ডি. এ. রাজাপক্ষ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাননীয়

ডি. এ. রাজাপক্ষ
දොන් අල්වින් රාජපක්ෂ
ডি এ রাজাপক্ষ.jpeg
কৃষি এবং ভূমিমন্ত্রী (শ্রীলঙ্কা)
কাজের মেয়াদ
১৯৫৯ – ১৯৬০
শ্রীলঙ্কা সংসদের উপবক্তা
কাজের মেয়াদ
১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৪ – ১২ নভেম্বর ১৯৬৪
পূর্বসূরীহাঘ ফার্নান্দো
উত্তরসূরীশার্লি কোরেয়া
বেলিয়াট্টা আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৪৭ – ১৯৬০
পূর্বসূরীসাংবিধানিক দায়িত্ব তৈরি
উত্তরসূরীডি পি আতাপাত্তু
কাজের মেয়াদ
১৯৬০ – ১৯৬৫
পূর্বসূরীডি পি আতাপাত্তু
উত্তরসূরীডি পি আতাপাত্তু
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মডন অলবিন রাজাপক্ষ
(১৯০৬-১১-০৫)৫ নভেম্বর ১৯০৬
মেদামুলানা, ব্রিটিশ সিলন (শ্রীলঙ্কা)
মৃত্যু৭ নভেম্বর ১৯৬৭(1967-11-07) (বয়স ৬১)
জাতীয়তাশ্রীলঙ্কান
রাজনৈতিক দলশ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
সংযুক্ত জাতীয় পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গীদন্দিনা সমরসিংহ দেশনায়ক
সন্তান
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরিচমন্ড কলেজ, গল্লে
পেশারাজনীতিবিদ

ডন অলবিন রাজাপক্ষ (১৯০৬-১৯৬৭) শ্রীলঙ্কার একজন খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ ছিলেন। শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতার পূর্বের বছর ১৯৪৭ সাল থেকে এই ব্যক্তি শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে রয়েছেন। ১৯৪৭ সালে হাম্বানটোটা জেলাতে রাজনীতি করা শুরু করেন এবং বেলিয়াট্টা অঞ্চল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তিনি উক্ত এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ছিলেন রাজনৈতিক দল শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা (১৯৫১ সালে তৈরি হয় দলটি) এবং তিনি বিজয়ানন্দ দহনায়কের সরকারের মন্ত্রী ছিলেন কৃষি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের, বিজয়ানন্দ ১৯৫৯-'৬০ মেয়াদে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ডি. এ. রাজাপক্ষের দুই ছেলে মহিন্দ রাজাপক্ষ এবং গোতাবায়া রাজাপক্ষ শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন যথাক্রমে ২০০৫ এবং ২০১৯ সালে।

জীবন[সম্পাদনা]

ডন অলবিন ১৯০৬ সালের ৫ই নভেম্বর একটি ধনী পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন, তার জন্ম হয়েছিলো মেদামুলানাতে। তার বাবা ডন ড্যাভিড রাজাপক্ষ জমিদার ছিলেন। মান্দাদুভা স্কুলে অধ্যায়ের পর অলবিন রিচমন্ড কলেজ (গল্লে) তে ভর্তি হয়েছিলেন। তার বাবার বড় কৃষি জমি ছিলো এবং প্রচুর নারকেল ব্যবসা করে অলবিন নিজেই অল্প বয়সে টাকা আয় করা শুরু করেছিলেন, এছাড়াও চালের বড় ব্যবসাও তার বাবার ছিলো।

দুই বোন আর তিন ভাইয়ের মধ্যে অলবিন ছিলেন সবার ছোটো, তিনি পড়ালেখার পাট রিচমন্ড কলেজ থেকে চুকিয়ে সিংহলী জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠেছিলেন। ১৯৩২ সালে তিনি 'সিলন ন্যাশনালিস্ট পার্টি'তে যোগ দেন একজন তরুণ বয়সে।

১৯৪৫ সাল, তখন শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতা আন্দোলন দাবী তুঙ্গে, অলবিন তখন সিংহলী ভাষার মর্যাদার দাবীতে গণঅনশন কর্মসূচীতে অংশ নেন, যদিও তিনি তামিলভাষীদের পক্ষে বা বিপক্ষে কিছুই বলেননি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে অলবিন জি জি পোন্নামবালামের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন যিনি ছিলেন একজন তামিলভাষী।

১৯৪৭ সালে সংযুক্ত জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে অলবিন সংসদে প্রবেশ করতে সক্ষম হন এবং খুব শীঘ্রই ১৯৪৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চলে আসে যেদিন ব্রিটিশরা শ্রীলঙ্কাকে স্বাধীন এবং সার্বভৌম দেশ ঘোষণা করে।

১৯৫১ সালে সলোমন বন্দরনায়েকের সঙ্গে মিলে অলবিন শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি গঠনে ভালো ভূমিকা রেখেছিলেন।[১] ১৯৫১ সালের ১২ই জুলাই ফ্রিডম পার্টির গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হন অলবিন।[২][৩] ১৯৫৯ সালে তিনি ভূমি এবং কৃষি এবং ভূমি মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীত্ব লাভ করেন বিজয়ানন্দ দহনায়ক সরকারের অধীনে। ১৯৬৪ সালের ১১ইফেব্রুয়ারি অলবিন সংসদের উপবক্তা পদে অধিষ্ঠিত হন।[৪] ১৯৬৭ সালের ৭ নভেম্বরে কলম্বোতে ৬১ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অলবিন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "A brief history of the Sri Lanka Freedom Party"। ৪ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০২০ 
  2. A Politician and a Gentleman
  3. Sri Lanka: The Untold Story
  4. "Deputy Speaker and Chairman of Committees"Parliament of Sri Lanka। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]