প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

এখানে বলিউড প্রবেশদ্বারের নির্বাচিত চলচ্চিত্র বিভাগে স্থান পাওয়া নিবন্ধগুলো উল্লেখ করা হয়েছে:

টেমপ্লেট[সম্পাদনা]

নোট অ-স্ক্রলিং প্যানোরামার জন্য ব্যবহার করুন ডিফল্ট "size=" (size=150px)। ব্যাপক আকারগুলো একটি অনুভূমিক স্ক্রল বার অন্তর্ভুক্ত করবে।

{{প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/টেমপ্লেট
  | image = 
  | size = 
  | caption = 
  | text = 
  | link = 
}}


নির্বাচিত চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র ১–১০[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১

আমির খান

তারে জামিন পার আমির খান পরিচালিত (ছবিতে) ২০০৭ সালের বলিউড নাট্য চলচ্চিত্রআমোল গুপ্ত রচিত চিত্রনাট্যে আমির খান প্রোডাকশন্স এটির প্রযোজনা করেছে। টাটা এলকসির ভিজ্যুয়াল কম্পিউটিং ল্যাবে চলচ্চিত্রটির ভিজ্যুয়াল এফেক্ট তৈরি হয়েছিল এবং এটির শিরোনাম অ্যানিমেশনে প্রথম বলিউড চলচ্চিত্র হিসাবে ধীমন্ত ব্যাস কর্তৃক মৃন্ময়ীকরণের ব্যবহার করা হয়। শঙ্কর-এহসান-লয় চলচ্চিত্রটির সুর রচনা করেছিলেন, এবং অধিকাংশ গান রচনা করেছিলেন প্রসূন জোশি। চলচ্চিত্রটির মূল চিত্রায়ন মুম্বই এবং পঞ্চগনির নিউ এরা হাই স্কুলে করা হয়েছিল এবং যে সকল দৃশ্যে বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল। চলচ্চিত্রটি আট বছর বয়সী ইশানের (দার্শিল সাফারি) জীবন ও কল্পনা সন্ধান করেছে। যদিও তিনি শিল্পের উপর দক্ষতা অর্জন করেছেন, তবুও তার দুর্বল শিক্ষায়তনিক যোগ্যতা তার পিতামাতাকে তাকে বোর্ডিং স্কুলে পাঠাতে উদ্যত করে। ইশানের নতুন আর্ট শিক্ষক (আমির খান) অনুমান করেছেন যে তিনি ডিসলেক্সিক, এবং তার এই অক্ষমতা কাটিয়ে উঠতে তাকে সহায়তা করেন। চলচ্চিত্রটি ২০০৭ সালের ২১ ডিসেম্বর ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এবং ইউটিভি হোম এন্টারটেইনমেন্ট ২০০৮ সালে ভারতীয় দর্শকদের জন্য এর একটি ডিভিডি সংস্করণ প্রকাশ করে। ২০০৮ সালে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং পরিবার কল্যাণে সেরা চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার সহ বেশকয়েকটি পুরষ্কার পেয়েছে চলচ্চিত্রটি। এটি ২০০৯ সালের ৮১তম একাডেমি পুরষ্কারে শ্রেষ্ঠ বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্রের জন্য ভারতের সরকারী প্রবেশিকা তালিকায় ছিল এবং সংক্ষিপ্ত মনোনয়ন তালিকায় অগ্রগতি না হওয়ায়, কোনও ভারতীয় চলচ্চিত্র অস্কার না জেতার বিষয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/২

চিত্র:Chennai Express.jpg

চেন্নাই এক্সপ্রেস (হিন্দি: चेन्नई एक्सप्रेस, ইংরেজি: Chennai Express) হচ্ছে ২০১৩ সালের একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র। এটি হিন্দি ভাষার একটি রোমান্টিক অ্যাকশন কমেডি চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন রোহিত শেঠি এবং রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টের অধীনে এটি প্রযোজনা করেছেন গৌরী খান। এই চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান এবং দীপিকা পাড়ুকোন। এটি তাদের একসাথে করা দ্বিতীয় চলচ্চিত্র, প্রথমটি ছিল ফারাহ খান পরিচালিত ওম শান্তি ওম। এই চলচ্চিত্রটি ২০১৩ সালের ৯ আগস্ট বিশ্বব্যাপী মুক্তি পায়। মুক্তির পর চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে দুর্দান্ত সফলতা পায় এবং মুক্তির প্রথম সপ্তাহে বক্স অফিসের প্রায় সকল রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলে। এটি শুধু ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউডের সর্বোচ্চ আয়ের চলচ্চিত্রই নয়, এটি বলিউডের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্রের মধ্যে অন্যতম।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/৩

পদ্মাবত পোস্টার.jpg

পদ্মাবত (পূর্বে পদ্মাবতী নাম ছিল) হচ্ছে ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় মহাকাব্যিক সময়ের নাট্য চলচ্চিত্র। এটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় লীলা ভন্সালী। ছবিতে নাম ভূমিকায় (রানী পদ্মিনী) অভিনয় করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন, পাশাপাশি শাহিদ কপূর মহারাওয়াল রতন সিং চরিত্রে এবং রনবীর সিং সুলতাল আলাউদ্দিন খিলজি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও অন্যান্য পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছেন অদিতি রাও হায়দারি, জিম সর্ব, রাজা মুরাদ এবং অনুপ্রিয়া গোয়েঙ্কামালিক মুহাম্মদ জাইসি রচিত পদ্মাবত (১৫৪০) মহাকাব্যের উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটিতে রাজপুত রাণী পদ্মাবতীর কাহিনীর বিবৃতি করে, যিনি খিলজি থেকে নিজেকে বাঁচাতে জওহর (আত্মবলিদান) দেন। ১৯০ কোটি (US$২৬.৪৪ মিলিয়ন) নির্মাণ ব্যয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি হচ্ছে বলিউডের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভারতীয় চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/৪

টাইগার জিন্দা হ্যায় পোস্টার.jpg

টাইগার জিন্দা হ্যায় (হিন্দি: टाइगर जिंंदा है; বাংলা: টাইগার বেঁচে আছে) হচ্ছে আলী আব্বাস জাফর পরিচালিত একটি ভারতীয় গুপ্তচর থ্রিলার চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রে সালমান খান এবং ক্যাটরিনা কাইফের পাশাপাশি সাজ্জাদ দেলফ্রোজ অভিনয় করেছেন। এছাড়াও পার্শ্ব চরিত্রে অঙ্গদ বেদী, কুমুদ মিশ্র, নবাব শাহ, গিরিশ কর্ণদ এবং পরেশ রাওয়াল অভিনয় করেছেন। এই চলচ্চিত্রটি টাইগার চলচ্চিত্র সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি, এর প্রথম কিস্তি ছিল ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এক থা টাইগার। এই চলচ্চিত্রটি ২০১৭ সালের ২২শে ডিসেম্বরে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। ২০১৭ সালে ১৮ই অক্টোবর তারিখে, দীপাবলি উপলক্ষে সালমান খান তার টুইটার অ্যাকাউন্টে এই চলচ্চিত্রের প্রথম প্রচ্ছদ প্রকাশ করেছিলেন। ২০১৭ সালে এপ্রিল মাসে, অস্ট্রিয়ায় এই চলচ্চিত্রের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/৫

১৭তম মুম্বই চলচ্চিত্র উৎসবে মেহরা

রং দে বাসন্তী রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরা পরিচালিত ২০০৬ সালের ভারতীয় নাট্য চলচ্চিত্র। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমির খান, সিদ্ধার্থ নারায়ণ, অতুল কুলকার্নি, কুনাল কাপুর,

শারমান যোশি, সোহা আলি খান এবং ব্রিটিশ অভিনেত্রী অ্যালিস প্যাটেন২৫০ মিলিয়ন (US$৩.৪৮ মিলিয়ন) বাজেটে নির্মিত চলচ্চিত্রটির চিত্রায়িত হয়েছিল নতুন দিল্লির আশেপাশে। গল্পটি একজন ব্রিটিশ প্রামাণ্যচিত্র চলচ্চিত্র নির্মাতা সম্পর্কে, যিনি তার দাদার, একজন ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তা, দিনলিপির ভিত্তিতে ভারতীয় স্বাধীনতা যোদ্ধাের উপর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে বদ্ধপরিকর। ভারতে পৌঁছে তিনি পাঁচজন যুবকের একটি দলকে তার চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে বলেছিলেন। তারা সম্মত হয়, তবে চিত্রায়ণ শুরু করার পরই যুদ্ধের বিমান দুর্ঘটনায় তাদের এক বন্ধু মারা যায়, যার মূল কারণ হিসাবে সরকারি দুর্নীতি বলে মনে করা হয়। এই ঘটনা তাদের উদ্বেগ সৃষ্টি করে, যারা তাদের বন্ধুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ২০০৬ সালের ২৬ জানুয়ারি চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছিল এবং সে বছর বাফটা পুরষ্কার অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্রের জন্য মনোনীত হয়েছিল। রং দে বাসন্তী গোল্ডেন গ্লোব পুরষ্কার এবং শ্রেষ্ঠ বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে একাডেমি পুরষ্কার বিভাগে ভারতের আনুষ্ঠানিক মনোনীত একমাত্র চলচ্চিত্র। এ। আর রহমানের সুর, ইতিবাচক পর্যালোচনা লাভ করেছিল, যার দুটি গান একাডেমি পুরষ্কারে মনোনয়নের জন্য বিবেচিত হয়েছিল।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/৬

Ashutosh Gowariker.jpg

লগান, আশুতোষ গোয়ারিকর রচিত এবং পরিচালিত ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হিন্দি ক্রীড়া চলচ্চিত্র। এটির প্রযোজক ছিলেন আমির খান, যিনি প্রধান চরিত্রে গ্রেসি সিংয়ের বিপরীতে অভিনয় করেছেন; পাশ্বচরিত্রে অভিনয় করেছেন ব্রিটিশ অভিনেতা রাচেল শেলি এবং পল ব্লাকথোরন২৫ কোটি (US$৩.৪৮ মিলিয়ন) বাজেটে নির্মিত চলচ্চিত্রটির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল ভারতের ভূজের নিকটবর্তী একটি প্রাচীন গ্রামে। চলচ্চিত্রটি ব্রিটিশ রাজের ভিক্টোরিয় যুগের পটরভূমিতে নির্মাণ করা হয়েছিল এবং যেখানে এক অনুর্বর গ্রামের কৃষকরা তাদের শাসকদের দ্বারা আরোপিত উচ্চতর খাজনার দ্বারা নিপীড়িত হয়। কৃষিজমি অনুর্বর থাকায় তারা ব্রিটিশ শাসকদের করের হার হ্রাস করার দাবি জানালে ব্রিটিশরা একটি শর্তে বাজির প্রস্তার জানায়। যদি তাদের গ্রামের দল ক্রিকেট খেলায় ব্রিটিশ দলকে পরাজিত করে, তবে তিন বছরের জন্য তাদের কর বাতিল করা হবে। বাজিটি গ্রহণ করার পরে, গ্রামবাসীরা একটি বিদেশি খেলা শেখে এবং ফলস্বরূপ খেলার কঠোর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় যা তাদের গ্রামের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের প্রশংসা ও পুরষ্কারের পাশাপাশি অনেক ভারতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার লাভ করে। এটি শেষ্ঠ বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে একাডেমি পুরষ্কারের জন্য মনোনীত তৃতীয় হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র। ২০১০ সালে, এম্পায়ার ম্যাগাজিন তাদের "দ্য হান্ড্রেড বেস্ট ফিল্মস অব ওয়ার্ল্ড সিনেমা" তালিকায় চলচ্চিত্রটি #৫৫ তম স্থানে রেখেছিল। ২০১১ সালে, চলচ্চিত্রটি টাইম ম্যাগাজিনের বিশেষ "দ্য অল-টাইম টুয়েন্টফিাইভ বেস্ট স্পোর্স্ট ফিল্ম"-এ তালিকাভুক্ত করেছিল।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/৭

Shah Rukh Khan (Berlin Film Festival 2008) 4.1.jpg

দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে যায়েঙ্গে হল ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় হিন্দি ভাষার প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্র। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আদিত্য চোপড়া, এবং এটিই তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। ছবিটি প্রযোজনা করেন যশ চোপড়া এবং রচনা করেন জাভেদ সিদ্দিকী ও আদিত্য চোপড়া। ছবিটির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খানকাজল। ১৯৯৫ সালের ২০শে অক্টোবর মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি ভারতে ₹১.০৬ বিলিয়ন এবং দেশের বাইরে ₹১৬০ মিলিয়ন আয় করে সেই বছরে বলিউডের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হয়ে ওঠে এবং এটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল চলচ্চিত্র। ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ ১০টি বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে এবং শ্রেষ্ঠ সুস্থ্য বিনোদন প্রদানকারী জনপ্রিয় চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। চলচ্চিত্রটির অ্যালবামটি ১৯৯০-এর দশকের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যালবাম।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/৮

কুছ কুছ হোতা হ্যায় ছবির প্রচ্ছদ.jpg

কুছ কুছ হোতা হ্যায় হল ১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় হিন্দি ভাষার প্রণয়ধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র। এটি রচনা ও পরিচালনা করেন করণ জোহর। এতে চতুর্থবারের মত কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন জনপ্রিয় পর্দা জুটি শাহরুখ খানকাজলরানী মুখার্জী পার্শ্ব অভিনেত্রী চরিত্রে এবং সালমান খান ক্ষণিক চরিত্রে অভিনয় করেন। ত্রিভূজ প্রেমের কাহিনী-নির্ভর চলচ্চিত্রটি বলিউডে ছবিটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করে এবং একাধিক পুরস্কার অর্জন করে, তন্মধ্যে রয়েছে শ্রেষ্ঠ সুস্থ্য বিনোদন প্রদানকারী জনপ্রিয় চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, জি সিনে পুরস্কার, স্ক্রিন পুরস্কারবলিউড মুভি পুরস্কার। চলচ্চিত্রটি আটটি বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে এবং একমাত্র চলচ্চিত্র হিসেবে অভিনয়ের চারটি বিভাগে তথা শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতাশ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/৯

Hrithik Roshan

Agneepath is a 2012 Indian action drama film produced by Hiroo Yash Johar and Karan Johar under the banner of Dharma Productions. It is a retelling of the 1990 film of the same name and was directed by Johar's former assistant Karan Malhotra. Hrithik Roshan (pictured) plays the lead role of Vijay Deenanath Chauhan and Sanjay Dutt plays the role of the antagonist Kancha Cheena, originally played by Amitabh Bachchan and Danny Denzongpa respectively; Rishi Kapoor portrays the newly introduced character of Rauf Lala. The supporting cast include Om Puri as Commissioner Gaitonde, Priyanka Chopra as Kaali Gawde and Zarina Wahab as Suhasini Chauhan, with Katrina Kaif featuring in an item number. The film follows the struggle of a common man, Vijay Chauhan, as he seeks revenge from Kancha Cheena for wrongly framing and murdering his father in the island village of Mandwa. In the process he befriends an underworld drug lord Rauf Lala and falls in love with a loquacious girl, Kaali Gawde. Agneepath was released on 26 January 2012 in 2650 screens worldwide, coinciding with the Republic Day celebrations. Made on a budget of ৬০ কোটি (US$৮.৩৫ মিলিয়ন), the film broke the highest opening day collections record in India and became a major critical and commercial success, with a worldwide gross of ১৯৩ কোটি (US$২৬.৮৬ মিলিয়ন). Box Office India declared the film as a "super hit". Agneepath has since emerged as one of the highest grossing films of all time from Bollywood.


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১০

VidyaBalan (cropped).jpg

পরিণীতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ১৯১৪ সালের পরিণীতা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত বলিউড সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির প্রযোজক বিধু বিনোদ চোপড়ার চিত্রনাট্যে প্রদীপ সরকার পরিচাালনায় অভিষেক ঘটান। চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিষেক বিদ্যা বালান, সাইফ আলি খানসঞ্জয় দত্ত। চলচ্চিত্রটি মূলত প্রধান চরিত্র ললিতা এবং শেখরকে ঘিরে, শৈশবকালীন সময় থেকে বন্ধু ছিল এবং ধীরে ধীরে এই বন্ধুত্ব প্রণয়ে রূপ নেয়। ধারাবাহিক ভুল বোঝাবুঝির প্রেক্ষাপটে শেখরের বাবার (সব্যসাচী চক্রবর্তী) প্রভাবে তারা উভয়ই পৃথক হয়ে পড়ে। গিরিশের আগমনের সাথে কাহিনি গভীরতা লাভ করে, যিনি ললিতার পরিবারের একজন সমর্থক হয়ে ওঠেন। অবশেষে, শেখরের প্রেম তার বাবার আকাঙ্ক্ষা অস্বীকার করে এবং সে ললিতার সন্ধান করে। চলচ্চিত্রটিতে ভারতীয় সাহিত্য এবং চলচ্চিত্রের বেশকয়েকটি উল্লেখযোগ্য ধারণা রয়েছে। প্রাক-মুক্তিতে কিছু বাধা থাকা সত্ত্বেও, এটি সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিল। এটি ফিল্মফেয়ার পুরষ্কার সহ বেশকয়েকটি পুরষ্কার জিতেছে। পরিচাালক প্রদীপ সরকার শ্রেষ্ঠ পরিচালনায় অভিষেক চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার অর্জন করেছিলেন। চলচ্চিত্রটি এছাড়াও বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলিতেও প্রদর্শিত হয়েছিল।

চলচ্চিত্র ১১–২০[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১১

ধর্মেন্দ্র

শোলে, জি. পি. সিপ্পী প্রযোজিত এবং রমেশ সিপ্পী পরিচালিত ১৯৭৫ সালের হিন্দি অ্যাকশন-রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র। এটি হিন্দি চলচ্চিত্রের বিশ্বকোষ অনুসারে ভারতীয় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলির একটি হিসাবে বিবেচিত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ধর্মেন্দ্র (ছবিতে), সঞ্জীব কুমার, হেমা মালিনী, অমিতাভ বচ্চন, জয়া ভাদুড়ি এবং আমজাদ খান। কর্ণাটকের রামনগড়ার পাথুরে ভূখণ্ডে ধারণকৃত চলচ্চিত্রটিতে কাহিনী অনুসারে, দুই সাধারণ অপরাধী বীরু ও জয়কে (ধর্মেন্দ্র ও বচ্চন) প্রাক্তন পুলিশ অফিসার নিযুক্ত করেন নিষ্ঠুর ডাকাত গব্বর সিংকে (আমজাদ খান) ধরবার জন্যে। হেমা মালিনী এবং জয়া ভাদুড়ি অভিনয় করেছেন বীরু ও জয়ের প্রণয়ী রূপে। চলচ্চিত্রটির গল্প নির্মাণে পশ্চিমা প্রচলন রয়েছে। মুক্তির পরপর এটি মর্মস্পর্শী সাড়া জাগিয়েছিল, এবং দর্শকের প্রচারের কারণে শীঘ্রই এটি বক্স অফিসে সাফল্য পায়। চলচ্চিত্রটি মুম্বইয়ের প্রেক্ষাগৃহে একনাগাড়ে ২৮৬ সপ্তাহ (পাঁচ বছরেরও অধিক সময়) প্রদর্শিত হয়েছিল এবং পুরো ভারত জুড়ে ৬০টি স্বর্ণজয়ন্ত (একটানা ৫০ সপ্তাহ) প্রদর্শনীর রেকর্ড অর্জন করে। এটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রথম চলচ্চিত্র যা পুরো ভারত জুড়ে শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে রজতজয়ন্তী (২৫ সপ্তাহ) উদযাপন করেছে। কোনো কোনো হিসাবমতে, মুদ্রাস্ফীতি ও অন্যান্য কারণে, শোলে সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্র। ভারতীয় কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র অনুমোদন পর্ষদ প্রাথমিকভাবে সহিংসতা এবং মৃত্যুর সাথে জড়িত বেশ কয়েকটি দৃশ্য কেটে বাদ দিতে বাধ্য করেছিল। ফলে ১৮৮ মিনিটের দৈর্ঘ্যে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছিল। ১৫ বছর পরে, ২০৪ মিনিটের মূল পরিচালকের কর্তন প্রকাশ করা হয়েছিল। শোলে ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং ধ্রুপদী চলচ্চিত্র হিসেবে স্বীকৃত। ২০০২ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউট প্রকাশিত সর্বকালের "শীর্ষ দশটি ভারতীয় চলচ্চিত্র" তালিকাতে এটি প্রথম স্থান পায়। ২০০৫ সালে ৫০তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের বিচারকগণ এটিকে "৫০ বছরের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র" হিসাবে অভিহিত করে।

প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১২

Kareena Kapoor

এক ম্যায় অর এক তু ২০১২ সালের ভারতীয় প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র যেটি রচনা এবং অভিষেক পরিচালনা করেছেন শাকুন বাত্রাধর্ম প্রডাকশন্সের ব্যানারে করণ জোহরহিরু যশ জোহর এবং ইউটিভি মোশন পিকচার্সের রনি স্ক্রুওয়ালার পাশাপাশি চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন। চলচ্চিত্রে মূল চরিত্রে ইমরান খানের অভিষেক ঘটে কারিনা কাপুরের (চিত্রিত) বিপরীতে, পাশ্ব চরিত্রসমূহে অভিনয় করেছেন রত্না পাঠক শাহ, বোমান ইরানি এবং রাম কাপুর। এটি লাস ভেগাসে বসবাসকারী রাহুল কাপুর নামে এক উঁচু স্থপতিকে কেন্দ্র করে, যিনি তার চাকরি হারান এবং একরাতে দুর্ঘটনাক্রমে রিয়ানা ব্রাগানজা নামে একটি মুক্ত-উৎসাহী হেয়ারস্টাইলিস্টকে বিয়ে করেন। পারস্পরিকভাবে বিবাহ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে, রাহুল রিয়ানার প্রতি একতরফা আকর্ষণ বোধ করে, যা তাদের নতুন পাওয়া বন্ধুত্ব ভাঙ্গার হুমকিস্বরূপ। ২০১০ সালে চলচ্চিত্রটির কাজ শুরু হয়, যখন জোহর বাত্রা এবং খানকে তার ব্যানারে নির্মিত একটি চলচ্চিত্রের জন্য চুক্তিবদ্ধ করেছিলেন। চলচ্চিত্র নির্মাণের উডি অ্যালেন শৈলীর অনুপ্রাণিত হয়ে আয়েশা দেবিত্রে এবং বাত্রা চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করেছিলেন, এবং ভেগাস, লস অ্যাঞ্জেলেস, পতৌদি এবং মুম্বইয়ে মূল চিত্রগ্রহণ হয়েছিল। অমিত ত্রিবেদী রচিত গানে চলচ্চিত্রটির সুর করেছিলেন অমিতাভ ভট্টাচার্য। মূলত ২০১১ সালের শরতে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও, অবশেষে ২০১২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, এক ম্যায় অর এক তু মুক্তি পাওয়ার পর ইতিবাচক সমালোচনা লাভ করেছিল। পাশাপাশি খান ও কাপুরের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছিল। ৩৬ কোটি (US$৫.০১ মিলিয়ন) বাজেটের উপর নির্মিত চলচ্চিত্রটি দেশীয় বাজারে মোট আয় করেছে ৩৯.৭৫ কোটি (US$৫.৫৩ মিলিয়ন), যার ফলে বক্স-অফিসে মাঝারি সাফল্য হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৩ প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৩


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৪

মীরা নায়ার

সালাম বম্বে! ভারতের বৃহত্তম শহর বম্বের (বতর্মানে মুম্বই) বস্তিগুলিতে বাস করা শিশুদের দৈনন্দিন জীবনের ইতিহাস চিত্রায়নের মধ্য দিয়ে ভারতে সংগঠিত অপরাধচিত্র দৃশ্যায়ন করে। ১৯৮৮ সালের এই হিন্দি অপরাধ-নাট্য চলচ্চিত্র রচনা, সহ-প্রযোজনা এবং পরিচালনা করেছেন মীরা নায়ার। মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শফিক সাইয়েদ, রঘুবীর যাদব, অনিতা কানওয়ার, নানা পাটেকর, হাসনা ভিতাল এবং চন্দ শর্মা। নায়ারের গল্পের চিত্রনাট্য রচনা করেছেন তার দীর্ঘকালীন সৃজনশীল সহযোগী সোনি তারাপোরেভেলা। চলচ্চিত্র শুরুর পূর্বের ঘটনায় জানা যায় যে, কৃষ্ণা (শফিক সাইয়েদ) তার বড় ভাইয়ের মোটরবাইকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল এবং এই ঘটনা তার মায়ের সাথে তার দ্বন্ধের সৃষ্টি করে। কৃষ্ণার মা তাকে নিকটবর্তী অ্যাপোলো সার্কাসে নিয়ে আসেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ বাইকের জন্য ৫০০ রুপি উপার্জন না করা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরার নির্দেশ দেন। সার্কাস থেকে কৃষ্ণা ঘটনাক্রমে বম্বের গ্রান্ট রোড রেলওয়ে স্টেশনের নিকটবর্তী ফকল্যাণ্ড রোডের কুখ্যাত গণিকালয় অঞ্চলে এসে পৌঁছায়। চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ হিন্দি ভাষার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, শীর্ষ বিদেশী চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় পর্যালোচনা বোর্ড পুরস্কার, কান চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন ক্যামেরা ও শ্রোতা পুরষ্কার, এবং মন্ট্রিয়ল বিশ্ব চলচ্চিত্র উৎসবে তিনটি বিভাগে পুরষ্কার জিতেছে। চলচ্চিত্রটি ১৯৮৮ সালে ৬১তম একাডেমি পুরস্কার অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে ভারতের নিবেদিত দ্বিতীয় মনোনীত চলচ্চিত্র ছিল। চলচ্চিত্রটি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের "দ্য বেস্ট ১০০০ মুভিজ এভার মেড" তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৫

ঐশ্বর্যা রাই

ধুম ২, সঞ্জয় গাধবি পরিচালিত এবং আদিত্য চোপড়াযশ চোপড়া প্রযোজিত ৩৫ কোটি (US$৪.৮৭ মিলিয়ন) বাজেটের ২০০৬ সালের বলিউড অ্যাকশন চলচ্চিত্র। এটি ধূম ধারাবাহিকের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। অভিনেতা অভিষেক বচ্চনউদয় চোপড়া চলচ্চিত্রে যথাক্রমে বন্ধু কপ্সত জয় দীক্ষিত ও আলি চরিত্রে উপস্থিত হয়েছেন। এটি মিস্টার এ (হৃতিক রোশন) নামক একজন পেশাদার চোরকে আটক করার দ্বৈত প্রচেষ্টা, যার চরিত্র উচ্চ প্রযুক্তির গ্যাজেট ব্যবহার করে বিরল এবং মূল্যবান সংগ্রহযোগ্য জিনিসপত্র চুরি করা। প্রাথমিকভাবে চলচ্চিত্রের চিত্রায়ন ভারতডার্বান শহরে হয়েছিল, এবং ব্রাজিলে চিত্রায়িত প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্র হিসাাবে রিও ডি জানেইরোতে কিছু অংশ চিত্রায়ন হয়েছিল। ২০০৬ সালের ২৪ নভেম্বর ভারতে চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার হয়, যেখানে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এটির ১৮০০-এরও বেশি মুদ্রণ মুক্তি পেয়েছিল। ধুম ২ সাধারণভাবে সমালোচক এবং শ্রোতা উভয়য়ের প্রশংসা পেয়েছিল। এটি ২০০৬ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছিল এবং সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী বলিউড চলচ্চিত্রসমূহের তালিকাভুক্ত হয়েছিল। এটি বিদেশের বাজারে সর্বাধিক উপার্জনকারী সপ্তম বলিউড চলচ্চিত্র। ১৫০ কোটি (US$২০.৮৭ মিলিয়ন) অয়ের পরে, চলচ্চিত্রটি বক্স অফিস ইন্ডিয়াতে "ব্লকবাস্টার" রেটিংয়ে উন্নীত হয়েছিল। রটেন টম্যাটোসে সমালোচকদের ৮০ শতাংশ সমর্থন পেয়েছে চলচ্চিত্রটি। সমালোচকরা ধুম ২ চলচ্চিত্রের বহিরাগত স্থানীয় এবং বিস্তৃত অ্যাকশন সিকোয়েন্সের প্রশংসা করেছিলেন। চলচ্চিত্রে রোশন তার চরিত্রের জন্য ৫২তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার আয়োজনে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে পুরস্কার এবং ঐশ্বর্যা রাই সুনেহরি চরিত্রের জন্য বছরের শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে স্টারডাস্ট পুরষ্কার জিতেছেন।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৬

রনবীর কাপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, ও ইলিয়েনা ডি ক্রুজ

বর্ফী!, অনুরাগ বসু পরিচালিত ২০১২ সালের ভারতীয় হাস্যরসাত্মক প্রণয়ধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র। অনুরাগ বসু ও তনি বসুর কাহিনি ও চিত্রনাট্যে চলচ্চিত্রটির সংলাপ লিখেছেন সঞ্জীব কুমার। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন রনবীর কাপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, ও ইলিয়েনা ডি ক্রুজ। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌরভ শুকলা, আশিষ বিদ্যার্থী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। চলচ্চিত্রটি ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায়। ৩০ কোটি (US$৪.১৭ মিলিয়ন) বাজেটে নির্মিত চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী 1.75 বিলিয়ন (US$২৪.৩৫ মিলিয়ন) এর বেশি আয়ের মধ্য দিয়ে সে বছরের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হয়ে ওঠে। চলচ্চিত্রটি ৮৫তম একাডেমি পুরস্কারে সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে ভারতীয় নিবেদন ছিল। চলচ্চিত্রটি ৫৮তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে ১৩টি বিভাগে মনোনয়ন লাভ করে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ সাতটি বিভাগে পুরস্কার জেতে।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৭ দেবদাস শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ১৯১৭ সালের দেবদাস উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ২০০২ সালের বলিউড প্রণয়ধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র। এটি দেবদাস উপন্যাসের তৃতীয় বলিউড (হিন্দি) সংস্করণ এবং হিন্দিতে প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র সংস্করণ। নব্বইয়ের দশকের গোড়ার পটভূমিতে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে দেবদাস চরিত্রে আভনিয় করেছেন শাহরুখ খান, যিনি লন্ডন থেকে ফিরে এসেছিলেন ঐশ্বর্যা রাই অভিনীত তার শৈশবের প্রিয়তম পারোকে বিয়ে করার জন্য। যদিও তার নিজের পরিবার এই বিয়ে প্রত্যাখ্যান করে, পরিণামে তার আবেগের অবনতি ঘটে এবং তিনি মাধুরী দীক্ষিত অভিনিত চন্দ্রমুখী চরিত্রের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় লীলা বনশালি। দেবদাস ভূমিকায় শাহরুখ খান এর অভিনয় সর্বোত্তম বিবেচনা করা হয়, এবং তাকে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার প্রদান করে। গান "দোলা রে দোলা" ঐশ্বর্যা রাই এবং মাধুরী দীক্ষিত এর মধ্যে এক অনন্য নৃত্য একসঙ্গে দৃশ্যায়ন করা হয় এবং দৃশ্যটি বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। দেবদাস এর মুক্তির সময় পর্যন্ত বলিউড এটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল হিসেবে তৈরি করেছিল চলচ্চিত্র, বাজেট ছিল ভারতীয় মুদ্রায় ৫০ কোটি টাকা। ছবি মুক্তির কিছু দিন পরে ছয়টি বৈকল্পিক ভাষায় সংস্করণ করে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল: ইংরেজি, ফরাসী, জার্মান, মান্দারিন, থাই, এবং পাঞ্জাবী।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৮

Aditya Roy Kapoor

আশিকি ২ ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউড প্রণয়ধর্মী সঙ্গীতধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র যেটি পরিচালনা করেছেন মোহিত সুরি। শ্রেষ্ঠাংশে অভিনয় করেছেন আদিত্য রয় কাপুর (চিত্রিত) এবং শ্রদ্ধা কাপুর। এটি টি-সিরিজবিশেষ ফিল্মসের ব্যানারে প্রযোজনা করেছেন ভূষণ কুমারমুকেশ ভাট। ২০১০-এর দশকের গোড়ার পটভূমিতে, আশিকি ২ একটি প্রেমের গল্প যা সঙ্গীতশিল্পী রাহুল এবং অরোহির মধ্যেকার অশান্ত সম্পর্কের চারপাশে কেন্দ্র করে, এমন একটি সম্পর্ক যা রাহুলের মদ্যপান এবং রুক্ষ মেজাজ কারণে প্রভাবিত হয়। চলচ্চিত্রটি ১৯৯০-এর মিউজিকাল ব্লকবাস্টার আশিকি চলচ্চিত্রের সিক্যুয়াল, এবং প্রাথমিকভাবে ভারতীয় মিডিয়ায় উদ্বেগ সৃষ্টির করেছিল যে চলচ্চিত্রটি উচ্চ মানের এবং মূল চলচ্চিত্রের সাফল্য ধরে রাখতে পারে। ২০১১ সালে আশিকি ২-এর প্রযোজনা শুরু হয়েছিল, যেটির মূল চিত্রগ্রহণ কেপ টাউন, গোয়া এবং মুম্বইয়ে ৯০ মিলিয়ন (US$১.২৫ মিলিয়ন) বাজেটের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। ২৬ এপ্রিল ২০১৩ সালে প্রিমিয়ার অনুষ্‌ঠিত এই চলচ্চিত্রটি মিশ্র ও ইতিবাচক সমালোচনামূলক সাড়া পেয়েছে এবং প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাপী 1 বিলিয়ন (US$১৩.৯১ মিলিয়ন) আয়ের মাধ্যমে বক্স অফিসে বড় ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করেছে। বক্স অফিস ইন্ডিয়া তাদের তিন সপ্তাহের বক্স অফিস পরিচালনা করার পরে চলচ্চিত্রটিকে ব্লকবাস্টার হিসাবে ঘোষণা করেছিল। চলচ্চিত্রটির সাউন্ডট্র্যাক মুক্তির পরে জনপ্রিয় হয়েছিল; "তুমি হি হো" এবং "সুন রাহ হ্যায়" গানগুলি ভারতের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম জুড়ে চার্টে শীর্ষ অবস্থানে ছিল।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/১৯

রণবীর সিং, আলিয়া ভাট

গালি বয় জোয়া আখতার পরিচালিত ২০১৯ সালের হিন্দি ভাষার সঙ্গীতধর্মী নাট্য চলচ্চিত্র। জোয়া আখতার ও রিমা কাগতি চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর সিংআলিয়া ভাট এবং পার্শ্ব চরিত্রে কাল্কি কেকল্যাঁ, সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী, ও বিজয় রাজ। ভারতীয় গলির র‍্যাপ-গায়ক ডিভাইন ও নেয়াজির জীবন থেকে অনুপ্রাণিত চলচ্চিত্রটি মুম্বইয়ের ধরবি বস্তির উদীয়মান র‍্যাপ-গায়কের গল্প নিয়ে নির্মিত। চলচ্চিত্রটির মূল চিত্রধারণ শুরু হয় ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে এবং শেষ হয় ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে। ২০১৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয় এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের নিকট থেকে ইতিবাচক পর্যালোচনা লাভ করে। বিশ্বব্যাপী ₹২৩৮ ($) কোটি রূপী আয়কারী চলচ্চিত্রটি ২০১৯ সালের সপ্তম সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটিকে ৯২তম একাডেমি পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে ভারত থেকে নিবেদন করা হয়, তবে চূড়ান্ত বিভাগে চলচ্চিত্রটি মনোনয়ন পায়নি।


প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/২০ প্রবেশদ্বার:বলিউড/নির্বাচিত চলচ্চিত্র/২০