বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
বিপিএল লোগো.png
অফিসিয়াল লোগো
দেশবাংলাদেশ
ব্যবস্থাপকবাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
খেলার ধরনটুয়েন্টি২০
প্রথম টুর্নামেন্ট২০১২
শেষ টুর্নামেন্ট২০২২
প্রতিযোগিতার ধরনডাবল রাউন্ড-রবিন এবং প্লে-অফস
দলের সংখ্যা
বর্তমান চ্যাম্পিয়নকুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স (৩য় শিরোপা)
সর্বাধিক সফলকুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স
মিনিস্টার ঢাকা (৩টি করে শিরোপা)
সর্বাধিক রানতামিম ইকবাল (২৬২৮)
সর্বাধিক উইকেটসাকিব আল হাসান (১২২)
টিভিসম্প্রচারকারীদের তালিকা
ওয়েবসাইটবিপিএল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (সংক্ষেপে বিপিএল) বাংলাদেশের পেশাদার টুয়েন্টি২০ ক্রিকেট লিগ। ২০১২ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড প্রথম বিপিএল আয়োজন করে। ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১২ এ বিপিএল-এর প্রথম আসর শুরু হয়।

বিপিএলের প্রথমদ্বিতীয় আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস[১][২] ২০১৫ সালে তৃতীয় আসরে নতুন দল হিসেবে প্রথমবার অংশগ্রহণ করেই শিরোপা জয় করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। পরবর্তী ২০১৬ আসরে নতুন দল ঢাকা ডায়নামাইটস ঢাকার শিরোপা পুনরুদ্ধার করে। বিপিএলের ৫ম আসর ২০১৭ সালের ২রা নভেম্বর থেকে শুরু হয়। এতে নতুন ফ্রাঞ্চাইজি হিসেবে যোগ হয় সিলেট সিক্সার্স। এই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় রংপুর রাইডার্স। বিপিএল এর ৬ষ্ঠ আসর ২০১৯ সালের ৮ ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা ডাইনামাইটস কে পরাজিত করে দ্বিতীয় বারের মত চ্যাম্পিয়ন হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। সর্বশেষ ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন দল ফরচুন বরিশালকে ১ রানে হারিয়ে ৩য় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রথম আসর[সম্পাদনা]

৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তে প্রথম বিপিএল আসরের এর উদ্বোধন হয়। [৩] উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হয় শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ঢাকায়। উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। এই আসরে অংশ নেয় মোট ৬ টি ফ্রেঞ্চাইজি দল। আসরের প্রথম খেলা হয় ১০-ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ এবং ফাইনাল খেলা হয় ২৯-ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২। শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ঢাকা এবং জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামে সর্বমোট ৩৩-টি খেলা হয়। যার ২৫টি ঢাকায়, আর বাকি ৮টি হয় চট্টগ্রামে। ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ফাইনাল ম্যাচের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় বিপিএল এর প্রথম আসর। ৬ টি দল দল একে অপরের বিপক্ষে দুইটি করে ম্যাচ খেলে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে হোম আর এওয়ে হিসেবে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ ৪ দল পরবর্তীকালে নক-আউট রাউন্ড খেলে। সিলেট রয়্যালস এবং চিটাগং কিংস সেমি-ফাইনালে অগ্রসর হতে পারেনি। দুরন্ত রাজশাহী, খুলনা রয়েল বেঙ্গলস, ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস এবং বরিশাল বার্নার্স সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়। পরবর্তীতে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস ফাইনালে বরিশাল বার্নার্সকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়।

দ্বিতীয় আসর[সম্পাদনা]

বিপিএলের দ্বিতীয় আসর শুরু হয় ১৭-ই জানুয়ারি ২০১৩-তে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ঢাকায় জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরোয়া টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট বিপিএল ২০১৩ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তার আগে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের প্রধান আফজালুর রহমান সিনহার বক্তৃতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিপিএলের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। উদ্বোধনী খেলা হয় ১৮-ই জানুয়ারি ২০১৩। খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত হয় ২০-ই ডিসেম্বর, ২০১২। এই টুনামেন্টে ৭টি দল অংশগ্রহণ করে। সপ্তম দলটি হচ্ছে রংপুর রাইডার্স। বিপিএল ২০১৩ মোট ৩টি মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এবারই প্রথমবারের মত শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে বিপিএলের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় এবং চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের পরিবর্তে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৪৬টি ম্যাচের মধ্যে ২৮টি ম্যাচ হয় মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে, ১০টি এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে এবং ৮টি শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে। ফাইনালে চিটাগং কিংসকে ৪৩ রানে হারিয়ে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস দ্বিতীয়বার বিপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়।

তৃতীয় আসর[সম্পাদনা]

চতুর্থ আসর[সম্পাদনা]

পঞ্চম আসর[সম্পাদনা]

ষষ্ঠ আসর[সম্পাদনা]

সপ্তম আসর[সম্পাদনা]

অষ্টম আসর[সম্পাদনা]

নতুন দল ফরচুন বরিশালকে ১ রান হারিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স তৃতীয়বার শিরোপা জয় করে৷

লিগ গঠন[সম্পাদনা]

কর্পোরেট পর্যায়ে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ হল একটি সমিতি যেটি এর সদস্য দ্বারা গঠিত ও অর্থায়নপ্রাপ্ত। টেলিভিশন অধিকার, লাইসেন্স চুক্তি, স্পনসরশিপ, টিকেট বিক্রয় এবং অন্যান্য উপায়ে উৎপন্ন সমস্ত আয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং অংশগ্রহণকারী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির মধ্যে ভাগ করা হয়। লিগটি একটি নিয়ন্ত্রণ কাউন্সিল (জিসি) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মূল প্রতিষ্ঠান হিসাবে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জিসি সদস্যদের নিয়োগ করে।

ফ্রাঞ্চাইজি[সম্পাদনা]

প্রত্যেক ফ্রাঞ্চাইজির সর্বনিন্ম নিলামমূল্য $১ মিলিয়ন ডলার। বর্তমানে বিসিবি-ফ্রাঞ্চাইজির মালিকরা ১২ বছরের চুক্তি করেছে। চুক্তির উল্লেখযোগ্য শর্ত : চুক্তির মেয়াদ ১২ বছর। আর ১২ বছর পর ফ্র্যাঞ্চাইজিরা দলের পরিপূর্ণ মালিক হবে তখন বিসিবিকে তাদের আয়ের ২০ শতাংশ প্রদান করবে। ১২ বছর পর্যন্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিরা ১.০৫ মিলিয়ন ডলার প্রদান করবে।বিসিবি এই ১২ বছর ফ্র্যাঞ্চাইজিদের রেভিনিউ থেকে সাড়ে ৭ লাখ ইউএস ডলার প্রদান করবে।তিন বছরের আগে কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক দল বিক্রি করতে পারবেন না। [৪]

২০১৯ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ অনুযায়ী সাতটি দল বিপিএল দল রয়েছে:

দল শহর মালিক অধিনায়ক প্রধান কোচ
বর্তমান দল
কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স কুমিল্লা লিজেন্ডস স্পোর্টিং লিমিটেড বাংলাদেশ তামিম ইকবাল বাংলাদেশ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স চট্টগ্রাম বাংলাদেশ মুশফিকুর রহিম অস্ট্রেলিয়া সাইমন হেলমট
ঢাকা প্লাটুন ঢাকা বেক্সিমকো বাংলাদেশ সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ খালেদ মাহমুদ
রাজশাহী রয়্যালস রাজশাহী ম্যাঙ্গো এন্টারটেইনমেন্টস বাংলাদেশ মুশফিকুর রহিম দক্ষিণ আফ্রিকা ল্যান্স ক্লুজনার
খুলনা টাইগার্স খুলনা গেমকন গ্রুপ বাংলাদেশ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ শ্রীলঙ্কা মাহেলা জয়াবর্ধনে
সিলেট থান্ডার সিলেট সিলেট স্পোর্টস বাংলাদেশ নাসির হোসেন পাকিস্তান ওয়াকার ইউনুস
রংপুর রেঞ্জার্স রংপুর বসুন্ধরা গ্রুপ বাংলাদেশ মাশরাফি বিন মর্তুজা অস্ট্রেলিয়া টম মুডি
নিষিদ্ধ দল
বরিশাল বুলস বরিশাল

খসড়া[সম্পাদনা]

খেলোয়াড়দের বরাদ্দ দেয়ার জন্য বিপিএল প্রতিবছর একটি খসড়া (ড্রাফট) ব্যবস্থা পরিচালনা করে। বার্ষিক খসড়ার সময় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি নতুন খেলোয়াড়দের কিনতে পারে। দলগুলি এক বছর থেকে পরবর্তী বছর পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ধরে রাখার জন্য চয়ন করতে পারে এবং খসড়ার বাইরে খেলোয়াড়দের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে চুক্তি করে দলে আনতে পারে। ২০১৫ সাল থেকে ইমাগো স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট খেলোয়াড়দের খসড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে যারা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের হয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়দের ব্যবস্থাপনার কাজ করে।

প্রতিযোগিতার ফলাফল[সম্পাদনা]

মৌসুম মাঠ চূড়ান্ত দলসমূহ ম্যাচসেরা
বিজয়ী ফলাফল রানার আপ
২০১২
বিস্তারিত
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস
১৪৪/২ (১৫.৪ ওভার)
ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস ৮ উইকেটে জয়ী
স্কোরকার্ড
বরিশাল বার্নার্স
১৪০/৭ (২০ ওভার)
বাংলাদেশ সাকিব আল হাসান (খুলনা রয়েল বেঙ্গলস)
২০১৩
বিস্তারিত
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস
১৭৫/১ (২০ ওভার)
ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস ৫২ রানে জয়ী
স্কোরকার্ড
চিটাগং কিংস
১২৩ (১৬.৫ ওভার)
বাংলাদেশ সাকিব আল হাসান (ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস)
২০১৫
বিস্তারিত
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম Comilla Victorians Colors.png কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস
১৫৭/৭ (২০ ওভার)
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ৩ উইকেটে জয়ী
স্কোরকার্ড
Barisal Bulls Colors.png বরিশাল বুলস
১৫৬/৪ (২০ ওভার)
ইংল্যান্ড আসহার জাইদি (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস)
২০১৬
বিস্তারিত
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ঢাকা ডায়নামাইটস
১৫৯/৯ (২০ ওভার)
ঢাকা ডায়নামাইট ৫৬ রানে জয়ী
স্কোরকার্ড
রাজশাহী কিংস
১০৩ (১৭.৪ ওভার)
বাংলাদেশ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (খুলনা টাইটানস)
২০১৭
বিস্তারিত
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম রংপুর রাইডার্স
২০৬/১ (২০ ওভার)
রংপুর রাইডার্স ৫৭ রানে জয়ী
স্কোরকার্ড
ঢাকা ডায়নামাইটস
১৪৯/৯ (২০ ওভার)
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিস গেইল (রংপুর রাইডার্স)
২০১৯
বিস্তারিত
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম Comilla Victorians Colors.png কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস
১৯৯/৩ (২০ ওভার)
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ১৭ রানে জয়ী
স্কোরকার্ড
ঢাকা ডায়নামাইটস
১৮২/৯ (২০ ওভার)
বাংলাদেশ তামিম ইকবাল (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস)
২০২২ শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম Comilla Victorians Colors.png কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস
১৫১/৯ (২০ ওভার)
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ১ রানে জয়ী
স্কোরকার্ড
ফরচুন বরিশা

১৫০/৮ (২০ ওভার)

ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুনিল নারিন (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস)

ফ্র্যাঞ্চাইজি দলসমূহের পারফরম্যান্স[সম্পাদনা]

দলসমূহ ব্যাপ্তি বিজয়ী রানার আপ প্লেঅফ লিগ পর্ব উপস্থিতি
ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস ২০১২ – ২০১৩ (২০১২, ২০১৩)
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস ২০১৫ – বর্তমান (২০১৫, ২০১৯,২০২২) (২০১৭) (২০১৬)
ঢাকা ডায়নামাইটস ২০১৫ – বর্তমান (২০১৬) (২০১৭, ২০১৯) (২০১৫)
রংপুর রাইডার্স ২০১৩ – বর্তমান (২০১৭) (২০১৫, ২০১৯) (২০১৩, ২০১৬)
বরিশাল বুলস ২০১৫ – ২০১৬ ১ (২০১৫) (২০১৬)
রাজশাহী কিংস ২০১৬ – বর্তমান (২০১৬) ১ (২০১৭, ২০১৯)
চিটাগাং ভাইকিংস ২০১৫ – বর্তমান (২০১৬, ২০১৯) (২০১৫, ২০১৭)
খুলনা টাইটানস ২০১৬ – বর্তমান (২০১৬, ২০১৭) (২০১৯)
সিলেট সিক্সার্স ২০১৭ – বর্তমান (২০১৭, ২০১৯)
বরিশাল বার্নার্স ২০১২ - ২০১৩ ১ (২০১২) (২০১৩)
চিটাগং কিংস ২০১২ - ২০১৩ ১ (২০১৩) (২০১২)
খুলনা রয়েল বেঙ্গলস ২০১২ - ২০১৩ ১ (২০১২) (২০১৩)
সিলেট রয়্যালস ২০১২ - ২০১৩ ১ (২০১৩) (২০১২)
সিলেট সুপার স্টার্স ২০১৫ (২০১৫)
দুরন্ত রাজশাহী ২০১২ - ২০১৩ ২ (২০১২, ২০১৩)

[৫][৬]

সম্প্রচার স্বত্ব এবং স্পন্সর[সম্পাদনা]

সম্প্রচার স্বত্ব[সম্পাদনা]

বিপিএলের সম্প্রচারের স্বত্ত্ব পায় চ্যানেল নাইন। চ্যানেল নাইনের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রচার অধিকার স্বত্ত্ব পায় 'ইএসপিএন স্টার স্পোর্টস'। তবে ২০১৭ বিপিএলে চ্যানেল নাইনের সাথে চুক্তি বাতিল করে বিসিবি। নতুন চ্যানেল হিসেবে যুক্ত হয় জিটিভিমাছরাঙ্গা টেলিভিশন

সম্প্রচারক[সম্পাদনা]

এলাকা বছর চ্যানেল
 বাংলাদেশ ২০১৭–২০২০ মাছরাঙ্গা
২০১৭–বর্তমান জিটিভি
২০২২-বর্তমান টি-স্পর্টস
ক্যারীবীয় সম্প্রদায় ক্যারিবীয় ২০১৭–বর্তমান ফ্লো টিভি
ভারত ভারত ২০১৯-২০২০ ডিস্পোর্টস
২০২২-বর্তমান FAN CODE
আরব লীগ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা ২০১২—বর্তমান ক্রিকইনজিফ (ওটিটি)
 পাকিস্তান ২০১২–বর্তমান জিও সুপার
 দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন আফ্রিকা বাকি অংশ ২০১৬–বর্তমান স্টারটাইমস
 দক্ষিণ কোরিয়া,
 জাপান,
 চীন এবং
 রাশিয়া
২০১৭–বর্তমান টিকন সিস্টেম লিঃ (ওটিটি)
দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতি সংস্থা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ২০১৬–বর্তমান স্পোটসফিক্স
 যুক্তরাজ্য ২০১৬–বর্তমান ফ্রিস্পোটস
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং  কানাডা ২০১৭–বর্তমান উইলো

স্পন্সর[সম্পাদনা]

বিপিএল টি-২০ এর প্রথম আসরে টাইটেল স্পন্সর হয় ডেসটিনি গ্রুপ। সাড়ে ৭ কোটি টাকার বিনিময়ে ডেসটিনি গ্রুপ টাইটেল স্পন্সর হয়। প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড ১০ কোটি টাকায় (১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) দ্বিতীয় আসরের জন্য স্পনসরশিপ চুক্তিতে ভূষিত হয়।।[৭] ২০১৫ সালের তৃতীয় আসরের জন্য বিআরবি ক্যাবলস লিমিটেড ১৫ কোটি টাকার ( ২.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) টাইটেল স্পন্সর কিনে নেয় । আবুল খায়ের স্টীল (এ কেএস) যেটি আবুল খায়ের ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান চতুর্থ ও পঞ্চম আসরের টাইটেল স্পন্সর হয়ে ওঠে।

গড় মোট আয় তুলনা[সম্পাদনা]

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ক্রিকেট লিগের গড় মোট আয় প্রদর্শন করা হল।

লিগের গড় আয় (বাংলাদেশী কোটির হিসেবে)
লিগ আয়
বিপিএল
৩৩৮
আইপিএল
১,১৫০
বিবিএল
২০০
পিএসএল
২৫


মৌসুম স্পনসরশিপ রাইটস মোট উপার্জন করেছে[৮] সম্প্রচার অধিকার
২০১২ ডেসটিনি গ্রুপ
৭.৫ কোটি ($১.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
৩৫৪.৭ কোটি
$৪৩.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
চ্যানেল নাইন
৬৩২ কোটি ($৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
চার বছরের প্রচার অধিকার (২০১২-১৬)[৯]
২০১৩ প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড
১০ কোটি ($১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
৩০২ কোটি
$৩৬.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
২০১৫ বিআরবি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
১৫ কোটি ($২.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
২৬৬.৫ কোটি
$৩২.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
২০১৬-বর্তমান আবুল খায়ের স্টিল এবং শাহ সিমেন্ট
২২ কোটি ($২.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
৪৩৩ কোটি
$৫২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০১৬-১৭)
TBD (২০১৭) জিটিভি
মাছরাঙা
৬৪০ কোটি ($৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
তিন বছরের প্রচার অধিকার (২০১৭-২০১৯) [১০]

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১২ 
  2. "এবারও ঢাকার শিরোপা-হাসি"দৈনিক প্রথম আলো। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। ১১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৪ 
  3. "Bangladesh Premier League 2012: BPL to begin on February 9 next year | Bangladesh Cricket News"। ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০১-০৪ 
  4. ১২ বছরের চুক্তি বিসিবি-ফ্র্যাঞ্চাইজি’র
  5. "Cricket Records | Bangladesh Premier League | Records | Result summary"ESPN Cricinfo। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৬ 
  6. "Cricket Records | Bangladesh Premier League | Records | Series results"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৬ 
  7. "বিপিএলের টাইটেল স্পন্সর প্রাইম ব্যাংক"। ২০১৩-০১-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০১-১৬ 
  8. "How Much Did BCB Earn from BPL?"The Bengali Times। thebengalitimes.com। ২২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৬ 
  9. Isam, Mohammad। "BCB sells worldwide media rights for $20.02 million"Cricinfo। espncricinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  10. সংবাদদাতা, নিজস্ব। "বিপিএল-এর সম্প্রচার স্বত্ব ৮১ কোটিতে বিক্রি"anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৭