প্রবেশদ্বার:জীবনী/নির্বাচিত জীবনী/সংগ্রহশালা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

এটি উইকিপিডিয়ার নির্বাচিত নতুন জীবনী নিবন্ধ এবং অসাধারণভাবে বর্ধিত প্রাক্তন অসম্পূর্ণ জীবনী নিবন্ধের মহাফেজখানা বা সংগ্রহশালা। এই নিবন্ধগুলো প্রবেশদ্বার জীবনী পাতার নির্বাচিত জীবনী নিবন্ধ বিভাগে প্রতি মাসে (বা প্রতিদিনে,অধিক পরিমান জীবনী নিবন্ধ প্রস্তাবিত হলে) চক্রাকারে প্রদর্শিত হবে। আপনিও বিবেচিত হবার জন্য এখানে নতুন জীবনী নিবন্ধ দাখিল করতে পারেন।

প্রস্তাবিত জীবনী[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার জীবনী পাতার জন্য আপনার নতুন জীবনী নিবন্ধ দাখিল করতে পারেন।

বর্তমান নির্বাচিত জীবনী নিবন্ধ[সম্পাদনা]

জানুয়ারি[সম্পাদনা]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১ - ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ - ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) বাংলার দিকপাল কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক। তিনি গুরুদেব, কবিগুরুবিশ্বকবি অভিধায় নন্দিত। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ও বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা সাহিত্যসংগীতে রবীন্দ্রনাথ এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। নোবেল ফাউন্ডেশন তাঁর এই কাব্যগ্রন্থটিকে বর্ণনা করেছিল একটি "গভীরভাবে সংবেদনশীল, উজ্জ্বল ও সুন্দর কাব্যগ্রন্থ" রূপে।প্রথম ছোটোগল্প ও নাটক রচনা করেন এই বছরেই। রবীন্দ্রনাথ ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরোধিতা করে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তাঁর মতাদর্শ প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর বিচিত্র ও বিপুল সৃষ্টিকর্ম এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশ্বভারতীর মধ্য দিয়ে।বঙ্গীয় শিল্পের আধুনিকীকরণে তিনি ধ্রুপদি ভারতীয় রূপকল্পের দূরুহতা ও কঠোরতাকে বর্জন করেন। নানান রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিষয়কে উপজীব্য করে রচিত হয়েছে তাঁর উপন্যাস, ছোটোগল্প, সংগীত, নৃত্যনাট্য, পত্রসাহিত্য ও প্রবন্ধসমূহ। তাঁর বহুপরিচিত গ্রন্থগুলির অন্যতম হল গীতাঞ্জলি, গোরা, ঘরে বাইরে, রক্তকরবী, শেষের কবিতা ইত্যাদি। রবীন্দ্রনাথের কাব্য, ছোটোগল্প ও উপন্যাস গীতিধর্মিতা, সহজবোধ্যতা, ধ্যানগম্ভীর প্রকৃতিবাদ ও দার্শনিক চিন্তাধারার জন্য প্রসিদ্ধ। তাঁর রচিত গান আমার সোনার বাংলাজনগণমন-অধিনায়ক জয় হে যথাক্রমে বাংলাদেশভারত রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত।(আরও পড়ুন...)
দেখুন - আলাপ -

ফেব্রুয়ারি[সম্পাদনা]

নওয়াব বাহহদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী

নওয়াব বাহহদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী (জন্ম: ২৯ ডিসেম্বর, ১৮৬৩; মৃত্যু: ১৭ এপ্রিল, ১৯২৯) বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব বাংলা) টাঙ্গাইলস্থ ধনবাড়ীর নবাব ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠা। তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলমান মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। নওয়াব আলী চৌধুরী অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুসলমান মন্ত্রী হন। শিক্ষাবিস্তারে তার আন্তরিকতার জন্য সে সময় তাকে শিক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১৯২৯ সালের এপ্রিল ১৭ ইন্তেকালের আগ পর্যন্ত তিনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এদেশে নওয়াব আলী চৌধুরী ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে জমি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। ১৯১০ সালে তিনি নিজস্ব এলাকা ধনবাড়ীতে নওয়াব ইনস্টিটিউট নামের একটি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া সোনাতলা, কোদালিয়া, গফরগাঁও, পিংনা, জঙ্গলবাড়ি, হয়বতনগরসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সহায়তা করেন। ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আর্থিক সংকটের কারনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ চাপা পড়ে যায়। সে সময় নওয়াব আলী চৌধুরী ইম্পেরিয়াল কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তিনি বিষয়টি আবার ১৯১৭ সালের ৭ মার্চ ইম্পেরিয়াল কাউন্সিলের সভায় আবার উপস্থাপন করেন। ১৯২০ সালের মার্চ ১৮ ভারতীয় আইনসভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল অ্যাক্টে পরিনত হয় এবং ২৩ মার্চ তা গভর্নর জেনারেলের অনুমোদন লাভ করে। লর্ড হার্ডিঞ্জ কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নয় বছর পর ১৯২১ সালের জুলাই মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যথারীতি ক্লাস শুরু হয়। ১৯২২ সালে তিনি ছাত্র ছাত্রীদের বৃত্তি বাবদ ১৬ হাজার টাকার একটি তহবিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদান করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালে অর্থাভাব দেখা গেলে নিজ জমিদারীর একাংশ বন্ধক রেখে এককালীন ৩৫,০০০ টাকা প্রদান করেন।... ... ... ... আরো জানুন
দেখুন - আলাপ -

মার্চ[সম্পাদনা]

দেকার্তের ছবি

রেনে দেকার্ত (ফরাসি René Descartes রনে দেকার্ত্‌, আ-ধ্ব-ব [ʀəˈne deˈkaʀt]) একজন ফরাসি দার্শনিক, গণিতজ্ঞ, এবং বিজ্ঞানী।তিনি পাশ্চাত্যের প্রথম আধুনিক দার্শনিক হিসেবে স্বীকৃত। তিনি একজন দ্বৈতবাদী (dualist) দার্শনিক ছিলেন। তাছাড়া তিনি জ্যামিতিবীজগনিতের মধ্যে কার সম্পর্ক নিরুপন করেন, যার দ্বারা বীজগনিতের সাহায্যে জ্যামিতিক সমস্যা সমাধান সম্ভব হয়। তিনি বস্তু সম্পর্কে এক নতুন ধারণা দেন। দেকার্ত ১৫৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ শে মার্চ লাহ্যেতে জন্ম গ্রহন করেণ। তার পিতা জোয়াসিম দেকার্ত এবং মাতা জেনি ব্রোচার্ড। তার আরো এক ভাই (পায়েরি) ও এক বোন (জেনি) ছিল। দেকার্তের পিতা একধারে একজন উকিল ও ম্যাজিস্ট্রট ছিলেন, ফলে সংসারে তিনি বেশি সময় দিতে পারতেন না। জেনি ব্রোচার্ড দেকার্তের জন্মের দুই মাস পর মে মাসে মারা যান; তখন দেকার্তএবং তার অন্য দুই ভাই ও বোন লাহ্যেতে তাদের দাদির কাছে চলে যান। জীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় বাস করেছেন।তরুণ বয়সেই মানুষ এবং মহাবিশ্বের স্বরুপ জানার জন্য একটি অন্তর্দৃষ্টি পাবার প্রবল ইচ্ছা জাগে তাঁর মনে। গভীর অধ্যয়নের পরে দেকার্ত এই সিদ্ধান্তে আসেন যে ইউরোপীয় মধ্যযুগ থেকে যে জ্ঞান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এসেছে তা খুব নির্ভরযোগ্য নয়। তিনি ঠিক করলেন সারা ইউরোপ ঘুরে বেড়াবেন, ঠিক যেমন সক্রেটিস অ্যাথেন্সের লোকের সাথে কথা বলে জীবন কাটিয়েছিলেন। এ কারণে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে যুদ্ধে চলে গেলেন তিনি, তার ফলে মধ্য ইউরোপে কিছু দিন থাকার সুযোগ হল তাঁর। সেনাবাহিনীতে তিনি কী করতেন তা সঠিক ভাবে জানা যায় না\ ১৬১৯ সালে তিনি সেনাবাহিনী ত্যাগ করেন। এর পর প্যারিসে কাটান কিছু বছর, তারপর ১৬২৯ সালে চলে যান হল্যান্ড। সেখানে গণিত আর দর্শন বিষয়ক লেখালিখি নিয়ে কাটিয়ে দেন প্রায় বিশ বছর। ১৬৪৯ সালে রানী ক্রিস্টিনার আমন্ত্রনে সুইডেন যান এবং সেখানে নিউমোনিয়ার আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৫৪ বছর বয়সে ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দের শীতকালে মৃত্যুবরণ করেন।... ... ... ... ... আরও জানুন
দেখুন - আলাপ -

এপ্রিল[সম্পাদনা]

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু

সুভাষ চন্দ্র বসু (জানুয়ারি ২৩, ১৮৯৭ - আগস্ট ১৮, ১৯৪৫?টিকা) ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম স্বাধিকার আন্দোলনের নেতা। তিনি নেতাজী হিসাবেও ব্যাপক পরিচিত। তিনি পরপর দুবার ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন, পরবর্তিতে মহাত্মা গান্ধীর সাথে আদর্শগত মতভেদের কারণে সৃষ্ট দলীয় অনাস্থার ফলে এই পদ থেকে তাঁকে পদত্যাগও করতে হয়। নেতাজী বিশ্বাস করতেন, মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি স্বাধীনতা আদায়ে যথেষ্ট নয়, এবং তাই তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধের পক্ষ নিয়েছিলেন। তিনি অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক নামে পৃথক রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করেন, অতিসত্ত্বর ব্রিটিশ রাজত্বের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে সম্পূর্ণ স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। জাপান-অধিকৃত সিঙ্গাপুরে রাসবিহারী বসুর তত্বাবধানে ভারতীয় উপমহাদেশের যুদ্ধবন্দীদের নিয়ে গঠিত আজাদ হিন্দ ফৌজকে পরিচালনা করে তিনি উত্তরপূর্ব ভারতীয় সীমায় প্রবেশ করে ইম্ফল অবধি দখল করতে সক্ষম হন।১৯২০ সালে সুভাষ চন্দ্র ভারতের সিভিল সার্ভিস (ICS) পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ইংরেজীতে সর্বোচ্চ নাম্বার সহ চতুর্থ স্থান লাভ করেন। মেধাতালিকায় উপরের সারিতে থাকা সত্ত্বেও তিনি, ১৯২১ সালের এপ্রিল মাসে সিভিল সার্ভিসের মর্যাদাপূর্ণ চাকরি ছেড়ে দেন, এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় সদস্য হিসাবে যোগদান করেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যুক্ত হয়ে এটির যুব শাখায় সক্রিয় হন। তবে, সুভাষ চন্দ্র বসুর দর্শন, মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির সাথে না মেলায়, তিনি কলকাতা ফিরে গিয়ে বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং স্বরাজ্য পার্টির প্রতিষ্ঠাতা (মতিলাল নেহরুর সাথে) চিত্তরঞ্জন দাসের সাথে যোগ দেন। ১৯২১ সালে ওয়েলসের যুবরাজের ভারত আগমন উদযাপনের বিরোধীতা করে সুভাষ চন্দ্র এক বয়কটের আহবান করেন; ফলশ্রুতিতে তাঁকে জেলে যেতে হয়। ... ... ... আরও জানুন
দেখুন - আলাপ -

মে[সম্পাদনা]

মুহম্মদ জাফর ইকবাল (জন্ম ডিসেম্বর ২৩, ১৯৫২) একজন বাংলাদেশী লেখক, পদার্থবিদ, ও শিক্ষাবিদ। তিনি বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখা ও জনপ্রিয়করণের পথিকৃত। এছাড়াও তিনি একজন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক এবং কলাম-লেখক। তাঁর লেখা বেশ কয়েকটি উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে। তিনি বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানপ্রকৌশল বিভাগে অধ্যাপনা করছেন, যদিও তিনি পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।(আরও জানুন...)
দেখুন - আলাপ -


জুন[সম্পাদনা]

আলবার্ট আইনস্টাইন

আলবার্ট আইনস্টাইন (জার্মান ভাষায়: Albert Einstein আল্‌বেয়াট্‌ আয়ন্‌শ্‌টায়ন্‌) (১৪ই মার্চ, ১৮৭৯ - ১৮ই এপ্রিল, ১৯৫৫) একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। আলবার্ট আইনস্টাইন জন্মসূত্রে ছিলেন জার্মান । তিনি সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ববিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জনক হিসাবে এবং আলোর কণাধর্মের ব্যাপারে সাহসী অনুকল্পের (Hypothesis) জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনিই সম্ভবত বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে পরিচিতিপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী।আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের (ঊনবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল'র মৃত্যুর বছর) ১৮ই মার্চ উল্‌ম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কাটে মিউনিখ-এ। সেখানে তাঁদের পরিবারের একটা ছোট্ট তাড়িৎ যন্ত্রাদি নির্মাণের দোকান ছিল। তিন বছর বয়সের পর থেকে প্রথম কথা বলা শুরু করলেও অল্পবয়সেই তাঁর মধ্যে প্রকৃতির প্রতি অপার কৌতুহল এবং বিভিন্ন জটিল গাণিতিক ধারণাসমূহ বোঝার ক্ষেত্রে বিশেষ পারঙ্গমতা পরিলক্ষিত হয়। ১২ বছর বয়সে তিনি নিজে নিজেই ইউক্লিডীয় জ্যামিতি আয়ত্ত করেন।আইনস্টাইন মিউনিখের বিদ্যালয়ের একঘেয়ে পড়াশুনা এবং নিয়মকানুনের প্রতি কড়াকড়িকে ঘৃণা করতেন। বারম্বার ব্যবসায়ে ব্যার্থতার দরুণ জার্মানি ছেড়ে তাঁদের পরিবার ইতালির মিলানে পাড়ি জমায়। আইনস্টাইনের তখন ১৫ বছর বয়স। এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের পাঠ পরিত্যাগ করেন। মিলানে একটি বছর তিনি পরিবারের সাথে কাটিয়ে দেন। ততদিনে 'কঠিন এই দুনিয়ায় নিজের পথ নিজেকেই দেখতে হবে' কথাটি তিনি অনুধাবণ করতে শিখে গেছেন, আর তাই সুইজারল্যান্ড'র আরাও (Aarau)-তে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি জুরিখ-এ অবস্থিত সুইস ফেডেরাল ইন্সটিটিউট অফ টেকনলজি (Swiss Federal Institute of Technology)-তে ভর্তি হন। কিন্তু ওখানকার পাঠদান পদ্ধতি তাঁর ভালো লাগতো না। প্রায়শই তাই ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তিনি ওই সময়টাতে পদার্থবিজ্ঞানে নিজের খেয়ালমত বিষয়গুলি পড়তেন নতুবা তাঁর সাধের ভায়োলিনটি বাজাতেন। জনৈক সমপাঠীর ক্লাস-লেকচার পড়ে পড়েই তিনি পরীক্ষাগুলি উৎরে যেতেন। এমনি করেই ১৯০০ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তাঁর সম্পর্কে অধ্যাপকগণের ধারণা তেমন উঁচু ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন পদে চাকরির জন্য আইনস্টানকে মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারেও তাঁরা রাজি ছিলেন না।দুই বছর তিনি টিউটর এবং বদলি শিক্ষক(Substitute teacher) হিসাবে কাজ করেন। ১৯০২ সালে তিনি বার্নে অবস্থিত সুইস পেটেন্ট কার্যালয়ে পরীক্ষকের কাজ যোগাড় করতে সমর্থ হন। ১৯০৩ সালে তিনি বহুকৌশল(Polytechnique) শিক্ষালয়ের এককালীন সহপাঠিনী মিলেভা মেরিক এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুটি পুত্রসন্তান হয়। কিন্তু পরবর্তিতে তাঁদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এবং আইনস্টাইন পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ... ... ... আরও জানুন
দেখুন - আলাপ -

জুলাই[সম্পাদনা]

সত্যজিৎ রায়ের প্রতিকৃতি

সত্যজিৎ রায় একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্পের জগতে খ্যাতনামা এক বাঙালি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজশান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী ছবি লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তাঁর কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্রস্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁর নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” পুরস্কারটি। পথের পাঁচালি, অপরাজিতঅপুর সংসার – এই তিনটি চলচ্চিত্রকে একত্রে অপু ত্রয়ী ডাকা হয়, এবং এই চলচ্চিত্র-ত্রয়ী তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ বা ম্যাগনাম ওপাস হিসেবে বহুল স্বীকৃত। চলচ্চিত্র মাধ্যমে সত্যজিৎ চিত্রনাট্য রচনা, চরিত্রায়ন, সঙ্গীত স্বরলিপি রচনা, চিত্র গ্রহণ, শিল্প নির্দেশনা, সম্পাদনা, শিল্পী-কুশলীদের নামের তালিকা ও প্রচারণাপত্র নকশা করাসহ নানা কাজ করেছেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)
দেখুন - আলাপ -

আগষ্ট[সম্পাদনা]

রিয়াজ আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা ছবির সেটে (২০০৭)

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিক যিনি সাধারনভাবে রিয়াজ নামে পরিচিত (জন্ম: ২৬ অক্টোবর, ১৯৭২) একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলার নায়ক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পদার্পণ করেন। ১৯৯৭ সালে মহাম্মদ হান্নান পরিচালিত প্রাণের চেয়ে প্রিয় চলচ্চিত্রে রিয়াজ অভিনয় করেন যা ব্যবসায়িকভাবে সফল হয় এবং রিয়াজকে জনসাধারনের মাঝে জনপ্রিয় করে তোলে। তিনি বাংলাদেশের অনেক প্রখ্যাত পরিচালকের চলচিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও রিয়াজ ভারতীয় চলচ্চিত্রকার ও অভিনেতা মহেশ মাঞ্জরেকার এর ইট ওয়াজ রেইনিং দ্যাট নাইট নামে একটি ইংরেজী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এই চলচ্চিত্রে রিয়াজ বলিউড অভিনেত্রী সুশমিতা সেনের সাথে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে তাঁর অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতার পূরস্কারে ভূষিত করে। পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রগুলি যথাক্রমে দুই দুয়ারী (২০০০), দারুচিনি দ্বীপ (২০০৭) এবং কি যাদু করিলা (২০০৮)। রিয়াজ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র লোভে পাপ পাপে মৃত্যু এটি মুক্তি পায় ২০১৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে যা সোহানুর রহমান সোহান পরিচালনা করেন। (বাকি অংশ পড়ুন...)
দেখুন - আলাপ -

সেপ্টেম্বর[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:জীবনী/নির্বাচিত জীবনী/সেপ্টেম্বর
দেখুন - আলাপ -

অক্টোবর[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:জীবনী/নির্বাচিত জীবনী/অক্টোবর
দেখুন - আলাপ -

নভেম্বর[সম্পাদনা]

বেবী মওদুদ

বেবী মওদুদ একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী প্রবীণ সাংবাদিক এবং লেখক। তিনি নারী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম একজন নারী সংগঠক ও বিশ্লেষক ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ)। বেবী মওদুদ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের একজন সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বা দশম জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ও সজ্জন। বেবী মওদুদ ছিলেন অদম্য বাঙালিজাতীয়তাবাদী। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অনেক দৈনিক পত্রিকায় তিনি সাংবাদিকতা করেন। তিনি শিশু কিশোরদের প্রতি বিপুল লেখালেখি করেছেন। এজন্য শিশুসাহিত্যিক হিসেবেই তার কীর্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রাবস্থায় তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে জড়িত হন। নারীর অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে একনিষ্ঠ, সমাজসেবায় অগ্রণী, সাহিত্য সাধনায় নিবেদিতপ্রাণ কিংবা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা সত্ত্বেও বেবী মওদুদ ছিলেন মূলত পেশাদার সাংবাদিক। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকার দিনগুলোতেই পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য রূপে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন বেবী মওদুদ। ১৯৭১ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করার পূর্বে ১৯৬৭-৬৮ সাল পর্যন্ত রোকেয়া হল ছাত্রী সংসদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবিতে ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির বিভিন্ন আন্দোলনেও বিক্ষুব্ধ ছিলেন বেবী মওদুদ। ১৯৬৭ সাল থেকে পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতায় জড়িত বেবী মওদুদ দৈনিক সংবাদ, সাপ্তাহিক ললনা, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক মুক্তকন্ঠে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। বিবিসির বাংলা বিভাগের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বাংলা বিভাগ গড়ে তোলার প্রসঙ্গে প্রধান ভূমিকা পালন করেন তিনি। নতুন কলেবরে যখন সাপ্তাহিক বিচিত্রা প্রকাশিত হয় তখন তিনি এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুকাল পর্যন্ত অনলাইন নিউজপোর্টাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সোস্যাল অ্যাফেয়ার্স সম্পাদক ছিলেন বেবী মওদুদ। বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং লাইব্রেরি কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি কার্যভার পালন করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ সম্পাদনাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বইও রয়েছে তার। প্রতিবন্ধীসহ সমাজের সুবিধাবঞ্চিতদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বেবী মওদুদের। (বাকি অংশ পড়ুন...)
দেখুন - আলাপ -

ডিসেম্বর[সম্পাদনা]

প্রবেশদ্বার:জীবনী/নির্বাচিত জীবনী/ডিসেম্বর
দেখুন - আলাপ -