নিউ টাউন, কলকাতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(নিউটাউন, কলকাতা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নিউ টাউন
রাজারহাট নিউটাউন
পরিকল্পিত নগর
নিউ টাউনে সুউচ্চ ভবনসমূহ
নিউ টাউনে সুউচ্চ ভবনসমূহ
নিউ টাউন পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
নিউ টাউন
নিউ টাউন
নিউ টাউন ভারত-এ অবস্থিত
নিউ টাউন
নিউ টাউন
নিউ টাউন এশিয়া-এ অবস্থিত
নিউ টাউন
নিউ টাউন
নিউ টাউন পৃথিবী-এ অবস্থিত
নিউ টাউন
নিউ টাউন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৫′২২″ উত্তর ৮৮°২৮′২৯″ পূর্ব / ২২.৫৮৯৪° উত্তর ৮৮.৪৭৪৮° পূর্ব / 22.5894; 88.4748স্থানাঙ্ক: ২২°৩৫′২২″ উত্তর ৮৮°২৮′২৯″ পূর্ব / ২২.৫৮৯৪° উত্তর ৮৮.৪৭৪৮° পূর্ব / 22.5894; 88.4748
রাষ্ট্র ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাউত্তর চব্বিশ পরগনা
অঞ্চলবৃহত্তর কলকাতা
সরকার
 • ধরনসংবিধিবদ্ধ উন্নয়ন বোর্ড
 • শাসকনিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পশ্চিমবঙ্গ আবাসন পরিকাঠামো উন্নয়ন সংস্থা (হিডকো)
আয়তন[১]
 • মোট৩৫.৫২ বর্গকিমি (১৩.৭১ বর্গমাইল)
উচ্চতা৯ মিটার (৩০ ফুট)
জনসংখ্যা (জুলাই ২০১৮)[১]
 • মোট১০,০০,০০০
 • জনঘনত্ব২৮,০০০/বর্গকিমি (৭৩,০০০/বর্গমাইল)
ভাষা
 • সরকারিবাংলা, ইংরেজি
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)
পিন০০১৩৫, ৭০০১৩৬, ৭০০১৫৬, ৭০০১৫৭, ৭০০১৬০, ৭০০১৬১
টেলিফোন কোড+৯১ ৩৩
যানবাহন নিবন্ধনডব্লিউবি
লোকসভা নির্বাচনী এলাকাবারাসত
বিধানসভা নির্বাচনী এলাকারাজারহাটের নিউ টাউন
ওয়েবসাইটwww.nkdamar.org, www.wbhidcoltd.com

নিউটাউন হল কলকাতার পূর্বে দিকের শহরতলিতে অবস্থিত একটি পরিকল্পিত নগর।[২][৩] এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত। শহরটি কলকাতার কাছাকাছি এবং নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনকেডিএ) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।[৪] এই শহরে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প গড়ে উঠেছে। এটি দেশে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান শহরগুলির মধ্য একটি। এখানে আবাসন ও নির্মাণ শিল্পেরও প্রসার ঘটেছে। হিডকো'র পরিকল্পনায় নিউ টাউনে সড়ক, নিষ্কাশ, নর্দমা ব্যবস্থা, জলের সরবরাহের লাইন, প্রধান সৌন্দর্যায়ন সম্পর্কিত অবকাঠামোগত কাজ এবং ভবন, প্রকল্প, পার্ক, যাদুঘর, ভূগর্ভপথ, উড়ালপথ ইত্যাদির মতো নির্মাণ কাজ সম্পাদন হয়।[৫] এই নতুন তথ্য প্রযুক্তি এবং আবাসিক কেন্দ্রটি কলকাতার উত্তর-পূর্ব প্রান্তে গড়ে উঠছে।

এই অঞ্চলটিতে মূলত বিশাল আবাদযোগ্য জমি এবং জলাশয় রয়েছে, যা পরিকল্পিত পদ্ধতিতে অধিগ্রহণ ও বিকাশ লাভ করে। মূলত পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নেতৃত্বে ১৯৯০-এর দশকের শেষভাগে আবাসিক ও শিল্প সুবিধাগুলি এবং এই অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। মাস্টার প্ল্যানটি এমন একটি জনপদের পরিকল্পনা করা হয় যা প্রতিবেশী পরিকল্পিত সল্টলেক নগরীর চেয়ে কমপক্ষে তিনগুণ বড়।

কেন্দ্রের পূর্ববর্তী ইউপিএ সরকার নিউ টাউনকে (রাজারহাটের কাছাকাছি) সোলার সিটি হিসাবেও ঘোষণা করে এবং এখন এই শহরটিকে নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্নের প্রকল্প স্মার্ট গ্রিন সিটি হিসাবে ঘোষণা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে (ভারতের প্রধানমন্ত্রী ) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী) দ্বারা প্রদত্ত একটি প্রস্তাব অনুসারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহায়তায়।[৬][৭]

নিউ টাউনটি কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী হালদিরাম থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেইন আর্টিলি রোড (বিশ্ব বাংলা সরণির অংশ) সহ ১০.৫ কিলোমিটার ওয়াই-ফাই জোন স্থাপন করা হয়েছে, যা ভারতের প্রথম ওয়াই-ফাই রোড সংযোগ স্থাপন। এটি ইতিমধ্যে সবুজ করিডোর হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।[৮]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

জমি অধিগ্রহণ[সম্পাদনা]

বৃহত্তর কলকাতার একটি পৌরসভা রাজারহাট উপনগরী (নিউ টাউন) জনপদে পরিণত হওয়ার আগে এটি পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম উর্বর অঞ্চল ছিল। কেশোপুর, বাগজোলা এবং তাদের সংলগ্ন আরও তিনটি খাল দ্বারা সেচ হওয়া, নিউ টাউন (রাজারহাট) ছিল এক জলাভূমি, যা একটি সমৃদ্ধ কৃষিজমির ব্যবস্থা ছিল এবং কৃষকরা স্থায়ীভাবে কৃষিকাজে নিয়জিত ছিল। ১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাসে বামফ্রন্ট সরকার ঔপনিবেশিক ভূমি অধিগ্রহণ আইন দ্বারা নিউ টাউন (রাজারহাট) জনপদ স্থাপনের জন্য প্রায় ৭,০০০ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ শুরু করে। এটি কর্পোরেট পরিষেবা এবং বিস্তৃত আবাসিক চত্বর হিসাবে পরিকল্পনা করা হয়।[৯]

পরিচালনা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

নিউ টাউন, কলকাতার নতুন নাগরিকের বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা ও সুযোগ-সুবিধার জন্য নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' (এনকেডিএ) 'দ্য নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৭' (২০০৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ আইন আইন XXX) এর অধীনে গঠিত হয়েছে এবং এটি কার্যকর হয় নভেম্বর, ২০০৮ সালে।

অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ সিধান্ত প্রত্যাখ্যান[সম্পাদনা]

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালের জুন মাসে ঘোষণা করেন যে তার সরকার রাজারহাটের নিউ টাউনে আর জমি অধিগ্রহণ করা হবে না। উত্তর চব্বিশ পরগনার নিউ টাউন জনপদের জন্য ১৯৯৯ সালে ৭,০৮৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে বামফ্রন্ট সরকার। ৭,০৮৫ একর জমির মধ্যে ২৫০ একর জমি ইচ্ছুক কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করা হয় এবং বাকি জমি (৬,৮৩৫ একর) জোরপূর্বক অধিগ্রহণ করা হয়। ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী ৭,০৮৫ একর মধ্যে ১,৮০৭ একর জমি অব্যবহৃত অবস্থাতে রয়েছে।[১০]

বাম সরকারের রাজারহাট ব্লকের ২৫ টি মৌজা বিস্তৃত জনপদের জন্য আরও ১,৫৮৭ একর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০১১ সালে প্রত্যাখ্যান করে।[১০]

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

নিউ টাউন পূর্ব কলকাতা জলাভূমিকেষ্টপুর খালের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। শহরটি মাঝ বরাবর বাগজোলা খাল উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে পবাহিত হয়। নিউ টাউন শহরটি জলাভূমি ভরাট করে তৈরি ভূমির উপরে অবস্থিত। শহরটি ২২.৬৩১ উত্তর ও ৮৮.৪৫৪ পূর্বে এবং সমুদ্র সমতল থেকে ৯ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। গঙ্গা নদীর পলিমাটি দ্বারা শহরটির ভূমিভাগ নির্মিত এবং শহরের অভ্যান্তরে ও সীমান্ত বেশ কিছু ছোট-বড় হ্রদ রয়েছে। এই হ্রদগুলি মূলত শহর ভূমি উদ্ধারের সময়ে জলাভূমির ভরাট না করা অংশ। নিউ টাউন ইকো পার্কে অবস্থিত হ্রদটি নিউ টাউনের সবচেয়ে বড় হ্রদ এবং এই হ্রদটির আয়তন ০.৪২ কিলোমিটার (০.২৬ মা)।[১১]

শহরের দিগন্ত দৃশ্য[সম্পাদনা]

নিউটাউনের কাছে গ্রামের দৃশ্য

জলবায়ু[সম্পাদনা]

নিউ টাউনের জলবায়ু "ক্রান্তীয় সাভানা" প্রকৃতির ("কোপেন জলবায়ু শ্রেণিবিভাগ" অনুসারে)। বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.৩° সেন্টিগ্রেড এবং মাসিক গড় তাপমাত্রা ১৯.৪°-৩০.৫° সেন্টিগ্রেডের মধ্যে থাকে।[১২] এখানে গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও আর্দ্র। এই সময় গড় তাপমাত্রা ৩০.৫° সেন্টিগ্রেডের[১২] কাছাকাছি থাকলেও মে-জুন মাসে সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা প্রায়শই ৪০° সেন্টিগ্রেড ছাড়িয়ে যায়। শীতকাল সাধারণত মাত্র আড়াই মাস স্থায়ী হয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ৯°-১১° সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি থাকে। সাধারণভাবে মে মাস শহরের উষ্ণতম মাস। অন্যদিকে জানুয়ারি শীতলতম মাস। জানুয়ারির গড় তাপমাত্রা ১৯.৪° সেন্টিগ্রেড।[১২] গ্রীষ্মের শুরুতে প্রায়শই শিলাবৃষ্টি, ঝড় ও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। এর স্থানীয় নাম কালবৈশাখী।

দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর বঙ্গোপসাগরীয় শাখাটি শহরে বৃষ্টিপাত ঘটানোর জন্য দায়ী। বর্ষাকাল সাধারণত স্থায়ী হয় জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত। শহরের বার্ষিক ১৬৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের অধিকাংশই এই সময়ে ঘটে থাকে। জুলাই মাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সর্বোচ্চ থাকে। এই সময় গড়ে ৩৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।[১২]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ডিএলএফ আইটি পার্ক, নিউটাউন

নিউ টাউন কলকাতার দ্বিতীয় আইটি হাব হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে এবং এর আয়তন সল্টলেকের আকারের তিনগুণ। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি তথ্য প্রযুক্তির বড় কেন্দ্র চালু রয়েছে, অন্যদিকে টিসিএস (৪০ একর), উইপ্রো (৪৫ একর) এবং ইনফোসিস (৫০ একর)[১৩] কোগনিজেন্ট প্রযুক্তির কেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দ করা হয়েছে।

শহরটি আবাসন ও পর্যটন শিল্পের অন্যতম স্থান। এখানে বহু আবাসন নির্মাণ সংস্থা আবাসন ও অফিস ভবন নির্মাণে নিযুক্ত রয়েছে।

এখানে পশ্চিমবঙ্গ আবাসন পরিকাঠামো উন্নয়ন সংস্থা বা হিডকোর সদর দপ্তর রয়েছে।

প্রশাসন[সম্পাদনা]

শহরটি কোন পৌরসভা দ্বারা পরিচালিত হয় না। এটি নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

নিউ টাউন কলকাতা উপনগরী। নিউ টাউন শহরের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও নাগরিক পরিষেবাগুলির দায়িত্ব একাধিক সরকারি সংস্থার হাতে ন্যস্ত। এই সকল সংস্থার এক্তিয়ারভুক্ত এলাকা অনেক ক্ষেত্রেই পরস্পরের সঙ্গে প্রাবৃত। নিউ টাউন এই জাতীয় অন্তত চারটি এক্তিয়ার এলাকার অন্তর্গত। এগুলি হল:

  1. উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলা,
  2. বিধাননগর পুলিশের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকা,
  3. নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকা,
  4. বৃহত্তর কলকাতা বা কেএমডিএ এলাকা।

নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ[সম্পাদনা]

'নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' (এনকেডিএ) 'দ্য নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৭' (২০০৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ আইন আইন XXX) এর অধীনে নভেম্বর, ২০০৮ সালে গঠিত হয়। এটি একটি আরবান লোকাল বডি (ইউএলবি) তৈরির পথে একটি ক্রান্তিকালীন ব্যবস্থা। প্রশাসনের নেতৃত্বে একজন চেয়ারম্যান থাকেন, তিনি সদস্য সচিব এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার উপর কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেন, যারা বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট কমিটির তদারকি করেন। নিউ টাউন ৪ টি বিভাগে বিভক্ত। এগুলি হল অ্যাকশন এরিয়া-১, অ্যাকশন এরিয়া-২, অ্যাকশন এরিয়া-৩ এবং কেন্দ্রীয় বানিজ্য জেলা। এছাড়া অ্যাকশন এরিয়া-৪ নিউ টাউনের অন্তর্গত, তবে এর নির্মাণ কাজ এখনও শুরু হয়নি।

জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা[সম্পাদনা]

নিউ টাউনের অন্যান্য শাসনবিভাগীয় ও আরক্ষা-সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষগুলি হল: উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার সমাহর্তা (কালেকটর)ও বিধাননগর পুলিশ।[৯৫]

বিভিন্ন ধরনের মামলা নিষ্পত্তির জন্য বারাসাত জেলা আদালত বারাসাত শহরে এবং ব্যবসাসংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তির জন্য রাজারহাট বাণিজ্যিক আদালত নিউ টাউনে অবস্থিত।

সংসদীয় ক্ষেত্র[সম্পাদনা]

নিউ টাউন শহরের সমগ্র অঞ্চল ভারতীয় সংসদের বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার[১৪] আসনটি বর্তমানে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে রয়েছে। নিউ টাউন রাজারহাট নিউ টাউন বিধানসভা কেন্দ্রের অংশ। এই কেন্দ্রটির বর্তমান সব্যসাচী দত্ত।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন পর্ষদ এর দপ্তর এখানে অবস্থিত।

৭০০১৩৫ এলাকায়[সম্পাদনা]

  • আমিটি বিশ্ববিদ্যালয়
  • আইআইটি খড়্গপুর গবেষণা উদ্যান

৭০০১৫৬ এলাকায়[সম্পাদনা]

  • প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়

৭০০১৬০ এলাকায়[সম্পাদনা]

  • প্রকৌশলী ও ব্যাবস্থাপনা বিশ্ববিদ্যালয়
  • সন্ত জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়
  • আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

চিকিৎসা পরিসেবা[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

নজরুলতীর্থ হল একটি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা কেন্দ্র।

প্রকৃতি ও বিনোদন[সম্পাদনা]

প্রকৃতি তীর্থ একটি শহুরে পার্ক এবং ভারতের বৃহত্তম পার্ক। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম পার্ক। ৬০০ একরের বেশি আয়তন। এই পার্কটি ২০০ একরের একটি কৃত্রিম ঝিল কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। ওয়াক্স মিউজিয়াম: নিউটাউন ইকো পার্কের ঠিক উল্টো দিকে এই মিউজিয়ামটি অবস্থিত। আকুয়াটিকা শহরের ৭৫,০০০ বর্গ ফুটের একটি জলবৈশ্বিক উদ্যান। পূর্ব ভারতের এটি বৃহত্তম জল চিত্তবিনোদক উদ্যান।

পরিবহন[সম্পাদনা]

নিউটাউন (রাজারহাট) এর এরিয়াল রোড বা বিশ্ব বাংলা সরণি

নিউটাউন এর পরিবহন ব্যবস্থা খুবই উন্নত।এই শহরের মধ্য দিয়ে চলেগেছে ৬ লেনের এরিয়াল রোড বা প্রধান সড়ক।এই সড়ক এর থেকে বহু শাখা সড়ক নিউটাউনের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁচ্ছে গেছে।এই এলাকার সঙ্গে কলকাতা এসি ও নন এসি বাস পরিবহন দ্বারা যুক্ত রয়েছে। কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘ রুট হলো :

  • ৪বি নিউটউন - হরিদেবপুর
  • ৪ডি নিউটউন - পর্ণশ্রী

নিউটাউন থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।বিমান বন্দরের সঙ্গে এসি বাস পরিবহন রয়েছে শহরটি থেকে।এই শহরের সবচেয়ে কাছের রেল স্টেশন হল বিধাননগর রোড রেলওয়ে স্টেশন

বর্তমানে এই শহরের মেট্রো রেল নির্মাণ চলছে।এই শহরের বিশ্ব বাংলা সরণি বা এরিয়াল রোড ধরে কলকাতা মেট্রো-এর নিউগড়িয়া-দমদম বিমানবন্দর মেট্রো প্রকল্পের নির্মাণ চলছে।এই মেট্রো প্রকল্প সম্পর্ন হলে নিউটাউন থেকে সহজেই বিমানবন্দর ও সেক্টর ফাইভ ও দক্ষিণ কলকাতা এর গড়িয়া অঞ্চলে যাতায়াত করা যাবে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Overviwe of New Town, Kolkata" 
  2. "Satellite Towns List" 
  3. "Danger in Satellite townships" 
  4. "NTKDA Act, 2007" (PDF)। NTKDA। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১৭ 
  5. "Times of India"। timesofindia.indiatimes.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৫ 
  6. "শিকে ছঁড়িল কলকাতার,"স্মাট সিটি" হবে নিউটাউন"২৪ ঘণ্টা। সংগ্রহের তারিখ ৮ অগাস্ট ২০১৬ 
  7. http://timesofindia.indiatimes.com/city/kolkata/West-Bengal-seeks-smart-green-city-tag-for-New-Town/articleshow/37867094.cms[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  8. "Archived copy"। ২০১৬-০১-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৩-১৫ 
  9. "Farmers Demand Return of Lands Acquired for Rajarhat Township in West Bengal"www.landconflictwatch.org/। সংগ্রহের তারিখ ০৭ এপ্রিল ২০২০  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  10. "Mamata land lock on New Town"। www.telegraphindia.com। ২৫ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০২০ 
  11. "About Ecopark"৭ এপ্রিল ২০২০ 
  12. "NEW TOWN CLIMATE"en.climate-data.org। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০২০ 
  13. "Infosys in Kolkata" 
  14. "General Elections 2014 - Constituency Wise Detailed Results" (PDF)West Bengal। Election Commission of India। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৬