অনুরাধা শর্মা পূজারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অণুরাধা শর্মা পূজারী
জন্ম১৯৬৪ চন
পেশালেখক, সাংবাদিক
কার্যকাল১৯৯৭ - বর্তমান পর্যন্ত

অণুরাধা শর্মা পূজারী (অসমীয়া: অণুরাধা শর্মা পূজারী)অসমের একজন মহিলা লেখক ও সাংবাদিক। ১৯৮৭ সনে তিনি ডিব্রুগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ শ্রাস্ত্র বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৯৩ সনে তিনি কলকাতা থেকে সাংবাদিকতার অধ্যয়ন করেন। তারপর তিনি পশ্চিমবঙ্গ বোলছবি কেন্দ্র, তথ্য এবং সাংস্কৃতিক দপ্তরের অধীনে আর্ট এন্ড ফিলম্স এপ্রিসিয়েসনে অধ্যয়ন করেন। তিনি কমার্সিয়েল আর্ট এবং কম্পিউটার গ্রাফিক্সের শিক্ষা গ্রহণ করে কলকাতার একাডেমী অফ ফাইন আর্টসের অধীনে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিনি শিক্ষতা করেন। তারপর তিনি গুয়াহাটি থেকে প্রকাশিত আমার অসম নামক খবরের কাগজে সাংবাদিকতা করে বর্তমান সাদিন ও সাতসরী নামক অসমীয়া মাসিক পত্রিকায় সম্পাদকরের কার্যে নিযুক্ত আছেন। সাহের পুরার বরষষুন নামক উপন্যাসের জন্য তিনি ২০০৩ সনে অসম সাহিত্য সভা থেকে কুমার কিশোর সোবরনী পুরস্কার লাভ করেন।

জীবনী[সম্পাদনা]

অসমের যোরহাট শহরে অণুরাধা শর্মা পূজারীর জন্ম হয়। দেবীচরন কন্যা মহাবিদ্যালয়ে তিনি অধ্যয়ন করেন ও ডিব্রুগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজশাস্ত্র বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। অসম বানী নামক কাগজে প্রকাশিত তার পত্রিকা কলিকতার চিঠি ও প্রথম উপন্যাস হৃদয় এক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তিনি জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ১৯৯৮ সনে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিকে হেমেন বরগোহাইঞি সেই সময়ের মহৎ উপন্যাস বলে আখ্যা দেন। তিনি জানান যে এই উপন্যাসের মাধ্যমে অণুরাধা গোস্বামী বর্তমান আধুনিক অসমীয়া সমাজের কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন যা পূর্বে কোন লেখকে করেন নাই। ক্রমাগতভাবে উপন্যাসটির ১৪টা সংস্করন প্রকাশ পায় ও অণুরাধা পূজারী বাণিজ্যিক সফলতা লাভ করেন। তার উপন্যাস হৃদয় এক বিজ্ঞাপন নামক উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর এজন ইশ্বরর সন্ধানত নামক উপন্যাস প্রকাশিত করেন। পরবর্তী বছরে কাঞ্চন ও সাহেব পুরার বরষুন নামক উপন্যাস প্রকাশিত হয়। ২০০৮ সনে তার রচনা করা হৃদয় এক বিজ্ঞাপন উপন্যাসটি আভা ভট্টাচার্য কর্তৃক নতুন দিল্লীর স্পেকট্রাম পাব্লিকেশন থেকে ইংরেজী ভাষায় হার্টস এ শ্ববিজ নামে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়। সাহিত্য একাডেমীর পত্রিকা কন্টেম্পরি অফ ইন্ডিয়ান লিটারেটার জয়ন্ত মহাপাত্র সম্পাদিত ওড়িয়া পত্রিকা চন্দ্রভাগে অণুরাধা পূজারীর রচিত গল্প অনুবাদ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]