রজার ওয়াটার্স

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রজার ওয়াটার্স
Roger Waters playing a bass guitar and singing into a microphone. He has grey hair and is unshaven.
ওয়াটার্স, দ্য ০২ এরিনা, ২০০৮
স্থানীয় নাম
Roger Waters
জন্ম
জর্জ রজার ওয়াটার্স

(1943-09-06) সেপ্টেম্বর ৬, ১৯৪৩ (বয়স ৭৫)
গ্রেট বুকহাম, সারে, ইংল্যান্ড
জাতীয়তাব্রিটিশ
যেখানের শিক্ষার্থীরিজেন্ট স্ট্রিট পলিটেকনিক
পেশা
  • সঙ্গীতজ্ঞ
  • গায়ক
  • গীতিকার
  • সুরকার
  • প্রযোজক
কার্যকাল১৯৬৪–বর্তমান
সন্তান
পিতা-মাতা
  • *
সঙ্গীত কর্মজীবন
ধরন
বাদ্যযন্ত্রসমূহ
  • কন্ঠ
  • বেস গিটার
  • রিদম গিটার
  • সিন্থেসাইজার
লেবেল
সহযোগী শিল্পীপিংক ফ্লয়েড, দ্য ব্লীডিং হার্ট ব্যান্ড
ওয়েবসাইটroger-waters.com

জর্জ রজার ওয়াটার্স (জন্ম ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৩) একজন ব্রিটিশ সঙ্গীতঙ্গ, গায়ক, গীতিকার এবং বহু-বাদ্যযন্ত্রী। ১৯৬৫ সালে, তিনি সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে, ড্রামার নিক মেইসন, কিবোর্ডবাদক রিচার্ড রাইট এবং গিটারবাদক, গায়ক, গীতিকার সিড ব্যারেটের সহযোগে প্রগ্রেসিভ রক ব্যান্ড পিংক ফ্লয়েড গঠন করেন। ওয়াটার্স প্রাথমিকভাবে দলটির বেসবাদক এবং সহ-প্রধান গায়ক হিসেবে কাজ করেছেন, তবে ১৯৬৮ সালে, বারেট দল ত্যাগ করলে তিনি পিংক ফ্লয়েডের গীতিকার এবং ধারণাসঙ্গত অগ্রদূত হয়ে ওঠেন।

পিংক ফ্লয়েড পরবর্তীকালে দ্যা ডার্ক সাইড অব দ্য মুন, উই< ইউ ওয়্যার হেয়ার, অ্যানিমেলস, দ্যা ওয়াল এবং দ্যা ফাইনাল কাট ধারণা অ্যালবামের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জন করেন। আশির দশকের শুরুতে, তারা সমালোচকদের কর্তৃক প্রশংসিত এবং পৃথিবীব্যাপী জনপ্রিয় সঙ্গীত ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ বিক্রয়ের দল হিসেবে গৌরব অর্জন করে; ২০১৩ সালের হিসেবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫.৫ মিলিয়নসহ, বিশ্বব্যাপী তাদের ২৫০ মিলিয়নের অধিক অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে। দলের মধ্যে সৃজনশীল তারতম্যের অভান্তরে, ওয়াটার্স ১৯৮৫ সালে প্রস্থান করেন এবং অবশিষ্ট সদস্যদের সাথে ব্যান্ডের নাম এবং উপাদান ব্যবহার নিয়ে আইনি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৮৭ সালে তারা আদালতের বাইরে এ-বিষয়ের নিষ্পত্তি ঘটান, এবং প্রায় আঠার বছর পর ওয়াটার্স পূনরায় তাদের সাথে কাজ শুরু করেন।

ওয়াটার্সের একক কর্মজীবনে তিনটি স্টুডিও অ্যালবাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে: দ্যা প্রস এ্যন্ড কনস অফ হিচ হাইকিং, রেডিও কে.এ.ও.এস.এবং এমিউজড টু ডেথ। ১৯৯০ সালে, তিনি দ্যা ওয়াল – লাইভ ইন বার্লিন নামে, ইতিহাসের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ব্যয়কৃত রক কনসার্ট মঞ্চস্থ করেছিলেন, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় ২০০,০০০ দর্শক উপস্থিতি ছিলো। পিংক ফ্লয়েডের একজন সদস্য হিসেবে, তিনি ১৯৯৬ সালে ইউএস রক এ্যন্ড রোল হল অফ ফেইম এবং ২০০৫ সালে ইউকে মিউজিক অফ ফেইমের অর্ন্তভূক্ত হন। একই বছর তিনি সিএ ইরা নামে অপেরা মুক্তি দেন, যেখানে তিনি ফরাসি বিপ্লব সম্পর্কে ইটিয়েন এবং নাদিনে রঁদা-গিলের গীতিনাট্য থেকে তিনটি অনুবাদ কাজ করেন। সে বছরের শেষে, তিনি পিংক ফ্লয়েড ব্যন্ডসদস্য মেইসন, রাইট এবং গিলমোরের সাথে লাইভ ৮ বৈশ্বিক সচেতনতা ইভেন্টের জন্য পুনরায় একত্রিত হন; যা ছিল ১৯৮১ সালের পর প্রথম ওয়াটার্সের সাথে দলের উপস্থিতি। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি এককভাবে বাজিয়ে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়েছিলেন, এবং তার ২০০৬-২০০৮ বিশ্ব সফরের অংশ হিসেবে দ্যা ডার্ক সাইড অব দ্যা মুন সঞ্চালন করেন। ২০১০ সালে, তিনি দ্যা ওয়াল লাইভ শুরু করেন এবং ২০১১ সালে, লন্ডনে ডবল অ্যালবামের প্রদর্শনের সময় গিলমোর এবং ম্যাসন তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

ওয়াটার্স চার বার বিয়ে করেছেন; প্রথম ১৯৬৯ সালে তার শৈশব প্রণয়ী জুডি ট্রিমকে; তাদের কোন সন্তান ছিলনা এবং ১৯৭৫ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পরের বছর তিনি বিয়ে করেন লেডি ক্যরল্যন ক্রিস্টির সাথে; বিয়ের পর তাদের ছেলে, হ্যারি ওয়াটার্স, একজন সঙ্গীতঙ্গ যিনি ২০০৬ সাল থেকে তার বাবার সফর দলের সাথে কিবোর্ড বাজান; এবং মেয়ে, ইন্ডিয়া ওয়াটার্স, যিনি মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। ক্রিস্টির এবং ওয়াটার্সের ১৯৯২ সালে বিচ্ছেদ ঘটে। এবং ১৯৯৩ সালে, তিনি প্রিষ্কিল্লা ফিলিপসকে বিয়ে করেন। তাদের জ্যাক ফ্লেচার নামে একটি ছেলে রয়েছে এবং ২০০১ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর ওয়াটার্স অভিনেত্রী এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা লরি ডুরনিংকে বিয়ে করেন।

১৯৪৩–১৯৬৪: প্রাথমিক বছর[সম্পাদনা]

১৯৬৫–১৯৮৫: পিংক ফ্লয়েড[সম্পাদনা]

গঠন এবং বারেট-নেতৃত্বাধীন কাল[সম্পাদনা]

ওয়াটার্স-নেতৃত্বাধীন কাল[সম্পাদনা]

১৯৮৪–বর্তমান: একক কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৪–১৯৯৬[সম্পাদনা]

১৯৯৯–২০০৪[সম্পাদনা]

২০০৫–বর্তমান[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

সক্রিয়তা[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক মতামত[সম্পাদনা]

সরঞ্জাম এবং যন্ত্রপাতি[সম্পাদনা]

ডিস্কতালিকা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন: পিংক ফ্লয়েড ডিস্কতালিকা

উদ্ধৃতি[সম্পাদনা]

  1. "Roger Waters"Desert Island Discs। ২৯ মে ২০১১। BBC Radio 4। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ 

উৎস[সম্পাদনা]

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]