ভিক্তর ভালদেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ভিক্তর ভালদেস
Víctor Valdés (2010).jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম ভিক্তর ভালদেস ই আরিবাস
জন্ম (১৯৮২-০১-১৪) ১৪ জানুয়ারি ১৯৮২ (বয়স ৩৬)
জন্ম স্থান এল’হসপিতালেত দি লোব্রেগাত, স্পেন
উচ্চতা ১.৮৩ মিটার (৬ ফুট ০ ইঞ্চি)
মাঠে অবস্থান গোলরক্ষক
যুব পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন
১৯৯২ বার্সেলোনা
১৯৯২–১৯৯৫ তেনেরিফ
১৯৯৫–২০০০ বার্সেলোনা
জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০০০ বার্সেলোনা সি ১৬ (০)
২০০০–২০০৩ বার্সেলোনা বি ৭৭ (০)
২০০২–২০১৩ বার্সেলোনা ৩৮৭ (০)
২০০২–২০১৪ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৩৮৭ (০)
২০১৬ →স্ট্যান্ডার্ড লিগ (ধারে) (০)
২০১৬-২০১৭ মিডলসবরো ২৮ (০)
মোট ৫১৫ (০)
জাতীয় দল
২০০০–২০০১ স্পেন অনূর্ধ্ব ১৮ ১১ (০)
২০০১ স্পেন অনূর্ধ্ব ১৯ (০)
২০০১ স্পেন অনূর্ধ্ব ২০ (০)
২০০২–২০০৩ স্পেন অনূর্ধ্ব ২১ ১১ (০)
২০১০–২০১৪ স্পেন ২০ (০)
২০০১–২০১৪ কাতালুনিয়া ১২ (০)
দলসমূহ পরিচালিত
২০১৮– মোরতালেজ (যুব প্রকল্প)
  • পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে।
† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

ভিক্তর ভালদেস ই আরিবাস (স্পেনীয়: Víctor Valdés, স্পেনীয় উচ্চারণ: [ˈbiktor βalˈdes aˈriβas]; জন্ম ১৪ জানুয়ারি ১৯৮২) একজন স্পেনীয় পেশাদার ফুটবলার যিনি গোলরক্ষক হিসেবে খেলেছেন এবং বর্তমানে মাদ্রিদভিত্তিক ফুটবল ক্লাব ইডি মোরাতালেজ এর যুব প্রকল্পের কোচ হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

তাকে বার্সেলোনার ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে গন্য করা হয়, যিনি বার্সেলোনার হয়ে উনিশটি শিরোপা জিতেছেন। যার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি লা লিগা, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লীগ এবং তিনটি কোপা দেল রে শিরোপা। তিনি রেকর্ড পাঁচবার জামোরা ট্রফি জিতেছেন। তিনি গোলরক্ষক হিসেবে বার্সেলোনার হয়ে সবচেয়ে বেশি খেলায় মাঠে নেমেছেন। ২০০২–০৩ মৌসুমে মূল দলে যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি যুব দলে ও বার্সেলোনা বি দলে খেলেছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ভালদেস জন্মগ্রহন করেন বার্সেলোনার এল’হসপিতালেত দি লোব্রেগাত শহরে। তার বাবার নাম হোসে ম্যানুয়েল ভালদেস এবং মা’র নাম অ্যাগুয়েদা এরিবাস। তার বড় ভাইয়ের নাম রিকার্দো এবং ছোট ভাইয়ের নাম অ্যালভারো। ভালদেস তার ক্যারিয়ার শুরু করেন বার্সেলোনার যুব দলে। ১৯৯২ সালের ১ জুলাই তিনি যুব দলে যোগ দেন। কিন্তু সেপ্টেম্বরে, তিনি তার পরিবারের সাথে তেনেরিফে চলে যান এবং ক্লাব ছেড়ে দেন। তিন বছর পর তিনি আবার বার্সেলোনায় ফিরে আসেন। ফিরে আসার পর যুব দলে তিনি খুব দ্রুতই উন্নতি করতে থাকেন।

বার্সেলোনা[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]