আল খোয়ারিজমি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মুহাম্মদ ইবনে মূসা আল খারিজমি
সেপ্টেম্বর ৬ ১৯৮৩ সালে আল খারিজমির ১২০০ তম (আনুমানিক) জন্মদিনে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে প্রকাশিত একটি ডাকটিকিট
জন্মআনু. ৭৮০
খারিজমি[১]
মৃত্যুআনু. ৮৫০
যুগমধ্যযুগীয় যুগ (ইসলামের স্বর্ণযুগ)
উল্লেখযোগ্য ধারণাবীজগণিত এবং ভারতীয় সংখ্যাসমূহ উপর গবেষণাধর্মী গ্রন্থ

আল খারিজমি (Abū ʿAbdallāh Muḥammad ibn Mūsā al-Khwārizmī)[৩] (৭৮০-৮৫০) মধ্যযুগীয় মুসলিম বিজ্ঞানীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার। তিনি ছিলেন একাধারে গণিতজ্ঞ, ভূগোলবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তার পুরো নাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মূসা আল খারিজমি

খোয়ারিজমি রচিত কিতাব আল জাবর ওয়াল মুকাবলাতে তিনি রৈখিক এবং দ্বিঘাত সমীকরণ এর প্রথম পদ্ধতিগত সমাধান উপস্থাপন করেন। বীজগণিতে তার প্রধান সাফল্য ছিল বর্গের সাহায্যে দ্বিঘাত সমীকরণের সমধান, এর জন্য তিনি জ্যামতিক প্রমাণ প্রদান করেন।[৪]সর্বপ্রথম তিনিই বীজগণিতকে স্বাধীন শাখা হিসেবে তুলে ধরেন এবং সমীকরণ সমাধানের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন, তাই খোয়ারিজমিকে বীজগণিতের জনক[৫][৬] বা প্রতিষ্ঠাতা[৭][৮] বলা হয়। আলজেবরা(বীজগণিত) শব্দটিই এসেছে তার আল জিবর ওয়াল মুকাবিলা বই এর শিরোনাম থেকে। তার নামটি guarismo (স্পেনীয়)[৯] এবং algarismo (পর্তুগিজ) দুইটিরই উৎস, দুইটি শব্দেরই অর্থ অঙ্ক।

দ্বাদশ শতাব্দীর দিকে পাটিগণিতের উপ তার বই (Algorithmo de Numero Indorum) এর বর্ণনাকৃত ভারতীয় সংখ্যা এর উপর ভিত্তি করে পশ্চিমা বিশ্ব দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি চালু করে।[১০] ১১৪৫ সালে রবার্ট অব চেস্টার কর্তৃক অনুবাদকৃত আল জিবর ওয়াল মুকাবিলা বইটি ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণিতের প্রধান বই হিসেবে পড়ানো হত। [১১][১২][১৩][১৪]

এছাড়াও তার অন্যতম একটি বিখ্যাত কাজ হচ্ছে, টলেমির Geography এর বইটি সংশোধন করা। তিনি এই বইয়ে বিভিন্ন শহর এবং এলাকার অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশ তালিকাভুক্ত করেন।[১৫]:9 তিনি আরও কিছু জ্যোতির্বিদ্যা টেবিল প্রস্তুত করেন এবং বর্ষপঞ্জি, সূর্যঘড়ি, এস্ট্রোল্যাব নিয়ে কাজ করেন। [১৬]:669

জীবনের ইতিহাস[সম্পাদনা]

  • জন্ম : সোভিয়েত রাশিয়ার আরব সাগরে পতিত আমু দরিয়া নদীর একটি দ্বীপের নিকটে অবস্থিত খোয়ারিজম নামক শহরে। এই শহরটি প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্র ছিল যার তত্কালীন নাম ছিল উরগেঞ্চ। তার জন্ম তারিখ বা শৈশব ও কৈশোর সম্বন্ধে কিছু জানা যায়নি। তবে আনুমানিক ৭৮০ খ্রীষ্টাব্দে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।
  • মৃত্যু : খলিফা আল মামুনের মৃত্যুর ১৪ বছর পর (আনুমানিক ৮৫০ খ্রীষ্টাব্দে) আল খারিজমির মৃত্যু হয়।

আল খারিজমি খলিফা আল মামুনের বায়তুল হিকমাহ সংলগ্ন গ্রন্থাগারে গ্রন্থাগারিকের চাকুরি করতেন। খলিফা মামুনের মৃত্যুর পরও তিনি জীবিত ছিলেন এবং পরবর্তী খলিফা আল ওয়াতহিকের (Al Wathiq) শাসনকালের সাথেও সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি পাটিগণিত, বীজগণিত, ভূগোল এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে প্রভূত অবদান রাখেন। তবে মূলত বীজগণিতের জন্যই তিনি সবচেয়ে বেশী আলোচিত হন।
এজন্যই তাকে বীজগণিতের জনক বলা হয়।

আল খোয়ারিজমীর জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত তেমন কিছুই জানা যায়না; এমনকি তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেছেন তা ও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তার নাম থেকে অনুমান করা হয় যে তিনি সম্ভবত আব্বাসীয় শাসনামলে খোরাসান প্রদেশের খোয়ারিজমী (খিভা) হতে আগমন করেন। (বর্তমানে উজবেকিস্থান এর জরাজম প্রদেশ)

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আল তাবারী তার নাম দেন মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খারিজমি আল কুতরুবুল্লী (আরবি: موسى الخوارزميّ المجوسيّ القطربّليّ). এই বিশেষণ আল-কুতরুবুল্লী এটাই নির্দেশ করে যে তিনি সম্ভবত বাগদাদ এর নিকটবর্তী ক্ষুদ্র শহর কুতরুবুল, হতে এসেছেন। আল খারিজমির ধর্ম সম্পর্কে টমুর লিখেছেন:

আল তাবারী কর্তৃক তার উপর আরোপিত আরেকটি বিশেষণ হল, "আল-মাজুশী," এটাই নির্দেশ করে যে তিনি হয়তোবা প্রাচীন জরথ্রুস্ট মতবাদের অনুসারী ছিলেন। এটা ইরানীয় বংশোদ্ভূতদের ক্ষেত্রে তৎকালীন সময় পর্যন্ত অসম্ভব ছিলনা, কিন্তু “এলজেবরা” গ্রন্থের মুখবন্ধ হতে দেখা যায় যে, আল-খারিজমী ছিলেন একজন ধর্মনিষ্ঠ মুসলমান, অর্থাৎ আল তাবারী বিশেষণ এটাই নির্দেশ করে যে হয়তোবা তাঁর পূর্বপুরুষ কিংবা তিনি সম্ভবত তাঁর কৈশোরে জরথ্রুস্ট মতবাদের অনুসারী ছিলেন।[১৭]

ইবনে আল নাদিম এর কিতাব “আল-ফিরহিস্ট” এ আমরা আল খারিজমির একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী খুঁজে পাই, যেখানে তাঁর লিখিত বই সমূহের একটি তালিকাও রয়েছে। আল-খারিজমি তাঁর অধিকাংশ গ্রন্থ ৮১৩ খ্রিস্টাব্দ হতে ৮৩৩ খ্রিস্টাব্দ সময় কালের মধ্যে রচনা করেছেন। মুসলমানদের পারস্য বিজয় এর পরে বাগদাদ ব্যবসা-বাণিজ্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ফলে দূর-দূরান্ত এমনকি চীন ও ভারত উপমহাদেশ থেকেও প্রচুর ব্যবসায়ী ও বিজ্ঞানী বাগদাদে পাড়ি জমান। অনুমান করা হয় যে আল-খারিজমিও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। তিনি বাগদাদে খলিফা আল-মামুন এর লাইব্রেরিতে প্রধান লাইব্রেরিয়ান হিসাবে কর্মরত ছিলেন, এবং সেখানে তিনি বিজ্ঞান ও গণিত চর্চা করতেন। এখানে বসেই তিনি গ্রিকসংস্কৃত ভাষায় রচিত অনেক বৈজ্ঞানিক রচনা অনুবাদ করেন।

বীজগণিতে অবদান[সম্পাদনা]

বীজগণিত হল ইসলামী সভ্যতায় তার সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান। বীজগণিতকে তিনিই প্রথম গণিতশাস্ত্রের মধ্যে বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তোলেন এবং এর প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ভারতীয়রাই প্রথম বীজগণিত নিয়ে গবেষণা করে এবং গ্রিকদের মধ্যে কেবল ডায়োফ্যান্টাস ব্যতিত আর কাউকে বীজগণিত নিয়ে খুব একটা চিন্তাভাবনা করতে দেখা যায়নি। ভারতীয়দের গাণিতিক উত্কর্ষের সময়টা অনেক প্রাচীন ছিল। সুতরাং খারিজমির সময় বীজগণিতের অবস্থা ছিল ম্রিয়মান। এ সময় তিনি বীজগণিতের ভিত্তি স্থাপন করে আধুনিক গণিতের পথকে অনেকটাই কুসুমাস্তীর্ণ করে তোলেন। তাকে গণিতের অন্যতম জনক হিসাবে বিবেচনা করা হয়।[১৮][১৯]

  • খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে হিন্দু গণিতবিদগণ দশমিক পদ্ধতির উদ্ভাবন করেন।[১০] হিন্দুদের উদ্ভাবিত এই দশমিক পদ্ধতি খারিজমিই প্রথম ইসলামী জগতে নিয়ে আসেন। তার রচিত The Book of Addition and Subtraction According to the Hindu Calculation (যোগ-বিয়োগের ভারতীয় পদ্ধতি) তারই উদাহরণ।
  • আরবি ভাষায় তার রচিত গ্রন্থই সর্বপ্রথম ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত হয়। পাশ্চাত্য সভ্যতায় ল্যাটিন ভাষার মাধ্যমেই তার গবেষণার বিকাশ ঘটে। অ্যালগরিদম উত্পত্তিই এর উত্কৃষ্ট উদাহরণ।
  • তার রচিত পুস্তক কিতাব আল জাবর ওয়াল মুকাবলা হতে বীজগণিতের ইংরাজী নাম আলজেবরা উত্পত্তি লাভ করে।
  • Algorithm শব্দটি Alkhwarizmi নামের ল্যাটিন অপভ্রংশ algorismi হতে উত্পত্তি লাভ করেছে।

পাটিগণিতে অবদান[সম্পাদনা]

পাটিগণিতেও অসামান্য পারদর্শী ছিলেন। তিনিই প্রথম শূণ্য (0) সহ অন্যান্য সংখ্যার ব্যবহার শুরু করেন, তাঁর মাধ্যমেই ইউরোপ শূণ্যের ব্যাবহার শিক্ষা লাভ করে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবদান[সম্পাদনা]

জ্যোতির্বিজ্ঞানে আল খারিযমি একটি স্মরণীয় নাম । এ শাস্ত্রে তিনি বহু মৌলিক অবদান রেখে গেছেন, তাঁর রচিত 'নির্ঘণ্ট' প্রাচ্যে ও পাশ্চাত্যে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এর সাহায্যে ইবনে আলী জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর পর্যবেক্ষণ চালান এবং এ বিষয়ে বহু গ্রন্থ প্রণয়ন করেন।

 আল ফারাগণী তাঁর যুগের একজন শ্রেষ্ঠ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন। তাঁর রচিত 'জ্যোতির্বিজ্ঞানের সংক্ষিপ্তসার' (Elements of Astronomy)  ক্রিমেনার জিয়ার্ড ল্যাটিন ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন।

ভূগোলে অবদান[সম্পাদনা]

তাঁর রচিত সুরত-আল-আরদ (The image of the Earth) গ্রন্থটি বিশ্বের প্রথম মানচিত্র হিসেবে বিবেচিত।[২০]

ত্রিকোনোমিতিতে অবদান[সম্পাদনা]

আল খোয়ারিজমি রচিত জিজ আল সিন্দহিন্দে ত্রিকোণমিতি নিয়ে কম কাজ থাকলেও তা বেশ গুরুত্বপুর্ণ। এই বইয়ে ত্রিকোণমিতিক ফাংশন সাইন এবং কোসাইন-এর অনুপাত নির্ণয় করে এগুলোকে তার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল টেবিলে সংযুক্ত করেন। গোলকীয় ত্রিকোণমিতি নিয়েও খোয়ারিজমির একটি বই রয়েছে।[২১]

ইহুদী বর্ষপঞ্জি[সম্পাদনা]

হিব্রু বর্ষপঞ্জি নিয়ে খোয়ারিজমি 'রিসালা ফি ইসতিখরাজ তারিখ আল ইয়াহুদ'(Extraction of the Jewish Era) শিরোনামের একটি বই রচনা করেন। সপ্তাহের কোন দিন মাসের প্রথম দিন হবে তা নির্ণয়ের উপায় তিনি এতে বর্ণনা করেন। এটি ‘তিশ্রি’ নামেও পরিচিত। এছাড়াও ইহুদি বর্ষ বা ‘অ্যানো মুন্ডি’ এবং ‘অ্যানো গ্রেকোরাম’ বা গ্রীক বর্ষের মধ্যকার বিরামকাল তিনি নির্ণয় করেন। হিব্রু পঞ্জিকা ব্যবহার করে সূর্য ও চাঁদের দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা নিয়েও এতে আলোচনা আছে।[২২]

গ্রন্থাবলী[সম্পাদনা]

জীবনীসংক্রান্ত
বীজগণিত
পাটীগণিত
জ্যোতির্বিদ্যা
  • Goldstein, B. R. (১৯৬৮)। Commentary on the Astronomical Tables of Al-Khwarizmi: By Ibn Al-Muthanna। Yale University Press। আইএসবিএন 0-300-00498-2 
  • Hogendijk, Jan P. (১৯৯১)। "Al-Khwārizmī's Table of the "Sine of the Hours" and the Underlying Sine Table"। Historia Scientiarum42: 1–12। 
  • King, David A. (১৯৮৩)। Al-Khwārizmī and New Trends in Mathematical Astronomy in the Ninth Century। New York University: Hagop Kevorkian Center for Near Eastern Studies: Occasional Papers on the Near East 2এলসিসিএন 85150177 
  • Neugebauer, Otto (১৯৬২)। The Astronomical Tables of al-Khwarizmi 
বর্তুল ত্রিকোণমিতি
  • B. A. Rozenfeld. "Al-Khwarizmi's spherical trigonometry" (Russian), Istor.-Mat. Issled. 32–33 (1990), 325–339.
Jewish calendar
ভূগোল
  • Daunicht, Hubert (১৯৬৮–১৯৭০)। Der Osten nach der Erdkarte al-Ḫuwārizmīs : Beiträge zur historischen Geographie und Geschichte Asiens (German ভাষায়)। Bonner orientalistische Studien. N.S.; Bd. 19। এলসিসিএন 71468286 
  • Mžik, Hans von (১৯১৫)। "Ptolemaeus und die Karten der arabischen Geographen"। Mitteil. D. K. K. Geogr. Ges. In Wien58: 152। 
  • Mžik, Hans von (১৯১৬)। "Afrika nach der arabischen Bearbeitung der γεωγραφικὴ ὑφήγησις des Cl. Ptolomeaus von Muh. ibn Mūsa al-Hwarizmi"। Denkschriften d. Akad. D. Wissen. In Wien, Phil.-hist. Kl.59 
  • Mžik, Hans von (১৯২৬)। Das Kitāb Ṣūrat al-Arḍ des Abū Ǧa‘far Muḥammad ibn Mūsā al-Ḫuwārizmī। Leipzig। 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Berggren 1986; Struik 1987, পৃ. 93
  2. O'Connor, John J.; Robertson, Edmund F., "Abū Kāmil Shujā‘ ibn Aslam", MacTutor History of Mathematics archive, University of St Andrews.
  3. There is some confusion in the literature on whether al-Khwārizmī's full name is Abū ʿAbdallāh Muḥammad ibn Mūsā al-Khwārizmī or Abū Jaʿfar Muḥammad ibn Mūsā al-Khwārizmī. Ibn Khaldun notes in his encyclopedic work: "The first who wrote upon this branch (algebra) was Abu ʿAbdallah al-Khowarizmi, after whom came Abu Kamil Shojaʿ ibn Aslam." (MacGuckin de Slane). (Rosen 1831, pp. xi–xiii) mentions that "[Abu Abdallah Mohammed ben Musa] lived and wrote under the caliphat of Al Mamun, and must therefore be distinguished from Abu Jafar Mohammed ben Musa, likewise a mathematician and astronomer, who flourished under the Caliph Al Motaded (who reigned A.H. 279-289, A.D. 892-902)." Karpinski notes in his review on (Ruska 1917) that in (Ruska 1918): "Ruska here inadvertently speaks of the author as Abū Gaʿfar M. b. M., instead of Abū Abdallah M. b. M."
  4. (Boyer 1991, "The Arabic Hegemony" p. 229) "It is not certain just what the terms al-jabr and muqabalah mean, but the usual interpretation is similar to that implied in the translation above. The word al-jabr presumably meant something like "restoration" or "completion" and seems to refer to the transposition of subtracted terms to the other side of an equation; the word muqabalah is said to refer to "reduction" or "balancing" – that is, the cancellation of like terms on opposite sides of the equation."
  5. Boyer, Carl B., 1985. A History of Mathematics, p. 252. Princeton University Press. "Diophantus sometimes is called the father of algebra, but this title more appropriately belongs to al-Khowarizmi..." , "...the Al-jabr comes closer to the elementay algebra of today than the works of either Diophantus or Brahmagupta..."
  6. S Gandz, The sources of al-Khwarizmi's algebra, Osiris, i (1936), 263–277,"Al-Khwarizmi's algebra is regarded as the foundation and cornerstone of the sciences. In a sense, al-Khwarizmi is more entitled to be called "the father of algebra" than Diophantus because al-Khwarizmi is the first to teach algebra in an elementary form and for its own sake, Diophantus is primarily concerned with the theory of numbers."
  7. https://eclass.uoa.gr/modules/document/file.php/MATH104/20010-11/HistoryOfAlgebra.pdf,[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] "The first true algebra text which is still extant is the work on al-jabr and al-muqabala by Mohammad ibn Musa al-Khwarizmi, written in Baghdad around 825"
  8. Esposito, John L. (২০০০-০৪-০৬)। The Oxford History of Islam (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 188। আইএসবিএন 978-0199880416Al-Khwarizmi is often considered the founder of algebra, and his name gave rise to the term algorithm. 
  9. Knuth, Donald (১৯৭৯)। Algorithms in Modern Mathematics and Computer Science (PDF)Springer-Verlagআইএসবিএন 978-0387111575। ২০০৬-১১-০৭ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  10. Struik 1987, পৃ. 93
  11. Philip Khuri Hitti (২০০২)। History of the Arabs। পৃষ্ঠা 379। আইএসবিএন 978-1137039828 
  12. Fred James Hill, Nicholas Awde (২০০৩)। A History of the Islamic World। পৃষ্ঠা 55। আইএসবিএন 978-0781810159"The Compendious Book on Calculation by Completion and Balancing" (Hisab al-Jabr wa H-Muqabala) on the development of the subject cannot be underestimated. Translated into Latin during the twelfth century, it remained the principal mathematics textbook in European universities until the sixteenth century 
  13. Shawn Overbay, Jimmy Schorer, and Heather Conger, University of Kentucky"Al-Khwarizmi" 
  14. "Islam Spain and the history of technology"www.sjsu.edu। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৪ 
  15. L., V.D. (1985). A history of algebra: from al – Khwarizmi to emmy noether. Berlin: Springer-Verlag.
  16. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Arndt নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  17. Toomer
  18. Boyer, Carl B., 1985. A History of Mathematics, p. 252. Princeton University Press.
  19. Rosen 1831, পৃ. v–vi; Toomer 1990
  20. The full title is "The Book of the Description of the Earth, with its Cities, Mountains, Seas, All the Islands and the Rivers, written by Abu Ja'far Muhammad ibn Musa al-Khwārizmī, according to the Geographical Treatise written by Ptolemy the Claudian", although due to ambiguity in the word surah it could also be understood as meaning "The Book of the Image of the Earth" or even "The Book of the Map of the World".
  21. [http:http://www-history.mcs.st-andrews.ac.uk/Biographies/Al-Khwarizmi.html "Abu Ja'far Muhammad ibn Musa Al-Khwarizmi"]। University of St Andrews। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ৮, ২০১৮ 
  22. Toomer 1990