বশীর আল-হেলাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বশীর আল-হেলাল
Replace this image male bn.svg
জীবিকা লেখক এবং ঔপন্যাসিক
জাতীয়তা বাংলাদেশী
জাতি বাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশFlag of Bangladesh.svg
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার বাংলা একাডেমী পুরস্কার

বশীর আল-হেলাল (জন্ম: ৬ জানুয়ারি, ১৯৩৬) (ইংরেজি: Bashir Al Helal) বাংলাদেশের একজন লেখক, কথা সাহিত্যিক এবং ঔপন্যাসিক।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

বশীর আল-হেলালের জন্ম মুর্শিদাবাদ জেলার তালিবপুর গ্রামের মীর পাড়ায় ১৯৩৬ সালের ৬ জানুয়ারি। তালিবপুর মুর্শিদাবাদের একটি বৃহৎ ও বিখ্যাত গ্রাম। তালিবপুরে জন্মেছিলেন প্রখ্যাত পল্লীগীতি শিল্পী আব্দুল আলীম ও ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদ আবুল বরকতসহ শত কবি-সাহিত্যিক, সংগ্রামী ও বিপ্লবী। বাবার কাছে পড়াশুনায় হাতেখড়ি হওয়ার পর তিনি ভর্তি হন তালিবপুর পাঠশালায়। এরপর ভর্তি হন তালিবপুর গ্রামের এইচ.ই হাইস্কুলের প্রাইমারী সেকশনে। সেখানে তিনি ৬ষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেন। ৭ম শ্রেণীতে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন। রাজশাহীতে এক বছর পড়াশুনা করার পর সেতাবগঞ্জ হাই স্কুলে ৯ম শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই মেট্রিক পাশ করেন। ১৯৫৪ সালে কলকাতা সরকারি কলেজ থেকে আই এ পাশ করেন। এরপর তিনি জলপাইগুড়ির এ.সি কলেজে বাংলায় আনার্সে ভর্তি হন। এই কলেজ থেকে ১৯৫৭ সালে আনার্স পাশ করার পর তিনি কলকাতায় চলে যান। সেখানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বংলায় এম.এ ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বংলায় এম.এ পাশ করেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

বশীর আল-হেলাল ১৯৬৯ সালে ফিরোজা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ফিরোজা বেগম সরকারী উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁদের পরিবারও দেশবিভাগের পর ভারত থেকে পূর্ববাংলায় চলে আসেন। এই দম্পতির একছেলে ও একমেয়ে।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

এম এ পাশ করার পর বশীর আল-হেলাল কলকাতায় হজ কমিটিতে চাকুরী নেন। তখন মাওলানা আযাদের ছেলে আকরাম খান কলকাতা থেকে একটি পত্রিকা বের করতেন। পত্রিকাটি সপ্তাহে ৩ দিন বের হতো। এটা মুসলমানদের পত্রিকা ছিল। হজ কমিটিতে চাকুরীর পাশাপাশি তিনি এই পত্রিকায়ও চাকুরী করতেন। ১৯৬৯ সালে সহ-অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হলেন বাংলা একাডেমীতে। এরপর তিনি বাংলা একাডেমীতে উপাদক্ষ হন। সর্বশেষে তিনি বাংলা একাডেমীর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর তিনি বাংলা একাডেমীতে চাকুরী করেছেন। সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে ড. এনামুল হকের অবদান সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন ‘বাংলা একাডেমীর ইতিহাস’ গ্রন্থে। [১]

উপন্যাস[সম্পাদনা]

  • গল্পসমগ্র-১
  • কালো ইলিশ (১৯৭৯)
  • বশীর আল হেলাল
  • শিশিরের দেশে অভিযান
  • বেলগ্রেডের ডাক
  • তাঁদের সৃষ্টির পথে[২]
  • Kalo Ilish (The Black Hilsha, 1979)
  • Ghritakumari (The Aloe, 1984)
  • Shesh Panpatra (The Last Drinking Vessel, 1986)
  • Nurjahander Madhumas (Spring of the Nurjahans, 1988)
  • Shishirer Deshe Avijan (An Expedition in the Land of Dew, 1990)

ইতিহাস বিষয়ক বই[সম্পাদনা]

  • ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস (১৯৮৫)

সম্মাননা ও পদক[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]