বিধাননগর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বিধাননগর
বিধাননগর
{{{official_name}}} স্কাইলাইন
নাম: সল্ট লেক,লবনহ্রদ
বিধাননগর পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
বিধাননগর
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৫′ উত্তর ৮৮°২৭′ পূর্ব / ২২.৫৯° উত্তর ৮৮.৪৫° পূর্ব / 22.59; 88.45
দেশ ভারত
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
জেলা উত্তর ২৪ পরগণা
শহর কলকাতা শহরতলি
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট ২,১৮,০০০
সেক্টর - ৫, বিধাননগর ।

'বিধাননগর' পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি উপনগরী তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রধান তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র। এই শহরটি 'সল্টলেক' অথবা 'লবণহ্রদ' নামেও পরিচিত। কলকাতা মহানগরীর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে পরিকল্পিতভাবে এই শহরটি গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে বিধাননগর উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমার অন্তর্গত একটি পৌরশহর। বিধাননগরের পুলিশ প্রশাসনেও বদল ঘটানো হয়েছে। আগে বিধাননগর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অধীনে ছিল। অতি সম্প্রতি এই পুরশহরকে স্বশাসিত পুলিশ কমিশনারেটের আওতায় আনা হয়েছে। রাজধানী কলকাতার মতো বিধাননগরেও সর্বোপরি একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার আছেন। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় শহরের পূর্বভাগের জলাজমি বুজিয়ে এই শহর নির্মাণের মূল পরিকল্পনাটি করেছিলেন। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশন বসেছিল এই নবনির্মিত লবণহ্রদে। ইন্দিরা গান্ধি তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। শান্তিনিকেতনের পর্ণকুটিরের আদলে তৈরি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত তাঁর অস্থায়ী কার্যালয় থেকেই ঘোষণা করেন যে, 'লবণহ্রদ' নাম পরিবর্তন করে 'বিধননগর' করা হল। কংগ্রেস অধিবেশন চলাকালীনই ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের নামে শহরটি উৎসর্গিত হয়।

সরকারি ভবন[সম্পাদনা]

পূর্ত ভবন, বিধাননগর

বিধাননগর উত্তর চব্বিশ পরগনার সাম্প্রতিকতম মহকুমা, একটি প্রশাসনিক ভবন ও মহকুমা আদালত স্থাপিত হয়েছে বিধাননগরে। এছাড়া মধ্য কলকাতার প্রধান প্রশাসনিক ভবন মহাকরণের সরকারি কার্যালয়ের চাপ কমাতে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কার্যালয়গুলি বিধাননগরে (লবণহ্রদ) নিয়ে আসা হয়। বিকাশ ভবন, ময়ূখ ভবন, স্বাস্থ্য ভবন, বিদ্যুৎ ভবন, উন্নয়ন ভবন ও পূর্ত ভবনে একাধিক রাজ্য সরকারি দপ্তর স্থানান্তরিত হয়েছে।

বিধাননগর একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর। কী নেই এখানে? স্কুল, কলেজ, বাজার, শপিং মল, আইনক্স, বিশ্বমানের তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র, শিশু উদ্যান, প্রমোদ উদ্যান এবং যমজ শহর কলকাতা ও হাওড়ার সঙ্গে সংযোগকারী নির্মীয়মান 'কলকাতা ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো' রেল।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভারতের ২০০১ খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারি অনুসারে বিধাননগর শহরের জনসংখ্যা হল ১৬৭,৮৪৮ জন।[১] এর মধ্যে পুরুষ ৫১ শতাংশ, এবং নারী ৪৯ শতাংশ।

এখানে সাক্ষরতার হার ৭৮ শতাংশ। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮১ শতাংশ, এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭৪ শতাংশ। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫ শতাংশ, তার চেয়েও বিধাননগরের সাক্ষরতার হার বেশি।

এই শহরের জনসংখ্যার ৯ শতাংশ হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।

সল্টলেক সেক্টর-৫

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০০৬ 

বিষয়শ্রেণি:পশ্চিমবঙ্গের শহর

বিষয়শ্রেণি:উত্তর ২৪ পরগনা জেলা