেই সাথে হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ পরিবর্তনের বিশেষ প্যাটার্ন এবং বিশেষ শ্বাস-প্রশ্বাসের হার এবং গভীরতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।[১] একে সেক্সুয়াল রেসপন্স সাইকেল বা যৌন প্রতিক্রিয়া চক্রে পুঞ্জীভূত যৌন উত্তেজনার আকস্মিক ভারমুক্তি হিসেবেও বোঝানো হয়, যখন শ্রোণী অঞ্চলের মাংসপেশির ছন্দোময় সংকোচনের মাধ্যমে দেহে চরম যৌনসুখ অনুভূত হয়।[১][২][৩] যাই হোক, রাগমোচনের সংজ্ঞা বিভিন্ন রকমের হয়। কিভাবে রাগমোচনকে সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে এই বিষয়ে কোন বিধান অনুপস্থিত।[১১] ক্লিনিকাল সাইকোলজি রিভিউ জার্নালে রাগমোচনের অন্তত ২৬টি সংজ্ঞা উল্লেখ আছে।[১২]

কিছু নির্দিষ্ট রকমের যৌন অনুভূতিকে রাগমোচন এর শ্রেণীতে ফেলা হবে কিনা তা নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে। এই নির্দিষ্ট রকমের যৌন অনুভূতির মধ্যে একটি হল কেবল মাত্র জি-স্পটের (গ্রাফেনবার্গ স্পট) স্টিমুলেশনের ফলে নারীদের রাগমোচন এবং কয়েক মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত দেখানো বর্ধিত অথবা অনবরত রাগমোচন।[১৩] এই প্রশ্নটি রাগমোচনের ক্লিনিকাল ডেফিনিশন বা চিকিৎসাবিষয়ক সংজ্ঞাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে। কিন্তু রাগমোচনকে এরকম দৃষ্টিতে দেখা কেবলই ফিজিওলজিকাল বা শারীরবিদ্যাগত, যেখানে রাগমোচনের সাইকোলজিকাল বা মনস্তাত্ত্বিক, এন্ডোক্রাইনোলজিকাল এবং নিউরোলজিকাল বা স্নায়ুবিজ্ঞানগত সংজ্ঞাও রয়েছে।[১১][১২][১৪] এসব এবং অনুরূপ বিতর্কিত যৌন অনুভূতির ক্ষেত্রে, প্রাপ্ত অনুভূতিগুলো ব্যক্তিবাচক বা ব্যক্তির নিজের উপর নির্ভরশীল এবং এক্ষেত্রে রাগমোচনের অনৈচ্ছিক সংকোচন বৈশিষ্ট্য যে থাকতেই হবে এমন কোন কথা নেই। কিন্তু, উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই এই অনুভূতি প্রচণ্ড সন্তোষজনক এবং প্রায়ই সমস্ত শরীরেই অনুভূত হয়। এর ফলে একটি মানষিক অবস্থার সৃষ্টি হয় যাকে প্রায়ই দেহাতিরিক্ত বা অতীন্দ্রীয় হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তার উপর ভ্যাসোকনজেশন (শরীরে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং কোন স্থানে রক্তচাপের বৃদ্ধির ফলে শরীরের টিস্যুর ফুলে যাওয়া) এবং প্রচণ্ড সন্তোষ নিয়ে এই অনুভূতিগুলো পূর্ণ-সংকোচনশীল রাগমোচনের সাথে তুলনীয়। যেমন, আধুনিক গবেষণায় পাওয়া গেছে বীp এবং পুরুষের রাগমোচনের মধ্যে পার্থক্য আছে।[২][১২] তাই এই অনুভূতিগুলোকে রাগমোচন হিসেবে শ্রেণীভুক্ত করা হবে কিনা এব্যাপারে উভয়পক্ষেরই বিভিন্ন মতামত রয়েছে।[১৪]

রাগমোচনপ্রাপ্তি[সম্পাদনা]

বিভিন্ন ধরনের ক্রিয়ার মাধ্যমে রাগমোচনপ্রাপ্তি সংগঠিত হয়, এর মধ্যে আছে যোনীগত, পায়ুগত বা মৌখিক সহবাস, ন-ভেদী সহবাস বা হস্তমৈথুন। যৌন খেলনার ব্যবহার যেমন সেন্স্যুয়াল ভাইব্রেটর বা ইরোটিক ইলেক্ট্রোস্টিম্যুলেশন ইত্যাদির দ্বারাও অর্জিত হতে পারে। স্তনবৃন্তে বা অন্য কামাত্মক অঞ্চলে স্টিম্যুলেশনের দ্বারা রাগমোচনপ্রাপ্তির ঘটনা বেশ দুর্লভ।[১৫][১৬] বহুরাগমোচনও সম্ভব, বিশেষত নারীদের ক্ষেত্রে, তবে সেগুলোও বিরল।[২][১৭] বহুরাগমোচন হল এমনই এক প্রকার যা সংক্ষিপ্ত পর্বের মধ্যেই একে অপরের মধ্যে ঘটে যায়।[১৭]

শারীরিক উদ্দীপনা ছাড়াও, শুধুমাত্র মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনা থেকে প্রচণ্ড রাগমোচন অর্জন করা যায়, যেমন স্বপ্ন দেখার সময় (পুরুষ বা মহিলাদের জন্য নিশাচর নির্গমন)[১৮][১৯][২০]বা জোরপূর্বক উত্তেজনা দ্বারা। তবে জাগ্রতাবস্থায় শুধুমাত্র মনস্তাত্ত্বিক উদ্দীপনা দ্বারা রাগমোচনের প্রথম রিপোর্ট যে ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া যায় তিনি ছিলেন মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত।[২০] যদিও মেরুদন্ডের আঘাতের পরে যৌন ক্রিয়া এবং যৌনতা প্রায়শই প্রভাবওয়ালা হয়, তবে আঘাত কারও যৌন উত্তেজনা এবং কামোত্তেজক ইচ্ছার মতো অনুভূতি থেকে বঞ্চিত করে না।[২০]

বৈজ্ঞানিক বিদ্যা পুং রাগমোচনের মনস্তত্ত্বে যতটুকু ফোকাস করে তার চেয়ে স্ত্রী-রাগমোচনের মনস্তত্ত্বের উপর বেশি ফোকাস করে থাকে, যা প্রকাশত এই অ্যাসামপ্শনকে প্রতিফলন করে যে "নারী রাগমোচন পুং রাগমোচনের চেয়েও অধিক জটিল," কিন্তু লভ্য লিমিটেড এম্পিরিকাল প্রমাণপঞ্জির মতে "পুং ও স্ত্রী রাগমোচন পার্থক্যের চেয়ে বেশি সাদৃশ্য বহন করে থাকে।" ভ্যান্স ও ওয়াগ্নারের একটি এক-নিয়ন্ত্রিত গবেষণায় (১৯৭৬) এ দেখা যায়, স্বাধীন রেটদাতাগণ পুং রাগমোচনের বিশদ ও স্ত্রী রাগমোচনের বিশদের মধ্যে ব্যবকলন করতে পারেন নি।[১৯]

নারী[সম্পাদনা]

রাগমোচনের উত্পাদক এবং অনিত্যতা[সম্পাদনা]

মেয়েদের ক্ষেত্রে, রাগমোচনপ্রাপ্তির খুবই সাধারণ উপায় হল ভগাঙ্কুরের প্রত্যক্ষ স্টিম্যুলেশন তথা উদ্দীপন (যার অর্থ সামঞ্জস্যপূর্ণ অঙ্গুরী, মৌখিক ঘর্ষণ বা ভগাঙ্কুরের বাহ্যিক অংশের বিরুদ্ধে অন্যান্য ঘন ঘর্ষণ)। সাধারণ পরিসংখ্যান নির্দেশ করে যে ৭০-৮০% নারীর রাগমোচনপ্রাপ্তির জন্য প্রত্যক্ষ ভগাঙ্কুরীয় স্টিম্যুলেশন লাগে,[২][২১][২২] যদিও অপ্রত্যক্ষ ভগাঙ্কুরীয় স্টিম্যুলেশনও (যেমন, যোনীভেদন) যথেষ্ট হতে পারে।[৬][২৩] মায়ো ক্লিনিকের ভাষ্য, "তীব্রতাভেদে রাগমোচন পরিবর্তিত হয়, এবং নারী পরিবর্তিত হয় তাদের রাগমোচনের কম্পাঙ্ক এবং রাগমোচনের সুইচ চেপে দিতে প্রয়োজনীয় উদ্দীপনাভেদে (স্টিম্যুলেশন)।"[২৪] ভগাঙ্কুরীয় রাগমোচন প্রাপ্তিতে সহজ কারণ হল ভগাঙ্কুরের মুণ্ড, বা পুরো ভগাঙ্কুরই যার রয়েছে ৮০০০ এরও বেশী সংবেদী স্নায়ু অগ্র, যা পুরুষের শিশ্ন বা শিশ্নাগ্রের সমান বা কোন ক্ষেত্রে তারও বেশী।[২৫][২৬][২৭] যেহেতু ভগাঙ্কুর হল শিশ্নের সমসংস্থ, সেহেতু ইহা এটি যৌন উদ্দীপনা পাওয়ার ক্ষমতার দিক থেকে সমতুল।[২৮][২৯]

Organs and tissues involved in triggering the female orgasm.

একটি ভুল ধারণা, বিশেষ করে পুরানো গবেষণা প্রকাশনাগুলিতে, যোনি সম্পূর্ণরূপে অসংবেদনশীল।[৩০] যাইহোক, অগ্রবর্তী যোনি প্রাচীর এবং ল্যাবিয়া মাইনোরা ও মূত্রনালীর উপরের সংযোগস্থলের মধ্যে এমন কিছু এলাকা রয়েছে যা বিশেষভাবে সংবেদনশীল।[৩১] স্নায়ু অগ্রের নির্দিষ্ট ঘনত্বের দিক থেকে, সাধারণত জি-স্পট হিসাবে বর্ণিত এলাকাটি রাগমোচন তৈরি করতে পারে,[২][৩২] এবং ইউরেথ্রাল স্পঞ্জ যা এমন একটি এলাকা যেখানে জি-স্পট পাওয়া যেতে পারে, যোনির "ছাদ" বয়ে চলে এবং যখন এটি উদ্দীপিত হয় তখন আনন্দদায়ক সংবেদন তৈরি করতে পারে। ভ্যাজাইনাল স্টিম্যুলেশন থেকে তীব্র যৌন আনন্দ (অর্গাজম সহ) মাঝে মাঝে হয় অন্যথায় হয় না, কারণ যোনিতে ভগাঙ্কুরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম স্নায়ু অগ্র থাকে।[৫][৩৩][৩৪] যোনিগত স্নায়ু অগ্রের সর্বাধিক ঘনত্ব যোনিপথের নীচের তৃতীয়াংশে (প্রবেশদ্বারের কাছে)।[২][৫][৩৫][৩৬]

যৌন শিক্ষাবিদ রেবেকা চালকার বলেছেন যে ভগাঙ্কুরের শুধুমাত্র একটি অংশ যাকে বলে ইউরেথ্রাল স্পঞ্জ, ইহা শিশ্ন, আঙ্গুল বা একটি ডিল্ডোর সাথে যোগসামঞ্জস্য।[৩৭] হাইত এবং চাকার বলেন যে ভগাঙ্কুরের ডগা এবং ভিতরের ঠোঁট, যেগুলো খুব সংবেদনশীল, সেগুলো শিশ্নভেদনের সময় প্রত্যক্ষ স্টিম্যুলেশন পায় না।[৩৭][৩৮] এই কারণে, কিছু দম্পতি ক্লিটোরাল স্টিমুলেশন সর্বাধিক করার জন্য নারী উচপদী কিংবা কোইটাল অ্যালাইনমেন্ট কৌশলে জড়িত হন।[৩৯][৪০] কিছু মহিলাদের ক্লাইম্যাক্সের পরে ভগাঙ্কুর খুব সংবেদনশীল হয় যা অতিরিক্ত আরেকটি স্টিম্যুলেশনকে প্রাথমিকভাবে বেদনাদায়ক করে তোলে।[৪১]

মাস্টার্স এবং জন্সন যুক্তি দেন যে সকল মহিলাই সুপ্তভাবে মাল্টিপ্লাই অরগাজমিক, কিন্তু সেই মাল্টিপ্লাই অরগাজমিক পুরুষ দুর্লভ, এবং তারা বিবৃতি দেন যে "মহিলারা একবার অরগাজম লাভের পরপরই শীঘ্র আরেকটি অরগাজমে আসতে সক্ষম, তবে যদি তা প্লাটিউ দশা রেস্পন্স লেভেলের নিচে নামার পূর্বেই পূণঃউদ্দিপনা দেওয়া হয়।"[৪২] যদিও সাধারণভাবে রিপোর্ট করা হয়েছে যে মেয়েদের কোন রিফ্র্যাকটরি পিরিয়ড হয় না, সেজন্যই অতিরিক্ত একটা বা একাধিক অর্গাজম খেতে পারেন, প্রথম অর্গাজমের সামান্য পরই,[২][৪৩] কিন্তু কিছু উৎস বলে যে ছেলে ও মেয়ে উভয়েই রিফ্রেক্টরি পিরিয়ড পেয়ে থাকেন কেননা মেয়েরা হয়তো অর্গাজমের পর একটা পিরিয়ড পান যেখানে আরও যৌন স্টিম্যুলেশন উত্তেজনা উত্পাদন করে না।[৪৪][৪৫] প্রাথমিক অর্গাজমের পরে, স্টিম্যুলেশনের তালে তালে উত্তরবর্তী সমূহ অর্গাজম মেয়েদের বেলায় অধিক শক্ত ও আরো তৃপ্তিদায়ক হয়ে ওঠে।[৪১]

Clitoral and vaginal categories[সম্পাদনা]

Discussions of female orgasm are complicated by orgasms in women typically being divided into two categories: clitoral orgasm and vaginal (or G-spot) orgasm.[১৯][৩৬] In 1973, Irving Singer theorized that there are three types of female orgasms; he categorized these as vulval, uterine, and blended, but because he was a philosopher, "these categories were generated from descriptions of orgasm in literature rather than laboratory studies".[২] In 1982, Ladas, Whipple and Perry also proposed three categories: the tenting type (derived from clitoral stimulation), the A-frame type (derived from G-spot stimulation), and the blended type (derived from clitoral and G-spot stimulation).[৪৬] In 1999, Whipple and Komisaruk proposed cervix stimulation as being able to cause a fourth type of female orgasm.[৪৬]

Female orgasms by means other than clitoral or vaginal/G-spot stimulation are less prevalent in scientific literature[১৯] and most scientists contend that no distinction should be made between "types" of female orgasm.[৩৬] This distinction began with Sigmund Freud, who postulated the concept of "vaginal orgasm" as separate from clitoral orgasm. In 1905, Freud stated that clitoral orgasms are purely an adolescent phenomenon and that upon reaching puberty, the proper response of mature women is a change-over to vaginal orgasms, meaning orgasms without any clitoral stimulation. While Freud provided no evidence for this basic assumption, the consequences of this theory were considerable. Many women felt inadequate when they could not achieve orgasm via vaginal intercourse alone, involving little or no clitoral stimulation, as Freud's theory made penile-vaginal intercourse the central component to women's sexual satisfaction.[৪৭][৪৮][৪৯][৫০]

The first major national surveys of sexual behavior were the Kinsey Reports.[৫১] Alfred Kinsey was the first researcher to harshly criticize Freud's ideas about female sexuality and orgasm when, through his interviews with thousands of women,[৫১] Kinsey found that most of the women he surveyed could not have vaginal orgasms.[৪৮] He "criticized Freud and other theorists for projecting male constructs of sexuality onto women" and "viewed the clitoris as the main center of sexual response" and the vagina as "relatively unimportant" for sexual satisfaction, relaying that "few women inserted fingers or objects into their vaginas when they masturbated". He "concluded that satisfaction from penile penetration [is] mainly psychological or perhaps the result of referred sensation".[৪৮]

Masters and Johnson's research into the female sexual response cycle, as well as Shere Hite's, generally supported Kinsey's findings about female orgasm.[৩৮][৪৮][৫২][৫৩] Masters and Johnson's research on the topic came at the time of the second-wave feminist movement, and inspired feminists such as Anne Koedt, author of The Myth of the Vaginal Orgasm, to speak about the "false distinction" made between clitoral and vaginal orgasms and women's biology not being properly analyzed.[৫৪]

Clitoral and vaginal relationships[সম্পাদনা]

Accounts that the vagina is capable of producing orgasms continue to be subject to debate because, in addition to the vagina's low concentration of nerve endings, reports of the G-spot's location are inconsistent—it appears to be nonexistent in some women and may be an extension of another structure, such as the Skene's gland or the clitoris, which is a part of the Skene's gland.[৬][৩০][৩৪][৫৫] In a January 2012 The Journal of Sexual Medicine review examining years of research into the existence of the G-spot, scholars stated that "[r]eports in the public media would lead one to believe the G-spot is a well-characterized entity capable of providing extreme sexual stimulation, yet this is far from the truth".[৩৪]

Possible explanations for the G-spot were examined by Masters and Johnson, who were the first researchers to determine that the clitoral structures surround and extend along and within the labia. In addition to observing that the majority of their female subjects could only have clitoral orgasms, they found that both clitoral and vaginal orgasms had the same stages of physical response. On this basis, they argued that clitoral stimulation is the source of both kinds of orgasms,[৫২][৫৩] reasoning that the clitoris is stimulated during penetration by friction against its hood; their notion that this provides the clitoris with sufficient sexual stimulation has been criticized by researchers such as Elisabeth Lloyd.[২৩]

Australian urologist Helen O'Connell's 2005 research additionally indicates a connection between orgasms experienced vaginally and the clitoris, suggesting that clitoral tissue extends into the anterior wall of the vagina and that therefore clitoral and vaginal orgasms are of the same origin.[৬] Some studies, using ultrasound, have found physiological evidence of the G-spot in women who report having orgasms during vaginal intercourse,[৩২][৫৬] but O'Connell suggests that the clitoris's interconnected relationship with the vagina is the physiological explanation for the conjectured G-spot. Having used MRI technology which enabled her to note a direct relationship between the legs or roots of the clitoris and the erectile tissue of the "clitoral bulbs" and corpora, and the distal urethra and vagina, she stated that the vaginal wall is the clitoris; that lifting the skin off the vagina on the side walls reveals the bulbs of the clitoris—triangular, crescental masses of erectile tissue.[৬] O'Connell et al., who performed dissections on the female genitals of cadavers and used photography to map the structure of nerves in the clitoris, were already aware that the clitoris is more than just its glans and asserted in 1998 that there is more erectile tissue associated with the clitoris than is generally described in anatomical textbooks.[৩৩][৫২] They concluded that some females have more extensive clitoral tissues and nerves than others, especially having observed this in young cadavers as compared to elderly ones,[৩৩][৫২] and therefore whereas the majority of females can only achieve orgasm by direct stimulation of the external parts of the clitoris, the stimulation of the more generalized tissues of the clitoris via intercourse may be sufficient for others.[৬]

French researchers Odile Buisson and Pierre Foldès reported similar findings to that of O'Connell's. In 2008, they published the first complete 3D sonography of the stimulated clitoris, and republished it in 2009 with new research, demonstrating the ways in which erectile tissue of the clitoris engorges and surrounds the vagina, arguing that women may be able to achieve vaginal orgasm via stimulation of the G-spot because the highly innervated clitoris is pulled closely to the anterior wall of the vagina when the woman is sexually aroused and during vaginal penetration. They assert that since the front wall of the vagina is inextricably linked with the internal parts of the clitoris, stimulating the vagina without activating the clitoris may be next to impossible.[৩০][৩২][৫৭][৫৮] In their 2009 published study, the "coronal planes during perineal contraction and finger penetration demonstrated a close relationship between the root of the clitoris and the anterior vaginal wall". Buisson and Foldès suggested "that the special sensitivity of the lower anterior vaginal wall could be explained by pressure and movement of clitoris's root during a vaginal penetration and subsequent perineal contraction".[৩২][৫৮]

Supporting a distinct G-spot is a study by Rutgers University, published 2011, which was the first to map the female genitals onto the sensory portion of the brain;[৫৯] brain scans showed that the brain registered distinct feelings between stimulating the clitoris, the cervix and the vaginal wall – where the G-spot is reported to be – when several women stimulated themselves in a functional magnetic resonance (fMRI) machine.[৫৯][৩০] "I think that the bulk of the evidence shows that the G-spot is not a particular thing," stated Barry Komisaruk, head of the research findings. "It's not like saying, 'What is the thyroid gland?' The G-spot is more of a thing like New York City is a thing. It's a region, it's a convergence of many different structures."[৩৪] Commenting on Komisaruk's research and other findings, Emmanuele Jannini, a professor of endocrinology at the University of Aquila in Italy, acknowledged a series of essays published in March 2012 in The Journal of Sexual Medicine, which document evidence that vaginal and clitoral orgasms are separate phenomena that activate different areas of the brain and possibly suggest key psychological differences between women.[৩০]

Other factors and research[সম্পাদনা]

Regular difficulty reaching orgasm after ample sexual stimulation, known as anorgasmia, is significantly more common in women than in men (see below).[২৪] In addition to sexual dysfunction being a cause for women's inability to reach orgasm, or the amount of time for sexual arousal needed to reach orgasm being variable and longer in women than in men, other factors include a lack of communication between sexual partners about what is needed for the woman to reach orgasm, feelings of sexual inadequacy in either partner, a focus on only penetration (vaginal or otherwise), and men generalizing women's trigger for orgasm based on their own sexual experiences with other women.[৫][৬০][২১]

Scholars state "many couples are locked into the idea that orgasms should be achieved only through intercourse [vaginal sex]" and that "[e]ven the word foreplay suggests that any other form of sexual stimulation is merely preparation for the 'main event.'... ...Because women reach orgasm through intercourse less consistently than men, they are more likely than men to have faked an orgasm".[৫] Sex counselor Ian Kerner stated, "It's a myth that using the penis is the main way to pleasure a woman." He cites research concluding that women reach orgasm about 25% of the time with intercourse, compared with 81% of the time during oral sex (cunnilingus).[৬১]

In the first large-scale empirical study worldwide to link specific practices with orgasm, reported in the Journal of Sex Research in 2006, demographic and sexual history variables were comparatively weakly associated with orgasm. Data was analyzed from the Australian Study of Health and Relationships, a national telephone survey of sexual behavior and attitudes and sexual health knowledge carried out in 2001–2002, with a representative sample of 19,307 Australians aged 16 to 59. Practices included "vaginal intercourse alone (12%), vaginal + manual stimulation of the man's and/or woman's genitals (49%), and vaginal intercourse + manual + oral (32%)" and the "[e]ncounters may also have included other practices. Men had an orgasm in 95% of encounters and women in 69%. Generally, the more practices engaged in, the higher a woman's chance of having an orgasm. Women were more likely to reach orgasm in encounters including cunnilingus".[৬২]

Other studies suggest that women exposed to lower levels of prenatal androgens are more likely to experience orgasm during vaginal intercourse than other women.[৬০]

Exercise-induced[সম্পাদনা]

Kinsey, in his 1953 book Sexual Behavior in the Human Female, stated that exercise could bring about sexual pleasure, including orgasm.[৬৩] A review in 1990 on the sexual response itself as exercise, reviewed the literature and stated that the field was poorly researched; it also said that studies had found that aerobic or isotonic exercise that resembles sexual activity or sexual positions can induce sexual pleasure, including orgasm.[৬৩] A 2007 review of the relationship between pelvic floor dysfunction and sexual problems in men and women found that they are commonly linked and suggested that physical therapy strengthening the pelvic floor could help address the sexual problems but that it was not well studied enough to recommend.[৬৪] Starting in at least 2007, the term, "coregasm" was used in popular media to refer to exercise-induced orgasm[৬৫][৬৬] or in academic parlance termed exercise-induced sexual pleasure or EISP,[৬৭] and an extensive discussion of the "yogasm" occurred in a 2011 Daily Beast posting.[৬৫][৬৮] A paper published in 2012 presented results of an online survey of women who had experienced an orgasm or other sexual pleasure during exercise.[৬৫][৬৯] The paper was widely discussed in popular media when it was published.[৭০][৭১][৭২][৭৩] The authors of the paper said that research on the relationship between exercise and sexual response was still lacking.[৬৫]

Males[সম্পাদনা]

Variabilities[সম্পাদনা]

In men, the most common way of achieving orgasm is by physical sexual stimulation of the penis.[২] This is usually accompanied by ejaculation, but it is possible, though also rare, for men to orgasm without ejaculation (known as a "dry orgasm").[১৭] Prepubescent boys have dry orgasms.[৭৪] Dry orgasms can also occur as a result of retrograde ejaculation,[৭৫] or hypogonadism.[৭৬] Men may also ejaculate without reaching orgasm,[৭৬][৭৭] which is known as anorgasmic ejaculation.[৭৭] They may also achieve orgasm by stimulation of the prostate (see below).[২][৭৮]

Two-stage model[সম্পাদনা]

The traditional view of male orgasm is that there are two stages: emission accompanying orgasm, almost instantly followed by a refractory period. The refractory period is the recovery phase after orgasm during which it is physiologically impossible for a man to have additional orgasms.[৭৯][৮০] In 1966, Masters and Johnson published pivotal research about the phases of sexual stimulation.[১][৮১] Their work included women and men, and, unlike Alfred Kinsey in 1948 and 1953,[৫১] tried to determine the physiological stages before and after orgasm.

Masters and Johnson argued that, in the first stage, "accessory organs contract and the male can feel the ejaculation coming; two to three seconds later the ejaculation occurs, which the man cannot constrain, delay, or in any way control" and that, in the second stage, "the male feels pleasurable contractions during ejaculation, reporting greater pleasure tied to a greater volume of ejaculate".[৪২] They reported that, unlike females, "for the man the resolution phase includes a superimposed refractory period" and added that "many males below the age of 30, but relatively few thereafter, have the ability to ejaculate frequently and are subject to only very short refractory periods during the resolution phase". Masters and Johnson equated male orgasm and ejaculation and maintained the necessity for a refractory period between orgasms.[৪২]

Subsequent and multiple orgasms[সম্পাদনা]

There has been little scientific study of multiple orgasm in men.[৭৮] Dunn and Trost defined male multiple orgasm as "two or more orgasms with or without ejaculation and without, or with only very limited, de-tumescence (loss of erection) during one and the same sexual encounter".[১৭] Although, due to the refractory period, it is rare for men to achieve multiple orgasms,[২][৮২] some men have reported having multiple, consecutive orgasms, particularly without ejaculation.[১৭] There may not be an obvious refractory period, and the final orgasm may cause a refractory period.[৭৮] Multiple orgasms are more commonly reported in very young men than in older men.[১৭] In younger men, the refractory period may only last a few minutes, but last more than an hour in older men.[৭৫]

An increased infusion of the hormone oxytocin during ejaculation is believed to be chiefly responsible for the refractory period, and the amount by which oxytocin is increased may affect the length of each refractory period.[৮৩] A scientific study to successfully document natural, fully ejaculatory, multiple orgasms in an adult man was conducted at Rutgers University in 1995. During the study, six fully ejaculatory orgasms were experienced in 36 minutes, with no apparent refractory period.[২]

Anal and prostate stimulation[সম্পাদনা]

In both sexes, pleasure can be derived from the nerve endings around the anus and the anus itself, such as during anal sex. It is possible for men to achieve orgasms through prostate stimulation alone.[২][১৫] The prostate is the male homologue (variation) to the Skene's glands (which are believed to be connected to the female G-spot),[৮৪] and can be sexually stimulated through anal sex, perineum massage or via a vibrator.[৮৫] Much of the available information about prostate-induced orgasms comes from anecdotal reports by individuals, and the exact mechanisms by which such orgasms are produced are unclear; some sources suggest this occurs via stimulation of nerves in the prostatic plexus surrounding the organ, others suggest it is via nerves within the prostate itself, and others say changes in the brain (neuroplasticity) are required to derive pleasure from prostate stimulation. Regardless, prostate-induced orgasms are often reported to be intensely pleasurable.[৮৬] Prostate stimulation can produce a deeper orgasm, described by some men as more widespread and intense, longer-lasting, and allowing for greater feelings of ecstasy than orgasm elicited by penile stimulation only.[২][৮৬][১৫] The practice of pegging (consisting of a woman penetrating a man's anus with a strap-on dildo) stimulates the prostate. It is typical for a man to not reach orgasm as a receptive partner solely from anal sex.[৮৭][৮৮]

For women, penile-anal penetration may also indirectly stimulate the clitoris by the shared sensory nerves, especially the pudendal nerve, which gives off the inferior anal nerves and divides into the perineal nerve and the dorsal nerve of the clitoris.[১৫] The G-spot area, which is considered to be interconnected with the clitoris,[৬][১৫][৩৪] may also be indirectly stimulated during anal sex.[৮৯][৯০] Although the anus has many nerve endings, their purpose is not specifically for inducing orgasm, and so a woman achieving orgasm solely by anal stimulation is rare.[৯১][৯২] Direct stimulation of the clitoris, a G-spot area, or both, while engaging in anal sex can help some women enjoy the activity and reach orgasm during it.[২৬][৯০]

The aforementioned orgasms are sometimes referred to as anal orgasms,[৯২][৯৩] but sexologists and sex educators generally believe that orgasms derived from anal penetration are the result of the relationship between the nerves of the anus, rectum, clitoris or G-spot area in women, and the anus's proximity to the prostate and relationship between the anal and rectal nerves in men, rather than orgasms originating from the anus itself.[১৫][৯০][৯২]

Nipple stimulation[সম্পাদনা]

For women, stimulation of the breast area during sexual intercourse or foreplay, or solely having the breasts fondled, can create mild to intense orgasms, sometimes referred to as a breast orgasm or nipple orgasm.[৫৯] Few women report experiencing orgasm from nipple stimulation.[১৬][৯৪] Before Komisaruk et al.'s functional magnetic resonance (fMRI) research on nipple stimulation in 2011, reports of women achieving orgasm from nipple stimulation relied solely on anecdotal evidence.[৯৫] Komisaruk's study was the first to map the female genitals onto the sensory portion of the brain; it indicates that sensation from the nipples travels to the same part of the brain as sensations from the vagina, clitoris and cervix, and that these reported orgasms are genital orgasms caused by nipple stimulation, and may be directly linked to the genital sensory cortex ("the genital area of the brain").[৯৫][৯৬][৫৯]

An orgasm is believed to occur in part because of the hormone oxytocin, which is produced in the body during sexual excitement and arousal and labor. It has also been shown that oxytocin is produced when a man or woman's nipples are stimulated and become erect.[৫৯][৯৭] Komisaruk also relayed, however, that preliminary data suggests that nipple nerves may directly link up with the relevant parts of the brain without uterine mediation, acknowledging the men in his study who showed the same pattern of nipple stimulation activating genital brain regions.[৫৯]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Masters, William H.; Reproductive Biology Research Foundation (U.S.) (১৯৬৬)। Human Sexual Response। Little, Brown। পৃষ্ঠা 366আইএসবিএন 0-316-54987-8  Authors list-এ |প্রথমাংশ2= এর |শেষাংশ2= নেই (সাহায্য) উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "M&J" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  2. See pages 133–135 for orgasm information, and page 76 for G-spot and vaginal nerve ending information. Rosenthal, Martha (২০১২)। Human Sexuality: From Cells to SocietyCengage Learningআইএসবিএন 0618755713 
  3. "Orgasm"। Health.discovery.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০১০ 
  4. Exton MS, Krüger TH, Koch M; ও অন্যান্য (এপ্রিল ২০০১)। "Coitus-induced orgasm stimulates prolactin secretion in healthy subjects"Psychoneuroendocrinology26 (3): 287–94। ডিওআই:10.1016/S0306-4530(00)00053-6পিএমআইডি 11166491 
  5. Wayne Weiten, Dana S. Dunn, Elizabeth Yost Hammer (২০১১)। Psychology Applied to Modern Life: Adjustment in the 21st Century। Cengage Learning। পৃষ্ঠা 386। আইএসবিএন 1-111-18663-4। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১২ 
  6. O'Connell HE, Sanjeevan KV, Hutson JM (অক্টোবর ২০০৫)। "Anatomy of the clitoris"। The Journal of Urology174 (4 Pt 1): 1189–95। ডিওআই:10.1097/01.ju.0000173639.38898.cdপিএমআইডি 16145367Time for rethink on the clitoris - lay summary |layurl= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)BBC News (১১ জুন ২০০৬)। 
  7. Georgiadis JR, Reinders AA, Paans AM, Renken R, Kortekaas R (অক্টোবর ২০০৯)। "Men versus women on sexual brain function: prominent differences during tactile genital stimulation, but not during orgasm"। Human Brain Mapping30 (10): 3089–101। ডিওআই:10.1002/hbm.20733পিএমআইডি 19219848 
  8. ""Frequently Asked Sexuality Questions to the Kinsey Institute: Orgasm""। ৪ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০১৭ 
  9. The Mating Mind: How Sexual Choice Shaped the Evolution of Human Nature। Random House Digital। ২১ ডিসেম্বর, ২০১১। পৃষ্ঠা পৃষ্ঠা ২৩৮–২৩৯। আইএসবিএন 0307813746  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  10. Wallen K, Lloyd EA.; Lloyd (মে ২০১১)। "Female Sexual Arousal: Genital Anatomy and Orgasm in Intercourse"Hormones and Behavior59 (5): 780–92। ডিওআই:10.1016/j.yhbeh.2010.12.004পিএমআইডি 21195073পিএমসি 3894744অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  11. Levine, R.J (২০০৪)। "An orgasm is... who defines what an orgasm is?"। exual and Relationship Therapy19: 101–107। ডিওআই:10.1016/j.yhbeh.2010.12.004 
  12. Mah, K.; Binik, Y. M. (আগস্ট ২০০১)। "The nature of human orgasm: a critical review of major trends"। Clinical Psychology Review21 (6): 823–56। ডিওআই:10.1016/S0272-7358(00)00069-6পিএমআইডি 11497209 
  13. Schwartz, Bob (মে ১৯৯২)। The One Hour Orgasm: A New Approach to Achieving Maximum Sexual Pleasure। Breakthru Publishing। আইএসবিএন 0-942540-07-7 
  14. Mah, K.; Binik, Y. M. (মে ২০০২)। "Do all orgasms feel alike? Evaluating a two-dimensional model of the orgasm experience across gender and sexual context"Journal of Sex Research39 (2): 104–13। ডিওআই:10.1080/00224490209552129পিএমআইডি 12476242 
  15. Barry R. Komisaruk; Beverly Whipple; Sara Nasserzadeh; Carlos Beyer-Flores (২০০৯)। The Orgasm Answer Guide। JHU Press। পৃষ্ঠা 108–109। আইএসবিএন 978-0-8018-9396-4। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১১ 
  16. Boston Women's Health Book Collective (১৯৯৬)। The New Our Bodies, Ourselves: A Book by and for WomenSimon & Schuster। পৃষ্ঠা 575। আইএসবিএন 978-0684823522। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১২, ২০১৭A few women can even experience orgasm from breast stimulation alone. 
  17. Crooks RL, Baur K (২০১০)। Our SexualityCengage Learning। পৃষ্ঠা 175–176। আইএসবিএন 978-0495812944 
  18. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; mah_&_binik নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  19. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Mah নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  20. Komisaruk BR, Whipple B (২০০৫)। "Functional MRI of the brain during orgasm in women"। Annual Review of Sex Research16: 62–86। পিএমআইডি 16913288সাইট সিয়ারX 10.1.1.177.782অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  21. Joseph A. Flaherty; John Marcell Davis; Philip G. Janicak (১৯৯৩)। Psychiatry: Diagnosis & therapy. A Lange clinical manual। Appleton & Lange (Original from Northwestern University)। পৃষ্ঠা 217আইএসবিএন 978-0-8385-1267-8The amount of time of sexual arousal needed to reach orgasm is variable — and usually much longer — in women than in men; thus, only 20–30% of women attain a coital climax. b. Many women (70–80%) require manual clitoral stimulation... 
  22. Kammerer-Doak, Dorothy; Rogers, Rebecca G. (জুন ২০০৮)। "Female Sexual Function and Dysfunction"। Obstetrics and Gynecology Clinics of North America35 (2): 169–183। ডিওআই:10.1016/j.ogc.2008.03.006পিএমআইডি 18486835Most women report the inability to achieve orgasm with vaginal intercourse and require direct clitoral stimulation ... About 20% have coital climaxes... 
  23. Elisabeth Anne Lloyd (২০০৫)। The Case of the Female Orgasm: Bias In the Science of Evolution। Harvard University Press। পৃষ্ঠা 53। আইএসবিএন 978-0-674-01706-1। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১২ 
  24. "Anorgasmia in women"Mayo Clinic। জানুয়ারি ২, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ২৩, ২০১০ 
  25. Di Marino, Vincent (২০১৪)। Anatomic Study of the Clitoris and the Bulbo-Clitoral OrganSpringer। পৃষ্ঠা 81। আইএসবিএন 978-3319048949। সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৪ 
  26. See pages 270–271 for anal sex information, and page 118 for information about the clitoris. Janell L. Carroll (২০০৯)। Sexuality Now: Embracing DiversityCengage Learning। পৃষ্ঠা 629 pages। আইএসবিএন 978-0-495-60274-3। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০১২ 
  27. Crooks, Robert (২০১১)। Our sexuality। Karla Baur (Eleventh সংস্করণ)। Belmont, CA: Wadsworth/Cengage Learning। আইএসবিএন 978-0-495-81294-4ওসিএলসি 456838969 
  28. Schünke, Michael; Schulte, Erik; Ross, Lawrence M.; Lamperti, Edward D.; Schumacher, Udo (২০০৬)। Thieme Atlas of Anatomy: General Anatomy and Musculoskeletal System, Volume 1Thieme Medical Publishersআইএসবিএন 978-3-13-142081-7। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১২-১৫ 
  29. Francoeur, Robert T. (২০০০)। The Complete Dictionary of Sexology। The Continuum Publishing Company। পৃষ্ঠা 180আইএসবিএন 978-0-8264-0672-9 
  30. Pappas, Stephanie (এপ্রিল ৯, ২০১২)। "Does the Vaginal Orgasm Exist? Experts Debate"LiveScience। অক্টোবর ১১, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ২৮, ২০১২ 
  31. Lief, Harold I. (১৯৯৪)। "Discussion of the Paper by Helen Singer Kalplan"। Berger, Milton Miles। Women Beyond Freud: New Concepts of Feminine PsychologyPsychology Press। পৃষ্ঠা 65–66আইএসবিএন 9780876307090। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২২, ২০১২ 
  32. See here [১] for the 2009 King's College London's findings on the G-spot and page 145 উইকিউইক্সে আর্কাইভকৃত অক্টোবর ২৮, ২০১৫ তারিখে for ultrasound/physiological material with regard to the G-spot. Ashton Acton (২০১২)। Issues in Sexuality and Sexual Behavior Research: 2011 EditionScholarlyEditionsআইএসবিএন 978-1464966873। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৪, ২০১৪ 
  33. Sloane, Ethel (২০০২)। Biology of WomenCengage Learning। পৃষ্ঠা 32–33। আইএসবিএন 978-0766811423। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১২ 
  34. Kilchevsky A, Vardi Y, Lowenstein L, Gruenwald I (জানুয়ারি ২০১২)। "Is the Female G-Spot Truly a Distinct Anatomic Entity?"। The Journal of Sexual Medicine9 (3): 719–26। ডিওআই:10.1111/j.1743-6109.2011.02623.xপিএমআইডি 22240236 
  35. Greenberg JS, Bruess CE, Oswalt SB (২০১৪)। Exploring the Dimensions of Human SexualityJones & Bartlett Publishers। পৃষ্ঠা 102–104। আইএসবিএন 978-1449648510। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৩০, ২০১৪ 
  36. Marshall Cavendish Corporation (২০০৯)। Sex and Society, Volume 2। Marshall Cavendish Corporation। পৃষ্ঠা 590। আইএসবিএন 9780761479079। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২ 
  37. Cornforth, Tracee (জুলাই ১৭, ২০০৯)। "The Clitoral Truth. Interview with author and sex educator Rebecca Chalker"About.com। ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২১, ২০১০ 
  38. Hite, Shere (২০০৩)। The Hite Report: A Nationwide Study of Female Sexuality। New York, NY: Seven Stories Pressআইএসবিএন 978-1-58322-569-1। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১২ 
  39. Keath Roberts (২০০৬)। Sex। Lotus Press। পৃষ্ঠা 145। আইএসবিএন 978-8189093594। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২ 
  40. Hurlbert DF, Apt C (১৯৯৫)। "The coital alignment technique and directed masturbation: a comparative study on female orgasm"। Journal of Sex & Marital Therapy21 (1): 21–29। ডিওআই:10.1080/00926239508405968পিএমআইডি 7608994 
  41. Rathus, Spencer A.; Nevid, Jeffrey S.; Fichner-Rathus, Lois; Herold, Edward S.; McKenzie, Sue Wicks (২০০৫)। Human Sexuality In A World Of Diversity (Second সংস্করণ)। New Jersey, USA: Pearson Education। 
  42. Dunn ME, Trost JE; Trost (অক্টোবর ১৯৮৯)। "Male multiple orgasms: a descriptive study"। Archives of Sexual Behavior18 (5): 377–87। এসটুসিআইডি 13647953ডিওআই:10.1007/BF01541970পিএমআইডি 2818169 
  43. "The Sexual Response Cycle"UCSB SexInfo OnlineUniversity of California, Santa Barbara। ২৫ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১২ 
  44. Daniel L. Schacter; Daniel T. Gilbert; Daniel M. Wegner (২০১০)। PsychologyMacmillan। পৃষ্ঠা 336। আইএসবিএন 978-1429237192। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১২ 
  45. Irving B. Weiner; W. Edward Craighead (২০১০)। The Corsini Encyclopedia of Psychology, Volume 2John Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 761। আইএসবিএন 978-0470170267। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১২ 
  46. Anne Bolin; Patricia Whelehan (২০০৯)। Human Sexuality: Biological, Psychological, and Cultural PerspectivesTaylor & Francis। পৃষ্ঠা 276। আইএসবিএন 978-0-7890-2672-9। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  47. Charles Zastrow (২০০৭)। Introduction to Social Work and Social Welfare: Empowering PeopleCengage Learning। পৃষ্ঠা 228। আইএসবিএন 978-0495095101। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৫, ২০১৪ 
  48. Janice M. Irvine (২০০৫)। Disorders of Desire: Sexuality and Gender in Modern American Sexology। Temple University Press। পৃষ্ঠা 37–38। আইএসবিএন 978-1-59213-151-8। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১২ 
  49. "Difference between clitoral and vaginal orgasm"Go Ask Alice!। মার্চ ২৮, ২০০৮। জুলাই ২৯, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২১, ২০১০ 
  50. Stephen Jay Gould (২০০২)। The Structure of Evolutionary TheoryHarvard University Press। পৃষ্ঠা 1262–1263। আইএসবিএন 978-0674006133। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১২ 
  51. Margaret L. Andersen; Howard Francis Taylor (২০০৭)। Sociology: Understanding a Diverse SocietyCengage Learning। পৃষ্ঠা 338। আইএসবিএন 978-0-495-00742-5। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১২ 
  52. John Archer; Barbara Lloyd (২০০২)। Sex and GenderCambridge University Press। পৃষ্ঠা 85–88। আইএসবিএন 978-0521635332। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১২ 
  53. Federation of Feminist Women's Health Centers (১৯৯১)। A New View of a Woman's Body। Feminist Heath Press। পৃষ্ঠা 46। 
  54. Koedt, Anne (১৯৭০)। "The Myth of the Vaginal Orgasm"Chicago Women's Liberation Union (CWLU)। ৬ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১১ 
  55. Balon R, Segraves RT (২০০৯)। Clinical Manual of Sexual DisordersAmerican Psychiatric Pub। পৃষ্ঠা 258। আইএসবিএন 978-1585629053। জানুয়ারি ২৬, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৪, ২০১৪ 
  56. Buss DM, Meston CM (২০০৯)। Why Women Have Sex: Understanding Sexual Motivations from Adventure to Revenge (and Everything in Between)Macmillan। পৃষ্ঠা 35–36। আইএসবিএন 978-1429955225। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৪, ২০১৪ 
  57. Carroll, Janell L. (২০১৩)। Discovery Series: Human Sexuality (1st সংস্করণ)। Cengage Learning। পৃষ্ঠা 103। আইএসবিএন 978-1111841898। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-১০-২১ 
  58. Buisson, Odile; Foldès, Pierre (২০০৯)। "The clitoral complex: a dynamic sonographic study"। The Journal of Sexual Medicine6 (5): 1223–31। ডিওআই:10.1111/j.1743-6109.2009.01231.xপিএমআইডি 19453931 
  59. Komisaruk BR, Wise N, Frangos E, Liu WC, Allen K, Brody S (২০১১)। "Women's Clitoris, Vagina, and Cervix Mapped on the Sensory Cortex: fMRI Evidence"The Journal of Sexual Medicine8 (10): 2822–30। ডিওআই:10.1111/j.1743-6109.2011.02388.xপিএমআইডি 21797981পিএমসি 3186818অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  60. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Wallen K, Lloyd EA নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  61. Rob, Baedeker। "Sex: Fact and Fiction"WebMD। পৃষ্ঠা 2–3। জানুয়ারি ১২, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ২৮, ২০১২ 
  62. Richters J, Visser R, Rissel C, Smith A (আগস্ট ২০০৬)। "Sexual practices at last heterosexual encounter and occurrence of orgasm in a national survey"। The Journal of Sex Research43 (3): 217–26। এসটুসিআইডি 7469378ডিওআই:10.1080/00224490609552320পিএমআইডি 17599244 
  63. Butt, DS (জুন ১৯৯০)। "The sexual response as exercise. A brief review and theoretical proposal"। Sports Medicine9 (6): 330–43। এসটুসিআইডি 6035585ডিওআই:10.2165/00007256-199009060-00002পিএমআইডি 2192423 
  64. Rosenbaum, TY (জানুয়ারি ২০০৭)। "Pelvic floor involvement in male and female sexual dysfunction and the role of pelvic floor rehabilitation in treatment: a literature review"। The Journal of Sexual Medicine4 (1): 4–13। ডিওআই:10.1111/j.1743-6109.2006.00393.xপিএমআইডি 17233772 
  65. Herbenick, Debby; Fortenberry, J. Dennis (মার্চ ২০১২)। "Exercise-induced orgasm and pleasure among women"। Sexual and Relationship Therapy26 (4): 373–388। এসটুসিআইডি 145405546ডিওআই:10.1080/14681994.2011.647902 
  66. Campbell, Alan (মার্চ ২৯, ২০০৭)। "MH The Fitness Insider: Exciting Fitness News: The Coregasm"Men's Health। ১০ জুন ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  67. Volume 26, 2011, Debby Herbenick, Exercise-induced orgasm and pleasure among women, retrieved March 16, 2020, "...A secondary purpose was to understand and assess women's experiences of exercise-induced sexual pleasure (EISP)..."
  68. Crocker, Lizzie (সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১১)। "Are Yogasms Real?"The Daily Beast। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  69. Herbenick, Debby (নভেম্বর ৮, ২০১০)। "SURVEY: Pleasure/Orgasm During Exercise?"। mysexprofessor.com। ৯ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  70. Deborah Kotz (মার্চ ২২, ২০১২)। "Orgasms when you exercise? Research suggests it's possible"Boston Globe। সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ৩১, ২০১৬ 
  71. Jennifer LaRue Huget (মার্চ ২২, ২০১২)। "Research looks into 'exercise-induced orgasm' phenomenon"Washington Post। সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  72. Kristine Thomason (মার্চ ২২, ২০১৬)। "Yes, You Can Have an Orgasm While Working Out"। Health magazine। অক্টোবর ২০, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ৩১, ২০১৬ 
  73. Heather Wood Rudulph (জুন ১, ২০১৫)। "The Truth About Having an Orgasm at the Gym: Sex researcher Debby Herbenick says both men and women can experience "coregasms""Cosmopolitan। সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  74. Carroll JL (২০১২)। Sexuality Now: Embracing DiversityCengage Learning। পৃষ্ঠা 147। আইএসবিএন 978-1111835811 
  75. Jones RE, Lopez KH (২০১৩)। Human Reproductive BiologyAcademic Press। পৃষ্ঠা 146। আইএসবিএন 978-0123821850 
  76. Mulhall JP, Incrocci L, Goldstein I, Rosen R (২০১১)। Cancer and Sexual HealthSpringer Science & Business Media। পৃষ্ঠা 41। আইএসবিএন 978-1607619161 
  77. Peterson D (২০১৭)। The Wiley Handbook of Sex TherapyJohn Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 182। আইএসবিএন 978-1118510414 
  78. Wibowo, Erik; Wassersug, Richard J. (২০১৬)। "Multiple Orgasms in Men—What We Know So Far"Sexual Medicine Reviews4 (2): 136–148। ডিওআই:10.1016/j.sxmr.2015.12.004পিএমআইডি 27872023। জানুয়ারি ১১, ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  79. Ross Morrow (২০১৩)। Sex Research and Sex Therapy: A Sociological Analysis of Masters and JohnsonRoutledge। পৃষ্ঠা 91। আইএসবিএন 978-1134134656 
  80. Janell L. Carroll (২০১৫)। Sexuality Now: Embracing DiversityCengage Learning। পৃষ্ঠা 275। আইএসবিএন 978-1305446038 
  81. "Masters and Johnson"। The Discovery Channel। ১৮ মে ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০০৬ 
  82. Schill WB, Comhaire FH, Hargreave TM (২০০৬)। Andrology for the ClinicianSpringer Science & Business Media। পৃষ্ঠা 105। আইএসবিএন 0495812943 
  83. Panksepp, Jaak (2004). Textbook of biological psychiatry. Wiley-IEEE. p. 129.
  84. Michael P. Goodman (২০১৬)। Female Genital Plastic and Cosmetic SurgeryJohn Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 18–19। আইএসবিএন 978-1118848470। মে ৬, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২৫, ২০১৮ 
  85. Jamnicky L, Nam R (২০১২)। Canadian Guide to Prostate CancerJohn Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 167। আইএসবিএন 978-1118515655। মে ৬, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২৫, ২০১৮ 
  86. Levin, R. J. (২০১৮)। "Prostate-induced orgasms: A concise review illustrated with a highly relevant case study"। Clinical Anatomy31 (1): 81–85। ডিওআই:10.1002/ca.23006অবাধে প্রবেশযোগ্যপিএমআইডি 29265651 
  87. Michael W. Ross (১৯৮৮)। Psychopathology and Psychotherapy in HomosexualityPsychology Press। পৃষ্ঠা 49–50। আইএসবিএন 978-0866564991। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২২, ২০১৩ 
  88. Nathaniel McConaghy (১৯৯৩)। Sexual Behavior: Problems and ManagementSpringer Science & Business Media। পৃষ্ঠা 186। আইএসবিএন 978-0306441776। মে ৬, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২৫, ২০১৮In homosexual relations, most men do not reach orgasm in receptive anal intercourse, and a number report not reaching orgasm by any method in many of their sexual relationships, which they nevertheless enjoy. 
  89. Zdrok, Victoria (২০০৪)। The Anatomy of Pleasure। Infinity Publishing। পৃষ্ঠা 100–102। আইএসবিএন 978-0741422484। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ৫, ২০১৩ 
  90. See page 3 for women preferring anal sex to vaginal sex, and page 15 for reaching orgasm through indirect stimulation of the G-spot. Tristan Taormino (১৯৯৭)। The Ultimate Guide to Anal Sex for Women। Cleis Press। পৃষ্ঠা 282 pages। আইএসবিএন 978-1-57344-221-3। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৬, ২০১১ 
  91. Shira Tarrant (২০১৫)। Politics: In the Streets and Between the Sheets in the 21st CenturyRoutledge। পৃষ্ঠা 247–248। আইএসবিএন 978-1317814757। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১১, ২০১৭ 
  92. Natasha Janina Valdez (২০১১)। Vitamin O: Why Orgasms Are Vital to a Woman's Health and Happiness, and How to Have Them Every Time!Skyhorse Publishing Inc.। পৃষ্ঠা 79। আইএসবিএন 978-1-61608-311-3। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৬, ২০১১ 
  93. Marlene Wasserman (২০০৭)। Pillowbook: creating a sensual lifestyle। Oshun। আইএসবিএন 978-1-77020-009-8। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১১ 
  94. Kinsey AC, Pomeroy WB, Martin CE, Gebhard PH (১৯৯৮)। Sexual Behavior in the Human FemaleIndiana University Press। পৃষ্ঠা 587। আইএসবিএন 978-0253019240। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১২, ২০১৭There are some females who appear to find no erotic satisfaction in having their breasts manipulated; perhaps half of them derive some distinct satisfaction, but not more than a very small percentage ever respond intensely enough to reach orgasm as a result of such stimulation (Chapter 5). [...] Records of females reaching orgasm from breast stimulation alone are rare. 
  95. Merril D. Smith (২০১৪)। Cultural Encyclopedia of the BreastRowman & Littlefield। পৃষ্ঠা 71। আইএসবিএন 978-0759123328। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১২, ২০১৭ 
  96. Justin J. Lehmiller (২০১৩)। The Psychology of Human SexualityJohn Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 120। আইএসবিএন 978-1118351321। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১২, ২০১৭ 
  97. Levin R, Meston C (মে ২০০৬)। "Nipple/Breast stimulation and sexual arousal in young men and women"। The Journal of Sexual Medicine3 (3): 450–4। ডিওআই:10.1111/j.1743-6109.2006.00230.xপিএমআইডি 16681470সাইট সিয়ারX 10.1.1.421.7798অবাধে প্রবেশযোগ্য