জঙ্গীপুর

স্থানাঙ্ক: ২৪°২৮′০৯″ উত্তর ৮৮°০৬′১২″ পূর্ব / ২৪.৪৬৯১° উত্তর ৮৮.১০৩২° পূর্ব / 24.4691; 88.1032
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জঙ্গীপুর
জাহাঙ্গীরপুর
শহর
জঙ্গীপুর রোড রেলওয়ে স্টেশন
জঙ্গীপুর পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
জঙ্গীপুর
জঙ্গীপুর
স্থানাঙ্ক: ২৪°২৮′০৯″ উত্তর ৮৮°০৬′১২″ পূর্ব / ২৪.৪৬৯১° উত্তর ৮৮.১০৩২° পূর্ব / 24.4691; 88.1032
দেশ ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলামুর্শিদাবাদ
প্রতিষ্ঠা করেনসম্রাট জাহাঙ্গীর
সরকার
 • ধরন পৌরসভা
 • শাসকজঙ্গীপুর পৌরসভা
 • সংসদ সদস্যখলিলুর রহমান
আয়তন
 • মোট৮.২ বর্গকিমি (৩.২ বর্গমাইল)
উচ্চতা১১ মিটার (৩৬ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১,২২,৮৭৫
 • জনঘনত্ব১৫,০০০/বর্গকিমি (৩৯,০০০/বর্গমাইল)
ভাষা
 • সরকারিবাংলা
 • সহকারী সরকারিইংরেজি
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)
পিন৭৪২২১৩
যানবাহন নিবন্ধনWB৫৮, WB৯৪
লোকসভাজঙ্গীপুর
বিধানসভাজঙ্গীপুর

জঙ্গীপুর বা জাহাঙ্গীরপুর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জঙ্গীপুর জেলার ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত সদর শহর ও একটি পৌরসভা এলাকা। জঙ্গীপুর পৌরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ২১টি। এই শহরটি মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জঙ্গিপুর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।

ভৌগোলিক তথ্য[সম্পাদনা]

শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল ২৪°২৮′ উত্তর ৮৮°০৪′ পূর্ব / ২৪.৪৭° উত্তর ৮৮.০৭° পূর্ব / 24.47; 88.07। সমুদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ১১ মিটার (৩৬ ফুট)।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর এই শহরটি পত্তন করেন ও এখানে একটি সেনানিবাস স্থাপন করেন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে এই শহরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেশম বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল ও এখানকার জঙ্গীপুরী রেশম খুব বিখ্যাত ছিল।[১]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জঙ্গীপুর পৌরসভার মোট জনসংখ্যা ৮৮,১৬৫ জন, যার মধ্যে ৪৪,৯৪৯ জন পুরুষ এবং ৪৩,২১৬ জন নারী। এই শহরের সাক্ষরতার হার ৭৯.২৪ শতাংশ। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৩.৩৩% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭৪.৯৯%। এখানকার লিঙ্গানুপাত হল প্রতি ১০০০ জন পুরুষে ৯৬১ জন নারী।[২]

২০১১ সালের ভারতীয় আদমশুমারি অনুযায়ী জঙ্গীপুর শহুরে সমৃদ্ধির জনসংখ্যা ১,২২,৮৭৫ জন, যার মধ্যে ৬২,৭৩৪ জন পুরুষ এবং ৬০,১৪১ জন নারী। এখানকার সাক্ষরতার হার ৭৫.৭১ শতাংশ।[২]

ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে জঙ্গীপুর পৌরসভার জনসংখ্যা ছিল ৭৪,৪৬৪ জন। এর মধ্যে ৩৮,১৮৫ জন পুরুষ এবং ৩৬২৭৯ জন নারী। তখন এখানের সাক্ষরতার হার ছিল ৬২ শতাংশ। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৬৮% এবং নারীদের মধ্যে সেই হার ৫৬%।

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্য পরিষেবা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Affairs of the East India Company: Minutes of evidence, 29 April 1830 | British History Online"www.british-history.ac.uk। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১২-০৮ 
  2. [১]