বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রবেশদ্বার:মিয়ানমার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
প্রবেশদ্বারএশিয়ামিয়ানমার

ကြိုဆိုပါတယ်။ / মিয়ানমার প্রবেশদ্বারে স্বাগতম

মিয়ানমার (বর্মী: မြန်မာ, [mjəmà]) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল এশীয় মহাদেশীয় ভূ-খণ্ডে অবস্থিত একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এছাড়া এটি বাংলা ভাষায় ব্রহ্মদেশ, বর্মা বা বার্মা নামেও পরিচিত। দেশটি ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বার্মা নামে পরিচিত ছিল। ১৯৮৯ সালের ১৯শে জুন সামরিক জান্তা সরকার দেশটির আনুষ্ঠানিক সরকারি নাম বদলে রাখে মিয়ানমার সংঘ প্রজাতন্ত্র (বর্মী: ပြည်ထောင်စု သမ္မတ မြန်မာနိုင်ငံတော်‌, [pjìdàuɴzṵ θàɴmədaa̰ mjəmà nàiɴŋàɴdɔ̀] মিয়ামা নাইঙান্ডো)। মিয়ানমার নামটি জাতিসংঘের স্বীকৃতি লাভ করলেও কিছু সরকার (বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া) এই নামটি ব্যবহার করে না। মিয়ানমারের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে চীন, পূর্বে লাওস, দক্ষিণ-পূর্বে থাইল্যান্ড, উত্তর-পশ্চিমে বাংলাদেশভারত অবস্থিত। দক্ষিণ, পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরবঙ্গোপসাগরে দেশটির উপকূলীয় তটরেখা রয়েছে। মিয়ানমারের দক্ষিণভাগটি একটি দীর্ঘ সংকীর্ণ ভূখণ্ড যা মালয় উপদ্বীপ ধরে দক্ষিণে বিস্তৃত। তিনদিকে পর্বতবেষ্টিত ও বাকি দিকে সমুদ্রবেষ্টিত মিয়ানমার ভৌগোলিকভাবে খানিকটা বিচ্ছিন্ন একটি দেশ। ৬ লক্ষ ৭৬ হাজার ৫৫২ বর্গকিলোমিটার আয়তনবিশিষ্ট মিয়ানমার আয়তনের বিচারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল মহাদেশীয় ভূখণ্ডের (ইন্দোচীন) বৃহত্তম দেশ। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলটি নিম্ন মিয়ানমার ও অভ্যন্তরীণ অঞ্চলটি ঊর্ধ্ব মিয়ানমার হিসেবে পরিচিত। মিয়ানমারের দক্ষিণভাগে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত রেঙ্গুন বা ইয়াঙ্গুন দেশটির প্রাক্তন রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী। ২০০৫ সালের নভেম্বরে সামরিক সরকার জাতীয় রাজধানীকে দেশের মধ্যভাগে সরিয়ে পরিকল্পিতভাবে নির্মিত নতুন একটি শহরে স্থাপন করে, যার নাম নেপিডোমান্দালয় আরেকটি বৃহৎ শহর। মিয়ানমার একটি পর্বতময় দেশ। উত্তরভাগে অবস্থিত কুমোন পর্বতশ্রেণীতে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হকাকাবো অবস্থিত, যার উচ্চত ৫,৮৮১ মিটার। মধ্য মিয়ানমারে ইরাবতী ও সিত্তাং নদীগুলিকে ঘিরে উর্বর নিম্নভূমি অঞ্চলগুলি অবস্থিত, যেখানে দেশের সিংহভাগ মানুষ বাস করে। মিয়ানমারের জলবায়ু ক্রান্তীয় বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রকৃতির। দেশের বেশিরভাগ অংশে গ্রীষ্মকালে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। মিয়ানামারের আয়তনের প্রায় ৪৩% অরণ্যে আবৃত। সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল অঞ্চলগুলিতে চিরসবুজ অতিবৃষ্টি অরণ্য বিকাশ লাভ করেছে। অপেক্ষাকৃত কম বৃষ্টিবহুল অঞ্চলগুলিতে টিক গাছ ও অন্যান্য পর্ণমোচী বৃক্ষ জন্মে। মিয়ানমারে বহু বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী আছে। অতিবৃষ্টি অরণ্যগুলিতে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, সাপ ও বানর আছে। বাঘ ও হাতি বর্তমানে হুমকির সম্মুখীন। পাহাড়ি এলাকাগুলিতে ভল্লুক এবং ব-দ্বীপ অঞ্চলগুলিতে কুমিরের দেখা মেলে।

২০২২ সালের হিসাব অনুযায়ী মিয়ানমারের জনসংখ্যা ৫ কোটি ৫৮ লক্ষ। এদের সিংহভাগই বর্মী বা বামার নৃগোষ্ঠীর মানুষ। এছাড়া শান, কারেন ও আরাকানি বা রাখাইনসহ অন্যান্য তাৎপর্যপূর্ণ সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী বিদ্যমান। এছাড়া এখানে অনেক চীনা ও ভারতীয় অভিবাসী বাস করে। জনগণের প্রায় ৭০% গ্রামীণ অঞ্চলে বাস করে। বর্মী ভাষা মিয়ানামারের সরকারি ভাষা। জনসংখ্যার ৮৮% বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। রাখাইনদের এক-তৃতীয়াংশ ইসলাম ধর্মাবলম্বী, যারা রোহিঙ্গা নামে পরিচিত। মিয়ানমারের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের মধ্যে রয়েছে লাক্ষিক সামগ্রী ও পুতুলনির্মাণ কলা এবং থিংইয়ান নামক জল ছিটানো উৎসবসহ আরও অন্যান্য পালপর্বণ। আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলি দেশটির সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি আছে। দেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থানগুলি হল প্রাচীন বাগান শহর, শোয়েদাগোন প্যাগোডা ও ইনলে হ্রদ। ২০২০ সালের কোভিড বৈশ্বিক মহামারি ও ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পরে পর্যটকের সংখ্যা ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। মোহিঙ্গা নামক ঐতিহ্যবাহী মাছের নুডুল স্যুপ ও লাফেত থোএ নামক চা-পাতার সালাদ আন্তর্জাতিকভাবে সুখ্যাত। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

সূচীপত্র
নির্দিষ্ট বিষয় দেখতে লিঙ্কে ক্লিক করুন

নির্বাচিত নিবন্ধ - নতুন ভুক্তি দেখুন

কিটির শূকর-নাসা বাদুড় (বৈজ্ঞানিক নাম: Craseonycteris thonglongyai, অন্য নাম বাম্বলবি বাদুড়) একটি বিপন্নপ্রায় বাদুড় প্রজাতি। এরা ক্রাসিওনিকটেরিডি গোত্রের একমাত্র জীবিত সদস্য। এরা থাইল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চল ও মিয়ানমারের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীতীরবর্তী চুনাপাথরের গুহায় বসবাস করে।

কিটির শূকর-নাসা বাদুড় পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম বাদুড় প্রজাতি। সেই সাথে করোটি ও দেহের আকৃতি অনুযায়ী এটি পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম স্তন্যপায়ী প্রাণি। এর সারা দেহ লালচে-বাদামি অথবা ধূসর বর্ণের লোমে আবৃত। এর তুণ্ড অনেকটা শূকরের মতো বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। এরা বিশাল আয়তনের গুহায় গড়ে ১০০টি বাদুড়ের কলোনি আকারে বাস করে। এরা সাধারণত সন্ধ্যা ও ভোরে খুব স্বল্প সময়ের জন্য খাদ্যের সন্ধানে গুহা ছেড়ে বের হয়। এই সময়ের মধ্যে এরা আশেপাশের জঙ্গলে উড়ে বেড়ায় ও পোকা-মাকড় ধরে খায়। স্ত্রী বাদুড়েরা প্রতি বছর একটিমাত্র শাবকের জন্ম দেয়। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত ভুক্তির তালিকা
লাহপেট

বর্মী রন্ধনশৈলী হচ্ছে মিয়ানমারের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত খাদ্য রন্ধন ও পরিবেশনের শৈলী। স্থানীয় সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীর অবদানে মিয়ানমারের রন্ধনশৈলী সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছে। মিয়ানমারে বামাররা সবচেয়ে প্রভাবশালী গোষ্ঠী, কিন্তু চীন গোষ্ঠীসহ অন্যান্য গোষ্ঠীগুলি্র স্বতন্ত্র খাবার ও রন্ধনশৈলী আছে।

মাছের সস এবং নগাপী (সীফুড) জাতীয় মাছজাত দ্রব্যের ব্যাপক ব্যবহার হয় বামার রন্ধনপ্রণালীতে। মায়ানমারের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে, বার্মিজ রন্ধনপ্রণালী চীনা রান্না, ভারতীয় রান্না এবং থাই রান্নার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নগর, রাজ্য ও অঞ্চল - নতুন ভুক্তি দেখুন

সাগাইং অঞ্চল (বার্মিজ: စစ်ကိုင်းတိုင်းဒေသကြီး, উচ্চারিত [zəɡáɪ̯ɴ táɪ̯ɴ dèθa̰ dʑí], পূর্বে সাগাইং ডিভিশন) মায়ানমারের প্রশাসনিক অঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চলের ২১ ° ৩০ 'উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৯৪ ° ৯৭' পূর্বের মধ্যে অবস্থিত। । উত্তরে ভারতের নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশ রাজ্য, দক্ষিণে কাচিন রাজ্য, শান রাজ্য এবং মণ্ডলয় অঞ্চল, দক্ষিণে মণ্ডলয় অঞ্চল এবং ম্যাগওয়ে অঞ্চল, সীমান্তে আয়েয়রওয়াদি নদীর পূর্বদিকে বিস্তৃত। এবং দক্ষিণ সীমানা, এবং পশ্চিমে চিন রাজ্য এবং ভারত। ১৯৯৬ সালে, এর জনসংখ্যা ৫,৩০০,০০০ এর বেশি ছিল, ২০১২ সালে তার জনসংখ্যা ৬,৬০০,০০০। ২০১২ সালে শহুরে জনসংখ্যা ১,২৩০,০০০ এবং গ্রামীণ জনসংখ্যা ছিল৫,৩৬০,০০০। রাজধানী শহর এবং সাগাইং অঞ্চলের বৃহত্তম শহর মনোয়া । (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

মিয়ানমারের ইতিহাস - নতুন ভুক্তি দেখুন

১৯৪২ সালের ১ এপ্রিলে ইয়েনাংযাং তৈল ক্ষেত্রে এর দৃশ্য জাপানিদের অভিযানে ধ্বংস হওয়ার পরে

বার্মায় জাপানি আক্রমণ তথা জাপানের বার্মা অভিযান দ্বারা জাপানের বার্মা বিজয় -কে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় থিয়েটার-এর উদ্বোধনী পর্ব বলা যায় যেটি ১৯৪২ থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অভিযানের প্রথম বছরে জাপানি সেনাবাহিনী (থাই ফায়াপ আর্মি এবং বার্মিজ বিদ্রোহীদের সহায়তায়) ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং চীনা বাহিনীকে বার্মা থেকে হটে যেতে বাধ্য করে। তারপরেই বার্মায় জাপানি দখল কায়েম হয় এবং একটি নামমাত্র স্বতন্ত্র বার্মিজ প্রশাসনিক সরকার গঠিত হয়। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত জীবনী - নতুন ভুক্তি দেখুন

২০১৭ সালে জেনারেল মিন অং হ্লাইং

জেনারেল মিন অং হ্লাইং (Burmese: မင်းအောင်လှိုင် ইংরেজি: Min Aung Hlaing; abbreviated: MAL pronounced [mɪ́ɰ̃ àʊɰ̃ l̥àɪɰ̃]; জন্ম ৩ জুলাই ১৯৫৬) হলেন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী তাতমাডোয়ের প্রধান এবং মিয়ানমারের বর্তমান ডি ফ্যাক্টো সরকারপ্রধান। সম্প্রতি মিয়ানমারে সংঘটিত একটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর তিনি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা (মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো সরকার প্রধান) অং সান সু চি-কে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজে ক্ষমতা দখল করে নেন। বর্তমানে তিনি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী এবং মিয়ানমারের সেনাপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জেনারেল মিন অং হ্লাইং ৩ জুলাই, ১৯৫৬ সালে মিয়ানমারের ট্যাভয় শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা থং হ্লাইং একজন বিভাগীয় প্রকৌশলী ছিলেন। তিনি লাথা সেন্ট্রাল হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। তিনি রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশাস্ত্রে পড়াশোনা করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি মিয়ানমার ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

গৃহবিবাদ ও গণহত্যা - নতুন ভুক্তি দেখুন

মিয়ানমার একটি বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। মিয়ানমারের মুসলিম সংখ্যালঘুরা ভারত থেকে আগত (যা এখন বাংলাদেশ হয়েছে) মুসলমানদের বংশধর এবং চীন (মিয়ানমারে চীনের মুসলমানদের পূর্বপুরুষ ইউন্নান প্রদেশ থেকে এসেছে) এবং পূর্ববর্তী আরব বাসিন্দাদের উত্তরপুরুষ এবং স্বীকৃত কমেইন সংখ্যালঘুদের বংশধর এবং রোহিঙ্গা জাতি, পাশাপাশি মিয়ানমারের স্থানীয় জাতিসমূহের সাথে আন্তঃবিবাহিতরা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, বার্মার সরকার রোহিঙ্গা নাগরিকদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করেছে যারা ১৮২৩ সালের আগে, ব্রিটিশ দখলদারিত্বের শুরুতে এখনকার রাখাইন রাজ্যে (যা আরাকান নামেও পরিচিত) দেশটিতে তাদের পূর্বপুরুষদের বসতি স্থাপনের প্রমাণ করতে পারে না। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

নির্বাচিত চিত্র- নতুন চিত্র দেখুন

মিয়ানমার সম্পর্কিত বিভিন্ন নিবন্ধে ব্যবহৃত চিত্র

অন্যান্য প্রবেশদ্বার

বিষয়শ্রেণীসমূহ

বিষয়শ্রেণী ধাঁধা
বিষয়শ্রেণী ধাঁধা
উপবিষয়শ্রেণী দেখার জন্য [►] ক্লিক করুন

আপনি যা করতে পারেন

  • মিয়ানমার বিষয়ক নতুন নিবন্ধ তৈরি অথবা অন্য উইকিপ্রকল্প হতে অনুবাদ করতে পারেন।
  • বর্তমান নিবন্ধ অথবা মায়ানমার বিষয়ক বিভিন্ন (নিম্নের) টেমপ্লেট হতে লাল লিঙ্ক থাকা বিষয় নিয়ে নতুন নিবন্ধ রচনা করতে পারেন।
  • বিদ্যমান নিবন্ধসমূহ তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ, সম্প্রসারণ, রচনাশৈলীর উন্নয়ন ও তথ্যছক না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
  • নিবন্ধগুলিতে উইকিমিডিয়া কমন্স হতে দরকারী ও প্রাসঙ্গিক মুক্ত চিত্র যুক্ত করতে পারেন।
  • মিয়ানমার সংক্রান্ত নিবন্ধসমূহে বিষয়শ্রেণী না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
  • নিবন্ধসমূহে তথ্যসূত্রের ঘাটতি থাকলে, পর্যাপ্ত সূত্র যোগ করতে পারেন।
  • মিয়ানমার সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহের শেষে {{প্রবেশদ্বার দণ্ড|মিয়ানমার}} যুক্ত করতে পারেন।

বিষয়

উইকিমিডিয়া


উইকিসংবাদে মিয়ানমার
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস


উইকিউক্তিতে মিয়ানমার
উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন


উইকিসংকলনে মিয়ানমার
উন্মুক্ত পাঠাগার


উইকিবইয়ে মিয়ানমার
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল


উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে মিয়ানমার
উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম


উইকিমিডিয়া কমন্সে মিয়ানমার
মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার


উইকিঅভিধানে মিয়ানমার
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ


উইকিউপাত্তে মিয়ানমার
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার


উইকিভ্রমণে মিয়ানমার
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা

প্রবেশদ্বার

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন