পশ্চিমবঙ্গের পুরসভার তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

পুরসভা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শহরাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ একক। কলকাতা, আসানসোল, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, হাওড়াচন্দননগর মহানগরগুলি বাদে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য শহরে এই ব্যবস্থা প্রচলিত। পশ্চিমবঙ্গে মোট পুরসভার সংখ্যা ১১৯টি। এর মধ্যে প্রেসিডেন্সি বিভাগে ৫৫টি, বর্ধমান বিভাগে ৪৩টি ও জলপাইগুড়ি বিভাগে ২১টি পুরসভা বিদ্যমান।

কর্তৃপক্ষ[সম্পাদনা]

পুরসভার দায়িত্বে আছেন –

  • পুরসভা বা বোর্ড অব কাউন্সিলরস – এঁরা পুরসভার নির্বাচিত সদস্য।
  • সপারিষদ-সভাপতি বা চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিল – সপারিষদ-সভাপতিতে থাকবেন সভাপতি, সহসভাপতি ও অন্যান্য সদস্য।
  • সভাপতি বা চেয়ারম্যান – পুরসভা নিজেদের মধ্যে একজনকে সভাপতি নির্বাচন করেন। সভাপতি পুরসভার শাসনতান্ত্রিক প্রধান ও পৌরপ্রশাসনের নিয়ন্ত্রক।

পশ্চিমবঙ্গের পুরসভার তালিকা[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গ পৌর আইন, ১৯৯৩ অনুসারে পুর অঞ্চলগুলিকে ৫টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলি হল –

  • ‘ক’ বিভাগ – ২,০০,০০০-এর বেশি জনসংখ্যা বিশিষ্ট। ওয়ার্ড সংখ্যা সর্বাধিক ৩৫, সর্বনিম্ন ৯।
  • ‘খ’ বিভাগ – ১,৫০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ জনসংখ্যা বিশিষ্ট। ওয়ার্ড সংখ্যা সর্বাধিক ৩০, সর্বনিম্ন ৯।
  • ‘গ’ বিভাগ –৭৫,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ জনসংখ্যা বিশিষ্ট। ওয়ার্ড সংখ্যা সর্বাধিক ২৫, সর্বনিম্ন ৯।
  • ‘ঘ’ বিভাগ –২৫,০০০ থেকে ৭৫,০০০ জনসংখ্যা বিশিষ্ট। ওয়ার্ড সংখ্যা সর্বাধিক ২০, সর্বনিম্ন ৯।
  • ‘ঙ’ বিভাগ – ২৫,০০০-এর কম জনসংখ্যা বিশিষ্ট। ওয়ার্ড সংখ্যা সর্বাধিক ১৫, সর্বনিম্ন ৯।

জলপাইগুড়ি বিভাগ

দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক

জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, মাল, ধুপগুড়ি

কোচবিহার, মাথাভাঙ্গা, দিনহাটা, মেখলিগঞ্জ, হলদিবাড়ি, তুফানগঞ্জ

রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইসলামপুর

বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর, বুনিয়াদপুর

পুরাতন মালদহ, ইংলিশবাজার

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • ভারতীয় প্রশাসন, শিউলি সরকার, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষৎ, কলকাতা, ২০০৫