পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০১১

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০১১
ভারত
২০০৬ ←
১৮ এপ্রিল ২০১১ (২০১১-০৪-১৮) — ১০ মে ২০১৬ (2016-05-10) → ২০১৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪টি আসন (২৯৫টি আসনের মধ্যে)
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন ১৪৮টি আসনের প্রয়োজন
  সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সংখ্যালঘিষ্ঠ দল
  Mamata banerjee (cropped).jpg Buddhadev Bhattacharjee.jpg
নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য
দল তৃণমূল কংগ্রেস সিপিআই(এম)
জোট সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট বামফ্রন্ট
নেতার আসন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি যাদবপুর (পরাজিত)
আসনে জিতেছে ২২৭ ৬২
আসন পরিবর্তন বৃদ্ধি ১৯৬ হ্রাস ১৭১
শতকরা ৭৭.২% ২১.০%
সুয়িঙ বৃদ্ধি ৫.৯৭% হ্রাস ১০.৯%

২০১১ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার ২৯৪টি আসনে (মোট ২৯৫টি আসনের মধ্যে) বিধানসভা নির্বাচন আয়োজিত হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি প্রথমবার এই নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা জয় করে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মতো ২০১১-র নির্বাচনও ছয় দফায় আয়োজিত হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান ঘটায়।

প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান ঘটায়। এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল শ্লোগান ছিল ‘পরিবর্তন’। এই পরিবর্তনের অর্থ ছিল রাজ্যের ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের পরিবর্তন। তার সত্ত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের আগামী পাঁচ বছরের শাসনে প্রধানত রাজ্যের নগরাঞ্চলের অধিবাসীদের অনেকে সরকারের আনীত পরিবর্তনগুলি নিয়ে কিছু অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।[১] তাছাড়া কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু সংখ্যালঘু মুসলমান জনগোষ্ঠীর ভোট একত্রিত করতে চাইছেন।[২]

ধর্মীয় পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]


Circle frame.svg

পশ্চিমবঙ্গের ধর্মবিশ্বাস (২০১১)[৩]

  হিন্দুধর্ম (৭০.৫৩%)
  ইসলাম (২৭.০১%)
  বৌদ্ধধর্ম (০.৩০%)
  শিখধর্ম (০.০৭%)
  জৈনধর্ম (০.০৬%)
  অন্যান্য ধর্ম (১.০৩%)
  নাস্তিক (০.০০১%)

২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে, হিন্দুধর্ম পশ্চিমবঙ্গের প্রধান ধর্মমত। এই রাজ্যের জনসংখ্যার ৭০.৫৪% হিন্দু।[৪][৫] ইসলাম পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় তথা বৃহত্তম সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠী। রাজ্যের জনসংখ্যার ২৭.০১% মুসলমান।[৬] রাজ্যের অবশিষ্ট জনসংখ্যা প্রধানত শিখধর্ম, খ্রিস্টধর্মবৌদ্ধধর্মের অনুগামী।[৭] পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিকে হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্গত দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলে বৌদ্ধধর্ম অন্যতম প্রধান ধর্মমত। রাজ্যের প্রায় সম্পূর্ণ বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী এই অঞ্চলের বাসিন্দা।

প্রধান ইস্যু[সম্পাদনা]

নির্বাচনসূচি[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গের এই বিধানসভা নির্বাচনটি ১৮ই এপ্রিল থেকে ১০ই মে-র মধ্যে ছয় দফায় আয়োজিত হয়।[৮][৯]

নির্বাচনের পর্যায়বিভাগ

প্রার্থী[সম্পাদনা]

১৮ই মার্চ, ২০১১ তারিখে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সমগ্র প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করে।[১০] ভারতীয় জনতা পার্টি এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি, বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দলসারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লক নিয়ে গঠিত বামফ্রন্টও নিজস্ব প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করে৷ কেন্দ্রে শাসক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসও ৬৫ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে।

অংশগ্রহণকারী দল ও জোট[সম্পাদনা]

সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট (ইউপিএ)[সম্পাদনা]

বাম গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ জোট[সম্পাদনা]

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-র বিশিষ্ট নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) অশোক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে পুর নির্বাচনে জয়লাভ করেন ও অশোক ভট্টাচার্য শিলিগুড়ির মহানাগরিক হন।

জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)[সম্পাদনা]

ফল[সম্পাদনা]

২০১৬ সালের ১৩ই মে ভারতের অন্য চারটি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ফল ঘোষিত হয়।[১১][১২]

জোটভিত্তিক ফল[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০১১ ফলাফল
LF+ SEATS UPA+ SEATS NDA+ SEATS OTHERS SEATS
CPIM 40-2 (by-polls) AITC 184+6 (by-polls) BJP 0+1 (by-polls) IND 0
AIFB 11-1 (by-polls) INC 42-3 (by-polls) GJM 3
RSP 7-1 (by-polls) SUCI(C) 1
CPI 2 GNLF 0
SP 1 NCP 0
DSP(PC) 1 JMM 0
MFB 0 PDS 0
RCPI 0 JKP(N) 0
RJD 0
TOTAL (2011) 62 TOTAL (2011) 227 TOTAL (2011) 3 TOTAL (2011) 0
TOTAL (2006) 233 TOTAL (2006) 30 TOTAL (2006) 24 TOTAL (2006) 6

দলভিত্তিক ফল[সম্পাদনা]

Party Seats contested Seats won Seat change Vote share Swing Trinamool Congress 184 বৃদ্ধি154 Indian National Congress 65[template reference ১] 42 বৃদ্ধি21 Communist Party of India (Marxist) 40 হ্রাস136 All India Forward Bloc 11 হ্রাস12 Revolutionary Socialist Party (India) 7 হ্রাস13 Gorkha Janmukti Morcha 3 বৃদ্ধি3 Communist Party of India 2 হ্রাস6 Samajwadi Party 1 বৃদ্ধি1 Socialist Unity Centre of India (Communist) 17 1 হ্রাস1 Democratic Socialist Party (Prabodh Chandra) 1 বৃদ্ধি1 Independents 2 হ্রাস4 Bharatiya Janata Party 0 অপরিবর্তিত   United Progressive Alliance 227 বৃদ্ধি192 Left Front 62 হ্রাস168 Total - 294 - Turnout: Source: Election Commission of India

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Mahaprashasta, Ajoy Ashirwad (১৪ এপ্রিল ২০১৬)। "Critical Challenges Lie Ahead for Trinamool Congress to Retain West Bengal's Vote"The Wire। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০১৬ 
  2. Gupta, Smita (২৬ এপ্রিল ২০১৬)। "Mamata, Muslims and paribartan"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০১৬ 
  3. "Population by religion community - 2011"Census of India, 2011। The Registrar General & Census Commissioner, India। ২৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. "Census nails promoters of paranoia- Diversity shrinking" 
  5. "Assembly polls: Chasing the Muslim vote" 
  6. "Could it take two to tango with Mamata?" 
  7. "Data on Religion"Census of India (2001)। Office of the Registrar General & Census Commissioner, India। ১২ আগস্ট ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০০৬ 
  8. "West Bengal Assembly Election Schedule 2016 - infoelections.com" 
  9. http://infoelections.com/infoelection/index.php/kolkata/6333-west-bengal-assembly-election-schedule.html
  10. "West Bengal Assembly Election TMC Candidate List 2011"updateox 
  11. "indiatoday"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১১ 
  12. http://eci.nic.in/eci_main/StatisticalReports/AE2011/stat_WB_May2011.pdf


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "template reference" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="template reference"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি, বা বন্ধকরণ </ref> দেয়া হয়নি