ইউক্রেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী থেকে পুনর্নির্দেশিত)
ইউক্রেন
Україна
উক্রাইনা
পতাকা কোট অফ আর্মস
জাতীয় সঙ্গীত: Ще не вмерла України ні слава, ні воля  (Ukrainian)
Shche ne vmerla Ukrayiny ni slava, ni volya  (transliteration)
Ukraine's glory has not yet perished, nor her freedom
 ইউক্রেন এর অবস্থান  (কমলা)ইউরোপে  (সাদা)
 ইউক্রেন এর অবস্থান  (কমলা)

ইউরোপে  (সাদা)

রাজধানী কিয়েভ
৫০°২৭′ উত্তর ৩০°৩০′ পূর্ব / ৫০.৪৫০° উত্তর ৩০.৫০০° পূর্ব / 50.450; 30.500
বৃহত্তম শহর capital
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ Ukrainian
সরকার Semi-presidential system
 •  রাষ্ট্রপতি পেত্র পোরাশেঙ্কা
 •  প্রধানমন্ত্রী ভলোদ্যম্য্র হ্রয়্সমান
Independence from the Soviet Union
 •  Declared August 24 1991 
 •  Referendum December 1 1991 
 •  Finalized December 25 1991 
 •  পানি (%) 7%
জনসংখ্যা
 •  2007 আনুমানিক 46,299,874 (27th)
 •  2001 আদমশুমারি 48,457,102
জিডিপি (পিপিপি) 2006 আনুমানিক
 •  মোট $355.8 billion (28th)
 •  মাথা পিছু $8,000 (86th)
জিডিপি (নামমাত্র) 2006 আনুমানিক
 •  মোট $81.53 billion (53rd)
 •  মাথা পিছু $1,760 (108th)
গিনি (2003) 28.1
নিম্ন
এইচডিআই (2004) বৃদ্ধি 0.774
ত্রুটি: অকার্যকর এইচডিআই মান · 77th
মুদ্রা Hryvnia (UAH)
সময় অঞ্চল EET (ইউটিসি+2)
 •  গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) EEST (ইউটিসি+3)
কলিং কোড 380
ইন্টারনেট টিএলডি .ua

ইউক্রেন বা উক্রাইনা (ইউক্রেনীয় ভাষায়: Україна উক্রায়িনা আ-ধ্ব-ব: /ukraˈjina/) পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। রাশিয়ার পরে এটি ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। ইউক্রেনের পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি, দক্ষিণ-পশ্চিমে রোমানিয়া ও মলদোভা, দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগর, পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে বেলারুস। দক্ষিণে ক্রিমেয়া উপদ্বীপে অবস্থিত স্বায়ত্বশাসিত ক্রিমেয়া প্রজাতন্ত্র ইউক্রেনের সীমান্তের মধ্যে পড়েছে। কিয়েভ ইউক্রেনের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।

ইউক্রেনের অধিকাংশ এলাকা কৃষিকাজের উপযোগী উর্বর সমভূমি নিয়ে গঠিত। ইউক্রেন খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। দেশটির অর্থনীতি উন্নত এবং এর কৃষি ও শিল্পখাত যথেষ্ট বড়। ইউক্রেনে একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান যেখানে রাষ্ট্রপতি হলেন সরকারপ্রধান।

৯ম শতক থেকে ইউক্রেনের উত্তর অংশ কিয়েভান রুশের অংশ ছিল। কিয়েভান রুশ ছিল প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব স্লাভীয় রাষ্ট্র। ১৩শ শতকে মোঙ্গল আক্রমণে এটির পতন ঘটে। এর পর বহু শতাব্দী ধরে ইউক্রেন বিভিন্ন বিদেশী শক্তির পদানত ছিল। এদের মধ্যে আছে পোলান্ড ও রুশ সাম্রাজ্য। ১৯১৮ সালে ইউক্রেনে একটি বলশেভিক সাম্যবাদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের চারটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের অন্যতম প্রজাতন্ত্র হিসেবে ইউক্রেন আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৯১ সালে ইউক্রেন স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং ১লা ডিসেম্বর এক গণভোটে এটির প্রতি ইউক্রেনের জনগণ সমর্থন দেয়। ইউক্রেনের এই ঘোষণা সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে একটি বড় ভূমিকা রাখে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৯১ সালের ২৪ আগস্ট সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে ইউক্রেন৷ ১৯৮৬ সালের ২৬শে এপ্রিল ভোরের দিকে কর্মীরা চেরনোবিল পরমাণু কেন্দ্রের ৪ নম্বর চুল্লিতে কিছু পরীক্ষা চালাচ্ছিলেন৷ সেই কাজে কিছু ত্রুটি হয়েছিল৷ সেইসঙ্গে চুল্লির নক্সায়ও কিছু দুর্বলতা ছিল৷ ফলে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে৷ বিস্ফোরণের ফলে চুল্লির ধ্বংসাবশেষের মারাত্মক তেজস্ক্রিয় উপাদান চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে৷ প্রতিবেশী বেলারুশ ও রুশ প্রজাতন্ত্র থেকে শুরু করে জার্মানি সহ পশ্চিম ইউরোপের বিস্তীর্ণ এলাকায় তেজস্ক্রিয়তার কুপ্রভাব ধরা পড়ে৷ দুর্ঘটনার ফলে পরমাণু কেন্দ্রের দুই কর্মীর অবিলম্বে মৃত্যু হয়৷ ঘটনার পরের কয়েক মাসে ২৮ জন কর্মী ও উদ্ধারকর্মী মারা যান৷ সংলগ্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়৷ তবে তৎকালীন সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ প্রথম তিন দিন ঘটনাটি জানাতে পারেনি৷ তারপর ১৯৮৬ ও ১৯৮৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন চেরনোবিল ও সংলগ্ন এলাকা তেজস্ক্রিয়তা মুক্ত করতে ৪ লক্ষেরও বেশি উদ্ধারকর্মী পাঠায়৷ তাদের মধ্যে অনেকে এই কাজের বিপদ সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন ছিল না৷সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে ২৫টি ফানুস উড়িয়ে স্মরণ করা হলো চেরনোবিল দুর্ঘটনার কথাসেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে ২৫টি ফানুস উড়িয়ে স্মরণ করা হলো চেরনোবিল দুর্ঘটনার কথা চেরনোবিল দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব নিয়ে আজও বিতর্ক শেষ হয় নি৷ এমনকি জাতিসংঘের একাধিক সংস্থাও মৃতের সংখ্যা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে নি৷ তারপর ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘ জানায়, চেরনোবিলের তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ফলে সম্ভবত ৪,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷ কিন্তু ঘটনার বহু বছর পরও থাইরয়েড ক্যান্সার সহ তেজস্ক্রিয়তা জনিত অনেক অস্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক সমস্যার ঘটনা ধরা পড়েছে৷

রাজনীতি[সম্পাদনা]

ইউক্রেনের রাজনীতি একটি অর্ধ রাষ্ট্রপতি-শাসিত প্রতিনিধিত্বমূলক বহুদলীয় গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কাঠামোয় পরিচালিত হয়। নির্বাহী ক্ষমতা মন্ত্রীসভার হাতে ন্যস্ত। আইন প্রণয়ন ক্ষমতা আইনসভার হাতে ন্যস্ত।

ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ৫ বছর মেয়াদের জন্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। পেত্র পোরাশেঙ্কা ২০১৪ সাল থেকে দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রপতি।

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ[সম্পাদনা]

সামরিক বাহিনী[সম্পাদনা]

ভূগোল[সম্পাদনা]

মোট সাতটি দেশ আর দুটি সাগরের সঙ্গে সীমানা রয়েছে ইউক্রেনের৷

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ইউক্রেন কৃষিসম্পদে ভরপুর৷ একসময় ইউক্রেনকে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘রুটির ঝুড়ি' বলা হতো৷ ইউক্রেনে রয়েছে চার কোটি ২০ লক্ষ হেক্টর কৃষিজমি, যেটা পুরো ইউরোপের ২২ ভাগ৷ বাজেটের শতকরা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ অর্থ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পকেটে যায় বলে মন্তব্য করেছেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচ৷ এছাড়া জিডিপি'র ৬১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে মাত্র একশো জন ধনী ব্যক্তি৷

বাইরের বিশ্বের কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ইউক্রেনীয় লেখক আন্দ্রেই কুরকোভ বলছেন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দুর্নীতিতে পরিণত হয়েছে৷

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা সাড়ে চার কোটির একটু বেশি৷ আরো বাড়বে

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]