প্রবেশদ্বার:আফগানিস্তান
ښه راغلاست / আফগানিস্তান প্রবেশদ্বারে স্বাগতম} আফগানিস্তান (পশতু ভাষা/দারি: افغانستان, Afġānestān [avɣɒnesˈtɒn]), সরকারি নাম ইসলামি আমিরাত আফগানিস্তান, হলো পাহাড়ি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এটি ইরান, পাকিস্তান, চীন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ও তুর্কমেনিস্তানের মধ্যস্থলে একটি ভূ-বেষ্টিত মালভূমির উপর অবস্থিত। আফগানিস্তানকে অনেক সময় দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের অংশ হিসেবেও গণ্য করা হয়। আফগানিস্তানের পূর্বে ও দক্ষিণে পাকিস্তান । (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...) নির্বাচিত নিবন্ধ -রাষ্ট্র হিসাবে আফগানিস্তানের ইতিহাস (ফার্সি: تاریخ افغانستان , তারিখে আফগানিস্তান, পশতু: د افغانستان تاريخ , দা আফগানিস্তান তারিখ) শুরু হয় আহমদ শাহ দুররানির হাত ধরে ১৭৪৭ সালে। এর লিখিত ইতিহাস ৫০০ অব্দে হাখমানেশি সাম্রাজ্য পর্যন্ত পাওয়া যায়। প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান খনন করে দেখা গেছে উত্তর আফগানিস্তানে প্রায় ৫০,০০০ বছর আগে মনুষ্য বসতি ছিল। ধারণা করা হয় আফগানিস্তানের কৃষি খামার সম্প্রদায় বিশ্বের প্রাচীনতমগুলির একটি। ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের পর মধ্য এশিয়া থেকে এই এলাকায় লোক আসতে শুরু করে। এদের অধিকাংশই ছিল আর্য, যারা ইরান ও ভারতেও বসতি স্থাপন করেছিল। তখন এই এলাকার নাম ছিল আরিয়ানা। খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে পারস্য সাম্রাজ্য আরিয়ানা দখল করে। ৩৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি আলেকজান্ডার পারস্যের সম্রাটকে পরাজিত করে আরিয়ানার পূর্ব সীমান্ত ও তারও পূর্বে চলে যেতে সক্ষম হন। ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর অনেকগুলি রাজ্য তার এশীয় সাম্রাজ্যের দখল নেয়ার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে ছিল সেলুসিদ সাম্রাজ্য, বাকত্রিয়া সাম্রাজ্য ও ভারতীয় মৌর্য সাম্রাজ্য। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...) নির্বাচিত স্থান -
কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ফার্সি: میدان هوائی بین المللی حامدکرزی; পশতু: د حامدکرزی نړيوال هوائي ډګر; আইএটিএ: KBL, আইসিএও: OAKB) হলো আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুুলের কেন্দ্রস্থল হতে ৫ কিলোমিটার (৩.১ মাইল) দূরে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এটি দেশটির অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং একই সাথে সর্ববৃৃৃহৎ সামরিক ঘাঁটি যেখানে একই সাথে একশটি আকাশযান অবস্থান নিতে সক্ষম। পূর্বে এর নাম ছিলো কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং স্থানীয়ভাবে খাজা রোয়াশ বিমানবন্দর যদিও পরবর্তীতে তা কিছু বিমান পরিসেবা দানকারী দ্বারা সর্বশেষ নামেই অফিসিয়ালি পরিচিত। ২০১৪ সালে বিমানবন্দরটির নতুন নামকরণ করা হয় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজাইয়ের নামানুসারে। এই সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয় আফগানিস্তানের জাতীয় পরিষদ এবং আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরাফ গনির মন্ত্রীপরিষদের মতামতের ভিত্তিতে। গত দশকে বিমানবন্দরটিকে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। একটি নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল যুক্ত করা হয়েছে এবং পুরানো টার্মিনালটি বর্তমানে অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয়। বিমানবন্দরের চারপাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী এবং ন্যাটোর আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সহায়ক বাহিনী (আইএসএএফ) দ্বারা ব্যবহৃত হয় এমন অসংখ্য সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে আফগানিস্তানের সামরিক বাহিনীরও ঘাঁটি রয়েছে; আর আফগান জাতীয় পুলিশ যাত্রী টার্মিনালের ভিতরে নিরাপত্তা প্রদান করে। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...) স্বীকৃত ভুক্তিআজাকি নিবন্ধ
নির্বাচিত জীবনী -মোল্লা ওমর (পশতু: ملا محمد عمر مجاهد, মোল্লা মোহাম্মদ ওমর মুজাহিদ; আনু. ১৯৫০–১৯৬২ – ২৩ এপ্রিল ২০১৩), পুরো নাম মোল্লা মোহাম্মদ ওমর। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের বিশাল অঞ্চল তৎপরতা চালানো প্রধান তালেবানের আধ্যাত্মিক নেতা। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের কার্যত প্রধান ছিলেন তিনি। তাকে বলা হতো সরকারের সর্বোচ্চ পরিষদের প্রধান। তালেবান শাসিত ইসলামী আমিরাতে আমিরুল মুমিনিন (বিশ্বাসীদের নেতা) বলে মানা হতো তাকে। পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও তাকে ও তার সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। মনে করা হয়, পাকিস্তানে হামলা ছাড়াও এবং আফগানিস্তানে কারজাই সরকার এবং ন্যাটোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় হামলার নেতৃত্ব দিতেন মোল্লা ওমর। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...) সংস্কৃতি -
দারি (দারি: دری) অথবা দারি ফার্সি (فارسی دری ফার্সি-ইয়ে-দারি) অথবা ফার্সি (فارسی) আফগানিস্তানে ব্যবহৃত ফার্সি ভাষার একটি প্রকার। দারি শব্দটি ১৯৬৪ সাল থেকে আফগানিস্তান সরকার কর্তৃক ফার্সি ভাষার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রচারিত হয়ে আসছে। এই কারণে এটি অনেক পশ্চিমা লেখায় আফগানি ফার্সি হিসাবেও পরিচিত। এর ফলে একটি নামকরণ বিতর্ক ঘটেছে। আফগানিস্তানে অনেক ফার্সি ভাষাভাষী "ফার্সি" নামটি ব্যবহার করতে পছন্দ করেন এবং বলেন যে ফার্সিভাষী দেশ, যেমন ইরান এবং তাজিকিস্তানের সঙ্গে আফগানদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিছিন্ন করার প্রচেষ্টা হিসাবে সেখানকার প্রভাবশালী পাঠান গোষ্ঠী দ্বারা দারিকে তাদের উপর জোড় করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আফগানিস্তানের সংবিধান অনুসারে দারি আফগানিস্তানের দুটি সরকারী ভাষার মধ্যে একটি; অন্যটি হলো পশতু। দারি আফগানিস্তানে সর্বাধিক ব্যবহৃত কথ্য ভাষা এবং জনসংখ্যার প্রায় ২৫-৫০% লোকের এটি মাতৃ ভাষা। ফার্সি এবং দারি পারস্পরিকভাবে বোধগম্য,তবে শব্দভাণ্ডার এবং ধ্বনিবিন্যাসের দিক থেকে বিশেষভাবে পার্থক্য দেখতে পাওয়া যায়। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...) উল্লিখিত তথ্যগুলি উইকিপিডিয়া:আপনি জানেন কি প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্রধান পাতায় প্রদর্শিত হয়েছে।
নির্বাচিত চিত্র-আফগানিস্তান সম্পর্কিত বিভিন্ন নিবন্ধে ব্যবহৃত চিত্র
আপনি যা করতে পারেন
বিষয়সম্পর্কিত প্রবেশদ্বারউইকিমিডিয়াপ্রবেশদ্বার
| ||||







