অ্যান্থনি কুইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
অ্যান্থনি কুইন
Anthony Quinn signed.JPG
আনু. ১৯৫৫ সালে কুইন
স্থানীয় নাম Anthony Quinn
জন্ম আন্তোনিও রোদলফো ওকসাকা কুইন
(১৯১৫-০৪-২১)২১ এপ্রিল ১৯১৫
চিহুয়াহুয়া, মেক্সিকো
মৃত্যু ৩ জুন ২০০১(২০০১-০৬-০৩) (৮৬ বছর)
বোস্টন, ম্যাসাচুসেট্‌স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যুর কারণ গলায় ক্যান্সার ও নিউমোনিয়া
পেশা অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, লেখক
কার্যকাল ১৯৩৬–২০০১
দাম্পত্য সঙ্গী ক্যাথরিন ডিমিল (বি. ১৯৩৭; তালাক. ১৯৬৫)
জোল্যান্ডা অ্যাডোলরি (বি. ১৯৬৬; তালাক. ১৯৯৭)
ক্যাথি বেনভিন (বি. ১৯৯৭)
সঙ্গী ফ্রিদেল ডানবার
সন্তান ১২
পুরস্কার পূর্ণ তালিকা

অ্যান্থনি কুইন (ইংরেজি: Anthony Quinn) নামে সমধিক পরিচিত আন্তোনিও রোদলফো ওকসাকা কুইন (স্পেনীয়: Antonio Rodolfo Oaxaca Quinn; ২১শে এপ্রিল ১৯১৫ - ৩রা জুন ২০০১)[১] ছিলেন একজন মেক্সিকান মার্কিন অভিনেতা, চিত্রশিল্পী ও লেখক। তিনি লা স্ত্রাদা, দ্য গানস্‌ অব নাভারোন, জোরবা দ্য গ্রিক, গানস্‌ ফর সান সেবাস্টিয়ান, লরেন্স অব অ্যারাবিয়া, দ্য শোজ অব দ্য ফিশারম্যান, দ্য মেসেজ, লায়ন অব দ্য ডেজার্ট, লাস্ট অ্যাকশন হিরোআ ওয়াক ইন দ্য ক্লাউডস। ১৯৫২ সালে ভিভা জাপাতা! ও ১৯৫৬ সালে লাস্ট ফর লাইফ ছবিতে অভিনয় করে তিনি দুবার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

দ্য ব্ল্যাক সোয়ান (১৯৪২) ছবিতে কুইন

কুইনের প্রথম বড় সাফল্য আসে ১৯৫২ সালে এলিয়া কাজান পরিচালিত ভিভা জাপাতা! চলচ্চিত্রে মার্লোন ব্র্যান্ডোর সাথে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। জাপাতার ভাই চরিত্রে কুইনের অভিনয় তাকে তার প্রথম শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এনে দেয়। তিনি প্রথম মেক্সিকান অভিনয়শিল্পী হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ভিনসেন্তে মিনেলির লাস্ট ফর লাইফ ছবিতে চিত্রশিল্পী পল গগুইন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দ্বিতীয়বার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। পরের বছর জর্জ কিউকার পরিচালিত ওয়াইল্ড ইজ দ্য উইন্ড ছবিতে তার কাজের জন্য তিনি আরেকটি অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন।

১৯৬১ সালে তিনি দ্য গানস্‌ অব নাভারোন চলচ্চিত্রে গ্রিক যোদ্ধা, এবং ১৯৬২ সালে রিকুয়েম ফর আ হেভিওয়েট চলচ্চিত্রে বয়স্ক মুষ্টিযোদ্ধা, লরেন্স অব অ্যারাবিয়া চলচ্চিত্রে আরব বেদুইন আবু তায়ি ও পার লাগেরক্‌ভিস্ট রচিত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত বারাবাস চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন। ১৯৬৪ সালে জোরবা দ্য গ্রিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। এই দশকে তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল দ্য টোয়েন্টিফাইভ আওয়ার, দ্য ম্যাগাস, লা বাতালিয়ে দে সান সেবাস্তিয়ান, এবং দ্য শোজ অব দ্য ফিশারম্যান। তিনি ১৯৬৯ সালে দ্য সিক্রেট অব সান্তা ভিত্তোরিয়া ছবিতে আন্না মানিয়ানির বিপরীতে অভিনয় করেন, এবং দুজনে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।

জোরবা দ্য গ্রিক চলচ্চিত্রে কুইন

১৯৭৬ সালে তিনি দ্য মেসেজ চলচ্চিত্রে ইসলাম ধর্মের নবী মুহাম্মদ (স.)-এর চাচা হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিব চরিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৮১ সালে তিনি লায়ন অব দ্য ডেজার্ট চলচ্চিত্রে আরব বেদুইন নেতা ওমর মুখতার চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি বেনিতো মুসোলিনির ইতালীয় সেনাদের বিরুদ্ধে লিবিয়ার মরুভূমিতে যুদ্ধ করেছিলেন।

১৯৮৩ সালে তিনি জোরবা সঙ্গীতনাট্যে জোরবা দ্য গ্রিক ছবিতে তার অভিনীত চরিত্রে অভিনয় করেন। তার বিপরীতে মাদাম হরতেন্স চরিত্রে অভিনয় করেন লিলা কেদ্রোভা। এছাড়া তিনি ওয়াশিংটন ডি.সি.র ব্রডওয়ে ও কেনেডি সেন্টারে এই মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন।

১৯৯০-এর দশকে তিনি রিভেঞ্জ (১৯৯০), জাংগল ফিভার (১৯৯১), লাস্ট অ্যাকশন হিরো (১৯৯৩) ও আ ওয়াক ইন দ্য ক্লাউডস (১৯৯৫) এবং সেভেন সারভেন্ট্‌স (১৯৯৬) চলচ্চিত্রে কাজ করেন। ১৯৯৪ সালে তাকে হারকিউলিসের কিংবদন্তি রোমাঞ্চকর গল্প অবলম্বনে নির্মিত পাঁচটি টেলিভিশন চলচ্চিত্রে জিউস চরিত্রে দেখা যায়। চলচ্চিত্রগুলো হল - হারকিউলিস অ্যান্ড দ্য অ্যামাজন ওমেন, হারকিউলিস অ্যান্ড দ্য লস্ট কিংডম, হারকিউলিস অ্যান্ড দ্য সার্কেল অব ফায়ার, হারকিউলিস ইন দ্য আন্ডারওয়ার্ল্ড এবং হারকিউলিস ইন দ্য মেজ অব দ্য মিনোটার

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Scott L. Baugh, Latino American Cinema: An Encyclopedia of Movies, Stars, Concepts, and Trends, page 221 (Greenwood, 2012. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১৩-৩৮০৩৬-৫).

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]