কল্কি অবতার ও মোহাম্মদ সাহেব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কল্কি অবতার এবং মহাম্মদ সাহেব
কল্কি অবতার অর মুহম্মদ সাহিব বইয়ের কভার.jpeg
কল্কি অবতার অর মুহম্মদ সাহিব বইয়ের কভার
লেখকপণ্ডিত বেদপ্রকাশ উপাধ্যায়
দেশভারত
ভাষাহিন্দি
বিষয়কল্কি এবং মুহাম্মাদের ধর্মগ্রন্থীয় সামঞ্জস্য
প্রকাশকসরস্বত বেদান্ত প্রকাশ সংঘ
প্রকাশনার তারিখ
১৯৬৯-৭০
পৃষ্ঠাসংখ্যা৪৮
আইএসবিএন9381509029

কল্কি অবতার অউর মুহম্মদ সাহিব (হিন্দি: कल्कि अवतार और मुहम्मद साहिब) ভারতীয় হিন্দু পণ্ডিত বেদপ্রকাশ উপাধ্যায় কর্তৃক ১৯৬০ সালে রচিত একটি গ্রন্থ, যেটি সরস্বত বেদান্ত প্রকাশ সংঘের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত হয়।[১][২][৩][৪][৫][৬][৭] প্রকাশের পর থেকে এযাবৎ ভারতের হিন্দু-মুসলিম মহলে ব্যাপক পরিসরে আলোচিত ও সমালোচিত হলেও বইটি ইংরেজি, মালায়াম, উর্দু, আরবি, তামিল, বাংলা ও বিভিন্ন ভারতীয় ভাষাসহ বিশ্বের প্রায় ২০টি ভাষায় অনূদিত হয়। বেদ ও পুরাণে বর্ণিত সূত্রানুসারে কল্কি অবতার ও নবি মুহাম্মদের মাঝে সাদৃশ্য উপস্থাপন করাই ছিল বইটির মূল বিষয়বস্তু। বইটি হিন্দু–মুসলিম সম্পর্ক বিষয়ক সমালোচনা ও বিতর্কের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু।

বিষয়বস্তু[সম্পাদনা]

কল্কির নাম হবে নরাশংস যার অর্থ প্রশংসিত মানব, মুহাম্মদ সাঃ এর নামের অর্থও প্রশংশিত মানব, কল্কির বাবার নাম হবে বিষ্ণুজশ যার অর্থ পালনকর্তার দাস। মুহাম্মাদ সাঃ এর বাবার নাম আব্দুল্লাহ যার অর্থ আল্লাহর দাস। কল্কির মায়ের নাম সুমতি, যার অর্থ শান্তশিষ্ট নারী, মুহাম্মদ সাঃ এর মাতার নাম আমিনা, যার অর্থ শান্তশিষ্ট নারী। কল্কির জন্ম হবে শম্ভলা গ্রামে যার অর্থ শান্তির গৃহ, মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম মক্কা নগরীতে, মক্কার আরেক নাম বাইতুল আমান বা শান্তির গৃহ। কল্কির জন্ম হবে মধুমাসে শুক্লপক্ষের দ্বাদশীতে, ভারতীয় বছরের ১ম মাসের ১২ তারিখ, মুহাম্মদ সাঃ এর জন্ম হয় ১২ই রবিউল আউয়াল, যা আরবি চন্দ্রবর্ষের ১ম মাসের ১২ তারিখ। কল্কিকে পর্শুরাম গুহায় দীক্ষা দেবেন, মুহাম্মদ সাঃ কে জিবরীল ফেরেশতা গুহায় দীক্ষা দেন। কল্কিকে বিষ্ণু একটি জাদুকরী ঘোড়া দেবেন, মুহাম্মদ সাঃ কে আল্লাহ মেরাজের রাতে বুরাক নামক ঘোড়া দেন। কল্কি নিজ গ্রাম হতে অভিবাসন করে আবার নিজ গ্রামে ফিরে আসবেন, মুহাম্মদ।সাঃ মক্কা হতে মদীনায় হজ্জ বা অভিবাসন করে আবার মক্কায় ফিরে আসেন। কল্কি চার ভাইকে সাথে নিয়ে কলিকে পরাজিত করবেন, মুহাম্মদ সাঃ চার খলিফা-খ্যাত চারজন সাহাবীকে সাথে নিয়ে শয়তানকে পরাজিত করেন।[১][৮][৯][১০][১১][১২][১৩][১৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Upādhyāya, Veda Prakāśa (১৯৬৯)। Kalki avatāra aura Muhammada Sāhaba (হিন্দি ভাষায়)। Viśva Ekatā Prakāśana (copyright from Michigan University)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  2. Khan, Q.S.। Holy Vedas and Islam (ইংরেজি ভাষায়)। Q.S. Khan's Books। পৃষ্ঠা 44। আইএসবিএন 9789380778112। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  3. Pavitra Ved aur Islam Dharm (হিন্দি ভাষায়)। Q.S. Khan's Books। পৃষ্ঠা 33। 
  4. Vidyarthi, Abdul Haque (১৯৯৭)। Muhammad in World Scriptures (ইংরেজি ভাষায়)। Dar-ul-Isha'at Kutub-e-Islamia। পৃষ্ঠা 338। আইএসবিএন 9788190053785। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  5. Rizvi, Sayyid Saeed Akhtar (২০০১)। Prophecies about the Holy Prophet of Islam in Hindu, Christian, Jewish & Parsi Scriptures (ইংরেজি ভাষায়)। Bilal Muslim Mission of Tanzania। পৃষ্ঠা 8। আইএসবিএন 9789987620210। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  6. Abdul Haque Vidyarthi (১৯৯০)। Muhammad in World Scriptures.। Adam publishers.। 
  7. Abdul Haq Vidyarthi; U. Ali (১৯৯০)। Muhammad in Parsi, Hindu & Buddhist Scriptures। IB। 
  8. Ekbal, Nikhat (২০০৯)। Great Muslims of undivided India (ইংরেজি ভাষায়)। Gyan Publishing House। পৃষ্ঠা 143। আইএসবিএন 9788178357560 
  9. Sikand, Yoginder (২০০৮)। Pseudo-messianic movements in contemporary Muslim South Asia (ইংরেজি ভাষায়)। Global Media Publications। আইএসবিএন 9788188869282। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 
  10. Indian Journal of Secularism: IJS : a Journal of Centre for Study of Society & Secularism (ইংরেজি ভাষায়)। The Centre। ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 
  11. Muhammad, Nur (২০০০)। The Deendar Anjuman (ইংরেজি ভাষায়)। Nur Muhammad। পৃষ্ঠা 64। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 
  12. Abidin, Danial Zainal (২০০৭)। Islam the Misunderstood Religion (ইংরেজি ভাষায়)। PTS Millennia। পৃষ্ঠা 93। আইএসবিএন 9789833604807। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 
  13. Unal, Ali; Gultekin, Harun (২০১৩)। The Prophet Promised in World Scriptures (ইংরেজি ভাষায়)। Tughra Books। আইএসবিএন 9781597848237। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 
  14. Sikand, Yoginder (২০০৪)। Muslims in India Since 1947: Islamic Perspectives on Inter-Faith Relations (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। আইএসবিএন 9781134378258। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৯ 
  1. "OUR DIALOGUE * Kaliki Avtar"Islamic Voice। নভেম্বর ১৯৯৭। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  2. ""Kalki Avatar", the leader of the whole universe, Prophet Mohammad Sahib - Pandit Ved Prakash"। Times of Urdu। ১ জানুয়ারি ২০১৬। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  3. Abdul Haq Vidyarthi, “Muhammad in World Scriptures,” Adam Publishers, 1990. (includes chapters on Zoroastrian and Hindu Scriptures)
  4. A.H.Vidyarthi and U. Ali, “Muhammad in Parsi, Hindu & Buddhist Scriptures,” IB.
  5. "Muhammad in Hindu scriptures"Milli Gazette। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-০৬ 
  6. "Muhammad in hindu scriptures: Readers letter"Milli Gazette। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-০৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]