শুভেন্দু অধিকারী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শুভেন্দু অধিকারী
Suvendu Adhikari.jpg
বিরোধী দলনেতা, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা
কাজের মেয়াদ
১০ই মে, ২০২১ - বর্তমান
পূর্বসূরীআব্দুল মান্নান
সংসদীয় এলাকানন্দীগ্রাম
নন্দীগ্রামের বিধায়ক, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা সদস‍্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৯ মে ২০১৬
পূর্বসূরীফিরোজা বিবি
সংসদীয় এলাকানন্দীগ্রাম
তমলুকের জন্য ভারতের সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৬ মে ২০০৯ – ১৯ মে ২০১৬
পূর্বসূরীলক্ষ্মণ চন্দ্র শেঠ
উত্তরসূরীদিব‍্যেন্দু অধিকারী
কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার সদস‍্য
কাজের মেয়াদ
১২ মে ২০০৬ – ১৬ মে ২০১৬
পূর্বসূরীশিশির অধিকারী
উত্তরসূরীদিব‍্যেন্দু অধিকারী
পরিবেশ মন্ত্রী পশ্চিম বঙ্গ
কাজের মেয়াদ
জুন ২০১৮ – ২৭ নভেম্বর ২০২০
পূর্বসূরীশোভন চট্টোপাধ্যায়
উত্তরসূরীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পরিবহন মন্ত্রী,পশ্চিমবঙ্গ সরকার
কাজের মেয়াদ
২৭ মে ২০১৬ - ২৭ নভেম্বর ২০২০
পূর্বসূরীসুভাষ চক্রবর্তী
উত্তরসূরীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1970-12-15) ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭০ (বয়স ৫২)
জাতীয়তাভারত ভারতীয়
রাজনৈতিক দলভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (২০০০ পর্যন্ত)

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (২০০০ থেকে ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত) ভারতীয় জনতা পার্টি

(২০২০ থেকে বর্তমান)
বাসস্থানকাঁথি, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ
প্রাক্তন শিক্ষার্থীপ্রভাত কুমার কলেজ
জীবিকারাজনীতিবিদ
ব্যবসায়ী
ধর্মহিন্দু

শুভেন্দু অধিকারী একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ১৫শ লোকসভা সদস্য। তিনি বিজেপি প্রার্থী হিসেবে নন্দীগ্রাম থেকে বিধান সভার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন । তিনি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন রাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির অধিকারীর পুত্র।[১]

কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক থাকাকালীন নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির অধীনে তিনি সরকারি রাসায়নিক শিল্পকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন এবং উক্ত অঞ্চলের অধিবাসীদের আন্দোলন সংগঠিত করে তোলেন।[২] ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম গণহত্যার পর তিনি তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রভাবশালী সিপিআই (এম)-নেতা লক্ষ্মণ শেঠকে ১.৭৩ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।[৩]

২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী হলফনামা অনুসারে, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তিনটি ফৌজদারি মামলা ছিল। তারপরে তিনি তখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহন মন্ত্রী ছিলেন। ২৭ নভেম্বর ২০২০ সালে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মন্ত্রী সভা থেকে ইস্তফা দেন। এরপর ১৬ ডিসেম্বর তিনি বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। আর তার ঠিক ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ১৭ ডিসেম্বর তিনি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তৃণমূলের সমস্ত সদস্যতা ছেড়ে দেন।[৪] নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে প্রথম বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় । যদিও এরপর দেখা যায় মমতা নয় শুভেন্দু অধিকারী গুটি কয়েক ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

(কলকাতা হাইকোর্টের রায় না বেরানো পর্যন্ত কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে এই ফলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন)।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Had no work, say former TMC ministers in UPA govt ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৬ অক্টোবর ২০১২ তারিখে hindustantimes.com. Retrieved 11 November 2012
  2. Dutta, Indrani। "Like father, like son"The Hindu, 5 May 2009.। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-৩০ 
  3. "Nandigram swings two seats in East Midnapore in Trinamool's favour"Indian Express 17 May 2009। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-৩০ 
  4. ""শেষমেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তৃণমূল কংগ্রেসও ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী"