২০০৪ ঢাকা গ্রেনেড হামলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
২০০৪ ঢাকা গ্রেনেড হামলা
Dhaka locator map.svg
স্থান বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, ঢাকা, বাংলাদেশ
স্থানাংক ২৩°৪৩′৩৪.০১″ উত্তর ৯০°২৪′৪৩.৬৮″ পূর্ব / ২৩.৭২৬১১৩৯° উত্তর ৯০.৪১২১৩৩৩° পূর্ব / 23.7261139; 90.4121333স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৩′৩৪.০১″ উত্তর ৯০°২৪′৪৩.৬৮″ পূর্ব / ২৩.৭২৬১১৩৯° উত্তর ৯০.৪১২১৩৩৩° পূর্ব / 23.7261139; 90.4121333
তারিখ ২১ আগস্ট ২০০৪
১৭:২২ (বিএসটি) (ইউটিসি+০৬:০০)
লক্ষ্য ৭ আগস্ট সিলেট বোমা হামলার প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে[১]
হামলার ধরন
গ্রেনেড হামলা
অস্ত্র গ্রেনেড
নিহত ২৪
আহত ৩০০+

২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের এক জনসভায় গ্রেনেড হামলা, যে হামলায় ২৪ জন নিহত হয় এবং তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সহ প্রায় ৩০০ লোক আহত হয়। এই হামলায় নিহতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নারী নেত্রী মিসেস আইভী রহমান অন্যতম, যিনি বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী।

২০০৪ সালের সারাদেশে জঙ্গিদের বোমা হামলা এবং গোপালগঞ্জে পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ২১ আগষ্ট বিকেলে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশের প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানস্থলে বিকেল পাঁচটায় পৌঁছালে, একটি ট্রাকের ওপর তৈরি মঞ্চে তিনি কুড়ি মিনিটের বক্তৃতা শেষে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করার ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা মঞ্চ থেকে নিচে নেমে আসতে থাকেন। ঠিক এমন সময় শুরু হয় মঞ্চ লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা। মাত্র দেড় মিনিটের মধ্যে বিস্ফোরিত হয় ১১টি শক্তিশালী গ্রেনেড। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন এবং পরে হাসপাতালে আরও ১২ জন নিহত হন।

এ ঘটনায় তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু, হরকাতুল জিহাদ প্রধান মুফতি হান্নান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Blasts hit Bangladesh party rally"BBC