টেইলর সুইফট
টেইলর সুইফট | |
|---|---|
২০২৪ সালে টেইলর সুইফট | |
| প্রাথমিক তথ্য | |
| জন্মনাম | টেইলর অ্যালিসন সুইফট |
| জন্ম | ১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৯ ওয়াইয়োমিসিং, পেনসিলভ্যানিয়া, যুক্তরাষ্ট্র |
| ধরন | কান্ট্রি,[১] পপ[২] |
| পেশা | গায়ক-গীতিকার, গিটার বাদক, অভিনেত্রী |
| বাদ্যযন্ত্র | ভোকাল, গিটার, পিয়ানো,[৩] ইউকালাইলি,[৪] ১২ তারের গিটার |
| কার্যকাল | ২০০৬ – বর্তমান |
| লেবেল | বিগ মেশিন রেকর্ডস |
| দাম্পত্য সঙ্গী | ট্র্যাভিস কেলসি |
| ওয়েবসাইট | প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট |
টেইলর অ্যালিসন সুইফট (ইংরেজি: Taylor Alison Swift) (জন্ম: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৮৯) একজন গ্র্যামি এ্যাওয়ার্ড বিজয়ী মার্কিন কান্ট্রি সঙ্গীত শিল্পী,[১] গায়ক-গীতিকার, রেকর্ড প্রযোজক, এবং অভিনেত্রী। ২০০৬ সালে টেইলর সুইফট তার প্রথম গান “টিম ম্যাকগ্র” প্রকাশ করে, এরপর প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম টেইলর সুইফট যা রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা কর্তৃক প্লাটিনাম প্রত্যায়ন পায়। ২০০৮ এর নভেম্বরে টেইলর সুইফট তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ফিয়ারলেস প্রকাশ করে। ২০০৮ এর শেষে ফিয়ারলেস ও টেইলর সুইফট এর বিক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় যথাক্রমে ২.১ এবং ১.৫ মিলিয়ন।[৫] ফিয়ারলেস অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ১১ সপ্তাহ ধরে (ধারাবাহিকভাবে নয়) শীর্ষস্থান দখল করেছিল,[৬] যা কোন অ্যালবাম ২০০০ সালের পর পারেনি। আমেরিকার ফোর্বস ম্যাগাজিনের র্যাঙ্কিং-এ সুইফটের অবস্থান ছিল ৬৯তম শক্তিমান তারকা যার আয়ের পরিমাণ ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।[৭] ২০০৯ সালে বিলবোর্ড সুইফটকে বর্ষসেরা শিল্পীর খেতাব প্রদান করে।[৮] ফিয়ারলেস ২০১০ সালের বর্ষসেরা অ্যালবাম হিসেবে গ্র্যামি পুরস্কার অর্জন করে।
২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যালবামগুলো সবমিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ কপি বিক্রি হয়, যা তাকে নিলসেন সাউন্ডস্ক্যানের জরিপ অনুসারে সে বছরে সবচেয়ে বেশি বিক্রিপ্রাপ্ত মার্কিন সঙ্গীতশিল্পীর মর্যাদা দেয়।[৯]
২০১২ সালে টেইলর সুইফট প্রকাশ করে তার চতুর্থ অ্যালবাম, রেড। তার পঞ্চম অ্যালবাম ১৯৮৯ ২৭ই নভেম্বর ২০১৪ প্রকাশিত হয়।[১০]
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]টেইলর সুইফটের জন্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে। তার বাবার নাম স্কট সুইফট, যে পেশায় একজন শেয়ার ব্যবসায়ী। সুইফটের মার নাম অ্যান্ড্রি। সুইফটের একটি ছোট ভাই আছে, নাম অস্টিন।[১১] সুইফট যখন চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ত, তখন সে একবার জাতীয় পর্যায়ে কবিতা আবৃতিতে পুরস্কার অর্জন করে। সে যে কবিতাটা আবৃতি করেছিল তা ছিল তিন পৃষ্ঠার এবং এর শিরোনাম ছিল “মনস্টার ইন মাই ক্লোসেট”।[১২][১৩]
টেইলর সুইফট এনবিসির স্থানীয় স্যাটারডে নাইট লাইভের একজন সদস্য ছিল। সে এ ব্যাপারে ছোটদের কমেডি গ্রুপ থিয়েটার কিডস্ লাইভ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়। এসময় তার হাস্যরসাত্মক চরিত্রাভিনেত্রীর প্রতিভা প্রস্ফুটিত হয়। কারাওকেতে সুইফটের কৃতিত্ব দেখে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ক্রিক ক্রেমার তার মাকে কান্ট্রি সঙ্গীতের সুইফটকে উপর শিক্ষা দেওয়ার পরামর্শ দেয়। এসময় ক্রেমার এক স্থানীয় দোকানে ছোটদের কারাওকে দিয়ে কান্ট্রি সঙ্গীতের আসরের আওয়োজন করে। প্রতি সপ্তাহের শেষ দিন রাত্রিতে এই আওয়োজন হত। এখানে সুইফট অসাধারণ নৈপুন্য প্রদর্শন করে। এরপর সুইফট প্রায়ই স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সঙ্গীতের আসরে কান্ট্রি সঙ্গীত গাইত। তার প্রথম উল্লেখযোগ্য সঙ্গীতানুষ্ঠান ছিল একটি মেলাতে যেখানে স্থানীয় শিল্পী প্যাট গ্যারেট গান করে।[১৪]
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]সুইফট ২০২৩ সালে মার্কিন পেশাদার আমেরিকান ফুটবল খেলোয়াড় ট্র্যাভিস কেলসির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। পরবর্তীতে ৩ জুলাই ২০২৬ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।[১৫][১৬][১৭][১৮]
গান লেখায় আগ্রহ
[সম্পাদনা]সুইফট এক কম্পিউটার মিস্ত্রির কাছ থেকে গিটার প্রথম তিন কর্ড বাজানো শেখে। এরপর সে তার প্রথম গান “লাকি ইউ” রচনা করে।[১৯] সে নিয়মিত গান লিখত। এই কাজকে সে তার স্কুলের প্রতি অনিচ্ছা প্রকাশের উপায় মনে করত। অন্য বাচ্চারা তার সাথে খারাপ ব্যবহার করবে এই ভেবে সুইফট তাদেরকে নিয়েও গান লিখত।[২০]
প্রারম্ভিক কর্ম
[সম্পাদনা]কানাডীয় কান্ট্রি সঙ্গীতশিল্পী শানায়া টোয়েইন টেইলর সুইফটকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।[২১] এছাড়া সুইফট লিয়েন রাইমস, টিনা টারনার, ডলি পার্টন-এর গানও সুইফটকে প্রভাবিত করে। তার দাদি ছিল পেশাদার অপেরা শিল্পী।[২২] টেইলরের আগ্রহ ক্রমাগত কান্ট্রি সঙ্গীটের দিকে ঝুকে পড়ে এবং খ্যাতিমান কান্ট্রি সঙ্গীতশিল্পী প্যাটসি ক্লাইনের বিশেষ ভক্ত ছিল সে।[২৩]
১১ বছর বয়সে সুইফট তার কারাওকে দিয়ে গাওয়া সঙ্গীত বিতরণের মাধ্যমে কোন রেকর্ড কোম্পানির সাথে চুক্তির আশায় প্রথম নাশভিলে যায়। শহরের প্রায় প্রতিটি কোম্পানিতেই সে তার গাওয়া গান জমা দেয়[২৪] এবং সবাই তাকে ফিরিয়ে দেয়।[২৫] পেনসিলভানিয়াতে ফেরার পর সুইফটকে ইউএস ওপেন টেনিস ট্যুরনামেন্টে গান গাওয়ার জন্য বলা হয়। এ অনুষ্ঠানে সুইফট জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে যা মানুষের ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করে।[২৬] ১২ বছর বয়সে সুইফট ১২ স্ট্রিং-এর গিটারে গান গাওয়া আরম্ভ করে এবং তার গান লেখাও অব্যাহত রাখে। সে নিয়মিত নাশভিলে যেত এবং স্থানীয় গীতিকারদের সাথে গান লিখত। সে যখন ১৪ তে পা দিল, তখন তার পরিবার নাশিভিলের উপশহর এলাকায় বসবাসের সিদ্ধান্ত নিল।[২৭]
এরপর সুইফট নাশভিলের গীতিকারদের সম্মেলন স্থান, ব্লুবার্ড ক্যাফেতে সাথে গান লেখা আরম্ভ করলো। এখানে সুইফট স্কট বার্কেটের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। স্কট সুইফটকে তার সদ্য প্রতিষ্ঠিত রেকর্ড কোম্পানি বিগ মেশিন রেকর্ডের সাথে চুক্তি সম্পন্ন করেন। ১৪ বছর বয়সে টেইলর সুইফটকে সনি মিউজিক পাবলিশিং গ্রুপ ভাড়া করে, সুইফটই সবচেয়ে কম বয়েসী যিনি এই সুযোগ পান।[২৮]
সঙ্গীত কর্মজীবন
[সম্পাদনা]২০০৬-২০০৮: টেইলর সুইফট
[সম্পাদনা]

টেইলর সুইফট তার প্রথম গান “টিম ম্যাকগ্রো” প্রকাশ করেন ২০০৬ সালে যা বিলবোর্ডের হট কান্ট্রি সং চার্টে ষষ্ঠ স্থান লাভ করে।[২৯] তার নিজের নামে একক অ্যালবাম টেইলর সুইফট প্রকাশিত হয় ২০০৬ এর ২৪ অক্টোবর।[৩০] সুইফট এই অ্যালবামের বেশিরভাগ গান নিজে রচনা করেছিলেন, কিছু গান আবার আংশিক রচনা করেছিলেন। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ১৯ তম স্থান লাভ করে এবং প্রকাশের প্রথম সপ্তাহেই এটি ৩৯০০০ কপি বিক্রি হয়।[৩১] পরবর্তিতে অ্যালবামটি বিলবোর্ড টপ কান্ট্রি অ্যালবাম চার্টে শীর্ষস্থান দখল করে এবং বিলবোর্ড ২০০ চার্টে পঞ্চম স্থান লাভ করে।[৩২] টপ কান্ট্রি অ্যালবাম চার্টে এটি আট সপ্তাহ ধরে অপরিবর্তিতভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল[৩৩] এবং ৯১ সপ্তাহের মধ্যে ২৪ সপ্তাহ অধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল।[৩৪] এই দশকে কেবল ডিক্সি চিক্স এবং কেরি আন্ডারউড ২০ বা ততোধিক সপ্তাহের বেশি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল।[৩৫] ২০০৮ সালের নভেম্বর নাগাদ, বিশ্বব্যাপী অ্যালবামটি ৩ মিলিয়নের বেশি বিক্রি হয় এবং অ্যালবামের একক সঙ্গীত ৭.৫ মিলিয়নেরও অধিকবার ইন্টারনেটে ডাউনলোদ করা হয়।[৩৬]
মাইস্পেসে টেইলর সুইফটের গান ২০০ মিলিয়নেরও অধিক শোনা হয়েছে। বর্তমানে সে মাইস্পেসের সকল শাখার সঙ্গীতের মধ্যে শীর্ষস্থান অধিকারকারী শিল্পী।[৩৭] ২০০৮ সালে মাইস্পেসে সুইফটকে অন্যান্য শিল্পীর চেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে।[৩৮] “টিম ম্যাকগ্রো” এর মিউজিক ভিডিও নাশভিলের কান্ট্রি সঙ্গীট ভিত্তিক কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক গ্রেট অ্যামেরিকান কান্ট্রি-তে ভক্তদের নির্বাচনে সুইফট ধারাবাহিক ৩০ সপ্তাহ শীর্ষস্থান দখল করেছিল এবং তা সিএমটি টেলিভিশনের ভিডিও চার্টে প্রথম স্থান লাভ করেছিল। সিএমটি মিউজিক এ্যাওয়ার্ডে এই ভিডিওর জন্য সুইফট “ব্রেকথ্রু ভিডিও” এ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।[৩৯] তারকা হিসেবে টেইলর সুইফটকে নিয়ে গ্রেট অ্যামেরিকান কান্ট্রিতে একটি প্রামাণ্য চিত্র্ প্রচার করা হয়।[৪০] ২০০৭ এর মে মাসে এই গানটি অ্যাকাডেমি অফ কান্ট্রি মিউজিক এ্যাওয়ার্ডে পরিবেশন করেন এবং সাথে তিনি তার নিজের পরিচয়ও শ্রোতাদের কাছে ব্যক্ত করেন। ২০০৭ এ কান্ট্রি সঙ্গীতের কনসার্টে সুইফট প্রথমবার সঙ্গীত পরিবেশন করেন।
২০০৭ এর অগাস্টে সুইফট “অ্যামেরিকা গট ট্যালেন্ট” এর শেষ পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন।[৪১] টেইলর সুইফট অ্যালবামের দ্বিতীয় গান “টিয়ারড্রপ্স অন মাই গিটার” ২০০৭ এর ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। গানটি মূলত বিলবোর্ড চার্টে ২০০৭ এর মধ্যের দিকে ভাল অবস্থানে উঠে আসে। বিলবোর্ডের হট কান্ট্রি সংস চার্টে ২ নম্বর এবং বিলবোর্ড হট ১০০ চার্টে ৩৩ নম্বর অবস্থান লাভ করে। গানটির একটি পপ-রিমিক্স ভার্সন ২০০৭ এর শেষের দিকে প্রকাশিত হয়, এটি বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় ১৩ এবং পপ গানের তালিকায় প্রথম অবস্থান লাভ করে। সুইফটের গান লেখার দক্ষতার জন্যে তাকে ২০০৭ সালের বর্ষসেরা সঙ্গীত-লেখকের পুরস্কার দেওয়া হয়। সুইফটই সবচেয়ে কম বয়েসী শিল্পী যে এই পুরস্কার লাভ করেন।[৪২]
২০০৭ এর ৭ নভেম্বর সুইফট সিএমএ হরিযন এ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি “আওয়ার সং” গানটি পরিবেশন করেন। এই গানটি ২০০৭ এর ২২শে ডিসেম্বরে তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করে। ১৯৯৮ সালের জানুয়ারির পর এটিই সুইফটের তালিকায় অবস্থানের ভিত্তিতে সবচেয়ে সফল সঙ্গীত।[৪৩] গানটি ছয় সপ্তাহ কান্ট্রি সঙ্গীতের তালিকায় প্রথম অবস্থানে ছিল। এছাড়া বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় এটি ১৬তম অবস্থানে ছিল। সুইফট তার প্রথম পরিবর্ধিত অ্যালবাম সাউন্ড অফ দ্য সিজন: দ্য টেইলর সুইফট হলিডে কালেকশন প্রকাশ করেন ২০০৭ এর ১৬ই অক্টোবর। এটি অবশ্য তার প্রথম প্রকাশিত অ্যালবামের মত সফল হয়নি। তাওবে এই অ্যালবামের কেবল একটি গান “লাস্ট ক্রিস্টমাস” জনপ্রিয় হয়; অ্যালবামটিতে সুইফটের নিজের লেখা গানগুলো স্থান পেয়েছে। ২০০৮ সালের গ্র্যামি পুরস্কারের সফল নতুন শিল্পী বিভাগের জন্য মনোনীত হয়। কিন্তু ঐবার তিনি এ পুরস্কারটি অর্জন করতে পারেননি। তার প্রথম অ্যালবামের চতুর্থ গান “পিকচার টু বার্ন” ২০০৮ এর প্রথমদিকে প্রকাশিত হয় এবং বিলবোর্ড কান্ট্রি সঙ্গীত তালিকায় ২০০৮ এর বসন্তে ৩ নম্বর অবস্থানে উঠে আসে।
২০০৮ এর ১৯শে মে বিগ মেশিন রেকর্ডস টেইলর সুইফটের একটি নতুন গান “শুড আই হ্যাভ সেইড নো” প্রকাশের ঘোষণা দেয়। গানটি সুইফটের প্রথম অ্যালবামের পঞ্চম এবং শেষ গান। সুইফট গানটি ৪৩তম অ্যানুয়াল অ্যাকাডেমি অফ কান্ট্রি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-এ পরিবেশন করেন।[৪৪] পরিবেশনের সময় তার পরনে ছিল শার্ট এবং জিন্সের প্যান্ট, কিন্তু অল্প সময় পরেই সে তার জামা খুলে ফেলে এবং দেখা যায় যে তার পরনে কাল পোশাক। গানের শেষ মুহূর্তে সুইফট মঞ্চের পিছনে জলপ্রপাতের নিকটবর্তি হন, তিনি চেয়েছিলেন পোশাকের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে গান পরিবেশন করতে। দশ বছর বয়স হতে তিনি এ উপায়ে গান পরিবেশন করতে চেয়েছিলেন।[৪৫]
“শুড আই হ্যাভ সেইড নো” ছিল টেইলর সুইফটের অপর একটি সফল গান যা ২০০৮ এর ২৩শে আগস্ট বিলবোর্ড তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করে। ২০০৮ এর জুনে অনুষ্ঠিত নাশিভিলের সিএমএ মিউজিক ফেস্টিভ্যাল-এ সুইফট একটানা আট ঘণ্টা ভক্তদের অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে জনপ্রিয় কান্ট্রি সঙ্গীতশিল্পী গার্থ ব্রুকসের একটানা ২৩ ঘণ্টা অটোগ্রাফ স্বাক্ষরের পরে এটিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ব্যাপী অটোগ্রাফ দেয়ার ঘটনা।[৪৬] ২০০৮ এর গ্রীষ্মে সুইফট তার পরবর্তি পরিবর্ধিত অ্যালবাম বিউটিফুল আইস প্রকাশ করেন, এটি কেবল ওয়ালমার্টে বিক্রিয় হয়েছিল।[৪৭] এটি প্রকাশিত হোয়ার প্রথম সপ্তাহেই ৪৫০০০ কপি বিক্রয় হয়ে যায়। অ্যালবামটি বিলবোর্ডের টপ কান্ট্রি অ্যালবামের তালিকার শীর্ষে এবং বিলবোর্ড ২০০ তালিকার নবম অবস্থানে উঠে আসে।এসময় তার প্রথম প্রকাশিত অ্যালবাম তালিকার দুই নম্বর অবস্থানে ছিল। অর্থাৎ তালিকার শীর্ষ দুই অবস্থানই ছিল সুইফটের দখলে, ১৯৯৮ সালে লিন রাইমসের পর সুইফটই প্রথম শিল্পী যিনি তা অর্জন করতে সক্ষম হন।[৪৮] সুইফট সাধারণত অ্যাকুয়িস্টিক গিটার বাজায়।[৪৯]
২০০৮-২০১০: ফিয়ারলেস
[সম্পাদনা]
সুইফটের সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম ফিয়ারলেস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১১ নভেম্বর ২০০৮ সালে মুক্তি পায়। মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথেই অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ অ্যালবাম তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে। অ্যালবামটির ৫৯২,৩০৪ কপি বিক্রয়ের পরিমাণ ২০০৮ সালের অন্য যেকোন কান্ট্রি সঙ্গীত শিল্পীর প্রকাশিত অ্যালবামের চেয়ে বেশি। এছাড়া প্রথম প্রকাশেই কোন নারী শিল্পীর অ্যালবামের এই বিক্রয়ের পরিমাণ ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গীতের সকল ধারার মধ্যে সর্বাধিক এবং লিল ওয়েন, এসি/ডিসি এবং কোল্ডপ্লে-এর পরে চতুর্থ বৃহত্তম। অ্যালবামটির “লাভ স্টোরি” গানটি কান্ট্রি এবং পপ সঙ্গীতের তালিকায় ব্যাপক সাফল্য পায়। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই অ্যালবামটি ইন্টারনেটে ১২৯,০০০ কপি বিক্রয় হয়। অনলাইনে কোন কান্ট্রি সঙ্গীতের অ্যালবামের মধ্যে এটিই সর্বাধিক সংখ্যক বিক্রয় হয়।
২০১০-২০১২: স্পিক নাউ
[সম্পাদনা]
টেইলর সুইফটের তৃতীয় স্টুডিও অ্যালবাম স্পিক নাউ (Speak Now) ২০১০ সালের ২৫ অক্টোবরে বিগ মেশিন রেকর্ডসের অধীনে মুক্তি পায়।[৫০] অ্যালবামটির বিশেষত্ব হলো, এর স্ট্যান্ডার্ড সংস্করণের ১৪টি গানের সবকটিই সুইফট সম্পূর্ণ এককভাবে লিখেছিলেন।[৫১] কান্ট্রি পপ এবং পপ রক ঘরানার এই অ্যালবামটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ১.০৪৭ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়ে মার্কিন বিলবোর্ড ২০০ চার্টের শীর্ষে স্থান করে নেয়।[৫২]
অ্যালবামটির বেশ কয়েকটি একক গান (Single) বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে, যার মধ্যে রয়েছে "Mine", "Back to December", "Sparks Fly", এবং "Ours"। বিশেষ করে "Mean" গানটির জন্য সুইফট ২০১২ সালের ৫৪তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ২টি গ্র্যামি পুরস্কার (সেরা কান্ট্রি একক পারফরম্যান্স এবং সেরা কান্ট্রি গান) লাভ করেন।[৫৩] বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা এই অ্যালবামটি সমালোচকদের দ্বারা উচ্চ প্রশংসিত হয় এবং রোলিং স্টোন সাময়িকী এটিকে তাদের বিখ্যাত তালিকায় অন্যতম সেরা অ্যালবাম হিসেবে স্থান দেয়।[৫৪]
২০২৩ সালের ৭ জুলাই, সুইফট তাঁর মাস্টার রেকর্ডিংয়ের মালিকানা দ্বন্দ্বের জেরে অ্যালবামটি পুনরায় রেকর্ড করে স্পিক নাও (টেইলর’স ভার্সন) নামে প্রকাশ করেন।[৫৫]
ডিস্কের তালিকা
[সম্পাদনা]স্টুডিও অ্যালবাম
[সম্পাদনা]লাইভ অ্যালবাম
[সম্পাদনা]- কানেক্ট সেট (২০০৭)
- আইটিউন লাইভ ফ্রম সোহো (২০০৮)
- স্পিক নাউ ওয়ার্ল্ড টুর - লাইভ (২০১১)
এক্সটেন্ডেড প্লে
[সম্পাদনা]- সাউন্ডস অফ দ্যা সিজন : দ্যা টেইলর সুইফট হলিডে কালেকশন (২০০৭)
- র্যাপসোডি অরিজিনালস (২০০৭)
- বিউটিফুল আইস (২০০৭)
চলচ্চিত্রের তালিকা
[সম্পাদনা]- ভ্যালেন্টাইন্স ডে (২০১০) – ফেলিসিয়া মিলার চরিত্রে (ছোট রোল)
- দ্য লর্যাক্স (২০১২) – অড্রে (ভয়েস/অ্যানিমেশন)
- দ্য গিভার (২০১৪) – রোজমেরি (ছোট রোল)
- কেটস (২০১৯) – বোম্বালুরিনা (মিউজিক্যাল ফিল্ম)
কনসার্ট / ডকুমেন্টারি
[সম্পাদনা]- টেইলর সুইফট: দ্য ১৯৮৯ ওয়ার্ল্ড ট্যুর লাইভ (২০১৫)
- টেলর সুইফট: রেপুটেশন স্টেডিয়াম ট্যুর (২০১৮) – নেটফ্লিক্স
- মিস আমেরিকানা (২০২০) – তার জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে ডকুমেন্টারি
- ফোকলোর : দ্য লং পন্ড স্টুডিও সেশনস (২০২০) – ডিজনি+
- টেইলর সুইফট: দ্য এরাস ট্যুর (২০২৩) – খুব জনপ্রিয় কনসার্ট ফিল্ম
পরিচালক হিসেবে
[সম্পাদনা]অল টু ওয়েল: দ্য শর্ট ফিল্ম (২০২১) – নিজেই পরিচালনা করেছেন
ভবিষ্যতে একটি ফিচার ফিল্ম বানানোর কাজও করছেন
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Leahey, Andrew। "(Taylor Swift > Overview)"। Allmusic। Rovi Corporation। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০০৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|coauthors=উপেক্ষা করা হয়েছে (|author=প্রস্তাবিত) (সাহায্য) - ↑ Wilson, Benji। "Taylor Swift - the meteoric rise of pop's brightest new star"। Daily Mail। Associated Newspapers Ltd। ২ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift, Billboard's Best-Selling Artist of 2008, Announces 'Fearless 2009' Headlining Tour"। Big Machine Records। ৩০ জানুয়ারি ২০০৯। ৬ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift... The Interview!"। BBC Radio One। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। ৭ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
- ↑ "2008 U.S. Music Purchases Exceed 1.5 Billion; Growth in Overall Music Purchases Exceeds 10%"। Market Watch। ৩১ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০০৯।
- ↑ Up for DiscussionPost Comment (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "Billboard.com"। Billboard.com। ২৬ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Forbes.com"। Forbes.com। ২৮ মার্চ ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Billboard - Music Charts, News, Photos & Video"। Billboard। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Nielsen SoundScan Lists Taylor Swift as the Top-Selling Digital Artist in History"। PR Newswire। ৭ জানুয়ারি ২০১০। ১১ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১০।
- ↑ "Taylor Swift debuts 'Shake It Off,' reveals '1989' album"। USA TODAY (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Taylor Swift Biography TVGuide.com"। Tvguide.com। ১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৯। ১৮ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "The Unabridged Taylor Swift"। Rolling Stone। ২ ডিসেম্বর ২০০৮। ২৪ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Taylor Swift: Growing into superstardom"। Reading Eagle। ৮ ডিসেম্বর ২০০৮। ২৯ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "24-7pressrelease.com"। 24-7pressrelease.com। ৬ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift and Travis Kelce marry at Madison Square Garden"। www.bbc.com (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৪ জুলাই ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২৬।
- ↑ "Taylor Swift and Travis Kelce get married - CBS Los Angeles"। www.cbsnews.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২৬।
- ↑ Kircher, Madison Malone; Kim, Donna; Kim, Donna; Gershensen, Gabriella; Fitzsimmons, Emma G.; Mather, Victor; Times, The New York; Decaille, Nia; McKinley, Jesse (৩ জুলাই ২০২৬)। "Taylor Swift and Travis Kelce Are Married: Live Updates From MSG Wedding"। The New York Times (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২৬।
- ↑ Kruesi, Kimberlee; español, ANDREW DALTON Leer en (৩ জুলাই ২০২৬)। "Taylor Swift and Travis Kelce marry in front of famous friends at Madison Square Garden"। AP News (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২৬।
- ↑ "Showbiz - News - Computer repairman taught Swift guitar"। Digital Spy। ৩ নভেম্বর ২০০৯। ২৬ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০০৯।
- ↑ Messer, Lesley (২৭ জানুয়ারি ২০০৯)। "Taylor Swift Suffered Bullying in School - Taylor Swift"। People.com। ১৯ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Catching Up With Taylor Swift"। Timeforkids.com। ২৮ এপ্রিল ২০০৯। ২৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift Biography at GAC"। Gactv.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Taylor Swift ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৫ জুলাই ২০০৮ তারিখে at Ask Men.com
- ↑ "Taylor Swift Biography"। Gactv.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "GACTV.com"। GACTV.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "CBSnews.com"। CBSnews.com। ১৭ মে ২০০৮। ১৬ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift biography at Allmusic"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০০৭।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|{{subst:LC:S}}WIFT&sql=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] - ↑ "Philly.com"। ১৫ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
- ↑ "Artist Chart History – Taylor Swift"। Billboard। ২৩ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift – Discography"। Billboard। ১৭ আগস্ট ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift Scores First Chart-Topping Debut With Fearless"। MTV.com। ১৯ নভেম্বর ২০০৮। ২৮ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Billboard.com"। ২৭ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
- ↑ "Countrymusiconline.net"। Countrymusiconline.net। ২৪ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift Bumps Herself Out of No. 1 Slot"। CMT। ২৬ জুলাই ২০০৮। ১৯ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Taylor Swift Tops 50 Million MySpace Streams & Has Country's #1 Selling CD for 20th Week"। Universal Music Group। ২৪ জুন ২০০৮। ২০ আগস্ট ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Taylor Swift, "Fearless""। Billboard। Nielsen Business Media, Inc। ১৬ নভেম্বর ২০০৮। ২৪ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০০৯।
- ↑ Taylor Swift[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] reaches No. 1 on the Top Country Albums chart
- ↑ "MySpace Announces "MYSPACE TOP 8'S OF 2008" Awards"। The Social Media Bible। ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮। ২৩ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Taylor Swift at Beasley Performing Arts Coliseum"। Beasley.wsu.edu। ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "GAC Debuts Short Cuts Series with Rising Star Taylor Swift"। GACTV.com। ১০ মে ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০০৯।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Taylor Swift[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] performs on "America's Got Talent"
- ↑ Cooper, Peter (১৫ অক্টোবর ২০০৭)। "It's writers' turn to be honored for songs"। The Tennessean। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০০৭।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|coauthors=উপেক্ষা করা হয়েছে (|author=প্রস্তাবিত) (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] - ↑ Cohen, Jonathan (১৩ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Keys Still The "One" Atop Billboard Charts"। Billboard.com। ৫ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০০৮।
- ↑ "Taylor Swift offers new single to radio, ACMs"। Countryondemand.com। ১২ মে ২০০৮। ২০ নভেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "Taylor Swift Interview, ACMs"। Video.msn.com। ৯ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "A hot time at country music's fan festival"। USA Today। 2008-06-099। ২০০৯-০৩-০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 2009-03-16।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "Wal-Mart "Eyes" New Taylor Swift Project"। Great American Country। ১৬ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০০৮।
- ↑ "Taylor Swift owns top of country chart"। Country Standard Time। ৩১ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Taylorguitars.com"। Taylorguitars.com। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ "For The Record: How Taylor Swift's 'Speak Now' Changed Her Career Forever"। রেকর্ডিং একাডেমি। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬।
- ↑ Rolling Stone Staff (২৬ অক্টোবর ২০১০)। "Taylor Swift "Speak Now" Album Review"। রোলিং স্টোন। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬।
- ↑ "Taylor Swift's 'Speak' Sizzles In Million-Plus Debut"। বিলবোর্ড। ৩ নভেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬।
- ↑ "Speak Now - Awards and Accolades"। ইংরেজি উইকিপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬।
- ↑ "The 500 Greatest Albums of All Time"। রোলিং স্টোন। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬।
- ↑ "Speak Now (Taylor's Version) Overview"। ইংরেজি উইকিপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬।
- ↑ রেকর্ড গড়ল টেলর সুইফটের নতুন অ্যালবাম, কালের কণ্ঠ, ২২ এপ্রিল ২০২৪
- ↑ Taylor Swift releases "The Life of a Showgirl" to much fanfare, October 3,2025
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ১৯৮৯-এ জন্ম
- কান্ট্রি সঙ্গীত শিল্পী
- জীবিত ব্যক্তি
- মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী
- মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- মার্কিন রক গায়িকা
- মার্কিন খ্রিস্টান
- নারীবাদী সঙ্গীতজ্ঞ
- মার্কিন নারীবাদী
- মার্কিন নারী সক্রিয়কর্মী
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী
- মার্কিন কণ্ঠাভিনেত্রী
- মার্কিন টেলিভিশন অভিনেত্রী
- মার্কিন নারী সঙ্গীতজ্ঞ
- রিপাবলিক রেকর্ডসের শিল্পী
- আরসিএ রেকর্ডসের শিল্পী
- গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী
- এমি পুরস্কার বিজয়ী
- মার্কিন পপ পিয়ানোবাদক
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন গায়িকা
- মার্কিন পপ গায়িকা
- মার্কিন পপ সঙ্গীতশিল্পী
- মার্কিন গায়িকা-গীতরচয়িতা
- মার্কিন নারী রেকর্ড প্রযোজক
- মার্কিন কান্ট্রি গায়িকা
- এমটিভি ইএমএ বিজয়ী
- ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপের শিল্পী
- ব্রিট পুরস্কার বিজয়ী
- মার্কিন নারী গিটারবাদক
- ইতালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- টেইলর সুইফট
- অল্টারনেটিভ রক সঙ্গীতশিল্পী
- মার্কিন লোক গিটারবাদক
- মার্কিন লোক সঙ্গীতশিল্পী
- জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- পেনসিলভেনিয়ার চলচ্চিত্র পরিচালক
- প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী
- মার্কিন নারী জনহিতৈষী
- ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী
- টাইম সাময়িকীর বর্ষসেরা ব্যক্তি
- নারী শতকোটিপতি
- পেনসিলভেনিয়ার অভিনেত্রী
- মার্কিন নারী গীতরচয়িতা
- মার্কিন শতকোটিপতি
- শর্টি পুরস্কার বিজয়ী
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন গীতরচয়িতা
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন নারী গিটারবাদক
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন জনহিতৈষী